[0:00]বাংলাদেশে পেওনিয়ারের দিন শেষ আজকের ভিডিওতে আপনাদেরকে আমি পরিচয় করিয়ে দিব বাংলাদেশের নতুন আশা একটি সেরা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম এনসেভের সাথে। এনসেভ নিয়ে গত কয়েকদিন গবেষণা করে যা বুঝলাম এটা পেওনিয়ারের শুধুমাত্র বেস্ট অল্টারনেটিভ না বরং বাংলাদেশে পেপ্যাল না থাকার কষ্টটাও মুছে দিতে যাচ্ছে। পেমেন্ট রিসিভ বা উইথড্রালে কোন এক্সট্রা চার্জ নেই। ইনস্ট্যান্ট উইথড্রলের সাথে মার্কেটের সেরা ডলার রেট, ডেইলি নিউয়ার্স সহ পেওনিয়রকে বিট করার মতো এরকম আরও অনেক সুবিধা রয়েছে, যা এই ভিডিওতে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি। এনসেভ হলো একটি ইউকে বেস্ট ফিনটেক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ইনভেস্ট করছে সেকোয়া ক্যাপিটাল। যারা সাধারণত স্ট্রাইপ, পেপ্যাল, মাইক্রোসফট, স্পেস এক্স, ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম বা মেটার মতো বিশ্বমানের কোম্পানিতে ইনভেস্ট করে। সো বুঝতেই পারছেন ছোটখাটো কোন ইনিশিয়েটিভ না, এমনকি ব্লুমবার্গেও এনসেভে সেকোয়ার ফান্ডিং নিয়ে নিউজ হয়েছে। তো চলুন দেখে নেই কিভাবে আপনি এনসেভে সঠিক পদ্ধতিতে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে পারবেন মাত্র কয়েক মিনিটে। আমরা সরাসরি চলে যাবো Google প্লে স্টোরে বা Apple App Store এ গিয়ে এনসেভ লিখে সার্চ করবো। এনসেভ লিখে সার্চ করার পর এনসেভ গ্লোবাল ইউএসডি অ্যাকাউন্ট নামে এরকম একটা অ্যাপ আপনাদের সামনে চলে আসবে। এটাকে জাস্ট আপনারা ইন্সটল করে নিবেন। খুবই লাইটওয়েট একটা অ্যাপ, এটা ইন্সটল হতে আপনার সর্বোচ্চ ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড সময় লাগতে পারে। ইন্সটল হওয়ার পর এখানে আপনি দেখতে পাচ্ছেন সাইনআপ একটা আইকন আছে, সেই আইকনে ক্লিক করবেন। সাইনআপ আইকনে ক্লিক করার পরে আপনার সামনে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার চাইবে। হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারটা দেওয়ার পরে আপনি সেই নাম্বারে সাইনআপ ক্লিক করার পর একটি ওটিপি যাবে। ওটিপিটা আপনার হোয়াটসঅ্যাপে যাবে, সেই ওটিপিটা বসালে আপনি নেক্সটে চলে যাবেন, তারপর আপনি আপনার লোকেশন এবং ন্যাশনালটি সিলেক্ট করবেন। লোকেশন ন্যাশনালটি সিলেক্ট করার পর এখানে ক্রিয়েট পাসওয়ার্ড আছে, সেখানে আপনাকে ৮টি ক্যারেক্টারসে পাসওয়ার্ড দিতে হবে, যেখানে একটি নাম্বার, একটি আপার কেস লেটার, একটি লোয়ার কেস লেটার এবং একটি স্পেশাল ক্যারেক্টারস থাকতে হবে। দেন হচ্ছে আপনি আপনার পাসওয়ার্ডটা বসিয়ে কন্টিনিউতে যাবেন। কন্টিনিউতে যাওয়ার পরে আপনার এখানে দিতে হবে ইমেইল অ্যাড্রেসটি, যেই ইমেইল অ্যাড্রেসটি আপনার অ্যাকাউন্টের জন্য আপনি ব্যবহার করতে চান। সো ইমেইল অ্যাড্রেসটা দেওয়া হয়ে গেলে আমরা ক্রিয়েট অ্যাকাউন্টে ক্লিক করবো। ক্রিয়েট অ্যাকাউন্টে ক্লিক করলে মোটামুটি আমাদের অ্যাকাউন্ট কিন্তু অলরেডি তৈরি হয়ে গেছে। এরপর তিনটি ধাপে আপনার অ্যাকাউন্টকে অনবোর্ড করতে হবে- বিল্ড ইউর প্রোফাইল, ভেরিফাই অ্যাড্রেস এবং ভেরিফাই আইডেন্টিটি। তবে এখানে হতাশ হওয়ার কিছু নেই, জাস্ট অল্প কয়েক মিনিটেই আপনার অ্যাকাউন্টটা আপনি তৈরি করে ফেলতে পারবেন। দেন বিল্ড ইউর প্রোফাইলে যাবো। বিল্ড ইউর প্রোফাইলে গিয়ে প্রথমেই হচ্ছে স্ট্যাটাস অফ এমপ্লয়মেন্ট। আপনি কি করেন? তো আমরা হচ্ছে আন সেলফ এমপ্লয়েড দিয়েছি, তারপর হচ্ছে সিলেক্ট ইউর জব। তো আমরা এখান থেকে আমাদের জবটা আদার্স সিলেক্ট করলাম, সিলেক্ট করে এখানে কনটেন্ট ক্রিয়েটর লিখে দিলাম আমাদের পজিশন। এরপরে হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রি, আপনি কোন ইন্ডাস্ট্রিতে জব করছেন বা কাজ করছেন? তো আমি সোশ্যাল মিডিয়া আমাদেরটা সিলেক্ট করে দিচ্ছি। তারপরে হচ্ছে আপনার মেইন সোর্স অফ ইনকাম আসলে কি? তো আমরা আমাদের মেইন সোর্স অফ ইনকাম দেখাচ্ছি স্যালারি এন্ড ওয়েজেস। তারপরেই আপনি হচ্ছে আপনার মান্থলি টোটাল ইনকাম কত সেটা দিবেন। এখানে অনেক অ্যামাউন্ট রয়েছে, শূন্য থেকে ৫০০ এবং আপটু ৬০০০ ডলারস। তো আমরা এখানে ৬০০০ ডলার প্লাস দিয়ে দিচ্ছি। তারপরে কন্টিনিউতে যাচ্ছি। দেন হচ্ছে হোয়াট ইজ ইউর প্রাইমারি ইউজেস ফর এনসেভ? আপনি এনসেভটা প্রাইমারিলি কি কারণে ইউজ করবেন? তো আমরা এখানে ট্রানজেকশন দিয়ে দিবো, কারণ আমাদের ট্রানজেকশনটাই বেশি প্রয়োজন পড়ে। তারপরে হচ্ছে আপনি কি পরিমাণ মান্থলি ট্রানজেকশন করবেন এই এনসেভ ব্যবহার করে? তো এটা আমরা দিয়ে দিচ্ছি ৩০০০ প্লাস ইউএস ডলার্স, আপনি আপনার মতো করে দিয়ে নিবেন। তারপর হচ্ছে চুজ ইউর অ্যাকাউন্ট, এটা আমরা ইউএস ডলার ইউএসডি অ্যাকাউন্ট সিলেক্ট করলাম। এটা সিলেক্ট করার পর আপনাকে একটা পিন ক্রিয়েট করতে হবে, যেই পিনটা দিয়ে আপনি আপনার ট্রানজেকশন কমপ্লিট করবেন, যেমনটা আমরা বিকাশ বা নগদে লাস্টে একটা পিন দিয়ে আমাদের ট্রানজেকশন ইনিশিয়েট করি। সো ঐরকম একটা পিন্ট আপনাকে দিতে হবে এখানে ৪টা ওয়ার্ডের। তো পিনটা দিলাম। পিনটা দেওয়ার পরে আমাদের পরবর্তী ধাপ হচ্ছে ভেরিফাই ইউর অ্যাড্রেস, ঠিক আছে? তো এবার আমরা আমাদের অ্যাড্রেস ভেরিফাই এর জন্য ভেরিফাই অ্যাড্রেসে ক্লিক করব, দেন হচ্ছে কন্টিনিউতে যাবো। কন্টিনিউতে আসার পরে এখানে প্রথমে কান্ট্রি, তারপরে হাউজ, ফ্ল্যাট, অ্যাড্রেস, পোস্টাল কোড এবং হচ্ছে সিটি এবং অন্যান্য সকল ডিটেলস দিয়ে আপনি আপনার যে মানে অ্যাড্রেসটা আছে, সেই অ্যাড্রেসটা কমপ্লিট করবেন। অ্যাড্রেস কমপ্লিট করার পরে আমরা ভেরিফাই আইডেন্টিটিতে যাবো। ঠিক আছে? ভেরিফাই আইডেন্টিটিতে ক্লিক করবো, দেন গেট স্টার্টেডে যাবো, তারপর প্রথমত এখানে আপনাকে আইডি ভেরিফিকেশন করতে হবে, আপনার নেম অ্যান্ড ডেট অফ বার্থ দিতে হবে এবং লাইভনেস চেক আপনার ভিডিও সেলফি তুলতে হবে। তো আমরা এখানে প্রথমে আইডি ভেরিফিকেশনটা করবো, আই অ্যাম রেডিতে যাবো। সো এইজন্য আপনাকে অবশ্যই সকল ডিটেলস আপনার পাসপোর্ট বা আইডি কার্ড অনুযায়ী দিতে হবে। তো এখানে আইডি ভেরিফিকেশনের জন্য বাংলাদেশ কান্ট্রি সিলেক্ট করার পর আমরা ন্যাশনাল আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্ট এই দুইটার যেকোনো একটা দিয়ে কিন্তু আমাদের অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবো। তো এখান থেকে আপনি রিকোমেন্ড করা হচ্ছে যে আইডি কার্ড দিয়ে করবেন, তবে আইডি কার্ড করলে সেক্ষেত্রে আপনি আইডি কার্ডের ছবি, স্ক্যান করা ছবিও দিতে পারেন অথবা ছবি তুলেও দিতে পারেন, দিলে মানে আপনার ফ্রন্ট সাইড এবং ব্যাক সাইড দুটোই দিতে হবে, আর পাসপোর্ট দিলে শুধুমাত্র আপনার ছবির যে পেজটা সেটা দিতে হবে। বাট আমরা আসলে এখানে সিলেক্ট করবো আমাদের পাসপোর্টটা। তো এখানে আপনি ছবি তুলেও দিতে পারেন আপনার গ্যালারি থেকে আপলোডও করতে পারেন। সো আমরা আমাদের গ্যালারি থেকে আমাদের পাসপোর্টটা আপলোড করে দিচ্ছি, শুধুমাত্র ছবির যে অংশটা, ডিটেলস ইনফরমেশন না। দেন আমাদের নেম এন্ড ডেট অফ বার্থ আমরা দিয়ে নেক্সটে যাবো, তারপর প্রিপেয়ার ফর ভেরিফিকেশন, যেটা অবশ্যই খুবই ইম্পর্টেন্ট। যেমন এখানে আপনার ভালো লাইটিং থাকতে হবে, কোন সানগ্লাস পরা থাকা চলবে না বা হচ্ছে চশমা পরা থাকা চলবে না, মাথায় ক্যাপ রাখা যাবে না বা টুপি রাখা যাবে না এবং ন্যাচারাল এক্সপ্রেশন দিতে হবে, হাসি টাছি দেওয়া যাবে না, ঠিক আছে? সো এভাবে করে আপনি জাস্ট নেক্সটে যাবেন, দেখতে পাচ্ছেন যে গেট রেডি ফর ইউর ভিডিও সেলফি। তো আমরা আমাদের ভিডিও সেলফিটা তুলে নিচ্ছি, আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন। ওকে, মাঝে মাঝে একটু ক্লোজ করতে হবে। দেন হচ্ছে আপনার এটা হোল্ড হয়ে গেলে থ্রিডি ফেস স্ক্যান কমপ্লিট হয়ে যাবে। দেন দেখতে পাচ্ছেন ভেরিফিকেশন রিকুয়েস্ট সাবমিট হয়ে গেছে, এবার আমাদের ভেরিফাই আইডেন্টিটাও কমপ্লিট হয়ে গেলো। এবার আমরা রিভিউ এবং এখান থেকে টার্মস এন্ড কন্ডিশনগুলো আপনারা চাইলে মেম্বারশিপ এগ্রিমেন্টগুলো এখান থেকে পড়ে নিতে পারেন, যা যাতে করে সবকিছু জানেন। দেন আমরা এক্সেপ্ট, রিভিউ এন্ড কনফার্মে যাবো। দেন আমরা কনফার্মে যাচ্ছি। দেখতে পাচ্ছেন কনফার্মে যাওয়ার পরে আমাদের এটা কিন্তু অ্যাপ্লিকেশন ইজ বিইং প্রসেসড, এবং মাত্র এক মিনিটেই আমাদের অ্যাকাউন্টটা কিন্তু অলরেডি ক্রিয়েট হয়ে গেছে, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, ঠিক আছে? এবং অলরেডি আমরা ৪.২% রিওয়ার্ডসের অপশনটা এনেবল করতে পেরেছি। রিওয়ার্ডসটা কি সেটা আমি একটু পরেই আপনাদেরকে বলছি। তো এখানে দেখতে পাচ্ছেন যে অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পরে অ্যাকশন রিকোয়ার্ড একটা অপশন এসেছে। তো এই অ্যাকশন রিকোয়ার্ডে ক্লিক করে আপনি কিন্তু আপনার যেই অ্যাড্রেস আছে, সেই অ্যাড্রেসটা ভেরিফাই করতে হবে। দেখতে পাচ্ছেন প্লিজ আপলোড ইউর প্রুফ অফ অ্যাড্রেস টু কন্টিনিউ ইউজিং ইউর অ্যাকাউন্ট। তো এখানে অ্যাকশন রিকোয়ার্ডে যাবো, তবে তার আগে আমি আপনাদেরকে আমাদের অ্যাকাউন্ট ডিটেলসটা দেখিয়ে নিই। এখান থেকে দেখতে পাচ্ছেন আমরা অলরেডি ওয়ার এবং হচ্ছে এসিএইচ রাউটিং দুটোই পেয়েছি, যেখানে আমাদের অ্যাকাউন্ট ইনফরমেশন আছে এবং লন্ডনের বা ইউকের ক্লিয়ার ব্যাংকের একটি সরাসরি অ্যাকাউন্ট কিন্তু আমাদের নিজের নামে যেটা চেকিং অ্যাকাউন্ট বা কারেন্ট অ্যাকাউন্ট হিসেবে তৈরি হয়েছে। এরপরে এখানে দেখতে পাচ্ছেন যে অ্যাকাউন্টসের পরেই এখানে আমরা ইউএসডি অ্যাকাউন্ট দেখতে পাচ্ছি, বাট আপনি খুব সহজেই কিন্তু জিবিপি অ্যাকাউন্ট এর রিকুয়েস্ট করতে পারবেন। সেটা কিভাবে করবেন একটু পরেই দেখাচ্ছি। দেন আমরা এখানে আরেকটা অপশন দেখতে পাচ্ছি ইনভেস্ট, আপনি চাইলে এইখানে কিন্তু বাংলাদেশ থেকেই ইনভেস্ট করতে পারবেন। এছাড়াও রয়েছে কার্ড। কার্ডটা অর্ডার করতে চাইলে আপনাকে কিন্তু দেখতে পাচ্ছেন কার্ডে কোন ফি নেই এবং অনলাইন পেমেন্টস বা ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজেকশন যেকোনো কিছু Google প্লে স্টোর সব জায়গায় আপনি ইউজ করতে পারবেন। বাট কার্ড অর্ডার করতে গেলে আপনার ১.৯৯ ডলার দিতে হবে, কিন্তু অ্যানুয়াল কোন ফিজ নেই বা মান্থলি কোন চার্জ নেই। তো এবার চলুন আমাদের অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশনটা করে ফেলি। এখানে আপলোডে ক্লিক করবো, দেন হচ্ছে ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট, আপনি চাইলে ইলেকট্রিসিটি বিলও দিতে পারেন। বাট আমরা ইলেকট্রিসিটি বিল দিবো না, আমরা দিবো ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট। তো আমরা আমাদের ব্যাংক থেকে আমাদের ব্যাংকের অ্যাপ থেকে একটি ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট ডাউনলোড করে নিয়েছি, সেটা এখানে আপলোড করতে হবে। এবং দেন হচ্ছে আপনার যে অ্যাড্রেসটা রয়েছে, সেই অ্যাড্রেসটা আপনাকে এখানে ইনপুট করতে হবে। তো এটা একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ইম্পর্টেন্ট জিনিস, কারণ পেওনিয়ার হচ্ছে আমরা যখন আসলে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে যেতাম, তখন সেটার ফিজিক্যাল যে ইউটিলিটি বিল আছে সেগুলা চায় বা হচ্ছে ব্যাংক যে স্টেটমেন্ট আছে সেগুলা দিলেও সহজে আসলে ভেরিফাই হয় না। বাট এখানে এই জিনিসটা খুবই দারুণ, আপনি যদি আপনার ব্যাংকিং অ্যাপ থেকে জাস্ট আপনার যে ব্যাংক স্টেটমেন্ট আছে, ব্যাংক সলভেন্সি আছে বা ফাইনান্সিয়াল সার্টিফিকেট আছে, ঠিক আছে বা ব্যাংক সার্টিফিকেট আছে এগুলা ডাউনলোড করে দিলে যেখানে আপনার অ্যাড্রেস সংবলিত আছে, আপনার নাম আছে তাহলেই কিন্তু এটা হয়ে যাচ্ছে। এটা কিন্তু খুবই অ্যামেজিং। তো আমরা আমাদের যে ফাইনান্সিয়াল ডকুমেন্ট সেটা আপলোড করবো, আপলোড করার জন্য এখানে ক্লিক টু আপলোডে ক্লিক করবো। দেন হচ্ছে আমাদের ফাইলটা আপলোড করে দিচ্ছি, আপনি পিডিএফ, জেপিজি এখানে আপলোড করতে পারবেন। দেন হচ্ছে আপনি আপনার যে অ্যাড্রেসটা, সেই অ্যাড্রেসটা আবার পুনরায় লিখে দিবেন।
[8:16]অবশ্যই এখানে দেওয়ার সময় আপনি যে ফাইনান্সিয়াল ডকুমেন্টে এখানে সাবমিট করছেন, সেই ডকুমেন্টের অ্যাড্রেস এবং হচ্ছে আপনি এখানে যে অ্যাড্রেস দিচ্ছেন এই দুইটা যেন মিলে তাহলেই কিন্তু এটা ভেরিফাই হবে। সো দেখতে পাচ্ছেন আমাদের এটা কিন্তু ভেরিফিকেশন রিকুয়েস্ট আমরা সাবমিট করে ফেলেছি, এখন আমরা কন্টিনিউতে চলে যাবো। তো দেখতে পাচ্ছেন ওয়েট এ মোমেন্ট, ডকুমেন্ট আন্ডার রিভিউ আমাদের ডকুমেন্টটি রিভিউ করা হচ্ছে। আর এই রিভিউটা একদম আহামরি রিভিউ না, মানে একদমই অল্প সময় মাত্র এক মিনিট লেগেছে আমাদের রিভিউটা কমপ্লিট হতে এবং আমাদের অ্যাকাউন্টটা অ্যাক্টিভ হতে। তো দেখতে পাচ্ছেন যে অলরেডি আমাদের রিভিউটা কিন্তু কমপ্লিট হয়ে গেছে এবং আমাদের অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে গেছে। বাই দা ওয়ে এটা কিন্তু এনসেভের পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট ছিল, বাট আপনি চাইলে কিন্তু এনসেভে বিজনেস অ্যাকাউন্টও তৈরি করতে পারেন। জাস্ট আপনার ট্রেড লাইসেন্স থাকলেই আপনি খুব সহজেই একটা লার্জ ফেসিলিটিস সহ এনসেভের বিজনেস অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে পারেন। সে সম্পর্কে না হয় অন্য কোনদিন বিস্তারিত কথা বলবো। তো এনসেভে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সিস্টেম। তো এখান থেকে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমরা যদি ইনভেস্ট সেকশনে আসি, এখান থেকে আপনি চাইলেই কিন্তু বিভিন্ন টপ মার্কেটের যে ক্যাপগুলো আছে, সেই ক্যাপগুলোতে ইনভেস্ট করতে পারবেন। যেমন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন Nvidia, Apple, তারপরে হচ্ছে আপনার Microsoft, Amazon, Meta, Tesla, ঠিক আছে? তো এই ধরনের যে বড় বড় কোম্পানিগুলো ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডগুলো আছে, সেগুলোতে আপনি চাইলে ইনভেস্ট করতে পারবেন একদমই বাংলাদেশ থেকে বসে। তবে আপনি যদি এই সম্পর্কে জ্ঞান না রাখেন, না বুঝেন বা একদমই যদি আপনার ধারণা না থাকে, তাহলে আপনি ইনভেস্টমেন্টটা আমার মনে হয় শুরুতেই যাওয়া উচিত না, এ সম্পর্কে স্টাডি করে একদম নিজ দায়িত্বে আপনি যদি ইনভেস্ট করেন তাহলে করবেন, ঠিক আছে? এনসেভে আপনি আপনার ডেডিকেটেড ইউএসডি অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি ডেডিকেটেড জিবিপি অ্যাকাউন্টও তৈরি করতে পারবেন। সেই জন্য ইউএসডি অ্যাকাউন্টে ক্লিক করবেন, তারপর হচ্ছে রিকুয়েস্ট জিবিপি অ্যাকাউন্টে যাবেন। জাস্ট রিকুয়েস্ট জিবিপি অ্যাকাউন্টে ক্লিক করলে গেট ফর জিরো ডলার মানে একদমই ফ্রিতে আপনি তৈরি করতে পারবেন। এখানে এটা ক্লিক করবেন এবং ক্লিক করার পর জাস্ট উইথইন ওয়ান মিনিট আপনার জিবিপি অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে, যেটা দিয়ে আপনি কিন্তু ইউকে বেসড যে ট্রানজেকশনগুলো আছে সেগুলো ইনস্ট্যান্টলি করতে পারবেন। সো আমরা দেখতে পাচ্ছেন যে এইমাত্র রিকুয়েস্ট করেছি এবং এখনই কিন্তু আমাদের অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেছে, অলরেডি আমরা অ্যাকাউন্ট ইনফরমেশন এবং অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস সহ কিন্তু পেয়ে গিয়েছি। ইউকে বেসড যে সমস্ত ট্রানজেকশনগুলো আছে সেগুলা আপনি এখানে সুপার ফাস্টে করতে পারবেন। একটা ইন্টারেস্টিং জিনিস হলো এনসেভে আপনি ইউএসডি হোল্ড করে রিওয়ার্ড পেতে পারেন। সেটা এই মুহূর্তে আমার একাউন্টে ৪.২% রয়েছে, এটা আপ টু ৫% পর্যন্ত যেতে পারে। আপনার একাউন্টে যদি ৪% থাকে তাহলে সেটা অ্যানুয়াল হিসেবে আপনাকে রিওয়ার্ডটা প্রদান করা হবে, বাট পে করা হবে আপনাকে ডেইলি। যেমন হচ্ছে আপনার একাউন্টে যদি ১০,০০০ ডলার থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনি এক ডলার প্লাস সামথিং সেন্ট কিন্তু প্রতিদিনের জন্য পেয়ে যাবেন যেটা খুবই অ্যামেজিং এবং এক বছরের জন্য থাকলে সেটা ৪০০ ডলারের উপরে চলে যেতে পারে।
[10:50]বাট এই মুহূর্তে আমার অ্যাকাউন্টে এটা ৪.২% রয়েছে, অন্য কারো একাউন্টে সেটা আরও বেশি থাকতে পারে, এটা আপনার ট্রানজেকশনের উপরে আসলে নির্ভর করে কমবেশি হতে পারে, যেটা কিন্তু এই মুহূর্তে আমি দেখিনি বাংলাদেশে অন্য কোন প্ল্যাটফর্ম আসলে দিচ্ছে। পেমেন্ট রিসিভ করার জন্য আপনি আপনার এনসেভ টু এনসেভ একাউন্টে পেমেন্ট রিসিভ করতেই পারবেন, যদি অন্য কোন ক্লায়েন্টের এনসেভ একাউন্ট থাকে। সে সরাসরি আপনাকে কোন প্রকার ফি ছাড়া কিন্তু পেমেন্ট সেন্ড করতে পারছে এবং আপনিও সেটা উইদাউট এনি ডিডাকশন আপনার একাউন্টে সরাসরি পেয়ে যাচ্ছেন। আর এর বাইরেও আপনি কিন্তু ওয়্যার ট্রান্সফার পাবেন, আপনার একাউন্ট ডিটেলস সেখান থেকে শেয়ার করলে সরাসরি আপনার একাউন্টে ওয়্যার ট্রান্সফার করা যাবে। ওয়্যার ট্রান্সফারের পাশাপাশি আপনি এসিএইচ রাউটিং এর মাধ্যমেও কিন্তু টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন, যেটা আরও খুব বেশি ইনস্ট্যান্টলি ট্রান্সফার করা যায় ইউএস টু ইউএস ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এবং বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস যেমন হচ্ছে আপওয়ার্ক, ফাইবার, তারপরে freelancer.com, YouTube, Facebook, Meta বা Google অ্যাডসেন্স এর মত জায়গাগুলো থেকে খুব সহজেই আপনি পেমেন্ট ট্রান্সফার করতে পারবেন। সো এসিএইচ রাউটিং সিস্টেমটা সাধারণত হচ্ছে ইউএস টু ইউএস এর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে একটি ট্রান্সফারিং পদ্ধতি, যেটা আমাদের বাংলাদেশে আসলে এনপিএসবি বা হচ্ছে বিইএফটিএন যেমন আমরা আসলে ট্রান্সফার পদ্ধতি ব্যবহার করি। ঠিক তেমনি জাস্ট এটা ইউএস টু ইউএস ব্যাংক অ্যাকাউন্টে খুব সহজে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে ট্রান্সফার করতে সহায়তা করে। আর সেই সাথে আপনার যদি জিবিপি অ্যাকাউন্ট থাকে, সেখানেও কিন্তু আপনি ওয়্যার ট্রান্সফার পেয়ে যাবেন এবং যদি ইউকের ক্লায়েন্ট হয় তাহলে আপনি সুপার ফাস্ট এই জিবিপি অ্যাকাউন্ট থেকে কিন্তু টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন, যেটা আপনি আপনার জিবিপি অ্যাকাউন্টের যে ডিটেলস রয়েছে, সেটা জাস্ট শেয়ার করে দিলে কিন্তু সেখান থেকে সে খুব সহজেই টাকা ট্রান্সফার করে দিতে পারবে। তো এবার চলুন কিভাবে আপনি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এনসেভ থেকে টাকা উইথড্র করবেন সেটা আমি দেখিয়ে দিচ্ছি। এনসেভ থেকে টাকা উইথড্র করার জন্য সরাসরি আপনি সেন্ডে ক্লিক করবেন, দেখতে পাচ্ছেন এই মুহূর্তে আমাদের অ্যাকাউন্টে ১০০০ ডলার রয়েছে, এই টাকাটা আমরা উইথড্র করবো। তো আমরা সেন্ডে ক্লিক করব, সেন্ডে ক্লিক করার পর আপনি এনসেভ টু এনসেভে পাঠাতে পারেন অথবা নিউ ট্রান্সফার দিয়ে আপনি কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে পারেন। তো আমরা নিউ ট্রান্সফারে ক্লিক করবো এবং কান্ট্রি অফ ব্যাংক আমরা বাংলাদেশ সিলেক্ট করছি যেটা ইউএসডি টু বিডিটি। তো আমরা এখান থেকে চাচ্ছি যে ১০০০ ডলার আমরা উইথড্র করবো এবং ১০০০ ডলারে আমরা দেখতে পাচ্ছেন খুবই দুর্দান্ত একটা রেট পাচ্ছি ১ লক্ষ ২১ হাজার ৬০৮ টাকা ৯০ পয়সা। যেটা অন্যান্য যে প্ল্যাটফর্মগুলো রয়েছে, সেই প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রায় অনেক টাকাই কিন্তু বেশি। এখানে দেখতে পাচ্ছেন ইনস্ট্রিম তারপর হচ্ছে ওয়াইজ, জুম সবগুলোর থেকে কিন্তু এটাতে প্রাইস ভালো রয়েছে। তারপর আমরা অ্যাড রেসিপিয়েন্টে ক্লিক করবো, অ্যাড রেসিপিয়েন্টে ক্লিক করার পর আপনার যে ফার্স্ট নেম, লাস্ট নেম সেটা সিলেক্ট করতে হবে যদি ইনডিভিজুয়ালকে পাঠান, আর যদি আপনি বিজনেস অ্যাকাউন্টে পাঠান বা বিজনেস আইডেন্টিটিকে পাঠান তাহলে সেক্ষেত্রে বিজনেসে সিলেক্ট করতে হবে। তো আমরা আমাদের ফার্স্ট নেম এন্ড লাস্ট নেম দিয়ে দিচ্ছি। দেন হচ্ছে এখান থেকে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সিলেক্ট করবো, এখানে বিকাশ এবং নগদেও রয়েছে, আপনি কিন্তু বিকাশ নগদেও পেমেন্ট আপনি উইথড্র করতে পারবেন। বিকাশে খুবই দ্রুত এটা ট্রান্সফার করা যায়। আমরা এখানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড সিলেক্ট করলাম। দেন হচ্ছে একাউন্ট নাম্বারটা আমরা এখানে দিচ্ছি, তারপর এখানে যে সুইফট কোড আছে, সেই সুইফট কোডটা দিয়ে ক্রিয়েট কন্টাকে আমরা ক্লিক করবো। ক্রিয়েট কন্টাকে ক্লিক করলেই আপনারা দেখতে পাচ্ছেন কনফার্ম রেসিপিয়েন্ট এটাতে ক্লিক করতে হবে। কনফার্ম রেসিপিয়েন্টে গেলে আপনাকে ফাইনালি আপনার যে অ্যাড্রেসটা আছে, সেটা ভেরিফাই করতে বলছে বা কনফার্ম করতে বলছে। আমরা সেটা কনফার্ম দিয়ে দিলাম পোস্টাল কোড সহ। দেন হচ্ছে আমরা আমাদের একাউন্টের যে অ্যামাউন্টটা আছে, সেটা কন্টিনিউতে যাবো। দেন হচ্ছে হোয়াট দিস ট্রান্সফার ফর? আপনি কেন ট্রান্সফার করছেন? তো আমরা এখানে পার্সোনাল ইনকাম দিয়ে দিচ্ছি, তারপর হচ্ছে এখানে ট্রান্সফার ক্যাটাগরি আমরা সিলেক্ট করবো। ধরে নিচ্ছি পেমেন্ট ফর সার্ভিস। আমরা সার্ভিসের জন্য পেমেন্টটা নিয়েছি। দেন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে এখানে আপনার যে ডিটেলস সেটা দেখানো হচ্ছে। দেন আমরা এটা সোয়াইপ টু কনফার্মে যাবো। সোয়াইপ টু কনফার্মে গেলে কিন্তু আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে স্টিমেটেড ডেলিভারি ওয়ান টু থ্রি ডেজ লেখা আছে। বাট এইটা সাধারণত কিন্তু আপনার যে একাউন্ট সেই একাউন্টে ১০ মিনিটের মধ্যেই ক্রেডিট হয়ে যায়। এটা হচ্ছে কিছু কিছু ব্যাংকের ক্ষেত্রে সেই ব্যাংকিং সার্ভার বা ব্যাংকিং ইসুর কারণে হয়তোবা দেরি হয়। যেমন হচ্ছে আমার ক্ষেত্রে আমি হচ্ছে ইসলামী ব্যাংকে ট্রান্সফার করেছিলাম, এটা একটু দেরিতে পেয়েছি যেটা আপনারা একটু পরেই দেখতে পাবেন। মোটামুটি শুক্রবার দিন সকাল মানে একদম সকালে আমরা ট্রান্সফারটা দিয়েছিলাম, শুক্রবারও পাইনি সারাদিন, তারপর শনিবারও পাইনি, রবিবার দিন আমরা দুপুর বেলা দুপুর ১:৫৮ মিনিটে আমরা পেমেন্টটা পেয়েছি।
[15:20]দেখতে পাচ্ছেন এখানেও ১ লক্ষ ২১ হাজার ৬০৮ টাকা আমরা আমাদের একাউন্টে ট্রান্সফার করেছি। সো এভাবে আপনি কিন্তু খুব সহজেই ট্রান্সফার করতে পারবেন, বাট শুক্র শনি না পড়লে আপনি খুব সহজেই যেকোনো ব্যাংকে এটা ট্রান্সফার হয়ে যাবে। দেন দেখতে পাচ্ছেন যে আমাদের ট্রান্সফারটা কিন্তু কমপ্লিট হয়েছে। সো ট্রান্সফারটা আপনি যখন করবেন, তখন আপনি কিন্তু ট্রান্সফারের স্ট্যাটাসটাও এখান থেকে দেখতে পারবেন। এবং আপনার ট্রানজেকশনটা যখন কমপ্লিট হয়ে যাবে, তখন আপনাকে একটা অটো পেআউট রিসিপ্ট পাঠাবে, যেটা কিন্তু খুবই আমার কাছে ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে। কারণ এই রিসিপ্টটা আসলে থাকলে অনেক সময় আপনি আপনার যেই ব্যাংক আছে, সেই ব্যাংকে দেখাতে পারেন বা হচ্ছে আপনার যদি কোন বায়ার থাকে বা যাদের সাথে আপনি চুক্তি করেছেন কোন কাজের, সেই ক্ষেত্রে আপনি এগুলা কিন্তু ডকুমেন্ট হিসেবে রেখে দিতে পারেন, এটা আপনার কাজে আসতে পারে। তো এখানে আসলে উইথড্রয়াল ফি এর একটা বিষয় রয়েছে, সেটা আমাদেরকে একটু ক্লিয়ার করে দেই। উইথড্রয়াল ফি হচ্ছে আপনি যদি ১৬৪ ডলারের নিচে উইথড্র করেন, তাহলে সেক্ষেত্রে আপনার এক ডলারের নিচে মিনিমাম একটা উইথড্রল কষ্ট নেওয়া হবে, যেটা হচ্ছে ০.৬৭ সেন্ট সম্ভবত, যেটা ১০০ টাকারও কম। বাট হচ্ছে আপনি যদি ১৬৪ ডলারের উপরে ট্রানজেকশন করেন বা হচ্ছে উইথড্র করেন যেকোনো ব্যাংকে বা সেন্ড করেন, সেক্ষেত্রে কিন্তু কোন প্রকারের আসলে চার্জ আপনার কাছ থেকে কেটে রাখা হবে না। এছাড়াও আপনি কিন্তু এখান থেকে পাচ্ছেন ২.৫% গভর্মেন্ট ইনসেন্টিভ সিস্টেম, যেটা মোস্ট অফ দা ব্যাংক আসলে দেয়। বাট আমি আমার ইসলামী ব্যাংকে পাইনি, কেন পাইনি জানিনা, বেশিরভাগ সময় ইসলামী ব্যাংকে আমি হচ্ছে রেমিটেন্স আন ইনসেন্টিভ পাই, বাট কেন ইসলামী ব্যাংকে পাচ্ছি না সেটা আমি নিজেও বলতে পারিনা।
[16:48]সো যাইহোক মোস্ট অফ দা ব্যাংকে আপনি কিন্তু গভর্মেন্ট যে ইনসেন্টিভ রয়েছে সেটা পেয়ে যাবেন, আর বিকাশে কিন্তু ডেফিনেটলি আপনি ইনসেন্টিভ সহই পাবেন। বাই দা ওয়ে কিছুদিন আগে কিন্তু এনসেভের সাথে বিকাশের অফিসিয়ালি পার্টনারশিপ হয়েছে। তাই আপনি এখন বিকাশে কিন্তু দেশের সেরা ডলার রেটে ইনস্ট্যান্ট ট্রান্সফার করতে পারবেন উইদাউট এনি কাইন্ড অফ হিডেন চার্জেস এবং কোন প্রকার চার্জ নাই আপনার ট্রান্সফার করার ক্ষেত্রে। কমপ্লিটলি ফ্রি আপনি ট্রান্সফার করতে পারবেন এবং এখানেও আপনি হচ্ছে গভর্মেন্টের যে ২.৫% প্রণোদনা আছে, সেই টাকাটাও ইনক্লুড হবে আপনার যে মেইন টাকা আপনি ট্রান্সফার করবেন সেটার সাথে আরও বাড়তি ২.৫% টাকা কিন্তু আপনি পাবেন এটা বিকাশের ক্ষেত্রেও। সো হোপফুলি বুঝতেই পারছেন যে আসলে এনসেভ এমন ভাবে এপ্রোচ করছে যাতে করে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সার বলেন, ইউটিউবার বলেন সবার জন্যই যেন এটা এপ্রোপ্রিয়েট একটা পেমেন্ট গেটওয়ে হয়। এবং ঈদ উপলক্ষে তাদের নতুন একটা ফিচার দেখে খুবই ভালো লাগলো, সরাসরি ওয়েবসাইটে কমপ্লিটলি ফ্রিতে আপনি যাকাত ক্যালকুলেটর পেয়ে যাচ্ছেন এনসেভ, এটা কিন্তু খুবই চমৎকার করেছে অ্যাপ্রিশিয়েট ইট। আপনি গিয়ে খুব সহজেই কিন্তু আপনার অ্যাকাউন্ট না থাকলেও যাকাত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে আপনি আপনার যাকাত ক্যালকুলেট করে নিতে পারেন এনসেভের ওয়েবসাইট থেকে। এছাড়াও রামাদান এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রয়েছে এনসেভের বিশেষ কিছু অফার, এর মধ্যে রয়েছে আপনি ১০ ডলার ইদি পেতে পারেন, যদি আপনি এনসেভ ব্যবহার করে আপনার প্রথম স্যালারি রিসিভ করেন এনসেভ অ্যাকাউন্টে এবং সেটা অ্যাকাউন্টে রিসিভ করার পর একটা ফর্ম রয়েছে, সেই ফর্মটা ফিলাপ করলেই ৬ এপ্রিলের মধ্যে আপনি কিন্তু ১০ ডলার ইদিটা আপনার অ্যাকাউন্টে ক্রেডিটেড পাবেন। এছাড়াও ফার্স্ট এসিএইচ ট্রান্সফারে পেতে পারেন ২ ডলার ক্যাশব্যাক যদি আপনি ইজিপশিয়ান, বাংলাদেশী বা পাকিস্তানী রেসিডেন্টের হয়ে থাকেন। এছাড়াও উইন ১০০ ডলার ইনভেস্টমেন্ট চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যেটা আপনি ১৬ই ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত যদি যেকোনো রকমের ইনভেস্টমেন্ট আপনার একাউন্ট থেকে ইনিশিয়েট করেন, তাহলে সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনি এই ইনভেস্টমেন্ট চ্যালেঞ্জে পার্টিসিপেট করতে পারেন। পার্টিসিপেট করে সেখান থেকে আপনি কিন্তু ১০০ ডলার উইন করার একটা সুযোগ পেতে পারেন। সেই সাথে রয়েছে এনসেভের এক্সক্লুসিভ পার্টনারশিপ লিংক ব্যবহার করে আপকামিং ট্রাভেলে হোটেল বুকিংয়ে আপ টু ৩০% পর্যন্ত অফ বা ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুযোগ। সো আপনার কাছে এই সবগুলো অফারের মধ্যে যেইটা এপ্রোপ্রিয়েট মনে হয়, সেটা কিন্তু আপনি চাইলে ক্লেইম করতে পারেন। প্রত্যেকটা লিংক এবং ডিটেলস আমি আমার ভিডিও ডেসক্রিপশন এ দিয়ে দিচ্ছি। আচ্ছা এনসেভ যে বেস্ট রেট দিচ্ছে সেটার প্রমাণ আমি আপনাদেরকে দেই। চলুন আমরা এনসেভের যেই রেট কম্পারিজনের একটা চার্ট আছে, সেখানে চলে আসছি। আমরা যদি এই মুহূর্তে ১০০০ ডলার ট্রান্সফার করি পেওনিয়ার থেকে আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে, তাহলে সেক্ষেত্রে আমরা পাবো ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৩৬৭ টাকা, যেটাতে আমরা শুধু ফি দিচ্ছি পেওনিয়ারকে ৩০ ডলার এক্সাক্টলি। যেটা প্রায় ৪০০০ ডলার মানে ৪০০০ টাকার কাছাকাছি বা ৩৫০০ টাকার কাছাকাছি। এটা পেওনিয়ার কিন্তু ১০০০ ডলারে আমাদেরকে রেট দিচ্ছে ১২১ টাকা, কিন্তু ফি নিচ্ছে ৩০ ডলার। বাট জুম আমাদের কে ১০০০ ডলারে রেট দিচ্ছে ১১৯ টাকা ৫১ পয়সা, বাট ফি নিচ্ছে ৪.৯৯ ডলার। এখানে ওয়াইজ কিন্তু আমাদেরকে ১০০০ ডলারের প্রতি ডলারে দিচ্ছে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা, বাট ১৫ ডলার তারা ফি নিচ্ছে, ১৫.৫১ ডলার। এনসেভ কিন্তু আমাদেরকে এই ১০০০ ডলারে এক ডলারের রেট দিচ্ছে ১২১ টাকা ৭৪ পয়সা, বাট এখানে কোন প্রকারের ফি নাই। যার কারণে এট দি ইন্ড অফ দা ডে, আপনি যদি টোটালি রেসিপিয়েন্টের হিসাবটা করেন, তাহলে সেক্ষেত্রে সবার কাছ থেকে কিন্তু আপনি ৪ হাজার ৩৭০ টাকা পর্যন্ত বেশি সেভ করতে পারবেন যদি এনসেভের মাধ্যমে টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেন। তার মানে আপনাকে ওয়াইজ দিবে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, আপনাকে জুম দিবে ১ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা, আপনাকে পেওনিয়ার দিবে ১ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ ডলারে আপনাকে ১ লক্ষ ২১ হাজার ৭৩৮ টাকা দিবে এনসেভ।
[20:29]সো বুঝতেই পারছেন এনসেভ কেন এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য আমি আপনাদেরকে সেরা বলে দাবি করছি। তো দেখুন এতদিন যারা পেওনিয়ার ব্যবহার করেছেন, প্রথমত অ্যাকাউন্ট খুলতে বেড়া, ভেরিফিকেশন প্রসেস অনেক দীর্ঘ হয়, অনেক সময় ঝুলে থাকে। আবার সেই সাথে ইনকামিং এ ১% নিশ্চিত চার্জ দিতে হয়, আর সেই সাথে পেওনিয়ার দিয়ে আবার যদি আপনি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে উইথড্র করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রে ডলার রেট পাচ্ছেন মাত্র ১১৭ টাকা। ভাই, এটা কোন কথা? যেই জায়গায় ডলার ১১৯, ১২২ টাকার কাছাকাছি, সেই জায়গায় ১১৭ টাকা দিচ্ছে। তার মানে প্রতি ডলারে আপনার কাছ থেকে কত টাকা করে কেটে নিচ্ছে এটা একটু নিজেকে প্রশ্ন করেন। আর সেই জায়গায় এনসেভ আপনার কাছে কোন প্রকারের ইনকামিং ফি নিচ্ছে না, উইথড্রালের জন্য কোন ফি নাই যদি ১৬৪ ডলারের উপরে আপনি উইথড্র করেন, সেই সাথে ১০ মিনিটের মধ্যে উইথড্র করতে পারছেন এবং বেস্ট রেট পাচ্ছেন, ২.৫% গভর্মেন্ট ইনসেন্টিভ পাচ্ছেন। বিকাশ তারপর হচ্ছে নগদে আপনি কিন্তু কোন প্রকারের চার্জ ছাড়াই ইনস্ট্যান্ট উইথড্র করতে পারছেন এবং সেখানেও আপনার গভর্মেন্ট ইনসেন্টিভ আপনি পেয়ে যাচ্ছেন। শুক্র আর শনি নাই, যদিও হচ্ছে আমি আমার ইসলামী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার দিয়ে শুক্রবারের পাড়ায় পড়ে গিয়েছিলাম, এটা অ্যাকাউন্টের প্রবলেম মানে ব্যাংকের প্রবলেম মানে এনসেভের প্রবলেম না। অন্য ব্যাংকে যারা আসলে ব্যবহার করেছে, যেমন যারা ব্যাংক ব্যাংকের ইউজার বা ইবিএল এর যারা এনসিভের ইউজার, তারা কিন্তু ইনস্ট্যান্টলি পেমেন্ট আসলে উইথড্র করতে পেরেছে, এই জিনিসটা খুবই অ্যামেজিং ছিল। তো সবকিছু মিলিয়ে আপনি নিজেকেই এখন প্রশ্ন করুন যে আসলে এনসেভ কেন আপনার জন্য সেরা। তো সব মিলিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে এনসেভ বাংলাদেশে গ্লোবালাইজড ডিজিটাল ট্রানজেকশনের ফিউচারে অনেক বড় অবদান রাখতে যাচ্ছে। তো এখনই একাউন্ট খুলে ফেলুন ডেসক্রিপশন এ দেওয়া লিংক থেকে।



