Thumbnail for AI দিয়ে SEO–Optimized ব্লগ পোস্ট লেখার নিয়ম (Complete Process)| Blogging Course in Bangla | Part–20 by SS IT BARI TECH

AI দিয়ে SEO–Optimized ব্লগ পোস্ট লেখার নিয়ম (Complete Process)| Blogging Course in Bangla | Part–20

SS IT BARI TECH

35m 25s3,792 words~19 min read
Auto-Generated

[0:00]আসসালামু আলাইকুম। আশা করছি ভালো আছেন। জিরো টু ব্লগ হিরো উইথ এআই শূন্য থেকে ব্লগিং করে ইনকাম কোর্সের নতুন একটি ভিডিওতে আপনাদেরকে স্বাগত। আজকের ভিডিওতে আপনি জানতে পারবেন, এআই দিয়ে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এবং এসইও করার নিয়ম। অর্থাৎ আমরা যে নতুন ব্লগ ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছি এবং এই ওয়েবসাইটের জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করেছি, এই কিওয়ার্ডগুলি দিয়ে এআই এর সাহায্যে আমরা অর্গানিক কপিরাইট ফ্রি কিভাবে কন্টেন্ট লিখবো, সেই কন্টেন্টটি কিভাবে এসইও করবো, কন্টেন্টের সঙ্গে যে ইমেজগুলি ব্যবহার করবো, সেগুলি কিভাবে এসইও করবো এবং এই ওয়েবসাইটে কিভাবে সঠিক নিয়মে পাবলিশড করবো, এ টু জেড আজকের এই ভিডিওতে জানতে পারবেন। এজন্য ভিডিওটির শুরুতেই বলছি, বড় হতে পারে বাট আপনারা সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখার অনুরোধ রইলো। যদি এই একটি ভিডিও আপনি দেখেন তাহলে আপনার সাইটে কন্টেন্ট কিভাবে আপনারা এআই এর সাহায্যে জেনারেট করবেন, কন্টেন্ট কিভাবে পাবলিশড করবেন, কন্টেন্ট কিভাবে এসইও করবেন, এ টু জেড বিষয়টি জেনে যাবেন। অর্থাৎ এই কোর্সের সবচাইতে মূল্যবান ভিডিও হচ্ছে এটি। সো এজন্য গুরুত্ব দিয়ে সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখার অনুরোধ রইলো। অলরাইট আমরা গত পর্বের ভিডিওতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করেছি। আমাদের ফোকাস কিওয়ার্ড ছিল মোবাইল, মেইন কিওয়ার্ড ছিল মোবাইল ফোন কে আবিষ্কার করেন এবং এখানে সাব কিওয়ার্ড রয়েছে। সো এই কিওয়ার্ডগুলি ব্যবহার করে কিভাবে কমপ্লিট এআই এর সাহায্যে একটি ব্লগ পোস্ট আমরা লিখবো। যারা ইংলিশ কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করবেন, তারাও সেম নিয়ম অনুসরণ করবেন। অলরাইট। তো আমরা এআই এর সাহায্যে কন্টেন্ট লিখার জন্য অবশ্যই চ্যাট জিপিটিতে যাব এবং চ্যাট জিপিটিতে অবশ্যই আমাদের জিমেইল আইডি দিয়ে একটি প্রোফাইল অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করবো। সো এরপর এখান থেকে নিউ চ্যাট এই অপশনে চলে আসবেন। অবশ্যই আপনারা অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করবেন। কারণ যখন অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করবেন, আপনার ইন্টারেস্ট ডে বাই ডে চ্যাট জিপিটি কিন্তু বুঝে যাবে খুব সহজে। যখন এই ধরনের কন্টেন্ট আপনি লিখবেন, ওয়েবসাইট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন, তখন কিন্তু সে আপনাকে চিনে যাবে। আপনার ওয়েবসাইটের ইউআরএল চিনে যাবে। আপনি কি চাচ্ছেন এটি একটুতই সে কিন্তু বুঝে যাবে। সো আমরা এখানে প্রজেক্ট আকারে কাজ করব। নিউ চ্যাট এই অপশনে যাওয়ার পর এখানে আমরা একটি ফ্রম্ট দিয়ে দিব। সো আমি একটি ফ্রম্ট লিখে রেখেছি আপনারা এখানে স্ক্রিনশট দিয়ে সেম ভাবে আপনারা লিখে নিতে পারেন অথবা সোর্স ফাইল থেকেও আপনারা চাইলে নিজে নিতে পারেন। অথবা আমার সঙ্গে কন্টাক্ট করেও এটি নিয়ে নিতে পারেন। সো এখান থেকে আমরা এই ফ্রম্ট ফাইলটি দিয়ে এখান থেকে এন্টার করে দিব। অলরাইট। তো সামারি আকারে আপনাদেরকে বলি যে তাকে আমি ইন্সট্রাকশন দিয়েছি যে আমি একটি ওয়েবসাইট খুলেছি। আমি অর্গানিক কন্টেন্ট লিখতে চাই। ১০০০ থেকে ১৫০০ শব্দের মধ্যে। সো আমাকে এই এই বিষয়গুলি ঠিক রেখে আমাকে একটি বাংলাদেশি অডিয়েন্সকে টার্গেট করে আমাকে একটি কন্টেন্ট লিখে দিবে। সো এখান থেকে সে সুন্দরভাবে কিন্তু আমাকে রিপ্লাই করেছে যে সে কন্টেন্টের মধ্যে টাইটেল এখানে উল্লেখ করবে, মেটা ডিসক্রিপশন উল্লেখ করবে, পারমা লিংক উল্লেখ করবে, সার্চ ট্যাগ উল্লেখ করবে, বিস্তারিত ভূমিকা দিবে, মূল কন্টেন্ট দিবে, প্রশ্ন-উত্তর সেকশন দিবে, উপসংহার দিবে।

[3:17]অর্থাৎ এই কয়টি বিষয় কিন্তু একটি কন্টেন্টের মধ্যে থাকে। অর্থাৎ এসইও কন্টেন্টের মধ্যে এবং কন্টেন্ট হবে ১০০% কপিরাইট ফ্রি। বাংলাদেশি পাঠকদের জন্য ফ্রেন্ডলি টোনে এবং গুগল ডিসকভার এবং নিউজ ফিড অপটোমাইজ। অর্থাৎ এখানে এই ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী তাকে এখন যে কাজটি করতে হবে শুধুমাত্র এখানে দেখুন আপনি কি আজকে প্রথম কিওয়ার্ডটি দিতে চান? অর্থাৎ এখানে আমরা একটি মূল কিওয়ার্ড দিয়ে দিলেই সে কিন্তু লিখে ফেলবে। সো আমরা আমাদের মূল কিওয়ার্ডে চলে যাব। আমরা মূল কিওয়ার্ডটি এখান থেকে কপি করে নিব এবং এই কিওয়ার্ডটি নিয়ে এসে এখানে পেস্ট করে দিব। সো দেওয়ার পর এখানে এন্টার করে দিব। এন্টার করে দিলেই এই মূল কিওয়ার্ডটি এনালাইসিস করে সে কমপ্লিট একটা ব্লগ পোস্ট কিন্তু আমাদের জন্য লিখে দিবে। অলরাইট। তো দেখুন অলরেডি সে কিন্তু আমাদের কন্টেন্টের এই যে টাইটেল সুন্দরভাবে লিখে দিয়েছে। আপনার যদি টাইটেলটি পছন্দ না হয় তাহলে আপনি মেটা ডিসক্রিপশনের অংশ থেকেও আকর্ষণীয় একটা টাইটেল দিতে পারেন অথবা আপনার মতো করেও একটা টাইটেল আপনি দিতে পারেন। এরপর দেখুন মেটা ডিসক্রিপশন, পারমা লিংক, সার্চ ট্যাগ। এরপর কন্টেন্টের ভূমিকা। এরপর সম্পর্কিত মূল শব্দগুলি অর্থাৎ এই কন্টেন্টের মধ্যে সে এখানে কিছু সার্চ কিওয়ার্ড সেও এখানে সাজেশান করেছে। সো আপনারা এটি দিলে দিলে না দিলে কোন। সো আপনারা এটি না দিলে না দিবেন কোন প্রয়োজন নেই। সো এরপর এখান থেকে সে কন্টেন্ট সম্পর্কে এখানে কিন্তু লিখে দিয়েছে। এবং এখান থেকে দেখুন সে কিন্তু সোর্স লিংক ব্যবহার করেছে। অর্থাৎ এই কন্টেন্টটি যেগুলি সোর্স লিংক থেকে সে লিখেছে, সেগুলিকে কিন্তু ট্রাস্টেড সোর্স লিংক ব্যবহার করেছে। বাট এই সোর্স লিংকগুলি যদি এতগুলি আমরা কন্টেন্টের মধ্যে ব্যবহার করি তাহলে কিন্তু আপনার কন্টেন্টটি ক কখনোই গুগল এর প্রথম পেজে আসবে না। অলরাইট। তো আমরা যে কাজটি করবো, আমরা আরেকটি এখানে তাকে ইন্সট্রাকশন দিব যে তুমি খুব সুন্দর লিখেছো। তুমি পুনরায় এই সোর্স লিংকগুলি বাদ দিয়ে খুব সুন্দরভাবে আরো বিস্তারিত আকর্ষণীয় করে লিখে দাও। এই লেখাটি আপনি এই ধরনের যদি আসে তাহলে এভাবে লিখে দিবেন। তো দেখুন এখানে সে শুকরিয়া আদায় করেছে যে সে ভালো লিখেছে এজন্য। সো এগুলি আমাদের প্রয়োজন নেই। আবারো কিন্তু সে সোর্স লিংক ছাড়া সুন্দরভাবে দেখুন এখানে কন্টেন্টটি লিখে দিচ্ছে। তো আমরা এই কন্টেন্টটিকে কিভাবে পাবলিশড করবো? তো প্রথমে আমাদের মূল কিওয়ার্ডের কন্টেন্ট কিন্তু রেডি। সো আমরা যে কাজটি করবো, আমরা ওয়ার্ডপ্রেসের এডমিন ড্যাশবোর্ডে চলে যাব। ইতিপূর্বে আমরা র‍্যাঙ্ক ম্যাথ থেকে শুরু করে এসইও এর জন্য সকল কাজ করে রেখেছি। সো আমরা যে কাজটি করবো, পোস্ট সেকশনে চলে যাব। যাওয়ার পর এখান থেকে অ্যাড পোস্ট এখানে চলে যাব নতুন পোস্ট করার জন্য। তো দেখুন আমাদের পোস্ট করার ইন্টারফেসটি চলে এসেছে। এখন আমাদের এখানে টাইটেল ব্যবহার করতে হবে। তো আমরা যে কাজটি করবো এখান থেকে এই যে আমাদের টাইটেল রয়েছে এবং আপনাদেরকে যেমনটি বলেছি যে আপনার মতো করে টাইটেল দিতে পারেন। তবে অবশ্যই এসইও টাইটেল দিতে হবে। এসইও টাইটেল কি? আপনার যে মূল কিওয়ার্ড থাকবে, আপনার টাইটেলের মধ্যে সেই মূল কিওয়ার্ড যাতে অবশ্যই থাকে। আপনি মূল কিওয়ার্ডের সামনে অথবা মূল কিওয়ার্ডের শেষে আকর্ষণীয় ওয়ার্ড আপনার মতো করে ব্যবহার করতে পারবেন। অবশ্যই এটি ৬৫ থেকে ১০০ শব্দের মধ্যে হতে হবে। সো আমরা যে কাজটি করবো, এক লাইনের মধ্যেই এই মূল কিওয়ার্ডটি দিব। সো এই কিওয়ার্ডটি আমরা টাইটেল হিসাবে এখানে ব্যবহার করছি। তো এরপর আমরা যে কাজটি করবো স্ক্রোল করে নিচে চলে আসবো। যেমনটি বলেছিলাম যে এখানে র‍্যাঙ্ক ম্যাথের অনেক এসইও'র খেলা রয়েছে। সো এখান থেকে আমরা এই যে এডিট অপশন আছে, এই এডিট অপশনে চলে যাব। যাওয়ার পর এখান থেকে পারমা লিংক, পারমা লিংকটি অবশ্যই এসইও পারমা লিংক আপনাকে দিতে হবে। সো এই পারমা লিংক আমরা যে কাজটি করবো এখান থেকে দেখুন এই যে পারমা লিংক সে কিন্তু একটা এসইও পারমা লিংক সুন্দরভাবে। অবশ্যই বাংলা কন্টেন্ট হলে ইংলিশ, অবশ্যই বাংলা কন্টেন্ট হলে বাংলা ইশ ভাবে শর্ট আকারে অবশ্যই এই পারমা লিংকের মধ্যেও আপনার কিওয়ার্ডটি আপনি ব্যবহার করবেন। আবার ইংলিশ কন্টেন্ট হলেও সেম আপনার মূল কিওয়ার্ডটি এই পারমা লিংকের মধ্যে ব্যবহার করবেন। সো এখান থেকে কপি করে নিচ্ছি। অনেকে যে ভুলটি করে এখানে কিন্তু ডিফল্ট আকারে এই যে বাংলা পারমা লিংক যেভাবে থাকে এভাবেই রেখে দেয়। এটি করবেন না। আপনারা এখান থেকে অবশ্যই এসইও পারমা লিংক এই বাংলা ইশ আকারে আপনারা লিখে দিবেন। সো এরপর এখান থেকে হচ্ছে মেটা ডিসক্রিপশন। এটিও কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১৬০ শব্দের মধ্যে লিখতে হবে। সো এখান থেকে দেখুন আমাদের জন্য মেটা ডিসক্রিপশন সে কিন্তু আকর্ষণীয় লিখে দিয়েছে। সো এখান থেকে আমরা এটিকে কপি করে নিব। নেওয়ার পর এই যে ডিসক্রিপশনের ঘর দেখতে পাচ্ছেন অনেকে যে ভুল করে ডিফল্ট আকারে যে ডিসক্রিপশন থাকে সেটি কিন্তু রেখে দেয়। সো আমরা যে কাজটি করবো, কাস্টম মেটা ডিসক্রিপশন দিয়ে দিব। যাতে গুগল অটোমেটিকলি খুব দ্রুত আমাদের এই কন্টেন্টটি গুগল র‍্যাংকিংয়ে নিয়ে নেয়। সো এই কাজটি আপনারা করে নিবেন। তো এই কাজ করা শেষ। এখন আপনার মূল কাজ। এখন আপনি যে কাজটি করবেন, এই যে এখান থেকে দেখুন, এই যে ভূমিকার নিচে থেকে এই অংশটুকু অর্থাৎ এই কন্টেন্টটি যে আমাদের উপসংহার পর্যন্ত লিখে দিয়েছে, এখান থেকে আমরা এই কন্টেন্টটিকে কপি করে নিব। এবং এখানে পেস্ট করে দিব। তো এখানে পেস্ট করার পর এই কন্টেন্টটিকে সুন্দরভাবে কিন্তু আপনাকে সাজাতে হবে। এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে। তো উপসংহারকে আমরা এখানে এইচ ফোর ট্যাগ দিয়ে দিব। এবং যদি কোন লাইন মার্ক থাকে সেগুলিকে রিমুভ করে দিব। এরপর এখান থেকে সাধারণ কিছু প্রশ্ন-উত্তর এফএকিউ। তো আপনি যে কাজটি করবেন শুধুমাত্র প্রশ্ন-উত্তর এটুকু অংশ একটি হেডলাইন দিয়ে দিবেন এবং এটিকে এইচ ফোর দিয়ে দিবেন। এরপর এখান থেকেও লাইন মার্কটিকে আপনি রিমুভ করে দিবেন। এরপর এখানে একটি সাব হেডলাইন সে সাজেশন করেছে। এখান থেকে আপনারা দেখে নিবেন যে সেটা এই কন্টেন্ট রিলেটিভ কিনা। অবশ্যই রিলেটিভ হবে। আপনারা এটিকে এইচ ফোর দিয়ে দিবেন এবং এটিকে বোল্ড করে দিবেন। সো এরপর এখান থেকে লাইন মার্ক আমরা রিমুভ করে দিচ্ছি। এরপর এখান থেকে প্রথম মোবাইল ফোন এই যে একটি হেডলাইন রয়েছে এটিকে আমরা এইচ ফোর দিয়ে বোল্ড করে দিচ্ছি এবং লাইন মার্ক এখান থেকে আমরা রিমুভ করে দিচ্ছি। এরপর এখান থেকে দেখুন এই যে মার্টিন কুপার, মোবাইল ফোনের জনক। এটি কিন্তু আমাদের মূল কন্টেন্টের মূল উত্তর বা অ্যানসার। সো এটিকে আমরা এইচ থ্রি দিয়ে দিব। এইচ থ্রি ট্যাগ দিয়ে দিব। এরপর এখান দিয়ে মোবাইল ফোনের জন্ম কথা এটিকে আমরা এইচ টু দিয়ে দিব। অর্থাৎ এইচ টু, এইচ থ্রি, এইচ ফোর এই কয়টি ট্যাগের মধ্যে আপনি থাকবেন। সো দেখুন সুন্দরভাবে এখানে কিন্তু আমাদের এই কন্টেন্টটি এখানে চলে এসেছে। এবং নিচের দিকে আসলে দেখুন এটিকে বোল্ড করা হয়নি। সো বোল্ড করে দিচ্ছি। এখানে কত ওয়ার্ডের মধ্যে হয়েছে? এখানে ওয়ার্ড কাউন্ট ৫২৮। এটিও কিন্তু আপনি এখানে দেখতে পাবেন। অর্থাৎ ৫২৮ ওয়ার্ডের মধ্যে এই কন্টেন্টটি কিন্তু কমপ্লিট হয়েছে। তো আমরা এটিকে আরো বেশি কাস্টমাইজেশন করবো গুগল র‍্যাংকিংয়ের জন্য। সো এখান থেকে আমরা এখন কি করবো? মূল কিওয়ার্ডের আমাদের কাজ শেষ। এখন আমরা সাব কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করবো। পিপল অলসো সার্চ কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করবো। সো আপনাদেরকে শুরুতেই বলেছিলাম কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় আপনারা এগুলি নিয়ে এখান থেকে আপনি আবার এনালাইসিস করে এই সাব কিওয়ার্ডগুলি দেখবেন যে সেম কিওয়ার্ড আপনার বারবার হয়ে যাচ্ছে কিনা। তো আমরা এখান থেকে এই কিওয়ার্ডগুলি আমাদের কন্টেন্টে ব্যবহার করবো। তো পুরো কন্টেন্ট এখান থেকে নিব। তো তার আগে আমরা যে কাজটি করবো, আমরা চ্যাট জিপিটিকে নতুন একটা ইন্সট্রাকশন দিব। অলরাইট। তো আমরা এখন চ্যাট জিপিটিতে চলে যাব। যাওয়ার পর এখান থেকে দেখুন এই যে নিচে এসে এখানে আমরা এই যে এই ইন্সট্রাকশনটা দিব। আমি তোমাকে এখন কিছু সাব কিওয়ার্ড দিব। বলে এই যে এখানে দেখুন একটি সিম্বল ব্যবহার করা আছে। শিফ্ট ধরে এন্টার দিয়ে স্পেস তৈরি করে নিবেন। এখানে এই সাব কিওয়ার্ডগুলি এই ফাঁকা জায়গাতে ব্যবহার করবেন। এই কিওয়ার্ডগুলি আমি আমার এই কন্টেন্টের মধ্যে সাব হেডলাইন হিসেবে ব্যবহার করব। তুমি সুন্দরভাবে প্রত্যেকটি হেডলাইন করে প্যারাগ্রাফ আকারে সংক্ষিপ্ত আকারে লিখে দাও। যেহেতু সাব কিওয়ার্ড, সো আমরা অবশ্যই মূল কিওয়ার্ডের চাইতে কম শব্দের সাব কিওয়ার্ডগুলি সম্পর্কে লেখালেখি করব। সো এখন আমরা যে কাজটি করবো, এই সাব কিওয়ার্ডগুলি এই যে কমা কমা আকারে আমরা লিখে রেখেছিলাম, এটিকে কপি করে নিব কন্ট্রোল সি দিয়ে। দেন এরপর এই যে ফাঁকা স্পেসে যেখানে কিওয়ার্ড দেওয়ার কথা বলেছিলাম, এখানে আমরা এটিকে দিয়ে দিব। দেওয়ার পরে এখানে এন্টার করে দিব। তাহলে চ্যাট জিপিটি অটোই কিন্তু বুঝে যাবে। দেখুন ও কিন্তু ফার্স্টেই লিখেছে, বুঝেছি ভাই। অর্থাৎ এগুলিকে এইচ টু, এইচ থ্রি এগুলোর ট্যাগে আমি লিখতে চাচ্ছি সে বুঝে গেছে এবং সুন্দরভাবে দেখুন। প্রত্যেকটি কিওয়ার্ড অর্থাৎ এই কিওয়ার্ডগুলি একটি কন্টেন্টের মধ্যে এই রিলেটেড যত কিওয়ার্ড আছে, প্রত্যেকটি কিওয়ার্ড কিন্তু আপনার কন্টেন্টের মধ্যে থাকছে। তো দেখুন এখানে লেখা শেষ। এখন যদি আপনার এগুলি খুবই সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়, তাকে আবার আপনি ইন্সট্রাকশন দিয়ে দিবেন যে আপনি দুইটি প্যারাগ্রাফে আমাকে লিখে দাও। প্রত্যেকটি হেডলাইন দুইটা প্যারাগ্রাফে আর একটু বিস্তারিত করে লিখে দাও। তাহলে সে আবার লিখে দিবে। সো আমরা এটি রেখে দিচ্ছি যেহেতু এটি ছোট্ট একটি কিওয়ার্ড। সো এরপর এখানে আমরা আবারো অ্যাড পোস্টের এখানে চলে যাব। এই যে উপসংহার প্রশ্ন-উত্তর সেকশন এর পূর্বে সাব কিওয়ার্ডের এই পয়েন্টগুলি বা প্যারাগ্রাফগুলি আমরা বসিয়ে দিব। সো দেখুন এখানে কন্ট্রোল ভি আমি করে দিলাম। এগুলিকে আবারও আপনি সাজিয়ে নিবেন। এগুলিকে আপনি প্রত্যেকটি এইচ ফোর আকারে এখানে এই টাইটেলগুলি ব্যবহার করবেন। সো এভাবে আপনারা ইংলিশ, বাংলা যেকোনো কন্টেন্ট সেম নিয়মে আপনারা লিখবেন। অলরাইট। তো আপনারা এভাবে সাজিয়ে নিবেন সুন্দর করে। আরেকটি বিষয় মাথায় রাখবেন তা হচ্ছে, এআই যেহেতু কন্টেন্টটিকে লিখে দেয়, আপনি যে সম্পর্কে কন্টেন্ট লিখছে, এই কন্টেন্টটি আপনারা বারবার পড়ে নিবেন। যাতে কোথাও কোন বানান ভুল আছে কিনা বা এই কন্টেন্ট রিলেটিভ না, সে আমাদের বাংলাদেশি ভাষায় না, অন্য কোন ওয়ার্ড ব্যবহার করেছে। সো এগুলি পড়ে মাঝে মধ্যে যদি কোন ভুল থাকে সেগুলিকে নিজে থেকে নিজেরা ম্যানুয়ালি টাইপ করে এগুলি ঠিক করে দিবেন। এরপর আরেকটি বিষয় লক্ষ্য রাখবেন, অনেক ক্ষেত্রে যে প্যারাগ্রাফের মধ্যে বোল্ড করা থাকে। সো এগুলি ভালো বাট এআই বুঝার জন্য আপনারা এখান থেকে জাস্ট আনবোল্ড করে দিবেন। সো এই কাজটি আপনারা করে নিতে পারেন। যদি না করেন সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই। আরেকটি বিষয় হচ্ছে যে অনেক সময় এই ধরনের পয়েন্টের পর আমরা এখান থেকে এই যে আমাদের লাইন ক্লোজিং যে সিম্বল আছে, এটি কিন্তু আমরা দিই না। সো এখান থেকে আমরা এগুলিকে দিয়ে দিব। এগুলি বিষয় একটু টুকটাক আপনার খোঁজ রাখতে হবে যে কন্টেন্টের মধ্যে আপনি নিজে একজন ভিজিটর হলে কিভাবে বিষয়গুলি নিতেন। সো এইভাবে আপনারা কন্টেন্টগুলিকে সম্পূর্ণভাবে সাজাবেন। তো এখান থেকে দেখুন আপনার সুন্দরভাবে কম কন্টেন্ট কিন্তু। সো এখান থেকে এখন যদি দেখি, ৮১৯ শব্দের কন্টেন্ট কিন্তু আমাদের হয়ে গিয়েছে। সো এই কন্টেন্টটিকে আমরা আরো বেশি এসইও করবো। তো এটি করার জন্য আমরা যে কাজটি করবো ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল লিংক ব্যবহার করবো। তো আপনাদেরকে ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার যেহেতু এটি আমাদের ওয়েবসাইটের একদম ফার্স্ট কন্টেন্ট সেক্ষেত্রে আপনাদেরকে একটু দেখাই যে ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল লিংক কিভাবে করবেন? আমার ওয়েবসাইটে একটি কন্টেন্ট ওপেন করি। সো এখান থেকে এই কন্টেন্টটি আমি ওপেন করছি। তো এখান থেকে দেখুন আরো পড়ুন বলে এখানে কিন্তু এই রিলেটেড একটি কন্টেন্টের আমাদের ওয়েবসাইটে যে কন্টেন্ট আছে সেই কন্টেন্টের লিংক কিন্তু দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তো এখান থেকে এই যে আরো পড়ুন বলে আপনারা যে কাজটি করবেন আপনাদের এই যে ভূমিকার নিচে আপনারা এখানে দিয়ে দিতে পারেন। এখানে আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা এই রিলেটেড কোন কন্টেন্ট থাকলে সেই কন্টেন্টের হেডলাইন দিয়ে এটিকে লিংক করে দিবেন। সো কিভাবে লিংক করবেন? যেহেতু এটি ফার্স্ট কন্টেন্ট আবারো বলছি। এটি আমি পরবর্তী একটি ভিডিওতে আপনাদেরকে দেখাবো অথবা আমার সাইটগুলি আপনারা বা পোস্টগুলি দেখলে নিজে থেকে বুঝে যাবেন। এবং এক্সটারনাল লিংক কিভাবে যুক্ত করেছি? একদম কন্টেন্টের নিচে দেখুন আমার কন্টেন্টের ফেসবুক পেজ দিয়েছি, ইউটিউব চ্যানেলের লিংক দিয়েছি এবং এখানেও ইন্টারনাল একটি লিংক করেছি এবং আমাদের যে গুগল নিউজ ফিড আছে সেই গুগল নিউজ ফিডের ইউআরএলও কিন্তু এখানে দিয়ে দিয়েছি। সো এভাবে সুন্দর করে লিখে এখান থেকে দেখুন এই যে এই লেখার মধ্যে ভাষাজনিত কোন ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে ট্যাগ লাইন এবং পোস্টটি শেয়ার করুন এই লেখাটি যুক্ত করে দিয়েছি। সো আমরা যে কাজটি করবো আমরা একটি ইমেজই ব্যবহার করবো ফিচারড ইমেজ হিসেবে। এখন এই ইমেজটি থেকেও কিন্তু লক্ষ লক্ষ মিলিয়ন ভিজিটর ওয়েবসাইটে আসে। সো এটি কিভাবে আসে? এই ইমেজটি কিভাবে তৈরি করবেন? অর্গানিক কপিরাইট ফ্রি এবং এসইও করবেন?

[25:40]তো এই কাজটি করার জন্য আপনারা যে কাজটি করবেন ক্যানভার সাহায্য নিবেন। গুগল এ গিয়ে canva.com লিখলে ক্যানভার ওয়েবসাইট চলে আসবে। আপনার একটি জিমেইল আইডি দিয়ে এখানে একাউন্ট ক্রিয়েট করে নিবেন। আর যারা প্রিমিয়াম ব্যবহার করতে চাচ্ছেন মাত্র ৭০ টাকায় আপনারা অনেকের কাছ থেকে আমাদের কাছ থেকে আপনারা এটিকে সাবস্ক্রিপশন প্রিমিয়াম নিয়েও ব্যবহার করতে পারবেন। সো দেখুন আমার এখানে যদি ক্যানভার আপনার এই প্রজেক্টগুলি দেখেন যে সম্পূর্ণ আমার ব্লগ ওয়েবসাইটের যত ইমেজ তৈরি করা হয় সব কিছু কিন্তু এই ক্যানভার মাধ্যমে। তো এখান থেকে আপনার ইমেজের জন্য সঠিক মেজারমেন্ট নিতে হবে। সো এই সঠিক মেজারমেন্ট আপনারা কত বাই কত করবেন এটি আমি আপনাদেরকে দেখাচ্ছি। বাট ফার্স্টে আমার একটি প্রজেক্ট রয়েছে আমি জাস্ট এটি ওপেন করে এই কন যে কন্টেন্টটি তৈরি করছি সেই কন্টেন্টের জন্য একটি ইমেজ তৈরি করে নিব। অলরাইট। তো এখানে আসার পর আমার অলরেডি একটি ইমেজ তৈরি করা আছে। তো আমি যে কাজটি করবো এই ইমেজগুলিকে রিমুভ করে দিব। রিমুভ করে দেওয়ার পর আপনি প্রথমে যে কাজটি করবেন, আপনি এই যে এলিমেন্টস অপশনে চলে যাবেন। আসার পরে এখানে ব্যাকগ্রাউন্ড লিখে সার্চ করবেন। অর্থাৎ আপনার কন্টেন্টের যে ইমেজটি তৈরি করবেন, সেটি যাতে খুব সুন্দর এবং খুব আকর্ষণীয় হয়। সো এখান থেকে আসার পর এই যে ফটো সেকশন। এরপর আপনার ইমেজ যে পোস্ট যে ধরনের ইমেজ আপনার লাগবে সেই ধরনের এখান থেকে একটা ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে নিবেন। তো আমি যে কাজটি করছি এখান থেকে এই ব্যাকগ্রাউন্ডটি নিয়ে নিচ্ছি এই ইয়েলো ব্যাকগ্রাউন্ড। অলরাইট। ব্যবহার করার পর আপনার যদি সাইটের কোন নির্দিষ্ট লোগো থাকে যেমনটি আমার এখানে দেখুন আমি যদি ব্যাকে যাই এই যে আমার ওয়েবসাইটের যে লোগো আইকন আছে এই লোগো আইকনটি আমি ব্যবহার করেছি। বাট আপনি আপনার সাইটের লোগো আইকন এখানে ব্যবহার করবেন। দেন এরপর আপনি যে কাজটি করবেন আপলোড সেকশনে চলে যাবেন। এখন এই কন্টেন্টের যে ধরনের ইমেজ দরকার সেই ইমেজটি কিন্তু গুগল থেকেও আপনি নিতে পারেন। কোন অসুবিধা নেই। গুগল থেকে নিয়ে এই যে আপলোড অপশন। এরপর এখান থেকে এই যে আপলোড ফাইল এই আপলোড ফাইল থেকে নিতে পারবেন। তো দেখুন আমার আপলোড করা অনেক মোবাইল ফোনের এখানে ছবি বিভিন্ন ধরনের এখানে কিন্তু ইমেজ আছে। এই ইমেজগুলি কিন্তু আমি এখান থেকে ব্যবহার করি। ধরুন এখান থেকে আপনি পাসপোর্ট সম্পর্কে লেখালেখি করতে চাচ্ছেন। তো দেখুন আমি কিন্তু এখান থেকে এই যে পাসপোর্টের ইমেজটি গুগল থেকে নিয়ে এসেছিলাম স্ক্রিনশট দিয়ে এবং ডাউনলোড করে। আসার পর এই ইমেজের যদি ব্যাকগ্রাউন্ড আপনি রিমুভ করতে চান, এই যে বিবিজি রিমুভার এখানে ক্লিক করে দিলে আপনার ইমেজের ব্যাকগ্রাউন্ড কিন্তু অটোমেটিক্যালি রিমুভ হয়ে যাবে। এই যে দেখুন ইমেজের কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ হয়ে গেছে। সো আমাদের কন্টেন্টের জন্য ইমেজ আমরা এখান থেকেও অর্থাৎ ক্যানভা থেকেও আপনি নিতে পারবেন। নেওয়ার জন্য এই যে এলিমেন্ট অপশনে চলে যাবেন। যাওয়ার পর এই যে এখানে আপনারা সার্চ করবেন মোবাইল। যেহেতু আমাদের মোবাইল সম্পর্কিত আমি এখানে মোবাইল লিখে দিচ্ছি। আপনার কন্টেন্ট যে সম্পর্কিত জাস্ট এখানে সার্চ করবেন। সার্চ করে এখানে অনেক ধরনের এই সম্পর্কিত অর্গানিক ইমেজগুলি এবং আকর্ষণীয় এবং খুব হাই কোয়ালিটির ইমেজ আপনারা পেয়ে যাবেন। অলরাইট। তো দেখুন এখানে ইমেজের আসার পর এখানে কিন্তু আপনি গ্রাফিক সেকশন পাবেন, ফ্রেম পাবেন, ফটোস পাবেন। তো আপনি ফটোস সি অল এখানে ক্লিক করে দিবেন। তো আমাদের একটি মোবাইল ফোনের ছবি দরকার। যেহেতু আমাদের মোবাইল ফোন সম্পর্কিত কন্টেন্ট, সো আমরা এই ইমেজটি এখান থেকে ব্যবহার করতে পারি বা এই যে এই ইমেজটি ব্যবহার করতে পারি বা অনেকগুলি মোবাইলের ইমেজ এখানে ব্যবহার করতে পারি। সো আমি এই টি দিয়ে দিচ্ছি। যেহেতু মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে এজন্য অনেকগুলি মোবাইল ফোন এখানে থাকা চাই এবং পুরাতন মডেলের হলে আরো বেশি ভালো তাহলে এটির সঙ্গে একটা মিল পাবেন। সো এভাবে আপনারা এই ক্যানভা থেকে ইমেজ জেনারেট করে নিবেন। এরপর আপনি যে কাজটি করবেন আপনার কন্টেন্টের যে হেডলাইন, সো সেই হেডলাইন বা পারমা লিংক এই যে এডিট সেকশন থেকে আপনারা পারমা লিংকটি কপি করে নিতে পারেন অথবা আপনারা এই চ্যাট জিপিটিতে লিখেছেন সেখান থেকেও নিতে পারেন। নেওয়ার পরে আপনি এই ইমেজটিকে সেভ দেওয়ার পূর্বে এই যে উপরে অবশ্যই নামটি পরিবর্তন করে দিবেন। দেন এরপর এই যে শেয়ার অপশনে চলে যাবেন। যাওয়ার পর এই যে ডাউনলোড অপশন। এরপর এখান থেকে পিএনজি মোড আছে। আপনি এটিকে জেপিজি দিয়ে দিবেন এবং এখান থেকে এই যে ইমেজের সাইজ দেখতে পাবেন। এটি একটু নোট করে নিবেন। অবশ্যই আপনার ব্লগ পোস্টের ইমেজ সাইজ ৭৬৮ বাই ৪৭৩ পিক্সেল হওয়া চাই। দেন এরপর নিচে থেকে এই যে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করে দিলেই ইমেজটি কিন্তু এই যে আপনার ডিভাইজে ডাউনলোড হয়ে যাবে। সো আমাদের ইমেজটি কিন্তু ডাউনলোড হয়ে গিয়েছে এবং ইমেজের কিলোবাইট এখন দেখুন ৮১ কিলোবাইট। এগুলি কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। ৮১ কিলোবাইট বাট ৮১ কিলোবাইট এর ইমেজ যদি আপনি কন্টিনিউ পাবলিশড করেন তাহলে কিন্তু কোনভাবে আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড আপনি ভালো পাবেন না। সো এটিকে যেটা কাজ করতে হবে কনভার্ট করতে হবে। এর পূর্বে আমরা যে কাজটি করবো এর পূর্বে আমরা যে কাজটি করবো আমাদের ইমেজটি ডাউনলোড সেকশনে আছে। এখানে যাওয়ার পর এখান থেকে ইমেজটিকে আমরা এসইও করে নিব। সো এখান থেকে এই যে প্রপার্টিস এ চলে যাবেন। যাওয়ার পর ডিটেইলসে চলে যাবেন। এখান থেকে এই যে সাবজেক্টেও সেম আপনার কিওয়ার্ডটি দিয়ে দিবেন বা আপনার পারমা লিংকটি দিয়ে দিবেন। কমেন্টস এ দিবেন, ফাইভ স্টার রেটিং দিয়ে দিবেন। নিচে থেকে অ্যাপ্লাই ওকে করে দিবেন। এটি হচ্ছে এসইও। সো এরপর এই ইমেজটি এখানে রেখে দিবেন। রাখার পর আপনি যে কাজটি করবেন গুগল এ চলে যাবেন। সো আপনি গুগল এ যাওয়ার পর জেপিজি টু ওয়েবপি এটি লিখে আপনারা এন্টার করবেন। এন্টার করলে অনেক ওয়েবসাইট আসবে কনভার্ট করার বাট আপনি এই ওয়েবসাইটটি নিতে পারেন। এই ওয়েবসাইট নিয়ে আমি কাজ করি। কোন ধরনের অ্যাড নেই, কোন ধরনের অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েশনে ঝামেলা নেই এবং আনলিমিটেড আপনি এখান থেকে ইমেজ কনভার্ট করতে পারবেন। সো এই ওয়েবসাইটে আসার পর সিলেক্ট ইমেজ এখানে ক্লিক করে আপনার ডিভাইজে যেখানে ইমেজ আছে সেই ইমেজটি এখান থেকে ওপেন করে নিবেন। সো ইমেজ চলে আসবে। সেটিংস অপশনে চলে যাবেন। এই সেটিংস অপশনে যাওয়ার পর আউটপুট কোয়ালিটি এটি আপনারা ৫০% করে দিবেন। দেন এরপর কনভার্ট অল এই অপশনে ক্লিক করবেন। এখান থেকে এই যে ডাউনলোড আইকন এখানে ক্লিক করে দিবেন। এবং এখান থেকে দেখুন আমাদের ৮১ কিলোবাইট এর ইমেজটি ওয়েবপি মোডে অলরেডি ৩৫.৬ কিলোবাইটে কিন্তু চলে এসেছে। এটিকে আরো কমিয়ে আপনি নিতে পারেন। আপনি ৩০ এর মধ্যে রাখলে আরো বেশি ভালো হয়। সো এইভাবে আপনারা ইমেজটিকে আপনারা জেনারেট করবেন, এসইও করবেন এবং কনভার্ট করবেন। সো ইমেজ জেনারেট হয়ে গেলে এখান থেকে আমরা যে কাজটি করব এই যে ফিচার ইমেজ, সেট ফিচার ইমেজ এখানে ক্লিক করে দিব। এরপর এখান থেকে আপলোড ফাইল। দেন এরপর সিলেক্ট ফাইল। এরপর এখান থেকে আমাদের ইমেজটি এই যে ওয়েবপি ফাইল এখান থেকে আমরা এটিকে সিলেক্ট করব, ওপেন করে নিব। এখানেও আপনাকে এসইও'র কাজ করতে হবে। সো এই যে অল্টার টেক্সট অবশ্যই আপনার পারমা লিংক এটিতে দিয়ে দিবেন, কিওয়ার্ড দিয়ে দিবেন। পারমা লিংক অথবা কিওয়ার্ডটি দিয়ে দিবেন। টাইটেল তো আছে ইতিপূর্বে দেওয়া। এরপর ক্যাপশনেও সেম লেখা দিবেন। এরপর ডিসক্রিপশনেও সেম লেখা দিবেন। এরপর সেট ফিচার ইমেজ এখানে ক্লিক করে দিবেন। তাহলে ইমেজটি এখানে চলে আসবে। দেন এখন এখান থেকে যদি পাবলিশড অপশনের উপরে ক্লিক করে দেন তাহলে আপনার কন্টেন্ট কিন্তু পাবলিশড হয়ে যাবে। সো এইভাবে আপনারা আপনাদের সাইটে কন্টেন্ট পাবলিশড করবেন। এখন আমরা যদি আমাদের সাইটটিকে রিলোড দিই তাহলে দেখুন আমাদের কন্টেন্টটি কিন্তু সুন্দরভাবে এখানে চলে এসেছে। এখন আপনাদেরকে যেমনটি বলেছিলাম যে ইমেজ এসইও করলে ইমেজ থেকে কিভাবে ভিজিটর পাওয়া যায়। তো আমরা একটি পরীক্ষামূলক কাজ করতে পারি। আমাদের এই কিওয়ার্ডটি দিয়ে যেমনভাবে গুগল এ ভিজিটররা সার্চ করে থাকে আমরা এন্টার করে দিব এবং এন্টার করার পর এখান থেকে দেখুন ইমেজ বলে একটি সেকশন রয়েছে গুগল এর। সো এই ইমেজ সেকশনে যাওয়ার পর এখান থেকে দেখুন অনেক ইমেজ কিন্তু আপনি পাবেন এবং প্রত্যেকটি এই যে যেমন সময় টিভি এখান থেকে দেখুন মোবাইল ফোনের প্রথম কথা বলেছিলেন কারা। এ সম্পর্কে সে কিন্তু কন্টেন্ট লিখে রেখেছে। জাস্ট কেউ যদি এই ইমেজের উপরে ক্লিক করে তখন কিন্তু সে ইন্টারেস্টেড হবে। যেহেতু এটা গুগল মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন ভিজিট করে। সো ইমেজ সেকশনেও কিন্তু প্রচুর মানুষ চলে আসে। এখান থেকে এই ইমেজের এই যে ভিজিট অপশনের উপরে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে দেখুন। অলরাইট। তো দেখুন এই যে সময় নিউজের এই যে লাইভ টিভির যে চ্যানেলটি আমাদের আছে, এই যে নিউজ অনলাইন নিউজ পোর্টাল সেখানে কিন্তু এই ইমেজ থেকে রিডাইরেক্ট করে এই কন্টেন্টে কিন্তু আমাকে নিয়ে চলে এসেছে। সো আপনি ইমেজগুলিতে যদি গুরুত্ব বাড়ান তাহলে এই ইমেজের মাধ্যমেও আপনি হাজার হাজার ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন এবং আমার ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন। আমার অনেক কন্টেন্ট জাস্ট ইমেজের প্রথম পজিশনে থাকার ফলে ইমেজ থেকে প্রচুর ভিজিটর আসে। আপনারা এসএস আইটি বাড়িটি একটু ভিজিট করবেন। এভাবে আপনারা চেক করে নিবেন তাহলে আপনাদের আরো ট্রাস্ট আসবে। আমি যে কথাগুলি বলছি এগুলি আসলেই কিনা। সো আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমকে আপনাকে চিন্তা করেই কন্টেন্ট পাবলিশড করতে হবে। তো আশা করছি এভাবে আপনারা আপনাদের সাইটে কন্টিনিউ প্রতিদিন মিনিমাম আপনি একটি করে নির্দিষ্ট সময় কন্টেন্ট পাবলিশড করবেন। সো এই কন্টেন্টগুলিতে আরো ভিজিটর কিভাবে আপনারা নিয়ে আসবেন এবং মার্কেটিং করবেন সে সম্পর্কেও ভিডিও আসবে কোর্সে। আজকে এতদূর পর্যন্তই জাস্ট আপনারা কন্টেন্ট কিভাবে ইআই দিয়ে লিখবেন, কিভাবে এসইও করবেন, কিভাবে ইমেজ জেনারেট করবেন, কিভাবে র‍্যাঙ্ক ম্যাথের ব্যবহার করবেন, এ সম্পর্কে আজকে আপনাদেরকে জানালাম। ধন্যবাদ সবাইকে।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript