[0:02]ইরানের সামরিক বাহিনী বুঝে গেছে ইসরাইলের আয়রন ডোম ও ডেভিড স্লিঙের মতো এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলো তেহরানের জন্য আর প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারছে না। ইসরাইলের সামরিক স্থাপনাগুলোকে গুঁড়িয়ে দিতে ইরান ছুঁড়েছে তিন শতাধিক ব্যালিস্টিক মিসাইল। এরপর কি হলো ইহুদিবাদীদের? তাহলে কি ইসরাইলের প্রতিরক্ষার জালকে ভাঙতে সফল হয়েছে ইরান? শুধুমাত্র ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কিভাবে ইসরাইলের সামরিক আস্তানা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইরান। যদিও সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জানিয়েছেন, দুই দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক সক্ষমতাকে ঘিরে গবেষণা চালিয়েছে তেহরান। যার ফল এখন লাভ করছে ইরান। তবে প্রশ্ন হলো, যুদ্ধের ময়দানে কি তাহলে এখন পরাজয় বরণ করবে ইসরাইল? যুদ্ধ শুরু হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যেই ইরানের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আগুন ছড়িয়ে পড়বে। এমন হুঁশিয়ারি বারবার দিয়েছিল তেহরান। কিন্তু দেশটির সেই সতর্কতাকে খুব একটা আমলে নেয়নি ইহুদিবাদীরা। যার ফল এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ইরান যে ব্যালিস্টিক মিসাইলের সক্ষমতায় মধ্যপ্রাচ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে তার সাক্ষী এখন ইহুদিবাদীরাই। ক্ষণে ক্ষণে ইসরাইলের উদ্দেশ্যে ছুটে যাচ্ছে ইরানের ছোঁড়া মিসাইলের বিশাল বহর। যাকে প্রতিহত করতে ব্যাপক হিমশিম অবস্থায় পড়ছে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইসরাইলের কাছে অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম থাকার পরও কেন ইরানের সাধারণ মিসাইলগুলোকেও প্রতিহত করতে পারছে না আইডিএফ? সম্প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা বাহিনী আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়নী জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধে ইরান ব্যবহার করছে দেশটির সবচেয়ে পুরনো আমলের মিসাইলগুলো। যা 2012 থেকে 2014 সাল পর্যন্ত তৈরি করেছিল ইরানের সমর বিজ্ঞানীরা। ফলে ইরানের সামরিক বহরে এখনো মজুদ আছে দেশটির অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল বহর। যদিও সেই বহরে থাকা মিসাইলের কিছু অংশের ঝলকানি এরই মধ্যে দেখেছে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো। এবার ইহুদিবাদী দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ এর গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইরানের মিসাইল ইস্যুকে ঘিরে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। চলমান যুদ্ধে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরান নিক্ষেপ করেছে কমপক্ষে 300টি ব্যালিস্টিক মিসাইল। যার বেশিরভাগেই ক্লাস্টার বোমার ওয়ারহেড ছিল বলে দাবি আইডিএফের। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসরাইলের সংবাদ মাধ্যম দা টাইমস অফ ইসরাইল। কিন্তু ক্লাস্টার বোমার ওয়ারহেডকে ঘিরে এত উদ্বিগ্ন কেন ইসরাইল? ইরানের ছোঁড়া ব্যালিস্টিক মিসাইলের তান্ডবে ইসরাইলে এখন পর্যন্ত অন্তত 12 জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে কমপক্ষে 2000 জন ইসরাইলি, এমন দাবি আইডিএফের। আর এসব হামলায় ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে ইসরাইলের বিভিন্ন শহরে থাকা অবকাঠামোগুলোও। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের ছোড়া এই ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলোতে থাকা ওয়ারহেডগুলো কয়েক ডজন পর্যন্ত ক্লাস্টার বোমা বহনে সক্ষম। প্রতিটি বোমাতে থাকে কয়েক কিলোগ্রাম পর্যন্ত বিস্ফোরক। আর মিসাইলের এই বোমাগুলো হামলার পর মুহূর্তে 10 কিলোমিটারের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে ইসরাইলের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের পক্ষে এগুলোকে প্রতিহত করা অনেকটাই দুঃসাধ্য হয়ে যায়। সৃজন মাহমুদ, নিউজ 24।

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ৩০০টি মিসাইল ছুড়েছে ইরান? | Israel Iron Dome | Iran ballistic missiles | NEWS24
NEWS24
4m 15s393 words~2 min read
YouTube auto captions
Transcript source
YouTube auto captions
This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.
Use this transcript
Related transcript hubs
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS


