Thumbnail for যেই ১০টা AI টুল শিখলে সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন! by Sohag360

যেই ১০টা AI টুল শিখলে সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন!

Sohag360

16m 47s3,315 words~17 min read
Auto-Generated

[0:00]guru.com নামে একটা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস আছে যেখান থেকে মাত্র তিন দিন সময় দিয়ে একটা এআই টুলের মাধ্যমে আমি ২০০ ডলার ইনকাম করেছি। এন্ড আইম শিওর আপনারা যদি এই টুলটা প্রপারলি শিখতে পারেন, এটলিস্ট মাসখানেক সময়ও যদি দেন, তাহলে আপনি নিজেও সেখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন। আমি যেই এআই টুলটার কথা বলছি সেটার নাম হচ্ছে HeyGen। HeyGen হচ্ছে একটা এআই ভিডিও ক্রিয়েশন টুল। এবং এটার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন রকমের ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। যেমন এই HeyGen-এ যদি আপনি কোন একটা ব্যক্তির ভিডিও কয়েক মিনিট আপলোড করেন তাহলে সেই ভিডিওটা থেকে ঐটা একটা এআই অ্যাভাটার তৈরি করে ফেলবে। এবং সেখানে আপনি যে স্ক্রিপ্টটা লিখে দিবেন, সেই স্ক্রিপ্টের উপর একটা কমপ্লিট ভিডিও তৈরি করে দিবে। এর আগে আমরা যত এআই অ্যাভাটার দেখেছি সেগুলো মূলত একটা ছবির মতো ছিল স্থির বসে থেকে রোবটের মতো জাস্ট ঠোঁট নাড়াইত আর ঘাড় হালকা পাতলা একটু নাড়াইত। বাট HeyGen-এর যে এআই অ্যাভাটার আছে সেটা পুরা মানুষের যে মুভমেন্ট আছে সেটা মিমিক করতে পারে। যার ফলে খুবই রিয়েলিস্টিক লাগে। মাঝেমধ্যে বুঝায়ই যায় না যে এটা এআই জেনারেটেড। আর পারসোনালিটির পাশাপাশি আপনি যদি কোন ব্যক্তির ভয়েস এখানে ইনপুট দেন, তাহলে সেই ভয়েসটাকেও কিন্তু ক্লোন করে ফেলতে পারে। সেই সাথে ভিডিওতে আপনি সাবটাইটেল তৈরি করতে পারবেন, নানারকমের প্রোডাক্ট শোকেস ভিডিও তৈরি করতে পারবেন, ট্রেনিং ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। ইভেন ইদানিং আমরা YouTube অটোমেশন ভিডিওর একটা বড় হাইপ দেখতে পাচ্ছি। আপনি চাইলে HeyGen দিয়ে কিন্তু YouTube-এর অটোমেশনের ভিডিওও তৈরি করতে পারবেন। তার মানে এই এআই টুলটা শিখলে আপনার ইনকামের কিন্তু অনেকগুলা দরজা খুলে যাবে। শুধু HeyGen না এরকম আরও নয়টা মানে টোটাল দশটা এআই টুল নিয়ে আজকে কথা বলবো, যেগুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের ল্যাপটপটাকে একটা মানি মেশিনে কনভার্ট করে ফেলতে পারবেন। তার আগে আপনাদেরকে আরেকটা ট্রিক শিখাই দেই। যদি আপনি দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে চান তাহলে আপনারা Taptap Send ব্যবহার করতে পারেন। কারণ Taptap Send খুবই ফাস্ট, ট্রাস্টেড এবং সিকিউর। আর Taptap Send যখন আপনি প্রথম ব্যবহার করবেন তখন আমাদের প্রোমো কোড SOHAG360 ব্যবহার করবেন। তাহলে আপনি বেশ কিছু এক্সট্রা বোনাস পেয়ে যাবেন। যেমন অস্ট্রেলিয়া থেকে ৫০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার, সেই সাথে কানাডা থেকে ৩০ ক্যানাডিয়ান ডলার সহ অন্যান্য দেশ থেকেও আকর্ষণীয় বোনাস পেয়ে যাবেন যেগুলো স্ক্রিনে আপনারা এখন দেখতে পাচ্ছেন। সেই সাথে Taptap Send দিয়ে দেশের টাকা পাঠালে কম্পিটিটিভলি একটু বেটার এক্সচেঞ্জ রেট পাওয়া যায়। গভর্মেন্টের যে ২.৫% ইনসেন্টিভ আছে সেটা অটোমেটিক্যালি যুক্ত হয়ে যায়। পাশাপাশি আপনি বিকাশ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ক্যাশ পিক-আপের মতো পদ্ধতিতেও দেশে টাকা পাঠাতে পারবেন। সেই সাথে Taptap Send-এ টাকা পাঠালে কোন ধরনের ট্রাঞ্জেকশন ফি কাটে না। শুধুমাত্র UK থেকে বাংলাদেশে যদি আপনি বিকাশে টাকা পাঠান সরাসরি তাহলে ০.৯৯ পাউন্ড চার্জ কাটে। সো আপনি যদি এখনো Taptap Send ব্যবহার না করেন তাহলে ভিডিও ডিসক্রিপশনে লিংক আছে সেখান থেকে ডাউনলোড করে আমাদের কুপনটা অবশ্যই ব্যবহার করবেন এক্সট্রা বোনাস পাওয়ার জন্য। ব্যাক টু দা মেইন ভিডিও। সেকেন্ড যে এআই টুলটা আপনার অবশ্যই অবশ্যই শিখা উচিত এই সময়ে এসে সেটার নাম হচ্ছে n8n। n8n হচ্ছে একটা এআই অটোমেশন বা এআই এজেন্ট বিল্ডিং টুল। এবং এটার মাধ্যমে আপনি গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসে খুবই মিনিমাল কোড করেই একটা এআই এজেন্ট তৈরি করতে পারবেন। ফর এক্সাম্পল আপনার যদি একটা বিজনেস থাকে যেখানে প্রচুর পরিমাণে কাস্টমাররা নক দেয় Whatsapp-এ কিংবা মেসেঞ্জারে এবং আপনি তাদেরকে অটোমেটিক্যালি রিপ্লাই দিতে চান তাহলে আপনি এই n8n-এর মাধ্যমে সেই প্রসেসটা অটোমেট করে ফেলতে পারবেন। তারমানে আপনাকে ম্যানুয়ালি আর রিপ্লাই দিতে হবে না। অনেকের কাছে এই প্রসেসটা একটু জটিল মনে হলেও আপনারা কেউ যদি IFTTT-র কথা শুনে থাকেন, এটা কাইন্ড অফ ওই IFTTT-র মতোই কাজ করে। IFTTT-তে যেমন If This Then That একটা প্রসেস আছে এখানেও প্রসেসটা সিমিলার। যদি কোন একটা মেসেজ আসে তাহলে আপনি হচ্ছে একটা AI এজেন্টের মাধ্যমে সেই মেসেজটা জেনারেট করতে পারবেন এন্ড ফাইনালি ডেলিভার করতে পারবেন। প্রসেসটা একেবারে কমপ্লিকেটেডও না আবার একেবারে খুব ইজিও না। আপনি যদি একটু ঘাটাঘাটি করেন তাহলেই এই জিনিসটা শিখতে পারবেন। অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে ফ্রি রিসোর্সেস আছে এই n8n নিয়ে। শুধুমাত্র লিড জেনারেশন বা মেসেজের রিপ্লাই দেওয়া না, এর বাইরেও n8n দিয়ে আপনি আরও অনেক কাজ অটোমেট করতে পারবেন। আপনার পুরা এমপ্লয়ি ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে আরও অনেক কাজ আছে। যেমন আপনি যদি এক্সেলে কোন কিছু মডিফাই করতে চান বা এড করতে চান কোন একটা অ্যাকশনের মাধ্যমে। মানে n8n-এর যে ইউস কেস সেটা কিন্তু হিউজ। ভালো ব্যাপার হচ্ছে n8n-এর পেইড ভার্সনও আছে আবার এটার ফ্রি ভার্সনও আছে। ফ্রি ভার্সনটা আপনাকে সেল্ফ হোষ্ট করে নিতে হবে। সেল্ফ হোষ্ট যদি করেন তাহলে হোষ্টিংয়ের যে খরচটা শুধুমাত্র সেটাই আসবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই n8n দিয়ে আপনি ইনকাম করবেন কিভাবে? প্রথমত আপনি যদি এআই অটোমেশন শিখতে পারেন তাহলে আপনার অটোমেট করা সেই প্রসেসটা আপনি চাইলে সেল করতে পারবেন। কোন বিজনেসকে আপনি চাইলে প্রোভাইড করতে পারবেন। মার্কেটপ্লেসেও এটা নিয়ে প্রচুর পরিমাণে ডিমান্ড আছে। সেই সাথে আপনার যদি নিজের একটা বিজনেস থাকে সেটাকে আপনি অনেক বেশি এফিসিয়েন্ট করতে পারবেন এবং টাকা অনেক সেভ করতে পারবেন। সেভ করা মানেই তো আর্ন করা। তিন নাম্বার টুলটার নাম হচ্ছে Google AI Studio। আমার মতে এটা সবচেয়ে আন্ডাররেটেড এবং একটু কম নোন বা একটু কম ইউজড এআই টুলগুলোর মধ্যে একটা বাট এটা অনেক পাওয়ারফুল। আপনারা যদি Google AI Studio ব্যবহার করেন তাহলে একটু আগে যে আমরা n8n-এর কথা বললাম সেই n8n-এ কিন্তু আপনার অনেক ধরনের এপিআই দরকার হয়। সেই এপিআইগুলো অনেক সময় পেইড হয়। বাট আপনি যদি Google AI Studio ব্যবহার করেন তাহলে অনেক এপিআই আপনি ফ্রিতে এখানে পেয়ে যাবেন। এর বাইরে Google AI Studio দিয়ে আপনি চাইলে চ্যাটবট তৈরি করতে পারবেন কিংবা ওয়েব বেসড অ্যাপ তৈরি করতে পারবেন। সেই সাথে আপনি চাইলে বিভিন্ন রকমের ডকুমেন্ট সেখানে ইনপুট দিয়ে বা বই সেখানে ইনপুট দিয়ে সেখান থেকে কোশ্চেন করে আনসার নিতে পারবেন। তার মানে এটা একটা কমপ্লিট এআই সলিউশন বলতে পারেন। Google AI Studio যদি আপনার এর আগে ব্যবহার না করে থাকেন তাহলে ইউজ করে দেখতে পারেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এগুলো থেকে ইনকাম কিভাবে জেনারেট করবেন? প্রত্যেকটা টুল কিন্তু আপনাকে একদম অ্যাক্টিভলি ইনকাম করার ব্যবস্থা করবে না। বাট এটার অনেক প্যাসিভ অ্যাপ্লিকেশন আছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। যেমন আপনি চাইলে চ্যাটবট কিংবা কোন একটা এআই এজেন্ট তৈরি করে কোন বিজনেসের কাছে সেল করতে পারেন। চাইলে ওয়ান টাইম পেমেন্ট নিয়ে অথবা সাবস্ক্রিপশন মডেলে আপনি সেল করতে পারেন। সেই সাথে মার্কেটপ্লেসগুলোতেও কিন্তু এই ধরনের কাজের পোস্ট আসে প্রায় সময়। আপনি চাইলে সেই জবগুলোতেও এপ্লাই করতে পারেন। চার নাম্বার টুলটা হচ্ছে Sora 2। আপনারা অনেকেই হয়তোবা নাম শুনেছেন এই Sora 2 মূলত OpenAI-এরই একটা টুল। এবং এইটা এতদিন পর্যন্ত মানে Sora-এর যে অরিজিনাল ভার্সনটা ছিল সেটা খুব একটা বেশি প্রমিজিং ছিল না এবং সবাই খুব ক্রিটিসাইজ করছে সেটার বাট Sora 2 এতটাই ওভারপাওয়ারড হইছে যে এটা অলমোস্ট রিয়েল লাইফের মতো ভিডিও তৈরি করতে পারে। এবং Sora 2-এর ভিডিও দেখেও অনেকে ধারণা করতেই পারছিল না। আমি নিজেও বেশ কিছু শর্ট ফর্মের ভিডিও দেখে ভেবেছিলাম এটা রিয়েল ভিডিও। পরে অনেক অ্যানালাইসিস করে বুঝলাম যে না এটা Sora 2-এর ভিডিও। তারমানে রিয়েল লাইফে করা ভিডিও এবং এআই দিয়ে জেনারেটেড ভিডিওর যে গ্যাপটা ছিল সেটা অনেকাংশেই কমিয়ে ফেলেছে এই টুলটা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এটা দিয়ে আপনি কি কি করতে পারেন? বেশিরভাগ সময় আপনারা অনলাইনে দেখবেন Sora 2 ব্যবহার করে মানুষজন ফানি বা এন্টারটেইনমেন্ট রিলেটেড কনটেন্ট বানাচ্ছে। কখনো বানর ব্লগ করতেছে, কখনো খুব অদ্ভুত অদ্ভুত ভিডিও মানুষজন বানাচ্ছে। যেগুলো ফান এন্ড এন্টারটেইনিং বাট এগুলা আসলে মানে আপনাকে টাকা এনে দিবে না। যদি টাকা এনে দেওয়ার কথা বলেন তাহলে দেখবেন Sora 2 দিয়ে বেশ কিছু মানুষ কিছু এড তৈরি করেছে। যে এডগুলো যদি আপনি নরমালি তৈরি করতে চান তাহলে হয়তোবা লাখ লাখ টাকা আপনাকে খরচ করতে হবে। বাট এই Sora 2 দিয়ে সেই এডগুলো যদি আপনি তৈরি করতে পারেন, আপনি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাছে সেল করতে পারবেন। অথবা আপনি Sora 2 দিয়ে ভিডিও তৈরি করে YouTube-এ ইনকাম করতে পারবেন। অলদো এখানে একটু লিমিটেশন আছে YouTube-এ এখন এআই ভিডিওতে মনিটাইজেশনের পরিমাণ অনেকাংশেই কমিয়ে দিয়েছে। সো এটা কিছুটা রিক্সি হবে বাট স্টিল অন্যান্য আরও অনেক জায়গা আছে যেখানে আপনি এই টুলটা ব্যবহার করে ইনকাম করতে পারবেন। তবে এখানে আপনার যে জিনিসটা লাগবে সেটা হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটি। আপনি যদি একটু চিন্তা করতে পারেন কোন কিছু, কোন কিছু যদি ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারেন নিজের মনের মধ্যে এবং সেটাকে যদি জাস্ট ওয়ার্ডে কনভার্ট করতে পারেন। তাহলেই আপনি কমান্ড দিয়ে Sora 2-এর মাধ্যমে সেই ভিডিওটা জেনারেট করতে পারবেন। এবং অনেকে হয়তোবা Veo 3-এর কথা বলবেন। Veo 3 এবং Sora 2-এর মধ্যে যে মেজর পার্থক্য তারমধ্যে প্রথমটা হচ্ছে, আপনি Sora 2 দিয়ে চাইলে আর একটু লম্বা ভিডিও জেনারেট করতে পারবেন। Veo 3-তে 8 সেকেন্ড হচ্ছে লিমিট আর Sora 2 দিয়ে আপনারা 15 সেকেন্ড পর্যন্ত ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। এবং Sora 2-তে 30টা ক্রেডিট থাকে ফর ফ্রি। সো আপনি ডেইলি 30টা ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। যেটা আমার মনে হয় মোর দেন এনাফ। বাট স্যাড ব্যাপার হচ্ছে Sora 2 এখনো পর্যন্ত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড এভেলেবল হয় নাই। অল্প কয়েকটা দেশ এখনো পর্যন্ত সাপোর্ট করে। বাংলাদেশেও সাপোর্টেড না। সো আপনাকে একটু VPN ব্যবহার করতে হবে এবং US-এর লোকেশনে যদি যান তাহলে আপনি Sora 2 ব্যবহার করতে পারবেন। পাঁচ নাম্বারে আমরা দুইটা টুল একসাথে কম্বাইন করছি। একটা হচ্ছে LM Arena আরেকটা হচ্ছে yupp.ai। এবং এই দুইটা টুলই মূলত মাল্টিপল মডেলকে কম্পেয়ার করার জন্য ব্যবহার করা হয়। ML Arena হচ্ছে টেক্সট বেসড যে কমান্ডগুলো আছে সেগুলোকে আপনি কম্পেয়ার করতে পারবেন। এমন অনেক সময় হয় কোন একটা কমান্ড যদি আমরা দেই তাহলে চ্যাটজিপিটি একরকমের আনসার দেয় তারপরে ক্লড একরকমের আনসার দেয় গ্রক একরকমের আনসার দেয় জিমেনা আবার অন্যরকমের আনসার দেয়। সো আপনার কাছে কোন আনসারটা পছন্দ হচ্ছে কোন আনসারটা আপনি একসেপ্ট করছেন এটা কিন্তু বারবার আপনাকে এআই টুল সুইচ করে করে দেখতে হয়। স্পেশালি রিসার্চের কাজে যদি আপনি LM Arena ব্যবহার করেন তাহলে একটা কমান্ড দিয়েই মাল্টিপল টুলকে কম্পেয়ার করতে পারবেন সাইড বাই সাইড এবং আপনার যেটা পছন্দ সেটাকে নিতে পারবেন। পাশাপাশি আপনার যেই আনসারটা পছন্দ হবে সেটা থেকে আপনি চাইলে আরও ভেরিয়েন্ট জেনারেট করতে পারবেন এবং আরও অনেক ধরনের অপশন আছে। এখন ব্যাপার হচ্ছে এই টুলটা দিয়ে হয়তোবা আপনি ডিরেক্টলি ইনকাম করতে পারবেন না কিন্তু যখনই আপনি ইনকাম করতে যাবেন অন্য কোন টুল ব্যবহার করে তখন মাল্টিপল টুল দিয়ে রিসার্চ করা কিংবা স্ক্রিপ্ট লিখা অথবা নানান কাজে আপনি এই টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। যেগুলো আলটিমেটলি কিন্তু আপনার ক্যারিয়ার আপনার স্কিল কিংবা আপনার বিজনেস সবকিছুতেই হেল্প করবে। আর yupp.ai মূলত আপনাকে মাল্টিপল ইমেজ জেনারেট করে দিবে একটা কমান্ডে এবং মাল্টিপল মডেল ব্যবহার করে। ঠিক যেমন LM Arena-তে আমরা মাল্টিপল টেক্সট ইনপুট দিয়ে মাল্টিপল রেজাল্ট পাচ্ছিলাম এখানে জাস্ট আপনি ইমেজ জেনারেট করতে পারবেন। লেট'স সে আপনার Nano Banana পছন্দ আপনি Nano Banana-র পাশাপাশি যদি অন্যান্য যে এআই টুলগুলো আছে সেগুলা দিয়েও ইমেজ জেনারেট করতে চান সেটা করতে পারবেন। এখন এইটাই এটার একমাত্র ভালো দিক না। সবচেয়ে বড় ভালো দিক হচ্ছে এমন অনেক এআই মডেল আছে যেগুলো দিয়ে ইমেজ জেনারেট করতে হলে আপনাকে ক্রেডিট দিতে হবে তারমানে পেইড। বাট এমন অনেক টুল আছে যেগুলা আপনি পেইড ভার্সনটা ফ্রিতে পেয়ে যাবেন এই yupp.ai-তে যে কারণে এটা কিন্তু অনেক ইউজফুল। সো আপনারা অবশ্যই ব্যবহার করবেন যদি মাল্টিপল মডেলকে একসাথে কম্পেয়ার করতে চান। ছয় নাম্বার টুলটার নাম হচ্ছে Nano Banana যেটাকে এখন Gemini 2.5 Flash Image-ও বলা হয়। এবং এই টুলটার নাম হয়তোবা অলরেডি অনেকেই শুনেছেন কারণ ইমেজ জেনারেশন বা ইমেজ এডিট করাটাকে একদম নেক্সট লেভেলে নিয়ে গিয়েছে এই Nano Banana। একদমই রিয়েলিস্টিক এডিট যদি আপনি করতে চান ছবির তাহলে এটা ইউজ করতে পারেন। গ্রাফিক ডিজাইন হইতে পারে, প্রোডাক্ট ডিজাইন হইতে পারে, আপনার এক্সিস্টিং কোন ছবিকে ম্যানিপুলেশন হইতে পারে সব ধরনের কাজই করতে পারে। ভালো ব্যাপার হচ্ছে এটা কিন্তু ফেইস একদম হুবহু একই রকম রাখে। ChatGBT বা অন্যান্য যত ইমেজ জেনারেশন টুল আছে বেশিরভাগগুলোতেই কিন্তু ফেইস কনসিস্টেন্ট রাখতে পারে না। আপনি আপনার একটা ছবি দিয়ে যদি বলেন যে এই ছবি থেকে ব্যাকগ্রাউন্ডটা রিমুভ করে দাও বা ব্যাকগ্রাউন্ডে অন্য কোন কিছু এড করে দাও তাহলে সে কিন্তু পুরা ইমেজটাকে রি-জেনারেট করে ফেলে। বাট Nano Banana সেটা করে না। যেই কারণে Nano Banana মূলত প্রফেশনালরা এখন ব্যবহার করে স্পেশালি যারা গ্রাফিক ডিজাইন করে তারা। সো এটা থেকে আপনি ইনকাম কিভাবে করতে পারেন? প্রথমত আপনি ডিজাইন সার্ভিস অফার করতে পারেন। অবশ্যই আপনাকে আগে টুলটা ভালো করে শিখতে হবে, আপনার মধ্যে একটা ক্রিয়েটিভ সেন্স থাকতে হবে। আপনি বিভিন্ন বিজনেসের জন্য ইভেন লোগো ডিজাইন থেকে শুরু করে প্রোডাক্ট ডিজাইন এবং অন্য সবকিছু আপনি করতে পারবেন এই টুলটা দিয়ে। যদি আপনি এখনো পর্যন্ত Nano Banana ইউজ না করে থাকেন তাহলে অবশ্যই চেক করবেন। ডিরেক্টলি Google Gemini থেকে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। সাত নাম্বার টুলটার নাম হচ্ছে veed.io এবং এটা হচ্ছে ব্রাউজার বেস্ট একটা ভিডিও এডিটর। এখন এইটা আপনাকে কিভাবে ইনকাম জেনারেট করে দিতে পারে? ওয়েল আপনি যখন Sora 2 কিংবা HeyGen দিয়ে ভিডিও জেনারেট করবেন সেটাকে এডিট করার জন্য আপনার একটা ভিডিও এডিটর দরকার পড়বে। আপনি যদি ট্রেডিশনাল ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারগুলোতে অভ্যস্ত না হন তাহলে এই veed.io দিয়ে আপনি সব ধরনের ভিডিও এডিট করতে পারবেন। এটা লেয়ার বেস্ট খুবই প্রফেশনাল লুকিং একটা ভিডিও এডিটর। অলদো এটা প্রিমিয়ার প্রো কিংবা অন্যান্য সফটওয়্যারের মতো এত পাওয়ারফুল না বাট সেটা দিয়ে আপনি ডেফিনেটলি এডিটিংয়ের যত বেসিক কাজ আছে সবই করে ফেলতে পারবেন। ভালো ব্যাপার হচ্ছে এই টুলটা ব্যবহার করার জন্য অন্যান্য ট্রেডিশনাল সফটওয়্যারের মতো আপনার অনেক পাওয়ারফুল কম্পিউটারের দরকার পড়বে না। প্রসেসিং যত পাওয়ার আছে সেটা কিন্তু veed.io নিজেই হ্যান্ডেল করবে। আট নাম্বার টুলটার নাম হচ্ছে Higgsfield AI। অনেকেই বলতে পারেন যে ভাই আপনি এত ভিডিও জেনারেশন টুল কেন সাজেস্ট করছেন? খেয়াল করে দেখবেন মার্কেটিংয়ে কিন্তু এখন বেশিরভাগ মানুষ এআই ভিডিও ব্যবহার করে বা ভিডিও ইন জেনারেল ব্যবহার করে। আর ভিডিও কনটেন্ট জেনারেট করা কিন্তু বেশ এক্সপেন্সিভ। আপনি যদি কখনো ভিডিও কনটেন্ট জেনারেট না করে থাকেন নিজের বিজনেসের জন্য বা অন্য কারো জন্য। তাহলে দেখবেন একদম প্রি-প্রোডাকশন থেকে শুরু করে প্রোডাকশন এবং পোস্ট প্রোডাকশনে হিউজ পরিমাণে খরচ লাগে পাশাপাশি সময়ও লাগে। সেই সময় এবং খরচ যদি মিনিমাইজ করে আপনি কোন ব্র্যান্ডের জন্য ভালো মানের একটা এড তৈরি করে দিতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনি সেখান থেকে ভালো মানের ইনকামও করতে পারবেন। এই Higgsfield-কে কেন আমি সাজেস্ট করছি এর কারণ হচ্ছে আপনি যদি Sora-এর কথা বলেন কিংবা HeyGen-এর কথা বলেন এই প্রত্যেকটাতেই আপনাকে কিন্তু ভালো রকমেরই প্রম্পট দিতে হবে। মানে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিংটা আপনাকে ভালো জানতে হবে বা প্রম্পট লিখাটা আপনাকে ভালোভাবে বুঝতে হবে। কিন্তু এই Higgsfield AI-এর একটা সুবিধা হচ্ছে এখানে অনেক প্রি-মেইড টেম্পলেট থাকে আপনি সেই টেম্পলেটের মধ্যে আপনার নিজের কনটেন্ট ইনপুট করে দিয়ে ভালো একটা ভিডিও জেনারেট করে ফেলতে পারবেন। এখন ব্যাপার হচ্ছে এগুলা থেকে যদি আপনি ইনকাম জেনারেট করতে চান তাহলে ডেফিনেটলি আপনার এই টুলগুলোকে প্রপারলি ইউজ করা জানতে হবে, এটার ইনস এন্ড আউটসগুলো জানতে হবে এবং প্রত্যেকটা টেম্পলেট সম্পর্কে আপনার আইডিয়া রাখতে হবে। তাহলে যেকোনো কাজ আসলে আপনি কিন্তু সেটা Higgsfield দিয়ে করতে পারবেন না বা করতে পারলেও আপনি ক্লায়েন্টের মতো করে করতে পারবেন না। হয়তোবা নিজের মতো করে বা রেন্ডমলি তৈরি করতে পারবেন। এই কারণে এই টুলগুলোর সাথে ফ্যামিলিয়ার হওয়া খুবই জরুরী। নাউ লেটস মুভ এওয়ে ফ্রম ভিডিও জেনারেশন। এবার আমরা যে এআই টুলটার কথা বলবো নয় নাম্বারে সেটার নাম হচ্ছে Lovable AI। এটার নাম হয়তোবা অনেকেই শুনে থাকবেন। অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের জন্য এটা খুবই জনপ্রিয়। এটা জাস্ট আপনার একটা কমান্ড থেকে কমপ্লিট একটা ওয়েব অ্যাপ ডেভেলপ করে দিবে। এখন অ্যাপ ডেভেলপ করে ইনকাম কিভাবে করবেন সেটার জন্য আমি হয়তোবা ডজনখানেক ওয়ে আপনাদেরকে বলতে পারবো। কয়েকটা ওয়ে বলবো তার আগে বলি Lovable AI কাজ করে কিভাবে। সো Lovable AI-তে গিয়ে যদি আপনি নরমালি ChatGBT-র মতো একটা কমান্ড দেন যে আমার এই এইরকম এরকম একটা অ্যাপ দরকার। লেট'স সে আপনার একটা ক্যালকুলেটর অ্যাপ দরকার। আপনি ওকে বলবেন যে আমার একটা ক্যালকুলেটর অ্যাপ বানানোর দরকার এবং সেই অ্যাপটার ইন্টারফেস কেমন হবে, সেটার ফাংশনগুলো কেমন হবে। যত ডিটেল বলতে পারবেন তত ভালো অ্যাপ তৈরি করে দিতে পারবে। যদি ডিটেল নাও বলেন তারপরেও অল্প একটু বললেও সে আপনাকে একটা ওয়েব অ্যাপ ডেভেলপ করে দিয়ে দিতে পারবে। এবং এই অ্যাপটা আপনি চাইলে নিজের কাজে তো ব্যবহার করতেই পারেনই অন্যকে আপনি অ্যাপ ডেভেলপ করে দিতে পারেন অথবা অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের যে সার্ভিসগুলো সেগুলো আপনি মার্কেটপ্লেসেও কিন্তু সেল করতে পারবেন। আর Lovable AI দিয়ে আপনি যেমন ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপ করতে পারবেন পাশাপাশি ব্যাক-এন্ড বা লজিকটা ডেভেলপ করতে পারবেন। সেই সাথে আপনার ক্লায়েন্টের যদি কোন ডিমান্ড থাকে সেইটা যেমন আপনি ফুলফিল করতে পারবেন, কোন একটা ড্যাশবোর্ড যদি তৈরি করতে চান অথবা যদি আপনি SaaS বেস্ট কমপ্লিট কোন প্রোডাক্ট তৈরি করতে চান। সবগুলোই আপনি এটা দিয়ে করতে পারবেন কোন ধরনের কোডিং ছাড়াই। দশ নাম্বার এবং ফাইনাল টুলটা হচ্ছে Google-এর Veo 3। আবারও ভিডিও জেনারেশন দিয়ে শেষ করছি। আমি আবারও বলছি কনটেন্ট ইজ দ্যা কিং। সো আপনি যদি এই জায়গাটাতে এক্সপার্ট হন তাহলে কিন্তু অনেককিছুই করতে পারবেন। এবং তুলনামূলক এই জায়গাটা দিয়ে ক্লায়েন্ট পাওয়া বা কাজ করা ইজি। যেই কারণে আমি মূলত ইনকামের জন্য আমি এই ভিডিও জেনারেশন টুলগুলি আপনাদেরকে বেশি সাজেস্ট করছি। সো Veo 3 দিয়ে জেনারেট করা অনেক ভিডিও অলরেডি হয়তোবা আপনারা দেখেছেন বাট Veo 3-এর প্রপার ইউজটা যদি আপনি জানেন প্রপারলি কমান্ড যদি দিতে পারেন বা প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিংটা যদি আপনি ভালোভাবে শিখতে পারেন। তাহলে এটা দিয়ে কিন্তু প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরি করতে পারেন। সেটা হইতে পারে কোন কোম্পানির জন্য এড, হইতে পারে YouTube-এর জন্য কোন ভিডিও, হইতে পারে আপনি নিজে কোন ধরনের শর্ট কনটেন্ট তৈরি করে ইনকাম করা। যদি আপনি প্রপার স্টোরি টেলিং করতে পারেন এই Veo 3-এর মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে এবং আপনি যদি ইনফরমোটিভ কোন কিছু তৈরি করতে পারেন তাহলে সেটাতে কিন্তু YouTube-এ আপনি মনিটাইজেশন পাবেন। আর যদি আপনি রেন্ডম ভিডিও জেনারেট করেন জাস্ট একটা কমান্ড দিয়ে হাজার হাজার ভিডিও জেনারেট করে ফেলতে পারতেছেন এরকম ভিডিও যদি হয় তাহলে কিন্তু YouTube-এ মনিটাইজেশন পাবেন না। এই ছিল আমাদের লিস্টের দশটা টুল। বাট এর বাইরেও কিছু বোনাস টুল আপনাদেরকে আমি বলে দিতে চাই যেগুলো শিখলেও আপনার ইনকামে ভালো একটা বুস্ট আসবে। তারমধ্যে প্রথমটা হচ্ছে Poised.ai। এটা মূলত আপনার কমিউনিকেশন স্কিলকে ইম্প্রুভ করার জন্য কাজে আসবে। আপনি যতই স্কিলড হোন না কেন ক্লায়েন্টের সাথে যদি ঠিকমতো কমিউনিকেট না করতে পারেন তাহলে না লোকাল মার্কেটে আপনি কাজ করতে পারবেন না মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন না আপনার বিজনেস ডেভেলপ করতে পারবেন। যার ফলে এই Poised.ai-এর মাধ্যমে আপনার যে স্পোকেন এবিলিটিটা সেটা ইনক্রিজ করতে পারবেন। সো লেটস সে আপনি ইংলিশটাকে ডেভেলপ করতে চাচ্ছেন। Poised.ai আপনার জন্য একটা কনভারসেশন পার্টনার হিসেবে কাজ করবে বাট জাস্ট নরমাল ডাম্প কোন পার্টনারের মতো না। সে আপনাকে গাইড করবে যে আপনার কথার টোন কথার মধ্যে এনার্জি ঠিক আছে কিনা আপনার ওয়ার্ড চয়েস ঠিক আছে কিনা আপনি যে কথা বলছেন সেটা ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা। বারবার আপনাকে সে ফিডব্যাক দিয়ে আপনার ইম্প্রুভমেন্টটা সে এনসিওর করবে। এছাড়া আপনারা Lovable AI-এর অল্টারনেটিভ হিসেবে Replit AI ব্যবহার করতে পারেন। যদিও এটা ইউজ করতে হলে আপনাকে কোড জানতে হবে এবং এখানে যেহেতু আপনাকে একটু এডভান্সড কাজ করতে পারবেন আপনি এবং এআই অ্যাসিস্টেড একটা কোডার বলতে পারেন এটা। এটা যদিও একটু এডভান্সড কারণ আপনাকে কোড জানতে হবে এবং আপনি এখানে কোড করে অনেক ইনকাম করতে পারবেন। আপনি অন্যের জন্য কোড তৈরি করতে পারবেন, কোডের টেম্পলেট সেল করতে পারবেন। পাশাপাশি এই Replit AI-এর Bounties নামে একটা অপশন আছে। সো আপনি ওই টাস্কগুলো কমপ্লিট করে তাদের বাউন্টিগুলো আর্ন করতে পারেন যার মাধ্যমে আপনি এখান থেকে ইনকামও করতে পারেন। এই ছিল আমাদের কমপ্লিট এআই টুলের লিস্ট। দশটা এক্সাক্ট টুল আমরা বললাম সাথে দুইটা বোনাস দিলাম। আপনারা যদি এই টুলগুলো প্রপারলি শিখতে পারেন ডেফিনেটলি সবগুলোই শিখা লাগবে না। যদি আপনার কনটেন্ট ক্রিয়েশনের দিকে ফোকাস থাকে তাহলে আপনি এক ধরনের টুলগুলো শিখবেন। যদি কোড কিংবা অ্যাপের দিকে ফোকাস থাকে তাহলে অন্য ধরনের বা অটোমেশন নিয়ে যদি আপনি কাজ করতে চান তাহলে অন্য ধরনের। যে ফিল্ডেই আপনি যেতে চান এই টুলগুলো যদি আপনি শিখে নেন তাহলে আপনার ইনকামে ভালো একটা বুস্ট আসবে। এখন অনেকেই বলতে পারেন যে ভাই আমি তো ভাবছিলাম আপনি এমন টুল বলবেন যেটা আমি শিখবো আর পরের দিনই আমার ঘরে টাকা আসবে। দেখুন পৃথিবীতে এমন কোন ওয়েই নাই যেটা আপনাকে শর্টকাটে ইন্সট্যান্টলি বড় লোক বানায়া দিবে। আপনাকে অবশ্যই কাজ করতে হবে। সেটা হোক এআই দিয়ে, সেটা হোক নিজে, সেটা হোক মাঠে গিয়ে হাল চাষ করা বা যেকোনো কাজ হোক আপনাকে নিজেকে একটু কাজ করতে হবে এবং স্কিলড হইতে হবে। সো এই এআই টুলগুলো শিখার মাধ্যমে কিন্তু আপনি আলটিমেটলি স্কিলড হচ্ছেন এবং সেই স্কিলটা সেল করেই আপনি ইনকাম করতে পারবেন। বাট অনেক রেন্ডম এআই টুল আছে যেগুলো আপনাকে ফ্রিতে অনেক কিছু জেনারেট করে দিবে আবার অনেকগুলো পেইডও বাট সেগুলো খুব একটা কাজের না। আমি যে টুলগুলো বললাম প্রত্যেকটাই কাজের এবং প্রত্যেকটা স্কিলকেই আপনি টাকায় কনভার্ট করতে পারবেন। তবে এখানে বেশিরভাগ টুলগুলোই কিন্তু পেইড। আপনাকে কিছু টাকা খরচ করতে হবে বাট আমার মনে হয় আপনি আগে ফ্রি যে ক্রেডিটগুলো পাবেন সেগুলো দিয়ে নিজে নিজে একটু এক্সপার্ট হয়ে নিলে তারপরে আপনি পেইড সাবস্ক্রিপশন কিনতে পারেন। সেখান থেকে আপনি ক্রেডিট ব্যবহার করে দেন ক্লায়েন্টের কাজও করতে পারবেন খুব ইজিলি বা নিজের বিজনেসেও ব্যবহার করতে পারেন। এই ছিল আমাদের আজকের ভিডিও। আশা করি ভিডিওটি আপনাদের ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ভিডিওতে একটা লাইক দিবেন, কমেন্ট করে জানাবেন কেমন লাগলো, আপনার ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতে একদমই ভুলবেন না, আমাদের পেজে ফলো এবং চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব দা মাষ্ট। দেখা হবে পরবর্তী ভিডিওতে। টিল দেন টেক কেয়ার, আসসালামু আলাইকুম।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript