[0:02]অপরাধের জন্য শেষমেশ জেল হয়ে গেল নিশার। সম্পূর্ণ জানতে হলে দেখতে থাকো। গল্পের শুরুতেই দেখা যায়, বারবার করে জিত বসু নিশাকে বলতে থাকে, সত্যিটা আপনি স্বীকার করুন। সেক্ষেত্রে আপনার শাস্তি কিছুটা হলেও কম হতে পারে। আপনি বুঝতে পারছেন আমি ঠিক কি কথা বলেছি? আপনি যে মহারানী আপনি বলে ফেলুন সবার সামনে। নিশা বলে, আমি মহারানী নই। আমি এটা কেন স্বীকার করতে যাব? আমি যদি মহারানী হতাম তাহলে অবশ্যই সেটা স্বীকার করতাম। কিন্তু আমি এটা কোনোভাবেই স্বীকার করব না যে আমি মহারানী। তখনই ঐশী বলে, তুমি যে কে সেটা আমরা খুব ভালোমতনই বুঝতে পারি। তোমার ক্ষমতা সম্পর্কে একটু হলেও আইডিয়া চলে এসেছে। তাই এসব কথা না বলাই বরং ভালো। ঠিক সেই মুহূর্তে খেয়া তখন বলে, কি যে হচ্ছে আমি বুঝতে পারছি না। নিশা তখন বলে, আমার বোন এই বাড়িতে আসুক ওর সাথে একটাবারের জন্য দেখা করে আমি এখান থেকে চলে যাব। এরপর বারবার করে দীপ্তিকে জিজ্ঞেস করে অফিসার, যে তুমি আমাদের সত্যি কথা বলো। তুমি ওখানে কি দেখেছিলে? কাকে দেখেছিলে? সবটা খুলে বলো তাহলে আমরা তোমাকে সাহায্য করতে পারবো। দীপ্তি বলে, আমি তো বললাম আমাকে ওরা অজ্ঞান করে দিয়েছিল। তাই আমি বেশি কিছু দেখতে পারিনি। ওরা বলেছিল আমাকে জব দেবে। আমি যে স্যালারিটা ডিজার্ভ করি তার থেকে অনেক বেশি দেবে। আর যখন আমি জানতে পারলাম ওটা একটা অনলাইন স্ক্যামিং সেন্টার তখন আমি সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু একটা ভুল করে বসি যেখানে আমি বলে ফেলি যে আমি পুলিশকে সবটা বলে দেবো। তারপরে ওরা আমার নাক মুখে চোখে এমন কিছু একটা চেপে ধরে যার জন্য আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। তারপর আমার আর কিচ্ছু মনে নেই। এরপর জিত বসু বলে, এই মেয়েটা তো কিছু বলতেই পারছে না। কোন প্রমাণের উপর ভিত্তি করে আমরা নিশা মিত্রকে অ্যারেস্ট করব সেটা তো মনে হচ্ছে হবেই না। এর মাঝখানে বারবার করে জিজ্ঞেস করে, আপনি ঠিক দেখলে চিনতে পারবেন? আরেকবার ভালো করে দেখুন সবাইকে। কিন্তু সেই মেয়েটা দেখে ঠিকই কিন্তু বলতে পারে না শিওর ভাবে। এরপরে চলে এসেছে উজি। উজিকে দেখার পর নিশা বলে, তুই এসেছিস আমি তোর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। তখনই উজি বলে, দিদি তুই কেন বলতো জেল থেকে পালাতে গেলি? কিসের জন্য পালাতে গেলি? এই কাজটা কেন করলি? তখনই নিশা বলে, বিশ্বাস কর বোন তোকে দেখার জন্য তোকে দেখতে চেয়েছিলাম। তোকে অনেকদিন ধরে দেখি না তোর সাথে না থাকতে পেরে আমার একদমই ভালো লাগছে না। তাই আমি ভাবলাম তোকে যদি একটাবারে অন্তত দেখা করতে পারি। তুই কি বিশ্বাস করিস যে আমি এই মহারানী? বিশ্বাস কর বোন আমি এই মহারানী নই। তখনই উজি বুঝতে পারে দিদি ছাড়া অন্য কেউ মহারানী হতেই পারে না। এরপর জিত বসু বলে, আপনি যেখানে দাঁড়িয়েছিলেন সেখান থেকে দেখলে বোঝাই যায় যে আপনি হলেন মহারানী। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে আমার কাছে এই মুহূর্তে কোন বড়সড় প্রমাণ নেই ঠিকই। কিন্তু বড়সড় প্রমাণ পেতে বেশি সময় লাগবে না। সত্যিটা আমি একদিন সবার সামনে নিয়ে আসবোই। তখন নিশা বলে, ভালো তো। আমিও চাই আপনি সত্যিটা সবার সামনে নিয়ে আসুন। কারণ সত্যিটা না জানা পর্যন্ত আমারও শান্তি হচ্ছে না। এরপর নিশার এই মনের জোর দেখে অফিসার জিত বসু একটু হলেও ভয় পেয়ে যায়। অন্যদিকে উজিকে দেখে মনে মনে একটাই কথা বলতে থাকে নিশা যে আমার বোন আমার কাছে সবথেকে বেশি প্রিয়। ওর জন্য আমি সব করতে পারি। শুধুমাত্র উজীর জন্য। এরপর উজিকে বলে, উজি তুই ঠিক আছিস তো? তোর কোন ক্ষতি হোক আমি সেটা চাই না। উজি তখন বলে, আমি একদম ঠিক আছি। কিন্তু দিদি তুই কেন জেল থেকে পালালি বলতো? জেল থেকে পালিয়ে তুই কত বড় বিপদে পড়বি তুই কি সেটা বুঝতে পারছিস? নিশা তখন বলে, আমার কথা ছাড়। তুই কেমন আছিস সেটার জন্যই আমি তোকে দেখতে এসেছি। আমি ঠিক সুধরে যাবো তুই চাপ নিস না আমাকে নিয়ে। এরপর নিশাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো তখনই দুর্জয় বাবু বলে, দীপ্তি এখনো সময় আছে ঠিক করে বল যে তুই এই মেয়েটাকে অনলাইন স্ক্যামিং সেন্টারে দেখেছিলিস কিনা? কিন্তু দীপ্তি বলে, আমি চিনতে পারছি না। চোখটা আমার ঝাপসা ছিল তাই আমি বুঝতে পারছি না। এই বলেই সে নিজের যেহেতু দেখতে পাইনি তাই সে সত্যিটা স্বীকার করে নেয়। অন্যদিকে ভানুর কাছে খবর পাঠায় নিশা যে সে অনলাইন স্ক্যামিং সেন্টারটাকে বাঁচিয়ে নিয়েছে। ধরা পড়তে পড়তেও জিত বসু ওটার কোন রকমের কোন খবর পায়নি। সমস্ত ছেলেমেয়েগুলোকে সাইডে সরিয়ে নেওয়া গেছে। কোন রকমের কোন অসুবিধা হয়নি। আর এটা শোনার পর রীতিমত ভানু তখন বলে, যাক বাবা সবকিছু যখন ঠিক হয়েছে তাহলে ভালোই হবে। কিন্তু তুই কালকে বেল পাবি বলে মনে হয় না। নিশা তখন বলে, আমি জানি কালকে আমি বেল পাব না। কিন্তু আমি যে কাজটা করে এসেছি সেটা আমার কাছে অনেক বেশি শান্তি। কারণ তুই ভাব একবার যদি আমাদের কাজটা সম্পর্কে পুলিশ জেনে যেত তাহলে সারাজীবনের জন্য আমাদের এই স্ক্যামিং সেন্টারটা বন্ধ হয়ে যেত। তুই ভাবতে পারছিস কত লাখ লাখ টাকা আসে এইটায় আর এটা নাকি বন্ধ হয়ে যাবে। সেটা আমি কি করে মেনে নিতাম বলতো? এরপর দীপ্তিকে বিছানায় শুইয়ে দেওয়া হয়। তখনই চলে এসেছে শঙ্খ আর বলে, দীপ্তি শোনো তোমাকে আমি একটা কথা বলি। তুমি পুলিশের কাছে স্বীকার করবে যে তুমি মহারানী হিসেবে ওই নিশা মিত্রকেই দেখেছিলে। কেমন? তখন দীপ্তি বলে, কিন্তু নিশাদি যদি সত্যি সত্যি কোন অন্যায় করে না থাকে তাহলে নিশাদির নাম বললে তো নিশাদি ফেঁসে যেতে পারে। আমি কেন নিশাদির নামটা বলতে যাবো? এরপরে উজি খাবার নিয়ে চলে এসেছে দীপ্তির জন্য আর বলে খাবার নিয়ে এসেছি খেয়ে নাও তো গরম গরম। আর হ্যাঁ, তুমি যেটা দেখেছো সেটাই বলবে। কারোর কথায় মন গলে গেলে হবে না কিন্তু। এই কথাটা মাথায় রেখো তুমিও কিন্তু এই অনলাইন স্ক্যামিং সেন্টারে গিয়েছিলে। তাই কাউকে যখন কিছু বলবে তোমার দিকেও কিন্তু তার একটু হলেও আঁচ আসবে। সেইজন্য তোমাকে আমি সাবধান করছি। দীপ্তি বুঝতে পারে কোন বিষয়ে সাবধানের কথা বলেছে বৌদি ভাই। এরপরে জিজ্ঞেস করে যে মনে মনে একটা কথা ভেবে রাখবে দীপ্তি তুমি যদি ঠিক হও তাহলে ঠিক আর তুমি যদি ভুল হও তাহলে ভুল। এর মধ্যে শঙ্খকে বলে, শঙ্খদা আপনি যতই চেষ্টা করুন না কেন আমার দিদিকে এইভাবে ফাঁসাতে পারবেন না। আর এটুকু কনফিডেন্স আমার মনের মধ্যে আছে। এদিকে ঋষির মনটা খুব একটা ভালো নেই সাথে উজীরও না। উজি তো টেনশন করতে থাকে দিদিকে নিয়ে কি হবে না হবে। তখনই ঋষি বলে, আচ্ছা তোমার দিদি ছোটবেলা থেকেই এমন তাই না? তখনই উজি বলে, হ্যাঁ আমার দিদি ছোটবেলা থেকে অনেক ক্রাইম করে বেরিয়েছে। আমি সেই ক্রাইমগুলো ধরে ওকে অনেক কথা শুনিয়েছিলাম। মাকে বলেছিলাম, বাবাকে বলেছিলাম কিন্তু কোনই কাজ হয়নি। আমরা চাইলেও কিছু করে উঠতে পারিনি। তবে এইবার আমি দিদিকে আটকাবো। দিদিকে আটকাতে গিয়ে আমি কি করে নিজেদের সবকিছু বাঁচিয়ে রাখতে হয় অনলাইন স্ক্যামিং গুলো কিভাবে ধরে ধরে সবটাই জানতে পেরেছিলাম। কিন্তু কোনোভাবেই এপ্লাই করা হয়নি। ঋষি তখন বলে, তুমি যদি অফিসার জিত বসুর আন্ডারে সাইবার ক্রাইম নিয়ে কাজ করো তাহলে আমার মনে হয় তুমি জীবনে অনেক বেশি সফল হতে পারবে। উজি তোমাকে পারতেই হবে। আর সেই জন্য উজি প্রথম থেকেই ঠিক করে পড়াশোনা করে সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের বড়সড় অফিসার হবে যাতে যারা যারা অন্যায় করছে তাদেরকে সে ডিরেক্ট ধরতে পারে। এরপরেই দেখা যায় নিশাকে কোর্টে তোলা হচ্ছে আর নিশার তিন থেকে চার মাসের মত জেল হেফাযত হয়ে গেছে। আর এটা শোনার পরেই নিশা একটু হলেও ভেঙ্গে পড়ে। উজি তখন বলে, এই যে তোর সংশোধনাগার শাস্তিটা হল এরপর দেখবি তুই একদম নিজেকে বদলে ফেলতে পেরেছিস। নিজেকে বদলানোটা খুব দরকার আর আমি জানি তুই সেটা করতে পারবি। কিন্তু নিশা বলে, আমি এখন অনেকটাই দূরে চলে গেছি। এখন আর কিছুই সম্ভব নয়। তাই এসব বলে আর কোনই লাভ লাভ হবে না। তখনই উজি বুঝতে পারে তার দিদি এতটাই জেদী যে কোনভাবেই নিজেকে চেঞ্জ করার কথা ভাবতেও পারে না। কিন্তু উজি ঠিক করে সবটা সে চেঞ্জ করে তবেই ছাড়বে। দিদিকে সে একটা নতুন জীবন গিফট করবে। ঋষি তখন বলে, তুমি যে এই পথটা বেছে নিয়েছো সেটা একদম ঠিক। তোমার এই পথে আমি আছি তোমাকে সাহায্য করার জন্য। তুমি একদম ভেবনা। এই বলেই ঋষি উজীর পাশে দাঁড়ায় আর উজিকে সাহায্য করবে বলে ঠিক করে।

অপরাধের জন্য শেষমেশ জেল হয়ে গেলো নিশার !! Review
TOLLYWOOD STUDIO PARA 2.0
8m 9s1,246 words~7 min read
YouTube auto captions
Transcript source
YouTube auto captions
This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.
Pull quotes
[0:02]আপনি যে মহারানী আপনি বলে ফেলুন সবার সামনে। নিশা বলে, আমি মহারানী নই। আমি এটা কেন স্বীকার করতে যাব?
[0:02]তোর কোন ক্ষতি হোক আমি সেটা চাই না। উজি তখন বলে, আমি একদম ঠিক আছি। কিন্তু দিদি তুই কেন জেল থেকে পালালি বলতো?
[0:02]এরপর দীপ্তিকে বিছানায় শুইয়ে দেওয়া হয়। তখনই চলে এসেছে শঙ্খ আর বলে, দীপ্তি শোনো তোমাকে আমি একটা কথা বলি। তুমি পুলিশের কাছে স্বীকার করবে যে তুমি মহারানী হিসেবে ওই নিশা মিত্রকেই দেখেছিলে। কেমন?
[0:02]তখন দীপ্তি বলে, কিন্তু নিশাদি যদি সত্যি সত্যি কোন অন্যায় করে না থাকে তাহলে নিশাদির নাম বললে তো নিশাদি ফেঁসে যেতে পারে। আমি কেন নিশাদির নামটা বলতে যাবো?
Use this transcript
Related transcript hubs
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS


