[0:00]ভাই, হ্যাঁ আপনাকে বলছি। ওই যে এক হাতে চিপসের প্যাকেট আর অন্য হাতে ফোন নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শর্টস আর রিলস স্ক্রল করছেন? আর অন্য হাতে ফোন নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শর্টস আর রিলস স্ক্রল করছেন? আর অন্য মনে ভাবছেন, ইসশ! আমার বাপ কেন ইলোন মাস্ক হলো না?
[0:08]বাপ ইলোন মাস্ক হয়নি তো কী হয়েছে? আপনি তো আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইলোন মাস্ক হতে পারেন, তাই না?
[0:16]এবার একটু সিরিয়াসলি ভাবুন তো, আমরা সবাই টাকা চাই। কিন্তু টাকার পেছনে ছুটতে ছুটতে জুতার সোল ক্ষয়ে যাচ্ছে। তাও মাস শেষে পকেট সেই ফাঁকা।
[0:26]কারণটা কী জানেন? কারণ আমরা গাধার মতো খাটছি কিন্তু টাকাকে আমাদের হয়ে খাটানোর বুদ্ধিটা জানি না।
[0:32]ছোটবেলা থেকে শুধু শিখেছি, বাবা, ভালো করে পড়ো, ভালো চাকরি করো। কিন্তু কেউ এটা শেখায়নি যে আপনি যখন নাক ডেকে ঘুমাবেন, তখন আপনার ব্যাংক ব্যালেন্স কীভাবে হু-হু করে বাড়বে।
[0:42]আপনি কি জানেন, দুনিয়ার বড় বড় ধনীরা আপনার-আমার চেয়ে মোটেও বেশি পরিশ্রম করে না।
[0:48]তাদের আসল সিক্রেট হলো, তারা অ্যাসেট বা সম্পদ তৈরি করে। এমন সম্পদ যাকে একবার তৈরি করে দিলে সে আপনার হয়ে ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে সাত দিন বিনা বেতনে চাকরি করবে।
[0:58]আপনার শরীর বিছানায় রেস্ট নেবে কিন্তু আপনার বানানো অ্যাসেট আপনার জন্য টাকা ছাপানোর মেশিন হয়ে কাজ করবে।
[1:05]আজকের ভিডিওতে আমি কোনো জাদুর কাঠি বা আলাদিনের চেরাগের কথা বলবো না। আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো এমন পাঁচ কি সলিড অ্যাসেট বা সম্পদের কথা, যেগুলো আপনাকে সত্যিকার অর্থে ফাইন্যানশিয়ালি ফ্রি করে দেবে।
[1:16]আর মজার ব্যাপার হলো, এর মধ্যে বেশ কয়েকটা অ্যাসেট তৈরি করতে আপনার লাখ লাখ টাকার দরকার নেই।
[1:22]সামান্য কিছু টাকা দিয়ে এমনকি জিরো ইনভেস্টমেন্টে এই বাংলাদেশে বসেই স্মার্টলি শুরু করতে পারবেন।
[1:27]তাই মোচড়ামোচড়ি বাদ দিয়ে সোজা হয়ে বসুন, কারণ এই পাঁচটি উপায়ের যেকোনো একটি হয়তো আপনার আগামী পাঁচ বছরের জীবনটা পুরোপুরি বদলে দিতে পারে।
[1:36]ভাই, একটা কথা সত্যি করে বলি, শুধু মোটিভেশন শুনে তো পেট ভরবে না আর ব্যাংক ব্যালেন্সও জাদু মন্ত্রে ফুলে উঠবে না, তাই না?
[1:43]জীবনে বড় কিছু করতে হলে প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনে নামতে হবে। ধরুন, আমাদের পাড়ার শান্তর কথা। ছেলেটা সাধারণ পরিবারে, মাস শেষে ওর পকেট এমন ফাঁকা থাকে যে পকেটে হাত দিলে শুধু বাতাস আর হতাশা বেরিয়ে আসে।
[1:54]অনেক কষ্টে যে দুই চার টাকা জমায়, ইনফ্লেশনের চোটে সেগুলোর মান একদম ফুঁস হয়ে যায়।
[2:00]একদিন শান্তর মাথায় বুদ্ধি খুলল। সে ভাবলো আমার এই কষ্টার্জিত টাকা আর ফেলে রাখবো না। স্মার্টলি সেভ করবো।
[2:06]ডেসক্রিপশন বা পিন কমেন্টে দেওয়া লিংক থেকে Rizon App ডাউনলোড করে তার জমানো টাকা সরাসরি ডলারে সেভ করা শুরু করল। এতে করে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার টেনশন তার টাকার মান আর এক চুলও কমাতে পারল না।
[2:18]কিন্তু শান্ত তো চরম চালাক। সে বুঝল শুধু খুচরো টাকা জমিয়ে রাতারাতি লাইফের গেম চেঞ্জ হবে না।
[2:22]ঠিক তখনই সে দেখল Rizon App-এর সবচেয়ে বড় চমক, মেগা রেফারেল কনটেস্ট। নিয়ম পানির মতো সোজা।
[2:28]প্রতি মাসে যে ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি মানুষকে রেফার করবে, সে জিতে নেবে নগদ পুরো ১০০০ ডলার, মানে লাখ টাকারও উপরে।
[2:35]এই অফার দেখে শান্ত আর ডানে-বামে না তাকিয়ে সবাইকে রেফার করতে লেগে পড়ল। তাহলে আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন, ভাই?
[2:41]Rizon হলো ফ্রিল্যান্সার আর ইয়াং উদ্যোক্তাদের জন্য একটা গ্লোবাল ডলার নিও ব্যাংক।
[2:46]এদের ইউএস বেজড ডিজিটাল ভিসা কার্ড দিয়ে দুনিয়ার যেকোনো জায়গায় বিনদাস পেমেন্ট করতে পারবেন।
[2:50]ফেসবুক বুস্টিং বা বিদেশি সফটওয়্যার কেনা কার্ড ডিক্লাইনের ভয়ই নেই। তাই শান্তর মতো আপনিও স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিন।
[2:55]ডেসক্রিপশন বা পিন কমেন্টে দেওয়া লিংক থেকে আজই Rizon App টি ডাউনলোড করুন। আর প্রথম ভিসা কার্ড নেওয়ার সময় প্রমো কোড SAVE ব্যবহার করলেই পেয়ে যাবেন পুরো 90% ডিসকাউন্ট।
[3:04]সুযোগ হাতছাড়া না করে আজই শুরু করুন ডিজিটাল ডলারের জার্নি। লিস্টের এক নম্বর পয়েন্ট হলো ডিজিটাল রিয়েল এস্টেট।
[3:10]বিষয়টা মজার গল্পের মতো করে বলি। ধরুন, আমাদের আশরাফুল ভাই। তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন গুলশানে একটা কমার্শিয়াল দোকান কিনবে।
[3:17]এরপর মাসের এক তারিখে লুঙ্গি পরে হাতে চা নিয়ে জমিদারের মতো শুধু ভাড়া গুনবে। কোনো প্যারা নেই, শুধু টাকা আসবে।
[3:23]কিন্তু ভাই, বাস্তবে গুলশানে দোকান কেনার যে কয়েক কোটি টাকার ধাক্কা, তা জোগাড় করতে আশরাফুলের দুই কিডনি বেচে দিলেও হবে না।
[3:31]ঠিক তখনই সে পেল জাদুকরী আইডিয়া, ডিজিটাল রিয়েল এস্টেট। সে ভাবল, কোটি টাকা দিয়ে ইঁটের দালান কেনার দরকার কি, যখন জিরো ইনভেস্টমেন্টে ইন্টারনেটে সাম্রাজ্য বানানো যায়।
[3:40]ব্যস, আশরাফুল স্মার্টলি একটা ইউটিউব চ্যানেল আর ফেসবুক পেইজ খুলে ফেলল। এটাই তার ডিজিটাল দোকান।
[3:46]সে মাথা খাটিয়ে চরম একটা ভিডিও আপলোড করে দিল। এরপর শুরু হলো আসল ম্যাজিক। আশরাফুল হয়তো নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে বা কক্সবাজারে হাওয়া খাচ্ছে কিন্তু তার ওই ভিডিও তো ঘুমাচ্ছে না।
[3:55]অ্যালগরিদম দিন-রাত ভিডিওটাকে লাখ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। মানুষ যত দেখছে আশরাফুলের ব্যাংক ব্যালেন্সে তত ডলার ঢুকছে।
[4:03]একবার ভাবুন তো ভাই, কোটি টাকার টেনশন নেই, ভাড়াটিয়ার প্যারা নেই, অথচ আপনার একটা ভিডিও মাসের পর মাস অটোমেটিক টাকা জেনারেট করছে।
[4:10]আপনিও কি আশরাফুলের মতো ডিজিটাল জমিদার হতে প্রস্তুত? এবার চলুন, দু'নম্বর পয়েন্টে। আর সেটা হলো ডিজিটাল প্রোডাক্ট।
[4:16]জিনিসটা কতটা পাওয়ারফুল মেবাউল ভাইয়ের গল্প দিয়ে বুঝি। মেবাউল ভাই পাক্কা বিজনেসম্যান হতে চায় কিন্তু সে ভীষণ আলসে।
[4:21]ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট মানে জামা কাপড় বিক্রির কথা ভাবলেই তার গায়ে জ্বর আসে।
[4:27]কারণ মাল কিনে স্টক করো, বক্সে প্যাক করো, লোদ দিয়ে পুড়ে কুরিয়ারে দৌড়াও। আর কাস্টমার রিটার্ন করলে তো একেবারে মাথায় হাত।
[4:34]ঠিক তখনই মেবাউলের মাথায় এল মাস্টার প্ল্যান। সে ভাবল আমি তো দারুণ ভিডিও এডিটিং পারি বা ব্যবসার অনেক সিক্রেট জানি। এটা নিয়ে বিজনেস করলে কেমন হয়?
[4:42]ব্যস, নিজের স্কিল কাজে লাগিয়ে সে ছোট একটা অনলাইন কোর্স বানিয়ে ফেলল। এটাই তার ডিজিটাল প্রোডাক্ট।
[4:47]এর ম্যাজিকটা কোথায় জানেন? কোনোদিন স্টক ফুরানোর ভয় নেই, কুরিয়ার বয়কে বকাঝকার প্যারা নেই। কষ্ট করে বানিয়েছে মাত্র একবার।
[4:53]এখন রাত ৩টে কেউ কোর্স কিনলে সিস্টেম অটোমেটিক ডেলিভারি দিয়ে দিচ্ছে আর মেবাউল ভাই সে আরামে লেপ মুড়ি দিয়ে ঘুমাচ্ছে। সকালে উঠে দেখছে ব্যাংকে টাকা ঢুকেছে।
[5:02]ফিজিক্যাল বিজনেসে লাভের অর্ধেক যায় ডেলিভারি আর প্যাকেজিংয়ে। কিন্তু মেবাউলের এই ডিজিটাল প্রোডাক্টে প্রফিট 100% সলিড।
[5:09]খরচ একবার, বিক্রি আনলিমিটেড। তো ভাই, আপনি কেন বসে আছেন? আপনার ভেতরের স্কিলটাকে ডিজিটাল প্রোডাক্ট বানিয়ে আপনি আনলিমিটেড প্রফিট করতে রেডি তো?
[5:17]এবার আসি তিন নম্বর পয়েন্টে আর এটা হলো সেই ক্লাসিক এবং রয়্যাল অ্যাসেট, ডিভিডেন্ড স্টক বা শেয়ারবাজার।
[5:22]এই কনসেপ্টটা চলুন আমাদের শাহীন ভাইয়ের মজার স্টাইলে বুঝি। শাহীন ভাইয়ের সব সময় একটা বড় খায়েশ, সে বিরাট কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির মালিক হবে।
[5:29]হাজার হাজার কর্মচারী তার আন্ডারে কাজ করবে আর সে বস হয়ে শুধু হুকুম চালাবে। কিন্তু বাস্তবে একটা কোম্পানি দাঁড় করানো কি মুখের কথা?
[5:36]কোটি টাকার ইনভেস্টমেন্ট, ফ্যাক্টরি দেওয়া, কর্মচারীদের বেতন, দিন-রাত কাজের প্যারা, এসব চিন্তা করতেই শাহীন ভাইয়ের মাথা চক্কর দিয়ে ওঠে।
[5:45]সে বুঝল এত প্যারা নেওয়া তার কর্ম নয়। তখন শাহীন ভাই খুঁজলো এক স্মার্ট শর্টকাট। সে ভাবলো আরে আমি কেন গাধার মতো খাটব, বরং যারা খাটছে, আমি তাদের সাথে পার্টনার হয়ে যাই।
[5:54]ব্যস, শাহীন ভাই তার জমানো টাকা দিয়ে যাচাই-বাছাই করে দেশের সবচেয়ে স্ট্রং আর লাভজনক কয়েকটা কোম্পানির শেয়ার কিনে ফেলল। এখন আসল মজাটা দেখেন।
[6:01]শাহীন ভাই নিজে কোনো কাজ করে না। ওইসব বড় বড় কোম্পানির সিইও, ম্যানেজার আর হাজার হাজার কর্মচারী দিন-রাত হাড়ভাঙা খাটুনি খাটছে কোম্পানিকে বড় করার জন্য।
[6:11]আর বছর শেষে যখন কোম্পানির কোটি টাকা লাভ হচ্ছে, তখন সেই লাভের একটা সলিড অংশ ডিভিডেন্ড হিসেবে সোজা শাহীন ভাইয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাচ্ছে।
[6:19]শাহীন ভাই এখন ড্রইং রুমে বসে পায়ের উপর পা তুলে চা খাচ্ছে আর ওইদিকে বড় বড় কোম্পানির এমডিরা তার জন্য কাজ করছে।
[6:25]ওয়ারেন বাফেট কিন্তু জীবনে ঠিক এই কাজটাই করেছেন। এটাকে বলে নিজে টাকাকে নিজের চাকর বানানো।
[6:30]তো ভাই, আপনিও কি শাহীন ভাইয়ের মতো নিজের টাকাকে কাজে লাগাচ্ছেন? এবার আসি চার নম্বর পয়েন্টে। আর সেটা হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।
[6:37]এই ব্যাপারটা আসলে কতটা জাদুকরী, চলুন আমাদের রাজু ভাইয়ের কাহিনী দিয়ে বুঝি। রাজু ভাইয়ের অবস্থা হলো পকেটে টাকা নেই যে ব্যবসা করবে।
[6:44]আবার এমন কোনো হাই লেভেলের স্কিলও নেই যে মেবাউল ভাইয়ের মতো ডিজিটাল প্রোডাক্ট বানাবে। রাজু হতাশ হয়ে ভাবল, আরে ভাই আমার নিজের প্রোডাক্ট নেই তো কী হয়েছে?
[6:51]দুনিয়া তো হাজার হাজার কোম্পানির লাখ লাখ প্রোডাক্ট পড়ে আছে। আমি অন্যের প্রোডাক্ট বেচে নিজের পকেট ভরব।
[6:58]শুনতে একটু ডিজিটাল দালালী মনে হলেও ইন্টারনেটের ভাষায় একে বলে স্মার্ট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।
[7:03]রাজু ভাই কী করল? সে বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি, ডিজিটাল টুলস বা সফটওয়্যার কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে একদম ফ্রিতে জয়েন করে ফেলল।
[7:10]এরপর ওই কোম্পানির দারুণ সব প্রোডাক্টের লিংক তার ফেসবুক প্রোফাইল, ইউটিউব ভিডিওর ডেসক্রিপশন বা মেসেঞ্জার গ্রুপে শেয়ার করে দিল।
[7:18]এরপরের ম্যাজিকটা শুনবেন? কেউ একজন হয়তো রাত ২টার সময় রাজু ভাইয়ের দেওয়া ওই লিংকে ক্লিক করে একটা গ্যাজেট বা সফটওয়্যার কিনে ফেলল।
[7:24]আর সাথে সাথেই কোম্পানি কোনো কথা ছাড়াই ডলারে একটা মোটা অংকের কমিশন রাজুর একাউন্টে পাঠিয়ে দিল।
[7:30]রাজু কিন্তু প্রোডাক্ট ডেলিভারি দেয় নাই, কাস্টমার সাপোর্টও দেয় নাই। সে শুধু একটা লিংক শেয়ার করেছে।
[7:35]ব্যস, কাস্টমার খুশি, কোম্পানি খুশি আর এদিকে মাঝখান থেকে বিনা পুঁজিতে রাজু ভাইয়ের পকেট গরম।
[7:40]একবার ভাবুন তো ভাই, নিজের কোনো প্রোডাক্ট ছাড়াই একদম জিরো ইনভেস্টমেন্টে যদি এভাবে প্যাসিভ ইনকাম করা যায়, তাহলে আপনি কেন বসে আছেন?
[7:48]আপনিও কি রাজু ভাইয়ের মতো স্মার্ট ইনকাম শুরু করতে প্রস্তুত? সাজ্জাদ ভাইয়ের পকেটে ব্যবসা করার মতো লাখ লাখ টাকা ছিল না।
[7:54]কিন্তু তার মাথার ভেতর ছিল এক জাদুকরী বুদ্ধি। সে বুঝল দুনিয়ায় এখন এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের দখলে।
[8:00]তাই সে গাধার মতো না খেটে স্মার্টলি কিছু হাই ইনকাম স্কিল শিখে ফেলল। সে শিখে নিল কিভাবে আধুনিক টুলস ব্যবহার করে সবার চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকা যায়।
[8:08]যেমন ধরুন, সে টেক্সট টু ইমেজ জেনারেট করে দারুণ সব স্টিক ফিগার অ্যানিমেশন বানাতে শুরু করল। যেগুলো দিয়ে থাম্বনেইল বানালে মানুষের চোখ একদম আটকে যায়।
[8:16]শুধু তাই নয়, সে ElevenLabs-এর মতো টুলস ব্যবহার করে একদম প্রফেশনাল এআই ভয়েসওভার দিয়ে কনটেন্ট বানানো শুরু করল।
[8:23]এই যে সে নিজের স্কিলটা বাড়াল এটাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় অ্যাসেট। এই স্কিল কাজে লাগিয়ে সে ঘরে বসেই এমন সব পাওয়ারফুল কনটেন্ট তৈরি করতে লাগল যা দেখে মানুষ একেবারে হুকড হয়ে যায়।
[8:31]আর এভাবেই শুধু নিজের স্কিলের জোরে সে দেখতে দেখতে তার চ্যানেলে 50K সাবস্ক্রাইবারের মাইলফলক পার করে ফেলল।
[8:39]ভাই, দুনিয়ার সব স্টক মার্কেট ক্র্যাশ করতে পারে। আপনার পকেটের টাকা চুরি হয়ে যেতে পারে।
[8:44]কিন্তু আপনার মাথার ভেতরের এই স্কিল কেউ কোনোদিন কেড়ে নিতে পারবে না। তাই অন্য কোথাও ইনভেস্ট করার আগে নিজের স্কিলের পেছনে একটু সময় দিন।
[8:50]দেখবেন এই স্কিল আপনাকে এমন লেভেলের প্যাসিভ ইনকাম এনে দেবে যা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।
[8:56]ভাই, অনেক তো হলো শুয়ে বসে স্বপ্ন দেখা। এই পাঁচটা উপায়ের যেকোনো একটা আজ থেকেই টার্গেট করুন আর কাজে লেগে পড়ুন।
[9:02]আর হ্যাঁ, আপনার ফাইন্যান্সিয়াল জার্নিতে আমি সব সময় আপনার সাথেই আছি। তাই ভিডিওটা ভালো লাগলে একটা লাইক দিন আর চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করে আমাদের এই মোটিভেশনাল পরিবারের একজন হয়ে যান।
[9:09]দেখা হচ্ছে পরের ভিডিওতে। ততক্ষণের জন্য অ্যাকশন নিতে থাকুন।



