Thumbnail for খেলা শুরু! ধরা খেলো বিএনপির মির্জা আব্বাস! হাদীর খু'নি ফয়সাল রিমান্ডে মাস্টারমাইন্ড এর নাম ফাঁ'স? by News BD Live

খেলা শুরু! ধরা খেলো বিএনপির মির্জা আব্বাস! হাদীর খু'নি ফয়সাল রিমান্ডে মাস্টারমাইন্ড এর নাম ফাঁ'স?

News BD Live

9m 15s1,292 words~7 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Pull quotes
[0:03]আজ আমরা টেনে খুলে ফেলব সেই গোপন মুখোশ। বিশ্লেষণ করব পর্দার আড়ালের সেই ভয়াবহ নীল নকশা। খুনি ফয়সালের স্বীকারোক্তিতে তবে কি আজ সবাই যা সন্দেহ করছিল সেটাই সত্য হতে চলেছে?
[0:03]সবাই যা এতদিন ধরে সন্দেহ করছিল ফয়সালের জবানবন্দিতে কি আজ সেই সন্দেহেরই প্রতিফলন ঘটছে?
[0:03]মির্জা আব্বাস, যিনি বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা এবং ঢাকা আট আসনের দীর্ঘদিনর দাবিদার, তিনি কি হাদীর এই উত্থানকে সহজভাবে নিতে পেরেছিলেন?
[0:03]ফয়সালের জবানবন্দিতে বারবার উঠে এসেছে ওপর মহলের নির্দেশনা আর প্রভাবশালী কেন্দ্রের সংকেতের কথা। তাহলে কি লন্ডনের সেই অদৃশ্য সুতোর টানো এর পেছনে ছিল?
Use this transcript
Related transcript hubs

[0:03]রাজনীতিতে পর্দার আড়ালের খেলা সবসময়ই রহস্যময়। ১২ই ডিসেম্বর, ২০২৩ সকালবেলা, ঢাকা আট আসনের রাজনৈতিক সমীকরণ চিরতরে বদলে দিতে খরচ করা হয়েছিল তিনটি তপ্ত বুলেট। সবাই জানত এটা সেফ কোন সাধারণ হত্যাকাণ্ড নয়। জনমনে তখন থেকেই ঘুরপাক খাচ্ছিল একটি বিশেষ নাম। কিন্তু আজ ভারতের মেঘালয় আদালতের নির্জন কক্ষে যখন খুনি ফয়সাল মুখ খুলল, তখন পুরো উপমহাদেশের রাজনীতিতে যেন ভূমিকম্প শুরু হল। অবশেষে কি তবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে সব সাজানো নাটক? আজ আমরা টেনে খুলে ফেলব সেই গোপন মুখোশ। বিশ্লেষণ করব পর্দার আড়ালের সেই ভয়াবহ নীল নকশা। খুনি ফয়সালের স্বীকারোক্তিতে তবে কি আজ সবাই যা সন্দেহ করছিল সেটাই সত্য হতে চলেছে? আজকের দিনটি বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য মোড় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ আজ ভারতের আদালতে দাঁড়িয়ে যা ইঙ্গিত দিয়েছে তাতে পুরো দেশ স্তম্ভিত। বাংলাদেশের সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়েও শেষ রক্ষা হলো না ফয়সালের। ফয়সালকে যখন আদালত প্রাঙ্গণ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, চারদিক থেকে সাংবাদিকরা তাকে ছেকে ধরেন। মাইক্রোফোনের ভিড়ে ফয়সাল এক মুহূর্তের জন্য থামল। তার চোখেমুখে তখন কোন অনুশোচনা নেই, আছে এক অদ্ভুত শীতলতা। একজন সাংবাদিক চিৎকার করে জিজ্ঞাসা করলেন, হাদিকে মারার পেছনে আসলে কার হাত ছিল? কার নির্দেশে এই নীল নকশা সাজানো হয়েছিল? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ও আদালতে ফয়সাল যে স্বীকারোক্তি দিয়েছে তা জানলে যে কারোর পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে যাবে। আসল দাবার চাল চেলেছে অনেক বড় কোন শক্তি। ফয়সালের এই স্বীকারোক্তিতে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটিই গুঞ্জন। তাহলে কি মির্জা আব্বাস সত্যিই ফেঁসে যাচ্ছেন? সবাই যা এতদিন ধরে সন্দেহ করছিল ফয়সালের জবানবন্দিতে কি আজ সেই সন্দেহেরই প্রতিফলন ঘটছে? ম্যাজিস্ট্রেট যখন তাকে বিস্তারিত বলতে বললেন, ফয়সাল তখন বাংলাদেশের এক ভয়াবহ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বর্ণনা দিল। সে জানালো এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়েছিল অনেক নিখুঁতভাবে। কারণ ওসমান হাদি ছিলেন জুলাই বিপ্লবের এক বীর। ছাত্র আন্দোলনের সেই শীর্ষ নেতা ঢাকা আট আসনে দাঁড়িয়েছিলেন এক পাহাড় সম জনপ্রিয়তাকে নিয়ে। আর এই জনপ্রিয়তাই কি তবে তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ালো? মির্জা আব্বাস, যিনি বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা এবং ঢাকা আট আসনের দীর্ঘদিনর দাবিদার, তিনি কি হাদীর এই উত্থানকে সহজভাবে নিতে পেরেছিলেন? ফয়সালের জবানবন্দিতে বারবার উঠে এসেছে ওপর মহলের নির্দেশনা আর প্রভাবশালী কেন্দ্রের সংকেতের কথা। তাহলে কি লন্ডনের সেই অদৃশ্য সুতোর টানো এর পেছনে ছিল? ফয়সাল দাবি করেছে এই হত্যার জন্য যে বিপুল অর্থের যোগান দেওয়া হয়েছিল তা কোন সাধারণ সূত্র থেকে আসেনি। রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার এই লড়াইয়ে কি তবে হাদিকে পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প ছিল না মাস্টারমাইন্ডদের কাছে? হাদিকে সরানোর এই ছক সাজাতে ব্যবহার করা হয়েছিল যুবলীগ নেতা বাপ্পিকে যার তখন কোন ক্ষমতা বা অর্থবল ছিল না। কিন্তু পর্দার আড়াল থেকে যখন ৫০ লাখ টাকার টোপ দেওয়া হলো তখন বাপ্পি সেই জালে পা দিতে দেরি করেনি। সে ভাড়া করল পেশাদার খুনি ফয়সালকে। ১২ই ডিসেম্বর সকালে ফয়সাল তার মোটরসাইকেলে করে হাদীর পাশে এসে গুলি চালায়। আর ১৮ই ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের এক হাসপাতালে হাদি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সবচেয়ে রহস্যময় বিষয় হলো খুনি ফয়সাল গ্রেফতার হওয়ার ঠিক তিন দিন পর মির্জা আব্বাসের হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমানো। এটি কি কেবলই কি কাকতালীয় নাকি ফয়সালের জবানবন্দির মধ্য দিয়ে আজ সেই রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে? ফয়সাল আজ ভারতের আদালতে দাঁড়িয়ে যে তথ্যগুলো দিচ্ছে তাতে মির্জা আব্বাস আর তারিক রহমানের সাজানো সেই তাসের ঘর কি আজ প্রশ্নের মুখে? এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ফয়সালের এই চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তির পর তারেক রহমান কি তার প্রতিশ্রুতি রাখবেন? তিনি তো বলেছিলেন কোন অপরাধীকে রক্ষা করবেন না। কিন্তু যদি তার নিজের দলেরই প্রভাবশালী কেও এই ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িয়ে পড়েন তবে তিনি কি করবেন? এই রহস্যের শেষ কোথায়? মির্জা আব্বাস কি সত্যিই খুনির এই জালে ফেঁসে যাচ্ছেন? এই সমস্ত রুদ্ধশ্বাস তথ্যের প্রতিটি আপডেট সবার আগে পেতে এখনই আমাদের চ্যানেল নিউজ বিডি লাইভ সাবস্ক্রাইব করুন। সত্য কখনোই চাপা থাকে না। বিশেষ করে যখন তার রক্তের অক্ষরে লেখা হয়। মেঘালয়ের সেই আদালত কক্ষ থেকে ফয়সাল যখন একে একে রহস্যের জট খুলতে শুরু করল তখন ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত হলো। ফয়সাল শুধু একজন খুনি নয়, সে ছিল এই নীল নকশার শেষ ধাপের কার্যকরকারী। কিন্তু তার ওপরের ধাপগুলোতে কারা ছিল? ফয়সালের স্বীকারোক্তিতে এখন স্পষ্ট সবাই যা এতদিন ধরে চুপি চুপি বলছিল সেই আশঙ্কায় আজ প্রদীপ্ত হয়ে উঠেছে। মির্জা আব্বাস কি তবে সত্যিই ফেঁসে যাচ্ছেন এই মরণ জালের মার পেঁচে? একটু পেছনে তাকানো যাক। ঘটনার টাইমিংটা লক্ষ্য করুন। আটই মার্চ ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঠিক তার তিন দিন পর অর্থাৎ ১১ই মার্চ দেশের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা মির্জা আব্বাস হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমান। এটি কি কেবলই একটি কাকতালীয় ঘটনা নাকি তিনি আগেভাগেই টের পেয়েছিলেন যে ফয়সাল মুখ খুললে তার সাজানো তাসের ঘর ভেঙে পড়বে। ফয়সাল আজ ভারতের আদালতে দাঁড়িয়ে জানিয়েছে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যে ৫০ লাখ টাকার বাজেট করা হয়েছিল তার কিস্তিগুলো আসতো অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে। বাপ্পি ছিল কেবল মাঝখানের একটি মাধ্যম। কিন্তু বাপ্পিকে অভয় দিয়েছিল কে? কে বলেছিল যে হাদিকে সরিয়ে দিলে ঢাকা আট আসন তোমার হাতের মুঠোয় থাকবে? আর তোমাকে বাঁচানোর দায়িত্ব আমাদের। ফয়সালের জবানবন্দিতে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে এই অভয়বাণী এসেছিল এমন এক কেন্দ্র থেকে যার শিকর অনেক গভীরে। ওসমান হাদি ছিলেন জুলাই বিপ্লবের এক জীবন্ত প্রতীক। তিনি যখন ঢাকা আট আসন থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন তখন পুরনো রাজনীতির প্রথাগত হিসেব নিকেশ ওলট পালট মে গেল। মির্জা আব্বাসের মত বর্ষিয়ান নেতার জন্য হাদি ছিলেন এক অপ্রতিরোধ্য চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার এই মরণপন লড়াইয়ে কি তবে হাদিকে সরিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোন পথ খোলা ছিল না? ফয়সাল আজ দাবি করেছে হাদিকে হত্যার পরিকল্পনাটি ছিল অত্যন্ত নিখুঁত। তাকে শুধু হত্যা করা নয় বরং এমনভাবে সরিয়ে দেওয়া যাতে কোন প্রমাণ না থাকে। কিন্তু ফয়সালের ভারতে পালানো এবং সেখানে ধরা পড়া এই একটি ভুলই কি তবে পুরো মাস্টার মাইন্ডের পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিল? ফয়সাল আজ জাগবাদীদের দিকে তাকিয়ে যেভাবে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের দিকে ইঙ্গিত করেছে তাতে প্রশ্ন উঠছে তারেক রহমান কি এই দায় এড়াতে পারবেন? আমাদের অনুসন্ধানে জানা গেছে ফয়সালের জবানবন্দীর খবর সিঙ্গাপুরে পৌঁছানোর পর থেকেই সেখানে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। ফয়সাল আজ মেঘালয়ের আদালতে দাঁড়িয়ে আরো একটি ভয়ংকর তথ্য দিয়েছে। সে বলেছে টাকাটাই সব ছিল না। আমাদের বলা হয়েছিল এটি একটি দেশপ্রেমের কাজ। হাদিকে সরালে দেশের মঙ্গল হবে। এই মগজ ধোলাই কারা করেছিল? কাদের নির্দেশে ফয়সালের মত পেশাদার খুনিরা রাজনৈতিক মিশনে নেমেছিল? সবাই যা সন্দেহ করছিল ফয়সালের সেই জবানবন্দিতে কি তবে আজ সেই ভয়াবহ নীল নকশার শেষ অংক অভিনীত হতে যাচ্ছে? মির্জা আব্বাস কি সত্যিই খুনির মাস্টারমাইন্ড হিসেবে ইতিহাসের পাতায় কলঙ্কিত হবেন? রহস্যের এই গোলকধাঁধায় আমরা যত ভেতরে ঢুকছি ততই বেরিয়ে আসছে ক্ষমতা আর রক্তের এক বিভৎস মাখামাখি। মেঘালয়ের সেই জবানবন্দি কেবল এক খুনির স্বীকারোক্তি ছিল না। তা ছিল বাংলাদেশের রাজনীতির গভীরে প্রথিত এক বিষবৃক্ষের শিকর উপড়ে ফেলার শুরু। ফয়সালের প্রতিটি শব্দ যেন এক একটি হাতুড়ির ঘা হয়ে পড়ছে সেইসব প্রাসাদে যেখানে বসে হাদিকে সরানোর নীল নকশা আঁকা হয়েছিল। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে তারেক রহমানকে নিয়ে। তিনি এখন এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষার মুখে। মির্জা আব্বাস তার দলের এক শক্তিশালী স্তম্ভ। তাকে রক্ষা করা মানে খুনিকে প্রশ্রয় দেওয়া। আর তাকে আইনের হাতে ছেড়ে দেওয়া মানে নিজের দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নষ্ট করা। তারেক রহমান কি পারবেন এই তাসের ঘর টিকিয়ে রাখতে? নাকি হাদি হত্যার এই কলঙ্ক তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকেও অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবে? ফয়সালের স্বীকারোক্তিতে যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে তাতে বোঝা যাচ্ছে এই হত্যাকাণ্ডের অর্থায়ন এবং পরিকল্পনা ছিল অনেক উচ্চ পর্যায়ের। ফয়সাল আজ ভারতের আদালতে দাঁড়িয়ে জানিয়েছে হাদিকে হত্যার পর তাকে বলা হয়েছিল চিন্তা করো না সব ম্যানেজ হয়ে যাবে। এই ম্যানেজ করার ক্ষমতা কার ছিল? কে সেই ব্যক্তি যিনি খুনিকে অভয় দিয়েছিলেন এবং বাপ্পির মত নিচু সারির নেতাদের দিয়ে এই ভয়াবহ কাজ করিয়েছিলেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ঝড় উঠেছে। লাখো মানুষ দাবি তুলছে মির্জা আব্বাসকে অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হোক। ফয়সাল আজ যে সত্য উন্মোচন করেছে তা যদি শতভাগ প্রমাণিত হয় তবে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি হবে ক্ষমতার লিপসায় এক চরম বিশ্বাসঘাতকতার দলিল। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দীকে সরাতে যারা রক্তের হলি খেলায় মেতে ওঠে তাদের কি কোন ক্ষমা আছে? পর্দার আড়ালের ষড়যন্ত্র আজ আর আড়ালে নেই। ফয়সাল আজ সেই গোপন মুখোশ টেনে খুলে ফেলেছে। মির্জা আব্বাস কি পারবেন ফয়সালের এই জবানবন্দির পাল্টা কোন যুক্তি দিতে? নাকি হাদীর রক্তই হবে তার রাজনৈতিক জীবনের শেষ অধ্যায়। আমাদের অনুসন্ধান চলবে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি মোড় এবং মাস্টারমাইন্ডদের পতনের খবর সবার আগে জানতে আমাদের চ্যানেল নিউজ বিডি লাইভ সাবস্ক্রাইব করে সাথেই থাকুন।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript