[0:00]প্রথমে বুঝতে হবে যৌবন জিনিসটা কি? যৌবন হলো শক্তির সময়। যৌবন হলো সাহসের সময়। যৌবন হলো আকাঙ্ক্ষার সময়।
[0:10]এই সময়টা এমন একটা সময় যখন মানুষের রক্ত গরম থাকে। দুনিয়ার সব রঙ, সব আকর্ষণ এই সময় মানুষকে সবচেয়ে বেশি টানে।
[0:20]রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ সাত শ্রেণীর মানুষকে তার আরশের নিচে ছায়া দেবেন। যেদিন তার ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া থাকবে না।
[0:32]তার মধ্যে এক শ্রেণী হলো এমন যুবক যে তার যৌবনকাল আল্লাহর ইবাদতে কাটিয়েছে। সহীহ বুখারী।
[0:39]কেন? কেন একজন বৃদ্ধের কথা বলা হলো না? কেন একজন যুবকের কথা আলাদা করে বলা হলো?
[0:46]কারণ একজন বৃদ্ধ যখন ইবাদত করেন, তার দুনিয়ার প্রতি আকর্ষণ কমে যায়। তার পাপ করার শক্তি কমে যায়।
[0:54]তার জন্য ইবাদত করাটা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়। কিন্তু একজন যুবক, তার সামনে হাজারো প্রলোভন।
[1:00]তার চোখে রঙিন চশমা, একপাশে বন্ধুর আড্ডা, অন্যপাশে হারাম সম্পর্ক। একপাশে ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়ার হাতছানি, অন্যপাশে ফজরের আজান।
[1:09]একপাশে ক্যারিয়ার গড়ার নেশা, অন্যপাশে আল্লাহর রাস্তায় সময় দেয়ার আহ্বান। এই সবগুলো বাধার সাথে যুদ্ধ করে নিজের নফসের গলা টিপে ধরে যে যুবকটা জায়নামাজে দাঁড়ায়,
[1:20]আল্লাহর কসম সেই যুবকের মর্যাদা আসমানে অনেক উঁচুতে।
[1:25]যুবকের সেজদা কেন এত দামী? যখন একজন যুবক সেজদায় যায় তখন সে কি করে?
[1:31]সে তার সবচেয়ে দামী অঙ্গ তার মাথা, তার চেহারা যা তার সৌন্দর্য, তার অহংকার, তার ব্যক্তিত্বের প্রতীক। সেটাকে সে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়।
[1:42]সে ঘোষণা করে সুবহানা রাব্বিয়াল আলা হে আমার রব, আপনিই সর্বোচ্চ আমি কিছুই না। এই দৃশ্যটা একবার কল্পনা করুন।
[1:52]একজন যুবক যার শক্তির অহংকার আছে, যার সৌন্দর্যের গর্ব আছে, সে যখন এই সবকিছুকে তুচ্ছ করে এক টুকরো মাটির উপর নিজের কপাল ঠেকিয়ে দেয়,
[2:00]তখন সে আসলে শয়তানকে পরাজিত করে। শয়তান কিসের জন্য বিতাড়িত হয়েছিল? অহংকার।
[2:06]সে আদমকে সেজদা করতে অস্বীকার করেছিল আর আজ এই দুনিয়ায় শয়তানের সবচেয়ে বড় টার্গেট হলো এই যুবকেরা।
[2:14]সে চায় যুবকরা যেন অহংকারী হয় যেন তারা আল্লাহর হুকুম ভুলে যায় আর ঠিক সেই মুহূর্তে যখন একজন যুবক শয়তানের সমস্ত প্রলোভন উপেক্ষা করে আল্লাহর সামনে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে,
[2:26]তখন শয়তান হতাশ হয়ে চিৎকার করে কাঁদে।
[2:29]আরশ কেঁপে উঠা মানে কি? আমরা যে বলি যুবকের সেজদায় আরশ কেঁপে ওঠে এর মানে কি?
[2:37]এর মানে কি আল্লাহর আরশ আক্ষরিক অর্থেই থরথর করে কেঁপে থাকে? না।
[2:40]আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকিদা অনুযায়ী এটা একটা রূপক বা মেটাফোর। এর মধ্যে দিয়ে এই আমলটির গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে।
[2:48]এর কয়েকটি গভীর অর্থ হতে পারে। এক, আল্লাহর রহমতের জোয়ার। যখন একজন যুবক যে কিনা চাইয়ে হাজারো গুনাহ করতে পারতো, সে সব ছেড়ে আল্লাহর



