Thumbnail for মাছ খাওয়া ভূত | Mecho Bhoot o Napit by Animate ME

মাছ খাওয়া ভূত | Mecho Bhoot o Napit

Animate ME

10m 18s775 words~4 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Timestamped outline
[0:13]Section 1

নদীর ধারে ছিল একটা বিশাল বটগাছ। সেই বটগাছে ছিল মেছো ভূতের বাসা। সন্ধ্যার পর সেখান দিয়ে কারো যাওয়ার উপায় ছিল না। বিশেষ করে মাছের গন্ধ পেলে...

[1:58]Section 2

মাছ নেই, তাহলে মাছের গন্ধ আসছে কোথা থেকে। ব্যাপারটা ঠিক লাগছে না। ও এদিকে নাপিত গাছের নিচে আসতেই মেছোভূত লাভিয়ে পড়লো তার সামনে। আ কি কি কি

[3:12]Section 3

নাপিত মাছগুলো কুড়োতে যাবে ঠিক তখনই মেছোভূত মাছগুলো নিয়ে উধাও হয়ে গেল। আর সোজা গিয়ে বসলো বটগাছের মগডালে।

[5:24]Section 4

এরপর মেছো মাছটা নিয়ে বটগাছের মাথায় উঠে পড়লো। তারপর যেই না কামড় দিয়েছে ওমনি তার দুটো দাঁত গেল ভেঙ্গে।

[6:29]Section 5

আরে কি ঠকিয়েছিলি? এবার দেখ মজা। উফ ছার মেছো আমাকে ছার। জানিস তো নাপিত মরলে কি হয়? এই গাছেই নপতে ভূত হয়ে থাকবো আমি। তখন তুই কোথায় থাকবি শু...

[9:30]Section 6

হ্যাঁ এটাই তো বাকি আছে। তোকে বের করি আর তুই আবার লোকের মাছ কেড়ে খেতে যাবি। এতদিন অনেক মাছ খেয়েছিস এবার মাছেরা তোকে খাবে। ও ও নাপিত আমাকে...

Pull quotes
[0:51]উফ এত তাড়াতাড়ি যাচ্ছি তারপরও রাস্তা যেন আর শেষই হচ্ছে না। রাতও হয়ে গেল। ভেবেছিলাম দিনের আলো থাকতে থাকতে নদীর ধার দিয়ে ওই বটগাছটা পেরিয়ে যাবো। কিন্তু তা তো আর হলোই না। সঙ্গে এই মাছগুলোও আছে। মেছোভূত ঠিক টের পেয়ে যাবে।
[1:13]নাহ একটা কাজ করি, এই মাছগুলোকে জামার ভিতরে ঢুকিয়ে নিই। এই এইতো এইতো এইতো, এবার ঠিক আছে। নাপিত মাছগুলোকে জামার মধ্যে ভরে নিয়ে হেঁটে চললো।
[1:34]এদিকে গাছের ডালে পা ঝুলিয়ে বসেছিল মেছোভূত। হাওয়ায় মাছের গন্ধ ভেসে আসতেই উঁকি মেরে সে দেখে একজন মানুষ এদিকেই হেঁটে আসছে।
[1:58]মাছ নেই, তাহলে মাছের গন্ধ আসছে কোথা থেকে। ব্যাপারটা ঠিক লাগছে না। ও এদিকে নাপিত গাছের নিচে আসতেই মেছোভূত লাভিয়ে পড়লো তার সামনে। আ কি কি কি
Use this transcript
Related transcript hubs

[0:13]নদীর ধারে ছিল একটা বিশাল বটগাছ। সেই বটগাছে ছিল মেছো ভূতের বাসা। সন্ধ্যার পর সেখান দিয়ে কারো যাওয়ার উপায় ছিল না। বিশেষ করে মাছের গন্ধ পেলেই, মেছোভূত ঝাঁপিয়ে পড়ে মাছ কেড়ে নিত। মেছো ভূতের জ্বালায় কেউ আর মাছ নিয়ে ওই পথে যায় না। একদিন এক নাপিত কুটুম বাড়ি থেকে মাছ নিয়ে বাড়ি ফিরছিল। ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে গেল।

[0:51]উফ এত তাড়াতাড়ি যাচ্ছি তারপরও রাস্তা যেন আর শেষই হচ্ছে না। রাতও হয়ে গেল। ভেবেছিলাম দিনের আলো থাকতে থাকতে নদীর ধার দিয়ে ওই বটগাছটা পেরিয়ে যাবো। কিন্তু তা তো আর হলোই না। সঙ্গে এই মাছগুলোও আছে। মেছোভূত ঠিক টের পেয়ে যাবে।

[1:13]নাহ একটা কাজ করি, এই মাছগুলোকে জামার ভিতরে ঢুকিয়ে নিই। এই এইতো এইতো এইতো, এবার ঠিক আছে। নাপিত মাছগুলোকে জামার মধ্যে ভরে নিয়ে হেঁটে চললো।

[1:34]এদিকে গাছের ডালে পা ঝুলিয়ে বসেছিল মেছোভূত। হাওয়ায় মাছের গন্ধ ভেসে আসতেই উঁকি মেরে সে দেখে একজন মানুষ এদিকেই হেঁটে আসছে।

[1:58]মাছ নেই, তাহলে মাছের গন্ধ আসছে কোথা থেকে। ব্যাপারটা ঠিক লাগছে না। ও এদিকে নাপিত গাছের নিচে আসতেই মেছোভূত লাভিয়ে পড়লো তার সামনে। আ কি কি কি

[2:25]তোর পেটে ওটা কিরে? ও ও সব কিছু নয়।

[2:35]পেটে মাছ লুকিয়ে রেখে মিথ্যা কথা হচ্ছে। আরে আরে কি কি কি

[2:47]নাপিতও কম যায় না। সেও জড়িয়ে ধরলো মেছোর কোমর। দু'জনে সে কি চড়াচড়ি আর ছাপটা ছাপটে। দে দে মাছগুলো দে এই দে। আ ওরে বাবারে। কিছুক্ষণ পরেই নাপিতের জামার ভেতর থেকে মাছগুলো পড়ে গেল।

[3:12]নাপিত মাছগুলো কুড়োতে যাবে ঠিক তখনই মেছোভূত মাছগুলো নিয়ে উধাও হয়ে গেল। আর সোজা গিয়ে বসলো বটগাছের মগডালে।

[3:26]হায়রে আমার সবকটা মাছ নিয়ে চলে গেল। আমি কত শখ করে বাজার থেকে কিনে এনেছিলাম খাবো বলে। আর শেষে কিনা মেছো ভূত নিয়ে চলে গেল। তবে আমিও কিন্তু মেছোকে ছাড়বো না। ওকে এমন জব্দ করবো যে কোনদিনও কারোর মাছ খাওয়ার নাম পর্যন্ত নেবে না।

[4:05]পরেরদিন নাপিত গেল কোমরির বাড়ি। কোমর তখন চাকা ঘুরিয়ে মাটির পাত্র বানাচ্ছিলো। ও কোমর দা, কোমর দা বল ও ভাই আমার একটা কাজ করে দিতে পারবে? কি কাজ? আরে একটা বড় মাটির মাছ বানিয়ে দিতে হবে। তারপর সেটাকে পুড়িয়ে শক্ত করে দিতে হবে ভাই। ও এই কাজ, ঠিক আছে এ আর এমন কি? কালকেই হয়ে যাবে। বিকালে থলি ভর্তি মাছের আঁশ নিয়ে নাপিত গেল কুমোরের বাড়ি। তারপর সেই আঁশগুলো ভালো করে মাছের ওপর লাগিয়ে দিল। এরপর মাছটা ব্যাগের মধ্যে ভরে নদীর দিকে হেঁটে চললো। নদীর ধারে যেতেই মেছোভূত তাকে দেখতে পেল। মস্ত বড় ব্যাগ নিয়ে নাপিত আসছে, আর মাছের লেজটা কিছুটা বাইরে বেরিয়ে আছে। নাপিত কাছাকাছি আসতেই মেছোভূত তার সামনে লাফিয়ে পড়লো।

[5:07]মাছটা দে দে মাছটা দে। ওরে বাবারে পালা পালা।

[5:24]এরপর মেছো মাছটা নিয়ে বটগাছের মাথায় উঠে পড়লো। তারপর যেই না কামড় দিয়েছে ওমনি তার দুটো দাঁত গেল ভেঙ্গে।

[5:49]এ কি আমাকে ঠকালো। ওকে আমি শিক্ষা দেবো।

[6:01]এরপর বেশ কয়েকদিন কেটে গেল। একদিন নাপিত পাশের গ্রামে বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিল। ফিরতে ফিরতে তার রাত হয়ে গিয়েছিল।

[6:16]এরপর যেই না ওই বটগাছের নিচে এসেছে ওমনি মেছোভূত লাফিয়ে তার সামনে পড়লো। তারপর নাপিতের গলা চেপে ধরলো।

[6:29]আরে কি ঠকিয়েছিলি? এবার দেখ মজা। উফ ছার মেছো আমাকে ছার। জানিস তো নাপিত মরলে কি হয়? এই গাছেই নপতে ভূত হয়ে থাকবো আমি। তখন তুই কোথায় থাকবি শুনি একটু? এ কথা শুনে মেছো তার গলাটা ছেড়ে দিল। তারপর ভাবলো এ গাছটা আমার অনেক দিনের বাসা। এটাকে ছাড়া যাবে না। তুই আমাকে মাটির মাছ দিয়ে ঠকিয়েছিলি কেন? তার জন্য আমার দুটো দাঁত ভেঙ্গে গেছে।

[7:25]আমিও তোর দুটো দাঁত ভাঙবো। দেখ আমার দাঁত ভাঙ্গিস না। আমি বুড়ো মানুষ। আমি কথা দিচ্ছি কাল তোর জন্য অনেক মাছ নিয়ে আসবো। ঠিক বলছিস তো, না হলে কিন্তু তোর সব কটা দাঁত আমি ভাঙবো। যা, কাল তাড়াতাড়ি আসবি। এরপর মেছো ভূতের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে সেখান থেকে ছুটে পালিয়ে গেল। পরদিন সন্ধ্যাবেলা নাপিত একটা কলসিতে কিছু শিঙি মাছ আর কয়েকটা কাঁকড়া নিয়ে এসে ওই বটগাছের নিচে এসে হাজির হলো। কইরে মেছো? মেছো? কই তুই? এই নে তোর জন্য মাছ এনেছি। এই দে এই এই বলে মেছো কলসিতে হাত ঢুকিয়ে দিল। আর শিঙি মাছে মারলো কাঁটা।

[8:27]আরে কি বোক রে তুই? এগুলো কি মরা মাছ যে কলসি থেকে বের করে আনবি? এগুলো সব জ্যান্ত মাছ, হাত দিলেই কামড়াবে। কলসির ভিতরে আগে ঢোক, মাছগুলোকে মার, তারপর বাইরে এনে খাবি। আরে ও তা আগে বলবি তো? এই বলে মেছো ছোট হয়ে কলসির মধ্যে ঢুকে পড়লো।

[8:54]তারপর নাপিত ঝপ করে গামছা দিয়ে কলসির মুখ বন্ধ করে দিল। মেছো ভেতরে ঢুকে শিঙি মাছ আর কাঁকড়ার কাঁটা খেতে লাগলো। যন্ত্রণার জ্বালায় সে বাইরে আসতে গিয়ে দেখে কলসির মুখ বন্ধ। ও নাপিত ভাই আমাকে ছেড়ে দে, আমি আর কোনোদিন তোর ক্ষতি করব না।

[9:30]হ্যাঁ এটাই তো বাকি আছে। তোকে বের করি আর তুই আবার লোকের মাছ কেড়ে খেতে যাবি। এতদিন অনেক মাছ খেয়েছিস এবার মাছেরা তোকে খাবে। ও ও নাপিত আমাকে বার কর ভাই।

[10:03]এরপর নাপিত মুখ বাঁধা কলসি ভাসিয়ে দিল নদীর জলে। কলসির ভেতর শিঙি আর কাঁকড়ার কামড় খেতে খেতে ভেসে চললো মেছো।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript