[0:01]ইরান, ইজরায়েল আর আমেরিকার যে যুদ্ধ চলছে বিগত কয়দিন ধরে, সেটি কিন্তু এখন শেষের দিকে। ডোনাল্ড ট্রাম্প কিন্তু বলেছিলেন যে আমি 48 ঘণ্টার মধ্যে ইরানকে পুরো ধ্বংস করে দেব। তো দেখা যাক ডোনাল্ড ট্রাম্প কি করে। দেখুন ডোনাল্ড ট্রাম্প কিন্তু কোন এক সাধারণ লোক নয়। সে হচ্ছে বিশ্বের সব থেকে পাওয়ারফুল কান্ট্রির প্রেসিডেন্ট। তো সে যা করবে ভেবে চিন্তে করবে। সে কিন্তু ডাইরেক্ট ইরানের কোন বড় শহরে অ্যাটাক করবে না। সে চেষ্টা করবে ইরানকে পেটে লাথি মারার। আর পেটে লাথি মারার মানে হচ্ছে ইরানের স্টেট অফ হরমোজের এবং তার তেলের খুনিতে কিছু বোমা ফেলে দেওয়া বা অ্যাটাক করা। এবার একটি জিনিস ভাবুন যে আমেরিকা কিন্তু চেয়েছিল যে আমি ইরানকে একটু অশান্তিতে রেখে কিন্তু ছেড়ে দিব। এখন যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প এরকম বলেছে যে আমি 48 ঘণ্টার মধ্যে ইরানকে ধ্বংস করে দিব। বা কিছু স্টেপও হয়তো নিতে চলেছে। যদি ইরান ঘুরিয়ে অ্যাটাক করে দেয় আমেরিকাকে বা ইসরাইলের উপরে ক্ষতি কিন্তু দুই তরফই হবে। আর যদি বেশি ক্ষতি হয় তাহলে কিন্তু ক্ষতি হবে ইরানের আশেপাশে যে কান্ট্রিগুলো তাদেরও। এই যে দুবাইতে এত বড় অট্টালিকা বা বিল্ডিং যেমন বুর্জ খলিফা সেটা কিন্তু আর এত বড় থাকবে না, সেটাও কিন্তু ধ্বংস হয়ে যাবে। এবার আসি একটু মজার কাহিনিতে। এই যে কয়দিন ধরে আমরা নিউজে দেখতে পাচ্ছি যে F-15 পাইলটকে উদ্ধার করার একটি বিশাল সাহসিকতার গল্প। আসলে এটি একটি পাবলিককে খাওয়ানোর কভার স্টোরি। আসল ঘটনাটা হচ্ছে, এই যে 200 জনের একটি টিম পাঠানো হয়েছিল ইরানে তারা আসলে পাইলট বাঁচাতে যায়নি। তারা গিয়েছিল ইসফানের ল্যাব থেকে ইরানের জমানো ইউরেনিয়াম চুরি করতে বা ধ্বংস করতে। কিন্তু তারা সেটি পেরে উঠতে পারেনি। মানে না চুরি করতে পেরেছে, না ধ্বংস করতে পেরেছে। এখন মিশনে গিয়ে যদি খালি হাতে আসে বিশ্বের সবথেকে পাওয়ারফুল কান্ট্রির সেনারা তাহলে কি তার ইজ্জত থাকবে? লোক কি হাসির গল্প বানাবে না? এবার এখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প কিন্তু একটি নিউজ খুব প্রমোট করছে যে আমরা আমাদের পাইলটকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। এবং আমরা একটি বীরত্বের মানে বুক ফুলিয়ে কাহিনি বা গল্প মানে শোনাচ্ছে যে আমরা আমাদের পাইলটকে কিন্তু সেখান থেকে বাঁচিয়ে নিয়ে এসেছি। আসলে কিন্তু এটি ছিল একটি কোনো মেন স্টোরিকে ঢাকার একটি ছোট মাত্র গল্প। ট্রাম্প কিন্তু এখন পুরোপুরি পাগল হয়ে গেছে। কারণ সামনে কিন্তু তার ইলেকশন। আর এই ইলেকশনে কিন্তু তার সঙ্গীরাও মানে পলিটিক্যাল ক্যারিয়ারের সঙ্গীরাও কিন্তু তার পাশে নেই এবং তার উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে আছে। কারণ এই যে যুদ্ধের জন্য ক্রুড অয়েলের দাম যা এত বেড়ে আছে বিশ্বের কিন্তু অনেক দেশের অর্থনৈতিক কিন্তু সংকট পড়েছে। আমার মনে হচ্ছে ট্রাম্প কিন্তু আগামী দুই-তিন দিন বা কিছু দিনের মধ্যেই কিন্তু ইরানে একটি অ্যাটাক করবে এবং বলবে যে ইরানকে আমরা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছি এবং সামনে 100 বছর কিন্তু ইরান আর আমাদের বিরুদ্ধে কিন্তু দাঁড়াতে পারবে না বা কিছু বলতে পারবে না। তবে একটা জিনিস মাথায় ঢোকে না, ইরান কেন এত দিন ধরে এই বিষয়টাকে লম্বা টানছে? কি চাবিকাঠি আছে তার কাছে আমেরিকার বিরুদ্ধে, যে সে সেটা কোনো এক সময় হয়তো শো করবে এবং বিস্ফোরন হয়ে উঠবে যে হ্যাঁ, এই যে দেখুন ইরানের চাবিকাঠি আমার কাছে আছে। এরকম কিছু। আপনার কি মনে হয়? ট্রাম্প কি করতে পারে? না শেষমেশ ট্রাম্প ইরানের কাছ থেকে গুটিয়ে লেজ গুছিয়ে পালাবে। কমেন্ট করে জানান। নেক্সট ভিডিও খুব তাড়াতাড়ি আসবে। ডেইলি আপডেটস পাওয়ার জন্য আমাদের এসবি টেডেসকে ফলো করুন এবং লাইক করুন, শেয়ার করুন। ধন্যবাদ সকলকে।

Trump’s Secret Mission Fails?The Real Truth Behind the F-15 Pilot Rescue!#iranattack #iran #irannews
SBTradeX
3m 53s523 words~3 min read
Auto-Generated
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS


