[0:00]ঢাকার ব্যস্ততম এলাকা গুলিস্তান। আর সেই ভিড়ের মাঝেই লুকিয়ে আছে এক ভিন্ন জগত। সেটা হচ্ছে টাকার হাট। তবে শুধু ছেঁড়া টাকা নয়, এখানে মেলে বিদেশী মুদ্রা, পুরাতন কয়েন এমনকি নানা রকম স্বারক মেডেলও। এখানে অনেক দোকান বা খোলা টেবিলে দেখা যায় বিভিন্ন দেশের নোট ও কয়েন। সৌদি রিয়েল, ভারতীয় রূপী, আমেরিকান ডলার, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত। ভ্রমণকারীরা বা প্রবাসীরা কখনো বিক্রি করেন, আবার সংগ্রহকারীরা কিনে নেন স্মৃতি হিসেবে। তবে মনে রাখতে হবে, বৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের নিয়ম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাই অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবহার করাই নিরাপদ।
[2:35]ওইটা কি ছিঁড়ে গেছে, না ভাই?
[2:52]ভাই কত এক বান্ডিল?
[3:13]সবচেয়ে বেশি কৌতূহল জাগায় পুরাতন কয়েনের সংগ্রহ। ব্রিটিশ আমলের কয়েন, পাকিস্তান সময়ের মুদ্রা, স্বাধীনতার পরের স্বারক কয়েন এমনকি বিভিন্ন দেশের বিরল কয়েন। সংগ্রহকারীদের কাছে এগুলো শুধু টাকা নয়, ইতিহাসের সাক্ষী। অনেক সময় একটি ছোট কয়েনের পেছনেই লুকিয়ে থাকে শত বছরের গল্প। কিছু কিছু দোকানে দেখা যায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান, খেলাধুলা বা পুরস্কারের মেডেল। অনেকে এগুলো সংগ্রহ করেন শখের বসে, আবার কেউ কেউ সাজিয়ে রাখেন দোকান প্রদর্শনের জন্য। ভাবুন তো, আপনার হাতে ধরা একটি পুরাতন কয়েন যেটা হয়তো ব্রিটিশ শাসনামলে ব্যবহার হতো। কত মানুষের হাত ঘুরে কত লেনদেন পার করে আজ এসেছে পুঁথিজি আপনার সামনে। গুলিস্তানের টাকার হাট যেন সময়ের এক ভান্ডার, যেখানে টাকা শুধু মানেই শুধু লেনদেন নয় ইতিহাসও।



