Thumbnail for Infinix Hot 70 Review Bangla | ১৯ হাজারে বেস্ট ডিল !!!! by AFR Technology

Infinix Hot 70 Review Bangla | ১৯ হাজারে বেস্ট ডিল !!!!

AFR Technology

11m 1s1,833 words~10 min read
Auto-Generated

[0:00]এক তো গ্রীষ্মে প্রচুর দাবদাহ চলছে তারপর Infinix আরো তাপ চড়াতে বাজারে নিয়ে এসেছে Hot সিরিজের আরো একটি ব্র্যান্ড নিউ স্মার্টফোন Infinix Hot 70. ফোনটির স্পেশাল ফিচারস দিকে খেয়াল করলে আমরা এখানে দেখতে পারবো 6.78 ইঞ্চির একটা HD প্লাস রেজুলেশন এর বড় ডিসপ্লে থাকছে, 6000 mAh এর মেসিভ ব্যাটারি থাকছে, 50 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকছে, 45W এর ফাস্ট চার্জার থাকছে। সেই সাথে MediaTek Helio G100 চিপসেট থাকছে। এখন আসলে স্পেক্স দেখে আলাদা আটকানো হওয়ার কিছু নেই। ফোনটার প্রাইস আগে বলি। 4/128 ভেরিয়েন্টের প্রাইস ধরা হয়েছে 19,999 টাকা এবং 6/128 ভেরিয়েন্টের প্রাইস ধরা হয়েছে 21,999 টাকা। এবং এটার 8/128 এর আরো একটা ভেরিয়েন্ট কিন্তু আগামী সপ্তাহে মার্কেটে আসছে। যাই হোক, সব তো জানলেন। চলেন, এবারে আমরা আনবক্সিং থেকে ধীরে ধীরে আগাই।

[0:51]বরাবরের মতোই আনবক্সিং থেকে শুরু করি। বক্সটিকে ওপেন করার পরেই কিন্তু আমরা আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত ডিভাইসটা দেখতে পাচ্ছি। তারপরেই হচ্ছে একটা ব্যাক কভার দেখতে পাচ্ছি। এটা কিন্তু বেশ চমৎকার সুন্দর ডিজাইনের তৈরি করা হয়েছে, যার ফলে কিন্তু এইটা ফোনের সাথে বেশ ভালোভাবে মানিয়ে যায়। তারপর আমরা একটা 45W এর ফাস্ট চার্জার দেখতে পাচ্ছি, একটা USB Type-C ক্যাবল দেখতে পাচ্ছি। আর যথারীতি ইউজার ম্যানুয়াল বা ওয়ারেন্টি কার্ড এগুলো তো থাকেই আরকি বক্সে। চলেন, ডিজাইন সেকশনের দিকে যাই।

[1:18]প্রথমে আমরা ডিজাইন এন্ড বিল্ড কোয়ালিটি নিয়ে কথা বলি। Infinix Hot 70-এর ডিজাইনে তেমন কোনো বৈচিত্র্য নেই। তবে একটা ইন্টারেস্টিং বিষয় আছে। দেখেন, আমার হাতের কালারটি লাইট অরেঞ্জ। এখন এটাকে যদি আমি জাস্ট 10 মিনিটের জন্য ডিপ ফ্রিজে রেখে দেই, তাহলে বের করার পর দেখেন কী হচ্ছে, এটা ডিপ অরেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ কালারটা চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে, খুবই ইন্টারেস্টিং। এই ধরনের বিষয় আমি প্রথমবার এই ফোনেই আমি এক্সপেরিয়েন্স করেছি। পিছনের দিকে টাচ করলে একটা সফট ফিল পাওয়া যায়। আর এখানে কিন্তু একদমই আঙুলের চাপ বসে না। ক্যামেরা হাউজিং ঠিক ঠিক আগের মতোই রয়েছে, তবে ক্যামেরা হাউজিংয়ের চারপাশে যে বর্ডারটা রয়েছে না, এইটা আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগেনি। সম্পূর্ণ ফোনটা প্লাস্টিক বিল্ডের তৈরি, তবে প্লাস্টিক হলেও না, চিপ ফিল্ডটা মোটেই আসে না, একটা সলিড বিল্ডের তৈরি বলা যায়। 195g হচ্ছে এর ওয়েট এবং থিকনেস হচ্ছে 7.49 mm। ফোনটাকে প্রথম প্রথম হাতে নিলে কিছুটা ভারী ফিল করতে পারেন, বাট ফোনটা কিন্তু যথেষ্ট পাতলা। ফোনটির উপরের দিকে IR ব্লাস্টার আছে, যেটা দিয়ে আপনি টিভি, তারপর হচ্ছে টিভি বক্স আরো অনেক ইলেকট্রনিক ডিভাইসের রিমোট হিসেবে এটাকে ব্যবহার করতে পারবেন। আর ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট হচ্ছে যে, এই ফোনে ডুয়াল স্টিরিও স্পিকার দেওয়া হয়েছে, স্পিকারের কোয়ালিটি মোটামুটি বেশ ভালো, লাউড এন্ড ক্লিয়ার। তবে ডিস্টরশন পাওয়া যায় যদি আপনি ভলিউম 80% এর বেশি নিয়ে যান। ফোনটির ডান পাশে পাওয়ার বাটন থাকছে, যেখানে ইমপ্লিমেন্টেশন করা হয়েছে ফিজিক্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার, যেটি যথেষ্ট ফাস্ট এন্ড একুরেট। তবে অ্যানিমেশনের কারণে আপনার কাছে কিছুটা ডিলে মনে হতে পারে। পাওয়ার বাটনের নিচের দিকে খেয়াল করেন, অরেঞ্জ অ্যাক্সেন্টের একটা চমৎকার সুন্দর বাটন দেওয়া রয়েছে, এইটাকে Infinix বলছে ওয়ান ট্যাপ বাটন। এইটাকে আসলে আপনি আপনার মত করে কাস্টমাইজ করে যেকোনো প্রোগ্রাম সেট করতে পারেন, ধরেন আমি এইটাতে সেট করেছি যে ওয়ান ক্লিকে আমি এই টর্চলাইট জ্বালাবো। আর যদি আমরা নিচের দিকে আসি এখানে সব ঠিকঠাকই আছে বাট 3.5mm হেডফোন জ্যাকটা নেই, এটা আমরা কোথাও পেলাম না বাট এইটা এই বাজেটে মাস্ট বি প্রত্যাশিত ছিল। বাম পাশে সিম কার্ড স্লট রয়েছে যেখানে আপনি দুটি সিম কার্ড ব্যবহারের পরেও কিন্তু একটা মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। যদি আমরা ফোনটির সামনের দিকে চলে আসি তাহলে এখানে পাঞ্চ হোল যুক্ত ফুল ভিউ ডিসপ্লে দেওয়া রয়েছে, সিন এবং সাইড বেজেলটি আরেকটু ছোট করলে ভালো লাগতো, বাট বাজেট অনুযায়ী সেটা নিয়ে আসলে খুব বেশি কথাও বলা যায় না। ফোনটিতে IP65 এর রেটিং রয়েছে, যার ফলে কিন্তু ধুলা-টুলা থেকে মুক্ত হবে বাট পানির ছোটখাটো ঝাপটা সামলাতে পারলেও কিন্তু হেভি বৃষ্টিতে নিয়ে আপনি ভিজতে পারবেন না। আর সেই সাথে ফোনটিতে কিন্তু NFC সাপোর্টও রয়েছে। আর এটিতে মিলিটারি স্ট্যান্ডার্ড ডিউরাবিলিটিশন রয়েছে, সো নরমালি যদি আপনার হাত থেকে পড়ে টরে যায় বা ছিটকে ছিটকে যায়, খুব বেশি ক্ষতি হবে না, বাট এইটা দিয়ে আপনি খুব বেশি ডিলাতে পারবেন, সেরকম কিছু না।

[3:49]এবারে আসি ডিসপ্লে সেকশনে। ফোনটিতে থাকছে 6.78 ইঞ্চির HD+ রেজুলেশনের একটি IPS ডিসপ্লে, যার রেজুলেশন 720 x 1600 px। ভাই ডিসপ্লেটা IPS হলেও যথেষ্ট ভালো কালার রিপ্রোডিউস করতে পারছিল, দেখে ভালো লাগছিল। আর বড় ডিসপ্লে হওয়াতে কন্টেন্ট ওয়াচিংয়ে কিন্তু আমার কাছে বেশ ভালো লাগছিল। তবে যেহেতু এটা অনলি HD+ রেজুলেশনের ডিসপ্লে, সো খুব সূক্ষ্মভাবে খেয়াল করলে ডিসপ্লেতে অবশ্যই আপনার শার্পনেসের ঘাটতি লক্ষ্য করবেন। এটা 120Hz রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে, এটা জেনে আমার কাছে ভালো লেগেছে। বাট আমরা যখন স্ক্রোলিং করছি, ট্রানজ্যাকশন করছি ঠিক আছে, এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় মুভ করছি সেখানে লাইফ কাউন্টে কিন্তু আমরা 90Hz ই পাচ্ছি, 90Hz এর বেশি কিন্তু আমরা পাচ্ছি না। সো আমরা যখন পুশ করে 120Hz সিলেক্ট করেছি সেটিংস থেকে তারপরও কিন্তু আমরা সেটাই পেয়েছি। যেহেতু বাজেট সেগমেন্টের ফোন, সো আমরা এই ডিসপ্লেতে কোনো নেগেটিভ ইস্যু আছে কিনা, বা টাচ রেসপন্সজনিত কোনো প্রবলেম আছে কিনা সবকিছু আমরা টেস্ট করেছি, এক্সাক্টলি কোনো ধরনের প্রবলেম আমরা ফেস করিনি।

[4:50]এবারে আসি পারফরম্যান্স সেকশনে। ফোনটিতে চিপসেট হিসেবে থাকছে MediaTek Helio G100। কিছুদিন আগেও কিন্তু আমরা এই বাজেটে এই চিপসেট পেলে বলতাম যে না ভাই ভালো হয়নি বাট এখন কিন্তু এই বাজেটে ইউনিভার্সিটি চিপসেট দিচ্ছে সেই জায়গায় MediaTek Helio G100 যথেষ্ট ভালোই বলতে হবে। রেগুলার কাজের জন্য যেমন হচ্ছে ফেসবুকিং, ইউটিউবিং, ফোনে কথা বলা বা নেট ব্রাউজিং করা এগুলা যথেষ্ট ভালোভাবে হ্যান্ডেল করতে পারে পাশাপাশি হালকা পাতলা মাল্টিটাস্কিংও আপনারা করতে পারবেন। তবে এ দিয়ে ভারি গেমের মধ্যে Free Fireটা আমরা প্লে করেছি, খুব যথেষ্ট ভালোভাবে প্লে করতে পেরেছি। আমরা কিন্তু 50 FPS পর্যন্ত পেয়েছি। বিশেষ করে Infinix এর সাথে একটা কোলাবোরেশন আছে। সো সব মিলিয়ে আপনি যদি এটা দিয়ে Free Fire খেলতে চান তাহলে এটা দারুন আপনাকে একটা সাপোর্ট দিবে। এছাড়াও কিন্তু হেভি গেমের মধ্যে PUBG, Call of Duty এগুলা খেলতে পারবেন বাট এগুলা একদম লোয়ার সেটিংস এ আপনাকে প্লে করতে হবে। XOS 16.2 তে রান করছে ফোনটি যার টপে থাকছে Android 16 এর UIটা কিন্তু যথেষ্ট স্মুথ এন্ড পলিশ। আইকন, নোটিফিকেশন সবকিছুই না বেশ সাজানো গোছানো আরকি। আমার প্রায় 9 দিনের ব্যবহারে এতে কোনো প্রকার লেগ বা স্টার্টার জনিত ইস্যু পাইনি। ফোনের সেটিংস থেকে Infinix এ গেলে প্রয়োজনীয় সব AI এর ফিচার্সের দেখা পাবেন। যেগুলো ম্যাক্সিমামই কিন্তু বেশ ভালো কাজে লাগবে, আমি সবচেয়ে বেশি সারপ্রাইজ হয়েছি যে এই বাজেটের একটা ফোনে এতগুলা AI ফিচার্স তারা দিয়েছে। যেটা কিন্তু আমি এই বাজেটে মোটেই প্রত্যাশা করি না। ফোনটিতে RAM হিসেবে থাকছে LPDDR4X আর ROM হিসেবে থাকছে UFS 2.2। এই জায়গাটাতে কিন্তু Infinix দারুণ একটা কাজ করেছে, বাজারের এই অস্থির সময়ে এসে অনেকেই কিন্তু এর চেয়ে খারাপ কিছু দিচ্ছে। সেই জায়গাটা ভালো করছে, যার ফলে কিন্তু আমরা ডাটা রিড এবং রাইট স্পিড কিন্তু যথেষ্ট ভালো পেয়েছি। অ্যাপস ওপেনিং বা ক্লোজিং সবকিছুই আমার কাছে ঠিকঠাক লেগেছে। ফটো এডিটিং এ AI এর বেশ কিছু ফিচার্স আছে যেমন AI ইরেজ এবং হচ্ছে AI এর এক্সটেন্ড, এই দুইটা না দারুণ কাজ করেছে, খুব ভালোভাবে ছবি রিমুভ করতে পেরেছে এবং এক্সটেন্ডও করতে পেরেছে।

[6:42]এবারে আসি ক্যামেরা সেকশনে। ফোনটির রিয়ারে 50 মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা থাকছে পাশাপাশি 8 মেগাপিক্সেলের একটা সেলফি ক্যামেরা থাকছে। 50 মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা ওকে বাট 8 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরার জায়গায় 13 মেগাপিক্সেল দিলে হইতো মোটামুটি ভালো একটা কভার করতো। বাই দা ওয়ে, ডে লাইট বা প্রপার লাইট কন্ডিশনে আমরা এতে মোটামুটি ভালো ছবি পেয়েছি। এবং ছবিটা মোটামুটি ন্যাচারাল। আবার যখন আমরা সবুজ কিছুর মধ্যে যাচ্ছিলাম তখন এই সবুজটাকে একটু বেশি সবুজ করে তুলছিল। আর যদি ডাইনামিক রেঞ্জের কথা বলি তাহলে মোটামুটি ভালো রেজাল্ট করেছে, যথেষ্ট ভালো ডাইনামিক রেঞ্জ কভার করতে পেরেছে। লাইট এক্সপোজার ব্যালেন্স সবকিছুই ঠিকঠাক মতো ম্যানেজ করতে পেরেছে। আর ফোনটির পোরট্রেট মোডের ছবিগুলো আমরা ক্যাপচার করার সময় দেখলাম বেশ ভালোভাবে ক্যাপচার করতে পেরেছে। এখানে তিনটা ফোকাল লেন্থের ছবি তোলা যায়, তিনটার মধ্যে তিনটাই আমার কাছে বেশ দারুন লেগেছে। বিশেষ করে 50 mm এ কিন্তু দারুন সব ছবি তুলেছে। তবে লো লাইট ফটোগ্রাফিতে এর পারফরম্যান্স না খুব একটা প্রত্যাশিত ছিল না। ছবিতে ডিটেইলস কমে যায়, শার্পনেস কমে যায় এবং ছবিটিতে কিন্তু নয়েজ এবং গ্রেইনেরও দেখা পাওয়া যায়। এই ক্ষেত্রে যদি আপনি নাইট মোড অন করে ছবি তুলতে পারেন তাহলে ছবিটা কিছুটা ইম্প্রুভ হয়, অর্থাৎ ডিটেইলসটা কিছুটা ফিরে আসে পাশাপাশি ছবিটা একটু শার্প হয়। ফোনটির সেলফি ক্যামেরার ছবিগুলো আমার কাছে মোটামুটি ভালো লেগেছে যা আপনারা এই স্যাম্পলগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন। এই ফোনটির ক্যামেরা দিয়ে সর্বোচ্চ 2K 30 FPS এ ভিডিও শুট করতে পারবেন। ভিডিওর কোয়ালিটি আমার কাছে মোটামুটি ভালো লেগেছে এবং ভিডিও মোটামুটি স্টেবল বলা যায়। সো সব মিলিয়ে এটা দিয়ে যে ভিডিও আপনি ক্যাপচার করতে পারবেন সেটা মোটামুটি চলে যাবে। তারপর আসি আদার্স ফিচারের মধ্যে। যেমন কল কোয়ালিটি, নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি, ডাউনলোড, আপলোড স্পিড সবকিছুই টেস্ট করেছি, এক্সাক্টলি এই অংশটাতে কোন ধরনের প্রবলেম আমি ফেস করিনি। আর এতে কিন্তু Bluetooth এর 5.4 ভার্সন ইউজ করা হয়েছে। আরেকটা বিষয় কিন্তু এই ফোনে রয়েছে সেটা হচ্ছে আল্ট্রা লিংক। এটা কিন্তু এখন Infinix এর মোটামুটি সব ফোন গুলাতেই দিচ্ছে। অর্থাৎ এরকম আরেকটা ফোন যদি আপনার থাকে যেটাতে আল্ট্রা লিংক সাপোর্ট করবে তাহলে আপনি প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যে যদি আরেকটা ফোন থাকে তাহলে কোন প্রকার চার্জ ছাড়াই কিন্তু আপনি মেসেজ আদান প্রদান করতে পারবেন প্লাস কথা বলতে পারবেন ইন্টারেস্টিং না?

[8:50]এবারে আসি পাওয়ার সেকশনে। ফোনটাতে 6000 mAh একটা মেসিভ ব্যাটারি থাকছে পাশাপাশি 45W এর ফাস্ট চার্জার থাকছে। আসলে 6000 mAh এর ব্যাটারি নিয়ে আমার খুব বেশি মাথাব্যথা নেই কারণ এইটা এখন স্ট্যান্ডার্ড হয়ে গেছে। বাট 45W এর ফাস্ট চার্জারটা কিন্তু অনেকেই এই বাজেটের মধ্যে দেয় না। বাট Infinix এটা দিয়েছে যে কারণে থ্যাঙ্কস আর এটা দিয়ে কিন্তু আপনি খুব দ্রুতই ফোনটাকে চার্জ করে ফেলতে পারবেন। আর এটার ব্যাটারি ব্যাকআপও কিন্তু আমরা যথেষ্ট ভালো পেয়েছি যেহেতু এটা HD+ রেজুলেশনের ডিসপ্লে ছিল এবং এটা 6nm এর একটা চিপসেট। সব মিলিয়ে আমরা দারুণ ব্যাটারি ব্যাকআপ পেয়েছি, অর্থাৎ যখন আমরা নরমাল ইউজ করছিলাম আমি দেখছিলাম যে দুই থেকে আড়াই দিনের মত চলে যাচ্ছিল। হেভি ইউজ করে একদিন অনায়াসে চলে যাচ্ছিল। সো ব্যাটারি ব্যাকআপ নিয়ে যদি আপনার মাথাব্যথা থাকে বা ব্যাটারি ব্যাকআপটা আপনার প্রায়োরিটিতে থাকে তাহলে এইটা কিন্তু আপনাকে বেশ ভালো একটা সাপোর্ট দিতে পারবে। এছাড়াও কিন্তু এই পাওয়ার সেকশনে তারা অনেক কাজ করেছে। যেমন বাইপাস চার্জিং একটা টেকনোলজি আছে যখন আপনি ফোন ইউজ করছেন ঠিক আছে সেই অবস্থায় আপনি যদি ফোনটাকে চার্জে লাগান তাহলে কিন্তু ফোনের ব্যাটারির ক্ষতি হবে না। আবার 10W এর রিভার্স চার্জিং ফ্যাসিলিটিজও আছে, আরো অনেক সুবিধা কিন্তু আপনারা এই পাওয়ার সেকশনে পেয়ে যাবেন। সো গাইস, এই হচ্ছে Infinix Hot 70 নিয়ে আমার আজকের ভিডিও। বেসিক্যালি এই ফোনটার অনেক জিনিসই ভালো লেগেছে, বিশেষ করে এখনকার সময়ে এই বাজেটে এসে অনেক কিছু ভালো দিয়েছে, একটা বড় ডিসপ্লে রয়েছে। চমৎকার সুন্দর একটা ডিজাইন রয়েছে, Helio G100 চিপসেট রয়েছে সেই সাথে 50 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা, 6000 mAh এর একটা বড় ব্যাটারি, 45W এর ফাস্ট চার্জার এই জিনিসগুলা কিন্তু ভালো লেগেছে বিশেষ করে এই বাজেটের মধ্যে। তবে কিছু জিনিসের একটু আমি ঘাটতি লক্ষ্য করেছি যেমন 3.5mm হেডফোন জ্যাকটা নেই যেটা আমরা বাজেট সেগমেন্টের ফোনগুলোতে অবশ্যই আশা করে থাকি। তাছাড়া এই ডিসপ্লেটা যদি ফুল HD+ রেজুলেশনের হতো তাহলে হয়তোবা আরেকটু ভালো হতো। দেন আমি বলবো যে এই ফোনটা হেভি গেমারদের জন্য না আর এই বাজেটে যদিও আমরা হেভি গেম মোটেই প্রত্যাশাও করে থাকি না তারপরও আপনারা Free Fireটা ভালো খেলতে পারবেন বাট যদি PUBG বা Call of Duty-এর দিকে যান তাহলে এইটা হয়তোবা লোয়ার সেটিংস এ খেলতে হবে। এই হচ্ছে মূলত বিষয়। এখন সবকিছু বিচার বিশ্লেষণ করে আপনার ডিসিশন কী সেটা আপনি চাইলে আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আমি আমার পক্ষ থেকে এই বাজেটে এই ফোনটা খুব ইজিলি রিকমেন্ড করতে পারি। কথা আর বাড়াচ্ছি না, বিদায় নিচ্ছি আজকের মতো আমি হিমান। দেখা হচ্ছে নতুন কোন ভিডিওতে। আল্লাহ হাফেজ।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript