[0:00]প্রিয় দিনী ভাই ও বোন রাতে ঘুমানোর আগে বিছানার মধ্যে বসে এক গ্লাস খাবার পানির মধ্যে আল্লাহপাকের দুইটি নাম পড়ে যদি ফুঁ দেন এবং সেই পানিটি আপনি যদি সুন্দর করে তিনটি নিয়মে ব্যবহার করতে পারেন আপনার সংসারের অভাব অনটন দূর হয়ে যাবে।
[0:22]আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনার সংসারে ধন দৌলতে প্রচুর পরিমাণ বরকত হবে।
[0:30]আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপনাদের সংসারে যদি কাউকে জাদু টোনা ব্ল্যাক ম্যাজিক এগুলা যদি করে থাকে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এই জাদু টোনা ব্ল্যাক ম্যাজিক সব দূর হয়ে যাবে, দূর করে দিবেন।
[0:47]যারা অসুস্থ আছেন, আপনারা যদি এ আমলটি যদি করেন এই দুইটি নামের আমলের কারণে আল্লাহ তা'আলা আপনাদেরকে সুস্থতা দান করবেন।
[0:58]আল্লাহ পাকের এই দুইটি নাম বড় দামি নাম।
[1:03]এই নাম পড়ে আল্লাহর কাছে চাইলে আল্লাহ তা'আলা কাউকে ফিরিয়ে দেন না।
[1:10]এ আমলগুলা খুবই খুবই শক্তিশালী শ্রেষ্ঠ আমল।
[1:16]অনেকে মা-বোনেরা আমাদের কাছে প্রশ্ন করেন যে হুজুর সংসারের মধ্যে আয় রোজিতে বরকত হয় না, টাকা পয়সা নাই অভাব অনটনে আছি।
[1:25]আবার অনেকে এমন অভিযোগ করে যে হুজুর টাকা পয়সা ভালো ইনকাম হয় কিন্তু কোন বরকত পাই না সংসারে বিপদ-মুসিবত অসুস্থতা অশান্তি লেগেই থাকে।
[1:36]হুজুর এমন কি আমল আছে যে আমল করলে আল্লাহতালা রিজিকের মধ্যে বরকত দান করবেন।
[1:43]ও আমার মা-বোনেরা যারা শুনছেন ও আমার ভাইয়েরা, এ আমলটি প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এই আল্লাহ পাকের দুইটি নাম যদি পড়তে পারেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাদেরকে রিজিক দিয়ে ধনী বানায়া দিবেন।
[2:00]শুধু তাই নয় আল্লাহ তা'আলা আপনাদের জিন্দেগীর গুনাহগুলা মাফ করে দিবেন।
[2:03]মৃত্যু পর্যন্ত দুনিয়াতে সুখে শান্তিতে থাকতে পারবেন, শুধু তাই নয় হাশরের ময়দানে আল্লাহ তা'আলা আপনাকে ক্ষমা করে জান্নাতের ফয়সালা করে দিবেন।
[2:16]এই নামের আমল করে আল্লাহকে ডাকলে আল্লাহ তা'আলা বলেন বান্দা আমি খুব কাছে আছি তোমাদের দোয়া কবুল করে নিব।
[2:24]আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলছেন, আল্লাহ পাক বলেন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
[2:44]আমার বান্দারা যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করে আমি আল্লাহ সম্পর্কে প্রশ্ন করে আপনি বলে দেন, ইন্নি পরিব আমি আল্লাহ অতি নিকটেই আছি, আমি আল্লাহর কাছে যা চাইবে আমি আল্লাহ পাক তাই দিব।
[3:00]আল্লাহ পাকের নামের আমল যদি করেন নামের জিকিরের আমল করলে আসমান জমিনের বরকতের সব দরজা আল্লাহ খুলে দিবেন।
[3:09]আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলছেন, আসমান এবং জমিনের যত বরকতের দরজা আছে, সবগুলা বরকতের দরজা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন খুলে দিবেন।
[3:54]আল্লাহ তা'আলা কোরআনুল কারীমের মধ্যে বলছেন, আল্লাহ পাক বলেন বান্দারে শোনো শোনো।
[4:09]ও বান্দা শুনে নাও, যদি তোমরা আমি আল্লাহর নাম গুণবাচক সিফাতি নামগুলা যদি পড়ো আর আমি আল্লাহকে যদি ডাকো, আল্লাহ পাক বলেন,
[4:21]আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন তোমাদের সব চাওয়া সব দোয়া আল্লাহ কবুল করে নিবেন।
[4:29]আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সমস্ত বরকত রহমতের খাজানা খুলে দিবেন, ধন-দৌলত দিয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাকে ধনী বানায়া দিবেন।
[4:39]কোরআন শরীফে আল্লাহ তা'আলা বলছেন বান্দারে আমার খাজানাতে কোন কিছুর অভাব নাই, তোমরা যা চাইবা আমি আল্লাহ পাক তাই দিব।
[4:49]আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দুইটি নাম বড় দামি নাম।
[4:53]কিতাবের মধ্যে পাওয়া যায় আল্লাহপাকের 3000 নাম আছে।
[4:57]1000 নাম আরশে আজিমের মধ্যে লিখে রেখেছেন, আর 1000 নাম আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ফেরেশতাদেরকে দিলেন, ফেরেশতারা এই নামের জিকির করে।
[5:07]আর আরেক হাজার নামের মধ্য থেকে 300 নাম আল্লাহপাক তাওরাতে দিলেন, 300 নাম জাবুরে দিলেন, 300 নাম ইঞ্জিলে দিলেন বাকি রইল 100 নাম।
[5:18]একটি নাম আল্লাহর কাছে খাস ভাবে রেখে দিলেন, বাকি 99 টি নাম নবীজিকে উপহার দিলেন।
[5:25]প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে আমরা পেয়ে গেলাম।
[5:31]এই 99 টি নামের মধ্য থেকে এই দুইটি নাম বড় দামি, ও মা-বোনেরা আমার আমলটি কিভাবে করবেন আমলটি কোন সময় করবেন।
[5:41]আমলটি প্রতি রাতে এশার নামাজের পরে ঘুমানোর আগে এ আমলটি করবেন।
[5:48]অবশ্যই এশার নামাজ পড়তে হবে, কারণ এশার নামাজ পড়লে ভাগ্য খুলে যায় আল্লাহ দোয়া কবুল করেন।
[5:54]রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন উম্মত শোনো শোনো।
[6:00]যদি তোমরা এশার নামাজ পড়ে যদি ঘুমাও এবং ঘুম থেকে উঠে যদি ফজরের নামাজ পড়ো।
[6:09]এই এশা ফজর পড়ার কারণে সারারাত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নফল নামাজ পড়লে যত নেকি হতো তত পরিমাণ নেকি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমলনামায় দিয়ে দিবেন।
[7:50]প্রিয় মা বোনেরা আমার তারপর আপনি এক গ্লাস খাবার পানি নিবেন এক গ্লাস খাবার পানি।
[7:57]সে এক গ্লাস খাবার পানি নিয়ে এসে আপনার বিছানার পাশে বসবেন বিছানায় বসবেন বিছানার মধ্যে বসে আপনি তারপর গ্লাসের পানিটা গ্লাসটা পাশে রাখবেন।
[8:10]প্রথমে এক নম্বরে 11 বার নবীজির প্রতি দরুদ শরীফ পড়বেন।
[8:15]ছোট্ট দুরুদ যে দুরুদ পড়লে নবীজি খুশি হয়ে যান, আল্লাহর কাছে আমাদের জন্য কল্যাণের দোয়া করেন, যেই দরুদ পড়লে দশটি গুনাহ মাফ হয়ে যায় দশটি নেকি পাওয়া যায়।
[8:26]দশটি মর্যাদা আল্লাহ বাড়ায়া দেন, আল্লাহ খুশি হয়ে যান।
[8:30]এই দরুদ শরীফটি এক নাম্বারে 11 বার পড়বেন, সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
[8:42]তারপর এক গ্লাসের পানির মধ্যে 11 বার দুরুদ শরীফ পড়ে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে একবার ফুঁ দিবেন।
[8:48]আমি দেখাচ্ছি আমার হাতে তো গ্লাস নাই আপনারা গ্লাস নিয়ে তারপর পানি নিয়ে আপনারা পড়ে ফুঁ দিবেন এভাবে, দু নাম্বারে 11 বার ইস্তেগফার পড়বেন।
[8:58]আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইক আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইক আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইক।
[9:10]এই ইস্তেগফারটি পড়বেন 11 বার, আল্লাহ ওয়াদা করেছেন আপনার জীবনের গুনাহ মাফ করে দিবেন রিজিক দিয়ে ধনী বানায়া দিবেন।
[9:18]নেক সন্তান দান করবেন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন জান্নাতের নহর থেকে শরবত পান করাবেন।
[9:28]এই ইস্তেগফার 11 বার পড়ে গ্লাসের পানির মধ্যে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে ফুঁ দিবেন করে ফুঁ দিবেন।
[9:37]তারপর আল্লাহপাকের দুইটি নাম প্রত্যেকটা নাম আল্লাহপাকের নাম 10 বার করে পড়বেন, প্রথম নাম্বারে যে যে নামটি আল্লাহপাকের পড়বেন।
[9:49]সে নাম পড়লে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনার রিজিকের দরজা খুলে দিবেন ভাগ্য খুলে দিবেন।
[9:56]আল্লাহ তা'আলা ধন-দৌলত টাকা-পয়সায় প্রচুর বরকত দিবেন অভাব-অনটন দূর হয়ে যাবে ব্যবসা-বাণিজ্যে বরকত হবে সংসারে আয় উন্নতি হবে।
[10:06]সংসারে যারা কামাই রোজগার করে স্বামী ভাই বোন ভাই এবং বাবা সন্তান এবং অনেক পরিবারের মহিলারাও কিন্তু আয় রুজি করে প্রত্যেকের আয় রোজিতে বরকত হবে।
[10:20]সে আল্লাহ পাকের নামটি 10 বার পড়বেন, ইয়া রাজ্জাকু ইয়া আল্লাহ ইয়া রাজ্জাকু ইয়া আল্লাহ ইয়া রাজ্জাকু ইয়া আল্লাহ।
[10:33]এটা পড়ে 11 বার 10 বার পড়ে অথবা 11 বার পড়বেন পড়ে গ্লাসের পানির মধ্যে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে ফুঁ দিবেন করে ফুঁ দিবেন।
[10:44]তারপর দুই নাম্বারে আল্লাহপাকের নামটি পড়বেন যে নাম পড়লে আল্লাহ খুশি হয়ে যায় ইসম আজম।
[10:52]নবীজি বলছেন নাম পরে আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফ চাইবা গুনাহ মাফ পেয়ে যাবা ধন-দৌলত চাইবা ধন-দৌলত পাইবা আল্লাহর কাছে যা চাইবা আল্লাহ তাই দিবেন।
[11:00]সেই নামটি হলো ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম।
[11:13]11 বার পরে গ্লাসের পানির মধ্যে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে ফুঁ দিবেন করে ফুঁ দিবেন।
[11:21]তারপর গ্লাসের পানিটা আপনার বিছানার পাশে রাখবেন গ্লাসটা তারপর আপনি মোনাজাত দিবেন আল্লাহুম্মা আমিন।
[11:28]মোনাজাতের তিনবার পড়বেন ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম।
[11:36]আল্লাহর কাছে তারপরে আপনার গুনাহ মাফ চাইবেন মা-বাবা ভাই-বোন স্ত্রী ছেলেমেয়ে আপনজন আত্মীয়-স্বজন সবার গুনাহ মাফ চাইবেন প্রত্যেকের গুনাহগুলা আল্লাহ তা'আলা মাফ করে দিবেন।
[11:47]তারপর রাব্বুল আলামীনের কাছে খাস ভাবে বিপদ থেকে মুক্তি চাইবেন ঋণ থেকে মুক্তি চাইবেন অভাব-অনটন থেকে জাহান্নাম থেকে আজাব গাজব এক্সিডেন্ট দুর্ঘটনা থেকে মুক্তি চাইবেন প্রত্যেকটা বিপদ আল্লাহ দূর করে দিবেন বিপদ থেকে হেফাজত করবেন।
[12:02]তারপর আপনার কাছে আপনার যা কিছু প্রয়োজন টাকা-পয়সা ধন-দৌলত রিজিক খাবার-দাবার নেক হায়াত নেক সন্তান নেক পরিবার পরকালে জান্নাত চাইবেন প্রত্যেকটা দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন।
[12:14]তারপর আপনার যত চাওয়া আছে প্রয়োজন আছে হাজত আছে আল্লাহকে বলবেন প্রত্যেকটা প্রয়োজন পূরণ করবেন।
[12:21]তারপর যাদের মা-বাবা আত্মীয়-স্বজন কবরবাসী তাদের জন্য ক্ষমা চাইবেন আল্লাহ পাক তাদেরকে ক্ষমা করে জান্নাতবাসী করে দিবেন।
[12:30]এ আমলটা প্রতি সপ্তাহে একবার করবেন প্রত্যেক সপ্তাহে এ আমলটি একবার করবেন।
[12:38]যদি সম্ভব হয় আমার মা-বোনেরা প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে আমলটি করবেন প্রতি রাতে করবেন প্রতি রাতে অবশ্যই আমলটি করবেন।
[12:51]যদি ভুলে যান কমপক্ষে সপ্তাহে একবার হলেও আমলটি করবেন তারপর আপনি এই পানিগুলা তিনটা পদ্ধতিতে ব্যবহার করবেন।
[13:00]এক নাম্বার প্রত্যেকদিন এই পানিগুলা আপনার বাসায় আপনার ঘরের রুমগুলার মধ্যে ছিটায়ে দিবেন।
[13:06]দুই নাম্বার আপনার ঘরের যেই খাবার পানি আছে সেই খাবার পানির মধ্যে মিশিয়ে দিবেন, সেই পানি যেন মিশানো পানির সাথে সবাই যেন সংসারের পানি পান করে।
[13:17]যখন রান্নাবান্না করবেন ভাত তরকারি যে পানি ব্যবহার করেন সেই পানির সাথে মিশিয়ে দিবেন।
[13:23]এইভাবে আমলটি করবেন আমি প্রতি সপ্তাহে বলেছি না প্রত্যেক রাতে আমলটি করবেন প্রত্যেক রাতে আমলটি করে তারপর ঘুমাবেন।
[13:32]আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সবাইকে এই শ্রেষ্ঠ আমলটি করার আল্লাহ পাক তৌফিক দান করুন।



