[0:00]হ্যালো ভিউয়ার্স, যারা ক্লাস নাইনে পড়ছো, আজকে তাদেরকে আমি তাদের বাংলার যে ধীবর বৃত্তান্ত পার্টটা রয়েছে সেখান থেকে আজকে তোমাদের সাজেশন প্রশ্নগুলো বলে দেব। ঠিক আছে? তো দেখে নাও কি কি প্রশ্ন এখান থেকে করতে হবে। খুব ইম্পর্টেন্ট তোমাদের প্রথম ইউনিটের পরীক্ষাতে কিন্তু এই ধীবর বৃত্তান্তের কোশ্চেন থাকবে। ওকে? দেখে নাও। ধীবর বৃত্তান্ত পার্টটি তরজমা করেছে সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী। এটাও কিন্তু পরীক্ষাতে অনেক সময় আসবে। ঠিক আছে? দেখে নিলে? প্রথম প্রশ্ন, অভিজ্ঞান শকুন্তলাম নাটকের কোন অংক থেকে 'ধীবর বৃত্তান্ত' নাট্যাংশটি নেওয়া হয়েছে? দেখো, অভিজ্ঞান শকুন্তলাম নাটকের ষষ্ঠ অংক থেকে 'ধীবর বৃত্তান্ত' নাট্যাংশটি নেওয়া হয়েছে। বোঝা গেল? ধীবর বৃত্তান্ত নাটকটি বাংলায় কে তরজমা করেছিলেন? উত্তর দেখে নাও, সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী। ঠিক আছে? ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে কোন কোন চরিত্রের উল্লেখ পাওয়া যায়? যে বা যারা গল্পটা পড়েছো তারা তো অনায়াসে উত্তর দিতে পারবে। উত্তর দেখে নাও, জানুক ও সূচক নামে দুই রক্ষী, নগরপাল রাজশ্যালক ধীবর। বোঝা গেল? তারপর, মহর্ষি কর্ণের অনুপস্থিতিতে দুষ্মন্ত কী করেছিলেন? দেখো, মহর্ষি কর্ণের অনুপস্থিতিতে দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে বিয়ে করেছিলেন এবং তাকে রেখে রাজধানীতে ফিরে গিয়েছিলেন। এখনো পর্যন্ত যে এই গল্পটা যারা পড়নি তারা কিন্তু অবশ্যই পড়ে রেখো। বা যদি পড়তে ভালো না লাগে বা ভালো ইচ্ছে না করে তাহলে কিন্তু অবশ্যই আমার চ্যানেলে এসে ক্লাস নাইন প্লেলিস্ট ফলো করবে সেখানে দেখবে বাংলার এই গল্পটা আমি খুব সুন্দর করে পড়িয়ে দিয়েছি। দেখে নিও। ভালো লাগবে। গল্পটা না পড়লে কোন প্রশ্নের উত্তর তোমরা কিন্তু ভালো করে উত্তর দিতে পারবে না। ঠিক আছে? মুখস্ত করে কিন্তু এগুলো হবে না। গল্পটা ভালো করে না জানা থাকলে কখনোই মুখস্ত করেও এটা কিন্তু হবে না। ঠিক আছে? তো তারপর দেখো, ঋষি দুর্বাসা যখন তপোবনে এসেছিলেন তখন শকুন্তলার অবস্থা কেমন ছিল? বলছে, ঋষি দুর্বাসা যখন তপোবনে এসেছিলেন তখন শকুন্তলা স্বামীর চিন্তায় মগ্ন থাকার কারণে অন্যমনস্ক ছিলেন। ঋষি দুর্বাসা মানে ঋষি দুর্বাসা কেন অপমানিত বোধ করেছিলেন? আশ্রমে ঋষি দুর্বাসা এলে স্বামীর চিন্তায় অন্যমনস্ক শকুন্তলা তার উপস্থিতি টের পান না। এতে ঋষি দুর্বাসা অপমানিত বোধ করেছিলেন। বোঝা গেলো? এবার তিনি কি অভিশাপ দিয়েছিলেন? দেখো, দুর্বাসা অভিশাপ দিয়েছিলেন যে, যার চিন্তায় মগ্ন থাকার কারণে শকুন্তলা তাকে লক্ষ্য করেনি, তিনি শকুন্তলাকে ভুলে যাবেন। প্রিয়ংবদার অনুরোধে ঋষি দুর্বাসা কী বলেছিলেন? ভেরি ভেরি ইম্পরট্যান্ট প্রশ্ন। দেখো, ঋষি দুর্বাসা বলেছিলেন যে, প্রিয়জন শকুন্তলাকে ভুলে গেলেও কোনো স্মৃতিচিহ্ন দেখালে এই অভিশাপ দূর হবে। ঠিক আছে? সখীরা কোন জিনিসকে ভবিষ্যতের স্মারকচিহ্ন ভেবেছিলেন? অথবা, শকুন্তলার কাছে কোন স্মারকচিহ্ন ছিল? দুষ্মন্ত রাজধানীর উদ্দেশ্যে বিদায় নেওয়ার সময়ে শকুন্তলাকে যে আংটি দিয়েছিলেন তাকেই সখীরা ভবিষ্যতের স্মারকচিহ্ন ভেবেছিলেন। ঠিক আছে? দুষ্মন্ত প্রদত্ত আংটিটি শকুন্তলা কীভাবে হারিয়ে ফেলেছিলেন? শচীতীর্থ স্নানের পরে অঞ্জলি দেওয়ার সময়ে হাত থেকে খুলে জলে পড়ে গিয়ে শকুন্তলার আংটিটি হারিয়ে যায়। মনে থাকবে? শকুন্তলা দুষ্মন্তকে আংটিটি দেখাতে পারেননি কেন? ঠিক এই কারণেই। আংটিটি পড়ে যায় বলে জলের মধ্যে সে জন্য দেখাতে পারেনি। ঠিক আছে? রাজসভায় শকুন্তলা অপমানিতা হয়েছিলেন কেন? দেখো, রাজসভায় শকুন্তলা মানে দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে চিনতে না পারায় শকুন্তলা অপমানিতা হয়েছিলেন। রাজা দুষ্মন্তের শ্যালকের কাজ কী ছিল? নগর রক্ষা করা। ওকে?
[4:19]আমি একজন জেলে। জেলেটির বাসস্থান কী ছিল? জেলেটি তার বাসস্থান শক্রাবতারে বলে জানিয়েছিল। ঠিক আছে? ধীবরের পাওয়া আংটিটি কেমন ছিল? আংটিটি ছিল মণি খচিত এবং রাজার নাম খোদাই করা। ওকে? “আমরা কি তোর জাতির কথা জিজ্ঞাসা করেছি?” বক্তা কখন এ কথা বলেছে?
[4:47]ধীবর যখন বলে যে সে একজন জেলে এবং শক্রাবতারে থাকে, তখনই দ্বিতীয় রক্ষী আলোচ্য মন্তব্যটি করে। পুর্ব চরিত্রটি কীভাবে সংসার চালানোর কথা বলেছে? 'পুর্ব' অর্থাৎ জেলে চরিত্রটি জাল, বড়শি ইত্যাদির সাহায্যে মাছ ধরে সংসার চালানোর কথা বলেছে। “শুনুন মহাশয়, এরকম বলবেন না।”—এখানে কী না বলার কথা বলা হয়েছে? দেখে নাও। এখানে ধীবরটি রাজার শ্যালককে ধীবরের জীবিকা নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ না করার কথা বলেছে। ধীবর চরিত্রটি জীবিকা বিষয়ে কী বলেছে? ধীবরের মতে, যে বৃত্তি নিয়ে মানুষ জন্মেছে তা নিন্দনীয় হলেও তা পরিত্যাগ করা উচিত নয়।
[5:39]ধীবর আংটিটি কীভাবে পেয়েছিল? ধীবর একটা রুই মাছ টুকরো করে কাটতে গিয়ে মাছের পেটের মধ্যে মণিমুক্তায় ঝলমলে আংটিটা দেখতে পেয়েছিল। “এ অবশ্যই গোসাপ খাওয়া জেলে হবে।”—শ্যালক এ সন্দেহ করেছিল কেন? ধীবরের গা থেকে কাঁচা মাংসের গন্ধ আসছিল বলে রাজার শ্যালক এরকম সন্দেহ করেছিলেন। ঠিক আছে?
[6:07]জানুক, এর গা থেকে কাঁচা মাংসের গন্ধ আসছে।”—এখান থেকে বক্তা কোন সিদ্ধান্ত পৌঁছেছিলেন? ধীবরের গা থেকে কাঁচা মাংসের গন্ধ আসায় বক্তা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে, সে নিশ্চয়ই গোসাপ-খাওয়া জেলে।
[6:26]বোঝা গেল? তবে কি তোকে সদ ব্রাহ্মণ বিবেচনা করে রাজা এটা দান করেছেন?”—কোন রাজার কথা এখানে বলা হয়েছে? ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে প্রথম রক্ষীর এই সংলাপে ‘রাজা’ বলতে রাজা দুষ্মন্তের কথা বলা হয়েছে। ঠিক আছে? আপনারা শান্ত হন”—বক্তা কাদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে? এখানে বক্তা নাট্যাংশের প্রধান চরিত্র ধীবর দুই নগররক্ষীকে শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। “আপনারা অনুগ্রহ করে শুনুন।”—কোন কথা বক্তা শোনাতে চেয়েছে? ঠিক আছে? ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে আলোচ্য উক্তিটির বক্তা ধীবর নগররক্ষীদের কাছে নিজের পরিচয় এবং কীভাবে সে রাজার আংটিটি পেয়েছে সে কথা শোনাতে চেয়েছে। ঠিক আছে? ৩০. “ব্যাটা বাটপাড়, আমরা কি তোর জাতির কথা জিজ্ঞাসা করেছি?”—বক্তা আসলে কোন কথা জিজ্ঞাসা করেছিল? উদ্ধৃতাংশে বক্তা দ্বিতীয় রক্ষী আসলে জানতে চেয়েছিল রাজার নাম খোদাই করা মনি খচিত আংটিটি ধীবর কোথা থেকে
[7:46]তা আপনি যা আদেশ করেন”—কোন আদেশের কথা এখানে বলা হয়েছে? ধীবরকে বাধা না দিয়ে যেন আগাগোড়া সব কথা বলতে দেওয়া হয়- এই আদেশের কথাই এখানে বলা হয়েছে। ৩২. ধীবরের কথামতো বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ কখন নির্দয় হয়ে থাকেন? ধীবরের কথামতো বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ যজ্ঞীয় পশুবধের সময় নির্দয় হয়ে থাকেন। ঠিক আছে?
[8:18]১. “আমার হাত দুটো (এখনই) নিষ্পিষ করছে।”—বক্তার হাত দুটো কীসের জন্য নিষ্পিষ করছে? হত্যার আগে ধীবরের গলায় পরানোর জন্য ফুলের মালা গাঁথতে প্রথম রক্ষীর হাত দুটো নিষ্পিষ করছিল। ঠিক আছে? ২. রাজার শ্যালক রাজার কাছ থেকে ফিরে এসে কী বলেছিলেন? ধীবরের কথা সত্য প্রমাণিত হওয়ায় রাজার কাছ থেকে ফিরে এসে রাজশ্যালক ধীবরবে ছেড়ে দিতে বলেছিলেন। ৩. “প্রভু, আজ আমার সংসার চলবে কীভাবে?”—ধীবরের এই সমস্যা কীভাবে মিটেছিল? মহারাজা খুশি হয়ে আংটির সমপরিমাণ অর্থ ধীবরকে দেওয়ায় ধীবরের সংসার চালানোর সমস্যা মিটে যায়। ৪. আংটিটি দেখে রাজার প্রতিক্রিয়া কী হয়েছিল? আংটিটি দেখে কোনো প্রিয়জনের কথা মনে পড়ায় স্বভাবে গম্ভীর প্রকৃতির হলেও মুহূর্তের জন্য রাজা বিহ্বলভাবে তাকিয়ে ছিলেন। ৫. “এ কি, যা তা অনুগ্রহ”—অনুগ্রহের তুলনা হিসেবে সূচক কী বলেছিল? রাজা ধীবরের প্রতি অনুগ্রহকে সূচক ‘শূল’ থেকে নামিয়ে একেবারে হাতির পিঠে চাপিয়ে দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করেছিল। ঠিক আছে? ৬. জেলে তার পারিকোষিকের অর্ধেক অর্থ কী করতে চেয়েছিল? রক্ষীরা ধীবরকে মারার আগে যে ফুলের মালা তার গলায় পরাতে চেয়েছিল, রাজার দেওয়া পারিকোষিকের অর্ধেক অর্থ সেই ফুলের দাম হিসেবে ধীবর দিতে চেয়েছিল। ৭. “প্রভু, অনুগ্রহীত হলাম।”—কীভাবে বক্তা অনুগ্রহীত হয়েছিল? করবে। মহারাজ আংটিটি ফিরে পেয়ে তার মূল্যের সমপরিমাণ অর্থ ধীবরকে দেওয়ায় সে অনুগ্রহীত হয়েছিল। ৮. “মহারাজ এ সংবাদ শুনে খুব খুশি হবেন।”—কোন সংবাদ শুনে মহারাজের খুশি হওয়ার কথা বলা হয়েছে? ধীবরের কাছ থেকে মহারাজের আংটি উদ্ধার করার কথা শুনে মহারাজ দুষ্মন্ত খুশি হবেন বলে রক্ষীরা এই মন্তব্য করেছে। ৯. “আপনি প্রবেশ করুন।”—কোথায় প্রবেশের কথা এখানে বলা হয়েছে?
[10:41]এ ততক্ষণ তোমরা এক নম্বরে প্রশ্ন তো দেখলে এবার দেখেনা দু নম্বর বা তিন নম্বর প্রশ্ন। যার চিন্তায় সে মগ্ন, সেই ব্যক্তি শকুন্তলাকে ভুলে যাবেন”—বক্তা কে? তাঁর এমন উক্তির কারণ কী? এই উত্তরগুলো আমি আর পড়বো না তোমরা জাস্ট উত্তরগুলো এখান থেকে দেখে নিও। ঠিক আছে? তারপরের প্রশ্ন, শকুন্তলা অপমানিতা হলেন রাজসভায়”—শকুন্তলা কে? শকুন্তলারই এই অপমানের কারণ কী ছিল? দেখে নিলে পুরো উত্তর? এই পর্যন্ত পুরো উত্তর শেষ হলো। এরপরের প্রশ্ন, তবে কি তোকে সদ ব্রাহ্মণ বিবেচনা করে রাজা এটা দান করেছেন?—বক্তা কে? মন্তব্যটির কারণ ব্যাখ্যা করো। দেখে নাও পুরো উত্তর। বইটা সরিয়ে তোমাদের পুরো উত্তর তোমাদের সামনে আমি তুলে ধরছি। ঠিক আছে? যেই সমস্ত ভাই বোনেদের কাছে বই নেই চিন্তার কোনো কারণ নেই। ঠিক আছে? ছোট-বড় যে সমস্ত প্রশ্ন হবে প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর তোমরা এখানেই পেয়ে যাবে। তা তোর জীবিকা বেশ পবিত্র বলতে হয় দেখছি। বক্তা কাকে উদ্দেশ্য করে কথাটি বলেছেন? ওই ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া কী ছিল? ওকে?
[12:12]আবারও বলছি যারা এখনো গল্পটা পড়নি তারা কিন্তু অবশ্যই গল্পটা পড়ে নিও তারপর এই প্রশ্নোত্তর দেখো। প্রত্যেকটা উত্তর তোমরা আমার বলার আগেই পেরে যাবে। কিন্তু তার আগে তোমাদের গল্পটা কিন্তু বারবার বলছি পড়তে হবে। আবারও বলছি যদি পড়তে ভালো না লাগে আমার চ্যানেলে এসে ক্লাস নাইন প্লেলিস্ট ফলো করবে সেখানে দেখবে ক্লাস নাইনের বাংলা যে সমস্ত গল্প বা কবিতাগুলো রয়েছে আমি সুন্দর করে বুঝিয়ে দিয়েছি। একবার এসে দেখে নিও। ঠিক আছে? কীভাবে এই আংটি আমার কাছে এল—তা বললাম।”—বক্তা আংটি পাওয়ার প্রসঙ্গে কী বলেছিল লেখো। অথবা, “ঘটনা ক্রমে সেই আংটি পেল এক ধীবর…”—কোন ঘটনা ক্রমে সে আংটিটি পেয়েছিল? ইম্পর্টেন্ট জায়গা করবে। এর পুরো উত্তর ঠিক এই পর্যন্ত শেষ হলো। শুনুন মহাশয়, এরকম বলবেন না”—কোন কথা? কেন বলতে বারণ করা হয়েছে?
[13:17]পাঁচ নম্বরে দেখে নাও শকুন্তলা অপমানিতা হলেন রাজসভায়”—কোন রাজসভার শকুন্তলা অপমানিতা হন? তাঁর অপমানিতা হওয়ার কারণ কী? দেখে নাও পুরো উত্তর। বইটা সরিয়ে তোমাদের পুরো উত্তর আমি দেখিয়ে দিচ্ছি। তো এর পুরো উত্তর তোমাদের ঠিক এই পর্যন্ত শেষ হলো।
[13:42]ঘটনা ক্রমে সেই আংটি পেল এক ধীবর…”—কার আংটি সে পেয়েছিল? আংটি হারিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে ইতিহাসটি আছে তা লেখো। দেখে নাও পুরোটা। খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আমি যেগুলো দেবো তার মধ্যেই তোমরা পরীক্ষাতে কমন পাবে। তাই চিন্তা না করে যেগুলো দিচ্ছি সেগুলো পড়ে ফেলো। ঠিক আছে? মানে পড়ে ফেলো। যে বৃত্তি নিয়ে যে মানুষ জন্মেছে, সেই বৃত্তি নিন্দনীয় (ক্ষুদ্র) হলেও তা পরিত্যাগ করা উচিত নয়।”—কে, কোন্ প্রসঙ্গে মন্তব্যটি করেছে? এখানে বক্তার চরিত্রের যে বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছে তা আলোচনা করো। দেখে নাও পুরো উত্তর।
[14:29]মুহূর্তের জন্য রাজা বিহ্বলভাবে চেয়ে রইলেন।”—কোন সময়ে রাজার এমন বিহ্বল অবস্থা হয়েছিল?
[14:43]মহারাজ এ সংবাদ শুনে খুব খুশি হবেন”—কে, কাকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেছি? সংবাদটা কী ছিল? মহারাজের খুশির কারণ কী? তোমরা এখন উঁচু ক্লাসে উঠেছো, লেখার ধরণটা তোমাদের কিন্তু একটু চেঞ্জ করতে হবে। ঠিক বইয়ে যেভাবে প্যারা করে লেখা রয়েছে, পয়েন্ট গুলো লেখা রয়েছে ঠিক সেভাবেই তোমরা কিন্তু খাতায় এইভাবেই লেখার চেষ্টা করবে। ঠিক আছে? তুমি আমার একজন বিশিষ্ট প্রিয় বন্ধু হলে”—কোন ঘটনার মাধ্যমে এই বন্ধুত্ব স্থাপিত হয়েছিল? দেখে নাও পুরো উত্তর। বইটা সরিয়ে তোমাদের পুরো উত্তর আমি তোমাদের সামনে তুলে ধরছি। এই পর্যন্ত উত্তর শেষ হলো। ধীবর-বৃত্তান্ত নাট্য দৃশ্যে ধীবরের চরিত্রকে যেভাবে পাওয়া যায় তা নিজের ভাষায় লেখো। অর্থাৎ ধীবরের চরিত্রটা তোমাদের নিজের ভাষায় লিখতে বলছে। ঠিক আছে? এটা কিন্তু বড় প্রশ্নের জন্য ইম্পর্টেন্ট করবে। এই পর্যন্তের উত্তর শেষ হলো।
[15:55]নাট্য কাহিনীতে উপস্থিত না থেকে ও রাজা দুষ্মন্ত কীভাবে কাহিনিকে প্রভাবিত করেছেন তা আলোচনা করো। তো এর উত্তর দেখে নাও পুরোটা তোমাদের ঠিক এই পর্যন্ত শেষ হলো। রাজার কাছে ধীবরের পাওয়া আংটিটি গুরুত্ব যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো। দেখে নাও পুরো উত্তর। বইটা সরিয়ে তোমাদের পুরো উত্তর আমি দেখিয়ে দিলাম। ঠিক আছে? তো তোমাদের এই ধীবরের বৃত্তান্ত নাট্যাংশ থেকে বা পাঠ্যটি থেকে তোমাদের এই হলো সাজেশন প্রশ্ন। তো কেমন লাগল প্রশ্নগুলো অবশ্যই কমেন্টে জানিও। ভালো লাগলে লাইক করো বন্ধুদের কাছে শেয়ার করে দিও। যেটা আমি তোমাদের বারবার করে বলছি গল্পটা কিন্তু একবার ভালো করে পড়ে তারপর এই প্রশ্নগুলো দেখো। তাহলে আজকের ভিডিও আমি এখানেই শেষ করছি। দেখা হবে নেক্সট ভিডিওতে। ভালো থেকো সবাই। আর হ্যাঁ, যদি তোমাদের অন্যান্য অন্যান্য যে কোনো সাবজেক্টের কোনো যদি পড়া তোমাদের দরকার পড়ে থাকে অবশ্যই আমাকে সেটা নির্দিধায় কমেন্টে জানিয়ে রেখো। যে তোমাদের কোন সাবজেক্টে কি কি তোমাদের দরকার। ঠিক আছে? তাহলে আজকে এখানেই শেষ করছি।



