Thumbnail for মানুষ জীবনে কী চায়? by Somrat

মানুষ জীবনে কী চায়?

Somrat

4m 24s734 words~4 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Pull quotes
[0:00]আমাদের প্রত্যেকের লাইফে এমন তিনটা জিনিস ঘটবেই যেটা আসলে আমাদেরকে হ্যাপি হইতে দিবে না। এই তিনটা জিনিসকে বলা হয় ট্রাজিক ট্রায়াড়।
[0:10]রিসার্চ বলছে আপনি যদি হ্যাপিনেসকে আপনার লাইফের গোল হিসেবে নেন এবং যেকোনো মূল্যে হ্যাপি হওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে অনেক ক্ষেত্রে আপনি তো আসলে হ্যাপি হতে পারবেনই না বরং এটা আপনার ভেতরে নেগেটিভ ইমোশনস ক্রিয়েট করতে পারে। কেন?
Use this transcript
Related transcript hubs

[0:00]আমাদের প্রত্যেকের লাইফে এমন তিনটা জিনিস ঘটবেই যেটা আসলে আমাদেরকে হ্যাপি হইতে দিবে না। এই তিনটা জিনিসকে বলা হয় ট্রাজিক ট্রায়াড়।

[0:10]হ্যালো এভরিওয়ান। কেমন আছেন সবাই। অস্ট্রিয়ান নিউরোলজিস্ট সিগম্যান ফ্রয়েড বলেছিলেন মানুষের প্রাইমারি মোটিভেশনাল ফোর্স হচ্ছে প্লেজার। অর্থাৎ মানুষ যেন আনন্দ ফুর্তি হ্যাপিনেস চায়। পরবর্তীতে উনারই স্টুডেন্ট এডলার উনার সাথে দ্বিমত পোষণ করেন এবং বলেন মানুষ আসলে পাওয়ার চায়। মজার ব্যাপার হচ্ছে তাঁরও পরবর্তীতে আরেকজন অস্ট্রিয়ান ফেমাস নিউরোলজিস্ট এবং সাইকিয়াট্রিস্ট ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কেল বলেন মানুষের প্রাইমারি মোটিভেশন ফোর্স হচ্ছে মানুষ তার লাইফের মিনিং খুঁজে বের করতে চায়। তাহলে মানুষের জীবনের উদ্দেশ্য আসলে কি হওয়া উচিত? হ্যাপিনেস, পাওয়ার নাকি মিনিং? আমাদেরকে যখন স্কুল-কলেজে এইম ইন লাইফ লিখতে বলা হতো আমরা অনেকেই লিখতাম আমরা ডক্টর বা টিচার হইতে চাই। এমনকি কয়েক বছর আগেও যখন মানুষকে জিজ্ঞেস করা হতো আপনি বড় হয়ে কি হতে চান মানুষ সাধারণত উত্তর দিতো আমি ডক্টর, ইঞ্জিনিয়ার, স্পোর্টসম্যান, বিজনেসম্যান বা চাকরিজীবী হতে চাই। কিন্তু ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন আমাদের কাছে অনেকের কাছেই অনেক ডিফারেন্ট পার্সপেক্টিভ আছে। সো এখন দেখবেন অনেকেই বলে আমার জব আমার ক্যারিয়ার এগুলো আমার লাইফের উদ্দেশ্য না। আমার লাইফের উদ্দেশ্য হচ্ছে আমি আমার লাইফে হ্যাপি হইতে চাই। কিন্তু হ্যাপিনেস কি আসলেই লাইফের গোল হওয়া উচিত? রিসার্চ বলছে আপনি যদি হ্যাপিনেসকে আপনার লাইফের গোল হিসেবে নেন এবং যেকোনো মূল্যে হ্যাপি হওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে অনেক ক্ষেত্রে আপনি তো আসলে হ্যাপি হতে পারবেনই না বরং এটা আপনার ভেতরে নেগেটিভ ইমোশনস ক্রিয়েট করতে পারে। কেন? কারণ আপনার লাইফে আপনার সাথে এমন অনেক কিছু ঘটবে যেগুলোর উপর আপনার কোন ডিরেক্ট কন্ট্রোল নাই। আমাদের প্রত্যেকের লাইফে এমন তিনটা জিনিস ঘটবেই যেটা আসলে আমাদেরকে হ্যাপি হইতে দিবে না। এই তিনটা জিনিসকে বলা হয় ট্রাজিক ট্রায়াড়, সেগুলো হচ্ছে পেইন, গিল্ট আর ডেথ। যেহেতু এই সিচুয়েশনগুলোতে আপনি আসলে হ্যাপি হতে পারবেন না আপনি যদি সিচুয়েশনগুলোতে মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন তাহলে এইটা আপনাকে লাইফের লং টার্ম স্যাটিসফ্যাকশন দিবে। কিভাবে? সেটাই ডিসকাস করার চেষ্টা করব। সো প্রথম পয়েন্টটা হচ্ছে পেইন বা সাফারিং। আমাদের প্রত্যেকের লাইফে এক্সিডেন্ট, রোগ, শোক, ডিপ্রেশন, এনজাইটি এগুলো থাকবেই। সাফারিং এর সবথেকে বড় লার্নিং বা মিনিং হতে পারে কম্প্যাশন। কম্প্যাশন মানে কি? যেহেতু আপনি কোন একটা বিষয় নিয়ে বা ব্যাপার নিয়ে সাফার করছেন আপনি এখন বুঝতে পারবেন যে অন্য একটা মানুষ যখন এই সিচুয়েশন এর ভিতর দিয়ে যায় সে আসলে কি রকম ফিল করে। সো আপনার চেষ্টা থাকবে পরবর্তীতে যখন আপনি অন্য কাউকে সাফার করতে দেখবেন আপনি বেস্ট পসিবল ওয়েতে তাকে হেল্প করার চেষ্টা করবেন। এছাড়া আপনি যখন খুব সাহসিভাবে আপনার লাইফের কোনো একটা সাফারিংসকে ফেস করেন এটা আপনাকে আপনার ভবিষ্যতের জন্য প্রিপেয়ার করে। ওই কোটটা মনে আছে না? হোয়াটএভার ডাজেন্ট কিল ইউ মেকস ইউ স্ট্রংগার। সুতরাং সাফারিং থেকে দুইটা মিনিং পাইতে পারেন আপনি। একটা হচ্ছে কম্প্যাশন আরেকটা হচ্ছে স্ট্রেংথ। সেকেন্ড পয়েন্টটা হচ্ছে গিল্ট। আমরা প্রত্যেকেই আমাদের জীবনে এমন কোন না কোন কাজ করেছি যেগুলোর জন্য আমরা গিল্টি ফিল করি। কিন্তু আমরা যদি মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করি এবং পিছনে রিফ্লেক্ট করি তাহলে দেখবো যে আমরা কেন আসলে ভুলগুলা করেছিলাম এবং কি করলে এই একই ভুলটা ভবিষ্যতে আমরা আরেকবার করব না। আর মানুষ সবথেকে বেশি গ্রো করে কখন জানেন? যখন মানুষ তার ভুল থেকে শিক্ষা নেয়। তাই কোন একটা স্পেসিফিক সিচুয়েশনে শুধুমাত্র মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করে আপনি কিন্তু আপনার গিল্টকে গ্রোথে রূপান্তরিত করতে পারবেন। থার্ড পয়েন্টটা হচ্ছে ডেথ। আমরা সবাই মারা যাব এবং আমাদের আশপাশের যত প্রিয়জন সবাই কোন না কোন দিন মারা যাবে। ব্যাপারটা আসলে খুবই ডিপ্রেসিং। কিন্তু আপনি যদি খুব কেয়ারফুলি একটু চিন্তা করেন তাহলে দেখবেন প্রত্যেকটা মৃত্যু আসলে আমাদেরকে শিখায় যে লাইফ আসলে কতটা ছোট এবং অনিশ্চিত। তাই আমাদের উচিত প্রত্যেকেরই আমাদের নিজেদের লাইফ এবং আমাদের আশপাশের মানুষগুলাকে অ্যাপ্রিসিয়েট করা। এছাড়া আমাদের খুব কাছের কোন একটা মানুষ যখন মারা যায় তখন আমাদের ভেঙে না পড়ে বা ডিপ্রেসড না হয়ে এটা চিন্তা করা উচিত যদি ওই মানুষটা বেঁচে থাকতো ওই মানুষটা আমাকে ঠিক কি রকম একজন মানুষ হিসেবে দেখতে পছন্দ করতো। আমার আসলে ঠিক ওই মানুষটা হওয়ার চেষ্টা করা উচিত যে মানুষটাকে দেখলে সে খুশি হইতো। দেখেন আপনি যদি আপনার লাইফের প্রত্যেকটা সিচুয়েশনে মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন তাহলে দেখবেন মৃত্যুর মত একটা আনএভয়েডেবল সাফারিংস থেকে আপনি লাইফের খুব বড় একটা মিনিং খুঁজে বের করতে পারবেন। আজকের ভিডিওটাতে আমরা শুধুমাত্র তিনটা এক্সাম্পল নিয়ে কথা বললাম। কিন্তু আপনি যদি সবসময় আপনার কাজের বা আপনার সাফারিংস এর মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন তাহলে কিন্তু সেটা লং রানে আপনাকে অনেক স্যাটিসফ্যাকশন এবং ফুলফিলমেন্ট এনে দিবে এবং সেটাই হচ্ছে ট্রু হ্যাপিনেস। তাই আমাদের হ্যাপিনেসের পিছনে না ছুটে মিনিংফুল কাজের পিছনে ছোটা উচিত। সো হ্যাপিনেস ইজ নট দা গোল হ্যাপিনেস ইজ দা বাই প্রোডাক্ট অফ ফাইন্ডিং মিনিং। হ্যাভ এ ভেরি মিনিংফুল নিউ ইয়ার। চেয়ার্স।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript