Thumbnail for হিরন্ময় দার জীবন রক্ষা | পাগলা হাতির মতো ট্রাক ছুটে এসে ধাক্কা মারে | শ্রী শ্রী ঠাকুরের দয়ার কথা। by Shree Goutam Satsang Channel

হিরন্ময় দার জীবন রক্ষা | পাগলা হাতির মতো ট্রাক ছুটে এসে ধাক্কা মারে | শ্রী শ্রী ঠাকুরের দয়ার কথা।

Shree Goutam Satsang Channel

6m 27s651 words~4 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Use this transcript
Related transcript hubs

[0:08]জয় গুরু প্রণাম আমি শ্রী গৌতম আমার অমৃত কথা চ্যানেলে আপনাদের সকলকেই স্বাগত। প্রিয় পরমেন কাছে আপনাদের সকলের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি। আজকের আলোচনা পর্বটি আরম্ভ করছি। প্রিয় পরম দয়াল ঠাকুর শ্রী শ্রী অনুকূলচন্দ্রের দিব্যলীলা কথা। ভক্ত ভগবানের কথা। তাকে যে আশ্রয় করে, তাকে যে গ্রহণ করে, তাকে যে বরণ করে, তাকে রক্ষা করার কথা আজ আপনাদেরকে শোনাবো। প্রিয় পরমের একনিষ্ঠ ভক্ত সৎসঙ্গী। ছোটবেলা থেকেই শ্রী ঠাকুরের সৎ নাম পেয়েছেন। ডক্টর হিরন্ময় পাল দা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে প্রতিটি সংঘর্ষের সময় তিনি ঠাকুরকে সঙ্গে রেখেছেন। মনের প্রাণে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে যজন যাজন ইষ্টভৃতি পালন করেছেন। তাই উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্যে এমআরসিপি কোর্স করার জন্যে তিনি লন্ডন শহরে পাড়ি দিলেন। লন্ডনে তিনি মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করতে লাগলেন। কিন্তু ঠাকুরকে তিনি ভুলেননি। ঠাকুরকে তিনি এক মুহূর্তের জন্য দূরে রাখেননি। সদা সর্বদা তিনি ঠাকুরকে সঙ্গে নিয়ে চলেছেন। তার অন্তরের অন্তস্থল থেকে সে দিব্য নাম অহর নিশি জপ চলতে থাকে। তার অজ্ঞাতসারেই শয়নে স্বপনে জাগরণে সে নাম অন্তরের অন্তস্থলে জপ চলতে থাকে। তাই কঠোর পরিশ্রম করে পড়াশোনা করে তিনি তার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন, সফল হলেন। তারপরে কিছুটা সময় অবসর বিনোদনের জন্য তিনি তার আর দুই সঙ্গীর সাথে লন্ডন শহর পরিদর্শনের জন্য। একটা গাড়িতে এক বন্ধু গাড়ি চালাচ্ছেন আর এক বন্ধু বসে আছেন আর হিরন্ময় পাল দা সঙ্গে। তিনজন ছুটে চলেছেন লন্ডন শহর পরিদর্শনের জন্য। হঠাৎ কোথা থেকে চোখের পলকেই এক পাগলা হাতির মত দুরন্ত ট্রাক ছুটে এলো। ভারসাম্য হারিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরেই স্বজোরে মুখোমুখি ধাক্কা মারে। আর সেই ধাক্কার আঘাতে সহ্য করতে না পেরেই তাদের গাড়িটি হাওয়ায় ওড়ার মতন উড়ে গিয়ে দুমড়ে মুছড়ে একপাশে পড়ে থাকে। সঙ্গে সঙ্গেই গাড়ির মধ্যে থাকা তার দুই বন্ধু মৃত্যুবরণ করেন। তাদের রক্তাক্ত দেহ ক্ষতবিক্ষত দেহ চোখের সম্মুখে দেখে হিরন্ময় পাল দা কিছু সময় সংজ্ঞায় হারিয়ে ফেললেন। অজ্ঞান হয়ে পড়লেন সকলে যখন তাকে টেনে হিঁচড়ে বের করল। হাসপাতালে নিয়ে গেল ডাক্তাররা চেক করে বললেন। ইনার দেহে এখনো প্রাণ আছে। আর শুধু প্রাণই নয়, ইনি অক্ষত অবস্থায় আছে। আশ্চর্যজনকভাবে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় যেখানে তার দুই সঙ্গী বন্ধু। ক্ষতবিক্ষত হয়ে রক্তাক্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। আর সে একই গাড়িতে থাকা মানুষ কিভাবে অক্ষত অবস্থায় রক্ষা পেয়ে গেলেন। সকলের ভাবনা চিন্তার অগম্য। অল্প কিছু সময় চিকিৎসার মধ্যেই তার জ্ঞান ফিরে আসে। জ্ঞান ফিরে আসার সঙ্গেই দুচোখ মেলে তাকিয়ে দেখলেন তিনি হাসপাতালে রাইসুতে আছেন। ডাক্তার তাকে ঘিরে ধরেছেন। এই অসম্ভব কি করে সম্ভব হলো? তাই জানার উৎসুকতায় তারা ব্যাগ্র হয়ে রইলেন। কিন্তু হিরন্ময় পাল দার ভিতরে তখনও ঠাকুরের সে নাম অজপ নাম জপ হতে থাকে। স্মৃতি স্মৃতিকে জাগাতে থাকে। ঠিকই যেমনভাবে ধেউ ধেউকে জাগিয়ে তোলে। কিন্তু অজ্ঞ মানুষ প্রবৃত্তি বশীভূত মানুষ সে কথা বুঝতে পারে না। আর বুঝতে পারে না বলেই তারা এমন আশ্রয় কে এড়িয়ে চলে, তার থেকে দূরে থাকে। কেননা তিনিই পারেন মানুষের দুর্পাকে বিপর্যয়ের সময় যখন কেউ পাশে থাকে না। কেউ রক্ষা করতে পারে না, তার সেই প্রশস্ত দৃঢ় শক্ত হাত রক্ষার জন্য তৎপর হয়ে ছুটে আসে। মুহূর্তের মধ্যেও চকিতে আকস্মিকভাবে এমন অলৌকিক কিছু ঘটে যায়। যেমন হিরন্ময় পালদার সাথে ঘটে গেল। মুহূর্তের মধ্যেই কোন এক অসম্ভব ঘটনায় তার প্রাণটা রক্ষা পেয়ে গেল। পরে ডাক্তার বাবুরা চিকিৎসা করার জন্যে যখন তার পোশাক পরিবর্তন করা চলছিল। হঠাৎ তার বুক পকেট থেকে একটি ছবি পাওয়া যায়। ছবিটি আর কারো নয় তারি গুরুদেব পুরুষোত্তম সৎগুরু শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র। হিরন্ময় পাল দা স্বাভাবিকভাবে সদা সর্বদা শ্রী শ্রী ঠাকুরের একটি ফটোকে ছবিকে তার জামার বুক পকেটে রেখে দিতেন। সেদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ডাক্তাররা থাকতে লাগলেন। তাহলে কি এই কারণে সে রক্ষা পেয়ে গেল? এই ছবির শক্তি কি তাকে প্রাণে বাঁচিয়ে দিল? অকাল মৃত্যুর হাত থেকে তাকে রক্ষা করে দিল। যে যাই ভাবুক বিধির বিধান সে অলৌকিক থেকে কি না করতে পারে। আমরা শুধু একটু বিশ্বাস করতে পারি একটু ভক্তি করতে পারি আর তার সঙ্গে একটা প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করতে পারি। ব্যাস এটুকুই। তাইতো প্রিয় পরম তার দিব্য সুন্দর বাণীতে বলেছেন, যজন যাজন ইষ্টভৃতি মহান ভয় ত্রাণার নীতি। যজন যাজন ইষ্টভৃতি বিপাক কারণ বজ্রনীতি। এ কথা বলে প্রিয় পরমের কাছে আরেকবার আপনাদের সকলের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি। আজকের মতো আলোচনা পর্বটি এখানে সমাপ্ত করছি। সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আনন্দ থাকুন। আর চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে সঙ্গে থাকুন।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript