Thumbnail for F-Commerce থেকে E-Commerce এ জেতার ৬টা ধাপ | বেশিরভাগই এখানে আটকে যায় | Tanmoy Dutta by Tanmoy Dutta

F-Commerce থেকে E-Commerce এ জেতার ৬টা ধাপ | বেশিরভাগই এখানে আটকে যায় | Tanmoy Dutta

Tanmoy Dutta

17m 15s2,851 words~15 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Pull quotes
[0:00]ডান। সেকেন্ড পয়েন্টটা হচ্ছে যে 24/7 Availability। এখন অনেকে বলতে পারে, “ভাই আমার তো টাকা আছে আমার অফিসে আমি দুইটা ছেলেরে সারারাত অর্ডারের জন্য বসিয়ে রাখি।” বাট ইজ ইট সাসটেইনেবল?
[0:00]আমার সাথে যদি আপনি ব্যাক এন্ড ফোর্থ মেসেজ করেন আমি বিরক্ত হব। আমি ইভেন চাই আমার বাসার সামনে যেন প্রোডাক্টটা কেউ রেখে চলে যায়, আমি কথা বলতে চাই না কারোর সাথে। তো এর মানে কী?
[0:00]এবার ঐটা নিয়ে আমার কাজ শুরু করতে হবে। এজ আ মার্কেটার আমি খুঁজবো ঠিক আছে CRO দেখব। মানে Conversion Rate Optimization। আদৌ কি ওয়েবসাইটে ল্যান্ডিং পেইজটা কি অনেক স্লো কেন চলে যাচ্ছে?
[0:00]এই রেশিওগুলো আমি ক্যালকুলেট করার জন্য আমার যদি ওয়েবসাইট-ই না থাকে তাহলে আমি কিভাবে কি করব?
Use this transcript
Related transcript hubs

[0:00]আপনার যদি একটা ফেসবুক পেইজ থাকে এবং সেটা দিয়ে আপনি বিজনেস করছেন বা নিজের কোনো সার্ভিস প্রোভাইড করছেন, আজকের ভিডিওটা আপনার জন্য। আজকে আমরা কথা বলব কেন 2025-26 সালে এসে আপনার একটা ল্যান্ডিং পেইজ, স্পেশালি একটা ওয়েবসাইট থাকা ইজ মোর দ্যান ম্যান্ডেটরি। এই বিষয়ে গত কয়েকদিন আগে আমার সাথে ওমন স্যারের কথা হচ্ছিল। ওমন শরীফ ইবনে হয়, আপনারা সবাই চেনেন হয়তো। তো উনি একটা ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট বলছিলেন, সেটা হচ্ছে বর্তমানে বাংলাদেশে 6.4 মিলিয়ন শপস আছে SMEs (Small and Medium Enterprises)। সেখান থেকে মাত্র 5 লাখ মতো মানে হাফ মিলিয়ন ফেসবুক পেইজ আছে যারা F-commerce এবং মোটামুটি 4 হাজার সামথিং E-commerce Businesses আছে যার মধ্যে একটিভ, রেগুলারলি কাজ করতেছে। মোটামুটি সবাই চেনে এমন 50 থেকে 100 E-commerce Businesses আছে। এখন আপনি অনলাইনে একটা বিজনেস শুরু করেছেন আপনার মেইন উদ্দেশ্য আসলে কী হওয়া উচিত? আপনার মেইন উদ্দেশ্য অবশ্যই হওয়া উচিত যেন আপনি একটা Recognizable Online Brand হতে পারেন। আজকের এই ভিডিওতে আমি আট-নয়টা পয়েন্ট দিয়ে প্রমাণ করব যে কেন এই জিনিসটা আপনার করা উচিত। কারণ অনেক মানুষের কিন্তু আসলে অ্যাওয়ারনেসটা থাকে না। যেহেতু বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত উই আর অল হাংরি ফর মানি। আমাদের আসলে পেট চালানোর জন্য, আমাদের সংসার চালানোর জন্য, আমাদের লিভিং-এর জন্য উই নীড মানি। তো এজন্য আমরা অনলাইনে একটা বেসিক বিজনেস ক্রিয়েট করে 20-30 হাজার টাকা ফেসবুক অ্যাডের মাধ্যমে আর্ন করতে পারি মাসে, সেখান থেকে অনেকে 1 লাখ টাকাও চলে যাচ্ছে। বাট দ্যাট ইজ নট সাসটেইনেবল। ইউ আর অলওয়েজ ডিপেন্ডেন্ট অন সাম আদার প্ল্যাটফর্ম। এটা আমাদের চেয়ে বেশি মনে হয় কেউ জানে না। আমরা 500-600 মিটিং করেছি আফটার Andromeda changes happened in Facebook। বেশিরভাগ মানুষই আসলে কোপ আপ করতে পারছে না। যার কনভারশন আগে $1.26 ছিল সে এখন $7.30-এর অ্যাড চালাচ্ছে। আরও ডলার দিচ্ছে, মোটামুটি তার বিজনেসের বাজে অবস্থা। তো এইজন্যই আসলে আমি ল্যান্ডিং পেইজ এবং ওয়েবসাইট নিয়ে কথা বলব। তো প্রথম পয়েন্টটা হচ্ছে যে আপনি যখন একটা ওয়েবসাইট বানাচ্ছেন ভার্সেস আপনি ফেসবুক-এ শুধুই মাত্র আছেন, আপনার ওয়েবসাইট ফার্স্ট যদি আপনি হতে পারেন আপনি কিন্তু Credibility এবং Branding-এ অন্য 10টা কম্পিটিটরের থেকে অটোমেটিক্যালি চলে যেতেন। আমি অনেকগুলা পডকাস্টে সব জায়গাতে আমি এই ওয়ার্ডটা বারবার বলছি। ওয়ার্ড নো না এটা একটা এক্সপ্রেশন। কারণ আমার ভিডিও দেখে অনেকেই কিন্তু আসলে একজন ওয়েবসাইট বানানোর একটা ভালো Reliable Company খুঁজবেন। আমাকে রিসেন্টলি Storex-এর টিম থেকে রিচ আউট করেছিল। আমি ওদের ফিচারগুলো দেখলাম এন্ড ওদের টিমের সাথে কথা বলে মনে হলো বর্তমানে তারা খুব Aamazing কিছু কাজ করছে। তো Storex-এর মাধ্যমে আপনি যদি ওয়েবসাইট বানান বা আপনি যদি ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করেন, তাহলে আপনার বেশ কয়েকটা Advantage পাবেন। এক নম্বর হচ্ছে অনেকে Fake order নিয়ে ঝামেলায় পড়েন। তো ওদের Anti-fraud detector আছে। কোনো একটা IP থেকে রেগুলারলি ফেক অর্ডার হচ্ছে, সো ওরা ওইটাকে চেষ্টা করবে একদম প্রপারলি দেখে ব্লক করার। একজন নরমাল বিজনেস ওনার যে খুব বেশি টেকনিক্যাল না সেও কিন্তু চাইলে এখন আর ডেভেলপার-এর পিছনে না ঘুরে ঘুরে নিজেই সবকিছু করতে পারবে। একদম কুরিয়ার-এর ডেটা পাঠানো থেকে শুরু করে একদম ল্যান্ডিং পেইজ-এর 30টার বেশি টেম্পলেট আছে, একদম ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ দিয়ে নিজে সবকিছু করতে পারবে। এবং টিম ম্যানেজ করার জন্য আছে Employ Assessment ফিচার। আরেকটা কথা না বললেই নয়, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চাহিদার যেটা, CAPI (Conversions API) Conversion API বা Facebook Server-Side Tagging। এটার জন্যও ওদের টিম আপনাকে ডেডিকেটেড সাপোর্ট দিবে। এমন যদি হয় যে কোনদিন Facebook-এর সার্ভারটা বন্ধ আছে, সেদিনও আপনি একদম কাস্টমারের পুরো ডেটা নিতে পারবেন। জানতে পারবেন, বুঝতে পারবেন কে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করেছিল। আপনার ওভারঅল বিজনেসের ROI (Return on Investment)-ও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি যদি স্মার্টভাবে আপনার বিজনেসকে স্কেল করতে চান তাহলে Storex ইউজ করতে পারেন। এবং ডিস্ক্রিপশন-এ দেওয়া আমার লিংক ইউজ করে আপনি যদি Tanmoy নামটা ওদেরকে বলেন তাহলে হয়তো আপনি কোন একটা বেটার ডিল পাবেন। তো lets get back to the video. Gargantuan Competitive Advantage মানে হচ্ছে এমন একটা এডভান্টেজ পাওয়া যেটা আসলে অন্য কেউ করতে পারবে না। কথার কথা আপনার বিজনেসে আপনি যদি আজকে অমিতাভ বচ্চন বা জয়া আহসান, শাহরুখ খান বা অনন্ত জলিল এরকম কাউকে যদি Brand Ambassador আজকে থেকেই নিতে পারেন। আপনি অলরেডি এমন কিছু করে ফেলেছেন যে অন্য আরও 10টা বিজনেস করতে পারছে না। বা আপনার কন্টেন্ট ক্রিয়েশন-এর জন্য আপনি একটা ছোট্ট স্পেস-এ স্টুডিও টাইপের বানিয়ে ফেলেছেন। ওই স্টুডিও থেকে আপনি অনেক ভিডিও প্রোডাকশন রেগুলার করছেন। এটা যদি আপনি করে ফেলতে পারেন তাহলে আপনি অলরেডি এমন কিছু করে ফেলেছেন আপনার অনলাইন বিজনেসের জন্য যেটা আরও বেশিরভাগ মানুষ করতে পারছে না। আপনি এমন কিছু করছেন কথার কথা আপনার বিজনেসে আপনি যেমন গতকালকে হচ্ছে প্রলয় হাসান ভাই একটা বিজনেস কেইস স্টাডি বলছিল যেখানে একটা কোম্পানি একটা টি-শার্ট বিক্রি করছে। নিচে লেখা, “Don't buy this T-shirt if you already have one” তো আপনি এমন একটা কিছু করছেন যেটা আসলে অন্য কেউ কল্পনাও করতে পারছে না। ওয়েবসাইট কিন্তু এমন একটা বিষয়। কারণ দেখবেন যে বেশিরভাগ F-commerce-এর কিন্তু আসলে ওয়েবসাইট নাই। আপনি যদি এটা করতে পারেন অলরেডি আপনি আগিয়ে থাকবেন Branding-এর ক্ষেত্রে। মানুষ আপনাকে বলবে না যে, “এই পেইজ থেকে নিছিস? এ ওদের এই ওয়েবসাইট থেকে নিছিস এটা ডিফারেন্ট। কেউ কি আপনাকে বলবে, “চালডাল-এর পেইজ থেকে কিনছে” বা “দারাজ-এর পেইজ থেকে কিনছে” না। “দারাজ-এর ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখ আছে কিনা” বা “চালডাল-এর ওয়েবসাইটে যেয়ে পাবি, চালডাল-এ পাবি”। কেউ কিন্তু বলে না। ইদার তারা অ্যাপ-এর কথা বলে অথবা ওয়েবসাইটের কথা বলে। ক্লিয়ার? ডান। সেকেন্ড পয়েন্টটা হচ্ছে যে 24/7 Availability। এখন অনেকে বলতে পারে, “ভাই আমার তো টাকা আছে আমার অফিসে আমি দুইটা ছেলেরে সারারাত অর্ডারের জন্য বসিয়ে রাখি।” বাট ইজ ইট সাসটেইনেবল? না। অনেক হাই ভ্যালু কাস্টমার আপনার অনেক রাত জাগে বা তারা অনেক সকালে নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে ওঠে। তো তাদেরকে যদি আপনার অর্ডার করাতে হয় বা অনেক মানুষ যেটা হয় যে আমি কি কি কিনব কার্টে এড করে রাখলাম রাতের বেলা যখন ঘুমানোর আগে রাত দেড়টা দুইটার সময় আমি অর্ডারটা প্লেস করব। তখন যদি আপনি মেসেজ ক্যাম্পেইন চালান সে কি আপনার সাথে ব্যাক এন্ড ফোর্থ মেসেজ করতে চাবে? আমার সাথে যদি আপনি ব্যাক এন্ড ফোর্থ মেসেজ করেন আমি বিরক্ত হব। আমি ইভেন চাই আমার বাসার সামনে যেন প্রোডাক্টটা কেউ রেখে চলে যায়, আমি কথা বলতে চাই না কারোর সাথে। তো এর মানে কী? অনেক হাই ভ্যালু যাদের টাকা আছে এমন মানুষজন চায় না হিউম্যান ইন্টারঅ্যাকশন অত বেশি। আবার অনেকে আছে ধরেন মেকআপ টাইপের জিনিস কিনতেছে বা কোনো একটা ফাউন্ডেশন কিনতেছে ওরা কিন্তু কি হয় আরও রিলায়েবিলিটি চায়। “আপু ভালো হবে তো?” “আপু আরেকবার বলতেছি এটা আমার স্কিন-এ কোনো প্রবলেম হবে না তো?” “আপু এই সিরামটা এরকম হবে তো?” ওই ক্ষেত্রে কিন্তু তারা আবার কথা বলতে পছন্দ করে। বাট আমি যেটা বলছি যে আপনি যখন একটা ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করছেন এবং ওখানে যদি আপনার কথার কথা SSL কমার্স থাকে বা পেমেন্ট করার কোনো একটা অপশন থাকে। অনেক মানুষ কি করবে ক্লিক ক্লিক ক্লিক যাবে পেমেন্ট করবে চলে যাবে তখন লিখে দিবে ওকে প্লিজ কিপ ইট অন মাই ডোরস্টেপ। দ্যাটস ইট। তো আপনি এই 24/7 এই জিনিসটা কিন্তু ওয়েবসাইট থাকলে পাবেন। থার্ড হচ্ছে যে ওয়েবসাইট অনেক সস্তা (Websites are Cheap)। আপনার তো আসলে অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হবে না। একটা ওয়েবসাইট আপনার সিঙ্গেল পয়েন্ট অফ ফেইলিয়ার না SPF যেটাকে বলে। সো যেকোনো একটা বিজনেসের ওয়ান অফ দ্যা বিগেস্ট প্রবলেম হয় যখন একটা স্পেসিফিক প্রোডাক্ট বা যেকোনো একটা জিনিস সিঙ্গেল পয়েন্ট অফ ফেইলিয়ার হয়ে যায়। মানে এইটা যদি কাজ না করে কোনো কিছু কাজ করবে না। ফেসবুক পেইজ কিন্তু কাইন্ড অফ এরকম। এই যে Andromeda-এর কারণে অনেক মানুষ কান্নাকাটি করতেছে। অনেক মানুষ দেখবেন আপনার ফেসবুক-এ লিখতেছে এই গ্রুপে ঐ গ্রুপে লিখতেছে। কারণ কি? তাদের ওই ফেসবুক পেইজ-এ মেসেজ ক্যাম্পেইন ও সিঙ্গেল পয়েন্ট অফ ফেইলিয়ার। নাম বলব না বাংলাদেশের একটা খুবই শীর্ষস্থানীয় আচ্ছা বলে বোঝা যাবে। তো শীর্ষস্থানীয় একটা ব্র্যান্ড যারা শুধুমাত্র মেসেজ ক্যাম্পেইন-এ চলতো তাদের একটা ওয়েবসাইট আছে বাট দে ওয়ার নট ডুইং এনাফ উইথ দা ওয়েবসাইট। তাদের ওনার-এর সাথে আমার কয়েকটা মিটিং হয়েছে এন্ড আমি তখন যখন বুঝালাম যে কেন একটা ওয়েবসাইট থাকা উচিত তখন সে লিটারেলি অবাক হলো যে আসলে ভাইয়া এত ডিটেইলস তো জানতাম না আমি। আমার তো মোটামুটি রেভিনিউ আসছিল বাট এখন খারাপ আসছে বলে আমি আপনাকে খুঁজে বের করেছি। তো ওয়েবসাইট ইজ ভেরি ইম্পর্টেন্ট। নেক্সট পয়েন্টটা হচ্ছে সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট সেটা হচ্ছে Facebook Pixel (Data Control & Retargeting)। Conversion API বা Facebook Pixel আপনাকে হেল্প করে যখন আপনি ওটা মোটামুটি আপনার ওয়েবসাইটের ব্যাক এন্ডে মানে কানেক্ট করিয়েছেন টু আন্ডারস্ট্যান্ড যে কে আপনার কাস্টমার। আপনি যখন ও ডেটাটাকে ফিট করাচ্ছেন তখন সে বুঝতে পারে যে একে আমি একটা দেখাবো ওকে আমি একটা দেখাবো না। একে দেখালে এটা হবে ওকে দেখালে এটা হবে না। আচ্ছা ঠিক আছে ও Conversion লেভেলে এই ভ্যালুটা এভাবে এড করে দিচ্ছে। এর মানে এই কাস্টমারগুলো ভ্যালুয়েবল কাস্টমার এরা ভ্যালুয়েবল না। সার্ভার সাইট বা ব্রাউজার সাইট দুটোই করছে Custom Events তৈরি করেছে সাথে হচ্ছে Standard Events-ও তৈরি করেছে। তাহলে যেটা হবে আমরা না এক্সাক্টলি বুঝতে পারবো ইভেন্টের মাধ্যমে যে আসলে কি হচ্ছে। যেমন আমি একটা মেট্রিক্স মাঝে মাঝে দেখি। There is a term called unique outbound click and there is another term called landing page view. And there is another term called bounce rate. There is another term called your video has been watched by 100%. সো আমি দেখি কারা কারা আমার ভিডিও 100% দেখেছে এবং কতজন আমার এখানে ইউনিক আউটবাউন্ড ক্লিকে ক্লিক করেছে। মানে কতজন আমার সিটিএ বাটনে ক্লিক করে এটলিস্ট বের হয়েছে। তারপর দেখি কতজন আমার ওয়েবসাইটে ল্যান্ড করেছে। ওয়েবসাইটে ল্যান্ড করেছে ধরেন 126 জন। আমার এখানে ইউনিক আউটবাউন্ড ক্লিক 200 জন। 200 জনের মধ্যে থেকে 126 জন গেছে। মানে কী মাঝখানে এতজন যায়নি কেন? এবার ঐটা নিয়ে আমার কাজ শুরু করতে হবে। এজ আ মার্কেটার আমি খুঁজবো ঠিক আছে CRO দেখব। মানে Conversion Rate Optimization। আদৌ কি ওয়েবসাইটে ল্যান্ডিং পেইজটা কি অনেক স্লো কেন চলে যাচ্ছে? এটা কি কোনো অন্য কারণে হচ্ছে বা ডিজাইন ভালো না? তো আমি তখন ওই প্রবলেমটা সলভ করার চেষ্টা করব। নেক্সট হচ্ছে ওই যে 126 জন গেল এদের মধ্যে কতজন আসলে আগে আমার ভিডিওটা 100% দেখছিল। আচ্ছা এমন কি হয়েছে যে অনেক মানুষ 100% না দেখেই আমার ভিডিওতে ক্লিক মানে ল্যান্ডিং পেইজে ক্লিক করেছে? তাহলে কি আমাদের ভিডিওটা আরও শর্ট করা উচিত যে পুরোটা মানুষ দেখতে পারতেছে না? এই রেশিওগুলো আমি ক্যালকুলেট করার জন্য আমার যদি ওয়েবসাইট-ই না থাকে তাহলে আমি কিভাবে কি করব? আমরা Top-of-Mind Awareness Campaign আগে চালাইতাম ভিডিও ভিউ। এখন আমার ভিডিও ভিউ চালাই সাথে একটা CTA বাটন Call-to-Action বাটন দিয়ে দেই। তাহলে সুবিধা যেটা হয় অনেক মানুষ ওখানে ক্লিক করে। ক্লিক করলে তারা অলরেডি ওয়েবসাইটে ল্যান্ড করে। ল্যান্ড করে মেবি Add to Cart করে মেবি একটু দেখে। দেখে বলে, “ঠিক আছে আজকে তো 18 তারিখ। 20 তারিখ 25 তারিখ 26 তারিখে বা 1 তারিখে আমি বেতন পেয়ে তারপরে কিনব।” 1 তারিখে যদি আমি তাকে একটা অ্যাড না দেখাতে পারি ও তো ভুলে যাবে। বিকজ ওর ব্রেইন তো কোটি কোটি জিনিস নিয়ে চিন্তা করতেছে। আমি জানিনা আমি কতটুকু বুঝাতে পারতেছি। সো আপনারা যারা ওয়েবসাইট নাই তারা তো এটা মিস করতেছেন। If you don't have a website then আপনি পুরো SEO (Missing the power of SEO) জিনিসটাই তো আপনার জন্য হবে না। আপনারা অনেকে E-commerce ওয়েবসাইট চালাতে চাচ্ছেন হোম অ্যাপলায়েন্স এটা ওটা দিয়ে। এন্ড আপনাদের একটা ব্লগ সেকশন নাই। আপনার যদি ব্লগ সেকশন থাকে এন ওখানে যদি আপনি রেগুলার হোম অ্যাপলায়েন্স নিয়ে কয়েকটা ব্লগ লেখেন। তাহলে যেটা হবে কেউ যখন AI-তে সার্চ দিবো ওকে “I am moving to Mahakhali or like some Rampura in Dhaka.” “I was in Khulna, I would like to understand” Chat GPT বা এরকম জায়গায় কিন্তু মানুষ রিসার্চ করে এখন এভাবে। “I would like to understand what are the other companies online are trustable and have all this home appliance product.” আর আপনার যদি ব্লগ সেকশন রেগুলারলি আপনি আপডেট করেন, রেগুলারলি আর্টিকেল দিচ্ছেন এবং আপনি মোটামুটি ওয়েবসাইটেও বেসিক একটা গুগল অ্যাড চালাচ্ছেন। সবকিছু মোটামুটি ঠিক আছে আপনার কি মনে হয় না আপনি AEO-তে আসবেন? AEO মানে Answer Engine Optimization। মানে আপনাকে কি তখন দেখাবে না ওই ওখানে ওয়েবসাইটে বলবে, “ইয়েস দিস আর দা টপ ফাইভ। ওকে দিস দিস দিস দিস।” এখন সোর্স-এ ক্লিক করবেন দেখবেন আপনার ওয়েবসাইটের ব্লগ সেকশন। এটা অনেকে হয়তো শুনে ভাবছেন, “ভাই এগুলা তো বুঝতাম না এতদিন।” বুঝতেন না সো ইউ নীড টু স্টাডি। ইউ নীড টু স্টাডি এন্ড দ্যান ওয়ার্ক অন দিস থিংস রাইট। ডেটা ট্র্যাকিং-এর কথা বলেছি এবং এটা বলেছি। তো এই ফিচারগুলো আপনাকে যখন নিতে হবে বা নিতে চান তখন এই জিনিসগুলো বুঝতে পারবেন। There is something called UTM (UTM Tracking in Action)। মানে আপনি যখন একটা লিংক প্রোমোট করছেন ফেসবুক অ্যাড-এর মাধ্যমে বা গুগল অ্যাড-এর মাধ্যমে লাস্টে আপনি একটা স্পেসিফিক লিংক দিতে পারেন। ওই লিংকটা দিয়ে আপনি Google Analytics-এ দেখতে পারবেন যে আদৌ আমার এই স্পেসিফিক ক্লিকটা কতজন ভিজিট করেছে। এখান থেকে যদি আপনি রেভিনিউ সেট করে দিতে পারেন কতজন কত টাকার প্রোডাক্ট কিনেছে আমাকে। অনেক সময় ফেসবুকেও ভ্যালু লেভেল করা যায় বাট ওটার চেয়েও GA4 (Google Analytics 4)-এরটা গুগল অ্যানালিটিক্স ফোর ওখানে আপনি যেকোনো একজন ট্র্যাকিং এক্সপার্টকে 4000 5000 টাকা বা 10000 টাকা দিলে সে প্রপারলি আপনাকে করে দিবে। আপনি দেখতে পারবেন এন্ড তখন আপনি ওখান থেকে ডিসিশন নেওয়া উড বি ভেরি ইজি। If you don't know how to read data you are missing out on many things. আমি মনে আছে আমার এমন বড় বড় কয়েকটা বিজনেস যারা অফলাইনে অনেক সেল করতেছে। বাট তারা এখনো পর্যন্ত রশিদ মেইনটেইন করে। They don't have a data tracking system, they don't have a software। তারা কখনোই Excel-এ যে একটা Chart বানিয়ে বোঝে না যে ওকে শীতকাল আসলে আমার এই প্রোডাক্টের চার্ট এরকম বাড়ে গরমকাল আসলে এরকম বাড়ে। ওরা ওই সেম টাইপের প্রোডাক্টই নেয়। মাসে 4 লাখ টাকা হচ্ছে ঠিক আছে আমার দেড় লাখ থাকতেছে এমপ্লয়ি বেতন দিয়ে। দেড় লাখ টাকা আমি হ্যাপি। বাট তারা যে ওই বিজনেসটাকেই 50 লাখ করতে পারতো একটু কিছু টুইকিং করে এন্ড নিজেরই 10 লাখ টাকা লাভ হইতে পারতো। সেটা হয়তো সে ভাবছে না। নেক্সট কয়েকটা পয়েন্ট যদি আমি বলি যে আপনার যদি ওয়েবসাইটটা মোটামুটি বা আপনার যদি একটা ই-কমার্স বানানোর জন্য রেডি থাকেন। তাহলে আপনি কিন্তু চাইলেই আপনার ওখান থেকে Email Marketing Opportunity, Newsletter Marketing, Email Marketing এগুলা আপনার জন্য অনেক ইজি হবে। আপনি ইমেইল-এ মানুষজনকে একটা লিস্ট বিল্ড করে হেল্প করতে পারবেন। মানে বলতে পারে যে ওকে, “Hi Rafi, I can see that you have purchased about 16 times from our page.” “And now you did not order for the past two months. Is there any problem that we can solve? By the way for you only you there is a 24% discount if you order next month.” হ্যাপি শপিং। যেই লোকটা অর্ডার করত না 24% ডিসকাউন্ট আপনি আপনার লাইফ টাইমে দেন নাই। বাট এই যারা 14 12 বা 15 বার বা 16 বারের বেশি অর্ডার করছে এমন 20 জনকে যদি আপনি অফারটা দেন Do you think they will convert or not? They will convert. বেশিরভাগ মানুষই কনভার্ট হবে। তো এইটা অনেক ইম্পর্টেন্ট। অনেক মানুষ Retension বোঝে না। Retension-এর জন্য আপনি মেসেজ কে করছে ওরে খুঁজে বের করে আবার মেসেজ দেওয়া ইজ ডিফিকাল্ট। আপনার কাছে যদি কাস্টমারের ডেটা থাকে, ওয়েবসাইট থাকে আপনি কাস্টমার অডিয়েন্স-এ ফেসবুক-এ আপলোড করে দিতে পারছেন। ওই কাস্টমার অডিয়েন্স এখনো যদিও আগের মতো কাজ করে না বাট ওই কাস্টমার অডিয়েন্সটা আপনি Lookalike করবেন। Lookalike করে ওদেরকে অ্যাড দেখাবেন। তো অনেক দিক দিয়ে খেলার অনেক কিছু আছে। There are people যারা আমার সাথে 1-on-1 মিটিং সেট করে তাদেরকে পুরো আমি ফ্রেমওয়ার্ক এবং রোডম্যাপ বানিয়ে দেই তার স্পেসিফিক বিজনেসের জন্য। আপনি চাইলে আমার সাথে একটা 1-on-1 সেশন করতে পারেন আমার নিচে ডিসক্রিপশন-এ লিংক থাকবে। অবশ্যই এটা পেইড সেশন থাকবে। কারণ প্রথমে একটা সেশন আমি হয়তো ফ্রি দেই 15 মিনিটের বাট তারপরে If you really want me to use my brain cognitive bandwidth, then you have to definitely pay. নেক্সট পয়েন্টটা হচ্ছে আপনি যখন ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করছেন অনেক এমন এমন ক্যুয়ারি আছে যেগুলা আপনার মেসেজে মানুষজন বিরক্ত করে আপনাকে। ওরা একটা সাইজ কত, কি কি সাইজে পাবো, এটা পাবো ওটা পাবো, স্টক আছে কিনা এটা ওটা। আপনি কিন্তু স্টক সিস্টেম করে ফেলতে পারতেছেন। আপনি কি কি প্রোডাক্ট আছে। Assorted Issues। Assorted মানে হচ্ছে ধরেন কথার কথা আমার কাছে একটা কলম আছে। চারটা কলম, চারটা ডিফারেন্ট কালারের। তো আপনার কাছে শুধু নীল আর লালটা আছে বাদবাকি দুইটা নেই। ওয়েবসাইট থেকে ওই দুইটা সরায় দিবেন তাহলে কেউ বলবে না যে ভাই এটা ইজিলি সে দেখতে পারতেছে যে এখানে স্টক আউট। তারপর অনেক সময় যেটা হয় যে মানুষজন অনেক প্রশ্ন করে, “ভাই কতদিনের মধ্যে ডেলিভারি পাবো এটা ওটা।” আপনি কি প্রত্যেকবার ম্যানুয়ালি রিপ্লাই করবেন? এটা তো আপনার সময় নষ্ট আপনার ইমপ্লয়ির সময় নষ্ট আপনার টাকা নষ্ট। আপনার FAQ (Frequently Asked Questions) একটা সেশন থাকবে। ওই FAQ সেশন থেকেও Chat GPT কিন্তু আপনার কালেক্ট করবে। FAQ সেশন-এ অনেক মানুষ বুদ্ধি করে নাম্বার দিয়ে দেয় ইমেইল দিয়ে দেয়। ওয়েবসাইটের লিংকে আবার দেয়। যেন ওইটা আবার কেউ জিজ্ঞেস করলে যেন ওই সব সেকশন-এ ডিরেক্টলি ল্যান্ড করে। সেরকম আরও অনেকগুলো ব্যাপার আছে। আমি মোটামুটি আট-নয় মিনিটে বোঝাতে পেরেছি। যে কখন আপনার এই 5 লক্ষ F-commerce বিজনেস থেকে You can be among top 20, top 50, top 100, top 200 E-commerce businesses of Bangladesh. যাদের একদম চোখ বন্ধ করে মনে করা যাবে। মেডিসিনের জন্য আমার মাথায় একটা কোম্পানি আছে। প্রোডাক্ট কেনার জন্য আমার মাথায় একটা কোম্পানি আছে। গ্রোসারি-এর জন্য একটা কোম্পানি আছে। মেবি ইলেকট্রনিক গ্যাজেট-এর জন্য একটা কোম্পানি আছে। স্পেসিফিক টাইপের প্রোডাক্ট-এর জন্য আমার মাথায় স্পেসিফিক কোম্পানি আছে। বিকজ অফ দিস ওয়ান থিং দ্যাট দে ইনভেস্টেড অন Branding, Website and also those 20% যেখানে ফোকাস করলে তাদেরই 80% অনেক ইজি হয়ে যাবে। তো দ্যাট বিং সেইড আপনার যদি পার্সোনালি এই পয়েন্টগুলার বাদে আরও কোনো পয়েন্ট থাকে আপনি আমার এই পয়েন্টগুলো লিখবেন এক দুই তিন করে Chat GPT-তে যাবেন যে আপনি Thinking মডেল-এ যাবেন যে বলবেন যে, “হাই ভাইয়া বা হাই Chat GPT, I would like to know other than this topics what are the other topic we can include?” তাহলে দেখবেন আপনি আরও কিছু ইম্পর্টেন্ট পয়েন্ট পাবেন। হোপ দে উইল বি ইউসফুল ফর ইউ। থ্যাঙ্ক ইউ।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript