[0:00]আপনি মনে করছেন ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করা খুবই সহজ। ভিডিওটা আপলোড করার পর টাইটেল দিব, থাম্বনেইল দিব, ডেসক্রিপশন দিব দিয়ে আপলোড করে দিব। না ভাই! আপনি যদি প্রপারলি ভিডিওটা আপলোড না করতে পারেন অর্থাৎ এখানে আরো অনেক বিষয় আছে। যেমন অডিয়েন্স আছে, অল্টারড কন্টেন্ট আছে, কোলাবোরেশন আছে, অটো চ্যাপ্টার আছে, অটোমেটিক কনসেপ্ট আছে, ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড ক্যাপশন সার্টিফিকেশন আছে, ট্যাগ আছে, শর্ট রিমিক্স আছে। এইরকম না আরো অনেক বিষয় আছে। যদি প্রপারলি এইসব বিষয় না জেনে আপনি ভিডিও আপলোড করেন তাহলে দীর্ঘ সময় ভিডিও আপলোড করেও কিন্তু আপনি খুব বেশি ভিউ বা সাবস্ক্রাইবার পাবেন না। সো আজকের ভিডিওতে আমি আপনাদেরকে দেখাবো যে YouTube-এ প্রপারলি কিভাবে ভিডিও আপলোড করতে হয়। চলুন তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে মূল ভিডিওটা শুরু করা যাক।
[0:43]নাম্বার ওয়ান, YouTube-এ ভিডিও আপলোড করার আগে আপনাকে আগে জানতে হবে যে আপনি যে ভিডিওটা আপলোড করছেন সেটা কি শর্টস ভিডিও নাকি লং ভিডিও। শর্টস ভিডিওগুলো সাধারণত 9:16-এই হয় এরকম লম্বালম্বি হয় আর যখন আমরা YouTube-এর জন্য ভিডিও আপলোড করি তখন সেইগুলা 16:9 হয় এরকম হয় ঠিক আছে। তো এখন আপনি যদি শর্টস ভিডিও আপলোড করেন তাহলে এটা কম্পিউটার থেকে করবেন না। কারণ কম্পিউটার থেকে করলে আপনি কিন্তু থাম্বনেইলটা বসাতে পারবেন না। ঠিক আছে। আর যদি আপনি মোবাইল থেকে আপলোড করেন তাহলে কিন্তু শর্টস ভিডিওতে থাম্বনেইল বসাতে পারবেন। আর থাম্বনেইল বসানোর জন্য যে থাম্বনেইলটা তৈরি করবেন এটা ভিডিওর শুরুতেই জাস্ট এক সেকেন্ড বা দুই সেকেন্ডের মধ্যে দিয়ে তারপর হচ্ছে এক্সপোর্ট দিবেন। তখন এই থাম্বনেইলটা কিন্তু আপনি বসাতে পারবেন। তাহলে আপনার ভিডিওতে ভিউজ বেশি আসবে। আর যখন আপনি লং ভিডিও আপলোড করছেন তখন আপনি ডেস্কটপ থেকে আপলোড করতে পারেন। আপনি তখন থাম্বনেইলটা বসাতে পারবেন। সো এখানে একটা বড় বিষয় আছে, এই বিষয়টা আপনারা জাস্ট মাথায় রাখেন।
[1:36]নাম্বার টু, আপনি যখন ভিডিওটা আপলোড দিয়েছেন তখন এখানে একটা টাইটেল মাস্ট বি দিতে হবে। সো এই টাইটেলটা কিন্তু আকর্ষণীয় হতে হবে। এবং আপনি যে বিষয় নিয়ে ভিডিওটা তৈরি করেছেন সেটার একদম স্পেসিফিক মূল বিষয়টা কিন্তু টাইটেলে থাকতে হবে। জাস্ট মূল বিষয়টা এবং টাইটেলটাও আকর্ষণীয় হতে হবে। এটার জন্য যদি আপনার দুই ঘন্টা সময় আপনারা ইউজ করতে হয় তাহলে আপনি করেন বাট সংক্ষেপে এবং ভিডিওর মূল টপিকটা ধরে আকর্ষণীয় একটা টাইটেল দিবেন। চেষ্টা করবেন টাইটেলটা বাংলা এবং ইংরেজি দুইটাতেই দেওয়ার জন্য। তাহলে ভিডিওর রিস্ক কিন্তু বেশি আসবে।
[2:13]নাম্বার থ্রি, আপনাকে ডেসক্রিপশনটা ভালো করে লিখতে হবে। ডেসক্রিপশনটা আপনি অনেক বড় করে দিবেন। বিষয়টা আসলে সেরকম না আমি সাজেস্ট করি 20 থেকে 30 শব্দের মধ্যে দেন। অনেক বড় করেও দেওয়া যায় বাট যদি আপনার প্রয়োজন হয় তাহলে দেন। নাহলে 20 থেকে 30 শব্দের মধ্যে দেন এবং আপনি টাইটেলে যে বিষয়টা আপনি উল্লেখ করেছেন ডেসক্রিপশনে যেন সেই বিষয়টা থাকে। অন্তত দুই তিনবার যেন টাইটেলের বিষয়টা যেন ঘুরে ফিরে আসে। এটা হলে হবে কি এটা আপনার এসইওকে হেল্প করবে। ওই যে আমরা এসইও এর কথা বলি না যে ভিডিওতে এসইও করা লাগে। এসইওতে হেল্প করবে। সো আপনারা চাইবেন এটা করার জন্য তাহলে আপনার ভিডিওতে ভিউজ আপনারা কম্পারেটিভলি বেশি পাবেন।
[2:51]নাম্বার ফোরে আপনারা হ্যাশট্যাগ বসাবেন। এই ডেসক্রিপশনে কিন্তু হ্যাশট্যাগ দিয়ে তারপর আপনারা হ্যাশট্যাগগুলো বসাবেন। ওকে। এখন হ্যাশট্যাগ বসানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনি যে রিলেটেড ভিডিওটা আপলোড করছেন সেটার স্পেসিফিক বা কি পয়েন্টগুলোকে ধরে আপনি হ্যাশট্যাগটা বসাবেন। হ্যাশট্যাগ এর মানে এই না যে আপনি 50টা দিয়ে দিবেন 10টা দিয়ে দিবেন। আমি বলি যে স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে তিনটা তিনটা দেন। মেইন জিনিসগুলো রিসার্চ করে তিনটা দেন তাহলে দেখবেন এটা আপনার এসইওতে অনেক বেশি হেল্প করছে। আর এসইও ভালো হলে কি হবে? মাস্ট বি আপনার ভিডিওর ভিউজ বেশি আসবে।
[3:28]নাম্বার ফাইভ, আপনাকে মাস্ট বি প্লেলিস্টটা ভালো করে সাজাতে হবে। কেন আপনি যে ক্যাটাগরির ভিডিও তৈরি করছেন সেইখানেও কিন্তু অনেক ধরনের ভাগ হয়ে যাবে। যেমন আমি টেক নিয়ে কাজ করি। টেকে কখনো হচ্ছে স্মার্টফোনের রিভিউ দেই, কখনো হচ্ছে TWS-এর রিভিউ দেই, আবার কখনো দেখা গেল যে ইনফরমেটিভ টাইপের ভিডিও দেই, কখনো টিউটোরিয়াল দেই। সো এই যে অনেকগুলা ভাগ আছে না? সো এখানে ধরেন প্রত্যেকটার জন্য একটা করে যদি প্লেলিস্ট তৈরি করি এবং সেই ক্যাটাগরির ভিডিওটা যখন আমি আপলোড করছি তখন প্লেলিস্টে জাস্ট আমি এটাকে সিলেক্ট করে দিচ্ছি। তাতে হয় কি? ধরেন কেউ একজন স্মার্টফোনের একটা রিভিউ দেখছে। তখন আমার প্লেলিস্টেতে স্মার্টফোনে আরও রিভিউ আছে তখন সেগুলো সাজেস্টে দেখাইতে পারতেছে। সো ভিউটা বেশি আসতে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনারা প্লেলিস্টটা তৈরি করে নিবেন তৈরি করে প্লেলিস্ট অনুযায়ী কিন্তু ভিডিওগুলো পাবলিশড করবেন।
[4:15]নাম্বার সিক্স-এ একটা অপশন দেখতে পারবেন সেটা হচ্ছে অডিয়েন্স। এই ভিডিওটা আসলে কাদের জন্য তৈরি করা? বাচ্চাদের জন্য নাকি বয়স্কদের জন্য? এখানে দুইটা অপশন আছে। যদি বাচ্চাদের জন্য তৈরি করেন তাহলে আপনি দিবেন ইয়েস, ইটস মেইড ফর কিডস। আর যদি এটা বাচ্চাদের জন্য তৈরি না করে থাকেন ওভারঅল সবার জন্য তৈরি করে থাকেন তাহলে এটা নো, ইটস নট মেইড ফর কিডস। জাস্ট এটা সিলেক্ট করে দিবেন। তাহলে YouTube-এর রোবট বুঝে যাবে যে এই ভিডিওটা আসলে বাচ্চাদের জন্য তৈরি করে নাই। সো তখন সেটাকে সে সেইভাবেই মানুষের কাছে রিচ করবে। নেক্সট অপশনটা হচ্ছে পেইড প্রমোশন। সো আপনি যদি কোন পেইড প্রমোশন করে থাকেন তাহলে জাস্ট এই অপশনটা আপনি দিয়ে দিতে পারেন। আর যদি পেইড প্রমোশন না করেন তাহলে এটা আপনি এভোয়েড করে যান। যদি আপনি পেইড প্রমোশন করে থাকেন তাহলে সার্চ ব্র্যান্ড এখানে ক্লিক করে আপনি যে চ্যানেলটাকে প্রমোট করছেন সেটাকে আপনি সিলেক্ট করে দিবেন দ্যাটস ইট।
[5:07]তারপরের অপশনটা হচ্ছে অল্টারড কন্টেন্ট। যদি আপনার ভিডিওটা আপনি এআই বা ডিপফেক দিয়ে তৈরি করে থাকেন তাহলে আপনি ইয়েস দিবেন। আর যদি আপনার ভিডিওটা একদম রিয়েল হয় বা আপনি এআই দিয়ে তৈরি না করে থাকেন তাহলে আপনি নো দিবেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি যদি ইয়েস দেই ঠিক আছে এআই দিয়ে ভিডিওটা মেক করার পর তাহলে কেমন মনিটাইজেশন চলে যাবে কিনা? না মনিটাইজেশনে চলে যাবে না ভিউ কমে যাবে সেরকমও কিছু না। সবই আপনার ঠিক থাকবে বাট এআই যদি ট্রেস করে ভিডিওটা আসলে ডিপফেক দিয়ে করা বা এআই দিয়ে করা বাট সে এখানে ইয়েস দেয় নাই। তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিওতে ঝামেলা করতে পারে পাশাপাশি আপনার মনিটাইজেশনও চলে যেতে পারে। সো এই জায়গাটাতে আপনি ভিডিওটা যদি এআই বা ডিপফেক দিয়ে তৈরি করেন তাহলে অবশ্যই আপনি ইয়েস দিবেন। আর যদি আপনি নরমালি ভিডিও তৈরি করে থাকেন তাহলে অবশ্যই নো দিয়ে চলে যাবেন।
[5:56]পরের অপশনটা হচ্ছে কোলাবোরেশন। কোলাবোরেশনটা কি আসলে একটু বলি। ধরেন আপনার প্রতিবেশী কারো বা আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব কারো একটা বড় চ্যানেল আছে বা আপনার নিজেরই আছে তারপর আপনি একটা ছোট চ্যানেল খুলেছেন। ঠিক আছে। তখন এই চ্যানেলের রাতারাতি তো আর ভিউ আসবে না সাবস্ক্রাইবার আসবে না। তখন যদি আপনি ওই ছোট চ্যানেলটার সাথে এটার কোলাবোরেশনটা করে দেন তখন কিন্তু ওই ভিডিওটাতে আপনি ভিউ বেশি পাবেন সাবস্ক্রাইবার বেশি আসতে পারে। ঠিক আছে। ওভারঅল ভিডিওটা অনেক বেশি ভিউ পেতে পারে বা এটা ভাইরাল হওয়ার একটা পসিবিলিটি আছে। একটা নতুন চ্যানেল হিসেবে যেটা আসলে পাওয়ার কথা না সেটা কিন্তু পেতে পারে শুধু এই পুরান চ্যানেলটার সাথে কোলাবোরেশন করার কারণে। সো যদি এরকম প্রয়োজন হয় তাহলে আপনার কোলাবোরেশন করতে পারেন। কোলাবোরেশন করার জন্য ইনভাইট কোলাবোরেশনে ক্লিক দিবেন তারপর হচ্ছে সার্চ ফর এ চ্যানেল এখানে হচ্ছে আপনি যে চ্যানেলটার সাথে কোলাবোরেশন করতে চাচ্ছেন জাস্ট সেই চ্যানেলটা খুঁজে বের করবেন। তারপর হচ্ছে এখান থেকে ক্রিয়েট লিংকে ক্লিক করে জাস্ট লিংকটাকে আপনি কপি করে তারপর হচ্ছে সেই ব্যক্তির কাছে পাঠিয়ে দিবেন। সে একসেপ্ট করলেই এই ভিডিওটা কিন্তু কোলাবোরেশনে চলে আসবে।
[6:59]তারপরের অপশনটা হচ্ছে অটো চ্যাপ্টার। এইটা না ভাই, খুবই প্রয়োজনীয় একটা জিনিস। অটো চ্যাপ্টারটা কি করবেন? আপনি টিক চিহ্ন দিবেন নাকি টিক চিহ্ন না দিয়ে চলে যাবেন? আমি বলবো মাস্ট বি আপনারা টিক চিহ্নটা দিয়ে রাখবেন। কেন টিক চিহ্নটা দিয়ে রাখবেন? কারণ আপনার পুরো ভিডিওটা YouTube-এর এআই কিন্তু এনালাইসিস করবে। এনালাইসিস করে সে দেখবে কি রিলেটেড ভিডিওটা তৈরি করেছেন? সেখানে কোন কোন টপিকগুলো নিয়ে কথা বলেছেন? সো সেগুলা সব সে আলাদা আলাদা করে টাইমিং করে ফ্রেম করে সে দেখাবে যাতে অডিয়েন্স সহজেই দেখতে পারে। আমি একটু সহজ করে বলি। ধরেন আমি একটা স্মার্টফোনের রিভিউ করেছি। সো সেখানে প্রথমে একটা ইন্ট্রো দিয়েছি। তারপর হচ্ছে স্মার্টফোনের ডিজাইন এন্ড বিল্ড কোয়ালিটি নিয়ে কথা বলেছি, ডিসপ্লে নিয়ে কথা বলেছি তারপর হচ্ছে আপনার প্রসেসর নিয়ে কথা বলেছি, ক্যামেরা নিয়ে, ব্যাটারি নিয়ে এইসব সব নিয়ে কথা বলেছি। সো সে প্রত্যেকটাকে আলাদা আলাদা করে দেখাবে। এখন একটা অডিয়েন্স যখন ভিডিওটা দেখছে তখন সে পুরোটা হয়তো নাও দেখতে পারে শুধু ব্যাটারির অংশটা দেখবে বা ক্যামেরার অংশটা দেখবে তখন সেখানে ক্লিক দিলে সে চলে যেতে পারবে। এটা দিয়ে রাখলে সে কিন্তু এনালাইসিস করে এই বিষয়টা আপনার ভাগ করে দিতে পারে। সো মাস্ট বি এটাকে টিক চিহ্ন দিয়ে রাখবেন। তারপরের অপশনটি হচ্ছে ফিচারড প্লেস। আপনি অবশ্যই এটারও টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে রাখবেন। কারণ সুনির্দিষ্ট কোন প্লেস যখন দেখাচ্ছে এটা যদি আপনি টিক চিহ্ন তুলে রাখেন তাহলে সেটা কিন্তু আপনি ট্যাগ করতে পারেন। সো এই বিষয়টা তুলে রাখতে পারেন না তুলে রাখলেও খুব বেশি ক্ষতি নেই।
[8:15]তারপরের অপশনটি হচ্ছে এলাও অটোমেটিক কনসেপ্ট। এখন এইটা কি দরকার? হ্যাঁ এইটা মাস্ট বি টিক চিহ্ন দিয়ে রাখবেন। কেন আমি বলছি আপনারা বুঝবেন। আপনার ভিডিওটা আসলে কোন বিষয়ের উপরে এই পুরো জিনিসটা কিন্তু YouTube-এর যে এআই আছে সেটা এনালাইসিস করবে। এনালাইসিস করে দেখবে যে আপনি যে টাইটেল দিয়েছেন ডেসক্রিপশন দিয়েছেন সেটার সাথে মিল আছে কিনা। যদি মিল থাকে তখন তারা কিন্তু পজিটিভলি ধরে নিবে এবং এই ভিডিওটা কিন্তু সার্চিং এও দেখাবে। ঠিক আছে। যখন কেউ একজন সার্চ করবে এই টপিকের উপর তখন সেটা দেখাবে। পাশাপাশি এটা রিকোমেন্ডও করবে এই ক্যাটাগরির ভিডিও যারা দেখে তাদের কাছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ভাই এটা তো টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন দেখে সে বুঝতে পারে। না অনেকেই আছে যারা হচ্ছে এই ফেক কাজগুলো করে থাকে ভিডিওর ভিতরে একরকম আবার টাইটেল দেয় একরকম তাদের জন্যই এই জিনিসটা কিন্তু YouTube নিয়ে আসছে। আপনার ভিডিওটা রিয়েল হলে অন্যদের কাছে এটা রিকোমেন্ড করবে পাশাপাশি এটা সার্চিং র্যাঙ্কিং এও দেখাবে। সো মাস্ট বি আপনার এই অপশনটা দিয়ে রাখবেন।
[9:12]তারপরের অপশনটা হচ্ছে ট্যাগ। এটা সম্পর্কে তো মোটামুটি সবারই আইডিয়া আছে। ট্যাগ একটা ভিডিওর সার্চিং র্যাঙ্কিং এর জন্য খুবই ইম্পর্টেন্ট বা এসইও এর জন্য খুবই ইম্পর্টেন্ট। এখন আপনি যে রিলেটেড ভিডিওটা আপলোড করছেন জাস্ট আপনার মাথায় রাখতে হবে যে এই ভিডিওটা মানুষজন কি কি লিখে YouTube-এ খুঁজতে পারে? মানে যা যা লিখে খুঁজতে পারে ঠিক আছে আপনি সব আপনার ট্যাগে বসায়া দেন। জাস্ট সব ট্যাগে বসায়া দেন। ঠিক আছে। তাহলেই কিন্তু এই ভিডিওটার র্যাঙ্ক করার একটা পসিবিলিটি থাকবে। সো আপনারা খুব কেয়ারফুললি ট্যাগগুলো বসাবেন। তারপরের অপশনটা হচ্ছে ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড ক্যাপশন সার্টিফিকেট। এখানে দুই একটা জিনিস আসে বেশ ইম্পর্টেন্ট যেমন এটা হচ্ছে ভিডিওর ল্যাঙ্গুয়েজ মানে আপনি কোন ভাষায় ভিডিওটা তৈরি করছেন সেটা আপনি সিলেক্ট করে দিবেন।
[9:56]ধরেন বাংলা হলে বাংলা ইংলিশ হলে ইংলিশ তাহলে কিন্তু YouTube-এর রোবটের বুঝতে সুবিধা হবে যে কন্টেন্টটা আসলে কোন ভাষায় তৈরি করা হয়েছে। তাহলে সে অনুপাতে সেই অডিয়েন্সদেরকে সে টার্গেট করতে পারবে। তারপরে এই ভিডিও রেকর্ডিং এর টাইমটা আপনি দিয়ে দিতে পারেন এটাও কিন্তু YouTube-এর রোবটকে হেল্প করবে আপনার ভিডিওটা র্যাঙ্কিং এ দেখানোর ক্ষেত্রে। এখান থেকে এই দুইটা বিষয়ই ইম্পর্টেন্ট আর তেমন কিছু দরকার নেই।
[10:17]তারপরের অপশনটা হচ্ছে এলাও এম্বেডিং এর মানে কি? এইটা যদি আপনার টিক চিহ্ন দেওয়া থাকে ওকে জাস্ট টিক চিহ্ন দেওয়া থাকে তাহলে আপনার এই ভিডিওটা কেউ যদি তার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে চায় তাহলে কিন্তু ব্যবহার করতে পারবে। সেখানেও এই ভিডিওটা শো করবে বাট ভিডিওটাতে কেউ যদি ক্লিক দিয়ে দেখে তাহলে আপনার কিন্তু এখানে ভিউ কাউন্ট হবে। ঠিক আছে। আবার এটা যদি আপনি টিক চিহ্নটা আপনি না দেন তাহলে আপনার এই ভিডিওটা শুধু YouTube-এই মানুষ দেখতে পারবে অন্য কোথাও দেখতে পারবে না। আমার মনে হয় যদি বেশি ভিউজের দরকার হয় আপনার তাহলে আপনি এই ভিডিওটাতে এলাও এম্বেডিংটা দিয়ে রাখতে পারেন।
[10:57]তারপরের অপশনটা হচ্ছে শর্টস রিমিক্সিং। এটাকে যদি আপনি এলাও ভিডিও এন্ড হচ্ছে অডিও রিমিক্সিংটা দিয়ে রাখেন তাহলে আপনার এই ভিডিওটা মানে আপনার শর্টস ভিডিওটাতে যে কেউ চাইলেই কিন্তু তার লিপসিং করতে পারে বা ভিডিওটা ইউজ করতে পারে বাট আপনার এখানে রেখেই সে ইউজ করতে পারে। তাহলে এতে আপনার ভিউজটা একটু বেশি আসবে। আমি অবশ্যই আপনাদেরকে বলবো যদি আপনার বেশি ভিউজ চান তাহলে এইটা আপনারা এলাও করে রাখবেন। ওকে। তারপরের অপশনটা হচ্ছে ক্যাটাগরি অর্থাৎ আপনি ভিডিওটা যে ক্যাটাগরির আপলোড করছেন মাস্ট বি সেই ক্যাটাগরিটা চুজ করে দিবেন। তাতে YouTube-এর রোবট বুঝবে যে এই ভিডিওটা এই ক্যাটাগরির তাহলে এটা বেশি লোকের কাছে রিচ করবে রিকোমেন্ড করবে। সো অবশ্যই সঠিক ক্যাটাগরিটা আপনারা নির্বাচন করে দিবেন। তারপরের অপশনটা হচ্ছে কমেন্ট এন্ড রেটিং এইটার মানে কি? অর্থাৎ আপনার ভিডিওতে অনেকেই কমেন্ট করতে পারবে। ঠিক আছে। সো এই অপশনটা মাস্ট বি কমেন্টের অপশনটা আপনারা অন রাখবেন। এটা অনেকে অফ রাখে। অন রাখলে যেটা হবে সেটা হচ্ছে লোকজন কমেন্ট করার সুযোগ পাবে আপনি তাদেরকে রিপ্লাই করতে পারবেন অর্থাৎ তাদের সাথে একটা এঙ্গেজমেন্ট আপনার হবে। এঙ্গেজমেন্ট যত বেশি হবে ভিডিওতে ভিউজ তত বেশি আসার সম্ভাবনা আছে। সো আমি আপনাদেরকে অবশ্যই রিকোমেন্ড করবো এই যে কমেন্ট অপশনটা চালু রাখবেন পাশাপাশি ভিডিওতে কোন কমেন্ট আসলে এটা রিপ্লে করতে তাহলে ভিডিওর ভিউজটা বেশি আসবে। আচ্ছা এই অংশে আমি মোটামুটি সব দেখিয়েছি বাট একটা জিনিস আমি একটু মিস্টেক করে গিয়েছিলাম সেটা হচ্ছে এইজ রেস্ট্রিকশন ঠিক আছে। এইটা আসলে কি? এমনও কন্টেন্ট আছে YouTube-এ আপলোড করে থাকে যেগুলা ধরেন নরমালি এর অনুমতি দেওয়া হয় না। যেমন মানুষের শরীরে কোন প্রাইভেট পার্টস আপনি দেখাবেন। সেটা যদি নরমালি আপনি আপলোড করেন তাহলে ভিডিওটা কিন্তু ডিজেবল হয়ে যাবে। ঠিক আছে আপনার চ্যানেলের উপর স্ট্রাইক আসতে পারে। এই ক্ষেত্রে আপনারা যে কাজটা করবেন সেটা যদি এইজ রেস্ট্রিকশন করে দেন ধরেন আপনি একটা ডাক্তার একজন মানুষের প্রাইভেট পার্টস দেখিয়ে আপনি একটা শিক্ষা দিবেন বা স্টুডেন্টদেরকে দেখাবেন বা মানুষদেরকে দেখাবেন। সেই ক্ষেত্রে আপনি যদি এটা দিয়ে দেন যে হ্যাঁ যে ইয়েস রেস্ট্রিকটেড মাই ভিডিও ভিউয়ার্স ওভার 18 তার মানে হচ্ছে যাদের বয়স 18 এর উপরে তারাই শুধু দেখতে পারবে ওকে। সো যদি আপনি এই ধরনের কন্টেন্ট আপলোড করেন তাহলে এটা দিবেন আর যদি আপলোড না করে থাকেন নরমাল কন্টেন্ট আপলোড করেন তাহলে নো দিয়ে আপনি এই অপশনটা সিলেক্ট করে দিবেন। আচ্ছা আপনি পরের চ্যাপ্টারে আসার পর আপনি এইখান থেকে কিন্তু মনিটাইজেশন অপশন দেখতে পারবেন যদি মনিটাইজেশন চালু থাকে। যদি আপনি মনিটাইজেশন চালু রাখতে চান চালু রাখবেন নাহলে আপনি মনিটাইজেশন অফ করে পরের অপশনে চলে যাবেন। তারপরের অংশটা হচ্ছে ভিডিও এলিমেন্ট এইখানে আপনি সাবটাইটেল অ্যাড করতে পারেন। সো সাবটাইটেল যদি আপনার রেডি করা থাকে তাহলে আপনি সাবটাইটেল অ্যাড করে দিতে পারেন। তারপর হচ্ছে প্রোডাক্ট ট্যাগ করে দিতে পারেন। যদি আপনি কোন প্রোডাক্টের রিভিউ করছেন সেটাকে যদি ট্যাগ করতে চান আর কি তাহলে ট্যাগ করে দিতে পারেন। ওকে। তারপর হচ্ছে অ্যাড এন্ড এন্ড স্ক্রিন। তার মানে আপনার ভিডিওটা যখনই শেষ হয়ে যাচ্ছে শেষ হওয়ার আগে যদি আপনি এই রিলেটেড আরো দুই একটা ভিডিও সাজেস্ট করতে চান তাহলে এন্ড স্ক্রিনে কিন্তু আপনার সেই ভিডিওগুলো আপনি এখানে এড করে দিতে পারেন। এতে ধরেন আপনার এই ভিডিওটা যখন কেউ একজন দেখছে হ্যাঁ দেখার পর যখন মনে করছে যে না এই রিলেটেড আরো এক ভিডিও আছে বা দেখতে পারলে ভালো হতো সে শেষ হওয়ার আগে যখন এইটা দেখাবে তখন সে কিন্তু ক্লিক করে এটা দেখতে পারে এত ভিডিও ভিউস বেশি আসবে। সো আপনারা এন্ড স্ক্রিনটা রিলেটেড ভিডিওর ক্ষেত্রে আপনারা এড করে দিবেন।
[14:04]তারপরের অংশটা হচ্ছে এড কার্ড। এড কার্ড হচ্ছে এরকম ধরেন আমি একটা ভিডিওতে কথা বলছি যে এই ভিডিওটা কিভাবে আপলোড করবেন। আবার ধরেন আমি কোন একটা ভিডিওতে বলছি যে কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল ক্রিয়েট করতে হয় সেটার একটা ভিডিও আছে। তারপর আমি যদি উপরে যদি বলি যে আই বাটনে লিংক দেওয়া আছে আপনারা ক্লিক করে দেখে আসতে পারেন। তখন ওইটা আমি এড করার একটা সুযোগ পাচ্ছি। ঠিক আছে। সো ঐগুলা না করলে ক্ষতি নেই বাট আপনি যদি করতে পারেন রিলেটেড কিছু থাকে তাহলে আপনি এগুলা এড করে দিতে পারেন ঠিক আছে। তারপর হচ্ছে এড কুইজ এটাও আপনি চাইলে কুইজটা তো বুঝতেই পেরেছেন এইটাও আপনি এড করতে পারেন। তারপরের অংশটাতে চেক দিবে চেক দেওয়ার পর নিচে টিক চিহ্নটা তুলে দিবেন তুলে দিয়ে হচ্ছে আপনি সাবমিট করে দিবেন ঠিক আছে। ওই কাজটা ওখানে শেষ। তারপরে হচ্ছে সর্বশেষ যেটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে ভিজিবিলিটি অপশন থেকে হচ্ছে আপনি যে ভিডিওটা পাবলিশড করবেন এখানে অনেকগুলা বিষয় আছে একটা হচ্ছে প্রাইভেট। যদি আপনি এটা প্রাইভেট দিয়ে দেন দিয়ে সেভ করে দেন তাহলে এই ভিডিওটা শুধু আপনার এখানেই থাকবে ঠিক আছে দুনিয়ার কেউই দেখতে পারবে না শুধু আপনি দেখতে পারবেন ঠিক আছে। আরেকটা হচ্ছে আনলিস্টেড। আনলিস্টেড যদি আপনি করে রাখেন তাহলে এই ভিডিওর লিংকটা আপনি কারো কাছে পাঠালে সে দেখতে পারবে এছাড়া কেউ দেখতে পারবে না অর্থাৎ লিংকের মাধ্যমে সে দেখতে পারবে। ওকে ভিডিওটা কিন্তু পাবলিশড হচ্ছে না। তারপরের অপশনটা হচ্ছে মেম্বার অনলি মানে আপনার যারা হচ্ছে মেম্বার থাকবে তারাই শুধু দেখতে পারবে ঠিক আছে। আরেকটা হচ্ছে পাবলিক অর্থাৎ এইটা যদি আপনি করে দেন তাহলে সবাই দেখতে পারবে যে আপনার মেম্বার আছে সেও দেখতে পারবে যে মেম্বার নেই সেও দেখতে পারবে। সাধারণত আমরা পাবলিক করে দেই ভিডিওটা। সো অবশ্যই আপনি ভিডিওটা পাবলিক করে দিবেন। তারপরেও একটা শিডিউল করে একটা অপশন আছে এই শিডিউলে মানে হচ্ছে ধরেন আপনি ভিডিওটা এখন আপলোড করেছেন। বাট পাবলিশড করার সময়টা এখনই না। আপনি চাচ্ছেন যে এখন হচ্ছে রাত 10:00টা বাজে আমি পরের দিন দুপুর 12:00টায় আমি ভিডিওটা আপলোড করবো সেই ক্ষেত্রে আপনি একটা কাজ করবেন সেটা হচ্ছে শিডিউলে দিয়ে রাখবেন পরের দিন ডেট দিবেন টাইম দিবেন দিয়ে আপনি এটা আপলোডে দিয়ে রাখবেন তখন অটোমেটিক এই সময়টার মধ্যে ভিডিওটা আপলোড হয়ে যাবে। দ্যাটস ইট। এই হচ্ছে মূলত প্রসেস। এভাবে যদি আপনারা ভিডিওগুলো আপলোড করতে পারেন তাহলে আমি সিওর যে আপনার ভিডিওতে অনেক বেশি ভিউজ আসবে সাবস্ক্রাইবার আসবে। গাইস অলরেডি ভিডিওটা অনেক বেশি লেন্দি হয়ে গেছে আর লেন্দি করতে চাইনি এখানে শেষ করব। আজকের মতো আমি বিদায় নিচ্ছি দেখা হচ্ছে নতুন কোন ভিডিওতে। আল্লাহ হাফেজ।



