[0:00]আপনি যদি মনে করেন যে ফ্রিল্যান্সিংয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়বেন প্লাস প্রতিমাসে এক লক্ষ, দুই লক্ষ বা তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করবেন তাহলে আপনাকে আপওয়ার্ক, ফাইভার বা ফ্রিল্যান্সারের মত সাইটগুলোতে কাজ করতে হবে।
[0:13]আমি যে তিনটা সাইটের কথা বললাম এই তিনটা সাইটের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে পপুলার হচ্ছে ফাইভার। সো আজকের এই ভিডিওতে আমি আপনাদেরকে দেখাবো যে কিভাবে আপনারা ফাইভার অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করবেন।
[0:21]কিভাবে আপনার ফাইভারের প্রোফাইল কমপ্লিট করবেন প্লাস গিগ ক্রিয়েট করবেন। সর্বশেষ আমি আপনাদেরকে দেখাবো যে আসলে ফাইভার থেকে কিভাবে টাকা আপনারা পেওনিয়ারের মাধ্যমে বিকাশে উইথড্র দিতে পারবেন।
[0:33]অর্থাৎ বলতে পারেন এই ভিডিওটা একটা কমপ্লিট প্যাকেজ। সবকিছুই আমি আপনাদেরকে স্টেপ বাই স্টেপ দেখাবো তার আগে একটু সংক্ষেপে বলি যে ফাইভারটা আসলে কি ফাইভারটা হচ্ছে একটা মার্কেটপ্লেস।
[0:43]আমি যদি একদম ইজি করে আপনাদেরকে বলি যে এখানে বেচা কেনা হয়, বেচা কেনাটা আসলে কি আপনাদেরকে বলি ধরেন আপনার কোন একটা সুনির্দিষ্ট কাজের দক্ষতা রয়েছে।
[0:51]আপনি চাচ্ছেন সেই কাজটা আপনি কারোর করে টাকা আর্ন করতে ধরেন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন ভালো পারেন ট্রান্সলেশন ভালো পারেন অথবা আপনি ধরেন অন্য যেকোনো কাজ আপনি ভালো পারেন আপনি চাচ্ছেন অন্য কারো কাজ করে দিয়ে টাকা আর্ন করতে।
[1:03]আবার এমনও একজন রয়েছে যার হচ্ছে এরকম স্পেসিফিক কিছু কাজ করানোর দরকার ঠিক আছে। এখন সে আপনাকে কিভাবে খুঁজে পাবে এই ফাইভের মাধ্যমে খুঁজে পাবে ফাইভারটা মধ্যস্থতাকারীর হিসেবে কাজ করবে ঠিক আছে।
[1:16]সো এখান থেকে সেই ব্যক্তি আপনাকে যে টাকা দিবে এখান থেকে ফাইভার কিছু পার্সেন্টেজ নিবে কিছু আপনাকে দিবে। সো আপনারও বেনিফিট হলো সেই লোকের মানে হচ্ছে যে আপনাকে কাজটা দিয়েছে বায়ার তারও কিন্তু কাজটা হয়ে গেল ঠিক আছে।
[1:26]এই হচ্ছে মূলত ফাইভার। সো এই ফাইভার নিয়ে আরো অনেক কথা আছে তার আগে আপনাদেরকে অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করাটা দেখাই তারপর হচ্ছে গিগ ক্রিয়েট করাটা দেখাই তারপর বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আপনাদের সাথে ইন ডিটেইলসে কথা বলবো একদম ভিডিওর শেষ প্রান্তে এসে চলুন এবারে শুরু করি।
[1:39]শুরুতেই আপনি www.fiverr.com নামে সাইটটিতে চলে যাবেন আর এই সাইটের লিংক আপনারা আমার ভিডিওর ডিসক্রিপশন বক্সে পেয়ে যাবেন অথবা আমি আপনাদের দেখানোর সুবিধার্থে স্ক্রিনেও দেখাচ্ছি।
[1:48]আর মোবাইল থেকে করতে চাইলে আপনারা গুগল প্লে স্টোর থেকে ফাইভার অ্যাপসটিকে ইন্সটল করে নিবেন। দুটোর ইন্টারফেসই অলমোস্ট সেম তবে যাতে ইজি আপনাদেরকে দেখাতে পারি সেজন্য আমি আমার ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকেই আপনাদেরকে দেখাচ্ছি।
[2:00]ওকে সাইটে আসার পর আপনার ডান পাশে দেখতে পারবেন জয়েন নামে একটা বাটন রয়েছে এখানে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এখান থেকে আপনি ফেসবুক জি মেইল অ্যাপেল আইডি এবং ইমেইল আইডি দিয়ে সাইন আপ করার সুযোগ পাবেন।
[2:10]ওকে আমি আপনাদেরকে সাজেস্ট করবো ইমেইল দিয়ে সাইন আপ করার জন্য। সো এখানে আমি একটা ইমেইল এড্রেস দিয়ে দিয়েছি এখন নিচের দিকে থাকা কন্টিনিউ বাটনে একটা ক্লিক করছি।
[2:20]এবারে যে ইন্টারফেসটি এসেছে এখান থেকে ইউজার নেম দিতে হবে এক্ষেত্রে আপনারা একটা ইউনিক ইউজার নেম দিয়ে দিবেন তারপর হচ্ছে একটা পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনি জয়েন বাটনে একটা ক্লিক করে দিবেন।
[2:30]এবারে আপনার মেইলে একটা মেইল যাবে সেই মেইল থেকে আপনার এই একাউন্টটিকে ভেরিফাই করতে হবে। সো আপনি মেইলটিকে ওপেন করার পর দেখতে পারবেন অ্যাক্টিভ ইউর একাউন্ট নামে একটা অপশন রয়েছে এখানে ক্লিক দিলেই আপনার ফাইভারে একাউন্টটি ভেরিফাই হয়ে যাবে।
[2:42]ভেরিফাই হওয়ার সাথে সাথেই কিন্তু আপনার ফাইভারে একটা একাউন্টও ক্রিয়েট হয়ে গেল। এবারে যে কাজটি করতে হবে তা হলো ডান পাশে থাকা প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করতে হবে।
[2:50]এবারে আপনাকে সেটিংস অপশনে ক্লিক করতে হবে। এখন ফুল নামের জায়গায় আপনি আপনার নামটুকু এনআইডি অনুসারে দিয়ে দিবেন আপনার যদি এনআইডি কার্ড না থাকে তাহলে আপনার পিতা-মাতা বা অভিভাবক কারো এনআইডি থাকলে তার নামটুকু দিয়ে দিবেন এক্ষেত্রে কোন প্রকার প্রবলেম নেই।
[3:04]ওকে এবারে নাম দেওয়ার পর সেভ চেঞ্জেস বাটনে ক্লিক করলেই এই অংশটুকু সেভ হয়ে যাবে। ভিউয়ার্স এবারে আপনাদেরকে প্রোফাইলটা খুব সুন্দর করে কমপ্লিট করতে হবে।
[3:13]কারণ একজন বায়ার যখন অর্ডার করবে তখন কিন্তু সে প্রোফাইলটাকে আগে দেখবে। সো আমাদের প্রোফাইলে ইনফরমেশন গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
[3:20]নাও আমরা প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করে প্রোফাইল অপশনটুকু সিলেক্ট করব। এবারে যে ইন্টারফেসটি এসেছে তার ঠিক বাম পাশে দেখেন এখানে বেশ কয়েকটা অপশন রয়েছে তার মধ্যে শুরুর দিকে হচ্ছে প্রোফাইল আপনি প্রোফাইলে ক্লিক করে আপনি আপনার একটা ছবি সেট করে দিবেন ওকে।
[3:33]তারপর দুই নাম্বারে একটা অপশন রয়েছে সেটা হচ্ছে ইউর ডিসপ্লে নেম আপনি এইখানে ক্লিক দেওয়ার পর আপনি একটা ডিসপ্লে নেম দিয়ে দিবেন এক্ষেত্রে আপনি আপনার ডাক নামটুকুও দিয়ে দিতে পারেন ওকে।
[3:41]তারপর নিচের দিকে প্যানের একটা আইকন রয়েছে এখানে ক্লিক দিয়ে আপনি আপনার সম্পর্কে জাস্ট এক ওয়ার্ডে আপনি কিছু লিখবেন। ব্যাস এখানে কাজ এতটুকুই।
[3:51]আচ্ছা প্রোফাইল কমপ্লিট করার জন্য আপনারা যে রিলেটেড কাজ করতে চান অর্থাৎ আপনি যদি ভিডিও এডিটিং করতে চান গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে চান অথবা হচ্ছে আপনি যদি ডেটা এন্ট্রি করতে চান মানে যে রিলেটেড কাজই করতে চান।
[4:05]সেই রিলেটেড অন্য প্রোফাইল মানে অন্যেরা যারা কাজ করছে সেম রিলেটেড তাদের প্রোফাইলগুলো দেখবেন যারা হচ্ছে টপ র্যাংকিং এ আছে। এরকম চার থেকে পাঁচজন বা সাতজন লোকের প্রোফাইলটাকে আপনারা ঘাটাঘাটি করবেন করে দেখবেন আসলে তারা তাদের প্রোফাইলটা কিভাবে কমপ্লিট করেছে।
[4:15]সেইখান থেকে জাস্ট একটা আইডিয়া নিবেন আমি বলছি না কারোর এটা সরাসরি কপি করে আপনার এখানে বসিয়ে দিয়ে জাস্ট আপনার নাম ঠিকানাটা দিয়ে দিবেন। আমি বলছি হচ্ছে তাদের কাছ থেকে আইডিয়া নিয়ে আপনি আপনার প্রোফাইলটাকে কমপ্লিট করবেন।
[4:26]আচ্ছা এবারে আপনি নতুন একটা ট্যাব ওপেন করে আপনি আবারো ফাইভারে যাবেন। এবারে গ্রাফিক্স ডিজাইনে ক্লিক করলে শত শত গ্রাফিক্স ডিজাইনারের প্রোফাইল দেখাবে।
[4:36]গ্রাফিক্স ডিজাইন বলছি মানে আপনি যে রিলেটেড কাজ করতে চান সেই রিলেটেড অপশনে ক্লিক দিলেই কিন্তু সেই রিলেটেড শত শত লোকের প্রোফাইল দেখাবে ওকে।
[4:44]এবারে আপনি তাদের প্রোফাইল থেকে দেখবেন যে তারা কিভাবে ডিসক্রিপশন লিখেছে স্ক্রিল কি দিয়েছে বা অন্যান তথ্যগুলো কিভাবে ফুলফিল করেছে সবকিছুই আপনারা দেখবেন এবং সেইখান থেকে একটা আইডিয়া নিবেন।
[4:54]শুরুতেই আমি আমার প্রোফাইলের জন্য আগে থেকে লিখে রাখা ডিসক্রিপশনটা বসিয়ে দিচ্ছি। তারপর ল্যাঙ্গুয়েজের জায়গায় আমার যেসব ল্যাঙ্গুয়েজে স্ক্রিল রয়েছে সেগুলা আমি বসিয়ে দিচ্ছি।
[5:03]তারপর এখান থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার লিংকগুলোতে আমার যত সোশ্যাল মিডিয়ার লিংক আছে সবগুলোকে এখানে যুক্ত করে দিচ্ছি। তারপর এখান থেকে স্ক্রিলের জায়গায় আপনার যে সকল বিষয়ে দক্ষতা রয়েছে সেইগুলা আপনারা এখানে বসিয়ে দিবেন।
[5:15]তারপর ইডুকেশনের জায়গায় শিক্ষাগত সকল যোগ্যতার তথ্যগুলো এখানে বসিয়ে দিবেন। তারপর সার্টিফিকেশনের জায়গায় আপনার যে বিষয়ে কাজ করতে চান সে বিষয়ে আপনারা যেখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন সে প্রশিক্ষণের যে সার্টিফিকেট দিয়েছে বা কোন কোন জায়গা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
[5:27]তারপর অনলাইনে এই ধরনের কাজ করার ক্ষেত্রে কি কি প্রশিক্ষণ আপনাদের রয়েছে। সো সবগুলা প্রশিক্ষণের ইনফরমেশন এখানে বসিয়ে দিবেন। এবারে কিন্তু আমাদের প্রোফাইলের অনেক তথ্যই এখানে দেওয়া হয়ে গেছে।
[5:39]এই তথ্যগুলা ছাড়াও কিন্তু প্রোফাইল কমপ্লিট করার জন্য আমাদেরকে আরো বেশ কিছু তথ্য দিতে হবে চলুন সেই তথ্যগুলোই ফুলফিল করা যাক। আর এজন্য আপনি প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করবেন।
[5:50]তারপর নিচের দিকে থাকা বিকাম এ সেলার অপশনে একটা ক্লিক করবেন। এবারে যে ইন্টারফেসটা আসবে এখান থেকে আপনি আবারও দেখতে পারবেন বিকাম এ সেলার নামে একটা অপশন আসছে এখানে আপনি ক্লিক করবেন।
[5:58]এবারে কন্টিনিউ একটা ক্লিক করবেন। তারপর যে ইন্টারফেসটা আসবে এখান থেকে আবারও কন্টিনিউ ক্লিক করবেন। দেন আবারও কন্টিনিউ অপশনটাতে ক্লিক করবেন।
[6:06]এবারে যে ইন্টারফেসটা এসেছে তার উপরের দিকে আপনি খেয়াল করে দেখেন যে প্রোফাইল কত পার্সেন্ট কমপ্লিট হয়েছে সেটা কিন্তু দেখাচ্ছে। যেটুকু হয়েছে আর যেটুকু বাকি আছে সেটুকু কিন্তু আমাদেরকে ফুলফিল করতে হবে অর্থাৎ আমাদের প্রোফাইলটাকে হানড্রেড পার্সেন্ট কমপ্লিট করতে হবে।
[6:20]ওকে প্রোফাইল কমপ্লিট করার জন্য আমরা বাকি ইনফরমেশন গুলো দিয়ে দিচ্ছি। সো ফুল নামের জায়গায় ফার্স্ট নেম এবং লাস্ট নেম দিয়ে আপনি স্ক্রল করে নিচের দিকে চলে যাবেন কারণ মাঝের তথ্যগুলা আমরা আগেই ফুলফিল করে ফেলেছি।
[6:36]সো নিচের দিকে থাকায় কন্টিনিউ বাটনে একটা ক্লিক করে দিবেন। এবারে যে ইন্টারফেসটা এসেছে এখান থেকে বলছে অকুপেশনটা উল্লেখ করে দিতে। অর্থাৎ আপনি যে রিলেটেড কাজ করতে চান সেটাকে আপনি আপনার অকুপেশন হিসেবে উল্লেখ করে দিবেন।
[6:45]ধরেন আমি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চাই সো আমি গ্রাফিক্স ডিজাইনারই উল্লেখ করে দিব। আপনি যে অকুপেশনটা উল্লেখ করবেন সেই অনুসারে কিন্তু আপনি দেখবেন নিচের দিকে বেশ কিছু স্ক্রিল দেখাচ্ছে এখান থেকে মিনিমাম দুইটা থেকে ম্যাক্সিমাম পাঁচটা পর্যন্ত স্ক্রিল আপনারা সিলেক্ট করে দিবেন।
[6:59]বাকি ইনফরমেশন গুলা আমরা আগে থেকে ফুলফিল করে ফেলেছি সো এগুলা আর দিতে হবে না। সবার নিচের দিকে দেখেন পার্সোনাল ওয়েবসাইটের একটা অপশন আছে আপনার যদি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে দিবেন না দিলেও কোন সমস্যা নেই।
[7:10]ওকে আবারও আমরা কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করছি। এবারে যে ইন্টারফেসটি এসেছে এইখান থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার লিংকগুলো এড করা আছে সো এগুলা আমাদেরকে এড যেহেতু করতে হচ্ছে সো আমরা নিচের দিকে থাকা কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করছি।
[7:22]এখন এখান থেকে যে অপশনটা আসছে এখান থেকে বলছে যে ইমেইলটা ভেরিফিকেশন করা আছে বাট এখান থেকে ফোন নাম্বারটা ভেরিফিকেশন করা নেই। এক্ষেত্রে আপনি অ্যাড ফোন নাম্বার এই অপশনটাতে ক্লিক দেওয়ার পর আপনার ফোন নাম্বার চাইবে ফোন নাম্বার দিবেন তারপর আপনার সিমে একটা কোড যাবে কোডটা এখানে বসিয়ে দিলেই কিন্তু আপনার ফোন নাম্বারটা ভেরিফাই হয়ে যাবে।
[7:38]ওকে এখন দেখতে পাচ্ছেন একটা সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন এসেছে এক্ষেত্রে আপনি একটা কোয়েশ্চেন সিলেক্ট করে নিচের দিকে আনসার দিয়ে আপনি হচ্ছে ফিনিশ বাটনে একটা ক্লিক করে দিলেই কিন্তু আমাদের এই কাজটুকু ফিনিশ হয়ে যাবে।
[7:47]এবারে যে ইন্টারফেসটি আসছে এখান থেকে বলছে যে ইউর সেলার প্রোফাইল ইজ অল সেট তার মানে হচ্ছে আমাদের প্রোফাইল হানড্রেড পার্সেন্ট কমপ্লিট হয়ে গেছে। এখন এখান থেকে ডান বাটনে ক্লিক করে দিচ্ছি।
[7:59]এখন কিন্তু আমাদের টোটাল প্রোফাইলটা কমপ্লিট হয়েছে। এখন আমাদের যে কাজটা করতে হবে সেটা হচ্ছে একটা গিগ তৈরি করতে হবে। এখন অনেকে বলতে পারেন যে গিগটা আসলে কি? আচ্ছা আমি আপনাদেরকে একটু প্র্যাকটিক্যালি বোঝাই।
[8:08]ধরেন এতক্ষণ আমরা একটা দোকান ভাড়া নিয়েছি দোকানে বিভিন্ন ডেকোরেশন করেছি বাট আমরা কিন্তু দোকানে কোন প্রকার প্রোডাক্ট তুলি নাই। এখন আমাদেরকে প্রোডাক্ট তুলতে হবে।
[8:19]এই প্রোডাক্ট হচ্ছে আমাদের গিগ। প্রোডাক্টটাকে আমরা যত সুন্দর করে সাজাতে পারবো প্লাস আমরা এর প্রাইসটা রিজনেবল দিতে পারবো ততই কিন্তু আমাদের প্রোডাক্টটা বেশি সেল হবে আর এই প্রোডাক্টটাই হচ্ছে মূলত গিগ।
[8:31]তো চলুন এখন আপনাদেরকে দেখাই কিভাবে গিগ ক্রিয়েট করতে হবে। অলরাইট আমরা আমাদের মূল ইন্টারফেসে চলে আসলাম। শুরুতেই আমাদেরকে গিগের একটা টাইটেল দিতে হবে।
[8:38]তারপর এখান থেকে ক্যাটাগরি সিলেক্ট করতে হবে সাব ক্যাটাগরি সিলেক্ট করতে হবে এন্ড ট্যাগ বসাতে হবে। আপনারা গিগটাকে ভালো করে বসানোর জন্য নতুন একটা ট্যাবে আপনাদের ফাইভারটাকে ওপেন করবেন।
[8:49]এবারে আপনি যে ক্যাটাগরির গিগ তৈরি করতে চান সেই ক্যাটাগরির সফল ফ্রিল্যান্সার যারা রয়েছে তাদের প্রোফাইলটা ভিজিট করবেন সেইখানে তারা সেইম রিলেটেড গিগগুলা কিভাবে বসিয়েছে।
[9:02]সেইখান থেকে আপনারা আইডিয়া নিবেন। এক্ষেত্রে আপনারা মিনিমাম আট থেকে দশটা সফল ফ্রিল্যান্সারের গিগগুলা দেখে আপনারা আইডিয়া নিয়ে আপনারা আপনাদের মত করে এই গিগগুলা তৈরি করবেন।
[9:11]ওকে এবারে আমি এখান থেকে একটা টাইটেল দিয়ে দিলাম তারপর এখান থেকে ক্যাটাগরি দিয়ে দিলাম তারপর সাব ক্যাটাগরিও দিয়ে দিলাম সর্বশেষ আমি ট্যাগও দিয়ে দিলাম।
[9:20]ব্যাস এই পেজে কিন্তু আমার কাজ শেষ এখন নিচের দিকে থাকা সেভ এন্ড কন্টিনিউ বাটনে একটা ক্লিক করে দিচ্ছি। এখন আসছে প্রাইজিং অপশনটা এখান থেকে বেসিক স্ট্যান্ডার্ড এন্ড প্রিমিয়াম নামে তিনটি অপশন রয়েছে।
[9:29]আপনারা এই সবগুলো তথ্যই ফুলফিল করবেন। আমি এটা আপনাদেরকে স্টেপ বাই স্টেপ দেখাতে পারছি না কারণ ভিডিওটা অনেক বেশি লেন্দি হয়ে যাচ্ছে।
[9:39]সো এই তথ্যগুলা ফুলফিল করার জন্য আপনারা অবশ্যই টপ সেলারের যে গিগগুলা রয়েছে সেইগুলা দেখে তারপর হচ্ছে আপনারা হেল্প নিয়ে আপনারা এই তথ্যগুলা ফুলফিল করবেন।
[9:49]ওকে আমি তথ্যগুলো ফুলফিল করে আবার আপনাদের সাথে আসছি। অলরাইট দেখতে পাচ্ছেন আমি সবগুলা তথ্যই কিন্তু ফুলফিল করেছি এবারে নিচের দিকে থাকা সেভ এন্ড কন্টিনিউ বাটনে একটা ক্লিক করে দিচ্ছি।
[9:57]ওকে এবারে যে ইন্টারফেসটি এসেছে এখান থেকে বলছে যে ব্রিফলি ডিসক্রাইব ইউর গিগ তার মানে আপনি যে গিগটা পাবলিশ করছেন সেই গিগ সম্পর্কে কিছুটা এখানে ডিসক্রাইব করবেন ঠিক আছে কিছুটা বর্ণনা দিবেন।
[10:07]দেয়ার পর আপনি একটু স্ক্রল করে নিচের দিকে গেলে দেখতে পারবেন ফ্রিকুয়েন্টলি আস্ক কোয়েশ্চেন নামে একটা অপশন রয়েছে এখানে ক্লিক দিয়ে কিছু কমন প্রশ্ন থাকে এই কমন প্রশ্নগুলা উত্তর আপনি এখানে দিয়ে দিবেন প্রশ্ন এবং উত্তর দিয়ে দিবেন।
[10:20]এটাও হচ্ছে আপনি অন্য একজন সেলারের কাছ থেকে হেল্প নিতে পারেন যে তারা আসলে কিভাবে এই প্রশ্নগুলার উত্তর দিয়েছে ওকে। এটা দেওয়া শেষ হলে নিচের দিকে আপনি দেখতে পারবেন সেভ ইন কন্টিনিউ নামে একটা অপশন রয়েছে এখানে ক্লিক করবেন।
[10:30]এবারে যে ইন্টারফেসটি আসবে এখান থেকে আপনি আবারও হচ্ছে সেভ এন্ড কন্টিনিউ বাটনে একটা ক্লিক করে দিবেন। এবারে এরকম একটা ইন্টারফেস চলে আসবে এখান থেকে আপনি উপরের দিকে যে ক্রস বাটনটা রয়েছে এখানে ক্লিক দিয়ে আপনি এটাকে কেটে দিবেন।
[10:40]এখন আপনার সামনে যে অপশনটুকু আসবে এখান থেকে হচ্ছে ছবি বসাতে হবে ভিডিও বসাতে হবে এবং পিডিএফ ফাইল বসাতে হবে ঠিক আছে। এটার মানে হচ্ছে আপনার পূর্বের যে কাজ করেছেন আপনি সেই কাজের কিছু স্যাম্পল ছবি এখানে এড করবেন।
[10:55]ছবির কি রেজুলেশন সেটা কিন্তু পাশেই দেখাচ্ছে এবং এখান থেকে ভিডিও কত এমবির মধ্যে বসাতে পারবেন সেটাও দেখাচ্ছে এবং পিডিএফ এ আপনি আপনার ইনফরমেশন গুলা এগুলা সবগুলা দিয়ে দিবেন ঠিক আছে।
[11:03]ছবির জায়গায় ছবি ভিডিওর জায়গায় ভিডিও পিডিএফ এর জায়গায় পিডিএফ এই সবগুলা অংশ বসিয়ে দিবেন আর এই ছবি বা ভিডিওগুলাই কিন্তু একজন বায়ার যখন আপনার গিগে ক্লিক করবে তখন সে সে দেখতে পারবে।
[11:13]সো এগুলা যদি বেটার হয় তাহলে কিন্তু সে আপনার এইগুলা দেখেই ক্লিক করতে পারে যে এই ভদ্রলোকের এক্সপেরিয়েন্স আছে বা হচ্ছে তার কাজগুলো আমার পছন্দ হয়েছে। সো আপনারা এখানে আপনাদের ভালো ভালো ছবি বা ভিডিওগুলোকে এড করে দিবেন ওকে।
[11:27]সো এড করা হয়ে গেলে নিচের দিকে দেখতে পারবেন আই ডিক্লিয়ার নামে একটা অপশন রয়েছে তার পাশে টিক চিহ্নটা তুলে দিয়ে তারপর হচ্ছে আপনি সেভ এন্ড কন্টিনিউ বাটনে একটা ক্লিক করে দিবেন।
[11:35]ভিউয়ার্স এবারে যে ইন্টারফেসটুকু এসেছে এখান থেকে বলছে ইউর অলমোস্ট দেয়ার এখান থেকে মোটামুটি আমাদের কাজ শেষ এখন দেখেন নিচের দিকে একটা অপশন আছে আর ইউ এ ইউএস পার্সন।
[11:45]আপনি যদি ইউএসএ থাকেন তাহলে হচ্ছে আপনি এটাকে ইয়েস দিবেন আর আমার মতো বাংলাদেশ বা অন্য কোন কান্ট্রিতে থেকে থাকলে আপনি নো দিবেন দেওয়ার পর হচ্ছে নিচের দিকে থাকা সেভ বাটনে ক্লিক করে দিবেন।
[11:55]এখন বলছে ইউ আর ডান এখন এখান থেকে ক্লোজ যে বাটনটা রয়েছে এখানে ক্লিক করে দিচ্ছি। এবারে দেখেন পাবলিশ গিগ নামে একটা অপশন রয়েছে জাস্ট এইখানে একটা ক্লিক করছি।
[12:05]এখন দেখাচ্ছে ডান নামে একটা অপশন সো এখানে ক্লিক করে দিচ্ছি এখন কিন্তু ফাইনালি আমাদের গিগটা কিন্তু পাবলিশড হয়ে গেল। তার মানে হচ্ছে এখন যেকোনো বায়ার কিন্তু আমাদের এই গিগটা দেখতে পারবে।
[12:16]সো এইটা দেখে কেউ যদি চায় তাহলে কিন্তু আমাদেরকে অর্ডার করতে পারে। সো গাইজ এতক্ষণ কিন্তু আমি আপনাদেরকে ফাইভার অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করা বা গিগ ক্রিয়েট করার মতো বিষয়গুলাকে খুব ইজিলি উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি।
[12:27]আর এখানে যে আমি আপনাদেরকে একদম সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখিয়েছি বিষয়টা কিন্তু সেরকম না আর দেখা হয়নি কারণ হচ্ছে ফাইভার হচ্ছে এমন একটা জিনিস যেখানে কাজ করতে গেলে আপনার নিজের কিছু বুদ্ধিমত্তা দিয়ে অবশ্যই কাজ করতে হবে।
[12:40]আর এখানে যখন আপনারা ফর্মটাকে ফিল আপ করতে যাবেন তখন কিছু বিষয় আছে আপনাকে নিজেকেই উপলব্ধি করতে হবে। তা না হলে বায়ার যখন আপনাকে কাজ দিবে তখন কিন্তু সেগুলা আপনি বুঝতে পারবেন না এইটুকু জেনারেল নলেজ অবশ্যই আপনার থাকতে হবে।
[12:51]আচ্ছা যাই হোক এখন একটা কমন প্রশ্ন অনেকেরই আসতে পারে যে আমি আসলে কোন বিষয় নিয়ে কাজ করব বা আমি এই কাজগুলো কোত্থেকে শিখবো হ্যাঁ আমি আপনাদেরকে বলছি যে আপনার যে কাজটা ভালো লাগে।
[12:59]আপনারা ফাইভারে যাবেন যাওয়ার পর দেখবেন যে এখানে শত শত ক্যাটাগরির কাজ রয়েছে তার মধ্যে যে কাজটা করতে আপনার ভালো লাগে আপনি সেটাকেই মনস্থির করবেন এবং চিন্তা করবেন যে আমি এইটার উপরেই ফাইভারে কাজ করব।
[13:13]সো এই ক্ষেত্রে আপনাকে যে কাজটা করতে হবে এই কাজটা খুব ভালোভাবে শিখতে হবে খুবই ভালোভাবে শিখতে হবে ঠিক আছে ধরেন আপনি ভিডিও এডিটিং করতে চান আপনি মনে করেছেন যে আমি ভিডিও এডিটিং এর উপরেই হচ্ছে আমার ক্যারিয়ারটা গড়বো।
[13:25]সো আপনাকে ভিডিও এডিটিং শিখতে হবে আপনি যদি চান যে গ্রাফিক্স ডিজাইন সেটার মধ্যে যেতে পারেন আপনি যদি মনে করেন যে না আমি হচ্ছে কোডিং লিখবো বা হচ্ছে আমি হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন করব অর্থাৎ আপনার যে জিনিসটা করতে ভালো লাগে সেটাকে আপনি আগে স্থির করবেন তারপর হচ্ছে এটা শিখতে শুরু করবেন।
[13:36]এখন শিখার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ইউটিউব ঠিক আছে অনেকে আছেন যারা হচ্ছে বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার থেকে শিখতে চান আমি বলব যে ট্রেনিং সেন্টার যদি আপনার কাছাকাছি থাকে বা আপনি যদি টাচ করতে পারেন যেতে পারেন।
[13:48]তা না হলে সবচেয়ে বড় টিচার হচ্ছে ইউটিউব কারণ আপনি টিচারের কাছ থেকে যা না পাবেন আপনি ইউটিউব এর কাছ থেকে তার চেয়ে অনেক গুনে বেশি কিছু পাবেন ঠিক আছে বাংলা কন্টেন্ট আছে হিন্দি কন্টেন্ট আছে ইংলিশ কন্টেন্ট আছে বিভিন্ন ভাষায় কন্টেন্ট আছে।
[14:03]তবে আপনাকে হচ্ছে জাস্ট এগুলা বের করে নিয়ে আসতে হবে ওকে এখন বলতে পারেন যে আসলে ইউটিউব থেকে কি শিখা যায়? আমি এই যে পার্সোনালি আমি এত কিছু করেছি।
[14:10]আমি হচ্ছে ইউটিউবে কাজ করেছি ওডেস্কে কাজ করেছি তারপর এটা আপওয়ার্ক হয়ে আসলো এখানে কাজ করেছি আমি কিন্তু কোথাও শিখি নাই ঠিক আছে।
[14:17]শুধুমাত্র সাহায্য নিয়েছি ইউটিউব থেকে নিজে নিজে চেষ্টা করেছি আর ইউটিউব থেকে সাহায্য নিয়েছি স্টিল নাও আমাকে কেউ কোন কিছু শিখায় না আমি কেন কোন টেক টিউবাররে আপনি যদি কোনদিন দেখা হয় প্রশ্ন করবেন কোথা থেকে শিখেছেন।
[14:29]কেউই বলবে না যে আমি কোন ট্রেনিং সেন্টার থেকে শিখেছি যারা শিখেছে সবাই নিজের চেষ্টা আর হচ্ছে ইউটিউব এর হেল্প ওকে আপনারা এই দুইটা জিনিস দিয়ে কিন্তু আপনারা সামনে এগিয়ে যাবেন।
[14:38]আচ্ছা আরেকটা কথা আপনাদেরকে বলি যে ফাইবারে কাজ করার জন্য ইংরেজি দক্ষতা আপনার কিছুটা লাগবে কারণ কোন বায়ার যখন আপনাকে কাজ দিবে তখন কিন্তু সে আপনার সাথে বিভিন্ন মেসেজ করে বিভিন্ন কিছু বোঝানোর চেষ্টা করবে এবং আপনি যে কাজটা পাবেন সেখানে কিন্তু বিভিন্ন ইন্সট্রাকশন থাকবে সেগুলা দেখে কিন্তু আপনাকে কাজটা করতে হবে।
[14:54]সো এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাদেরকে ইংরেজির প্রতি কিছুটা দক্ষতা রাখতে হবে আর যদি না থাকে তাহলে সেটা অবশ্যই আপনারা ইউটিউব থেকে দেখে বা বিভিন্ন বই পড়ে কিন্তু সেটার থেকে একটা মোটামুটি স্ক্রিল নিয়ে নিতে হবে।
[15:05]আচ্ছা আরেকটা প্রশ্ন অনেকেরই আসতে পারে যে টাকা আসলে কিভাবে আসবে আপনি যখন বায়ারকে কাজটা ডেলিভারি দিয়ে দিবেন তার কিছুদিনর মধ্যেই কিন্তু ফাইভার আপনার অ্যাকাউন্টে টাকাটা যোগ করে দিবে ওকে।
[15:15]টাকাটা পাওয়ার পর আপনি কিন্তু সেই টাকাটা উইথড্র করতে পারবেন তবে উইথড্র করার সিস্টেমটা এই মুহূর্তে আমি আপনাদেরকে দেখাচ্ছি না কারণ ভিডিওটা এমনিতেই অনেক লেন্দি হয়ে গেছে ওকে।
[15:24]উইথড্র করাটা খুবই ইজি আপনারা পেওনিয়ারে একটা অ্যাকাউন্ট করে নিবেন আর পেওনিয়ার থেকে কিন্তু সরাসরি টাকা বিকাশে নেওয়া যায় মোট কথা হচ্ছে আপনি টাকাটা বিকাশে কিন্তু নিতে পারবেন এটা হচ্ছে একটা বড় সুবিধা যাই হোক এটার জন্য আলাদা একটা ডেডিকেটেড ভিডিও সামনে আসবে সেই ভিডিওতে হয়তোবা আমি আপনাদেরকে সবকিছুই দেখানোর চেষ্টা করব।
[15:39]যাই হোক ভিডিও শেষ করার আগে আমি আপনাদেরকে একটা সতর্কবাণী দিয়ে দেই সেটা হচ্ছে যে আপনারা প্রথমে কাজটাকে ভালো করে শিখবেন সেই বিষয়ে এক্সপার্ট হওয়ার চেষ্টা করবেন তারপর আপনারা গিগ ক্রিয়েট করে আসলে কাজ খোঁজার চেষ্টা করবেন।
[15:50]আর প্রথমেই আপনারা যদি অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করে গিগ সাবমিট করে যদি আপনারা বসে থাকেন কাজ পান কাজ ডেলিভারি না দিতে পারেন তাহলে কিন্তু এটা একটা নেগেটিভ র্যাংকিং বা নেগেটিভ মার্কিং পড়বে আপনার উপর শুধু সেটা আপনার না সারা বাংলাদেশের যত ফ্রিল্যান্সার রয়েছে ফাইভারে যারা কাজ করে তাদের উপরেও পড়বে কারণ এই দেশ সম্পর্কে একটা নেগেটিভ ধারণা জন্ম নিবে।
[16:08]সো আপনারা আগে এক্সপার্ট হন তারপরে হচ্ছে আপনারা কাজগুলা শুরু করেন। যাই হোক আমি আমার সর্বশেষ কথাটুকু বলে ভিডিওটা শেষ করবো সেটা হচ্ছে আপনারা যখন ফাইবারে গিগগুলা অ্যাক্টিভ করবেন তারপরে আপনারা আপনাদের ফোনেও কিন্তু এই অ্যাপসটাকে ইন্সটল করে রাখবেন।
[16:19]কারণ যখনই বায়ার আপনাকে নক দিবে আপনি যেন সাথে সাথে তার রিপ্লাই দিতে পারেন ঠিক আছে সো এই কাজটুকু করবেন আপনারা সেগুলো হচ্ছে গিগ যখন আপনারা আপলোড করবেন বা গিগ হচ্ছে যখন আপনারা পাবলিশ করবেন তারপর ওকে গাইজ আমার মনে হচ্ছে ভিডিওটা অনেক বেশি লেন্দি হয়ে গেছে তারপরও আমি আপনাদেরকে একটা ফাইভার সম্পর্কে কমপ্লিট ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
[16:40]বিদায় নিচ্ছি আপনাদের কাছ থেকে আমি হিমেল দেখা হচ্ছে আরো কোন ইন্টারেস্টিং ভিডিও নিয়ে সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।



