Thumbnail for ইউটিউবে সফল হওয়ার উপায় | How to Get Success in YouTube by AFR Technology

ইউটিউবে সফল হওয়ার উপায় | How to Get Success in YouTube

AFR Technology

10m 32s1,876 words~10 min read
Auto-Generated

[0:00]Facebook এবং ইউটিউব এর জন্য ভালো মানের ভিডিও তৈরি করেও ছোট বড় কিছু ভুলার কারণে আপনি একজন ব্যর্থ কনটেন্ট ক্রিয়েটর। আপনার ক্যাটাগরিতে আপনার চেয়ে বাজে ভিডিও আপলোড করেও অনেকেই সফল। কোন ভুল গুলোর কারণে আপনার কনটেন্ট ক্রিয়েশনের এই বাজে অবস্থা? আমি আমার দীর্ঘ ইউটিউব জার্নির আলোকে আপনাদেরকে বলবো যে আসলে কিভাবে আপনারা সেই ভুল গুলোকে শুধরে একজন সফল কনটেন্ট ক্রিয়েটরে পরিণত হবেন। চলুন কথা না বাড়িয়ে মূল ভিডিওটা শুরু করা যাক। নতুন চ্যানেল খোলার পর একটা ভুল কিন্তু মোটামুটি আমরা কমবেশি সবাই করি, যেমন এটা আমিও শুরুর দিকে করেছিলাম। যে কাউকেই পেলাম ফ্রেন্ডস, ফ্যামিলি বা আত্মীয় স্বজন যাকেই পেলাম তার ফোনেই কিন্তু আমার চ্যানেলটাকে সাবস্ক্রাইব করে দিচ্ছি। এই যে সাবস্ক্রাইবটা করে দিচ্ছি এটা কিন্তু চরম একটা ভুল। এখন আপনি বলতে পারেন যে না সাবস্ক্রাইবার বাড়ছে, আমার এই সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর কোনো দরকার নেই। কারণ আপনি যার মোবাইল দিয়ে সাবস্ক্রাইব করছেন সে তো আপনার চ্যানেলের ভিডিও কখনোই দেখবে না। সে ইন্টারেস্টেড না। সো দেখা গেল যে আপনি কোন একটা ভিডিও আপলোড করার সাথে সাথেই সেই ভিডিওটা কিন্তু তার কাছে পৌঁছালো Facebook বা YouTube বাট সে তো ইন্টারেস্টেড না সে ভিডিওটা দেখল না। আর যখন সে ভিডিওটা দেখল না তখন Facebook বা YouTube এর রোবট ধরে নিল যে আপনার এই ভিডিওটা কোয়ালিটিফুল হয়নি যে কারণে সে ভিডিওটা সে দেখেনি সে সাবস্ক্রাইব করার পরেও। যে কারণে পরবর্তীতে আপনি ভিডিও আপলোড করলেও কিন্তু সে ভিডিওগুলো শুধু তার কাছে পৌঁছাবে না সেটা কিন্তু না Facebook বা YouTube এর রোবট মনে করবে যে এগুলা কোয়ালিটিফুল ভিডিও না। যার ফলে কিন্তু আপনার ভিডিওটার রিচ অনেক কমিয়ে দিবে যার ফলে আপনার ভিউটা একদমই পড়ে যাবে। সো এই ক্ষেত্রে আমি আপনাদেরকে বলবো যে কেউ যদি আপনার চ্যানেল ইন্টারেস্টেড হয়ে ভিডিওতে সাবস্ক্রাইব করে তাহলে সেটাই বেস্ট আপনি কাউকে দিয়ে এভাবে ফোর্স করে আপনি আসলে সাবস্ক্রাইব করতে যাবেন না এতে কিন্তু ফলাফলটা মোটেও ভালো পাবেন না। সময়ের সাথে সাথে আমরা কিন্তু অনেক চালাক হয়ে গেছি অর্থাৎ নিজের ভিডিও নিজে দেখিনা বাট ফ্যামিলির অন্য কাউকে দিয়ে দেখাই বা কোন ফ্রেন্ডসদের মোবাইল দিয়ে দেখাই এরকম করি অনেক কিছুই। আর এটা কিন্তু মোটেও ঠিক নয়। কারণ আপনি আপনার ফোন দিয়ে আপনার ভিডিওটা দেখছেন না ঠিক আছে কিন্তু আপনি যে রাউটার ইউজ করছেন বা যে লাইন ইউজ করছেন সেই একই লাইন থেকে যখন কোনো একটা লোক সে ভিডিওটা সম্পূর্ণ দেখবে তখন কিন্তু Facebook বা YouTube এর রোবট সেই ম্যাক আইডিটাকে ট্রেস করে ফেলবে যে এটা একই রাউটার থেকে এই ভিডিওটা দেখছে। তার মানে হচ্ছে এই ভিডিওটা ইনটেনশনালি দেখা হচ্ছে। যার ফলে কিন্তু এটাকে তারা একটা নেগেটিভ মার্কিং হিসেবে ধরে নিবে এবং আপনার ভিডিওতে কিন্তু ভিউজটা অনেক কমিয়ে দিবে। সো আপনারা কখনোই এভাবে নিজের ভিডিও নিজে দেখতে যাবেন না স্পেশালি একই রাউটার বা একই কানেকশন থেকে মোটেও দেখা যাবে না। কন্টেন্ট ক্রিয়েশনে ব্যর্থ হওয়ার পেছনে এখন আমি যে কারণটা ব্যাখ্যা করব আমার মনে হয় যে এটা ম্যাক্সিমাম লোকেই করে থাকে এবং আমিও কিন্তু এটা করে এসেছি। ধরেন আমি যে ক্যাটাগরির ভিডিওটা আপলোড করছি আমার কাছে মনে হচ্ছে যে আমার এডিটিং প্রেজেন্টেশন আমার থাম্বনেইল সবকিছুই বেস্ট।

[2:47]বাট আমি যখন শুরু করেছি তখন আমার কাছে আসলে বেস্ট মনে হচ্ছে বা আপনার কাছে বেস্ট মনে হচ্ছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে আমার আপনার ভিডিওর কোয়ালিটির চেয়ে সেইম কোয়ালিটির অনেক ভালো কোয়ালিটির ভিডিও কিন্তু ইউটিউব বা ফেসবুকের রয়েছে। সো এটা কিন্তু আমরা বুঝতে পারি না কারণ আমরা নতুন নতুন ভিডিও ক্রিয়েট করছি যে কারণে আমার কাছে মনে হচ্ছে বা আপনার কাছে মনে হচ্ছে যে আপনারটাই বেস্ট। সো এই ক্ষেত্রে আমাদেরকে নিরপেক্ষভাবে একটু জাজ করতে হবে আমাদের চেয়ে কে আরো বেশি ভালো কনটেন্ট তৈরি করেছে এবং তার চেয়ে ভালো করার জন্য আমাদেরকে কি কি করতে হবে সেগুলা নিয়ে মূলত কাজ করতে হবে। ওকে তাহলেই আপনি সফল হতে পারবেন। অনেকেই বলতে শুনবেন যে ভিডিওর লেন্থ বেশি হলে ভিডিওতে ভিউজ বেশি আসতে পারে। হ্যাঁ আমি এই কথাটার সাথে একমত কিন্তু এটা করতে গিয়ে আমরা যে ভুলটা করে ফেলি সেটা হচ্ছে আমাদের কনটেন্টের আসলে ডিউরেশন হয় চার থেকে পাঁচ মিনিট। বাট আমাদের কাছে মনে হচ্ছে যে না এটা কি যদি আমরা বেশি করতে পারি ভিউজ বেশি আসবে যে কারণে এই পাঁচ মিনিটের কনটেন্টটাকে আমরা টেনে হেঁচড়ে দশ মিনিট বা পনেরো মিনিটে নিয়ে যাই। আর যখন এটাকে পনেরো মিনিটে নিয়ে যাই তখন কিন্তু একটা মানুষের ইনটেনশন থাকে না। ঠিক আছে পাঁচ মিনিটেরটা সে চায় পাঁচ মিনিটের দেখতে পারলে সে চায় এটা তিন মিনিটের মধ্যে শেষ করতে ওকে কারণ অনলাইনে ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে একটা মানুষের বেশি ধৈর্য থাকে না। সেই ক্ষেত্রে যখন আমরা এটা পনেরো মিনিটে নিয়ে যাই তখন দেখা যায় যে সেই ভিডিওটা সেই ব্যক্তি হয়তোবা তিন মিনিট বা পাঁচ মিনিট দেখেই কেটে দিচ্ছে। আর এই যে ভিডিওটার পার্সেন্টিজটা কিন্তু Facebook বা YouTube এর রিপোর্ট বিবেচনা করে যে আসলে একটা লোক ভিডিওটা কত পার্সেন্ট দেখল বা কত পার্সেন্ট সময় দেখল। টাইম বিচারের বিশ্লেষণে সে ফাইভ পার্সেন্ট দেখেছে বা টেন পার্সেন্ট দেখেছে বা টোয়েন্টি পার্সেন্ট দেখেছে। সো এটাকে কিন্তু সে ভালো করে নেয় না কারণ ভিডিওর যে লেন্থ রয়েছে সে অনুপাতে কিন্তু এটা তার জন্য পারফেক্ট না। যার ফলে কিন্তু এই ভিডিওটার রিচ কমিয়ে দেয়। হ্যাঁ তবে যদি আপনার দশ মিনিটের ভিডিও আপনি দশ মিনিটে চাড়তে পারেন এবং মানুষের যদি এটেনশনটা ফুল সময় ধরে থাকে তাহলে কিন্তু ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পসিবিলিটি থাকে। আমরা Facebook বা YouTube এ চ্যানেল খুলেই দৌড়াতে শুরু করি যে কিভাবে আমাদের সাবস্ক্রাইবার আসবে বাকিভাবে ফলোয়ার আসবে বাকিভাবে আমাদের দ্রুত ভিউ আসবে। আর এটার জন্য দৌড়াতে দৌড়াতে অনেকেই যে কাজটা করে বসি সেটা হচ্ছে ফলোয়ার কিনে ফেলি সাবস্ক্রাইবার কিনে ফেলি এবং অনেকেই কিন্তু ভিউও কিনে ফেলি। আর এটা কিন্তু একটা চ্যানেলের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ। আপনাকে প্রথমে গুরুত্ব দিতে হবে আপনার কোয়ালিটির প্রতি মানে আপনার কনটেন্টের কোয়ালিটির প্রতি তারপর এখানে রেগুলার ভিডিও আপলোড করে যেতে হবে ধৈর্য সহকারে। আর আপনি যদি ঐ সাবস্ক্রাইবার, ফলোয়ার বা ভিউয়ারস এর পিছনে দৌড়ান তাহলে কিন্তু আপনার কোয়ালিটি মোটেও গ্রো করবে না। যার ফলে কিন্তু আপনার চ্যানেলে ভিউসও আসবে না আর আপনি একসময় ব্যর্থ হয়ে ইউটিউবিং বা কনটেন্ট ক্রিয়েশনে এই প্যাটাটুকু ছেড়েই দিবেন। ডে বাই ডে Facebook এবং YouTube এ কমিউনিটি গাইডলাইন্স কিন্তু অনেক বেশি জটিল হচ্ছে। সো আমরা কিন্তু এই কমিউনিটি গাইডলাইন্স সম্পর্কে কোন আইডিয়া না রেখেই কনটেন্ট ক্রিয়েশনে চলে আসি। যে কারণে আমরা কিন্তু খুব ভালো কনটেন্ট তৈরি করলেও সাকসেস হতে পারি না। ধরেন আপনি খুব ভালো ফুটবল খেলেন বাট আপনি ফুটবল খেলার নিয়মকানুন সম্পর্কে কিছুই জানেন না আপনাকে কোনো একটা মাঠে নামিয়ে দেওয়া হলো বাট আপনি এই মাঠে যত ভালোই খেলেন আপনি কিন্তু সফল হতে পারবেন না। কারণ আপনি তো জানেন না যে কোথায় বল লাগলে আপনার হ্যান্ডবল হতে পারে বা কোথায় গিয়ে আপনাকে গোল দেওয়া যাবে না বা হচ্ছে কাকে ফাউল করা যাবে না এই বিষয়গুলো যদি আপনি না জানেন তাহলে তো অবশ্যই আপনি ভালো খেলোয়ার হলেও আপনি কিন্তু সাকসেস হতে পারবেন না। সো কনটেন্ট ক্রিয়েশনের ক্ষেত্রেও কিন্তু একই জিনিস এরকম কমিউনিটি গাইডলাইন্স আছে যেগুলা অবশ্যই আপনাকে ভালো করে স্টাডি করতে হবে। ধরেন কোন ভিডিওগুলা আপনার আপলোড করা যাবে না। দেখছেন যে অন্য একজন আপলোড করেছে তাকে আসলে কপিরাইট ক্লেইম দিচ্ছে না আপনাকে দিচ্ছে আবার দেখা গেল যে আপনি একটা সাউন্ড ইউজ করেছেন বাট সেই সাউন্ড হচ্ছে কপিরাইট আসতেছে।

[6:19]আবার দেখা গেল যে আপনার ভিডিওতে কমিউনিটি গাইডলাইন্স ভঙ্গের অভিযোগ আসতেছে কিন্তু অন্যের একটা ভিডিওতে আসছে না। সো এই বিষয়গুলা আপনাকে অবশ্যই স্টাডি করতে হবে। যেহেতু আপনি কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে একটা পেশা হিসেবে নিতে চাচ্ছেন অবশ্যই আপনাকে অন্তত দুই থেকে চার দিন এটা নিয়ে স্টাডি করতে হবে। আপনি গুগলে সার্চ দিলেই কিন্তু তাদের কমিউনিটি গাইডলাইন্স সম্পর্কে একটা ধারণা পাবেন আবার যদি আপনি YouTube এ চান যে এখানে আপনি একটু স্টাডি করবেন এখানে স্টাডি করলে ভালো একটা আইডিয়া পাবেন।

[6:44]আর সেই আইডিয়া নিয়ে যদি আপনি শুরু করতে পারেন তাহলে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি আপনি যদি এই কারণে ব্যর্থ হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি ব্যর্থতা কাটিয়ে সফলতার মুখ দেখতে পারবেন। আমাকে যদি কেউ প্রশ্ন করে যে সফল কনটেন্ট ক্রিয়েটর হতে হলে আপনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে কোন বিষয়টার প্রতি? তাহলে আমি বলি যে আসলে অনেক বিষয়ই আছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আপনাকে যে জিনিসটা রাখতে হবে সেটা হচ্ছে ধৈর্য। কারণ আমাদের ম্যাক্সিমাম লোকেরই কিন্তু ধৈর্য থাকে না। দেখা গেল যে আমি খুব ভালো কনটেন্ট তৈরি করছি আমি একাধারে পাঁচটা দশটা বা বিশটা কনটেন্ট তৈরি করেছি তৈরি করার পর আমি দেখি যে না আমার চেয়ে অনেক লো কোয়ালিটির কনটেন্ট তৈরি করেও সে অনেক বেশি ভিউস পাচ্ছে সাবস্ক্রাইবার পাচ্ছে বাট আমি কিন্তু পজিশনে যেতে পারছি না। যে কারণে অনেকেই রাগ করে কিন্তু দেখা গেল যে আর কনটেন্ট ক্রিয়েশনটা কন্টিনিউই করে না। এই ক্ষেত্রে আমি আপনাদেরকে বলবো যে কনটেন্ট ক্রিয়েশন বা এই প্রতিযোগিতার যে মার্কেট বলতে পারেন এটাকে Facebook বা YouTube কে এখানে যদি আপনাকে এগিয়ে যেতে হয় বা টিকে থাকতে হয় তাহলে অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য নিয়ে লং টাইম পর্যন্ত কনটেন্ট তৈরি করে যেতে হবে। আর এই লং টাইম পরে গিয়ে কিন্তু আপনি সাকসেসের দেখা পাবেন আর যখন আপনি সাকসেসের দেখা পাবেন তখন শুধু কনটেন্ট ক্রিয়েট করেই যাবেন তখন আপনাকে আর পিছনে যেতে হবে না। জাস্ট আমি আপনাকে শেষ কথাটা বলবো যে এটা হচ্ছে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য নিয়ে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত কাজ করতে হবে। ভিডিও আপলোডের ক্ষেত্রে আমরা অনেক বড় একটা ভুল করি সেটা হচ্ছে মিক্সড কনটেন্ট আপলোড করে দেই। যেমন কেউ একজন ব্লগ নিয়ে ভিডিও করছে। সো সে কোনো একটা প্রাকৃতিক পরিবেশে যাচ্ছে বা হিস্টোরিক্যাল কোনো একটা প্লেসে যাচ্ছে গিয়ে হচ্ছে ভিডিও করছে এবং সে ভালো ভিউজও পাচ্ছে সাবস্ক্রাইবারও পাচ্ছে এখন সে মনে করছে তো ব্লগ ভিডিও বাট এখন আমি চাইলে একটা প্রোডাক্টের ব্লগ করে ফেলতে পারি আবার দেখা গেল যে বাসায় এসে ফ্যামিলি মেম্বারদেরকে নিয়ে একটা ব্লগ করে ফেললাম। এরকম করে সে দেখা গেল যেখানেই যাচ্ছে সেখানেই ব্লগ দিয়ে দিচ্ছে সে মনে করছে যে আসলে ব্লগ তো হলেই হচ্ছে। বাট বিষয়টা কিন্তু সেইরকম না। ধরেন যে ব্যক্তি আপনার চ্যানেলটাকে সাবস্ক্রাইব করেছিল যে সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো দেখবে আপনার ব্লগের মাধ্যমে বা হচ্ছে হিস্টোরিক্যাল প্লেসগুলো দেখবে সে কিন্তু এই প্রোডাক্টের ব্লগে ইন্টারেস্টেড না বা আপনার এই ফ্যামিলি ব্লগে সে ইন্টারেস্টেড না। যার ফলে আপনি ভিডিও আপলোড করলে তার কাছে যদি নোটিফিকেশন যায় ও ভিডিওটা সামনে আসে সে কিন্তু দেখতে ইন্টারেস্ট ফিল করবে না। আর তখনই কিন্তু Facebook বা YouTube এর রোবট মনে করবে যে সে সাবস্ক্রাইবার হলেও সে কিন্তু এই ভিডিওগুলো দেখতে ইন্টারেস্টেড না। যার ফলে আপনি যত ভালো ভিডিও আপলোড করেন না কেন আপনার ভিডিওতে কিন্তু খুব বেশি ভিউজ আসবে না।

[9:07]সো এই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই মিক্সড কনটেন্ট আপলোড করা যাবে না। এবারে যে বিষয়টা দেখাবো সেটা কিন্তু খুবই ইম্পর্টেন্ট এবং এটা আমি ওয়াইটি স্টুডিও অ্যাপ থেকে দেখাচ্ছি। দেখেন আমার অ্যাপসে আসার পর এখান থেকে কিন্তু সামারিজ দেখাচ্ছে এবং লেটেস্ট পাবলিশড কনটেন্টটা দেখাচ্ছে ওকে। এখান থেকে দেখেন র্যাংকিং বাই ভিউজ এটা হচ্ছে টেন এর মধ্যে থ্রি দেখাচ্ছে মানে হচ্ছে চার ঘন্টা দুই মিনিটে এই ভিডিওগুলা মধ্যে আসলে কোনটা র্যাংকিং এগিয়ে ছিল ঠিক আছে। সো এই ক্ষেত্রে আপনাদেরকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন এই তীর চিহ্নটা উপরে এবং সবুজ দিকে থাকে ঠিক আছে। যদি পাশাপাশি তিন থেকে চারটা ভিডিও নিচের দিকে চলে আসে ঠিক আছে র্যাংকিং এ হচ্ছে পাঁচের পরে বা হচ্ছে সাতে আটে দশে চলে আসে তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিওতে ভিউজ অনেক কমে যাবে এবং এটা কিন্তু র্যাংকিং এ আপনি আর নিতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে আপনাকে যে কাজটা করতে হবে এই ক্ষেত্রে আপনি যদি দেখেন যে পাশাপাশি দুইটা ভিডিও আপলোড করার পর দুইটাই হচ্ছে র্যাংকিংয়ের নিচের দিকে চলে গেছে তাহলে এই ক্ষেত্রে আপনাকে একটু চিন্তাভাবনা করে ভিডিও আপলোড করতে হবে যে ভিডিওটার ভালো চাহিদা রয়েছে বা ভিউস রয়েছে যেন এই ভিডিওটার র্যাংকিং উপরের দিকে যায় ঠিক আছে। এরকম করে আপনাকে ভিডিওগুলা দেখে সতর্কতার সহিত আপলোড করতে হবে তাহলে কিন্তু আপনার চ্যানেলের ভিউজ আপনি ধরে রাখতে পারবেন এবং ক্রমন্নয় ভিউটা বানাতে পারবেন। সো গাইস এই ছিল মূলত আমার আজকের ভিডিও যদি আপনার কাছে ভিডিওটি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই একটি লাইক করবেন। আজকের মত আমি হিমেল এখানে বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript