Thumbnail for ১০টি Free website যা প্রতিটি কনটেন্ট ক্রিয়েটরের জানা উচিত 💥 Best free website for content creator by Tech bd19

১০টি Free website যা প্রতিটি কনটেন্ট ক্রিয়েটরের জানা উচিত 💥 Best free website for content creator

Tech bd19

30m 1s4,972 words~25 min read
Auto-Generated

[0:00]আসসালামু আলাইকুম। স্বাগত জানাচ্ছি টেকবিডি১৯ এর আজকের টিউটোরিয়ালে। একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে আমাদেরকে প্রতিনিয়ত ভিডিও এডিটিং, থাম্বনেইল ডিজাইন এবং নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে হয়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় সঠিক রিসোর্স এর অভাবে বা ছোট ছোট কিছু টেকনিক্যাল কাজের পেছনে আমাদের প্রচুর সময় নষ্ট হয়। আর এই কাজগুলোকে আরো সহজ ও দ্রুত করার জন্য আজকের ভিডিওতে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাচ্ছি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য সবচেয়ে সেরা ১০টি ফ্রি ওয়েবসাইট। যে সাইটগুলো আপনার প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে সাহায্য করবে এবং সেই সাথে আপনার প্রতিদিনের কাজকে আরো অনেক বেশি সহজ করে দিবে। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে কম্পিউটার স্ক্রিনে চলে যাই এবং সেই সাথে নিয়মিত ভিডিও এডিটিং টিউটোরিয়াল পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

[0:47]ওয়েলকাম ব্যাক। তো আজকে আমরা যে ১০টি ফ্রি ওয়েবসাইট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো, বিশেষ করে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য তার মধ্যে প্রথমে রয়েছে flatcon.com। Chrome ব্রাউজার থেকে flaticon লিখে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন। এখান থেকে আমরা flaticon.com এই সাইটে চলে যাব। দেন আমরা প্রথমে এখান থেকে লগইনে ক্লিক করে আমাদের জিমেইল একাউন্ট দিয়ে লগইন করে ফেলবো। এটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় ফ্রি আইকন সাইটগুলোর মধ্যে একটি। এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের আইকনগুলো পেয়ে যাবেন। বিশেষ করে আমরা যখন ভিডিও এডিটিং করি বা বিভিন্ন থাম্বনেইল তৈরি করি বা মোশন গ্রাফিক্স করি তখন আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের আইকন ব্যবহার করতে হয়। যেমন স্টিল আইকনগুলো অথবা এনিমেটেড আইকনগুলো সব ধরনের আইকন আপনার এখানে একদম ফ্রিতে পেয়ে যাবেন। এখান থেকে আপনারা চাইলে স্টিকার আইকন এনিমেটেড আইকন ইন্টারফেস আইকন এগুলোকে সিলেক্ট করতে পারবেন এবং এগুলোকে আপনার বিভিন্ন ফরমেটে ডাউনলোড করতে পারবেন। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখান থেকে এনিমেটেড আইকনে ক্লিক করি এখানে আপনারা যে কোন আইকন জাস্ট সার্চ করে খুঁজে নিতে পারবেন যে আইকনটা আপনার দরকার। এখানে আপনার ট্রেন্ডিং যতগুলো এনিমেটেড আইকন রয়েছে সবগুলো পেয়ে যাবেন। যে আইকনটা আপনার পছন্দ হয় সেটা আপনি এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখান থেকে এই আইকনটা ডাউনলোড করতে চাই জাস্ট এটাকে ক্লিক করবো। দেন এখান থেকে ডাউনলোডে ক্লিক করলে আমরা চাইলে জিফ ফরমেটে ডাউনলোড করতে পারি, এমপি৪ অথবা পিএনজি। যেমন আমি যদি এখান থেকে এমপি৪ এ ক্লিক করি তাহলে এটা এমপি৪ ফরমেটে ফ্রিতে ডাউনলোড হয়ে যাবে। এবং এটাকে আমরা ব্যবহার করতে পারবো। এই দেখুন, চলে আসছে এখানে। দেন এখানে যে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডটা রয়েছে এটাকে আমরা চাইলে ক্যাপকাটে অথবা অ্যাডোবি প্রিমিয়ারে নিয়ে এসে ক্রোমাকে দিয়ে সহজে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডটাকে ডিলিট করে ব্যবহার করতে পারবো। যেমন আমি যদি ক্যাপকাটে চলে আসি এবং আইকনটাকে আমি নিয়ে আসি এখানে ওকে, দেন এখানে আমরা জাস্ট আইকনটাকে রেখে এরপর আমরা এখান থেকে রিমুভ বিজিতে চলে যাব। একইভাবে যারা অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ব্যবহার করবেন তারাও একইভাবে ক্রোমা কি দিয়ে এটাকে ব্যাকগ্রাউন্ডটাকে রিমুভ করে ফেলতে পারবেন। যেমন আমি এখানে ক্রোমা কি সিলেক্ট করলাম দেন প্যানটুল দিয়ে জাস্ট সাদা অংশটুকু সিলেক্ট করলাম। এটা রিমুভ হয়ে গেলো। এখান থেকে আমরা চাইলে ইনটেনসিটি একটু বাড়িয়ে কমিয়ে এখানে যে বর্ডারের মধ্যে সাদা যদি কোনো একটু থেকে যায় তাহলে সেটা আমরা ফিক্স করে ফেলতে পারি। দেন এগুলোকে আমরা সহজে ব্যবহার করতে পারি এবং এগুলো রেজুলেশন কিন্তু খুব ভালো, হাই রেজুলেশন এগুলো ডাউনলোড হয়। ঠিক আছে। অথবা আমরা চাইলে এখান থেকে জিফ ফরমেটে ডাউনলোড করতে পারি। যেমন আমি যদি এখান থেকে এটা ডাউনলোড করতে চাই ডাউনলোড এখান থেকে আমরা জিফ ফরমেটে ডাউনলোড করলে এগুলোকে আমরা চাইলে যতটুকু ইচ্ছা লম্বা করতে পারবো, বড় করতে পারবো। আমাদেরকে কপি পেস্ট করে করে ডিউরেশন বাড়াতে হবে না। আমি জিফ ফরমেটে ডাউনলোড করলাম। দেন এটাকে যদি আমি ক্যাপকাটে নিয়ে আসি, ক্যাপকাটে অথবা অ্যাডোবি প্রিমিয়ারে আমরা একইভাবে ব্যবহার করতে পারবো। ওকে, জিফ ফরমেটের ফাইলগুলো এই দেখুন, এনিমেটেড আইকন। আমরা এটাকে চাইলে যতটুকু ইচ্ছা বড় করতে পারবো। যেহেতু এটা জিফ ফরমেটে এটা জাস্ট বারবার লুপ প্লে হবে। একবার শেষ হবে আবার প্লে হতে থাকবে। এই দেখুন, দেন একইভাবে আমরা এখান থেকে সাদার ব্যাকগ্রাউন্ডটা ডিলিট করে ব্যবহার করতে পারবো। আর আমরা চাইলে এই আইকনগুলো যদি কালার চেঞ্জ করতে চাই। ফর এক্সাম্পল আমাদের ব্যাকগ্রাউন্ড যদি ব্ল্যাক কালার হয়ে থাকে তাহলে আমরা আইকনটাকে চাইলে কালার চেঞ্জ করে দিতে পারি। কালার চেঞ্জ করার জন্য আমরা এখান থেকে প্রথমে পুরো আইকনটার ইয়েটা চেঞ্জ করে ফেলবো। কালারটা চেঞ্জ করে ফেলবো। যেমন আমি এখান থেকে অ্যাডজাস্টে চলে যাব, দেন এখান থেকে কার্ভরাসে চলে যাব। এ বিষয় নিয়ে আমাদের একটা ভিডিও ডেডিকেটেড ভিডিও আছে চাইলে সেই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন। আমরা এখান থেকে জাস্ট পুরো আইকনটার কালারটা এখানে অন্য কোনো কালার থাকলে যেমন এখানে ব্ল্যাক কালার রয়েছে পাশাপাশি এখানে সাইন কালার রয়েছে। আমরা এই সাইন কালারটাকে ব্ল্যাক কালার করে ফেলবো। অর্থাৎ পুরো আইকনগুলোর মধ্যে যতগুলো কালার থাকবে সবগুলো আমরা ব্রাইটনেস কমিয়ে পুরোটা আইকনটাকে ব্ল্যাক কালার করে ফেলবো। এই দেখুন, চলে আসছে। এখন আমরা এই আইকনটাকে জাস্ট রিভার্স কালার করতে পারি। যেমন ব্ল্যাকটাকে আমরা হোয়াইট কালার করে দিতে পারি। সেজন্য আমরা এখান থেকে ফিল্টারে চলে যাবো। ফিল্টার থেকে আমরা এখান থেকে নেগেটিভ কালারটা ব্যবহার করতে পারি। নেগেটিভ কালার ফিল্টারটাকে জাস্ট এখানে ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ করবো। এই দেখুন, এখন আইকনটা সাদা হয়ে গেলো। এখন আমরা যদি এই সাদা কালারটাকে অন্য কোনো কালারে নিয়ে যেতে চাই তাহলে আমরা এটাকে জাস্ট কম্পাউন্ড ক্লিপ করে ফেলবো। এখান থেকে আমরা অফসেট অথবা টিন কালার দিয়ে যে কোন কালারে পরিবর্তন করতে পারি। ঠিক আছে। এভাবে আমরা এনিমেটেড আইকনগুলো ফ্রিতে ডাউনলোড করে flaticon থেকে ব্যবহার করতে পারি। ওকে। দেন আমাদের লিস্টের দুই নাম্বার যে সাইটটা সেটা হলো removes.photo আমরা এখান থেকে removes.photo লিখে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন। এই সাইটটি removes.photo এখানে চলে যাবো। এই সাইটটিও আমি প্রতিদিন ব্যবহার করি। ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে আমাদেরকে প্রায় সময় ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে হয়। অবজেক্ট রিমুভ করতে হয়। অর্থাৎ ছবির মধ্যে যত কাজ করা যায়, এআই রিলেটেড সবগুলো আপনি এখানে একদম ফ্রিতে করতে পারবেন। যেমন আমি যদি এখান থেকে more tools এ ক্লিক করি মাঝে মধ্যে অ্যাড আসতে পারে। আমি যদি এখান থেকে more tools এ ক্লিক করি এখান থেকে আমরা রিমুভ ব্যাকগ্রাউন্ড, যে কোনো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে ফেলতে পারি। এরপর সাদা কালো ছবিকে কালারাইজ করতে পারি, ইমেজকে কনভার্ট করতে পারি। ছবির মধ্যে যদি কোনো অবজেক্ট রিমুভ করার প্রয়োজন হয়, ক্লিনআপ পিকচার দিয়ে সেটাকে রিমুভ করে ফেলতে পারি। এরপর ছবির যদি ছবির লাইটিংটা ঠিক না থাকে আমরা লাইটিংটা একুরেট করতে পারি ব্রাইটেন ইমেজ দিয়ে। এরপর লো রেজুলেশনের ছবিগুলোকে আপস্কেল করতে পারি। এরপর যদি ছবির স্কাই রিমুভ করার প্রয়োজন হয়, অনেক সময় আমাদেরকে ডকুমেন্টারি ভিডিওর জন্য কোনো এনিমেশন তৈরি করি। সে ক্ষেত্রে আমাদেরকে হয়তো ছবির স্কাই রিমুভ করার প্রয়োজন হয়। সে ক্ষেত্রে আমরা এখান থেকে স্কাই রিমুভ করতে পারি। এআই ব্যাকগ্রাউন্ড জেনারেট করতে পারি। অর্থাৎ এআই রিলেটেড ছবিতে যত কাজ রয়েছে সবগুলো কাজ আপনি এখানে একদম ফ্রিতে করতে পারবেন। আমাকে প্রতিদিন এই সাইটটা ব্যবহার করতে হয় কোনো না কোনো কাজের জন্য। এখান থেকে আমি আপলোড ইমেজে ক্লিক করে ছবিটাকে নিয়ে আসবো যেমন আমি যদি এই ছবিটাকে নিয়ে আসি। এটা আপলোড হওয়ার সাথে সাথে প্রোসেসিং শুরু হয়ে যাবে এবং এখানে ছবিটাকে এনালাইজ করে সাথে সাথে এক সেকেন্ডের মধ্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ হয়ে যাবে। এবং এখানে আপনার একটা পপআপ চলে আসবে যে আপনি ছবিটাকে ডাউনলোড করতে চান কিনা। সাথে সাথে আপনি এই ছবিটাকে ডাউনলোড এইচডি ইমেজে ক্লিক করে একদম এইচডি ফরমেটে ছবিটির একচুয়াল যে রেজুলেশনটা রয়েছে সেই রেজুলেশনে আপনি ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড এইচডি ইমেজ। ওকে। এছাড়াও আপনি চাইলে এখান থেকে এডিটে ক্লিক করে যদি আপনি অন্য কিছু করতে চান যেমন ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার করতে চান সেটা এখানে ইনস্ট্যান্ট করে ফেলতে পারবেন। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জও করতে পারবেন এখান থেকে। ঠিক আছে। একইভাবে ছবির অবজেক্ট রিমুভ করতে পারবেন যেকোনো ছবি থেকে। আর ছবি ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করার জন্য এখানে আমাদেরকে ছবিটা আপলোড করতে হয়। আমরা এখানে জাস্ট কপি পেস্ট করে নিয়ে আসতে পারিনা। বাট ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করার জন্য আমি আর একটা সাইট প্রায়শই ব্যবহার করি যে সাইটটিতে ছবির রেজুলেশন খুব বেশি এইচডি কোয়ালিটির দরকার হয়না। বিশেষ করে কোন আইকন বা কোনো লোগো এ ধরনের আমরা যখন ইমেজগুলো পিএনজি ফরমেটে সেভ করতে চাই, ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করার প্রয়োজন হয় তখন আমি রিমুভ বিজি ব্যবহার করি। রিমুভ বিজি রিমুভ.বিজি লিখে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন। রিমুভ বিজি এই যে এই সাইটটা। এখানে আপনি ছবি যে কোন সাইট থেকে ছবিটাকে কপি করে এখানে জাস্ট পেস্ট করলে সাথে সাথে এটা ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ হয়ে যাবে। তবে এখানে আপনি এইচডি কোয়ালিটিতে ডাউনলোড করতে পারবেন না। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখান থেকে একটা লোগো সার্চ করি যেমন আমি এখান থেকে প্রিমিয়ার প্রো এর এই লোগোটা ব্যবহার করতে চাচ্ছি। এখানে যে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডটা রয়েছে এটা আমার রিমুভ করার দরকার আর ছবিটা খুব বেশি হাই রেজুলেশনের না হলেও সমস্যা নাই। তো আমি এখান থেকে জাস্ট ছবিটাকে কপি করবো। যেকোনো সাইট থেকে জাস্ট কপি করে এখানে পেস্ট করে দেবো। কন্ট্রোল ভি দিয়ে তাহলে এটা সাথে সাথে অ্যানালাইজ করে ব্যাকগ্রাউন্ডটা রিমুভ করে ফেলা হবে। ওকে, এই দেখুন রিমুভ করা হলো। দেন এখান থেকে আমরা ফ্রিতে মিডিয়াম রেজুলেশনে ডাউনলোড করে ফেলতে পারি। ৫০০ পিক্সেল বাই ৫০০ পিক্সেল এটা একদম কম না। যদি এইচডি ফরম্যাটে ছবি ডাউনলোড করার প্রয়োজন না হয় সে ক্ষেত্রে আমি এখান থেকে রিমুভ ভিজিটা ব্যবহার করি। আর যদি রেজুলেশন ঠিক রাখার প্রয়োজন হয় তাহলে আমরা removes.photo ব্যবহার করতে পারি। ঠিক আছে। এখানে আমরা সবগুলো টুল আমি দেখাচ্ছি না আপনারা এগুলো ট্রাই করে দেখতে পারেন। প্রত্যেকটা টুলই একদম পারফেক্টভাবে কাজ করে। তো আমাদের লিস্টের তিন নাম্বার সাইট হলো toffeeshare। আমরা এখান থেকে toffeeshare লিখে সার্চ করি। তাহলে এই সাইটটি পেয়ে যাবো। এখান থেকে toffeeshare.com এখানে চলে যাবো। Toffeeshare হচ্ছে একটি দারুণ ফাইল শেয়ারিং টুলস। এখানে আপনি যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডার আপলোড করলে আপনার কম্পিউটার থেকে তাহলে অটোমেটিক সে ফোল্ডারের একটা লিংক তৈরি হয়ে যাবে। এবং এই লিংকে ক্লিক করে যে কেউ সরাসরি আপনার কম্পিউটার থেকে ফাইল ডাউনলোড করতে পারবে। বিশেষ করে আমরা যখন কোনো বড় ধরনের ফাইল বা ফোল্ডার অন্য কাউকে শেয়ার করতে হয় বা আপনি যদি টিম বেস কোনো কাজ করেন যে একজনকে আপনি আপনার পুরো প্রোজেক্টটা বা পুরো ফোল্ডারটা শেয়ার করতে চাচ্ছেন। অথবা আপনি যদি ক্লায়েন্টকে কোন বড় ধরনের ফাইল শেয়ার করার প্রয়োজন হয়, সে আপনার কম্পিউটার থেকে সরাসরি ফাইলটা ডাউনলোড করতে পারবে। এখানে ফাইল শেয়ারিং করলে এটা নির্দিষ্ট কোন সার্ভারের মধ্যে আপলোড হয়না। আপনার কম্পিউটারের মধ্যে থাকবে। জাস্ট আপনার কম্পিউটার থেকেই তাহলে অটোমেটিক সেই ফোল্ডারের একটা ডাউনলোড লিংক তৈরি হবে। ফর এক্সাম্পল আমি চাচ্ছি একটা আমার একটা ফোল্ডার আমি অন্য কাউকে শেয়ার করবো। তো জাস্ট আমি এখানে প্লাসে ক্লিক করে আমি সেই ফোল্ডারটা এখানে আপলোড করবো। ফোল্ডার আপলোড করা বলতে এখানে আপনার ফোল্ডারের ফাইলগুলো কিন্তু সরাসরি এখানে আপলোড হবে না। এখানে যদি ১০০ জিবিও থাকে সাথে সাথে এক সেকেন্ডের মধ্যে সেটা আপলোড হয়ে যাবে। অর্থাৎ আপনার কম্পিউটারের মধ্যেই আপনার ফোল্ডারটা থাকবে। এখানে কিন্তু আপলোড হবে না। জাস্ট আপনার কম্পিউটার সেই ফোল্ডারের একটা ডাউনলোড লিংক তৈরি হবে। ফর এক্সাম্পল আমি এখান থেকে এই ফাইলগুলো আপলোড করতে চাচ্ছি। এখানে ফাইলগুলোর নাম যেভাবে আছে সেভাবেই থাকবে। জাস্ট আমি এখান থেকে এই ফাইলগুলোকে সিলেক্ট করে ওপেনে ক্লিক করবো। আর আমি যদি এখান থেকে পুরো ফোল্ডার আপলোড করতে চাই জাস্ট ফোল্ডারটাকে প্রথমে আমরা জিপ করে ফেলবো দেন জিপ ফাইলটাকে আপলোড করবো। ফর এক্সাম্পল আমি এখান থেকে এতগুলো ফাইল আপলোড করলাম। ওপেনে ক্লিক করলাম। সাথে সাথে এগুলো আপলোড হয়ে যাবে। অর্থাৎ এখানে জাস্ট একটা লিংক তৈরি হবে। ফাইলগুলো এখানে কোন সার্ভারের মধ্যে আপলোড হবে না। এই দেখুন একটা লিংক এখানে চলে আসছে। এখন এই লিংকটাকে আমি যে আমার ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে চাই জাস্ট তাকে এই লিংকটা কপি করে পাঠাবো। যেমন আমি এই লিংকটা কপি করলাম। আমি আর একটা ব্রাউজারে চলে যাচ্ছি। যেমন এখান থেকে আমি আর একটা ব্রাউজার ওপেন করলাম। এখন যাকে আমি লিংকটা দেবো সেই লিংকটা জাস্ট কপি করবে। কপি করে এখানে জাস্ট পেস্ট করে দিবে। পেস্ট করে দিলে সাথে সাথে ফাইলগুলো আপনার কম্পিউটার থেকে সরাসরি তার কম্পিউটারে ডাউনলোড হয়ে যাবে। এখানে দেখুন সবগুলো ফাইল চলে আসছে দেখুন এবং যে ফাইলটা যে নামে আছে সেই নামে এখানে চলে আসছে। সে যখন এখান থেকে ডাউনলোড এ ক্লিক করবে তখন আপনার কম্পিউটার থেকে ফাইলগুলো সরাসরি ডাউনলোড হবে। এখানে কিন্তু ওই ফাইলগুলো কোন সার্ভারের মধ্যে আপলোড হচ্ছে না। এই দেখুন, অলরেডি ডাউনলোড হয়ে যাচ্ছে। এবং এখানে ফাইল সাইজের কোনো লিমিটেশন নাই। আপনি চাইলে ১০ জিবি, ২০ জিবি, ৫০ জিবি পর্যন্ত একসাথে কাউকে লিংক পাঠাতে পারেন। বাট আপনার কম্পিউটারে যদি তখন নেট কানেকশন অফ থাকে বা কম্পিউটার বন্ধ থাকে তখন কিন্তু সে ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে পারবে না। ঠিক আছে। ওকে, তো এটা কিন্তু খুবই কাজের একটা ফাইল শেয়ারিং টুলস। আপনি চাইলে যে কারো সাথে আপনার কম্পিউটার থেকে সরাসরি ফাইলগুলোকে শেয়ার করতে পারেন এবং টিম বেস কাজ করার জন্য এটা পারফেক্ট একটা টুল। বিশেষ করে আমরা যখন একটা কম্পিউটার থেকে আর একটা কম্পিউটারে ফাইল শেয়ারিং করবো তখন আমরা এই টুলটা ব্যবহার করতে পারি। এরপরের চার নাম্বার যে সাইটটি সেটা হচ্ছে dictation.io আমি যদি এখান থেকে dictation লিখে সার্চ করি। dictation.io এখান থেকে আমরা মূলত আমরা যখন অনেক সময় কোন কিছু টাইপ করার প্রয়োজন হয়, কোন বড় ধরনের প্রম্পট লেখার প্রয়োজন হয় অথবা টেক্সট লেখার প্রয়োজন হয়। তখন আপনি চাইলে জাস্ট মুখে বলে সেটাকে আপনি এখানে টাইপ করে ফেলতে পারবেন। যেকোনো কিছু টাইপ করার জন্য এবং এখানে আপনি বাংলা ভাষা সিলেক্ট করে দিতে পারবেন। যেমন আমি যদি এখানে কোন কিছু টাইপ করতে চাই, ফর এক্সাম্পল আমি এখান থেকে জাস্ট বাংলা ভাষাটা সিলেক্ট করে দেব। এখানে সবগুলো ভাষা রয়েছে যেমন বাংলা বাংলাদেশ এটা সিলেক্ট করে দিলাম এবং আপনার কম্পিউটারে যদি মাইক্রোফোনটা লাগানো থাকে দেন এখান থেকে স্টার্টে ক্লিক করে জাস্ট কথা বলে সেটা এখানে অটোমেটিক্যালি টাইপ হয়ে যাবে এবং একদম নির্ভুলভাবে টাইপ হয়। যেমন আমি এখান থেকে স্টার্টে ক্লিক করলাম। এরপর মাইক্রোফোনটাকে আমরা অ্যালাও করে দেবো। ওকে, এই দেখুন ওকে বলার সাথে সাথে এখানে টাইপ হয়ে যাচ্ছে এবং এখানে এটা চলে আসতেছে। আজকের ভিডিওতে আমরা কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য সবচেয়ে সেরা ১০টি ওয়েবসাইট শেয়ার করবো। যে ওয়েবসাইটগুলো কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে খুবই হেল্পফুল হবে। এই দেখুন আমি এখানে কথা বলার সাথে সাথে একদম নির্ভুলভাবে টাইপ হয়ে গেলো। অসাধারণ একটা টুল। যখন আপনি বড় ধরনের কোনো প্রম্পট লিখবেন অথবা কোনো কিছু টাইপ করবেন তখন আপনি চাইলে dictation.io এটাকে আপনি ব্যবহার করতে পারেন। এই কাজটা আমরা কিন্তু বর্তমানে আবার চ্যাট জিবিটি দিয়েও করতে পারি। যদিও আগে চ্যাট জিবিটিতে বাংলাটা সাপোর্ট করতো না বাট এখন চ্যাট জিবিটি বাংলা সাপোর্ট করে। যেমন আমি যদি চ্যাট জিবিটিতে চলে যাই, দেন এখান থেকে আমরা মাইক্রোফোনে ক্লিক করবো। দেন কথা বলে এরপর অ্যালাও করে দিয়ে জাস্ট কথা বলে বাংলা টাইপ হয়ে যাবে। আজকের ভিডিওতে আমরা বিশেষ করে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য সবচেয়ে সেরা ১০টি ওয়েবসাইট শেয়ার করবো। যেগুলো কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে খুবই হেল্পফুল হবে। এরপর এখান থেকে এপ্লাইতে ক্লিক করবো। তাহলে আমরা মুখে যেটা বলেছি সেটা দেখুন এখানে টাইপ হয়ে যাচ্ছে। এখান থেকে আমরা চ্যাট জিবিটি থেকেও এটাকে চাইলে কপি করে যেকোনো জায়গায় পেস্ট করতে পারি। ঠিক আছে। ওকে, তো আমি প্রায় সময় dictation.io ব্যবহার করে টাইপ করার ক্ষেত্রে বড় কোনো কিছু টাইপ করার প্রয়োজন হলে। এরপর পাঁচ নাম্বার যে সাইটটি সেটা হলো পিন্টারেস্ট। পিন্টারেস্ট সম্পর্কে আপনারা অনেকেই জানেন পিন্টারেস্ট প্রত্যেকটা ভিডিও এডিটর কনটেন্ট ক্রিয়েটর সবাই কিন্তু পিন্টারেস্ট ব্যবহার করে। যেমন আমি যদি এখান থেকে পিন্টারেস্টে চলে যাই। পিন্টারেস্ট লিখে সার্চ করবো। ওকে। আর পিন্টারেস্ট হচ্ছে মূলত একটা ভিজ্যুয়াল সার্চ ইঞ্জিন। এখানে আপনি সব ধরনের অর্থাৎ আপনার কনটেন্ট ক্রিয়েশনে যত কিছু দরকার হয় থাম্বনেইল, মোশন গ্রাফিক্স, ভিডিও এডিটিং, এরপরের যত কিছু আছে সবকিছু আপনি এখানে ভিজ্যুয়াল আইডিয়া নেওয়ার জন্য এই পিন্টারেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। সবাই ব্যবহার করে এটা। আমরা যখন কোনো কিছু কোনো আইডিয়া জেনারেট করার প্রয়োজন হয় কোনো কিছু মাথায় আসছে না। কিভাবে একটা থাম্বনেইল তৈরি করবো? একটা আইডিয়া ইনস্ট্যান্ট দরকার তখন আমরা পিন্টারেস্টে ব্যবহার করি। আপনি চাইলে মোশন গ্রাফিক্স লিখে সার্চ করি এখানে আপনি পিন্টারেস্ট থেকে বিভিন্ন ধরনের মোশন গ্রাফিক্স পেয়ে যাবেন। বিভিন্ন থাম্বনেইল পেয়ে যাবেন। সবকিছু পেয়ে যাবেন। এখান থেকে আপনি সেগুলোকে জাস্ট দেখে আইডিয়া নিতে পারেন। ঠিক আছে। এবং চাইলে আপনি এখান থেকে ছবিও ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। যখন আমরা বিশেষ করে আমরা যখন কোনো ছবি জেনারেট করা ছবি ইউজ করার প্রয়োজন হয় ভিডিওতে তখন আমি পিন্টারেস্ট থেকে এই ছবিগুলোর ডাউনলোড করে ব্যবহার করি। সব ধরনের ছবি আপনি এখানে পেয়ে যাবেন। ফর এক্সাম্পল আমি যদি মোশন গ্রাফিক্স লিখে সার্চ করি, মোশন গ্রাফিক্স এই দেখুন, এখানে আপনি লক্ষ লক্ষ মোশন গ্রাফিক্স পেয়ে যাবেন। কি ধরনের মোশন গ্রাফিক্স চান আপনি চাইলে এটা স্পেসিফিক করে দিতে পারেন। এখান থেকে আপনি এগুলোকে দেখে আইডিয়া নিতে পারেন। যেকোনো কিছু আপনি এখানে সার্চ করতে পারেন। এবং এখানে আপনি চাইলে বিভিন্ন বোর্ড ক্রিয়েট করে রাখতে পারেন। যে আইডিয়াটা আপনার এখানে আপনি যখন পিন্টারেস্ট ওপেন করবেন তখন রেন্ডমলি এখানে অনেকগুলো আপনি যেগুলো সবসময় ইয়ে করেন সার্চ করেন বা যেগুলো আপনি পছন্দ করেন সেগুলো এখানে অটোমেটিক আসবে। আপনি চাইলে সেগুলোকে চাইলে সেভ করে রাখতে পারবেন। সেভ করার জন্য আপনি এখানে বিভিন্ন বোর্ড ক্রিয়েট করে রাখতে পারেন। প্রতিটা ক্যাটাগরিকে আলাদা আলাদা করে সেভ করতে পারেন। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখান থেকে ইউর বোর্ডসে ক্লিক করি। এখানে আপনি চাইলে নিজের মত করে যেমন থাম্বনেইলের জন্য একটা বোর্ড ক্রিয়েট করে রাখতে পারেন, মোশন গ্রাফিক্সের জন্য একটা, এরপরের বিভিন্ন এনিমেশনের টেক্সট এনিমেশনের জন্য একটা। এভাবে আপনি বিভিন্ন বোর্ড ক্রিয়েট করে রাখতে পারেন। যেমন আমি এখানে একটা থাম্বনেইল লিখে একটা বোর্ড বোর্ড মানে হচ্ছে একটা ফোল্ডার আরকি। আমি এখানে একটা ফোল্ডার ক্রিয়েট করলাম থাম্বনেইল লিখে। দেন ক্রিয়েট। এবং এখানে আপনি চাইলে ক্রিয়েটে ক্লিক করে কিন্তু নিজের আইডিয়াগুলো আবার শেয়ার করতে পারেন এখানে। এই দেখুন, এখানে অনেকগুলো থাম্বনেইল এখানে ট্রেন্ডিং যত থাম্বনেইল রয়েছে সেগুলো সবগুলো এখানে আপনি পেয়ে যাবেন। চাইলে আপনি এখান থেকে কোনো থাম্বনেইল অ্যাড করে নিতে পারেন যেটা যেটা আপনার পছন্দ। বা যেগুলোকে আপনি পরবর্তীতে আইডিয়া নেওয়ার জন্য ব্যবহার করতে চান সেগুলো আপনি এখান থেকে অ্যাড করে নিতে পারেন। অথবা আপনি যখন এখানে থাম্বনেইল লিখে সার্চ করবেন যেমন আমি যদি এখানে থাম্বনেইল লিখে সার্চ করি, ওকে। এই থাম্বনেইলটাকে সেভ করে রাখতে চাচ্ছে তাহলে এখান থেকে আমরা প্রোফাইলে ক্লিক করবো। প্রোফাইলে ক্লিক করে আমরা যেকোনো বোর্ডের মধ্যে এখানে সেভ করে রাখতে পারি। যেমন আমি এখানে থাম্বনেইল বোর্ডের মধ্যে সেভ করে রাখলাম। এবং এখানে আমরা যখন ইউর বোর্ডে যাবো এখানে আমরা যতগুলো বোর্ড ক্রিয়েট করেছি সবগুলো পেয়ে যাবো। এখান থেকে আমরা বোর্ডের মধ্যে ক্লিক করে যেগুলো সেভ করেছি সেগুলো এখানে পেয়ে যাবো। এছাড়াও এখানে চাইলে আপনি গ্রুপ বোর্ড ক্রিয়েট করতে পারেন। যেমন আমি যদি এখানে গ্রুপ বোর্ড ক্রিয়েট করি যারা যাদের সাথে আপনি এই গ্রুপটাকে শেয়ার করতে চাচ্ছেন সবাই একই বোর্ডগুলো একই ইমেজগুলো বা একই আইডিয়াগুলো দেখতে পারবে যাদেরকে আপনি শেয়ার করবেন এখান থেকে ইনভাইট করবেন। তো এক কথায় আইডিয়া জেনারেট করার জন্য আইডিয়া খুঁজে পাওয়ার জন্য একদম সেরা একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে পিন্টারেস্ট। যত বড় বড় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রয়েছে, ভিডিও এডিটর রয়েছে, গ্রাফিক্স ডিজাইনার রয়েছে প্রায় সবাই আপনার পিন্টারেস্ট ব্যবহার করে আইডিয়া খুঁজে পাওয়ার জন্য। এখানে আপনি ট্রেন্ডিং সকল ডিজাইন সকল মোশন গ্রাফিক্স টেক্সট এনিমেশন সবকিছু পেয়ে যাবেন। এবং আমাদের লিস্টের ছয় নাম্বার ওয়েবসাইট হচ্ছে colors.io। আমি যদি এখান থেকে colors লিখে সার্চ করি। colors.co আমরা এখান থেকে এই লিংকে চলে যাব। এটা হচ্ছে মূলত একটা কালার প্লেট জেনারেটর। এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন করার ক্ষেত্রে অথবা মোশন গ্রাফিক্স অথবা ইউআই এনিমেশন তৈরি করার ক্ষেত্রে আমরা অনেক সময় কালারগুলো ম্যাচ করাতে পারিনা। কোন কালারের সাথে কোন কালারটা যায়, কোন কালারটা দিলে পারফেক্ট হবে সেগুলো আমরা সেগুলো আমরা ম্যাচ করাতে পারি না। তো সে ক্ষেত্রে আপনি এখানে colors.co এই কালার প্লেট জেনারেটরটা ব্যবহার করতে পারেন। এখানে আপনি বিভিন্ন কালার প্লেট পেয়ে যাবেন। অর্থাৎ কোন কালারের সাথে কোন কালারটা ম্যাচ করবে সেটা আমরা এখান থেকে আইডিয়া নিতে পারবো। ফর এক্সাম্পল আমি এখানে যদি টুলসে ক্লিক করি এখানে অনেকগুলো অপশন রয়েছে। যেমন এক্সপ্লোর প্লেটে ক্লিক করলে আমরা এখানে অনেকগুলো কালার প্লেট পেয়ে যাবো। এবং এই প্লেটগুলো আমরা ব্যবহার করতে পারি। বিশেষ করে আমরা যখন কোন ব্র্যান্ডিং কালার সিলেক্ট করতে চাই তখন সেই ব্র্যান্ডিংটা ঠিক রাখার জন্য ওই কালারের সাথে যেমন এখানে আপনি প্রতিটা কালার এই যে কালার প্লেটটা রয়েছে এখন আপনার একটা ইউআই এনিমেশন তৈরি করতে চাচ্ছেন। তো ইউআই এনিমেশনের মধ্যে হয়তো আপনি একটা ব্যাকগ্রাউন্ড কালার দিলেন এটা। এটার সাথে টেক্সট কালার কোনটা দিয়ে যাবে সেটা আপনি বুঝতে পারছেন না। তখন সে ক্ষেত্রে আপনি কালার প্লেটগুলো থেকে আইডিয়া নিতে পারেন। যেমন এই ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে টেক্সট কালার এটা দিতে পারেন অথবা এটা দিতে পারেন। যদি কোনো শেপ ক্রিয়েট করতে চান তাহলে এই কালারগুলো ব্যবহার করতে পারেন। ঠিক আছে। এবং এখানে যখন আপনি কোন কালারের উপরের মাউস কার্সর রাখবেন সে কালার কোডটা এখানে দেখাবে। এই কোডটাকে জাস্ট ক্লিক করলে কপি হয়ে যাবে। সেটা আপনি আবার যেকোনো অ্যাডোবি প্রিমিয়ারে বলেন অ্যাডোবি ফটোশপ বলেন বা ক্যাপকাট বলেন যেকোনো কোথাও আপনি জাস্ট পেস্ট করলে কালার কোডটা এখানে এই সেম এক্স্যাক্টলি সেম কালারটা এখানে চলে আসবে। ঠিক আছে। তো আমাদের ভিডিওতে কালার সিলেকশন নিয়ে আমাদের একটা ডেডিকেটেড ভিডিও রয়েছে সেখানে আমরা দেখিয়েছি এটা কিভাবে ব্যবহার করবেন। আপনারা চাইলে সেই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন। এছাড়াও এখানে কালার কনট্রাস্ট চেকার রয়েছে। যখন আমরা টেক্সট এনিমেশনগুলো ব্যবহার করি। বিশেষ করে ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে কি কালারের টেক্সট ব্যবহার করতে হবে। টেক্সটের যে কনট্রাস্টগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে ম্যাচ করছে কিনা সেটা বুঝার জন্য আমরা এখান থেকে কালার কনট্রাস্ট চেকারটা ব্যবহার করি। যেমন ব্যাকগ্রাউন্ডটা যদি এখান থেকে লাইট কালার হয় টেক্সটটা ডার্ক কালার হবে এবং কি কালারটা যাবে কোন কালারটা ভালো পারফর্ম করছে আপনি সেখান থেকে চাইলে দেখে নিতে পারেন। দেখুন এখানে এই ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে এই কালার টেক্সটটা এখানে রেটিং দেখাচ্ছে 8.42 এবং ভেরি গুড। ঠিক আছে। আমরা এখান থেকে এই ব্যাকগ্রাউন্ড যদি আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড যদি এরকম হয় তাহলে আপনি এই কালার টেক্সটটা ব্যবহার করতে পারেন। ঠিক আছে। এখান থেকে আপনি ব্যাকগ্রাউন্ড কালার সিলেক্ট করতে পারবেন এবং ওই ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে কোন কালারটা যাবে টেক্সট কালার সেটা আপনি এখান থেকে সিলেক্ট করতে পারবেন। এই দেখুন, সাদা কালারটা পারফেক্ট হচ্ছে। অথবা আমরা সেম কালারের এই অংশটুকু দিতে পারি। এই দেখুন, লাইট অংশটুকু দিতে পারি। ঠিক আছে। এভাবে আপনি কনট্রাস্ট চেকার দিয়ে টেক্সট কালারগুলো চেক করে নিতে পারেন। এখানে কালার পিকার রয়েছে, কালার পিক করতে পারবেন যেকোনো ইমেজ থেকে যেকোনো ব্র্যান্ডিং কালার যদি ইউজ করার প্রয়োজন হয়। যেমন একটা ব্র্যান্ডের জন্য ভিডিও তৈরি করছেন যেমন আপনি চাচ্ছেন সেই ব্র্যান্ডিং কালারগুলো ব্যবহার করবেন। তাহলে সেই ব্র্যান্ডিংয়ের যেকোনো ইমেজ আপনি এখানে আপলোড করলে কালার পিকারের মধ্যে তাদের লোগো হোক বা তাদের ডিজাইন যেকোনো কিছু হোক আপলোড করলে সে কালার কোডগুলো এখানে চলে আসবে। যেমন এখানে সরি কালার পিকার না ইমেজ পিকার। ইমেজ পিকার এ ক্লিক করলে এখান থেকে আপনি চাইলে যেকোনো ইমেজ আপলোড করলে। যেমন আমি যদি এখান থেকে ব্রাউজ ইমেজে ক্লিক করি যেকোনো ইমেজ এখানে আপলোড করি ফর এক্সাম্পল আমি এখান থেকে এই ইমেজটা আপলোড করলাম। এখন এই ইমেজের মধ্যে যে যে কালারগুলো রয়েছে সেগুলো সবগুলো এখানে দেখাচ্ছে দেখুন। এবং আমি এখান থেকে চাইলে এগুলোকে কপি করে ব্যবহার করতে পারি। এবং আমাদের লিস্টের সাত নাম্বার যে ওয়েবসাইট সেটা হচ্ছে ninite। আমি যদি এখান থেকে ninite লিখে সার্চ করি। এখান থেকে ninite.com এই লিংকে চলে যাব আমরা। এখানে আপনি যত ধরনের ফ্রি সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো একদম ফ্রি সফটওয়্যার সেগুলো আপনি এখানে এক ক্লিকেই ইনস্টল করে ফেলতে পারবেন আপনার কম্পিউটারে। বিশেষ করে যখন আমরা কম্পিউটারে উইন্ডোজ সেটআপ করি তখন আমাদেরকে অনেকগুলো সফটওয়্যার ফ্রি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয় এবং প্রয়োজনীয় সবগুলো সফটওয়্যার আপনি এখানে পেয়ে যাবেন। সেই সফটওয়্যারগুলোকে আপনি এখান থেকে এক ক্লিকেই ইনস্টল করে ফেলতে পারবেন। ফর এক্সাম্পল আমরা যদি এখান থেকে Chrome ব্রাউজার, এরপর Zoom, Discord, এখানে সবগুলো ফ্রি সফটওয়্যার পেয়ে যাবেন। VLC মিডিয়া এরপর এখানে যেমন ব্লেন্ডার রয়েছে। এরপর এনিডেস্ক এবং এখানে রিবো যত সফটওয়্যার আপনার প্রয়োজন এখান থেকে আপনি সবগুলো জাস্ট টিক মার্ক দিয়ে দিবেন যেটা যেটা আপনার লাগবে। দেন এখান থেকে Get Your Ninite এখানে ক্লিক করবেন তাহলে একটা ফাইল এখানে জাস্ট ডাউনলোড হবে। এই ফাইলটা ডাউনলোড হবে এবং এখানে আপনাকে কোনো কিছু আর করতে হবে না নেক্সট নেক্সট কোনো কিছু দিতে হবে না। জাস্ট এখানে ডাবল ক্লিক করলেই সবগুলো সফটওয়্যার আপনি যেগুলো সিলেক্ট করেছেন ইতিমধ্যে এখান থেকে সবগুলো সফটওয়্যার ডাউনলোড ডাউনলোড হয়ে অটোমেটিক্যালি ইনস্টল হয়ে যাবে এবং ওদের অফিশিয়াল সার্ভার থেকে ডাউনলোড হয়ে ইনস্টল হয়ে যাবে। এখানে আপনাকে বারবার নেক্সট নেক্সট করতে হবে না। সবগুলো একসাথে ইনস্টল হয়ে যাবে। খুবই দারুণ একটা ওয়েবসাইট। আমি যখনই উইন্ডোজ নতুন করে ইনস্টল করি তখন আমি এই ninite থেকে ফ্রি সফটওয়্যারগুলো ইনস্টল করে ফেলি একসাথে। আমি এখান থেকে ক্যানসেল দিচ্ছি। এটা লাগবে না আমার আমি জাস্ট দেখানোর জন্য। এরপর আমাদের লিস্টের আট নাম্বার ওয়েবসাইট হচ্ছে NotebookLM। আমি যদি এখান থেকে NotebookLM লিখে সার্চ করি। দেন এখান থেকে notebook.google এ চলে যাবো। এটা Google এর খুবই পাওয়ারফুল একটা এআই টুল। এবং এখান থেকে আমরা Try NotebookLM এ ক্লিক করবো। এরপর আমি যদি এখান থেকে ক্রিয়েট নিউতে ক্লিক করি তাহলে এখানে একটা নতুন প্রজেক্ট ওপেন হবে। আমাদের NotebookLM নিয়ে আমাদের চ্যানেলের একটা ডেডিকেটেড ভিডিও রয়েছে। সেখানে আমরা দেখিয়েছি NotebookLM এ প্রচুর কাজ করতে পারবেন। আপনি এখানে বিশেষ করে আপনার সোর্স ভিত্তিক যেকোনো কন্টেন্ট লেখার জন্য স্ক্রিপ্ট লেখার জন্য যেকোনো কিছু গবেষণা করার জন্য যেকোনো প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য আপনি এখানে NotebookLM টা ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও এখানে আপনি অডিও ওভারভিউ আপনি চাইলে ব্রডকাস্ট স্টাইলে অডিও ওভারভিউ এখানে ডাউনলোড করতে পারবেন। স্লাইড শো মেক করতে পারবেন। ভিডিও ওভারভিউ রয়েছে এখানে আপনি চাইলে এখানে ভিডিও কন্টেন্ট জেনারেট করে ফেলতে পারবেন। যেকোনো সোর্স এখানে আপলোড করবেন সেই সোর্সের উপর ভিত্তি করে আপনাকে একদম স্ক্রিপ্ট লিখে ভয়েসওভারসহ একটা ভিডিও তৈরি করে দিবে। ভিডিও ওভারভিউতে মাইন্ড ম্যাপ ক্রিয়েট করতে পারবেন। রিপোর্ট তৈরি করতে পারবেন। ফ্ল্যাশ কার্ড কুইজ ইনফোগ্রাফ সব কিছু এখানে জেনারেট করতে পারবেন। খুবই দারুণ একটা ফ্রি এআই টুল Google এর। এটা নিয়ে আমাদের একটা ডেডিকেটেড ভিডিও রয়েছে। চাইলে সেই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন। এখানে আপনি সোর্স হিসেবে যেকোনো ফাইল আপলোড করতে পারবেন। YouTube এর যেকোনো ভিডিও এখানে জাস্ট লিংক কপি করে পেস্ট করে দিলে সেই ভিডিওতে কি কি আছে সেগুলো উপর ভিত্তি করে আপনি এখানে কোনো প্রশ্ন করতে পারবেন। এরপর ড্রাইভ থেকে কোনোকিছুর লিংক এখানে পেস্ট করতে পারবেন। যেকোনো টেক্সট কপি পেস্ট করতে পারবেন। অথবা যেকোনো ওয়েবসাইটের লিংক এখানে কপি পেস্ট করলে সে ওয়েবসাইটের মধ্যে কি কি আছে সেটা আপনাকে এখানে সবকিছু বলে দিবে। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখান থেকে FlatIcon এর ওয়েবসাইটটাকে জাস্ট এই ওয়েবসাইটের মধ্যে আমি এখান থেকে লিংকটা কপি করলাম এখানে পেস্ট করে দিলাম। দেন এখানে ক্লিক করলাম। এরপর FlatIcon ওয়েবসাইটটাকে সে প্রথমে ভালো করে এনালাইজ করবে। আপনি যদি কোনো ওয়েবসাইট সম্পর্কে না জানেন ওয়েবসাইটের আসলে কাজ কি, এটা কিভাবে কাজ করে জাস্ট সেই সাইটের লিংকটা কপি করে এখানে দিয়ে দিবেন। তাহলে এই FlatIcon ওয়েবসাইটের কাজ কি সেটা আপনাকে এখানে একদম সবকিছু একটা সামারি আকারে দিয়ে দিবে। এবং এখান থেকে আপনি চাইলে এই ওয়েবসাইটের যে তথ্যগুলো আছে সেগুলোর উপর ভিত্তি করে আপনি এখানে কোনো প্রশ্ন করতে পারবেন। এখানে ওয়েবসাইটের মধ্যে কি কি কাজ করা আছে সবকিছু। অথবা আপনি একটা কন্টেন্টের জন্য একটা স্ক্রিপ্ট তৈরি করতে চাচ্ছেন। এখন সেই স্ক্রিপ্টটা আপনি কয়েকটা সোর্স থেকে তৈরি করতে চাচ্ছেন। ফর এক্সাম্পল আপনার একটা আপনার সেই রিলেটেড একটা ভিডিও আপনি হয়তো সোর্স হিসেবে ব্যবহার করতে চাচ্ছেন। অথবা একটা আর্টিকেল ব্যবহার করতে চাচ্ছেন। যেমন আমি যদি এখান থেকে YouTube থেকে কোন ভিডিও লিংক কপি করি, মহাবিশ্ব সম্প্রসারণ সম্পর্কে কোরআন ও বিজ্ঞান লিখে সার্চ করলাম। আমি এই বিষয়ে একটা ভিডিও তৈরি করতে চাচ্ছি। তো এই বিষয়ে যদি আমার যেকোনো YouTube এর ভিডিও থেকে আমি কোনো তথ্য নিতে চাই। ফর এক্সাম্পল আমি এই ভিডিওটাকে কপি করলাম। যেমন এই ভিডিও থেকে আমি এই ভিডিওতে যে তথ্যগুলো ব্যবহার করা হয়েছে আমি এই তথ্যগুলো নিতে চাচ্ছি। আমি এটাকে জাস্ট কপি কপি করবো। কপি করে আমরা এখানে Google Notebook এ চলে যাবো। আমি এখান থেকে আরেকটা নিউ প্রজেক্ট নেবো। ব্যাকে চলে আসলাম। ক্রিয়েট নিউ। এরপর এখানে এই যে ওয়েবসাইট এখানে আমরা জাস্ট লিংকটাকে পেস্ট করে দেবো। ইনসার্ট। ওকে। এবং আমি এখানে আরেকটা সোর্স থেকে তথ্য নিতে চাচ্ছি। যেমন আমি একই বিষয় এখানে Google এ সার্চ করবো যেকোনো আর্টিকেল নিতে চাচ্ছি। এবং এ বিষয়ে যেসব আর্টিকেলগুলো রয়েছে যেমন আমি যদি এখান থেকে যেমন আমি এখান থেকে এ আর্টিকেলটাকেও সোর্স হিসেবে ব্যবহার করতে চাই জাস্ট এখান থেকে লিংকটাকে কপি করবো। এখানে আমরা অ্যাড সোর্সে ক্লিক করে আবার নতুন সোর্স অ্যাড করতে পারি। এখানে জাস্ট পেস্ট করে দেবো। ওকে। তাহলে এটাও এখানে সোর্স হিসেবে যুক্ত হয়ে যাবে। আমরা এখানে চাইলে একাধিক ভিডিও একাধিক আর্টিকেল আরো কোনো ভিডিও যদি থাকে সেগুলোকে সোর্সের মধ্যে অ্যাড করে এই সবগুলো সোর্স থেকে তথ্য নিয়ে আমি এখানে নতুন করে একটা স্ক্রিপ্ট তৈরি করতে পারি। একটা ভিডিওর জন্য স্ক্রিপ্ট অথবা আর্টিকেল অথবা যেকোনো কিছু আমি এখানে তৈরি করতে পারি। ওকে এবং এখানে আমরা চাইলে সেই স্ক্রিপ্টটার উপর ডিপেন্ড করে বা এ তথ্যের তথ্যের উপর ডিপেন্ড করে এখান থেকে আমরা ভিডিও ওভারভিউ তৈরি করতে পারি। অডিও ওভারভিউ, স্লাইড শো, মাই ম্যাপ অথবা ফ্ল্যাশ কার্ড, কুইজ, ইনফোগ্রাফ সবকিছু তৈরি করতে পারি। এটা নিয়ে আমাদের একটা ডেডিকেটেড ভিডিও রয়েছে। চাইলে সেই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন। এরপর আমাদের লিস্টের নয় নাম্বার সাইট হলো mixit.com। আমি যদি এখান থেকে mixit লিখে সার্চ করি। এখান থেকে mixit.com এই লিংকে চলে যাবো আমরা। এখানে আপনারা ফ্রিতে বিভিন্ন স্টক ফুটেজ এরপর সাউন্ড ইফেক্ট টেম্পলেট এগুলো ডাউনলোড করতে পারবেন। এখানে আপনার প্রয়োজনীয় স্টক ফুটেজগুলো পেয়ে যাবেন। অথবা এখান থেকে সাউন্ড ইফেক্টে যদি ক্লিক করেন। এখান থেকে আপনারা যেকোনো সাউন্ড ইফেক্ট সার্চ করে খুঁজে নিতে পারেন। অথবা এখানে অনেকগুলো ক্যাটাগরি রয়েছে। এই সাউন্ড ইফেক্টগুলো আপনারা ব্যবহার করতে পারবেন। এখানে দেখুন আপনার ট্রেন্ডিং সব সাউন্ড ইফেক্ট এখানে পেয়ে যাবেন। এছাড়াও টেম্পলেটের মধ্যে এখানে আপনারা অ্যাডোবি প্রিমিয়ার, আফটার ইফেক্ট, ফাইনাল কাট অথবা ডাবিঞ্চির জন্য যে প্রোজেক্টগুলো রয়েছে সেগুলো আপনারা এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। আমি যদি প্রিমিয়ারে ক্লিক করি এখানে প্রিমিয়ারের জন্য অনেকগুলো প্রোজেক্ট রয়েছে টেম্পলেট রয়েছে। এগুলো আপনারা চাইলে ফ্রিতে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন আমি যদি এখান থেকে এটা ডাউনলোড করতে চাই, এটা জাস্ট ক্লিক করবো। দেন ডাউনলোড ফ্রি টেম্পলেট এখানে ক্লিক করলে এটা সাথে সাথে ডাউনলোড হয়ে যাবে। দেন এটাকে আমরা আন এক্সট্র্যাক্ট করে 7-Zip দিয়ে জাস্ট এখানে প্রোজেক্ট ফাইল রয়েছে। প্রোজেক্টটাকে ওপেন করলে আমরা অ্যাডোবি প্রিমিয়ারের মধ্যে টেক্সটগুলো বা কোনো ছবি থাকলে সেগুলোকে রিপ্লেস করে ব্যবহার করতে পারবো। এবং এখানে ফুটেজের মধ্যে প্রয়োজনীয় যত এলিমেন্টস রয়েছে এই প্রোজেক্টের মধ্যে সবগুলো এখানে পেয়ে যাবেন। ঠিক আছে। তো এটা কিন্তু খুবই কাজের একটা ওয়েবসাইট mixit.com। আপনারা চাইলে এটা ব্যবহার করতে পারেন। ফ্রি এলিমেন্টসগুলো ডাউনলোড করার জন্য। এরপর আমাদের লিস্টের ১০ নাম্বার এবং সর্বশেষ যে সাইটটা সেটা হচ্ছে PDFgear। অনেক সময় আমাদেরকে বিভিন্ন পিডিএফ ফাইলগুলোকে কনভার্ট করতে হয় বা এডিট করতে হয়। পিডিএফ তৈরি করতে হয়। এই কাজগুলো আমরা ফ্রিতে পিডিএফ গিয়ার দিয়ে করতে পারি। যেমন আমি যদি এখান থেকে PDFgear এ চলে যাই, PDFgear লিখে সার্চ করি। দেন এখান থেকে PDFgear ফ্রি পিডিএফ এডিটর ফর এভরিথিং এখানে চলে যাবো। আমরা চাইলে এখান থেকে PDFgear টাকে ডাউনলোড করে ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারি অথবা এখানে আমরা PDFgear টাকে অনলাইনে ব্যবহার করতে পারি। এডিট পিডিএফে ক্লিক করে এখানে আমরা যেকোনো পিডিএফ ফাইল জাস্ট আপলোড করে এডিট করতে পারবো। তো আর এডিট করার জন্য সবচেয়ে ভালো হয় আপনি জাস্ট সফটওয়্যারটাকে ডাউনলোড করে দেন সফটওয়্যারটি ওপেন করে এডিট করবেন। অথবা আমরা এখানে পিডিএফটাকে যেকোনো ফাইলকে যেমন ওয়ার্ড ফাইলকে পিডিএফ এ কনভার্ট করার প্রয়োজন হয় মাঝেমধ্যে বা জেপিজিকে পিডিএফ এ কনভার্ট করার প্রয়োজন হয়। এই কাজগুলো আমরা এখানে একদম ফ্রিতে করতে পারবো। আপনি চাইলে যেকোনো ফাইলকে যেমন টেক্সট টু পিডিএফ আপনি এখানে তৈরি করতে পারবেন। আর এডিট করার জন্য পিডিএফ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করেন দেন যখন আপনি এটাকে ওপেন করবেন তখন আপনি সেখানে যেকোনো পিডিএফ ফাইলকে এডিট করতে পারবেন। পিডিএফ ক্রিয়েট করতে পারবেন। সবকিছু করতে পারবেন পিডিএফ পিডিএফ রিলেটেড যত কাজ রয়েছে সবগুলো আপনি এখানে পিডিএফ গিয়ারের মধ্যে ফ্রিতে করতে পারবেন। তো এই ছিল আমাদের লিস্টের ১০টা সেরা ওয়েবসাইট। যেগুলো আমি পার্সোনালি ব্যবহার করি। আশা করি এই সাইটগুলো আপনাদের খুব বেশি উপকারে আসবে। আশা করি টিউটোরিয়ালটি ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারবেন এবং দেখা হবে পরবর্তী টিউটোরিয়ালে সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript