[0:00]আইনগত দিক থেকে একটা বাধ্যবাধকতা আছে যেটি আসলে দূর না করলে বাংলাদেশে তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। সেটা হচ্ছে ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার মার্কেটিং ড্যাম যেটা আছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর তারা তামাকপাতার দাম ঠিক করে দেয় সরকারিভাবে। এবং এ সরকার কিন্তু অন্য কোন পণ্যের দাম ঠিক করে দেয় না। এই ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার মার্কেটিং এইটা প্রত্যেক বছর তারা 12-13 টা খাত ধরে মানে কোন এক দুই তিন চার গ্রেডিং করে তামাক পাতার দাম ঠিক করে দেয়। খুবই দুঃখজনক দিক হচ্ছে 1977 সালে যখন এই কমিটিটা করা হয়েছিল 12 জন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিএডিসি বা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এই কৃষি সংক্রান্ত এই কমিটিটা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে 2006 সালে এসে এটা সংশোধন করা হলো করা হয়ে এই পাতার দাম ঠিক করে দেওয়া যে কমিটি করা হয় সেখানে চারটা তামাক কোম্পানিকে যুক্ত করা হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশে যে তামাক পাতার দাম ঠিক করে দিচ্ছে সরকার, যারা ক্রেতা এখানে যে কমিটিটা করা হয়েছিল 2006 সালে সংশোধন করে সেখানে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, ঢাকা টোবাকো, বিএলটিসি এবং নাসির টোবাকো। এই চারটা কোম্পানিকে যুক্ত করে এখন 14 সদস্য কমিটির ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার মার্কেটিং তারা প্রত্যেক বছর তামাক পাতার দামটা ঠিক করে দেয়। প্রশ্ন হচ্ছে এই জায়গায় যারা ক্রেতা তামাক কোম্পানি তাদের ক্রেতা তারাই দাম ঠিক করে দিচ্ছে। ফলে তামাক কখনোই কৃষকের জন্য আমরা যে ফরিদা এখানে বলছেন বা অন্যরা যেটা বলেছেন যে তামাককে কৃষি মন্ত্রণালয় সব সময় চায় যে অর্থপরি ফসল হিসেবে দেখাতে তারা বন্ধ করতে চায় না নিরুৎসাহিত করার কথা বলছে ইয়ে বি ইয়ে কৌশলে তার কারণ কিন্তু হচ্ছে ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার মার্কেটিং তাদের এই কমিটিটা। আমি একটা ছোট্ট কথা বলে শেষ করব স্যার, আরেকটা বিষয় সেটা হচ্ছে যে বাংলাদেশের দরিদ্রপ্রবণ 10 টা জেলার আটটায় কিন্তু তামাক চাষের জন্য সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে এবং সবচেয়ে বেশি তামাক চাষ হয় সেই সমস্ত জেলা হচ্ছে আমাদের এই তামাকপ্রবণ এলাকাগুলো। এর সঙ্গে আরেকটি বিষয় যুক্ত করার দরকার তামাকের যে স্বাস্থ্য ক্ষতি, একটা তামাক গাছ ছোট থেকে বড় করতে গেলে এই তিন-চার মাসে যখন গাছটা বড় হয় তখন চার থেকে পাঁচবার গোড়ার পাতাটা ফেলে দিতে হয়। মানে মরা পাতাটাকে ফেলে দিতে হয়, মরা পাতাটা যখনই ফেলে দিতে হয় ও হেলে হেলে কাজ করতে গেলে তামাক পাতাটা যেহেতু বড় অটোমেটিক্যালি যে কীটনাশক যেটা স্প্রে করে বা ঔষধ যেটা স্প্রে করে সেটা কিন্তু তার নাকে মুখে ঢুকে যাচ্ছে। ফলে এই যে কৃষক যে ডিরেক্টলি হেলথ হ্যাজার্ড এটা ফরিদা আরো ভালো বলতে পারবে যে তামাক চাষ নিয়ে কথা বলে। এর সঙ্গে আমি মনে করি যে এটা যেমন বন্ধ করা দরকার পাশাপাশি তামাকের জমিতে যখনই তামাক চাষ বন্ধ করতে চাইব ওরা যখন এনেয়ে বি ইয়ে কৌশলে তাদের যে রেজিস্টার ফার্মারের কথা বলে, যেমন বিএ কি বলে লক্ষ্য লক্ষ্য ফার্মার বাস্তবে তাদের 38 হাজার ফার্মার আছেন রেজিস্টার্ড ফার্মার। মাত্র সারাদেশে তাদের 38 হাজার ফার্মার আছে। এই ফার্মাররা যখনই তারা চুক্তিভিত্তিক ইয়ের মধ্যে যাচ্ছে সেটা নিয়ে কিন্তু কানাডার একটা এবং ব্রিটিশ একটা দপ্তর তারা কিন্তু প্রশ্ন তুলেছিল যে তোমরা এর সঙ্গে যে চুক্তি করছো সেই চুক্তিটা ওই যে সার-বীজ দেওয়ার ক্ষেত্রে সেটিকে নিয়েও কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে ইন্টারন্যাশনাল দপ্তরেও। আমাদের দরকার এই বিষয়টাকে একটু এক্সপ্লোর করা তুলে ধরা যে তামাক পাতার দাম ঠিক করে দেওয়ার এটি বন্ধ করতে হবে এবং যেকোনো মূল্যে এটি সংশোধন করে আমাদের ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার মার্কেটিং এর হাত থেকে এটা সরিয়ে দিতে হবে। না হলে কৃষি মন্ত্রণালয় তামাক চাষ বন্ধের পক্ষে কখনোই দাঁড়াবে না। ধন্যবাদ স্যার।
Transcript source
AI audio transcription
This transcript was generated from the video's audio because no usable YouTube caption track was available. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.
Use this transcript
Related transcript hubs
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS



