[0:00]ইষ্টপ্রাণ দাদা ও মায়েদের জানাই আন্তরিক জয়গুরু। আজ ইষ্ট প্রসঙ্গে পরম প্রেমময় শ্রী শ্রী ঠাকুরের একটি অসাধারণ লীলা কাহিনী জেনে নেব। শ্রী শ্রী ঠাকুরের এক খুবই দরিদ্র গরিব ভক্তের জীবনের এই ঘটনাটি অবশ্যই শেষ পর্যন্ত দেখবেন জানলে আশ্চর্য হবেন এবারে বিস্তারিত। শ্রী শ্রী ঠাকুরের এক ভক্ত ছিল খুব গরীব। দুই মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে ছিল তার সংসার। দিন আনে দিন খায়। সেই ভক্তের একটি অভ্যাস ছিল যে ঠাকুরের কাছে প্রতিদিন যাওয়া চাই। না গেলে যেন তার পেটের ভাত হজম হতো না কিন্তু তার স্ত্রী ঠাকুরের কাছে যাওয়া নিয়ে তার স্বামীকে নানাভাবে মুখ ঝামটা করতো। স্ত্রী তার স্বামীকে বলতো ঠাকুরকে বলবে দুটি মেয়ের বিয়ের কিছু একটা ব্যবস্থা করে দিতে। সেই ভক্ত শ্রী শ্রী ঠাকুরের কাছে যেত কিন্তু এই কথাটা কিছুতেই শ্রী শ্রী ঠাকুরকে বলতে পারতো না। একদিন শ্রী শ্রী ঠাকুরকে এই কথাটা বলেই ফেলল সে। ঠাকুর বললেন দেখ পরম পিতা আছেন। তিনি ঠিক একটা ব্যবস্থা করে দেবেন। ঠিক সেই সময় এক জমিদার ঠাকুর বাড়ি আসেন। জমিদার ঠাকুরকে প্রণাম করে একটি সুন্দর কম্বল উপহার দেন।
[1:43]তারপর জমিদার কিছুক্ষণ থেকে ঠাকুর প্রণাম করে তিনি চলে যান। তারপর ঠাকুর সেই দরিদ্র ভক্তকে বলেন এই কম্বলটা নিয়ে যা। তোদের তো গায়ে দেয়ার তেমন কিছু নেই এটা গায়ে দিবি। ঠাকুরের দেওয়া কম্বল সেই ভক্ত মাথায় করে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাড়ির দিকে চলতে থাকে। ঠিক সেই সময় ওই জমিদারের পেয়াদা জমিদারের দেওয়া কম্বলটি দেখে তাকে জমিদারের কাছে নিয়ে যায়। জমিদার ভাবে এ ব্যাটা নিশ্চয়ই ঠাকুরের কাছ থেকে কম্বলটা চুরি করেছে। জমিদার সেই ভক্তকে খুব প্রহার করে ঠাকুরের কাছে নিয়ে যায়। জমিদার ঠাকুরকে বলেন ঠাকুর এ বেটা আমার দেওয়া কম্বলটা আপনার থেকে চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছিল আমি ধরে এনেছি। শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন তখন ও চুরি করবে কেন আমি ওকে ওই কম্বলটা দিয়েছি ও খুব গরিব গায়ে ঢাকা দেবার তেমন কিছু নেই তাই ওকে এটা আমি দিয়েছি। তখন সেই জমিদার শ্রী শ্রী ঠাকুরকে বলে ঠাকুর আমি বড় পাপ করেছি ঠাকুর আমি প্রায়শ্চিত্ত করতে চাই আমি কি করবো। তখন পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন অর দুটো মেয়ে আছে। তাদের ভালো জায়গায় বিয়ের ব্যবস্থা কর তাতেই তোর প্রায়শ্চিত্ত হবে। খুবই একটি অসাধারণ শ্রী শ্রী ঠাকুরের এই দয়ার কাহিনী লীলা কাহিনী আপনারাও শেয়ার করতে পারেন জয় গুরু।



