[0:00]হেই বন্ধুরা, আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, যদি আমরা একটানা মাটির গভীরে খুঁড়তেই থাকি, তাহলে ঠিক কতটা নিচে যেতে পারবো? সমুদ্রপৃষ্ঠ পেরিয়ে মাউন্ট এভারেস্ট যতটা উঁচু, তার থেকেও অনেক নিচে যদি আমরা পৌঁছাতে পারি, তাহলে আমরা কি পাবো? যেখানে বিজ্ঞানীরা প্রায় ৫৫ কোটি কিলোমিটার দূরের মঙ্গল গ্রহে পৌঁছে গেছেন, সেখানে আমরা পৃথিবীর মাত্র ১২ হাজার ৭৪২ কিলোমিটার মানে ৭ হাজার ৯১৮ মাইলস গভীর পর্যন্ত গর্ত খুঁড়তেই কেন হিমশিম খাই? এখনও অব্দি মানব দ্বারা সর্বাধিক খনন ১২.২৬ কিলোমিটার মানে ৭.৬ মাইলস পর্যন্ত, যা কিনা পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে পৃথিবীর ভূমির দূরত্বের মাত্র ২ শতাংশ। পৃথিবীর শেষ অব্দি খনন করতে কেন বারবার থেমে যেতে হয়েছে আমাদের? কি এমন আছে এই পৃথিবীর ভেতরে যা বড় বড় খনন যন্ত্রকেও নতি স্বীকার করতে বাধ্য করে? আজকে অদ্ভুত ১০ এর এই কল্পবিজ্ঞানের ভিডিওটিতে আমরা নামবো সেই অজানা গভীরতার দিকে যেখানে লুকিয়ে রয়েছে ভয়ানোক গোপন কিছু রহস্য।
[1:00]বন্ধুরা, এবার পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে ধাপে ধাপে নিচে নামা শুরু করি। পৃথিবীর যে স্তরে আমরা বসবাস করি সেটি পৃথিবীর সবথেকে উপরের স্তর যেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ প্রাণীর বসবাস। মাত্র এক থেকে দুই ফুট নিচে গেলেই আপনি দেখতে পাবেন ইঁদুর এবং পোকা-মাকড়ের গর্ত। আর যদি ৬ ফুট নিচে নামেন তাহলে সেটাই সেই গভীরতা, যেখানে সাধারণত মানুষকে কবর দেওয়া হয়। এর থেকে একটু গভীরে মানে ১৩ ফুট নিচে পৌঁছালে আপনি চলে যাবেন প্রাচীন ইতিহাসে। কারণ এখানেই আবিষ্কৃত হয়েছিল মিশরের প্রায় ৩ হাজার বছরের পুরনো রাজা তুতেনখামেনের সমাধি ও অমূল্য ধনসম্পদ। সাধারণত প্রাচীন মিশরীয়রা রাজাদের ১০ ফুট নিচেই কবর দিতেন। ২০ ফুট নিচ পর্যন্ত মেটাল ডিটেক্টর মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা ধাতব জিনিস খুঁজে পেতে পারে। আর ২৩ ফুট গভীরে আপনি দেখতে পাবেন ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিখ্যাত গোপন টানেলগুলোকে। যা ভিয়েতনামী সৈনিকেরা তৈরি করেছিল আমেরিকান সৈনিকদের এড়িয়ে যোগাযোগ ও আক্রমণের জন্য। এটি এক অসাধারণ কৌশল ছিল যুদ্ধকালীন সময়ে। নিচে নামতে নামতে আমরা পৌঁছাই ৬৫ ফুট গভীরে যেখানে রয়েছে প্যারিসের বিখ্যাত কাটা কুম্ভ কবরস্থান। যাকে মাস গ্রেভস ইন প্যারিস সেমিট্রিসও বলা হয়ে থাকে। এর প্রতিটি কক্ষে ১৫০০টি পর্যন্ত মৃতদেহ রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। যেখানে আজ অব্দি প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষের কঙ্কাল বিশ্রাম নিচ্ছে। ১৭০০ এবং ১৮০০ শতকে এক ভয়ংকর মহামারীর সময় প্যারিস শহরে কবরস্থানগুলি পূর্ণ হয়ে গেলে ফরাসি সরকার এই গোপন ভান্ডারে মৃতদেহগুলোকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারপর থেকে আজ অব্দি আনুমানিক এখানে ৬০ লক্ষ মানুষকে কবর দেওয়া হয়েছে। এরপর ১৮০ ফুট নিচে গেলে আপনি দেখতে পাবেন এক অভিনব উদ্যোগ চীনের আন্ডারগ্রাউন্ড আর্বান ফার্ম। যেখানে কৃত্রিম আলো ব্যবহার করে মাটির নিচেই চাষাবাদ করা হয়। আরও গভীরে প্রায় ৩২৮ ফুট নিচে রাখা হয়েছে নিউক্লিয়ার ওয়েস্ট যাতে এই নিউক্লিয়ার ওয়েস্টগুলো মানবজাতি ও প্রকৃতির ক্ষতি না করতে পারে। তার ঠিক নিচেই ৩৪৬ ফুট গভীরে অবস্থিত পৃথিবীর সবথেকে গভীর মেট্রো স্টেশন যা রয়েছে ইউক্রেনের কিয়েভ শহরে। এরও গভীরে প্রত্যেকটি স্তরে যেন লুকিয়ে আছে ইতিহাস রহস্য এবং মানুষের বুদ্ধিমত্তার অসাধারণ ছাপ। এবার আমরা নামবো আরও গভীরে যেখানে মানুষের পা খুবই কম পৌঁছেছে। ৮০০ ফুট নিচে আপনি দেখতে পাবেন পৃথিবীর সবচেয়ে নিচে বিস্তার করা গাছের শিকড়। এই শিকড়ের মালিক একটি আফ্রিকান গাছ যার নাম ফিকাস। এই গাছটি এতটাই শক্তিশালী যে তার শিকড় ভূগর্ভের গভীর স্তর পর্যন্ত প্রবেশ করতে সক্ষম। এরপর ৭২০ ফুট নিচে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নদী কঙ্গো নদী। এই নদী আফ্রিকার বুক চিরে বয়ে চলেছে এবং এর গভীরতা বিজ্ঞানীদের আজও বিস্ময় করে। ৯৫০ ফুট গভীরে আপনি পাবেন পৃথিবীর সবথেকে নিচে থাকা ট্রেনের টানেল। সেকান টানেল যা জাপানের দুটি শহরকে সংযুক্ত করেছে সমুদ্রের নিচ দিয়ে যাকে ইঞ্জিনিয়ারিং এর এক বিস্ময় বলা চলে। এরপর ১ হাজার ফুট বা তারও বেশি গভীরে তৈরি করা হয় নিউক্লিয়ার মিসাইল সাইলুস। যা এমনভাবে গঠন করা হয়েছে যা ভূমির উপর বিস্ফোরণ সত্ত্বেও নিরাপদে থাকবে। তবে যদি এই পারমাণবিক বোমাতে বিস্ফোরণ ঘটে তা এই গভীরতাতেও বিধ্বংসী হবে। ১ হাজার ৪০০৩ ফুট নিচে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু স্থলভাগ ডেড সি বা মৃত সাগর। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এত নিচে যে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভবন কিউ এই আকারের তুলনায় কম। ২ হাজার ৩০০ ফুট নিচে অবস্থিত চিলির সান জোসে খনি যেখানে একসময় ৩০ জন খনি শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে ৬৯ দিন ধরে আটকে ছিলেন। এই খনির মূল কেন্দ্র ছিল প্রায় ৩ হাজার ১৮০ ফুট গভীর। এখানকার খনিকে বলা হয় ২০ গ্রাম কপার মাইন। এর চেয়েও নিচে প্রায় ৭ হাজার ২১৫ ফুট গভীরে আছে কুড়বেরা গুহা যা ভোরোনিয়া গুহা নামেও পরিচিত। যা জর্জিয়া দেশের আবখাজিয়াতে অবস্থিত। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর প্রাকৃতিক গুহা। এরপর আমরা পৌঁছাই কোলার গোল্ড মাইনে যা ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে অবস্থিত এবং ১০ হাজার ৫০০ ফুট পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে সোনা তোলার কাজ অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও কঠিন। ১২ হাজার ফুট নিচে পাওয়া গেছে এক অদ্ভুত প্রাণী এক ধরনের পোকা যাকে বলা হয় ডেভি পোকা। এটি এক বিরল জীব যা পৃথিবীর এত গভীরেও টিকে থাকতে পারে। এরপর আমরা পৌঁছে যাই দক্ষিণ আমেরিকার মেমপনিং গোল্ড মাইনে যা ১৩ হাজার ১২৩ ফুট গভীরে অবস্থিত। এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর খনি এবং এখান থেকেই তোলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সোনা। এত গভীর খনির ভেতরে তাপমাত্রা প্রায় ৬৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস চড়িয়ে যায়। এখানে কাজ করাটা শ্রমিকদের জন্য বিশাল বড় এক চ্যালেঞ্জ। কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়েও কিছু মানুষ এখানে কাজ করে শুধু কিছু টাকার আশায়। আপনি জানলে অবাক হবেন এই গভীরতা এতটাই ভয়ানক যে কেউ যদি উপর থেকে পড়ে যায় তবে নিচে নামতেই ৩০ সেকেন্ড সময় লাগবে। আর নিচে পড়া মাত্র তার শরীর ধ্বংস হয়ে যাবে। এরপর ২৯ হাজার ৩১ ফুট যা ঠিক মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতার সমান। কিন্তু এর থেকেও নিচে ৩৫ হাজার ফুটে রয়েছে সমুদ্রের সবচেয়ে গভীর পয়েন্ট যাকে বলা হয় চ্যালেঞ্জার ডিপ। ১৯৫১ সালে একটি ব্রিটিশ গবেষণা জাহাজ এখানে নেমে ১০ হাজার ৮৬৩ মিটার গভীরতা রেকর্ড করে। ভাবুন একবার যদি মাউন্ট এভারেস্টকে উল্টো করে এই গভীরতায় ফেলে দেওয়া হয় তাহলেও প্রায় ২ কিলোমিটার ফাঁকা থেকে যাবে। কিন্তু মানুষের কৌতূহল এখানেই থেমে থাকেনি। তারা পৃথিবীর মাটিতে আরও গভীর গর্ত খনন করেছে। যা পৃথিবীর সবথেকে গভীর খনন। নাম কোলা সুপারডিপ বোরহোল। এই উদ্যোগে ৪০ হাজার ২৩০ ফুট খনন করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রায় ১২ কিলোমিটারের থেকেও বেশি গভীরে। কিন্তু এর ব্যাস ছিল মাত্র ২৩ সেন্টিমিটার। ১৯৯৭ সালে রাশিয়ায় এই প্রকল্প শুরু হয় যার লক্ষ্য ছিল পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছানো। টানা ৯ বছর ধরে খনন চালানোর পর তারা এমন একটি স্তরে পৌঁছায় যেখানে তাপমাত্রা ছিল ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই ভয়ানক উত্তাপে খনন বন্ধ করে দিতে হয় কারণ খনন মেশিন এই তাপমাত্রায় গলে যেতে সক্ষম। এটি এখনো পর্যন্ত মানুষের সবচেয়ে গভীর খোরা গর্ত যা পৃথিবীর গহ্বরে পৌঁছাতে পারেনি। তবে রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা এখানেই শেষ হয়নি। পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত মানুষ খনন করতে না পারলেও বিজ্ঞানীদের গবেষণার মাধ্যমে আমরা এটা অনুমান করতে পারি যে এর নিচে কি আছে। আর সেই অনুমানকে বুঝতে হলে আপনাদেরকে বুঝতে হবে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন কেমন। পৃথিবীর স্তরকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় ক্রাস্ট, ম্যান্টেল এবং কোর। এই কোরটিতে রয়েছে দুটি স্তর একটি হলো আউটার কোর এবং আরেকটি হলো ইনার কোর। এর মধ্যে সবথেকে উপরের স্তর হলো ক্রাস্ট যার গড় থিকনেস ৫ থেকে ৭০ কিলোমিটার। এই ক্রাস্টেই আমরা বাস করি। এটাই আমাদের পৃথিবীর প্রকৃত চেনা মুখ। কিন্তু যদি আমরা এই স্তরের ৭০ কিলোমিটার নিচে নামি তাহলে পৌঁছে যাব ম্যান্টেলের স্তরে যা বিশাল এক অজানা পৃথিবীর দরজা খুলে দেয়। এই ম্যান্টেলের স্তরটি প্রায় ২ হাজার ৯০০ কিলোমিটার পুরু এবং এটি পৃথিবীর সবথেকে বড় স্তর। বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে পৃথিবীর অভ্যন্তরের এই রহস্যময় স্তরগুলো নিয়ে গবেষণা করেছেন। এই গভীর স্তরে মূলত লোহা এবং নিকেলের সংমিশ্রণ পাওয়া যায়। যা উচ্চ তাপমাত্রা এবং চরম চাপের মধ্যে একটি ভয়ানক জগত তৈরি করে। এই ম্যান্টেলের স্তরটিও আবার দুটি স্তরে বিভক্ত। আউটার ম্যান্টেলে এবং ইনার ম্যান্টেলে। আউটার ম্যান্টেলে যা পৃথিবীর উপরের দিকে যেখানে লোহা এবং নিকেলের গলিত এবং আধা তরল রূপ পাওয়া যায়। এখানকার তাপমাত্রা প্রায় ১ হাজার থেকে ৩ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। ঠিক সূর্যের কেন্দ্রের মত ভয়ানক উত্তপ্ত।
[8:41]এত উচ্চ তাপমাত্রা সত্ত্বেও এই অংশটি কঠিন অবস্থায় থাকে। কারণ পৃথিবীর উপরি স্থলের চাপ এখানে এত বেশি যে পদার্থ গলতেও পারে না। এই গভীরতম স্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এটি পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করতে সাহায্য করে। এই চৌম্বকীয় ক্ষেত্রই আমাদের রক্ষা করে সূর্যের ভয়ানক ক্ষতিকারক রশ্মি ও সৌর ঝড় থেকে। অর্থাৎ পৃথিবীর অদৃশ্য এই স্তরগুলিই আমাদের বেঁচে থাকার নিরাপদ ঢাল। বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীর তৃতীয় স্তর মানে ইনার কোর থেকে যখন গলিত ধাতুর প্রবাহ উঠে আসে ম্যান্টেলের স্তরে তখন সেখানে তৈরি হয় লোহা, তামা, নিকেল, সোনা এবং রুপা। যা আমরা খননের মাধ্যমে উত্তোলন করি। এসব ধাতু তৈরি হচ্ছে এক ভয়াবহ উত্তপ্ত চরম চাপের পরিবেশে। যেখানে কোন শক্ত পদার্থও স্থায়ীভাবে থাকতে পারে না। এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য ঘটনা। কারণ এখনো পর্যন্ত আমরা পৃথিবীর ক্রাস্টে মাত্র ১২ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত খনন করতে পেরেছি। অর্থাৎ পৃথিবীর কেন্দ্র এখনো আমাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে। কিন্তু সেই স্থানের শক্তি আমাদেরকে রক্ষা করছে সূর্যের ভয়ানক রশ্মি থেকে এবং সৌর ঝড় থেকে। সাথে সেখান থেকে গলিত ধাতুর প্রবাহ আজ আমরা ব্যবহার করে চলেছি। যদি আমরা ভারতের মাটি থেকে এক বিশাল গর্ত খুঁড়তে থাকি তাহলে সেটি সোজা গিয়ে চিলির প্যাসিফিক সাগরে পৌঁছাবে। আর সেই গর্তের গভীরতা হবে প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটার। এই গর্তে ভ্রমণ করা একটি পরিপূর্ণ গোলার্ধের ভেতরে মানে আমাদের পৃথিবীর ভেতর দিয়ে এক প্রকার সময় এবং মহাশক্তির ভ্রমণ। এই বিশাল পৃথিবীর গভীরে রয়েছে অজস্র রহস্য যা আজও আমাদের চোখের আড়ালে। তবে বিজ্ঞান থেমে থাকেনি। এই অদৃশ্য অভ্যন্তরের প্রত্যেকটি স্তরের ভেতরেই লুকিয়ে আছে নতুন নতুন আবিষ্কারের সম্ভাবনা। যা একদিন হয়তো পাল্টে দেবে আমাদের পৃথিবীকে জানার সংজ্ঞা। আর সেই তথ্যগুলোকে আপনাদের জানানোর জন্য রয়েছে অদ্ভুত দশ। আজ এইটুকুই। তবে একটি বিশেষ ঘোষণা আমি জানি আপনারা অনেকেই অদ্ভুত দশকে সাবস্ক্রাইব করেছেন। তবে সাবস্ক্রাইব করার মাধ্যমেই আপনাদের কাজ শেষ হয় না। দয়া করে সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনটিতে প্রেস করে নেবেন। যদি আপনি সেটা না করেন তাহলে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস সম্পূর্ণভাবে সফল হবে না। তাই দয়া করে সাবস্ক্রাইব করে অবশ্যই বেল আইকনটি প্রেস করে নিবেন এরকমই ভিডিও আরও বেশি দেখতে এবং সবার কাছে পৌঁছে দিতে। সর্বশেষে থ্যাংকস ফর ওয়াচিং, স্টে হ্যাপি, স্টে সেফ।



