Thumbnail for ৪ টি আলামত থাকলেই বুঝবেন আল্লাহ আপনাকে প্রচুর ভালোবাসে | শায়খ আহমাদুল্লাহ | Shaikh Ahmadullah | by Islamic Amol-ইসলামের আমল

৪ টি আলামত থাকলেই বুঝবেন আল্লাহ আপনাকে প্রচুর ভালোবাসে | শায়খ আহমাদুল্লাহ | Shaikh Ahmadullah |

Islamic Amol-ইসলামের আমল

5m 56s764 words~4 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Pull quotes
[2:10]ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু সালাম। ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু সালাম সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা কোরআনে কারীমে একাধিক জায়গায় বলেছেন কি কি পরীক্ষা নিয়েছেন?
[2:10]যখন আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ইব্রাহিমের পরীক্ষা নিয়েছেন ইব্রাহিমের পরীক্ষা আল্লাহ তাআলা নিয়েছেন কেন ইব্রাহিমের পরীক্ষা নিয়েছেন?
Use this transcript
Related transcript hubs

[0:00]আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার ভালোবাসার যে সকল আলামতের কথা নবী আলাইহিস সালাতু সালামের হাদিসে এসেছে তার মধ্য থেকে আমরা চারটি আলামতের কথা আজকে উল্লেখ করব ইনশাআল্লাহ বিল্লাহ। তার প্রথম আলামতটি প্রায় বেশিরভাগ হাদিসের কিতাবে বর্ণিত হয়েছে যে রাসূল কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা যখন কোন বান্দাকে ভালোবাসেন তখন তিনি জিবরীলকে নির্দেশ করে বলেন যে অমুকের তার আমলের কারণে তার চিন্তাধারার কারণে তার চলাফেরার বিশুদ্ধ উপায় এবং পদ্ধতির কারণে আমি তাকে ভালোবাসি। আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ভালোবাসা যখন জানিয়ে দেন তখন তিনি জিবরীলকে নির্দেশ করেন তুমিও তাকে ভালোবাসো। তখন জিবরীল আসমানে ঘোষণা দেন যে আল্লাহ অমুককে ভালোবেসেছেন তাই আল্লাহ নির্দেশ করেছেন ভালোবাসার তোমরাও তাকে ভালোবাসো। আসমানওয়ালারা অর্থাৎ ফেরেশতারা সকলে তার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন তখন আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৃথিবীতে যারা বসবাস করে তাদের অন্তরে ওই ব্যক্তির প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেন। বর্ণনাকারী বলেন আর যদি কাউকে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা ঘৃণা করেন অপছন্দ করেন একইভাবে অর্থাৎ জিবরীলকে ডেকে বলেন আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আমি অমুককে তার কর্মের কারণে তাকে আমি অপছন্দ করি তুমিও অপছন্দ করো। আসমান ওয়ালারা অপছন্দ করে তারপরে জমিনওয়ালা বা পৃথিবীবা্সীও তাকে অপছন্দ করতে থাকে। এ হাদিস থেকে বুঝা গেল আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা যখন কাউকে ভালোবাসেন তার একটা আলামত হলো যে পৃথিবীতে বেশিরভাগ মানুষ বা সচরাচর তাকে যারা চেনে জানে তাদের সকলের ভালোবাসা তার প্রতি আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা সৃষ্টি করে দেন। নাম্বার দুই আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা যখন কোন মানুষকে ভালোবাসেন কাউকে পছন্দ করেন সেটা আমরা কিভাবে বুঝবো? তার দ্বিতীয় আলামত হলো আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তাকে বিপদ আপদ দেন। তাকে মুসিবত দেন তাকে কষ্ট দেন এটা হলো একটা আলামত যে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ওই লোকটাকে ভালোবাসেন। এ বিষয়ে সুনানে তিরমিযীর এক হাদিসে আসছে রাসূল আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন আর যখন আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা কোন মানুষকে কোন জাতিকে ভালোবাসেন তখন তাদের পরীক্ষা নেন।

[2:10]তাদেরকে মুসিবত দেন কষ্ট দেন রোগে শোকে অসুবিধায় ফেলে নানাভাবে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা তাদেরকে পরীক্ষা করেন। এই যে বিপদ আপদে ফেলে দেওয়া এটা কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার ভালোবাসার একটি আলামত। আল্লাহর এই দেওয়া পরীক্ষায় কষ্টে যে ব্যক্তি সন্তুষ্ট হয়ে যায় আল্লাহর ফায়সালাকে মেনে নেয় তার জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অবধারিত হয়ে যায়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর এই ফয়সালায় আল্লাহর এই কষ্ট দেওয়ায় সে অসন্তুষ্ট হয়ে যায় আল্লাহর ফয়সালাকে মেনে নিতে পারে না। ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ একটা পয়েন্ট এই বিষয়টি যে অর্জন করতে পারে না বরং হাহুতাশ করে অস্থির হয়ে যায় গালমন্দ শুরু করে দেয় আল্লাহর ফায়সালাকে সে এভয়েড করে হ্যাঁ আল্লাহ আর লোক দেখে নাই আমার উপরে সব বিপদ আসে। এই টাইপের কথাবার্তা বলে তখন ওই ব্যক্তির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে অসন্তুষ্টি অবধারিত হয়ে যায় আল্লাহ আমাদের মাফ করুন। আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আমাদেরকে ভালোবাসেন তার প্রমাণ হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জীবনে ছোট বড় বিভিন্নভাবে পরীক্ষা নেওয়া। আমরা জানি কোরআনে কারীমে আল্লাহতালা বিভিন্ন নবী রাসূলদের ঘটনা বলেছেন এর ভিতরে সবচেয়ে বেশি কঠিন পরীক্ষা যার জীবনে আসছে তিনি কোন নবী ছিলেন? ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু সালাম। ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু সালাম সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা কোরআনে কারীমে একাধিক জায়গায় বলেছেন কি কি পরীক্ষা নিয়েছেন? যখন আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ইব্রাহিমের পরীক্ষা নিয়েছেন ইব্রাহিমের পরীক্ষা আল্লাহ তাআলা নিয়েছেন কেন ইব্রাহিমের পরীক্ষা নিয়েছেন? আল্লাহ তো ফেরাউনের পরীক্ষা নেন নাই। আল্লাহ তো বলেন নাই আল্লাহ নমরুদের পরীক্ষা নিয়েছেন আল্লাহ এটা বলেন নাই কোরআনে কোথাও যে আল্লাহ আবু জাহেলের পরীক্ষা নিয়েছেন আবু লাহাবের পরীক্ষা নিয়েছেন তারা তো স্টুডেন্টই না। তারা তো আল্লাহর বান্দাই না নেককার বান্দাই না মুমিন বান্দাই না যার কারণে তাদের পরীক্ষা নেওয়ার প্রশ্ন নাই। যার জীবনে বিপদ আসে ঈমানদার যদি হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে সে আল্লাহর কাছে কোনো না কোন কারণে প্রিয় হয়েছে আল্লাহ তাকে পরীক্ষা করছেন বিধায় অস্থির এবং ব্যাকুল হওয়া যাবে না। আল্লাহতালা আমাদের তৌফিক দান করুন। তাহলে দ্বিতীয় আলামতটি আমরা পেলাম আল্লাহর ভালোবাসার তৃতীয় আল্লাহ যখন আমাদের কাউকে ভালোবাসেন তার আলামত কি? এটা বড় জটিল আলামত বড় কঠিন আলামত তার আলামত হলো আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা তাকে দুনিয়া থেকে দূরে সরায়ে রাখেন। দুনিয়ার সাথে মিশে হাবুডুবু খেয়ে একাকার হয়ে যাওয়া থেকে আল্লাহ তালা হেফাজত করেন। আমাদের অনেকে আমরা দুনিয়া চাই পদ পদবী অর্থ কড়ি প্রভাব প্রতিপত্তি কে না চাই আমরা সবাই চাই এগুলা। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা কিছু মানুষকে ভালোবেসে এগুলোর থেকে দূরে সরায় রাখেন। সে চাইলেও বেটে বলা হয় না। আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা তাকে দুনিয়া থেকে পরিকল্পিতভাবে বাই প্ল্যান ইচ্ছাপূর্বক আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা সরায় রাখেন কেন তার জন্য ওই জায়গায় গেলে ক্ষতি হবে।

[5:17]সে দুনিয়ার সাথে যদি মিশে যায় তাহলে সে ধ্বংস হয়ে যাবে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা তাকে বাঁচিয়ে রাখেন এ প্রসঙ্গে সহীহ ইবনে হেববান মুস্তাদরাখ হাকিম সুনানে তিরমিজি অনেকগুলো হাদিসের কিতাবে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহর ভালোবাসার আরেকটি আলামত হলো নেক কাজ করার সুযোগ পাওয়া। আল্লাহ যদি কাউকে নেক কাজ করার সুযোগ দেন ভালো কাজ করার সুযোগ দেন তৌফিক হয় ভালো কাজ করার ভালো পথে চলার এর মানে হলো আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা তাকে ভালোবাসেন। আমাদের সবাইকে তার প্রিয় পথে তৌফিক দান করুন।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript