Thumbnail for null by null

5m 4s643 words~4 min read
Auto-Generated

[0:03]এই কিছুদিন আগে ব্যাঙ্গালোরের একটা ঘটনা বলি, এই অলৌকিক ঘটনা। এগুলোর ব্যাখ্যা নেই বুদ্ধিতে। একটা ছেলে বলে আট মাস কোমায় ছিলো। সে পড়াশোনা জানা, মূর্খ নয়। সে একটা পড়াশোনা করা ছেলে, আট মাস কোমায়। কোমা থেকে তার বাবা মা আকুলি বিকুলি এই আট মাস ধরে বিস্তর খরচ হয়ে গেছে। তার কিছুতেই তার সেন্স ফিরে আসছেনা। সে সজাগ হচ্ছেনা। বাবা মা আকুলি বিকুলি কান্না। আর কি করবে পয়সা খরচ ছাড়া, আছে পয়সা সেটাই খরচ করছে ডাক্তার বলছে এইটা করো, সেটা করো। এই করলে হবে, একটু ওয়েট করতে হবে। এই ওয়েট করতে করতে আট মাস হয়ে গেছে। হঠাৎ একদিন আকুল কান্না ঠাকুর তোমার যা ইচ্ছে তাই হোক। ছেলে উঠে বসলো। প্রার্থনা করলো ঠাকুর তোমার যা ইচ্ছে তাই হোক। ছেলে উঠে বসেছে। কোমা থেকে ফিরে এলো হট করে একদম ঝট, উঠে গেল। প্রার্থনা হলো ঠিক মতন উঠে পড়লো। উঠেই বাবা মাকে বলছে যে আমি তো ছিলাম ঠাকুর বাড়িতে। আচার্যদেব আমাকে আনন্দবাজারের ওখানে থাকতে বলেছিলেন। তো বললেন যে তুই যা তোর বাবা মা কষ্টে আছে তুই চলে যা। তাই চলে এলাম। যেন এই আট মাস কোমায় থাকাটা তার কাছে ঠাকুর বাড়িতে থাকা। এটা তার অনুভূতি থেকে সে বলছে আমি বলছি না। তার গল্পটা আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। তুলে ধরলাম। একটি মেয়ে কলকাতায় তখন এই নির্ভয়া-টির্ভয়া কি কি সব কান্ড হয়েছিল সেই সব কান্ড হয়েছে। সারা দেশব্যাপী মেয়েদের মধ্যে একটা আতংকের ভাব খবরের কাগজের হেডলাইনগুলো তৈরি করে দিয়েছে। যে বাইরে বের হলে আস্তো হয়ে ফিরবো তো না টুকরো টুকরো হয়ে যাবো। বেকায়দায় পড়বো। তো একটি মেয়ে শিক্ষিত। সে তার ইনস্টিটিউটে গেছে ফিরবে যে তার তো কর্মের যেখানে যেতে হয় কাজের জন্য সেখান থেকে ফিরবে। রাত্রি হয়ে গেছে অটওয়ালা এসে দাঁড়ালো সে অটোতে আর কিছু নেই ফেরা। সে ওই অটোটাতেই বসে পড়লো। বসে পড়লো যে চলো। অটোওয়ালা চালাচ্ছে আর সে এক মনে ঠাকুরকে ডাকছে ঠাকুর আমার ভীষণ ভয় করছে এই যেন অটোওয়ালা কোনো দিকে না যায়। কোনো বিকয়ে না ফেলে আমাকে দয়া করো ঠাকুর দয়া করো। সে আকুল ভাবে কাঁদছে। তারপরে যেই বাড়ির কাছে এলো বাড়ির ভাড়া জানে ওই জায়গা থেকে কর্মের থেকে কর্মস্থল থেকে তার বাড়ির স্থল এই দূরতে যা অটো ভাড়া হয় সেটা ওর জানায় ছিলো। ধাপ করে ঘাড়ের ওপর দিয়ে কোলে ফেলে দিয়ে দৌড়ে বাড়িতে ঢুকে গেছে। অটোওয়ালা এক দম পরিমরি করে এই এই এই আর ও শুনছে না মেয়েটি। ও ঢুকে গেছে বাড়ির মধ্যে। দরজা ধপ ধপ করে ঢুকে গেছে। অটোওয়ালা বলছে এই আপনারা আরেকজনের ভাড়া দেন আরেকজনের ভাড়া দেন। তো বলছে যে আমি তো একা ছিলাম। বলে না আপনারা দুজন ছিলেন। বলে না আমি একা ছিলাম আমি তো একাই উঠেছি। না আপনারা দুজন ছিলেন। ওই তো উনি ছিলেন বলে ঠাকুরের ছবি দেখাচ্ছে। সেই মেয়েটি দেখেনি কিন্তু অটোওয়ালাটা দেখেছে যে ঠাকুর ওখানে বসে আছেন মেয়েটাকে রক্ষা করছেন আর ডেকে যাচ্ছে মেয়েটা। তো কোত্থেকে কিরকম করে কি হয় কে জানে। দয়া চাইলে তাহলে ঠিক ভাবে চাইতে হবে। মেঘালয়ের রাজ্য। আমাদের এই উত্তর পূর্বাঞ্চলেরই আরেক রাজ্য। সেখানে একটা পাহাড় গাড়ো পাহাড়। সেখানে একটি মেয়ে একটি মা আছেন তার আর কুলে কেউ নেই। ছোট একটা কৃষি কার্য করেন তাই দিয়ে তার সংসার চলে। সেই মা বৃদ্ধা। বয়স হয়ে গেছে শরীরে বেশি শক্তি নেই কিন্তু তা দিয়ে তিনি যেটুকু কৃষি করেন তাই দিয়ে তার সারা বছর টুকটাক করে চলে যায়। কৃষি ক্ষেত্রে পোকা লেগে গেছে। পোকা লেগে গেছে ফলন নষ্ট হচ্ছে। তার আর উপায় নেই সারা বছর খাবে কি ঠাকুরের ছবিটাকে আঁকড়ে ধরে ঘরের মধ্যে কেঁদে যাচ্ছে ঠাকুর তুমি বাঁচাও। আমি সারা বছর খাবো কি আমার তো কেউ নাই বাবা তুমি না বাঁচালে আমি কি করে বাঁচি ঠাকুর। একবারে কেঁদে যাচ্ছে আকুল ভাবে কাঁদছে। ধরে রেখেছে ঠাকুরের ছবি। এরকম দু তিন দিন কাটার পরে হঠাৎ একদিন দরজায় ধাক্কা ধপধপ করে ধাক্কা। দরজা খুলেছে। দরজা খুলতেই দেখছে যে একদম দীর্ঘ দেহী এক মানুষ। কাপড় পড়া খালি গায়ে এই তোর ক্ষেত কোথায়। বলে বাবা এই সামনে। বলে হুরপার করে একটা লন্ঠন হাতে নিয়ে পেছনে ছুটছে একদম ধাম ধাম করে পেছনে ছুটছে। আর উনি তো দীর্ঘ দেহী। হাঁটছেন এক এক পায়ে যেন অনেকটা আর সেই বুড়ি তো যেন হ্যাচর কচর করে দৌড়াচ্ছে।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript