[0:00]ধুলোবালি তো আমাদের কোন উপকারে আসতেছে না, হঠাৎ করে এই লেকটা শুঁকিয়ে যাচ্ছে।
[0:03]ওয়েট ওয়েট ওয়েট, 150 মিলিয়ন টন ধুলা প্রতি বছর।
[0:06]Something dead somewhere is giving life to somewhere else.
[0:14]হেই এভরিওয়ান, কেমন আছেন সবাই? আজকের ভিডিওটাতে আমি খুব ইন্টারেস্টিং একটা টপিক নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো। আর এটা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পৃথিবী সম্পর্কে খুব আনবিলিভেবল কিছু ফ্যাক্টস আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যেটা আই বেট আপনি কোনদিন চিন্তাও করেন নাই। পুরা ভিডিওটা দেখার পরে আমি আশা করি পৃথিবী সম্পর্কে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাবে। এ মাসের শুরুতেই আমি ভ্যাকেশনে পর্তুগাল গিয়েছিলাম আটলান্টিক ওশান দেখার জন্য। আটলান্টিক ইজ দা ইয়াঙ্গেস্ট ওশান ইন দা ওয়ার্ল্ড, এটার বয়স হচ্ছে 150 মিলিয়ন বছর। আর আমরা তো জানি ওশান মানে আসলে মহাসাগর, সো আটলান্টিক ওশান আসলে কত বড়? খুব সহজ ভাষায় বোঝাতে গেলে, আটলান্টিক ওশান হচ্ছে পুরা পৃথিবীর পাঁচ ভাগের এক ভাগ। আর এটার গভীরতা হচ্ছে পৃথিবীর সবথেকে উঁচু পাহাড় মাউন্ট এভারেস্টের সমান। সো বুঝতেই পারছেন, মাইন্ড ব্লোইং ব্যাপার স্যাপার। সো আমি যখন আটলান্টিক ওশানের পাড়ে হাঁটছিলাম তখন হঠাৎ করে ঝড় শুরু হয়। এবং চারপাশে প্রচণ্ড বেগে আসলে ধূলাবালি উঠছিল। সো আমি তাড়াহুড়ো করে হোটেলে ফেরত আসি। এবং পুরা ব্যাপারটা নিয়ে আমি আসলে খুব একটু বিরক্ত হই। কারণ আমি সবসময় শুনে আসছি পুরা পৃথিবী আসলে খুব পারফেক্টলি ডিজাইন করা এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য আসলে সবকিছুই দরকার। বাট আমি এটা বুঝতে পারতেছিলাম না, একটা পারফেক্টলি ডিজাইন করা ওয়ার্ল্ডে ধুলোবালির প্রয়োজনীয়তাটা আসলে কোথায়? ধুলোবালি তো আমাদের কোন উপকারে আসতেছে না, প্লাস এই পুরা পৃথিবী ব্যাপী যে এত ধুলোবালি, এত ধুলোবালি আসলে আসতেছে কোথা থেকে? এইটা বুঝতে হলে এখন আমাদেরকে আটলান্টিক ওশান ছেড়ে আফ্রিকার সাহারা মরুভূমিতে যেতে হবে। আপনার কাছে শুনতে অবিশ্বাস্য লাগতে পারে, সাহারা মরুভূমির মাঝখানে আগে একটা বিশাল বড় লেক ছিল। এই লেকের নাম হচ্ছে লেক মেগা চাড। এটাকে বিশাল লেক বলতেছি কারণ এই লেকের সাইজ ছিল দুইটা বাংলাদেশের থেকেও বড়। এবং এই লেকটা প্রচুর পরিমাণে জলজ প্রাণী এবং উদ্ভিদে পরিপূর্ণ ছিল। 1000 বছর আগে হঠাৎ করে এই লেকটা শুঁকিয়ে যায়। এবং লেকের ভেতরে যত প্রাণী এবং উদ্ভিদ ছিল সব মরে মরুভূমির মাটির সাথে মিশে যায় এবং পরবর্তীতে এগুলা ধুলায় রূপান্তরিত হয়ে যায়। এবং এই ধুলাগুলার ভিতরে যেহেতু ওই জলজ প্রাণী এবং উদ্ভিদ গুলা মিশে আছে, সাহারা মরুভূমির ধুলার পুষ্টিগুণ আসলে অনেক বেশি। এবং সাহারা মরুভূমির টোটাল ধুলার পরিমাণ এত বেশি যে সাহারা মরুভূমি কন্টিনিউয়াসলি পৃথিবীকে ধুলা সাপ্লাই দিয়ে আসতেছে। এবং সাইন্টিস্টদের তথ্য মতে আগামী আরো মিনিমাম 1000 বছর সাহারা মরুভূমি পৃথিবীকে ধুলা সাপ্লাই দিয়ে যাইতে পারবে। এখনো যখন সাহারা মরুভূমিতে ঝড় হয় এবং বাতাসের সাথে ধুলা যখন উপরের দিকে উঠে যায়, এই ধুলার পরিমাণ এত বেশি স্পেস থেকে খালি চোখে এই ধুলা দেখা যায়। নাসার তথ্যমতে প্রতি বছর প্রায় 150 মিলিয়ন টন ধুলা সাহারা মরুভূমি থেকে উড়ে যায়। ওয়েট ওয়েট ওয়েট, 150 মিলিয়ন টন ধুলা প্রতি বছর। 150 মিলিয়ন টন কত ওজন বুঝতেছেন? এটা টেকনিক্যালি পুরা পৃথিবীর অর্ধেক মানুষের ওজনের সমান। আনবিলিভেবল। এখন কোয়েশ্চেন হচ্ছে এই 150 মিলিয়ন টন ধুলা আসলে কোথায় যায়? এই সাহারা মরুভূমি থেকে উড়ে আসা ধুলার একটা বিশাল অংশ আটলান্টিক ওশানে এসে পড়ে। এই আটলান্টিক ওশানের মধ্যে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে আসলে কোন খাবার নাই। সুতরাং সাগরের মধ্যে এমন অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণী আছে যাদেরকে বলা হয় ফাইটোপ্লাংটন। এদের আসলে খেয়ে বেঁচে থাকার মতো তেমন কোন কিছু নাই। সো সাহারা মরুভূমি থেকে উড়ে যে ধুলাগুলো আসে সেগুলা ঠিক এক্সাক্টলি ওই জায়গাটাতেই পড়ে যেখানে আসলে কোন খাবার নাই। আর যেহেতু সাহারা মরুভূমি ধুলার পুষ্টিগুণ আসলে অনেক বেশি, এই ফাইটোপ্লাংটনগুলা ওই ধুলা থেকে আসলে খাবার পায়। এখন আপনি কোয়েশ্চেন করতে পারেন, ভাই ফাইটোপ্লাংটনগুলা খাবার পাইলে তারটা আসলে আমার কি লাভ? দ্যাটস দা বেস্ট পার্ট। আমরা স্কুল কলেজে সবসময় পড়ে আসছি আমরা গাছ থেকে অক্সিজেন পাই, গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান। এই কারণে আসলে আমি ছোটবেলা থেকেই ভাবতাম আমরা মনে হয় শুধুমাত্র গাছপালা থেকেই অক্সিজেন পাই। আনফরচুনেটলি আই ওয়াজ রং। কারণ পুরা পৃথিবীর টোটাল অক্সিজেনের 50 টু 70% আসলে আসে সাগরের নিচ থেকে। আর এই সাগরের নিচের অক্সিজেনগুলো উৎপাদন করে আসলে ওই ফাইটোপ্লাংটন। আপনি কানেকশনটা বুঝতেছেন? সাহারা মরুভূমির মতো একটা ডেড জায়গা থেকে ধুলা উড়ে এসে আটলান্টিক ওশানে পড়ে। সেই আটলান্টিক ওশানে ফাইটোপ্লাংটনগুলা সেই ধুলা থেকে খাবার পায়, খাবার পেয়ে অক্সিজেন উৎপাদন করে আর সেই অক্সিজেনগুলো গ্রহণ করে আমরা বেঁচে থাকি। ইনক্রেডিবল। সাগরের নিচ থেকে এবার একটু মাটির উপরে আসা যাক। আর মাটির উপর অক্সিজেন মূলত আসে গাছপালা থেকে। আর এই অক্সিজেনের মেইন সোর্স হচ্ছে অ্যামাজন রেইনফরেস্ট। অ্যামাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস, দ্য লাংস অফ দা প্ল্যানেট। কারণ পৃথিবীর টোটাল অক্সিজেনের প্রায় 20% আসে শুধুমাত্র এই অ্যামাজন রেইনফরেস্ট থেকে। আর এই অ্যামাজন রেইনফরেস্টের টোটাল গাছগাছারির পরিমাণ 390 বিলিয়ন। যখন আমরা এত গাছপালার কথা শুনি তখন আমরা মনে করি কি, অ্যামাজনের মাটি মনে হয় অনেক উর্বর। আনফরচুনেটলি দিস ইজ নট দা কেইস। কারণ অ্যামাজনে যে পরিমাণ বৃষ্টি এবং বন্যা হয় তাতে করে অ্যামাজনের মাটির যে মেইন পুষ্টিগুণ ফসফরাস সেটা আসলে অনেকাংশেই ধুয়ে চলে যায়। তাহলে এত গাছপালা আসলে পুষ্টি পায় কোথা থেকে? এগেইন সাহারা মরুভূমি যেটার ধুলাতে ফসফরাসের পরিমাণ আসলে অনেক বেশি। প্রতি বছর বৃষ্টি এবং বন্যার কারণে ঠিক যেই পরিমাণ ফসফরাস অ্যামাজনের মাটি থেকে ধুয়ে চলে যায়, এক্স্যাক্টলি সেই পরিমাণ ফসফরাস সাহারা মরুভূমি থেকে হাজার হাজার মাইল উড়ে এসে অ্যামাজনে এসে পড়ে এবং অ্যামাজনের গাছপালারকে পুষ্টি যোগায়। সাহারা মরুভূমির মতো একটা মৃত জায়গা পৃথিবীর সবথেকে জীবন্ত জায়গা অ্যামাজনকে আসলে বাঁচিয়ে রাখছে। এবং সেই অ্যামাজন থেকে যে অক্সিজেনটা তৈরি হচ্ছে সেই অক্সিজেনটা গ্রহণ করে আমরা আসলে বেঁচে থাকি। Something dead somewhere is giving life to somewhere else. সো আজকের ভিডিওটাতে আমরা শুধুমাত্র সাহারা মরুভূমির ধুলা নিয়ে কথা বললাম, বাট এটাই শুধুমাত্র পৃথিবীর ধুলার একমাত্র উৎস না। পৃথিবীতে ধুলার আরো অনেক উৎস আছে যেগুলা প্রতিনিয়ত আমাদের জীবনকে কোনো না কোনোভাবে প্রভাবিত করছে। আপাতদৃষ্টিতে ধুলোবালির মতো একটা জিনিস যেটাকে খুব বিরক্তিকর মনে হয় সেটাই কিন্তু আমাদের জন্য অক্সিজেনের ব্যবস্থা করছে। মূল কথা হচ্ছে দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ ভেরি পারফেক্টলি ডিজাইনড এন্ড এভরিথিং ইজ কানেক্টেড। শুধুমাত্র আমরা কোন জিনিস বুঝতে পারি না বলে ওই জিনিসটার আসলে দরকার নাই ব্যাপারটা কিন্তু আসলে ঐরকম না। আশা করি এই ভিডিওটা দেখার পরে আপনি আপনার চারপাশের ছোট ছোট জিনিসগুলোর প্রতি আরো অনেক বেশি সহনশীল হবেন। কমপ্লেইন করা কমিয়ে দিবেন আর যখন আপনি কমপ্লেইন করা কমিয়ে দিবেন তখন আপনার জীবন একটি হলেও সহজ হবে। থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ ফর ওয়াচিং, ইফ ইউ লাইক দিস ভিডিও প্লিজ সাবস্ক্রাইব টু মাই ইউটিউব চ্যানেল ফলো মি অন ফেসবুক এন্ড শেয়ার দিস ভিডিও উইথ ইওর ফ্রেন্ডস। চিয়ারস।



