[0:00]CapCut PC দিয়ে কিভাবে আপনার ভিডিও এডিট করতে পারেন আজকের ভিডিওতে মূলত সেই প্রসেসটাই আপনাদেরকে একদমই ক্লিয়ারলি দেখাবো। সো যারা একদমই নতুন আছেন অর্থাৎ ভিডিও এডিটিং জানেন না তাদের জন্য এটা খুবই সহায়ক হবে। আর যারা দীর্ঘদিন ধরে ফিল্মורה বা অন্যান্য সাইডে কাজ করছেন জাস্ট আপনারা হচ্ছেন ক্যাপকাট পিসিতে শিফট করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য ভিডিওটা অনেক বেশি কার্যকরী হবে। চলুন তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে মূল ভিডিওটা শুরু করা যাক।
[0:26]অলরাইট আমরা চলে আসলাম আমাদের ডেস্কটপে। প্রথমে আমরা চলে যাব হচ্ছে ক্রোম ব্রাউজারে। ক্রোমে আসার পর এখানে আমরা সার্চবারে গিয়ে লিখবো ক্যাপকাট পিসি। দেন আমাদের সামনে ক্যাপকাটের যে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট টুকু আসবে এখানে আমরা ক্লিক করব। দেন আমরা ডাউনলোড ফর ফ্রি এখানে ক্লিক করে আমরা ক্যাপকাটের যে অফিশিয়াল সফটওয়্যারটি আছে সেটাকে আমরা ডাউনলোড করে তারপর হচ্ছে আমরা ইনস্টল করে নিব। সো ইনস্টলের প্রসেসটা ইজি এটা আর আপনাদেরকে দেখাচ্ছি না। চলেন ইনস্টল করে ওপেন করার পর যে ইন্টারফেসটা আসবে সেখান থেকে শুরু করি।
[0:56]ওকে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ক্যাপ কার্ডের সফটওয়্যারটুকু আমি হচ্ছে ওপেন করেছি এরকম একটা ইন্টারফেস আসছে। আপনাদের শুরুতেই যে কাজটা করতে হবে ক্রিয়েট প্রজেক্ট এখানে একটা প্লাস আইকন আছে জাস্ট এখানে একটা ক্লিক দিবেন। ক্লিক দেওয়ার পর এরকম একটা ইন্টারফেসে চলে আসবে। এখন আপনার কাজ শুরু করতে হবে। ওকে এখানে আমাদের কাজ করতে গেলে আমরা যে ফাইলটা নিয়ে কাজ করব সেটা এখানে নিয়ে আসতে হবে। সো ইম্পোর্ট যে অপশনটা আছে এখানে ক্লিক দেবো। দেওয়ার পর আমরা আমাদের কম্পিউটারের যে জায়গায় আসলে ফাইলগুলো রেখেছি সেখান থেকে একটা ফাইল আমরা নিয়ে আসতে পারবো। ওকে ধরেন আমি এই ফাইলটা নিয়ে কাজ করব এডিট করব এটাকে সো এটা আমি আমার টাইমলাইনে নিয়ে আসলাম। এখন মানে টাইমলাইনে আসে নাই এখনো হচ্ছে মিডিয়া অপশনে আসছে জাস্ট এটাকে টাইমলাইনে নিয়ে আসতে হবে। এইটা হচ্ছে নিচেরটা হচ্ছে টাইমলাইন। সো আমরা এখান থেকে জাস্ট এই প্লাস আইকনে ক্লিক করলেও এটা টাইমলাইনে চলে আসবে অথবা টেনে নিচে আসলেও নিয়ে আসবে। টাইমলাইনে আসার পর এখন কিন্তু আমরা কাজ করতে পারবো। ওকে সো টাইমলাইনটা কিন্তু এখানে একটা ইম্পর্টেন্ট জিনিস এটা জাস্ট একটু খেয়াল করেন। এইটাকে কিন্তু বড় ছোট করার প্রয়োজন হবে অনেক বেশি এই টাইমলাইনটা দেখেন। জাস্ট এই যে এখানে দেখেন একটা অংশ আছে এখানে যদি আপনি এটাকে বড় করেন তাহলে টাইমলাইনটা আপনার বড় হবে। কখনো এটা বড় করতে হবে কখনো ছোট করতে হবে ঠিক আছে এটা হচ্ছে আপনার প্রথম কাজ। ঠিক আছে। আচ্ছা তারপরে যে কাজ সেগুলো আমি একটা একটা করে আপনাদেরকে দেখাচ্ছি।
[2:08]আচ্ছা দেখেন আমি নতুন একটা ভিডিও ইনপুট করেছি। সো এই ভিডিওটা আমি প্লে দিয়ে আপনারা দেখেন।
[2:16]ফ্রিল্যান্সিং করতে যাচ্ছেন। দেখেন আমরা কিন্তু শুরুর দিকে ক্যামেরাটা অন করেছি তারপর একটু প্রিপারেশন নিয়েছি। সো এই অংশগুলো কিন্তু আমরা কেটে দিব মানে যখন আমাদের কাটার প্রয়োজন হয় তখন কিভাবে কাটবো সেটা দেখাই ওকে এটা সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট জিনিস। এখান থেকে যেহেতু আমরা শুরু করছি সো এর আগের অংশটা আমরা কেটে ফেলে দিব উপরের দিকে দেখেন অপশন আছে সেটা হচ্ছে এখানে স্প্লিটে যদি আপনি ক্লিক দেন তাহলে এটা দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাবে তখন আপনি আপনার মত করে ডিলিট করতে পারবেন ঠিক আছে। আমি দেখাই এই যে দেখেন দুইটা ভাগে ভাগ হয়ে গেছে ওকে এখন আমি যেটা ফেলে দিতে চাই ধরেন এটা ফেলে দিতে চাচ্ছিলাম এটা সিলেক্ট করে তারপর হচ্ছে আমার কিবোর্ড থেকে আমি ডিলিটে দিলেই কিন্তু এটা চলে গেল ওকে।
[2:52]এখন যদি আপনার কাটার দরকার হয় মাঝখান থেকে অথবা এক সাইডে আপনি কেটে ফেলে দিবেন একবারে ধরেন আমি এর আগের অংশটা কেটে ফেলে দিব ঠিক আছে। জাস্ট আমি দেখেন এখন এই যে এই অংশটাতে যদি আমি ক্লিক দেই ঠিক আছে তাহলে দেখেন আমার বাম পাশের অংশটা কেটে চলে গেল। আবার দেখা গেল যে আমার এইটুকু দরকার আছে এরপরে আর দরকার নেই ঠিক আছে তাহলে আমি এই যে দেখেন এই আইকনটা দেখেন জাস্ট হচ্ছে ডিলিট রাইট এখানে ক্লিক দিলে তারপরেরটা কেটে চলে গেল। খুব ইজি না বিষয়টা ওকে।
[3:24]আচ্ছা আমরা কিন্তু আরেকটা ইম্পর্টেন্ট জিনিস দেখাতে ভুলে গিয়েছিলাম সেটা একটু আপনাদেরকে আগে দেখাই যে এই যে প্রজেক্টটা নিয়ে কাজ করছি এটা আসলে কোথায় সেভ হচ্ছে বা এটা আসলে আমি কিভাবে রিনেম করব বা এটা হচ্ছে নামটা কিভাবে দিব। আচ্ছা এখান থেকে একটা জিনিস খেয়াল করেন বাহিরের দিকে যখন আপনারা ক্লিক করবেন জাস্ট হচ্ছে আপনার টাইমলাইনের বাইরে তখন কিন্তু এখান থেকে ডিটেইলস দেখতে পারবেন। বেসিক্যালি এটা কোথায় সেভ হচ্ছে এই লোকেশনটা কিন্তু এই যে দেখেন এই জায়গাটাতে আমি যেখানে কারসট দেখাচ্ছি এখানে কিন্তু দেখাচ্ছে ওকে। এখন এটার নাম দেওয়া আছে 0419 এখানে ব্র্যাকেটে 2 আছে এইটাকে যদি আপনি রিনেম করতে চান তাহলে আপনাকে যে কাজটা করতে হবে উপরের দিকে মেনু আছে এখানে যেতে হবে তারপর হচ্ছে ব্যাক টু হোম পেজ এখানে যেতে হবে ঠিক আছে। এখানে আসার পর এই যে দেখেন আমি যেটা নিয়ে কাজ করছিলাম এটা এখান থেকে দেখাচ্ছে জাস্ট এখানে ক্লিক করে এটা আমি জাস্ট একটু রিনেম করে দিয়ে দিলেই হয়ে গেল এই হচ্ছে মূলত বিষয় ঠিক আছে। চলেন আবার আমরা হচ্ছে যে প্রজেক্টটা নিয়ে কাজ করছিলাম সেটাতেই যাই। এখন আমরা তো আসলে আপনাদেরকে কার্ড দেখালাম যে কিভাবে কাট করবেন কিন্তু তার আগে আপনাদেরকে আমি একটা জিনিস দেখাই যে এটার রেশিওটা হ্যাঁ। আপনি এই যে ভিডিওটা দেখছেন এটা আমি ইউটিউবের জন্য বেসিক্যালি হচ্ছে রেকর্ড করেছি এখন এইটা হচ্ছে 16:9। এটা ইউটিউবে আপলোড করার জন্য পারফেক্ট বাট এখানে যদি আপনি রেশিওতে ক্লিক দেন তাহলে এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের রেশিও দেখতে পারবেন ঠিক আছে। সো এখান থেকে যদি আপনি মনে করেন যে আমি রিলস ফরমেটে করব বা শর্টস ফরমেটে করব তাহলে 9:16 দিবেন দেওয়ার পর দেখছেন এই যে এটা 9:16 হয়ে গেল এটার উপরে যখন ক্লিক করবেন ফুটেজটার উপরে তখন এখান থেকে আপনি টেনে ধরে এটাকে কিন্তু আপনি জাস্ট ওই ফরমেটে দিয়ে দিতে পারবেন ঠিক আছে। অথবা আপনার এটা যদি রেকর্ডই করা থাকে 9:16 এ তাহলে এখানে আর কোন কথা নেই আর যদি আপনি এটাকে 16:9 বা অন্য কোন রেশিওতে নিতে চান ঠিক আছে জাস্ট এইটা এখান থেকে আপনি রেশিওটাকে সিলেক্ট করতে পারবেন এই হচ্ছে মূলত বিষয়। ওকে আমরা 9:16 এ কাজটা করব জাস্ট আপনাদের বুঝানোর জন্য এটা দেখালাম আরকি।
[5:10]আচ্ছা এখন আমি আপনাদেরকে আরেকটা ইম্পর্টেন্ট বিষয় দেখাই সেটা হচ্ছে দেখেন এখানে কিন্তু অডিওটা এবং ভিডিওটা দুইটা কিন্তু এটাচ একসাথে হ্যাঁ। সো আমাদেরকে যখন এটার দরকার হয় আলাদা করার যেমন প্রিমিয়ার প্রোতে এটা আলাদাাই থাকে ঠিক আছে তখন আমরা যে কাজটা করব এই যে দেখেন এখানে দেখেন এক্সট্রাক্ট অডিও নামে একটা অপশন আছে যদি এখানে ক্লিক দেই তাহলে এই যে দেখেন অডিওটা কিন্তু আলাদা হয়ে গেল ঠিক আছে। এখন এই যে ভিডিও আলাদা অডিও আলাদা এখন আমি অডিওটাকে যদি ডিলিট করতে চাই তাহলে কিন্তু আমি ডিলিটও করে দিতে পারি এই যে সিলেক্ট করার পর ডিলিটে ক্লিক দিলে কিন্তু চলে যাচ্ছে। এই হচ্ছে মূলত অডিওর বিষয় অডিও নিয়ে আমরা আরো ডিটেইলসে আপনাদের সাথে কথা বলব চলেন আমরা পরের স্টেপটাতে যাই। পরের স্টেপটা এখানে একটু খেয়াল করেন দেখেন এখানে এইচডি বলে একটা অপশন আছে ঠিক আছে। সো এইচডি তে হচ্ছে এখান থেকে স্টেবিলাইজেশন একটা আছে তারপর হচ্ছে ইনহ্যান্স কোয়ালিটি অর্থাৎ অনেক সময় ফুটেজের কোয়ালিটি ভালো থাকে না তখন আপনি চাইলে সেটাকে কিন্তু ইনহ্যান্স করতে পারেন। এখানে ক্লিক দিলে এটা সে ইনহ্যান্স করে দিবে ঠিক আছে যদি লো কোয়ালিটির হয় এটাকে এইচডি তে নিয়ে আসতে পারবেন। ওকে।
[6:09]তারপরে হচ্ছে এখান থেকে আরেকটা জিনিস হচ্ছে স্টেবিলাইজেশন স্টেবিলাইজেশন জিনিসটা কি আমি আপনাদেরকে দেখাচ্ছি। ওকে আপনারা প্রথমে এই ফুটেজটা দেখেন ফুটেজটা কতটা সে কি ঠিক আছে আমি আরো একবার প্লে করলাম দেখেন এখন এটাকে দেখেন কতটা স্টেবল করি আমি ওকে। সো ফুটেজটার উপর ক্লিক দিলাম জাস্ট এখান থেকে এইচডি অপশনে ক্লিক দিয়ে এটাকে হচ্ছে এই যে স্টেবিলাইজেশনটাতে গেলাম। যাওয়ার পর এখান থেকে জাস্ট হচ্ছে আমাকে এটা স্টেবল করতে হবে এই যে দেখেন যখন দিলাম তখন কিন্তু এই যে স্টেবিলাইজেশনটা হচ্ছে ঠিক আছে কাজটা শেষ হওয়ার পর আমি আপনাদেরকে রেজাল্টটা দেখাবো। দেখেন ফুটেজটা কতটা স্টেবল হয়েছে তখন দেখতে পাচ্ছিলেন একটা অবস্থা আর এখন কিন্তু মনে হচ্ছে যে একটা গিম্বেল দিয়ে আসলে এটাকে স্টেবল করা হয়েছে বস্তুত এটা আমরা কিন্তু এই ক্যাপ কাট সফটওয়্যার দিয়ে করেছি। ইন্টারেস্টিং না চলেন পরের স্টেপে যাই।
[6:57]আচ্ছা প্রথমেই আপনারা আমার এই ফুটেজটার দিকে খেয়াল করেন এই যে দেখেন দেখতে পাচ্ছেন এটা কিন্তু 16:9 এ ঠিক আছে। সো এইটাকে আমরা কিন্তু ক্রপ করি অনেক সময় হ্যাঁ এইটা আমি ফেলে দেই ফেলে দেওয়ার পর দেখেন এই যে এই ভিডিওটাকে মানে আমি কিন্তু ক্রপ করেছি ওকে। দেখবেন যে আমার ভিডিওতে কিন্তু একটাতে ক্রপ করা থাকে আরেকটাতে এক সাইডে আমার হচ্ছে আমি মোবাইল স্ক্রিনটা দেখাই সো কিভাবে ক্রপ করবেন চলেন আপনাদেরকে সেই প্রসেসটাই দেখাই ওকে আমি দুইটা টাইমলাইন থেকে সরিয়ে দিচ্ছি আবারও এটা নতুন করে নিয়ে আসছি আপনাদেরকে দেখানোর জন্য ওকে। সো আপনাদের ফুটেজটার উপর ক্লিক করবেন এখানে দেখবেন ক্রপের একটা আইকন আছে জাস্ট এখানে ক্লিক দিবেন। দেওয়ার পর আপনারা যতটুকু ক্রপ করতে চান সেইটুকু জাস্ট হচ্ছে ক্রপ করে ফেলবেন দ্যাটস ইট কাজ শেষ কনফার্ম অপশনে ক্লিক করে দিবেন এবার এটা আপনাদের মত করে ড্রাগ করে বসাতে পারেন এটাকে এই কর্নার থেকে টেনে ধরে ছোট বড় করতে পারেন এটা একপাশে রাখতে পারেন ঠিক আছে। এই হচ্ছে মূলত ক্রপড সো আপনারা চাইলে ক্রপড কিন্তু সহজেই করতে পারবেন যেকোনো ফুটেজ হোক বা ইমেজ হোক।
[7:53]আচ্ছা আপনারা এই ভিডিওটার দিকে একটু খেয়াল করেন ভালো করে দেখেন ভিডিওটা দেখেন দেখতে পাচ্ছেন আস্তে আস্তে করে এই যে পড়ে যাওয়া বিল্ডিংটা পানি থেকে উপরের দিকে উঠছে ঠিক আছে দেখেন। আস্তে আস্তে করে কিন্তু উঠছে আমি আরেকটু টেনে দেই তাহলে আপনাদের বুঝতে আরেকটু সহজ হবে। দেখেন এই যে দেখেন উঠছে ওকে এইটাকে বলে রিভার্স ভিডিও এই রিভার্স ভিডিওগুলা কিভাবে করবেন চলেন আপনাদেরকে সেটাই দেখাই ওকে। আচ্ছা এই যে দেখেন আপনারা এইটা হচ্ছে মূলত ভিডিও এই যে দেখেন এই যে আস্তে আস্তে করে এই বিল্ডিংটা ভেঙে এরকম মাটির সাথে মিশেছে মানে হচ্ছে নদীতে পড়ে যায় হ্যাঁ। তো আমরা যে কাজটা করেছি প্রথমেই হচ্ছে ধরেন এই অংশটাকে কেটে ফেলে দিয়েছি ঠিক আছে। এখান থেকেও আমরা কিছুটা বাদ দিয়ে দিয়েছি এখন এই যে এটা হচ্ছে আমাদের মূল জিনিস। সো এইখানে দেখেন একটা অপশন আছে ঠিক আছে। এই যে দেখেন এখানে একটা অপশন আছে ঠিক আছে এইখান থেকে হচ্ছে আমরা জাস্ট রিভার্সে ক্লিক করেছি ক্লিক করার পরেই কিন্তু আমাদের এটা কিছুক্ষণ সময় নিয়ে এটা কিন্তু রিভার্স হয়ে গেছে এই হচ্ছে মূলত রিভার্সের বিষয়। রিভার্স ছাড়াও এখানে কিন্তু আরো বেশ কিছু অপশন আছে যেমন হচ্ছে ফ্রিজ ঠিক আছে। যেমন আমাদের কোন একটা ফ্রেম হঠাৎ করে আটকে যাবে দেখেছেন না আপনারা টিভিতে তো আমি দেখাচ্ছি আপনাদেরকে কিভাবে হ্যাঁ আমি যদি ফ্রিজে ক্লিক দেই দেখেন এই যে এই ফুটেজটাই আপনারা দেখতে পারবেন। এই যে দেখেন চলতেছে না দেখেন মাঝখানে হুট করে আটকে গেছে এই যে এটা ফ্রিজ হয়ে গেছে ফ্রেমটা এরকম দেখবেন অনেক ফুটেজ বা অনেক সময় আমাদেরকে এরকম করতে হয় সো এটা দিয়ে আপনারা খুব সহজেই করতে পারবেন। এখানে আরো বেশ কিছু কাজ আছে আমি আপনাদেরকে একটু করে দেখাই এটার মধ্যে একটা হচ্ছে মিরর এখন এইটা যদি দেই দেখেন এটা কিন্তু উল্টে গেল ঠিক আছে এই হচ্ছে মিররের বিষয়টা। এটা দিয়ে আপনি রোটেট করতে পারবেন নিচে রোটেটের অপশন আছে ঠিক আছে এই যে রোটেট করতে পারবেন ওকে আপনি রোটেট করতে পারবেন এই হচ্ছে মূলত বিষয় এই অপশনটা থেকে আপনারা এই কটা কাজ কিন্তু আপনারা খুব ইজিলি করতে পারবেন চলেন পরের স্টেপে যাই।
[9:43]প্রথমে আপনারা আমার এই স্ক্রিনটার দিয়ে একটু খেয়াল করেন দেখেন এই স্ক্রিনটাতে দেখেন এখানে কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ড আছে ওকে জাস্ট এইটাকে আমি খুব সহজেই ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে দেখাচ্ছি। এখন আমি ভিডিওটা প্লে দেই আপনারা একটু দেখেন এই যে ব্যাকগ্রাউন্ড কিন্তু চেঞ্জ হয়ে গেল আমার আগের যে স্টুডিওটা ছিল সেটা কিন্তু নেই দেখেন একটা নতুন কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ড বসিয়েছি সো আপনারা কিভাবে সেটা করবেন চলেন আপনাদেরকে প্রসেসটা দেখাই ওকে। সো আমি এখানে প্রথমে দুইটা টাইমলাইনের ফুটেজ আছে আমি দুইটা কেটে দেই আমি হচ্ছে এটাকে আবারও নিয়ে আসি এখানে দেখেন ঠিক আছে। এই হচ্ছে মূলত ফুটেজ আমি ধরেন এইটাকে একটু ছোট করে দেখাই আপনাদের যাতে বুঝানোর সুবিধা হয় আরকি। এখন ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করার জন্য যে কাজটা করতে হবে এই যে দেখেন উপরের দিকে ভিডিও অপশন আছে এই যে দেখেন আমার কারসটটা দেখেন বিজি অপশন আছে এখানে আসবেন। দেখেন এখান থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ বা হচ্ছে রিমুভ বিজি একটা অপশন আছে এখান থেকে যদি আপনি অটও দেন তাহলে কিন্তু এখান থেকে সে এনালাইসিস করে এই যে অটও কিছুক্ষণ সময় নিবে নিয়ে হচ্ছে এটাকে ব্যাকগ্রাউন্ডটাকে রিমুভ করে দিবে ওকে। আর যদি আপনি গ্রিন স্ক্রিন রিমুভ করতে চান ঠিক আছে তাহলে হচ্ছে একই রকম জিনিস আমি আপনাদেরকে আরেকবার দেখাই এই যে দেখেন এইটা হচ্ছে মূলত বিষয় এই যে গ্রিন স্ক্রিন এখানে হচ্ছে গ্রিন স্ক্রিন এইটা হচ্ছে জাস্ট গ্রিন স্ক্রিনের কালারটা আপনারা চেঞ্জ করে দিবেন আচ্ছা আমি একটা গ্রিন স্ক্রিন নিয়ে আসছি। এই যে দেখেন আমি গ্রিন স্ক্রিনের একটা ফুটেজ নিয়ে আসছি সো এখান থেকে ক্রোমা কি এখানে ক্লিক দিবো দেওয়ার পর এই যে দেখেন কালার পিক এইটাকে সিলেক্ট রাখা অবস্থায় এটাকে জাস্ট হচ্ছে সিলেক্ট থাকা অবস্থায় এই যে আমি এখানে ক্লিক করলাম এখন দেখেন আমার স্ক্রিনটা কিন্তু রিমুভ হয়ে গেল সো এখান থেকে এই যে দেখেন পারফেক্ট হচ্ছে না সো এটাকে আমি বাড়িয়ে কমিয়ে জাস্ট এটাকে আমি পারফেক্ট করতে পারবো ঠিক আছে। এটা আপনারা আপনাদের প্রয়োজন মতো বাড়িয়ে কমিয়ে এটাকে ঠিক করে নিবেন ওকে এই যে দেখেন এখন মোটামুটি ঠিক হয়ে গেছে। এখন এই যে দেখেন ব্যাকগ্রাউন্ডটা কিন্তু নাই এখন আমি যে কাজটা করব যদি আমি এই ব্যাকগ্রাউন্ডটা পিছনে বসিয়ে দেই আচ্ছা এটাকে উপরে তুলতে হবে দেখেন। আমি এই যে নিচে যে একটা ফুটেজটা ছিল এটাকে উপরে তুলছি আর উপরে যেটা ছিল এটাকে নিচে নিয়ে গেলাম ঠিক আছে এখন দেখেন এই যে আমার ব্যাকগ্রাউন্ডটা কিন্তু চেঞ্জ হয়ে গেল দেখতে পাচ্ছেন সো খুব সহজ। এভাবে কিন্তু আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে পারেন খুব ইজিলি চলেন পরের ট্রিকসে যাই।
[11:39]ভিউয়ার্স এখন যে কাজটা আপনাদেরকে দেখাবো সেটা হচ্ছে সাউন্ডের কাজ খুবই ইম্পর্টেন্ট প্রথমেই আপনারা আমার এই ফুটেজটার দিকে একটু নোটিশ করেন নোটিশ করেন। ফ্রিল্যান্সিং করতে যাচ্ছেন দেখেন আমি কথা বলার আগ পর্যন্ত কিন্তু এখানে নয়েজ ছিল এবং এখানে কিন্তু পুরাটাতে নয়েজ আছে ঠিক আছে সো আমরা নয়েজটা কিভাবে ঠিক করব চলেন দেখাই প্রথমেই হচ্ছে আমরা ফুটেজটার উপর ক্লিক করব তারপর হচ্ছে এখান থেকে অডিওতে যাবো উপরের দিকে দেখেন অডিও আছে এইখান থেকে দেখেন এই যে রিডিউস নয়েজ এখানে একটা অপশন আছে এটা যদি আমি ক্লিক করি তাহলে এখান থেকে যে নয়েজগুলো আছে সেগুলো আস্তে আস্তে চলে যাবে ওকে। এই দেখেন এখন কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করতে যাচ্ছেন দেখতে পাচ্ছেন নয়েজটা কিন্তু নেই আবার যদি ভয়েসটাকে আরেকটু বেশি ইনহ্যান্স করতে চাই তাহলে এনহ্যান্স ভয়েস এখানে ক্লিক দিতে পারি তাহলে কিন্তু ভয়েসটা আরেকটু ডেভেলপ করবে ঠিক আছে আরেকটু ভালো হবে আরকি। ফ্রিল্যান্সিং করতে যাচ্ছেন কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবেন কিভাবে শুরু করবেন বুঝতে পারছেন সাউন্ডটা কিন্তু অসাধারণ হয়েছে ওকে। সো এইটা ছাড়াও কিন্তু আরো কিছু কাজ আছে যেমন আপনার যে অরিজিনাল সাউন্ড আছে এটা আপনি ফেলে দিতে পারেন ফেলে দিয়ে আপনি হচ্ছে একটা নতুন সাউন্ড এড করতে পারেন এই যে এখানে আপনাদের কিছুক্ষণ আগে দেখিয়েছিলাম এক্সট্রাক্ট অডিও এখানে দিলে এইটা আলাদা হয়ে যায় তখন এখান থেকে আপনি চাইলে এটাকে ফেলে দিতে পারেন।
[14:49]এখন ফুল ভলিউমে আছে এটা এখান থেকে আপনি চাইলে এই যে ভলিউমটা আস্তে আস্তে করে কমিয়ে দিলেই কিন্তু এটা কমে যাবে ঠিক আছে এই হচ্ছে মূলত ফ্যাক্ট।
[14:59]আচ্ছা এখানে আপনারা একটা জিনিস নোটিশ করেন দেখেন আমার একটা ফুটেজ থেকে আরেকটা ফুটেজে শিফট করল দেখেন একটা থেকে আরেকটাতে গেল কিন্তু হুট করে চলে গেল বাট আমি চাচ্ছি একটা ট্রানজেকশনের মাধ্যমে সেটা হবে ওকে কিভাবে চলেন ট্রানজেকশনটা কিভাবে দিবেন দেখাচ্ছি এই যে দেখেন উপরের দিকে এই যে আমার কারসটটা যেখানে গেছে এখানে ট্রানজেকশন অপশন আছে সো এখানে আসলেই অনেক ট্রানজেকশন দেখতে পারবেন এগুলোকে আপনারা হচ্ছে ডাউনলোড করবেন ঠিক আছে ডাউনলোড করে নিবেন প্রথমে এই যে ডাউনলোড করা হয়ে গেলে জাস্ট এই যে মাঝখানের যে অংশটা না যেখানে ট্রানজেকশনটা বসাবেন ওকে। এই যে মাঝখানের যে অংশটা ট্রানজেকশনটা এখানে বসাবেন এখানে নিয়ে আসবেন জাস্ট এই যে প্লাস আইকনে ক্লিক করবেন যে ট্রানজেকশনটা বসাতে চাচ্ছেন প্লাস আইকনে ক্লিক করবেন এখন দিয়ে দিবেন ওকে কাজ কিন্তু শেষ এখন ট্রানজেকশনটা এপ্লাই হওয়ার পর জাস্ট এই যে দেখেন এই যে এখন সুন্দর করে দেখছেন ট্রানজেকশনটা চলে আসছে এখানে কিন্তু প্রচুর প্রচুর পরিমাণ ট্রানজেকশন আছে এই যে দেখেন এইগুলা একটা একটা করে আপনি দেখে নিতে পারেন যে কোনটা আপনার ভালো লাগবে ঠিক আছে আপনার যেটা ভালো লাগবে সেটা আপনি দিবেন সুন্দর করে বসে যাবে এই যে এইটা একটু সুন্দর আছে আমি আপনাদেরকে একটু দেখাই আমি যদি এইটা এখানে এড করতে চাই দেখেন কি দাঁড়ায় দেখতে পাচ্ছেন খুব সুন্দর করে গিয়েছে সো ট্রানজেকশনটা এইভাবে কিন্তু আপনারা খুব সহজেই দুইটা ভিডিওর মাঝখানে ইউজ করতে পারেন তাতে ভিডিওটা দেখতে অনেক বেশি ভালো লাগবে।
[16:09]আচ্ছা আপনারা যখন আমার ভিডিও দেখেন তখন দেখবেন এই ধরনের টেক্সট এনিমেশনগুলো ঘুরে ঘুরে আসছে খুব চমৎকার টেক্সট এনিমেশন ছাড়া আসলে কিছুই হয় না একটা ভিডিও এডিট আপনি মোটেও ভালো করে করতে পারবেন না। চলেন আপনাদেরকে দেখাই কিভাবে টেক্সট বসাবেন প্লাস টেক্সট এনিমেশনটা বসাবেন এই যে দেখেন উপরের দিকে মেনুবারে টেক্সট একটা অংশ আছে এখানে ক্লিক করবেন ক্লিক করার পর এখান থেকে জাস্ট আপনি যে টেক্সটগুলো ইউজ করছেন এড টেক্সট এখানে আপনি ক্লিক করবেন। এখন আপনি এখান থেকে ডিফল্ট টেক্সট এখানে ক্লিক করবেন ক্লিক করার পর একটা টেক্সট এখানে আপনার চলে আসবে ঠিক আছে এখন এটাকে যদি আপনি কেটে বাংলায় লিখতে চান তাহলে আপনি ধরেন এটাকে বাংলায় লিখেন ঠিক আছে আমি বাংলায় লিখি এই যে লিখলাম বই কিনবেন ভাবছেন আমি এটা লিখলাম কিন্তু টেক্সটটা দেখেন কত সহজ সরল একটা টেক্সট আমরা কি এগুলা দিতে চাই না এই যে এখানে দেখেন টেক্সট ইফেক্টে গেলাম এখানে সুন্দর সুন্দর কিছু ইফেক্ট আছে ঠিক আছে দেখেন এখানে ইফেক্ট আছে দেখেন আপনার যেটা ভালো লাগে আরকি ঠিক আছে এখান থেকে ডাউনলোডে ক্লিক দিবেন এইটা দেখান চলে আসছে ওকে এখন এইটা দিয়েছেন ঠিক আছে বাট এইটাতে তো কোন এনিমেশন নাই এনিমেশন তো দরকার তাই না আমরা এনিমেশনও দিব এনিমেশন ছাড়া কি টেক্সট ভালো লাগবে বলেন আমরা এই টেক্সটের উপর ক্লিক করব ক্লিক করার পর হচ্ছে এখান থেকে জাস্ট এনিমেশনে যাবো ওকে সো এখান থেকে আপনারা প্রচুর এনিমেশন দেখতে পারবেন এই যে একটার উপরে আমি ডাউনলোডের উপর ক্লিক দেই ডাউনলোড হয়ে যাবে এই যে দেখেন এখন দেখেন কিভাবে সুন্দর হয় জিনিসগুলা এই দেখেন দেখছেন কত চমৎকার না এখন এগুলা আপনারা যেটা করতে পারবেন সেটা হচ্ছে ফ্রন্ট অন চেঞ্জ করে জিনিসটাকে আরো সুন্দর করে তুলতে পারবেন যাই হোক ভিডিও লেন্থি হয়ে যাচ্ছে আমি শুধু মূল জিনিসগুলো আপনাদেরকে দেখিয়ে যাচ্ছি ঠিক আছে আর টেক্সট বা ফ্রন্ট কিভাবে চেঞ্জ করবেন সেটা তো মোটামুটি আপনারা সবাই জানেন এই যে টেক্সটে যাবেন যাওয়ার পর এই যে ফ্রন্টের যে অপশনটা আছে এখানে ক্লিক দিবেন দিয়ে আপনি এখান থেকে ফ্রন্টটাকে চেঞ্জ করে দিবেন এই হচ্ছে মূলত বিষয় এখন দেখেন আমি প্লে দেই দেখেন ভিডিওটা দেখতে কেমন লাগবে ভালো লাগবে আশা করি।
[19:25]আচ্ছা আপনারা আমার এই ভিডিওটার দিকে একটু খেয়াল করেন দেখেন প্রথমে নরমালি চলছে পরের দিকে স্পিডে চলল আবার একটু স্লো চলছে ঠিক আছে এইটাকে বলে হচ্ছে স্পিড র্যাম্পিং দেখেন আবার দেখেন ঠিক আছে অনেক সময় কিন্তু এই ধরনের ফুটেজের প্রয়োজন হয় ইউজ করার জন্য বিশেষ করে যারা হচ্ছে ব্লগ টক করেন দেখবেন খুব স্পিডে চলে যাচ্ছে আবার খুবই স্লো মোশন হয়ে যাচ্ছে আবার নরমাল চলছে আবার স্পিডে চলে যাচ্ছে ওকে এটা কিভাবে করবেন চলেন আপনাদেরকে দেখাই ওকে আমি একটা নতুন করে ফুটেজ নেই নিয়ে আমি সেটাতেই দেখাই আমি এটাকে আবার নতুন করে টাইমলাইনে নিয়ে আসলাম এই যে দেখেন আমি এখান থেকে দেখাই সুবিধা হবে নরমালি আপনি যেখানেই থাকেন এই ফুটেজটার উপর ক্লিক করবেন তারপর স্পিড অপশনটা পাবেন এখান থেকে দেখেন কাস্টম অপশনও যেতে পারেন অথবা আপনি হচ্ছে এখান থেকে মনটেইজ অপশন বা হিরো অপশন এগুলা যে কোন একটা সিলেক্ট করতে পারেন এখানে কাস্টম প্রিসেট আরকি তো এইটাকেও আপনি আপনার মত করে কিন্তু কাস্টমাইজ করতে পারবেন কাস্টমাইজ করলে আপনি দেখতে পারবেন যে কোন জায়গাটায় এসে আপনার স্পিড বাড়ানোর দরকার হচ্ছে কোন জায়গাটায় আপনার কমানোর দরকার হচ্ছে সেটা কিন্তু আপনি করতে পারবেন এই যে যেমন আমি এখানে করতে পারছি ঠিক আছে এই হচ্ছে মূলত ফ্যাক্ট সো এভাবে কিন্তু আপনারা খুব সহজেই স্পিড র্যাম্পিংটা করতে পারবেন এবং এইটা কিন্তু ভিডিওকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে।
[22:38]আচ্ছা আপনারা আমার এই ফুটেজটা দেখেন এখানে দেখেন একটা এয়ারবাস কিন্তু আস্তে আস্তে করে নিচের দিকে নামছে হ্যাঁ তো এখন আপনি জাস্ট এটা খেয়াল করেন দেখেন এইটার সাথে কিন্তু একটা টেক্সট নামছে এটাকে বলে টেক্সট ট্র্যাকিং সো আপনারা কিভাবে টেক্সট ট্র্যাকিংটা করবেন চলেন আপনাদেরকে একটু প্র্যাকটিক্যালি দেখাই ওকে। এই যে এখান থেকে আমরা টেক্সট অপশনে চলে গেলাম যাওয়ার পর এখান থেকে ধরেন আমি এইটাকে সিলেক্ট করছি এটাকে আমি নিয়ে আসলাম ওকে এইটা আমি পুরো আমার ভিডিওতে দিয়ে দিব এখন এখানে আমি টেক্সটটাকে কেটে আমার মত করে টেক্সট দিয়ে দেই আমি ধরেন এখানে আপনাদের বুঝানোর জন্য এটা দিলাম হচ্ছে এএফআর এটাকে আমি হচ্ছে একটা পাশে বসাবো আরকি হ্যাঁ এই যে পাশে বসালাম হ্যাঁ এখন এটা আমার ট্র্যাকিং করতে হবে এই যে দেখেন উপরের দিকে ট্র্যাকিং করে একটা অপশন আছে এখানে গেলাম যাওয়ার পর এই ট্র্যাকিং অপশনে ক্লিক করলাম ঠিক আছে এখন এটা এইটার সাথে এড হবে ওকে টেক্সটটা এই যে আমার এই সাবজেক্টের সাথে ট্র্যাকিং হবে সো এটা দিলাম দিয়ে স্টার্ট অপশনে ক্লিক করে দেই এখন দেখেন এইটা কিন্তু সে ট্র্যাকিং করছে যদিও ক্যাপ কাটের যে ট্র্যাকিং এইটা আসলে আফটার ইফেক্টসের মত ততটা হবে না ওকে অলরেডি হয়ে গেছে এখন দেখি এই যে দেখেন দেখতে পাচ্ছেন সাবজেক্ট এবং অবজেক্ট একই সাথে নিচে নামছে এইটাকে বলে টেক্সট ট্র্যাকিং এটা আপনারা ঠিক এভাবেই করতে পারেন চলেন পরের ট্রিকসে যাই। আচ্ছা আপনারা আমার এই ভিডিওটার দিকে একটু খেয়াল করেন দেখেন প্রথমে নরমালি চলছে পরের স্পিডে চলল আবার একটু স্লো চলছে ঠিক আছে এইটাকে বলে হচ্ছে স্পিড র্যাম্পিং দেখেন আবার দেখেন ঠিক আছে অনেক সময় কিন্তু এই ধরনের ফুটেজের প্রয়োজন হয় ইউজ করার জন্য বিশেষ করে যারা হচ্ছে ব্লগ টক করেন দেখবেন খুব স্পিডে চলে যাচ্ছে আবার খুব স্লো মোশন হয়ে যাচ্ছে আবার নরমাল চলছে আবার স্পিডে চলে যাচ্ছে ওকে এটা কিভাবে করবেন চলেন আপনাদেরকে দেখাই ওকে আমি একটা নতুন করে ফুটেজ নেই নিয়ে আমি সেটাতেই দেখাই আমি এটাকে আবার নতুন করে টাইমলাইনে নিয়ে আসলাম এই যে দেখেন আমি এখান থেকে দেখাই সুবিধা হবে নরমালি আপনি যেখানেই থাকেন এই ফুটেজটার উপর ক্লিক করবেন তারপর স্পিড অপশনটা পাবেন এখান থেকে দেখেন কাস্টম অপশনও যেতে পারেন অথবা আপনি হচ্ছে এখান থেকে মনটেইজ অপশন বা হিরো অপশন এগুলা যে কোন একটা সিলেক্ট করতে পারেন এখানে কাস্টম প্রিসেট আরকি তো এইটাকেও আপনি আপনার মত করে কিন্তু কাস্টমাইজ করতে পারবেন কাস্টমাইজ করলে আপনি দেখতে পারবেন যে কোন জায়গাটায় এসে আপনার স্পিড বাড়ানোর দরকার হচ্ছে কোন জায়গাটায় আপনার কমানোর দরকার হচ্ছে সেটা কিন্তু আপনি করতে পারবেন এই যে যেমন আমি এখানে করতে পারছি ঠিক আছে এই হচ্ছে মূলত ফ্যাক্ট সো এভাবে কিন্তু আপনারা খুব সহজেই স্পিড র্যাম্পিংটা করতে পারবেন এবং এইটা কিন্তু ভিডিওকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। আচ্ছা আপনারা আমার এই ফুটেজটার দিকে একটু খেয়াল করেন দেখেন হুট করে কিন্তু এটা জুম হয়ে গেল দেখতে পাচ্ছেন আবার দেখেন হুট করে এটা জুম আউট হয়ে যাচ্ছে এই যে দেখেন জুম আউট হয়ে যাচ্ছে ঠিক আছে সো এটাকে আমি কিভাবে জুম ইন করলাম জুম আউট করলাম চলেন আপনাদেরকে আমি একটু প্রসেসটা দেখাই আপনারা তাহলে বুঝতে পারবেন এইটা কিন্তু ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে মোস্ট ইম্পর্টেন্ট একটা জিনিস এটা অবশ্যই করতে হবে আপনাকে চলেন আপনাদেরকে একটু প্রসেসটা দেখাই। প্রথমেই আপনারা যে কাজটা করবেন আপনাদের যে টাইমলাইনে যে ফুটেজটা আছে সেটার উপর ক্লিক করবেন ক্লিক করার পর এই যে ট্রান্সফর্ম করে একটা অপশন দেখতে পাবেন এইটার পাশেই এড কি ফ্রেম এখানে ক্লিক করবেন তারপরে হচ্ছে আপনারা একটু সামনে আগাবেন ঠিক আছে যেখান থেকে হচ্ছে আপনারা কাজটা করবেন হ্যাঁ আমি একটু সামনে গেলাম আরেকটা কি ফ্রেম দিলাম ওকে সো এখন আমি ধরেন এটাকে জুম করব সো এখন আমি যেটা করব সেটাই হবে আরকি হ্যাঁ এই যে ধরেন আমি এটাকে জুম করলাম এখন এটা তো মাথাটা কেটে গেছে সো এটাকে যদি আমরা মাথাটাকে নিচের দিকে নামাই তাহলে এখান থেকে ধরে রাখলে মাথাটা আস্তে আস্তে করে নিচের দিকে নামবে ঠিক আছে দেখেন মাথাটা নিচের দিকে নামলো ওকে সো এখন কিন্তু আমাদের একটা জাস্ট একটা এনিমেশন তৈরি হয়ে গেল বা একটা জুম ইফেক্ট তৈরি হয়ে গেল দেখেন এই যে আমরা একটা টাইমলাইনটা পিছন থেকে এই দেখেন দেখতে পাচ্ছেন এটাকে যদি আবার আমরা আউট করতে চাই সেইম ভাবে এই যে কি ফ্রেমে দিব একটু সামনে চলে যাব যাওয়ার পরে আমার আমার যতটুকু দরকার আরকি তারপর হচ্ছে ধরেন এখানে আমি এটাকে 600 দিয়েছিলাম এটাকে আমি শূন্য দেই এইটাকেও আমি শূন্য দেই দিয়ে এইটাকে আমি ধরেন আরো কমিয়ে দিলাম এখন দেখেন আমার সুন্দর করে আরেকটা চমৎকার সুন্দর একটা জুম আউট ইফেক্ট তৈরি হয়ে গেছে এই যে দেখেন দেখতে পাচ্ছেন সো এটাকে যদি আমি আরো ধীরে সুস্থে করতে চাই তাহলে এইটাকে জাস্ট আমি টেনে ধরে বাড়িয়ে দিলেই কিন্তু এটা হচ্ছে এই যে দেখেন দেখেন এইটা ধরেন জুম আউটটা আরো কম হবে আস্তে করে হবে তাহলে এটাকে আমি আরো বাড়িয়ে দিলাম দেখেন জুম আউটটা কিন্তু আরো আস্তে আস্তে হচ্ছে এই যে দেখেন আরো আস্তে আস্তে কিন্তু হচ্ছে এই হচ্ছে মূলত ফ্যাক্ট আবার ধরেন কোন একটা বস্তুকে এখানে এনে আসলে এটাকে ঘুরাবেন নড়াবেন চড়াবেন এই একই কি ফ্রেমের সাহায্যে আপনারা এই কাজগুলা করতে পারবেন মোট কথা হচ্ছে এইটা দিয়ে আপনারা একটা এনিমেশন তৈরি করতে পারবেন এই হচ্ছে ফ্যাক্ট চলেন পরের টিক্সে যাই। আচ্ছা এখানে একটা ভিডিও প্লে দিয়ে দেখেন আমার যখন এই যে ভিডিওটা যখন চলতেছিল ঠিক আছে এই যে ভিডিওটা যখন চলতেছিল দেখেন মাঝখানে কিন্তু আরেকটা ভিডিও চলে আসছে এই যে দেখেন এটার উপর দিয়ে আরেকটা ভিডিও চলে আসছে আমরা রিভিউ করি যখন তখন দেখছেন না এরকম আরো ফুটেজ চলে আসে সো এই যে দেখেন চলে আসছে ঠিক আছে এবং আরেকটা জিনিস দেখেন এই যে আমার পিছনের দিকে দুইটা ভিডিও কিন্তু একই সাথে প্লে হচ্ছে জাস্ট ছোট করে এটা ক্রপ করে দেওয়া আছে এখন এই কাজটা কিন্তু অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট কিভাবে আপনারা করবেন চলেন আমি আপনাদেরকে একটু প্র্যাকটিক্যালি দেখাই ওকে সো প্রথমেই হচ্ছে এই যে দেখেন আমার যে টাইমলাইন হ্যাঁ এই যে টাইমলাইন একটা টাইমলাইন রয়েছে ঠিক আছে এটা আমি ডিলিট করে দেই আপনাদেরকে দেখাবো তো এই টাইমলাইনের উপর প্রথমে যেটা করেছি জাস্ট এই যে আরেকটা ফুটেজ এই যে এইটার উপর জাস্ট উপরে এনে ছেড়ে দিলাম ঠিক আছে এই যে উপরে ছেড়ে দিলাম তাহলে কিন্তু ওইটা ঢাকা পড়ে গিয়েছে এখন কিন্তু এটাই শো করছে ঠিক আছে এটা আমার যতখানি দেখানোর দরকার এই যে কিভাবে কাটতে হয় সেটা তো আপনারা জানেন এই যে আমি কেটে ফেললাম ওকে তারপরে দুইটা ক্রপ করার সিস্টেম আমি আপনাদেরকে দেখিয়েছি এই ক্রপটা কিভাবে করবেন সেটা আমি আপনাদেরকে দেখাচ্ছি ধরেন এই যে ফুটেজটা এইটাকে জাস্ট ওইটার মধ্যে ক্রপ করবেন এই যে ক্রপ সিস্টেমটা আছে না এখানে ক্লিক দিবেন দেওয়ার পর এটাকে হচ্ছে জাস্ট আপনি ক্রপ করে ফেলেন ওকে এটাকে আমি এই যে ক্রপ করে ফেললাম কনফার্ম দিয়ে দিলাম এখন এটা ক্রপ হয়ে গেছে এই যে কর্নারে টেনে ধরে হ্যাঁ এটাকে আমি ছোট করে ফেললাম এই যে এখন ট্রান দিয়ে একপাশে নিয়ে গেলাম একটা হয়ে গেল আমি দুইটা দেখিয়েছিলাম না এই যে আরেকটা সেইম টাইমলাইনে আবার টেনে নিয়ে আসলাম একই ভাবে আবার হচ্ছে ক্রপে গেলাম যাওয়ার পর এটাকে হচ্ছে ক্রপ করে ফেললাম ঠিক আছে এইটাকেও ক্রপ করে ফেললাম করে কনফার্মে দিয়ে দিলাম আবার জাস্ট এটাকে হচ্ছে ছোট করে ফেললাম কর্নারে ধরে ছোট করে ফেললাম কাজ কিন্তু শেষ এখন যদি আমি প্লে দেই তাহলে দেখেন আমি যে আবার শুরুতে দেখিয়েছিলাম সেই সে কিভাবে এই যে দেখেন দুই পাশে দুইটা ভিডিও কিন্তু চলমান রয়েছে এই হচ্ছে মূলত বিষয় সো এই কাজটা অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট আপনারা অবশ্যই এটা কিভাবে করতে হবে বুঝতে পারছেন চলেন পরের ট্রিক্সে যাই। আপনাদেরকে এখন চমৎকার একটা জিনিস দেখাই সেটা হচ্ছে আপনার ফুটেজটাকে কিভাবে কালারাইজ করবেন দেখেন প্রথমে আমার এই ফুটেজটা দেখেন একদমই সাদামাটা না এখন আপনার এইটা দেখেন জাস্ট এটাকে বলে কালার গ্রেড কিভাবে আপনারা কালার গ্রেড করবেন কালার গ্রেড করলে তো কালার অনেক সুন্দর হবে বুঝতেই পারছেন চলেন সেটা দেখাই ধরেন আমি এই ফুটেজটার উপর কালার করব ঠিক আছে এটা কিন্তু আমার র ফুটেজ সো র ফুটেজ থাকলে এরকমই সাধারণত দেখাবে আর যদি নরমালও থাকে তারপরে কিন্তু এটাকে আপনারা কালারটাকে বাড়াতে পারবেন ঠিক আছে ওকে আমি দেখাই পুরো জিনিস দেখানো সম্ভব হবে না জাস্ট আমি এখানে ফুটেজের উপর ক্লিক করলাম তারপর হচ্ছে এই যে দেখেন এখানে এডজাস্টম্যান করে একটা অপশন আছে এখানে ক্লিক দিব এডজাস্টম্যানটে ক্লিক দেওয়ার পর এই পাশে চলে আসবো এইখানে এডজাস্ট করে একটা অপশন আছে এখানে আসলাম ওকে আসার পর এখান থেকে আমি যে কাজটা করব আমার এটা যেহেতু স্টক ফুটেজ সো আমরা এখান থেকে কার্ভে যাবো জাস্ট হচ্ছে এই যে দেখেন কার্ভটা এখান থেকে হচ্ছে জাস্ট এটাকে কমিয়ে দিলাম ঠিক আছে দেওয়ার পর এখান থেকে আবার বেসিকে আসবো বেসিকে আসার পর এখান থেকে ধরেন সেচুরেশনটা আমি একটু বাড়িয়ে দেই ঠিক আছে আর এখান থেকে যদি কোন কিছু বাড়াতে চাই বাড়াতে পারি এটা হচ্ছে আমার ইচ্ছা তারপর হচ্ছে এখান থেকে এক্সপ্রোজারটাকে আমি একটু বাড়িয়ে দিলাম ঠিক আছে দেখেন এখন মোটামুটি একটা কালার হয়েছে সো এখন আমি বলছি না যে ভাই খুব সুন্দর কালার হয়েছে আমার এটা ঠিক আছে কারণ এখানে আপনাকে এনভারমেন্টের উপর ডিপেন্ড করবে আপনি যে ফুটেজটা নিয়ে কাজ করছেন সেটার এনভারমেন্টের উপর ডিপেন্ড করবে বা সেটা আপনি কোন লগে শোর্ট করেছেন সেইগুলা বা অনেক কিছুর উপর ডিপেন্ড করবে যে আপনি আসলে কালারটাকে কিভাবে করতে চাচ্ছেন বাট কালার গ্রেডটা কিভাবে করবেন হিন্টস দিচ্ছি আপনি আপনার মত করে এখানে একটা একটা করে টিউন করে দেখবেন যে কোনটা আপনার দরকার যেমন শ্যাডো এখান থেকে দিলে আমি শ্যাডো এরিয়াটা বেড়ে যাবে ঠিক আছে আপনার কি শ্যাডো বেশি দরকার না কমানো দরকার ঠিক আছে এই জিনিসগুলো দেখবেন ঠিক আছে ফুটেজটাকে একটু শার্প করতে পারবেন ঠিক আছে এখান থেকে দেখেন আপনি সব জিনিস দেওয়া আছে ওকে তারপর যদি আপনি এখান থেকে এইচ ডি এস এল এ যান তাহলে ধরেন এখান থেকে আমি সবুজটাকে একটু বেশি সবুজ করে ফেলবো এই যে দেখেন সবুজটা একটু বেশি সবুজ হয়ে যাচ্ছে ওকে তারপর ধরেন এই কালারটাকে আমি একটু বাড়িয়ে দিব ঠিক আছে বা এটাকে আমি আরেকটু কমিয়ে দিব ঠিক আছে আমি স্পেসিফিকলি এটাকে আমি আরো কমাতে পারছি দেখেন বাকি সব ঠিক থাকছে বাট এই কালারটা কমে এটা একটু চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে বুঝতে পারছেন সো এভাবে আপনারা একটা একটা করে টিউন করে দেখে নিবেন আমি আসলে যদি দেখাতে চাই অনেক সময় চলে যাবে ভাই তাও শেষ হবে না আর কালার গ্রেড একটা বিশাল জিনিস বা একটা সাগর সেখান থেকে জাস্ট আমি আপনাদেরকে হিন্টসটা দিয়ে দিলাম এবং একটা কালার একবার করার পর এই যে সেভ এস প্রিসেট হিসেবে এখানে আপনারা এটাকে সেট করে রেখে দিতে পারবেন পরবর্তীতে বারবার একই জিনিস কিন্তু আপনারা ইউজ করতে পারবেন। একটা ভিডিও আপনি এডিট করেছেন কিন্তু সেই ভিডিওটা তো এক্সপোর্ট করতে হবে। অর্থাৎ এই ভিডিওটা কাজে লাগানোর উপযোগী করতে হবে ঠিক আছে সো কিভাবে করবেন চলেন আপনাদেরকে অন স্ক্রিনে দেখাই। দেখেন আপনারা উপরের দিকে ডান পাশে এক্সপোর্ট নামে একটা অপশন আছে। জাস্ট এখানে ক্লিক দিবেন ক্লিক দেওয়ার পর যে ইন্টারফেসটা আসবে এখান থেকে ডিফল্টের টাইটেল একটা দেওয়া আছে ঠিক আছে। সো আপনি যে প্রজেক্টটা নিয়ে কাজ করছেন সে প্রজেক্টটার নামটা দিয়ে এখানে আপনি এই কাজটা শেষ করতে পারেন। অর্থাৎ আপনি যে নামটা দিবেন সেই নামেই হচ্ছে এটা এক্সপোর্ট হবে ওকে তারপর হচ্ছে এক্সপোর্ট টু এখানে হচ্ছে আপনি কোথায় এটা এক্সপোর্ট করবেন ফাইলটা ঠিক আছে কোন জায়গায় দেখেন ডিফল্টে একটা দেওয়া রয়েছে আপনি চাইলে এখানে ক্লিক করে এটা আপনি আপনার মত করে চেঞ্জ করে একটা লোকেশন সেট করে দিতে পারেন দিন নাম্বারে দেখেন রেজুলেশন রয়েছে এখানে ডিফল্টে রয়েছে 1080p ওকে। সো আপনারা যদি চান যে না আমি 1080p তে এক্সপোর্ট করব তাহলে করতে পারেন আর যদি মনে করেন যে না এখানে 2k আছে 4k আছে 12 কম রেজুলেশনও আছে 12 আরও বেশিও আছে তাহলে সেটা আপনি আপনার মত করে করতে পারেন তবে এই ক্ষেত্রে আমি আপনাদেরকে বলব যে আপনারা ক্যামেরা দিয়ে যে রেজুলেশনে আসলে ভিডিওটা রেকর্ড করেছেন সেই রেজুলেশনে এক্সপোর্ট করেন এর চেয়ে বেশি করার দরকার নেই তারপর হচ্ছে বিট রেট এটা ডিফল্টে হচ্ছে রেকমেন্ডেড এটা রেকমেন্ডেডই থাকুক আমার মনে হয় না এটা বেশি দেওয়ার কোন দরকার আছে তারপর হচ্ছে কোডেক এখানে ডিফল্টে রয়েছে h264 এটা রয়েছে এটাই থাক এটা এই মুহূর্তে বেস্ট তারপর হচ্ছে ফরম্যাট এইটা ডিফল্টে যেটা রয়েছে সেইখান থেকে একটু চেঞ্জ করে এটা mp4 এ দিয়ে দিবেন mp4 ফরম্যাটটা হচ্ছে বেস্ট এখনকার সময়ের জন্য তারপরের দেখান এখানে বিট রেট রয়েছে এটা হচ্ছে 30fps রয়েছে এখন আপনি কি 30 এ দিবেন মানে আপনার ভিডিওটা আপনি যে এপিএসএ রেকর্ড করেছেন সেটাও দিতে পারেন অথবা যদি আপনার মনে হয় যে আমি এটা স্লো মোশনে আমি কাজ করেছি এটা 240fps বা 120fps এ তাহলে আপনি সেটা দিয়ে এক্সপোর্ট করবেন তাহলে আপনি সঠিক কোয়ালিটিটা কিন্তু আপনি পাবেন জিনিসটা আশা করি বুঝতে পারছেন তারপর হচ্ছে অডিও অডিওটা এখানে ডিফল্টে হচ্ছে mp3 ই রয়েছে সো আপনি যদি মনে করেন যে বেটার অডিও কোয়ালিটি দরকার বা আপনি রেকর্ড করেছেন হাই কোয়ালিটিতে তাহলে হচ্ছে আপনি WAV টা দিবেন আপনি বেটার কোয়ালিটি আপনি পাবেন আর যদি আপনার রেকর্ডই হয়ে থাকে mp3 তে তাহলে আর উপরে গিয়ে লাভ নেই জাস্ট mp3 তে আপনি সিলেক্ট করতে পারেন। সো গাইস এই হচ্ছে ক্যাপ কাট পিসি নিয়ে আমার আজকের ভিডিও মূলত আমি চেষ্টা করেছি যারা এডিটিং শিখতে চাচ্ছেন বা যারা অন্যান্য সফটওয়্যারগুলো অর্থাৎ ফিল্মোরার মত সফটওয়্যারগুলো দিয়ে কাজ করছিলেন তারা যেন একটা প্রপার সলিউশন বা ক্যাপ কাটের শিফট করে ক্যাপ কাট দিয়ে আপনারা ভিডিওগুলো এডিট করতে পারেন সেটাই দেখানোর সো গাইস ভিডিওটা লেন্থি করছি না এখানে শেষ করছি আজকের মত আমি হিমেল বিদায় নিচ্ছি দেখা হচ্ছে নতুন কোন ভিডিওতে আল্লাহ হাফেজ।



