[2:14]আমার মনে হয় যে এখন তোমরা সাউন্ডটা পাবা। আমার মনে হয় যে এখন তোমরা সাউন্ডটা পাবা। সাউন্ডটা শোনা যাচ্ছে কিনা। আমার মনে হয় যে এখন তোমরা সাউন্ডটা পাবা। ওকে ফাইন। আমার মনে হয় যে এখন তোমরা সাউন্ডটা পাবা। সাউন্ডটা শোনা যাচ্ছে কিনা।
[3:30]সাউন্ডটা ঠিক আছে কিনা একটু জানাও প্লিজ। আমি একটু কনফিউজড হয়ে যাচ্ছি। আমার মনে হয় যে সাউন্ডটা এখন ঠিকঠাকভাবে শোনা যাওয়ার কথা।
[3:46]ওকে ঠিক আছে। খুব মানুষজন আমাকে খুব কনফিউজড করে দিচ্ছে। এখন ঠিক আছে। ওকে গুড। ঠিক আছে। তাহলে আমরা শুরু করে দিই। আমরা আজকে আমাদের 26 ব্যাচের সিলেবাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট নিয়ে আমরা আলোচনা করতে যাচ্ছি। এন্ড সেই পার্টটা হচ্ছে আমাদের এই একটা প্রবন্ধ যে প্রবন্ধের নাম হচ্ছে যৌবনের গান। এই প্রবন্ধটা নিয়ে আমরা আমাদের আজকের ক্লাসে আলোচনা করব। তো এইটা আমাদের নতুন সিলেবাসের নতুনভাবে এটা যুক্ত করা হয়েছে কাজী নজরুল ইসলামের। এর আগে আরেকটা প্রবন্ধ ছিল কাজী নজরুল ইসলামের আমার পথ। তো আজকে আমার পথটা কিন্তু এখন আর নেই। এখন যেটা আছে সেটা হচ্ছে যৌবনের গান। তো যৌবনের গান এইটা আসলে মূলত নজরুলকে একবার একটা সম্মেলনে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। মূলত তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি একটা ভাষণ দিয়েছিলেন। এই যে নজরুল যে ভাষণটা দিয়েছিলেন, ওই ভাষণটাই হচ্ছে মূলত এই যৌবনের গান। তাহলে যৌবনের গান এটার কনসেপ্টটা হোপফুলি তোমরা বুঝতে পারছ। ওকে। সিরাজগঞ্জের ওকে গুড। সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জে মুসলিম যুবসমাজের অভিনন্দনের উত্তরে মুসলিম যুবসমাজের তাদেরকে অভিনন্দনের উত্তরে কাজী নজরুল ইসলাম তাদেরকে উদ্দেশ্য করে অর্থাৎ তরুণদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি এই প্রতি উত্তরটা যেটা লিখেছেন এটাই হচ্ছে আমাদের আমার পথ। ওকে? গুড। এটা মূলত একটা ভাষণ। এটা মূলত একটা ভাষণ। ঠিক আছে? না এটা 25 ব্যাচের নাই। 25 ব্যাচের এটা নাই। এটা শুধু 26 ব্যাচের আছে। 25 ব্যাচ এটা না পড়লেও হবে। না 25 ব্যাচের এটা নাই। ওকে গুড।
[5:36]ঠিক আছে। তো চলো আমরা চলে যাচ্ছি আমাদের ক্লাসে। আমরা এবার আসো আমরা এখানে যৌবনের গান এখান থেকে আমরা পড়া শুরু করি। তো তিনি মূলত এখানে যে যারা তরুণ যারা রয়েছেন তাদেরকে মোটিভেটেড করেছেন এবং তিনি তাদের সাথে আছেন। তিনি তাদের সাথে আছেন এটাই তিনি আসলে এই প্রবন্ধে তিনি আসলে এইটাই তিনি তুলে ধরেছেন যে তিনি তাদের সাথে রয়েছে। যারা তরুণ তাদের সাথে তিনি আছেন। আচ্ছা। তো আমরা আমি এখান থেকে পড়তেছি। প্রবন্ধটা খুব বড় না। একটু মানে ভাষাটা একটু কঠিন। ঠিক আছে? ভাষাটা একটু কঠিন। ডিসকাশন গ্রুপে পোস্টগুলো আজকে ক্লাসের পরে দেখা হবে এপ্রুভ করে দেওয়া হবে। তোমাদের বেশ কিছু ডিসকাশন গ্রুপে বেশ কিছু প্রশ্ন এসেছে সেগুলো এপ্রুভ করে দেওয়া হবে। আচ্ছা ফাইন। তো চলো আমি একটু ভাষাটা একটু কঠিন হওয়ার কারণে তোমাদেরকে আমি একটু প্রত্যেকটা লাইন বাই লাইন বুঝাবো। একটু ধৈর্য ধরে পড়বা। তাহলে পারবা এন্ড বুঝলে আমাকে বলবা যে ভাইয়া বুঝতে পারছি। তাহলে আমি বুঝতে পারব যে তুমি আসলে বুঝতে পারছ কিনা। তাহলে শুরু করব ভাইয়া বলতো। সবকিছু ঠিক আছে? সবকিছু ঠিকঠাক না। ওকে ফাইন। তো চলো আমরা শুরু করে দিচ্ছি। তো আমি বলিতে দ্বিধা (সংকোচ, সংশয়) নাই যে, আমি আজ তাহারই দলে, যাহারা কর্মী (কাজ করে) নন-ধ্যানী (চিন্তা করে)।
[7:15]যাহারা মানবজাতির কল্যাণ সাধন করেন সেবা দিয়া, কর্ম দিয়া, তাহারা মহৎ যদি না-ই হন, অন্তত ক্ষুদ্র নন।
[7:42]ইহারা থাকেন শক্তির পেছনে রুধির (রক্তপ্রবাহ) ধারার মতো গোপন, ফুলের মাঝে মাটির মমতা-রসের মতো অলক্ষ্যে (দৃষ্টির অগোচরে)।
[9:05]আমি কবি-বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার। কাহারও ভালো লাগিলেও গাই, ভালো না লাগিলেও গাহিয়া যাই।
[9:31]বায়স- ফিঙে (এক প্রকার পাখি) যখন বেচারা গানের পাখিকে (কোকিলকে) তাড়া করে, তীক্ষ্ণ চঞ্চু (ঠোঁট) দ্বারা আঘাত করে, তখনও সে এক গাছ হইতে উড়িয়া আন গাছে গিয়া গান ধরে।
[10:20]তাহার হাসিতে গান, তাহার কান্নায় গান। সে গান করে আপন মনের আনন্দে যদি তাহাতে কাহারও অলসতন্দ্রা (আলস্যতা থেকে সৃষ্ট ঘুমের ভাব), মোহনিদ্রা (আলস্য, অচেতনতা) টুটিয়া (ভেঙে) যায়, তাহা একান্তই দৈব (আকস্মিক)।
[11:39]যৌবনের সীমা পরিক্রমণ আজও আমার শেষ হয় নাই। কাজেই আমি যে গান গাই, তাহা যৌবনের গান।
[12:18]তারুণ্যের ভরা-ভারে যদি আমরা গান জোয়ার আনিয়া থাকে, তাহা আমার অগোচরে; (দৃষ্টির বাহিরে) যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জাগায়, সে হয়ত তাহার শক্তির সম্বন্ধে আজিও না-ওয়াকিফ (অনভিজ্ঞ/অজ্ঞাত)।
[12:43]আমি বক্তাও নহি, আমি কমবক্তার (যিনি কম কথা বলেন) দলে। বক্তৃতায় যাহারা দিগ্বিজয়ী (চার দিকে জয় করেছে), বখতিয়ার খিলজি (ইতিহাসখ্যাত আফগান সেনানাযক), তাহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না।
[13:49]তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত (ভাবাবেগে বিহ্বল) হইয়া পড়ি। তাহাদের বানী আসে বৃষ্টিধারায় মতো অবিরল ধারায়।
[14:23]আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ (সরু) ভীরু (ভীতু) ঝরণাধারার মতো। ছন্দের দুকুল (ছন্দের দুকুল ভাব ও ভাষা বোঝাতে ব্যবহৃত) প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়।
[15:07]পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরপ্রোতা (প্রবল স্রোত) যাহাদের বাণী, আমি তাহাদের বহ পশ্চাতে (পরে)। আমার একমাত্র সম্বল-আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা প্রাণের টান।
[16:10]তরুণকে, যৌবনকে, আমি যেদিন হইতে গান গাহিতে শিখিয়াছি, সেদিন হইতে বারে বারে সালাম করিয়াছি, সশ্রদ্ধ (শ্রদ্ধা-সহ) নমস্কার নিবেদন করিয়াছি, জবা কুসুম সঙ্কাস (জবাফুলের মতো) তরুণ অরুণকে দেখিয়া প্রথম মানব যেমন করিয়া সশ্রদ্ধ নমস্কার করিয়াছিলেন, আমার প্রথম জাগরণ-প্রভাবে (প্রভাতে সচেতনতার সূচনালগ্নে) তেমন সশ্রদ্ধ বিষয় (আশ্চর্য) লইয়া যৌবনকে অন্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করিয়াছি, তাহার স্তবগান (প্রশংসাসূচক) গাহিয়েছি।
[17:37]তরুণ অরুণ্যের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারি (অন্ধকার বিদীর্ণ করে যা, সূর্য), সে যে আলোর দেবতা। (আলোর দেবতা সূর্য) রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইয়া ছড়াইয়া তাহার অন্ত।
[18:08]যৌবন-সূর্য যথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা (অন্ধকার যার চুল) নিশিথিনীর (রাত্রি) সেই তো লীলাভূমি (বিচরণভূমি)।
[18:30]আমি যৌবনের পূজারী কবি বলিয়াছি যদি আমার আপনারা আপনাদের মালার মধ্যমনি করিয়া থাকেন, তাহা হইলে আমার অভিযোগ করিবার কিছুই নাই।
[19:05]আপনাদের মহাদান আমি সানন্দে (আনন্দের সাথে) শির নত করিয়া গ্রহণ করিলাম। আপনাদের দলপতি হইয়া নয়, আপনাদের দলভুক্ত হইয়া, সহযাত্রী হইয়া।
[19:56]আমাদের দলে কেহ দলপতি (দলের প্রধান) নাই, আজ আমরা শত দিক হইতে শত শত তরুণ মিলিয়া তারুণ্যের শতদল (পদ্মফুল) ফুটাইয়া তুলিয়াছি।
[20:16]আমরা সকলে মিলিয়া এক সিদ্ধি (সাধনার সাফল্য লাভ), এক ধ্যানের মৃণাল (পদ্মফুলের ডাঁটা) ধরিয়া বিকশিত হইতে চাই।
[20:46]বার্ধক্য তাহাই- যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে; বৃদ্ধ তাহারাই যাহারা মায়াচছন্ন (মিথ্যা) নব মানবের অভিনব জয় যাত্রার শুধু বোঝা নয়, বিঘ্ন (বাধা) শতাব্দীর নব (নতুন) যাত্রীর চলার ছন্দ ছন্দ মিলাইয়া যাহারা কুচকাওয়াজ (কুচকাওয়াজ বলতে এক ধরনের ছদ্দবেশে হাঁটাকে বোঝানো হয়, যেটা সাধারণত সামরিক বাহিনীর সঙ্গ যুক্ত) করিতে জানে না, পারে না; যাহারা জীব হইয়াও জড়; যাহারা অটল (স্থির) সংস্কারের পাষাণ-স্তূপ আঁকড়িয়া পড়িয়া আছে।
[23:35]বৃদ্ধ তাহারাই যাহারা নব অরুণোদয় (সূর্য উদয়) দেখিয়া নিদ্রাভঙ্গের (ঘুম ভাঙার) ভয়ে দ্বার (দরজা) রুদ্ধ (বন্ধ) করিয়া পড়িয়া থাকে। আলোক-পিয়াসী (যাহারা আলো খোঁজে) প্রাণ চঞ্চল শিশুদের কল-কোলাহলে বিরক্ত হইয়া অভিশাপ (অভিশাপ) করিতে থাকে।
[24:35]জীর্ণ পুথি (পুরাতন গ্রন্থ) চাপা পড়িয়া (জীর্ণ পুথি চাপা পড়িয়া সংস্কার ও প্রথাগততার চাপে পিষ্ট হয়ে) যাহাদের নাভিশ্বাস (মৃত্যুকালীন শ্বাসকষ্ট) বহিতেছে, অতি জ্ঞানের অগ্নিমান্দ্যে (খাদ্যদ্রব্য পাকস্থলীতে হজম না হওয়ার রোগ) যাহারা আজ কঙ্কালসার- বৃদ্ধ তাহারাই।
[25:17]ইহাদের ধর্মই বার্ধক্য। বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের ঊর্দিও (কর্মচারীদের জন্য বিশেষ পোশাক) নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি।
[26:07]আবার বহু বৃদ্ধকে দেখিয়াছি- যাহাদের বার্ধক্যের জীর্ণাবরণের (জরাজীর্ণ পোশাক) তলে মেঘলুপ্ত সূর্যের মতো প্রদীপ্ত যৌবন।
[41:27]‘যথাযথ তরুণ সে, শক্তি অপরিমিত, গতিবেগ ঝঞ্জার নয়।’- এখানে ‘ঝঞ্ঝা’ শব্দটির অর্থ কী? শান্তি, অশান্তি ও উত্তেজনা, তীব্র বেগ, নীরবতা। তাহলে উত্তর হচ্ছে কি নিস্ক্রিয়। ওকে, গুড। যৌবন দেখিয়াছি মহাসমরের সৈনিকের মুখে, কালাপাহাড়ের অসিতে, কামাল-করিম-মুসোলিনি-সানাইয়াৎ-লেনিনের শক্তিতে” -এর মাধ্যমে লেখক কী কী তুলে ধরেছেন? যুদ্ধে তরুণদের আত্মদান, শক্তির পরাক্রমে, মানবতার জয়



