[0:00]12 দিন ধরে যুদ্ধ করেও ইরানকে টলাতে ব্যর্থ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের শীর্ষ নেতাদের হত্যা থেকে শুরু করে কূটনীতিকদের নিজের দলে টানার প্রয়াস প্রায় সব পথেই হেঁটেছে তার প্রশাসন।
[0:13]তবু যুদ্ধ জয়ের বার্তা দিতে পারেনি নিজ দেশের জনগণকে এমন পরিস্থিতিতে সত্যিই কি ইরানে স্থল সেনা পাঠানোর দিকে ঝুকবেন ট্রাম্প নাকি ভেবে রেখেছেন বিকল্প উপায়?
[0:25]আল জাজিরার বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
[0:39]ইরান যুদ্ধের বয়স এখন প্রায় দু সপ্তাহ। এরই মধ্যে দেশটির অন্তত 5000 স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যৌথবাহিনী।
[0:47]হত্যা করা হয়েছে শীর্ষ নেতাদের নারী শিশু সহ বহু নিরপরাধ মানুষ হত্যার শিকার।
[0:54]এতকিছু করেও উল্লেখযোগ্য সফলতা পায়নি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আল জাজিরার বিশ্লেষণ বলছে দীর্ঘ দিন ধরে ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটাতে খামেনি সহ শীর্ষ নেতাদের হত্যার নির্দেশ দিয়ে আসছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
[1:08]অথচ এখনো অক্ষত দেশটির শাসন কাঠামো। সর্বোচ্চ নেতার পদে বসেছেন নিহত খামেনীর ছেলে মোস্তফা খামেনী।
[1:17]ইরানি কূটনীতিকদেরও হাত করার চেষ্টা করছে মার্কিনরা। বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীকে অস্ত্র সমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
[1:23]ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে সরকার বিরোধীদের রাস্তায় নামতে আহ্বানও জানানো হয়। দিনশেষে পরিকল্পনার কোনটিই সফলতার মুখ দেখেনি।
[1:33]এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সামরিক শক্তির ক্ষতি সাধন। এক্ষেত্রে দৃশ্যমান সফলতা পেয়েছে পেন্টাগন।
[1:40]ইরানের নৌবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ আর অস্ত্র কারখানাগুলো ব্যাপক ধ্বংসের শিকার। এ সবই হয়েছে দূর নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র আর বিমান হামলায়।
[1:49]যদিও মূল উদ্দেশ্য রাজনৈতিক পালাবদল ঘটাতে ইরানী ভূখণ্ডে পাঠাতে হবে স্থল সেনা।
[1:54]মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে সেই ঝুঁকি ট্রাম্প নেবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বিশ্লেষকদের। তাদের মতে ইরানকে আরো বেশি চাপে ফেলে চুক্তিতে পৌঁছানোই হতে পারে যুদ্ধ বন্ধের একমাত্র পথ।
[2:06]আইআরডিসি কিংবা ইরানের শাসন ব্যবস্থার কিছু অংশ যদি শাসন ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার শর্তে ক্ষেপণাস্ত্র আর পরমাণু কর্মসূচি সীমাবদ্ধ করতে আগ্রহী হয় তবে ওয়াশিংটন তাদের সাথে সমঝতায় যেতে পারে।
[2:16]এটিকে ট্রাম্প সফলতা দাবি করতে পারেন।
[2:19]ট্রাম্প বেশ বাস্তববাদী সফলতা হিসেবে দেখানো যায় এমন একটি চুক্তি করতে চাইবেন তিনি। এরপর যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে আসবেন।
[2:27]ইরানের সাথে যুদ্ধে প্রতিনিয়তই লাখ লাখ ডলার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের। নিহত মার্কিন সেনাদের পরিবারের পক্ষ থেকেও ট্রাম্প প্রশাসনের উপর চাপ ক্রমশ বেড়েই চলেছে।
[2:40]প্রান্ত কুন্ডু যমুনা নিউজ।



