[0:00]Microsoft Excel আমাদের দৈনন্দিন কাজকে অনেক বেশি সহজ করে তোলে। বাট আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা Excel এর নাম শুনলেই ভয়ে দৌড়ে পালান। আজকের ভিডিওতে আমি আপনাদেরকে Excel এর সূত্রগুলো বুঝিয়ে দিবো আর সেই সূত্রগুলো বুঝলে আপনি চাইবেন যে MS Word এরও অনেক কাজ Excel দিয়ে সারিয়ে ফেলার জন্য। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল ভিডিও শুরু করি। অলরাইট আমরা চলে আসলাম আমাদের ডেস্কটপে। এবার এখান থেকে দেখাই যে Excel এ সূত্রগুলো একটা একটা করে। ওকে, প্রথমেই আমরা দেখাই যে কিভাবে ক্রমিক নাম্বার দিবো। আমরা MS Word এ যদি ক্রমিক নাম্বার দিতে যাই তাহলে সাধারণত কি করতে হয় আমাদের? ওকে, জাস্ট 1, 2, 3, 4, 5 এভাবে দিতে হয়। বাট এখানে কিন্তু এভাবে দেওয়া লাগছে না। দেখেন আমি 1 লিখলাম তারপর একটা এন্টার দিলাম তারপর 2 লিখলাম। সো এখন আমার 1, 2 হয়ে গেলো বাকিগুলো অটোমেটিক আমি করে ফেলতে পারবো। সো প্রথমে 1 টাকে সিলেক্ট করবো তারপরে এই মাঝখানে চাপ দিয়ে ধরে, মাঝখানে কিন্তু চাপ দিয়ে ধরে এই 2 টা পর্যন্ত নিয়ে আসবো। সো এখন দেখেন দুইটাই কিন্তু একই সাথে সিলেক্ট হয়েছে। সো এখন কি করবো এই যে নিচের দিকে দেখেন একটা আইকন রয়েছে জাস্ট ছোট্ট করে একটা আইকন রয়েছে কালো। জাস্ট এইখান থেকে চাপ দিয়ে ধরে যত নিচে চলে যাবো সবগুলো কিন্তু ক্রমিক হয়ে যাবে। তার মানে আমার আলাদা করে আর দিতে হচ্ছে না। ওকে, তারপরেরটা কিন্তু বেশি ইন্টারেস্টিং। দেখেন আমরা যখন বারের নাম লিখি, একটা একটা করে লিখার দরকার নেই। আমি এখান থেকে লিখি S U N D A Y। Sunday লিখলাম লিখে এন্টার প্রেস করলাম তারপর হচ্ছে জাস্ট এটা আবার সিলেক্ট করলাম। সিলেক্ট করে এই যে কর্নারটা, এই আইকনটা ধরে টান দিলাম দেখেন আমার সবগুলো কিন্তু হয়ে গেলো। আপনি যে বার থেকে সিলেক্ট করবেন কি আমি একটা সিলেক্ট করে জাস্ট দেখালাম নমুনাটা সেখান থেকে কিন্তু হতে শুরু করবে। আবার আমরা যদি মাসের নামও দেই ঠিক আছে জানুয়ারি দেই। J A N U A R Y। জানুয়ারি লিখলাম লিখে এন্টার দেই। আবার সেইম ভাবে যদি আমি এটার উপর ক্লিক দেই সিলেক্ট হওয়ার পর আমি এখান থেকে টেনে নিচের দিকে নিয়ে আসলে দেখেন আমার সমস্ত মাসের নাম কিন্তু চলে আসছে। এখন যদি আমি বছরের নামটা দিতে চাই ধরেন আমার 2024, 2025। এখানে কিন্তু যখন সংখ্যা আসবে তখন কিন্তু দুইটা দিতে হবে দিয়ে সিলেক্ট করতে হবে। দিলাম দেওয়ার পর উপরেরটা সিলেক্ট করলাম। আবার মাঝখানে টান দিয়ে ধরে এইটাকেও সিলেক্ট করলাম। দুইটা সিলেক্ট হলো। সো এখন কি করবো এখানে টেনে ধরে নিচের দিকে যত নিয়ে যাবো দেখেন সালটাও কিন্তু বাড়ছে। সো ট্রিকসটা কিন্তু খুবই ইজি। সো এই জিনিসগুলো আপনাদের অনেকেরই কাজে লাগবে। এখন আমি আপনাদেরকে যোগ বিয়োগটা দেখাই। চলেন এটা অনেক বেশি কাজে লাগবে। যোগ বিয়োগ খুবই ইজি বাট আপনাকে একটা ট্রিকস শুধু মাথায় রাখতে হবে তা না হলে কিন্তু তালগোল পাকিয়ে ফেলবেন। দেখেন আমি এখানে বেশ কিছু সংখ্যা লিখে রেখেছি। ওকে? সো এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে প্রথমে আমাকে একটা জিনিস আইডেন্টিফাই করতে হবে। এটা হচ্ছে Excel এর একটা বড় জিনিস আমার এই যে দেখেন 50 সংখ্যাটা কোথায় রয়েছে? উপরের দিকে J তে রয়েছে আর এই দিক দিয়ে যদি আসি তাহলে কত? 3। তার মানে হচ্ছে J3 তে রয়েছে আমার এই সংখ্যাটা। এখন যদি আমি যোগ করতে যাই ঠিক আছে একটা যোগ হচ্ছে যে এইখানে উপর থেকে নিয়ে একদম নিচ পর্যন্ত যা আছে সবগুলোর সকল এককভাবে যোগ করে ফেলবো এই সবগুলো। আরেকটা হচ্ছে যে এইখানে একটা সংখ্যা যোগ করলাম এইখানে একটা দরকার হইলো এইখানে একটা দরকার হইলো এইখানে একটা দরকার হইলো কিভাবে করবো? হ্যাঁ আমি আপনাদেরকে দেখাচ্ছি। ধরেন আমি যোগফলটা এখানে নামাবো নিচে। সো এখান থেকে হচ্ছে আমি জাস্ট যেটা করবো সেটা হচ্ছে ইকুয়্যাল দিবো। ইকুয়্যাল দেওয়ার পর S U M এটা হচ্ছে সূত্র যোগের। ইকুয়্যাল দেওয়ার পর সাম লিখতে হবে তারপর হচ্ছে ফার্স্ট ব্র্যাকেট দিতে হবে। দেওয়ার পর আপনি এই সেলটা ঠিক আছে এই সেলটা যেহেতু আপনি যোগ করবেন প্রথমে এইটা সিলেক্ট করেন। দেখেন এখানে কিন্তু J3 চলে আসছে। তারপরে আপনি যে কাজটা করবেন সেটা হচ্ছে কোলন দিবেন। কোলন দেওয়ার পর এখান থেকে আপনি সর্বশেষ যে সেলটা রয়েছে সর্বশেষ যে সংখ্যাটা রয়েছে এখানে ক্লিক দিবেন। দেয়ার পর দেখেন এটা চলে আসছে এখন আপনি ব্র্যাকেটটা ফার্স্ট ব্র্যাকেটটা ক্লোজ করে দেন এন্টার দেন দেখেন আপনার টোটাল যোগফলটা চলে আসছে। ওকে, এখন আপনি যদি চান যে আমি এখান থেকে উপরে একটা সংখ্যা নিবো মাঝখানে একটা নিবো তাহলে আমি কিভাবে করবো? হ্যাঁ আমি এটাকে একটু ডিলিট করে দেই ডিলিট করে দিয়ে আবার আপনাদেরকে দেখাচ্ছি। দেখেন তাহলে আবার আগের মত হচ্ছে ইকুয়্যাল দিবেন তারপর হচ্ছে S U M সাম দিবেন দেওয়ার পর হচ্ছে এখান থেকে ফার্স্ট ব্র্যাকেট দিবেন দেওয়ার পর এই যে আপনি যে সংখ্যাটা আপনি যে সংখ্যাগুলো সিলেক্ট করতে যাচ্ছেন সেগুলোর উপর একটা করে ক্লিক দিবেন। দেওয়ার পর সিলেক্ট হবে দেখেন নিচে J4 চলে আসছে। তারপর আপনি প্লাসে দিবেন। দেওয়ার পর আপনি পরের সংখ্যাটাকে সিলেক্ট করবেন। ধরেন আমি এটা পরেরটা দিলাম। আবারও প্লাসে দিলাম তারপর ধরেন আমি পরেরটা দিলাম আবারও প্লাস দিলাম তারপর এইটা একটা বাদ দিয়ে এইটা দিবো আবার প্লাস দিলাম তারপর হচ্ছে আমি এইটা দিবো। আমার আর লাগবে না। ওকে, এখন আমি ব্র্যাকেটটা ক্লোজ করে দিবো দেওয়ার পর এন্টার দিবো এখন দেখেন যোগফলটা চলে আসছে। সো যোগটা কিন্তু দুইভাবে করা যায় আমি দুইভাবেই আপনাদেরকে দেখালাম। আই হোপ এইটাও আপনাদের অনেক কাজে লাগবে। আচ্ছা এবার আপনাদেরকে দেখাই যে বিয়োগ কিভাবে করবেন ভাগ কিভাবে করবেন গুণ কিভাবে করবেন ধরেন এই সংখ্যাগুলো আছে। এখন আমি দুইটা সংখ্যা বিয়োগ করবো আবার আগের মত হচ্ছে এখান থেকে আপনার ইকুয়্যাল দিবো তারপর হচ্ছে সাম লিখবো তারপর হচ্ছে ফার্স্ট ব্র্যাকেট দিবো। ধরেন আমি এই 50 থেকে বিয়োগ করবো কত ধরেন হচ্ছে এখান থেকে 48। ওকে, সো এটা দেওয়ার পর মাইনাসে ক্লিক দিবো তারপর হচ্ছে এই 48 টার উপরে ক্লিক দিবো এটা সিলেক্ট হবে তারপর হচ্ছে ব্র্যাকেট ক্লোজ করে দিবো তারপর এন্টার দিবো। দেখেন চলে আসছে কোন যোগ কি ঝামেলা নেই একদম ইজিলি চলে আসছে। ওকে সো এটা হচ্ছে বিয়োগ করার পদ্ধতি। তারপর আপনাদেরকে ভাগ দেখাই ভাগের একই জিনিস মানে জাস্ট আমি এখান থেকে সূত্রটাকে ডিলিট করে দেই আবার দিয়ে দেখাই ভাগ কিভাবে করতে হবে। আবার ইকুয়্যাল দিবো সাম ফার্স্ট ব্র্যাকেট তারপর হচ্ছে আমি এই সেলটা থেকে তারপর হচ্ছে ভাগের আইকনটা দিবো দেওয়ার পর আমি এই সেলটার কি করবো ভাগ করবো। সো এইটা দেওয়ার পর এইটা সিলেক্ট হলো তারপর হচ্ছে আমি কি করবো এখান থেকে জাস্ট ব্র্যাকেটটা ক্লোজ করে দিয়ে এন্টার দিবো ব্যাস আমার রেজাল্ট চলে আসলো। এখন আমি আপনাদেরকে গুণ করার বিষয়টা দেখাই। আবার এখান থেকে সূত্রটাকে ডিলিট করে দেই। দেখেন কিভাবে করতে হবে। আমি একটু মানে দেখাচ্ছি আমি একদমই বেসিক লেভেলে দেখাচ্ছি এজন্য বারবার হচ্ছে এই ইকুয়্যাল দিয়ে সাম দিয়ে দিয়ে দেখাচ্ছি। ওকে যারা একদমই বুঝেন না তাদের জন্য সহজ হবে। সাম দিলাম ফার্স্ট ব্র্যাকেট দিলাম এখন আমি গুণ করবো। এই 50 তারপর হচ্ছে এখান থেকে দেখেন কীবোর্ডে গুণের জন্য একটা অপশন আছে জাস্ট এখানে ক্লিক দিবেন ঠিক আছে স্টারের মত আছে দেওয়ার পর আপনি কোন সংখ্যার সাথে কোন সংখ্যা গুণ করতে চাচ্ছেন সেটা আবার সিলেক্ট করবেন। সিলেক্ট হওয়ার পর আপনি ব্র্যাকেটটা ক্লোজ করে দিবেন এন্টার দিবেন ব্যাস শেষ। আবার আপনি যদি একাধিক করতে চান তাহলে হচ্ছে ইকুয়্যালের দিয়ে সাম তারপর হচ্ছে ফার্স্ট ব্র্যাকেট ধরেন আমি এই সংখ্যাটা দিলাম দেওয়ার পর আবার হচ্ছে এখান থেকে এইটা সিলেক্ট করলাম। তারপর এইটা সিলেক্ট করে আবার গুণ দিলাম আবার এইটা সিলেক্ট করে আবার গুণ দিলাম এইটা সিলেক্ট করে আবার গুণ দিলাম ঠিক আছে দিয়ে আমি হচ্ছে ব্র্যাকেট ক্লোজ করে আমি এন্টার দেই। আচ্ছা আমার লাস্টে হচ্ছে গুণ দেওয়ার পর আর কোন সংখ্যা দেই নাই সো এটা কেটে দিতে হবে। সো কেটে দিয়ে আমি এন্টার দেই দেখেন আমার কিন্তু গুণের ফলটাও চলে আসছে। সো এই হচ্ছে মূলত বিষয় যোগ বিয়োগ ভাগ এবং গুণ। এই সিস্টেমগুলো আমি আপনাদেরকে দেখালাম আর এখন পরে আরো কিছু স্টেপ আছে চলেন সেগুলো দেখাই। ওকে এবারে আপনাদেরকে দেখাবো যে কিভাবে এভারেজ বের করতে হয়। আচ্ছা এভারেজ বের করার জন্য দেখেন আমার উপর যে সংখ্যাগুলো রয়েছে এটার সবার নিচের দিকে আমি কিন্তু কারসরটা বসিয়েছি। এবারে যেটা করবো এই যে এখান থেকে হচ্ছে ওটু সাম বলে একটা অপশন আছে দেখেন ওটু সাম এই ওটু সামের পাশেই এখান থেকে দেখেন এভারেজ বলে একটা অপশন আছে আমরা এভারেজে ক্লিক করে দিলাম। দেয়ার পর এটাকে আমরা জাস্ট এন্টার প্রেস করে দেই এখন দেখেন এভারেজটা চলে আসছে। মানে আমরা সূত্রটা আর ওইভাবে বসালাম না। যাই হোক আমরা একটু সূত্রটা জানি আমার মনে হয় যে সেটা বেটার হবে। সো আমরা প্রথমে ইকুয়্যাল দিবো ইকুয়্যাল দেওয়ার পর এখান থেকে লিখবো এভারেজ লিখে হচ্ছে আমরা ফার্স্ট ব্র্যাকেট দিবো তারপর হচ্ছে প্রথম সেলটা সিলেক্ট করবো। তার আগে হচ্ছে কোলন দিতে হবে আমাকে ওকে? কোলন দিবো যোগ করার সময় যেভাবে কোলন দিয়েছিলাম সো এখান থেকে কোলন দিবো দেওয়ার পর হচ্ছে লাস্টের যে সেলটা আছে সেটা সিলেক্ট করবো। সিলেক্ট করার পর হচ্ছে আমরা ব্র্যাকেট ক্লোজ করে দিবো এন্টার দিবো। দেখেন এখন আমরা সূত্র দিয়ে দেখালাম আমার মনে হয় যে এটাই বেটার কারণ সূত্রটা জানাটাই হচ্ছে জরুরী। আর শর্টকাট তো আমরা সবসময় পারবো তো শর্টকাটটাও আপনাদেরকে দেখিয়ে দিলাম। তারপরের হচ্ছে হচ্ছে মিনিমাম আর ম্যাক্সিমাম ওকে? আচ্ছা এই দুইটা সূত্র আমি কেটে দেই এখন মিনিমামটা দেখাই কিভাবে মিনিমামটা বের করবো। আবারও হচ্ছে এখান থেকে ইকুয়্যাল দিলাম মিনিমাম দেবো। আচ্ছা M I N দেওয়ার পর এটা একটা সূত্র চলে আসছে এইটা আমরা ক্লিক দেই। দেওয়ার পর এখান থেকে আমরা প্রথম সেলটাকে সিলেক্ট করি তারপরে হচ্ছে এখান থেকে আমরা আগের মতো কোলন দেই। কোলন দেওয়ার পর এখান থেকে আমরা কি করবো লাস্টের সেলটাকে সিলেক্ট করবো সিলেক্ট করে আমরা ব্র্যাকেটটা ক্লোজ করে দিবো। দেখেন এখন এখান থেকে মিনিমামটা কিন্তু চলে আসছে ঠিক আছে। আর ম্যাক্সিমাম করতে গেলে আবারও হচ্ছে আগের মত করে এখান থেকে আমরা কি করবো ইকুয়্যাল দিবো তারপর হচ্ছে M A X দিয়ে তারপর হচ্ছে ফার্স্ট ব্র্যাকেট দিবো। তারপর হচ্ছে এখান থেকে ফার্স্ট সেলটা সিলেক্ট করবো তারপর হচ্ছে এখান থেকে কোলন দিবো তারপরে এখান থেকে আমরা লাস্ট সেলটা দিবো ঠিক আছে লাস্ট সেলটা এটা দিলাম। এটা দিয়ে আমরা হচ্ছে ব্র্যাকেট ক্লোজ করলাম এখন দেখি এই যে দেখেন এখান থেকে কিন্তু আগে মিনিমামটা আসছে এখন ম্যাক্সিমামটাও চলে আসছে। ওকে আর এটা কিন্তু আপনারা এই সূত্রগুলোও এখানে পাবেন এত কষ্টও করতে হবে না সেলটাকে এখানে রেখে সবার নিচে রেখে এখান থেকে ওটু সামে গেলেই কিন্তু আপনারা মিনিমাম ম্যাক্সিমাম এভারেজ সাম এই সবগুলোই কিন্তু আপনারা পেয়ে যাবেন। ওকে সো কষ্ট না করলেও হচ্ছে। যাই হোক চলেন পরের স্টেপে যাই। সাধারণত আমরা Excel এ যখন কোনো মোবাইল নাম্বার দিতে যাই তখন কিন্তু আগে শূন্যটা থাকে না এটা চলে যায়। সো দেখেন আমি আপনাদেরকে দেখাই একটা নাম্বার টাইপ করে ওকে ধরেন একটা নাম্বার আমি টাইপ করেছি এখন যদি এন্টার দেই দেখেন শূন্যটা কিন্তু চলে গেলো।
[8:42]সো এই ক্ষেত্রে আমরা যদি শূন্যটা রাখতে চাই তাহলে কি করবো? দেখেন আমরা যদি মনে করি যে এই পুরো সেলে রাখবো তাহলে জাস্ট এই উপরে ক্লিক দিবো দেওয়ার পর হচ্ছে এখান থেকে জাস্ট হচ্ছে রাইটে ক্লিক দিবো তারপর হচ্ছে এখান থেকে দেখেন ফরম্যাট সেল নামে একটা অপশন রয়েছে। এইখানে দিয়ে জাস্ট টেক্সট সিলেক্ট করে ওকে করে দিবো। কাজ কিন্তু শেষ। এখন দেখেন আমি যদি একটা ফোন নাম্বার দেই তাহলে এটার আগে যদি একটা শূন্য দেই দিয়ে যদি এন্টার দেই দেখেন এটা কিন্তু থাকছে। আবার যদি সেম জিনিসটা একটা সেলেই শুধুমাত্র করতে চাই তাহলে সেটার উপরে ক্লিক দিবো দেওয়ার পর হচ্ছে আবার সেম জিনিস আর কি। মানে হচ্ছে ফরম্যাট সেল যাবো যাওয়ার পর হচ্ছে এখান থেকে টেক্সট সিলেক্ট করে দিবো দ্যাটস ইট। সো এভাবে কিন্তু আপনারা শূন্যটা ইউজ করে ফোন নাম্বারটা দিতে পারেন।
[9:27]আপনারা আমার স্ক্রিনটার দিকে খেয়াল করেন। Excel এর একটা বড় সমস্যা হচ্ছে আমরা যখন একটা সেলের মধ্যে কোন কিছু লিখতে যাই তখন সেটা অন্য সেলে চলে যায়। বাট আমরা তো সেটা চাইনা অনেক সময় চাইনা তখন কি করবো? জাস্ট আমরা ওই সেলটাকে সিলেক্ট করবো সিলেক্ট করার পর এই যে উপরের দিকে যে হোম যেটা রয়েছে মেনুটা এটাই সিলেক্ট করা থাকবে তারপর হচ্ছে ওয়ার্ক টেক্সট জাস্ট এখানে ক্লিক দিলেই কিন্তু আমাদের একটা সেলে চলে আসছে। সো এটা খুব ছোট ট্রিকস বাট এইটা নিয়ে আমাদের কিন্তু অনেক প্রবলেম ফেইস করতে হয়। আবার দেখা গেলো যে অনেক সময় আমাদের সেলটাকে একটু বড় করতে হয়। সো এই ক্ষেত্রে কি করবো? এই যে দেখেন উপরের দিকে যে অপশনটা রয়েছে এখান থেকে ধরে টেনে আমরা যতটুকুন নিয়ে যাবো ততটুকুই কিন্তু হবে আবার ইচ্ছামত কিন্তু এটাকে আমরা কাস্টমাইজ করতে পারবো। আবার এইদিকে যদি উপরে বড় ছোট করতে চাই সেটাও কিন্তু আমরা এখান থেকে টেনে ধরে বড় ছোটটা করতে পারবো। সো এই বিষয়গুলো হচ্ছে যখন আমরা কাজ করতে যাই তখন অনেক সময় আমরা প্রবলেমটা ফেস করি। আপনারা আমার স্ক্রিনটার দিকে খেয়াল করেন। দেখেন আমি একটা চার্ট তৈরি করেছি জাস্ট আপনাদের ছোট্ট করে বোঝানোর জন্য। এখানে যদি আমি রো বা কলাম বাড়াতে চাই তাহলে কিভাবে বাড়াবো ঠিক আছে? এই যে দেখেন আমি এখানে বাড়াতে চাই সো এটার উপর ক্লিক করলাম। ক্লিক করার পর আমার যে মাউসের যে রাইট বাটন রয়েছে এখানে ক্লিক করলাম ক্লিক করার পর এখান থেকে ইনসার্ট নামে একটা অপশন রয়েছে ইনসার্টে ক্লিক করলাম। এখন রো বাড়াবো নাকি কলাম বাড়াবো এটা উপরে নাকি নিচে কোথায় বাড়াবো সেটা কিন্তু আমি সিলেক্ট করতে পারছি। আমি ধরেন হচ্ছে ইন্টার রো। রো বাড়াবো সো এখান থেকে আমি এন্টার প্রেস করছি দেখেন একটা রো কিন্তু আবারও এটা সিলেক্ট রাখা অবস্থায় যদি আমি আবারও ইনসার্টে যাই এখান থেকে যদি আমি সেল একটা বাড়াতে চাই বা কলাম একটা বাড়াতে চাই তাহলে এই যে কলাম সিলেক্ট করলাম করে হচ্ছে আমি এন্টার দিলাম দেখেন এখন একটা কলাম কিন্তু বাড়লো। সো এভাবে কিন্তু আপনার রো বা কলাম দুইটাই কিন্তু বাড়াতে পারেন। Excel এ অনেক সময় কারেন্সির যে আইকনটা রয়েছে যেমন ডলারের একটা আইকন রয়েছে টাকার রয়েছে বা রূপি বা ইউরো এই আইকনগুলো আমরা কিভাবে বসাবো? দেখেন প্রথমে হচ্ছে ধরেন আমি এইগুলোর উপর বসাবো এটা টাকার পরিমাণ যেহেতু বলছে সো এটাকে আমরা সিলেক্ট করবো একটা করেও সিলেক্ট করতে পারেন তারপর রাইটে ক্লিক করবো তারপর হচ্ছে এখান থেকে দেখেন নিচে একটা অপশন রয়েছে ফরম্যাট সেল এখানে ক্লিক করবো। তারপর হচ্ছে এখান থেকে কারেন্সি অপশনটা সিলেক্ট করবো এখন এখান থেকে কি রয়েছে দেখেন এটা ডলারটা রয়েছে সো আমরা এই সিম্বলের জায়গাটা এখানে ক্লিক করবো ক্লিক করার পর আমরা এখান থেকে টাকাটা খুঁজবো যেহেতু আমি টাকা দিবো আপনি যেটা দিতে চান সেটা এখান থেকে সিলেক্ট করে দিলেই হয়ে যাচ্ছে। এই যে দেখেন বাংলা বাংলাদেশ সো এটাকে আমরা সিলেক্ট করে দিচ্ছি দিয়ে ওকে করে দিচ্ছি এখন দেখেন আমাদের কিন্তু টাকার আইকনটা চলে আসলো। সো এভাবে কিন্তু আপনারা টাকার আইকনটাও বসাতে পারেন। আজকে আমরা Excel এর একদমই বেসিক সূত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করলাম। আসলে আপনার যদি বেসিক স্ট্রং না থাকে তাহলে কিন্তু আপনি পরবর্তীতে অ্যাডভান্স লেভেলের সূত্রগুলো নিয়ে কাজ করতে পারবেন না। সো বেসিকটা নিয়ে আলোচনা করেছি তারপর আপনাদের সাথে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো Excel এর রেজাল্ট শিট নিয়ে, Excel এর স্যালারি শিট নিয়ে, Excel এর হাজিরা শিট নিয়ে, Excel এর সেলস শিট নিয়ে। এছাড়াও আরো বেশ কিছু বিষয় আছে যেগুলা আমাদের রেগুলারের প্রয়োজন হয় অনেকের সাথে অনেক ধরনের সাবজেক্ট সো সেগুলা নিয়েও স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো। গাইস আজকের মত আমি হিমেল এখানে বিদায় নিচ্ছি আপনাদের সাথে এরকম আরো প্রয়োজনীয় ভিডিওগুলা নিয়ে দেখা হবে। তখন পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।



