[0:00]অপচয় করে এবং ওটার ভিতরে একটা জ্বালা ছিল যে আমি একদিন বড় হব আমি একদিন বড় হয়ে বিপ্লবী দলের নাম লেখাবো একজন বিপ্লবী হয়ে দেশের এই প্রবলেম গুলোকে সলিউশন কর। করতে পারলাম? ও যখন বিপ্লবী দলের নাম লিখতে গেছে তখন ও একটা বাচ্চা ছেলে ১৪-১৫ বছরের বাচ্চা ছেলে
[0:13]ওকে দেখে সব বই বলছে যে তোকে আমরা কোন কাজে? না তোর হাইট আছে না তোর ফিগার আছে না তোর বয়স আছে, তোকে নিয়ে আমরা কি করবো? বলল ওর তো ভেতরে আগুন জ্বলছে ওর তো ভেতরে কিছু করতে চায় বোঝাতে পারছি? কিছু মানুষ হয় জীবনে কিছু করতে চায়। ওর তো ভেতরে আগুন জ্বলছে না আমাকে কিছু করতে হবে দেশের জন্য। তখন বলল আমাকে নাও তোমরা যা বলবে আমি তাই করবো। বলল তোকে আমাদের কোন কাজে লাগবেই না। তোকে আমরা নেব কি করতে?
[0:36]বলল তোর নাম কি? বলল আমার নাম ক্ষুদিরাম। বলল তোর নাম ক্ষুদিরাম না তোর নাম ক্ষুদে। তোকে আমরা নিয়ে কি করবো? তখন ও অনেক জেদ করার পর ওকে একটা টাস্ক দেওয়া হয়েছে। একটা পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। বলল একে তো সহজে বানানো যাবে না। একে তো সহজে বারণ করলে ও শুনবে না, একটু জিদ্দি টাইপের। তুমি পৃথিবীর যত সাকসেসফুল মানুষ তৈরি হয়েছে না, প্রত্যেকটা সাকসেসফুল মানুষ একটা জিনিস কমন, তারা একটু জিদ্দি টাইপের, একটু টেরা। বোঝাতে পারলাম? একটু টেরা টাইপের হয়। তো যাই হোক, ও একটু টেরা, ওকে তো সহজে বললে শুনবে না। তখন ওকে একটা কঠিন টাস্ক দেওয়া হয়েছে। বলেছে একটা কাজ কর, তখনকার দিনে একটা পত্রিকা ছিল। ওই পত্রিকাটা ব্যান ছিল। মানে ওই পত্রিকাটা বিক্রি করা বারণ ছিল।
[1:09]ওকে বলেছিল এই পত্রিকা কতগুলো দেওয়া হয়েছে তোকে। তোকে এই পত্রিকাটা থানার সামনে বিক্রি করে আসতে হবে। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? যদি তুই পুরো পত্রিকাগুলো বিক্রি করে আসতে পারিস, তাহলে তোকে কমিটমেন্ট করা হচ্ছে তোকে আমরা নেবো আর যদি বিক্রি করে না আসতে পারিস, তাহলে তুই চলে যাবি। তখন ও বলল ঠিক আছে। তাই সই। তো পত্রিকাগুলো নিল। একটা বন্ধুর সাথে গেল। পত্রিকাগুলো নিল, বিক্রি করা চালু করল এবং বিক্রি করতে করতে মোটামুটি শেষ, ওই সময় দুটো দারোগা ওকে দেখতে পেয়েছে বোঝাতে পারছি? আর দুটো দারোগা ওকে ধরার পর বিভিন্ন রকম ভাবে মারপিট চালু করে এবং মারপিট করতে করতে ও রাগের মাথায় দারোগাগুলোর নাক মুখ ফাটিয়ে কামড়ে কামড়ে পালিয়ে চলে আসছে।
[1:43]এবং যখন পালিয়ে চলে আসে তখন ওর এই অদ্ভুত কান্ডটা দেখে ওর এই পাগলামিটা দেখে ওর এই সাহসটা দেখে ওখানে যে ক'জন ছিল সবাই অবাক হয়ে গেল এবং কিছু করার নেই ওকে কমিটমেন্ট দিয়েছিল ওকে নেবে। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? ওকে নিতে বাধ্য। কিন্তু নেওয়ার পরেও ওকে কেউ পাত্তা দিত না। ওর ভেতরে যে কিছু ক্ষমতা আছে এটা কেউ বিলিভ করত না। ওকে অলওয়েজ চাটানো হত। ওকে বলা হয় স্লেজ করা। ওকে অলওয়েজ চাটানো হত। ক্লিয়ার করতে পারছি? বিভিন্ন ভাবে, বিভিন্ন মানুষ ওকে এসে বলত তোকে কি দেখে নিয়েছে? তোর দ্বারা কি হবে? তুই কোন কাজের? তোর নাম ক্ষুদিরাম না, তোর নাম ক্ষুদে। এরকম প্রত্যেক দিন শুনতে শুনতে শুনতে শুনতে ঐ বাচ্চা ছেলেটা একবার, ওই মানুষগুলোকে বলেছে যে এমন কোন কাজ এসে
[2:18]যেটা তুমি পারবে আমি পারব না। আমার দ্বারা কি হবে বলছ তো? এমন কোন কাজ বল যেটা তুমি পারবে আমি করে দেখাতে পারব। তখন বলল একটা কাজ কর, তুই যখন সবই পারবি একটা বেঞ্চ আছে, বেঞ্চ, কাঠের বেঞ্চ। ক্লিয়ার বোঝাতে পারছি? ওই কাঠের বেঞ্চটা দেখি ঘুসি মেরে ফাটাতে পারিস কি না। যদি ঘুসি মেরে ফাটাতে পারিস তাহলে বুঝব তোর ভেতরে দম আছে। তখন বলল ঘুসি মেরে ফাটাবো। এটা তো আলটিমেট। বলল হ্যাঁ। তো ও কি করল ক্ষুদিরাম কিছু না বুঝে কিছু না জেনে একটা জিদ্দি ছেলের মতো ওখানে ঘুসি মারতে শুরু করল কন্টিনিউয়াস লেভেলে কাঠের বেঞ্চে।
[2:47]এবং ঘুসি মারতে মারতে মারতে মারতে সামনের দিক থেকে বিপ্লবীগুলো ওকে আওয়াজ দিল, কিরে ক্ষুদে দেখ একবার তোর হাতটা ফেটে রক্ত বের হচ্ছে। তখন ক্ষুদিরাম বলেছিল হাতটা ফেটে রক্ত বের হচ্ছে কি না এটা দেখা তোর কাজ না, বেঞ্চটা ফেটেছে কি না এটা দেখা তোর কাজ। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? এই পৃথিবীর বুকে যত সাকসেসফুল মানুষ তৈরি হয়েছে ওখানে বয়স দেখে কিছু বিচার করা যায় না। কার বয়স কতখানি, কে কোন কোয়ালিটিতে গেছে, কাকে দেখতে কেমন কিচ্ছু বিচার করা যায় না। কার ভেতরে আগুন জ্বলে, কার ভেতরে কিছু করার মেন্টালিটি আছে, তারা জীবনে কিছু না কিছু করে বেরিয়ে যাবে। বোঝাতে পারছি কি পারছি না?
[3:13]তাহলে একটা ১৬ বছরের বাচ্চা ছেলে যদি করে যেতে পেরেছে আজকে আমাদের সোসাইটিতে এরকম ৯৬ বছরের লোকগুলো আছে কিছু করে যেতে পারে না। ওরা শুধু ক্রিটিসাইজ করে যেতে পারে। আমাদের দেশটা আর কিছু হবে না, আমাদের দেশটা খারাপ, সরকার খারাপ, সব চিটিংবাজ, সব নেগেটিভ, মানুষ খারাপ, কাউকে বিলিভ করা যায় না, সবাই বাঁশ দেয়, মিথ্যে কথার যুগ, সত্যি কথার যুগ নেই। এই যে নেগেটিভ কমেন্টসগুলো আমরা করি কন্টিনিউয়াস লেভেলে, আমরা কিন্তু পজেটিভ করব না।
[3:36]কিছু পজেটিভ করতে বললে পজেটিভ করব না। নেগেটিভ বলতে বলো, নেগেটিভ করে যাব। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? ক্লিয়ার? সরকার খারাপ, এই খারাপ, ঐ খারাপ। আরে ভাই তুই যখন এতই বুঝে গেছিস খারাপ, তুই কিছু কর। কিছু করার ওকাত নেই বলার ওকাত আছে। বোঝাতে পারলাম কি পারলাম না? মারবেলেও ওই বলার লোকেদের জন্য নয় মারবেলেও করনেওয়ালোঁকে লিয়ে হ্যায়। ক্লিয়ার করতে পারলাম? যারা পৃথিবীতে কিছু করার জন্য জন্মেছে মারবেলে তাদের জন্য একটা প্লাটফর্ম।
[4:00]আরে ব্ল্যাক বোর্ডটা একজনের খুদির ট্রেনিং এ বোঝা যাবে না। কারণ এই যে ব্রেনটা আমাদের প্রোগ্রামিং করা আছে না, নেগেটিভ মানুষদের সাথে ২০ বছর ২২ বছর ২৫ বছর থাকার পরে ব্রেনের প্রোগ্রামিং হয়ে গেছে। বোঝাতে পারলাম? তোমাকে যদি একটা লাল রঙের সানগ্লাস পরানো হয় চারিপাশটা কেমন মনে হবে? লাল মনে হবে। নীল পরলে নীল মনে হবে, সবুজ পরলে সবুজ মনে হবে। তোর মনে হবে এই যে দুনিয়াটা এটা সবুজ দুনিয়া। এই যে দুনিয়াটা আমি লাল দেখতে পাচ্ছি এটা লাল রঙের দুনিয়া। আরে ভাই ওটা না লাল না সবুজ, ওটা তোমার চশমার ফলাফল। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? তাই চশমাটা কি? এই চশমাটা আমাদের বিলিভ।
[4:33]এই চশমাটা আমাদের বিলিভ। কিছুক্ষণ আগে বিশ্ব বলছিল না? কোন বেলুন কতদূর উড়বে সেটা তার রঙের উপর ডিপেন্ড করে না, তার ভেতরে থাকা গ্যাসের উপর ডিপেন্ড করে। ইয়েস অর নো? আর কোন মানুষ কত বড় জায়গায় যাবে সেটা তার ডিপেন্ড করে তার ভেতরে লুকিয়ে থাকা ক্ষমতার উপর। বোঝাতে পারছি? আবার? বোঝাতে পারছি? আসলে কি জানো? এখানে ভগবান কোন মানুষের ক্ষেত্রে কোন রকম ভাবে অবিচার করেনি। প্রত্যেকটা মানুষকে সমান কোয়ালিটি দিয়ে বানিয়েছে। কিছু মানুষ হয় এই কোয়ালিটিটাকে এত নেগেটিভ জায়গায় ইনপুট করে যে ওই পজেটিভ কোয়ালিটিটা বের হয় না আর কিছু মানুষ হয় ওটাকে পজেটিভ জায়গায় ইনপুট করে বলে তারা কিছু আলাদা করে দেয়। বোঝাতে পারছি? আমার কথাটা বোঝাতে আছে? এখন কোথায় গিয়ে আজকে দিনের প্রবলেমটা কোথায়?
[5:08]আজকের দিনের সোসাইটির প্রবলেমটা কোথায়? একটা ছেলের অ্যাটিটিউড দেখ। মোস্ট নেগেটিভ অ্যাটিটিউড। সারাদিন কি নিয়ে ব্যস্ত থাকে? সারাদিন বাবু ওই আমার বন্ধুদেরকে দেখি। সকাল বেলা ভরবেলাও ঘুম ভাঙ্গে ১০ টা ১১ টার সময়। ঘুম ভাঙ্গার পর লাথসাগার হলো একটা উঠল। উঠে একটু বসে ঝিমালো। ধ্যান করল। ধ্যান ধ্যান করে টিভি জ্বালালো। টিভি চালিয়ে বিভিন্ন রকম ক্রিকেট ম্যাচ, এই ম্যাচ, এই সিরিয়াল, ঐ টিভি বই ফই কিছু মজার যদি হয় দেখল। দেখতে দেখতে একটু ফেসবুক করল। ফেসবুক করতে করতে একটু ব্রাশ করল। ব্রাশ ব্রাশ করে বাবা এবার বাবার ঢাবা আছে। বাবার ঢাবায় বসে গেল একটা থালা নিয়ে। হিমালয়ের মতো পাহাড় করে দিয়েছে মা ভাতের পাহাড়।
[5:49]ওই ভাতের পাহাড়ে ডাল ঢাললো। মাখলো। ডিম ভাজা ফিঁম ভাজা দিয়ে গিলল। গিলার পর এবার বেরিয়ে গেল বাবু আড্ডা মারতে। আড্ডা ফাড্ডা দু ঘণ্টার জন্য মেরে এল। ওখানে বিভিন্ন রকম আবার ওই দিয়ে বাবার টাকায় জিম করল। মাসের বাঁশের পোলামে গার্লফ্রেন্ডকে দেখাবে। বোঝাতে পারলাম? সাহেব জিম জিম করে যখন বাবু বিশাল মেহনত করেছে। এবার বাড়িতে আসল। বাড়িতে আসার পরে আবার ভাত ভরে গিলল। গিলার পর একটু নাক টেনে ঘুম মারল বিকাল ৪ টে অব্দি। আবার উঠল আবার উঠে দু চারটে কল ফল করে আড্ডা ফাড্ডা মেরে ইউ আর মাই হার্ট ইউ আর মাই লাঞ্চ ইউ আর মাই কিটি কিটি পিঙ্কি পিঙ্কি করে আবার বিকাল বেলায় গেল। বিকাল বেলায় বের হয়ে এবার পড়ার নাটক একটু কোচিং এ গেলাম। কোচিং এ গিয়ে আবার ওখানে একটু ঝাড়ি ফাড়ি মারলাম একটু এঙ্গেল ব্যাঙ্গেল মারলাম।
[6:31]আবার আসলাম। এবার আবার একটু আড্ডা ফাড্ডা মেরে রাত ১০ টার সময় ১০ঃ৩০ টার সময় বাবু ঘরে ঢুকলো। আবার টিভি দেখলো টিভি দেখে আবার খেলো আবার খেয়ে নাক টেনে ঘুম মারল আবার সকাল ১০ টা। কি মজার লাইফ! আর দিনগুলো বিশাল কাটে সত্যি বিশাল কাটে। দু বছর তিন বছর চার বছর কিভাবে কেটে যায় কোন টেনশন নেই। বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারতে মারতে কোনদিন তাসের আড্ডা বসে। কোনদিন ক্যারামবোর্ডের একটু নেশা বসে। কোনদিন একটুখানি পাড়ার কোন মেয়েকে নিয়ে চর্চা হল তো হল শুরু হয়ে গেল এই মেয়ে থেকে ঐ মেয়ে ঐ মেয়ে থেকে ওই বৌদি ওই বৌদি থেকে ওই কাকিমা।
[7:02]এখনকার মেয়েরা কেমন, এখন কোন মেয়েকে বিয়ে করা উচিত, এখন বলিউডের কি অবস্থা চলছে, এখন ক্রিকেটের কি পাগলামি চলছে, এখন ফুটবলের কি জায়গা কেমন, এই বছর কে জিতবে ঐ বছর কে জিতবে এই ভোটের এবার একটু পলিটিক্স নিয়ে আলোচনা। এই করতে করতে দিনগুলো কি সুন্দর কেটে যায় বোঝাতে পারলাম কি পারলাম না? মারবেলের উদ্দেশ্য হলো ভারতবর্ষের প্রত্যেকটা ইয়াং ছেলে যদি এইভাবে দিনগুলো কাটায় ইন্ডিয়া কোনদিন ডেভলপমেন্ট হতে পারে না। বাট আমরা এই বাজে টাইমগুলো যেই নষ্ট করি এই বাজে টাইম গুলোকে যদি একটু কাজে লাগাতে পারি যদি একটু নিজেকে ডেভলপমেন্ট করতে পারি যদি আর একটু ১০ টা মানুষকে একটু হেল্প করতে পারি তাহলে অটোমেটিক্যালি শুধু নিজের ডেভলপমেন্ট হবে না ১০ টা মানুষের যে ডেভলপমেন্টটা হবে ওখান থেকে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে প্লাটফর্ম থেকে টাইম কম্পাউন্ডিং করে একটা মানুষ অনেক বড় জায়গায় যেতে পারে বোঝাতে পারলাম কি পারলাম না? আরে ভাই মস্তি যদি করতে হয় ঐ চার বছর পাঁচ বছরের মস্তি করে লাভ নেই। মস্তি যদি করতে হয় এমন মস্তি করা ৫০ বছর অব্দি মস্তিটা টিকে থাকবে।
[7:47]ওরা কি করবে? ওরা তিন থেকে চার বছরে ফাটিয়ে মস্তি করবে। মস্তি করার পরে ৩০ থেকে ৪০ বছর মানে শেষ। তখন আর ঐ বন্ধু নেই, তখন আর ওই ক্যারামবোর্ড নেই, তখন আর ঐ তাস নেই, তখন আর মেয়ে নিয়ে গল্প নেই। ঐ সকাল বেলা ট্রেন ধরে বের হয় রাত বেলা ট্রেন ধরে ঘরে ঢোকে বোঝাতে পারলাম কি পারলাম না? তাহলে ঐ কিছু দিনের মস্তি তারপরের শাস্তি নিয়ে লাভ আছে? আরে এমন কিছু করো দোস্ত মারবেলে তিন থেকে চার বছর ও মস্তি করবো তিন থেকে চার বছর এমন ভাবে মস্তি করতে করতে এমন ভাবে নিজের জায়গাটা তৈরি করব যাতে ৩০ থেকে ৪০ বছর ফাটিয়ে মস্তি করবে। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? হ্যাঁ সুপার ডুপার লেভেলে মস্তি সবসময় টেম্পোরারি হয়। ক্লিয়ার হচ্ছে? ওরা টেম্পোরারি করে আর পার্মানেন্ট করে না।
[8:26]তো যাই হোক বেশি কিছু বলেনি নতুন যারা আছে একটুখানি একটু ইন্ট্রোডাকশন দিয়ে নিই আমার ইন্ট্রোডাকশন। কখন আমি ইন্ড্রাস্ট্রিতে এসেছিলাম কিভাবে আমি ইন্ড্রাস্ট্রিতে এসেছিলাম? যখন আজ থেকে চার বছর আগে যখন ইন্ড্রাস্ট্রিতে এসেছিলাম এত বড় বড় মোটো, এত বড় বড় উদ্দেশ্য, এত চিন্তা ভাবনা, এত ভাবধারা নিয়ে আসিনি। ক্লিয়ার করতে পারলাম? আমার কথাগুলো মনে হয় বুঝতে পারছ না সবাই? আচ্ছা কেউ যদি না বুঝতে পারে আমার কথাটা একটু বলবে দাদা তুমি কিছু স্পিডে বলছ তাই বুঝি না বা আমার ল্যাঙ্গুয়েজের প্রবলেম আছে তাই বুঝি না।
[8:56]ক্লিয়ার করতে পারলাম? আর যদি বোঝ তাহলে আমাকে একটু রেসপন্স দিও হ্যাঁ আমার কথাগুলো সবাই বোঝে। তো যাই হোক যখন আমি ইন্ড্রাস্ট্রিতে এসেছিলাম কেন এসেছিলাম একটু বলে নিই। যেটা আম জনতা সবার হয় আমারও হয়েছিল। ছোটবেলায় পড়তে পড়তে গরিব ফ্যামিলি থেকে বিলং করতাম কিন্তু কখনো ভাবতাম না আমি তৈরি হব। ক্লিয়ার হচ্ছে কি হচ্ছে না? তোমার ভাবনা আছে? ঐ শাহরুখ খানের আমি একটা ইন্টারভিউ শুনেছি ওখানে শাহরুখ খান বলছে ওকে যখন জিজ্ঞেস করছে আপনার জীবনের সাকসেসের ইয়ে কি? মানে ওই ভাবনাটা আসে কোথা থেকে? আপনার ভেতরে ওই লড়ার ক্ষমতাটা আসে কোথা থেকে? তখন বলছে আমার জন্মদিনে যখন আমার বাবা ছোটবেলায় আমাকে ৫ টাকার একটা পেন মুড়ে দিত গিফট। আমার জন্মদিনে বাবা আমাকে যখন ৫ টাকার একটা পেন প্লাস্টিকে মুড়ে গিফট দিত আর ওই পেনটাকে যখন আমি পেতাম তখন আমি ওই পেনটা দেখে আমি বুঝতে পারতাম যে আমার ফ্যামিলি কন্ডিশন কোন জায়গায় আছে। আর ওই প্রত্যেকটা দিন এখনো পর্যন্ত আমার মনে পড়ে এই কারণে আজকের দিনে আমি নিজেকে এমন ভাবে তৈরি করেছি যেকোনো বলিউড ডাইরেক্টরের মাথায় যদি প্রথম কোন হিরোর মাথায় নাম আসে সেটা হল শাহরুখ খানের আসে। ইয়েস অর নো?
[9:53]তাহলে বাবু ঐ পেনটা দেখেও বুঝতে পারত যে আমার কন্ডিশন কি লেভেলে আছে। আর আজকে এই কাঠফাটা রোদ্দুরে আমাদের বাবারা কিন্তু ইনকাম করে বেড়াচ্ছে। কাঠফাটা রোদ্দুরে আমাদের বাবার ইনকাম করে বেড়াচ্ছে বাট আমাদের ভেতরে কোন ফিলিংস নেই। কোন ফিলিংস নেই। ঐ যে বন্ধুদের দিনের পর দিন আড্ডা মারছে ওর ভেতরে কোন ফিলিংস নেই। যে আমার বাবা এই কাঠফাটা রোদ্দুরে ইয়ে করতে পারছে যে লোকটা আজকে হেলথের কোন অবস্থা খারাপ কালকে যদি হার্ট অ্যাটাক হয়ে বসে যায় ওই টাকা নেই। আজকে এই দিনের পর দিন টাইম গুলো নষ্ট না করে দিনের পর দিন এমন কি করতে পারি যেখান থেকে দু বছরের মাথায় বাবাকে বসাতে পারি। আরে এর থেকে ও বড় পবিত্র কাজ আর কিছু হয় না। ক্লিয়ার করতে পারলাম? আরে লোক দেশের কাজ তো পরে করবে আগে নিজের ভেতরের ফিলিংসটা আনি। এমন ভাব দেখাচ্ছে মনে হচ্ছে রতন টাটার ছেলে। আরে ভাই আমার বাবার নাম রতন হতে পারে টাটা না।
[10:29]আমার বাবার নাম মুকেশ আম্বানি না ক্লিয়ার করতে পারছি কি পারছি না? এমন ভাব দাও রতন টাটার ছেলে। তো আমার ও রকম ভাব ছিল। এবার ছোটবেলায় পড়তে পড়তে পড়তে পড়তে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম রিজেকশন পেয়েছি ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন লোকের কাছে অপমান পেয়েছি কারণ আমার বাবা রিক্সা টানত খুব গরিব ফ্যামিলি থেকে ছিলাম। তো ওই সময় দাঁড়িয়ে কোথাও না কোথাও এই জিনিসগুলো ওভারকাম হয়ে যেত। আমি মানিয়ে নিতাম। তুমি জানবে মানুষের জীবনে একটা স্বভাব আছে মানিয়ে নেবার স্বভাব। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? সাকসেসফুল মানুষরা জীবনে মানায় না। সাকসেসফুল মানুষরা যেটা পায় না না সেটাকে জিদ বানিয়ে নেয় পাওয়ার। আর ফেলিওর মানুষরা কিভাবে জানো তো যেটা পায় না সেটাকে মানিয়ে নেয়। ক্লিয়ার করতে পারছি কি পারছি না? তাহলে ও রকম মানিয়ে নওয়া সব চলতে চলতে চলতে চলতে হঠাৎ করে
[11:06]হঠাৎ করে যখন একটু স্কুল কলেজে ভর্তি হলাম, তো ঐ সময় একটুখানি ডানা গজালো, প্রেম গজালো। বোঝাতে পারছি? প্রেম গজালো, তো প্রেম করতাম। তো ঐ সময় দাঁড়িয়ে নিজেকে শাহরুখ খান মনে হত। আর নায়িকা কে? কাজল। ক্লিয়ার হচ্ছে কি হচ্ছে না? চল জিদিল ওয়ালে। এরকম ভাবে প্রেম চলতো প্রেম চলতে চলতে চলতে চলতে হঠাৎ করে, হঠাৎ করে, কারণ স্মার্তভ্যালুতে আসার আগে আমাকে টোটাল ন জন ইনভাইটিং করেছিল ন জন। স্মার্তভ্যালুতে আসার আগে টোটাল আমাকে স্মার্তভ্যালুর মেসেজটা দিয়েছিল ন জন। আর এই ন জনকেই আমি রিজেক্টেড করি ন জনকেই আমি চাটি। আমার আমার ছোটবেলায় একটা বন্ধু ছিল ওর নাম বান্টি মন্ডল। ক্লিয়ার করতে পারলাম? আমার কথাটা একটু বোঝার চেষ্টা করবে, কি বোঝাতে চাইছি। ওর নাম ছিল বান্টি মন্ডল।
[11:43]তো বান্টি মন্ডল ছোটবেলা থেকে পড়ি একসাথে সেভেনে পড়ি। তো বান্টি মন্ডলের থেকে আমি একটু পড়াশোনায় ভালো ছিলাম তাই বান্টি মন্ডল আমাকে একটু হিংসা করত। ভালো ছেলে বাদর মতো একটু কম্পিটিশন হয়। তো একবার আমি বান্টি মন্ডলের কাছে একটা বই চাইতে গেছিলাম। তো বান্টি মন্ডল আমাকে কোন না কোন ভাবে অজুহাত দিয়ে বইটা দেয়নি। আর আমি পরে জানতে পারি যে বান্টি মন্ডলের কাছে বইটা ছিল কিন্তু বান্টি মন্ডল আমাকে দেয়নি এবং সেদিনকার আমি বুঝতে পারছিলাম যে বান্টি মন্ডল এমন একটা পার্সোনালিটি যে আমাকে হিংসা করে আমার ভালো চায় না। আর এই কথাটা আমার মাথায় ঢুকে গেছিল। বোঝাতে পারছি? এবং ওই সেভেনের ঘটনাটা আমার মাথায় এতটা ঢুকে গেছিল যখন আফটার যখন আমি গ্র্যাজুয়েশনের দিকে যাচ্ছি ঐ সময় দাঁড়িয়ে যখন বান্টি মন্ডল আমাকে স্মার্তভ্যালুর মেসেজটা দেয়,
[12:19]বান্টি মন্ডল যখন আমাকে স্মার্তভ্যালুর মেসেজটা দেয় বান্টি মন্ডল বলে একটা ফাটাফাটি জায়গায় আছে ওখান থেকে কম্পিউটার শিখছি, হ্যাভি জায়গা। শিখলে ফাটাফাটি জায়গায় যাবি। আর এই কথাটা যখনই আমাকে বলে তখনই আমি প্রথম আমার মাথায় নক করল, বান্টি মন্ডল আমাকে কিছু ভালো কিছু করার কথা বলছে। তার মানে ব্যাপারটা কিছু গ্যানারাগোলের আছে। বোঝাতে পারছি? কারণ বান্টি মন্ডল বলছে যদি অন্য কেউ বলত আলাদা ব্যাপার ছিল। বান্টি মন্ডল আমার ভালো করার কিছু কথা বলছে এটা তো হতে পারে না। বোঝাতে পারলাম? আমার কথাটা বোঝাতে আছে? এটা তো হতে পারে না। তো ঐ সময় দাঁড়িয়ে প্রেমে একদম উরে উড়ে ব্যাপার ছিল। কি ভালো কি খারাপ কি করলে ভালো হবে উদ্দেশ্য কি কিচ্ছু নেই। কিচ্ছু নেই। বান্টি মন্ডল আমাকে যখন বলল কম্পিউটার একটা ভালো জায়গায় শিখছ ওখান থেকে শিখলে একটা বেটার ফিগার তৈরি হবে। আমার মাথায় প্রথমে কি নক করল? বান্টি মন্ডল আমার ভালো করতে পারে না।
[13:04]সেকেন্ড ওকে আমি এখন জিজ্ঞেস করলাম যে আচ্ছা ভাই যেখানে কোর্স শিখছিস কত টাকা লাগে? ওকে আমি জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা লাগে? বান্টি বলল ১০,০০০ টাকা। কারণ আজ থেকে চার পাঁচ বছর আগে ওটা ১০,০০০ টাকা ছিল। ক্লিয়ার? আজকে এটা ১২,০০০ টাকা, ১০,০০০ কি বলল। তো বান্টি মন্ডল আমাকে প্রথমে কি বলল? ১০,০০০ টাকা। ওই সময় আমি দাঁড়িয়ে ভাবলাম স্কুল কলেজে যেতে গেলে সাইকেল নিয়ে যাই তা ও আবার টেরা ভাঙ্গা সাইকেল। মানে সাইকেলটা যদি বোঝাও এরকম, মানে এইদিকে ইয়ে। বোঝাতে পারছি? এরকম ভাবে, লোক যদি পিছন থেকে দেখে তাহলে এরকম ভাবে যাচ্ছে। ওই সাইকেলের যদি টায়ারটাও ফেটে যেত, ৭ টাকা লাগত ঠিক করতে। ৭ টাকা কোনদিন মায়ের কাছে চেয়ে ইমিডিয়েট পাইনি। বোঝাতে পারছি?
[13:44]যেই ফ্যামিলিতে কোনদিন একবারে ১০০ টাকা চেয়ে পাওয়া যায় না। সেই ফ্যামিলিতে ১০,০০০ টাকা দিতে পারবে? অন দা স্পট আমি দাঁড়িয়ে ভেবে নিলাম ১০,০০০ টাকা। কোন পাগলই হয় যে ১০,০০০ টাকা দিয়ে কম্পিউটার শিখবে। কারণ ঐ সময় দাঁড়িয়ে আমি মাসে মাসে ৫০০ টাকা দিয়ে ইয়েস এস বলে একটা কম্পিউটার সেন্টারে কম্পিউটার শিখছিলাম। ক্লিয়ার করতে পারলাম? বেসিক। আমি তখন ভাবলাম স্যার আমি ৫০০ টাকা মাসে মাসে দিয়ে কম্পিউটার শিখি ৯ মাসের কোর্স মানে ৩,০০০ টাকার কোর্স। আর ও দিচ্ছে ১০,০০০ টাকা। কতটা পাগল। ব্যাপারটা বোঝাতে পারছি? আমি কি বিচার করে নিলাম? যে বান্টি মন্ডল কতটা ব্রেনলেস যে ১০,০০০ টাকা দিতে লাগে কম্পিউটারে যেটা আমি মাসে মাসে ৫০০ টাকা দিয়ে শিখতে পারি। ক্লিয়ার? তাহলে প্রথম মাথায় কি নক করল? বান্টি মন্ডল আমার ভালো চাইত না। সেকেন্ড আমার কি নক করল? ১০,০০০ টাকা আমার ফ্যামিলি দিতে পারবে না। থার্ড আমার কি নক করল? আঙ্গুর ফল টক। ১০,০০০ টাকা দিয়ে কেউ কম্পিউটার শিখবে? কারণ যেহেতু আমি পারব না। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? সঙ্গে সঙ্গে যত বন্ধু বান্ধব আমার আছে এবার যেহেতু আমি একটু স্কুল কলেজে একটু ব্রিলেয়েন্ট স্টুডেন্ট ছিলাম ঐ সময় দাঁড়িয়ে এবার ফার্স্ট বয় যেই কোচিং এ পড়ে সবাই সেই কোচিং এ ভর্তি হয়। ফার্স্ট বয় যেই স্কুলে যায় সেই স্কুলে সবাই ভর্তি হতে চায় বা কলেজে ভর্তি হতে চায় একটু নকল করে।
[14:58]আমিও আমার বন্ধু বান্ধবরা সবাই আমাকে ঘিরে থাকত আমি আমার বন্ধু বান্ধবকে যত জন বন্ধু বান্ধব আমার আছে সবাইকে দাঁড়িয়ে বান্টি মন্ডলকে একটা ইস্যু বানিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম বান্টি মন্ডল কি মুরগি যে ১০,০০০ টাকা দিয়ে কম্পিউটার শিখতে যায়। আর বান্টি মন্ডল ছেলেটা কিন্তু ভালো না। যদি তোদেরকে কোনদিন কিছু বলে ওকে গুরু পাত্তাই দিবি না। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? কারণ ও এমনিও ঠিক ছেলে না, ভুলভাল কোন জায়গায় নিজে ভর্তি হয়েছে লোককে ভর্তি করবে আমাকে তো ভর্তি করছিল আমি তো যাইনি। ব্যাপারটা বোঝাতে পারছি? সঙ্গে সঙ্গে যত বন্ধু বান্ধব ছিল সবাইকে নেগেটিভ করে দিলাম। এই করতে করতে স্মার্তভ্যালুতে দু বছর কেটে গেছে। আমি আজ থেকে দু বছর আগে যখন স্মার্তভ্যালুতে অ্যাডমিশন নিয়েছিলাম তার দু বছর আগে থেকে আমি স্মার্তভ্যালু জানতাম। কিন্তু নেগেটিভ ভাবে ক্লিয়ার করতে পারলাম কি পারলাম না? ইয়েস। ঐ সময় দাঁড়িয়ে হঠাৎ করে ঐ দু বছরের মাথায় আমার ব্রেক আপ হয়ে যায়। ক্লিয়ার করতে পারলাম? ব্রেক আপ হয়ে যায়। তো হোনা নিহি থা। তো ব্রেক আপ যখন হয়ে যায় তখন আমার লুকিং এরকম ছিল না আমার পার্সোনালিটি এরকম ছিল না আমাকে দেখতেও এরকম ছিল না।
[15:52]এটা তো স্মার্তভ্যালুর কৃপা একটু পয়সার কৃপা একটু মানসিক শান্তির কৃপা। তুমি জানবে ভেতর থেকে যখন তোমার শান্তি থাকবে না তখন তোমার গ্লামারটা অটোমেটিক্যালি বিরত থাকে। ক্লিয়ার করতে পারছি? আমার এখন ল্যাপটপে ফটো আছে এক বছর আগের আমার ফটো। ক্লিয়ার করতে পারলাম? পাঁচু পাঁচু দেখতে। তো ওই জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে আজকে মোটামুটি একটু বেটার হয়েছে। তো যাই হোক ওই সময় যখন ব্রেক আপ হয় আর একটা ইয়াং ছেলের কাছে তুমি জানবে একটা ইয়াং ছেলের ব্রেক আপ হলে একটা মেয়ের জন্য সুইসাইড পর্যন্ত করে নেয়। কি বলছি কথাটা? শেষ পর্যন্ত করে নেয়। কারণ ওর জীবনে কোন অবজেক্টিভ নেই ওর জীবনে একটাই অবজেক্টিভ হল এই মেয়েটাকে পাওয়া।
[16:22]তো ঐ সময় যখন আমার ব্রেক আপ হয়ে যায় তখন আমার পুরো জগৎ শুনা শুনা লাগে। কিচ্ছু ভালো লাগছে না। সব শেষ। দুনিয়া খারাপ ফনিক। বোঝাতে পারছি? আর কিছু ভাবছি শুধু দেবদাসের বাচ্চা হয়ে গেছি ঘরে বসে। শুধু ভাবছি যে কেন ছাড়ল আমাকে? আমি কি অন্যায় করেছিলাম? ঐ গান শুনছি শুরু ডিগামের আচ্ছা সিলা দিয়া তুইনে মেরে পেয়ার কা। বোঝাতে পারলাম? এগুলোই চলছে দিনের পর দিন। এগুলো চলতে চলতে চলতে চলতে হঠাৎ করে কোচিং এ যেতাম। কোচিং এ যেতাম। কিন্তু হঠাৎ করে হঠাৎ করে মাথায় শুধু একটাই জিনিস থাকত শালা প্যাচ আপ টা কি করে করবো, প্যাচ আপ টা কি করে করবো। আর বান্টি মন্ডল আমাদের কোচিং এ পড়ত। বান্টি মন্ডল যখনও কোচিং এ পড়ত তখন আমরা আমি কি করতাম সব বন্ধুকে মিলে বান্টি মন্ডলকে ছাড়তাম।
[17:00]এবং চেটে ওকে চাটার মাধ্যমে আমি দেখাতাম দেখ আমরা কত বড় পার্সোনালিটি। আমরা লোককে চাটার সময় হ্যাভি পার্সোনালিটি দেখাই বোঝাতে পারছি কি পারছি না? হ্যাঁ হ্যাভি দেখাই। তো ওকে চাপতাম বন্ধুরা মিলে চাপতাম আর আমরা নিজের পার্সোনালিটিটা শো করতাম আমার গার্লফ্রেন্ডের সামনে দেখো আমি কত বড় পার্সোনালিটি। কিন্তু বান্টি মন্ডলকে দেখতাম কোনদিন মুখ থেকে একটা আওয়াজ বার করত না। আমরা সবাই মিলে ওকে চাপতাম কিন্তু কোনদিন বান্টি মন্ডল মুখ থেকে একটা আওয়াজ বার করত না। তখন আমরা বুঝতে পারিনি যে স্মার্টভ্যালু মতো কোন একটা প্লাটফর্মে গেছে। আমি জানি না কোন প্লাটফর্মে গেছে। কিন্তু ওই প্লাটফর্ম থেকে একটা ছেলের ভেতরে এতটা সহ্য ক্ষমতা তৈরি হয়েছে যে কোচিং এ ১০ টা ২০ টা ছেলে মিলে ওকে চাচ্ছে বাট ও একটা মুখ থেকে আওয়াজ বার করছে না। তুমি জানবে এই ক্ষমতাটা শুধুমাত্র অনেক বড় বড় মহাপুরুষদের মধ্যে তৈরি হয়। বোঝাতে পারছি?
[17:40]সাধারণ মানুষ কি হয়? একটা কথা বলবে একটা কথা ফেলতে দেবে না। সঙ্গে সঙ্গে তিনটে রিপ্লাই মারবে। ইয়েস অর নো? কিন্তু বান্টি মন্ডলের ভেতরে ওই ক্রিটিসাইজ ক্ষমতা সহ্য করার ক্ষমতা তৈরি হয়েছিল। এই ভূমিকে আমরা সবাই পাড়া দিই। ১৫০ কোটি মানুষ এই ভূমিকে পাড়া দেয় যেই ভূমি কিন্তু মরে না আমরা এই ভূমিতেই মিশে যাই। ক্লিয়ার অর নো? যে সহে সেই রয়। এই ভূমি কিন্তু মরে না আমরা এই ভূমিতেই মিশে যাই। ঠিক বলছি কথাটা? তো বান্টি মন্ডলের ভেতরে যে সহ্য করার ক্ষমতাটা তৈরি হয়েছিল আর ওইটাই কি একচুয়ালি শিক্ষা। শিক্ষা মানে কি? শিক্ষা মানে অনেক বড় বড় ডিগ্রি নিলাম ওইটাকে শিক্ষা বলে? না। শিক্ষা মানে যেখান থেকে মানুষের মানসিক বিকাশ হয়। ঠিক বলছি কথাটা? তো ওইটা তো আমরা বুঝতে পারতাম না। কারণ আমরা তো শিক্ষার মিনিংই জানতাম না। আমরা তো শিক্ষার মিনিংই জানতাম না। আমরা জানতাম শিক্ষার মিনিং হল ডিগ্রি নেওয়া। আমরা জানতাম শিক্ষার মিনিং হল ভালো নাম্বার পাওয়া। ভালো মুখস্ত করা। শিক্ষার যে আসল কিছু মিনিং থাকে স্বামী বিবেকানন্দ কি বলে শিক্ষা কি? শিক্ষা হল মানুষের পূর্ণতার বিকাশ। মানুষের ভেতরে যে পূর্ণটা ভগবান দিয়ে পাঠিয়েছে সেটা বিকাশের মাধ্যমই হল শিক্ষা। বোঝাতে পারছি? কিন্তু আমাদের তো বিকাশ তো ঘটেই না।
[18:43]তো ওই সময় দাঁড়িয়ে ওকে চেটে যেতাম কন্টিনিউয়াস লেভেলে এইভাবে দিনের পর দিন চলছে। এবং মাথায় অলওয়েজ ওই দেবদাসের মতো ঘরে বসে বসে ভাবতাম কিভাবে প্যাচ আপ হবে কিভাবে প্যাচ আপ হবে। ক্লিয়ার হচ্ছে ব্যাপারটা? এটা তো দিনের পর দিন ঘুরত। দিনের পর দিন ঘুরত। হঠাৎ করে দুটো বছর পর, দুটো বছর পর। দুটো বছর পরে হঠাৎ করে পল্লব গাঙ্গুলি, পল্লব গাঙ্গুলি বলে একটা ছেলে মানে ১০ নম্বর ছেলে। আমাকে অলরেডি ন জন ইনভাইটিং করেছিল ক্লিয়ার? ন জনকেই আমি কোন না কোন ভাবে রিজেক্টেড করেছি চেটেছি বিভিন্ন কিছু করেছি। ১০ নম্বর ছেলে পল্লব গাঙ্গুলি আমারই একটা বন্ধু। ক্লিয়ার হচ্ছে? এই বন্ধুদের সাথে হঠাৎ করে ওকে চিনতাম আমি কিন্তু রিলেশন ছিল না। হঠাৎ করে আমাদের মধ্যে একটা রিলেশন হয় একই কোচিং এ পড়া থেকে।
[19:22]এবং রিলেশন হওয়ার পরে ও আমাদের বাড়িতে রোজদিন আড্ডা মারতে আসত। আমরা আড্ডা মারতাম। ও আমাকে এসে বারে উঠাতো। বলতো বিকাশ তোর কি সুন্দর হাতের লেখা। বিকাশ তোর এক্সপ্রেশন কি ফাটাফাটি। বিকাশ তোর মেমরি কি ফাটাফাটি। আর তুমি জানবে মানুষ যাকে মানে মানুষ প্রশংসা পেলে খুব খুশি হয়। তুমি যাকে প্রশংসা করবে না সে তোমার প্রতি আপ্লুত হয়ে যাবে। বোঝাতে পারছি? তো ঐ সময় যখন আমাকে প্রশংসা করত আমি অর্ধ করে শালা পল্লব গাঙ্গুলির সাথে আমার থাকতে ভালো লাগতো কারণ ও আমাকে দাম দেয়। মানুষ যার কাছে দাম পায় মানুষ তার কাছেই থাকতে চায়। বোঝাতে পারছি? তো পল্লব গাঙ্গুলি এরকম ভাবে প্রত্যেকদিন আমার প্রশংসা প্রশংসা করত। রোজ দিন আমরা আড্ডা চলত। আড্ডা মারতে মারতে মারতে হঠাৎ করে আমার মনে আছে একদিন দুপুর বেলায় বিছানায় ঘুমিয়ে আছি দু জন আমার আমাদের বাড়িতে।
[20:00]দু জন বিছানায় ঘুমিয়ে আছি আমার মা ঘর মুছছে। হঠাৎ করে পল্লব গাঙ্গুলি বলে উঠল জানিস তো বিকাশ আমি স্মার্তভ্যালুতে অ্যাডমিশন নিয়েছি। তো সরি টু সে তখন আমি স্মার্তভ্যালু জানি না। এই যে স্মার্তভ্যালুর নামটাও আমি জানি না। এপিয়েলের যেখান থেকে কম্পিউটার শেখায় নামটাও আমি জানি না। কি কোর্স শেখায় আইটি কোর্স এটাও আমি জানি না হোয়াট ইস ওয়েব ডিজাইনিং এটাও আমি জানি না। কিচ্ছু নলেজ নেই আমার কিন্তু আমি স্মার্তভ্যালু নিয়ে নেগেটিভ। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? ব্যাপারটা বোঝো না আছে নলেজ না আছে ইন্ড্রাস্ট্রির নাম জানি। কি কোর্স শেখায় সেটাও জানি না কিন্তু আমি নেগেটিভ মানুষ তাই আমি সব জানি। ক্লিয়ার হচ্ছে? তো হঠাৎ করে পল্লব গাঙ্গুলি হঠাৎ করে ছুলে রাখতে থাকে কি বলল।
[20:39]জানিস তো বান্টি যেখানে আছে আমিও সেখানে ভর্তি হয়েছি। ছট করে আমি উঠে গেলাম বিছানা থেকে আন্ডারটেকারের মতো। বোঝাতে পারছি? হ্যাঁ। বান্টি যেখানে ভর্তি হয়েছে তুইও সেখানে ভর্তি হলি? কি ও মুরগি হয়ে গেলি? হ্যাঁ ভাই পল্লব তো এত ব্রিলেয়েন্ট ছেলে পল্লব তো তুই তো জানিস সব সাবজেক্ট ওখানে কি হয় না হয়। তুইও মুরগি হয়ে গেলি? দাস পর্যন্ত কেন ভর্তি হলি? তো যাই হোক ঐ সময় দাঁড়িয়ে পল্লব আমাকে একটা অ্যান্সার দিয়েছিল আমার এখনও মনে আছে। পল্লব আমাকে বলেছিল যতটা আমরা জায়গাটাকে খারাপ ভাবছিলাম ততটা খারাপ না। বরং আমরা জায়গাটা ব্যাপারে জানিই না। যেইদিনকার জায়গাটার ব্যাপারে জানতে পারবি সেইদিনকার বুঝবি জায়গাটা কি। আর এই কথাটা বলতে না বলতে আমার মা ঘর মুছতে মুছতে হঠাৎ করে স্টপ করে বলল পল্লব বলল বল তো সত্যি জায়গাটা ভালো? বলল কাকিমা আপনি গিয়ে একবার স্যারের সাথে কথা বলে আসবেন তারপর আপনি বুঝবেন জায়গাটা ভালো না খারাপ।
[21:24]আর এই কথাটা বলার পর আমার মা বাবা বলেছিল চল একবার দেখে আসি কি জায়গা। ক্লিয়ার হচ্ছে কি হচ্ছে না? তো ঐ সময় দাঁড়িয়ে আমার মা তো পজেটিভ হয়ে গেল পল্লব গাঙ্গুলির কথা শুনে কিন্তু আমি তো সহজে পজেটিভ হব না। ক্লিয়ার করতে পারছি কি পারছি না? কারণ নেগেটিভ ভাই অটোমেটিক্যালি ৩০-৪০ জনকে আমি নেগেটিভ করেছি দায়িত্ব নিয়ে। হ্যা রে দায়িত্ব নিয়ে নেগেটিভ করেছি। যখনই শুনতে পেতাম যে পল্লব কারুর বাড়িতে গেছে। দেখতে যদি পেয়েছি সেইদিনকেই রাত বেলা ওর বাড়িতে পৌঁছে যাব দায়িত্ব নিয়ে। দায়িত্ব নিয়ে পৌঁছানোর পরে কাকি বান্টি কেন আসছিল? না ও বলছিল কিছু কম্পিউটার কথা হারগিজ না। তুমি জানো না ওই জায়গাটা কতটা খারাপ বান্টি কতটা খারাপ? বলছিল না ১০,০০০ টাকা? হ্যাঁ। বলছিল না কম্পিউটার? হ্যাঁ তুমি জানো ওই জায়গাটা কি? ব্যাপারটা বোঝাতে পারছি? এবার শুধু দেখ আমি কিছ না। তুমি জানবে এরকম ঐ বলে না একই জাতের পাখি একসাথে বসে। একই কালারের পাখি একসাথে বসে। দেখবা যখন স্কুলে মাধ্যমিকের রেজাল্ট বের হচ্ছে।
[22:17]যেই মাল গুলো ফেলিওর মাল সে গুলো একসাথে মিটিং করবে। আর যেই ভালো স্টুডেন্ট সেগুলো একসাথে মিটিং করবে। ঠিক বলছি কথাটা? তো যেই সময় যখন আমরা বান্টিকে চাপতাম আমার মতোই আবার কিছু মানুষ ছিল বান্টিকে চাপতো। ওরা আবার বিভিন্ন রকম জিনিস বানিয়েছিল। ওরা আমার থেকে একটু আপডেট নলেজ দিয়েছিল। আমি জানতাম বেকার ১০,০০০ টাকা দিয়ে কম্পিউটার শিখে কি জায়গা এই জায়গায় জীবনে কিছু কর ভালো কিছু করতে হবে আমাদের মুখে এই ডায়লগ। আবার ওখান থেকে কেউ আবার বলতো আরে ছাড় তো এরা সব চিটিংবাজ হয়ে গেছে। জানিস এরা লোক ঢোকাবে লোক ঢুকিয়ে ঢুকিয়ে টাকা পাবে। আমি বললাম তাই? কত লোক ঢোকায়? বলল তিন জনকে ঢোকালে ১৫০০। তিন জনকে ঢোকালে ১৫০০। তিন জনকে ঢোকালে ১৫০০। ক্লিয়ার হচ্ছে? ব্যাপারটা কেউ বোঝো সব শুনে শুনে জানা।
[22:56]আমি বললাম তারপরে? বলছে তারপরে তোকে কোম্পানি থেকে ল্যাপটপ দেবে। ও তাই? ব্যাপারটা হ্যাঁ তার মানে এগুলো লোভ দেখানো হয় না? তো যখনই দেখতাম বান্টি কারুর বাড়িতে গেছে আমি দায়িত্ব নিয়ে পৌঁছে যেতাম দিয়ে কাকিমাকে বলতাম কাকিমা কি বলেছে? কাকিমা আপনি জানেন? ওকে ঢোকাবে টাকা পাবে। ওকে ঢোকাবে টাকা পাবে। এইভাবে ও করবে লাস্টে গিয়ে ওকেও কোম্পানি থেকে তাড়িয়ে দেবে। কাকিমা বলছে তাই? হ্যাঁ। এইভাবে ৩০ থেকে ৪০ জনের জীবন বরবাদ করেছি দায়িত্ব নিয়ে। ক্লিয়ার করতে পারছি? এবার আমাদের সাথে যোগ দিয়েছে আবার আমাদের স্যার। যাদেরকে আমরা বলি স্যার। আসলে তো স্যার না আসলে গড। ক্লিয়ার করতে পারলাম? হ্যাঁ গড। বারবার বলি না আমি? ওই আড্ডা ফাড্ডা মারছিল বন্ধুদের সাথে ঐভাবে মেয়েদের নেগেটিভ ওই ব্লু ফ্লিম দেখতে দেখতে হঠাৎ করে পরীক্ষায় লাইন মারতে মারতে মানে ৫৫ লাখ ছেলের সাথে হঠাৎ করে ভূতভূত দিয়ে একটা চাকরি পেয়ে গেছে দিয়ে স্যার হয়ে গেছে। বোঝাতে পারছি? আবার কিছু মাল এইসব জায়গায় যেতেও পারে না মানে অতখানিও ওকাত নেই। তখন তারা প্রাইভেট কোচিং খুলে বসে। দিয়ে নিজেকে স্যার প্রুফ করে স্যার।
[23:57]তো আমাদের কোচিং এ একটা স্যার ছিল। রমেশ দা। ও আবার আমাদেরকে একটা নতুন টেকনোলজি শিখিয়েছিল। আমরা তো নেগেটিভ বাদ পড়েছিলাম বান্টিকে নিয়ে অনেক রকম। ও আবার কি বার করেছিল? বান্টি একদিন ল্যাপটপ কিনেছিল ল্যাপটপ। আমার মনে আছে। ৪০,০০০ টাকা দিয়ে ল্যাপটপ কিনেছিল। আর ওইটা শুনে আমি হিলে গেছিলাম। যখনই ল্যাপটপ কিনেছে আমারই বন্ধু ৪০,০০০ টাকা দিয়ে ল্যাপটপ শুনে হিলে গেছিলাম। আমি গিয়ে ওই স্যারকে জিজ্ঞেস করলাম রমেশ দাকে। আচ্ছা রমেশ দা বান্টি ল্যাপটপ কিনেছে।
[24:23]বলছে ওটা ল্যাপটপ কেনেনি। ওইটাই তো। কোম্পানি থেকে ল্যাপটপ গিফট করে। কেন গিফট করে? ওই ল্যাপটপটা পাড়ায় পাড়ায় দেখিয়ে দেখিয়ে দেখিয়ে দেখিয়ে কিছু লোককে ঢোকাবে। পরে কিন্তু কোম্পানি আবার ওই ল্যাপটপটা ফেরত দেবে। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? আরে বাইক কিনেছে। আরে ও বাইক কেনেনি ওকে বাইক দিয়েছে। ও বাইকটা লোককে দেখিয়ে দেখিয়ে দেখিয়ে দেখিয়ে এখানে ঢোকাবে। পরে কোম্পানি আবার ওই বাইকটা ফেরত দিতে পারবে। হ্যাঁ রিয়েলি? এবার স্যার বলছেন। ইয়েস অর নো? স্যার কে? গড। প্রত্যেকটা প্রবচন প্রত্যেকটা কথা বাণী। নিজে যেটা বলছে বাস্তব। পাথর কি লাকির। মিথ্যা কথা তো নিশ্চয়ই বলবে না। অন্ধবিশ্বাস করলাম। এই করতে করতে দু বছরের পুরো পাইন গেল। বোঝাতে পারলাম? জীবনের দু বছর পাইন মারা গেল। দু বছর পরে হঠাৎ করে পল্লব গাঙ্গুলি এসে বলল জায়গাটা ভালো।
[25:15]এবার মা বিশ্বাস করল বাট আমি তো বিশ্বাস করব না সহজে। এবার আমাকে আড়ালে নিয়ে গিয়ে বাইরে নিয়ে গিয়ে পল্লব গাঙ্গুলি আমার মেইন জায়গাটা হিট করল। বোঝাতে পারছি? ও বলে না হর আদমিকে এক দুখতা হুয়া না ছুপতা হুয়া না। এই জায়গায় যেখানে একটু নাড়া চাড়া করলে আওয়াজ বেরিয়ে আসে। হঠাৎ করে আমাকে বাইরে নিয়ে গিয়ে বলল জানিস বিকাশ। তো গার্লফ্রেন্ড আমাদের সাথে যায় ট্রেনিং এ। একই সাথে আমরা আড্ডা ফাড্ডা মারি। অনেক ছেলে। হ্যাঁ মস্তি মস্তি হয়। সব কিছু আমাদের সাথেই হয়। হ্যাঁ সিম্পলি চলে গেল। হ্যাঁ ডেকে ইয়ে করছে কিন্তু করবটা কি? তাহলে একসাথে হ্যাঁ কোথায় যাস ওরা? বলছে এখানে যাই। এখানে কতজন থাকে? এত গুলো থাকে। কটা ছেলে থাকে ওর মধ্যে? এত গুলো ছেলে থাকে। পুরো পজেসিভনেসে চলে গেল ভেতরে। ঐ সময় দাঁড়িয়ে বাড়িতে বসে বসে বিচার করলাম।
[26:14]যে যদি ঐ জায়গায় যাওয়া যায় তাহলে আবার ঐ অ্যাক্ট্রেস তো হতে পারব আবার মিলনটাও ঘটবে। বোঝাতে পারছি? তো যাই হোক এই করতে করতে মা বলল চল কাউন্সেলিং করে আসি। কাউন্সেলিং এ গেলাম। যেমন সবাই আসে আমিও কাউন্সেলিং এ গেছিলাম। ৪৫ ইয়ার্স এর একটা লোক আমার কাউন্সেলিং করেছিল যার নাম সম্রাট রয়। আমার কাছে যদি আমার বাবার মত যদি আমার রিয়েল লাইফে কোন ভ্যালুয়েবল পার্সন থাকে বা বলতে পারো আমি আমার বাবার থেকে ও এক ইঞ্চি উপরে গিয়ে যদি কাউকে মন থেকে ভালোবাসি বা রেসপেক্ট করি। অলওয়েজ যদি ভগবানের কাছে সব কিছু চাই অন্তত তার জন্য একবার ভালো কিছু কামনা করি। বোঝাতে পারছি? সেই লোকটার নাম হল সম্রাট রয়। কারণ এই লোকটার জীবনে ঐ ৩০ মিনিট ঐ লোকটার যে কথা আমি শুনেছিলাম আমার জীবনে বলতে পারো স্বামী বিবেকানন্দ যদি রামকৃষ্ণকে না পেত তাহলে স্বামী বিবেকানন্দ স্বামী বিবেকানন্দ হত না। ইয়েস অর নো? বিলে যদি রামকৃষ্ণকে না পেত তাহলে বিলে কোনদিন নরেন্দ্র হত না নরেন্দ্র কোনদিন স্বামী বিবেকানন্দ হত না। আর আমি যদি এই মানুষটার ৩০ মিনিটের স্পর্শ না পেতাম তাহলে আজকে আমি এই জায়গায় যেতে পারতাম। ক্লিয়ার করতে পারছি কি পারছি না? তারা অলওয়েজ আমি মন থেকে যদি কোন মানুষের জন্য ১০০% অলওয়েজ প্রে করি এই মানুষটার জন্য প্রে করি। কারণ যেদিনকার আমি মায়ের সাথে প্রথম কাউন্সেলিং এ গেছিলাম একটা বিহেভিয়ার একটা নেগেটিভ বিহেভিয়ার নিয়ে গেছিলাম। হাতের এখানে ব্রেসলেট ঝুলছে গলায় লকেট ঝুলছে গলার উঁচুকরা তিন চারটে বোতাম খোলা জিন্সের প্যান্ট পরে একটা আলাদা অহংকার বিহেভিয়ারে গেছিল।
[27:26]কি বোঝাবে জানাবে কারণ আমার তো কোন ইন্টারেস্টই নেই এই বিষয়ে। বোঝাতে পারছি? ঐ লোকটা কি বলবে না বলবে আমার কোন ইন্টারেস্টই নেই। আমার ঐ লোকটার প্রতি কোন শ্রদ্ধা নেই কোন ভক্তি নেই কোন ইন্টারেস্ট নেই। কিচ্ছু নেই। আমি শুধু গেছি আমার মা বলেছে তাই গেছি আর আমার একটু ইন্টারেস্ট যদি কোথাও থাকে সেটা হল আমার গার্লফ্রেন্ড এখানে আছে। বোঝাতে পারছি? আরে কিচ্ছু আমার চাই না। তো ঐ সময় গেছি আমি আমার মায়ের সাথে মায়ের সাথে যাবার পরে ঐ লোকটা প্রথম আমাকে দেখিয়েছিল যে তুমি ১০ বছর পড়াশোনা করবে দু বছর করবে তিন বছর করবে দু বছর করবে এক বছর দু বছর। এত দূর তোমাকে পড়াশোনা করতে হবে যদি কিছু করতে চাও। তখন আমাকে বলল তোমার কি এত বছর পড়াশোনা করার ধৈর্য আছে? আমি বললাম হ্যাঁ বেটার স্টুডেন্ট ধৈর্য আছে। কিন্তু আমার মা বাবার সামর্থ্য নেই। বলেছিল যদি তোমার মা বাবার সামর্থ্য না থাকে তাহলে তুমি ঐ ৫৫ লাখ ছেলের সাথে লাইন দিয়ে কিচ্ছু করতে পারবে না। তোমাকে লাইনে গিয়ে লাস্টে ঐ ৭,০০০ টাকার কাজ করতে হবে। আর একটা রিক্সাওয়ালা কোন পড়াশোনা না জেনে পুনর একটা টাকা কামায় আর একটা গ্র্যাজুয়েট ছেলে ৭,০০০ টাকা কামায়। কোন একটা রিক্সাওয়ালাকে টপকাতে পারলাম না। বোঝাতে পারছি কি পারছি না? আর ঐ কথাটা কোথাও না কোথাও আমার হার্টে গিয়ে টাচ করেছিল। কারণ আমার বাবা রিক্সা টানত। আমি গিয়ে বুঝতে পারলাম যে হ্যাঁ সত্যি কারের মতো সোসাইটিতে যাদেরকে আমরা দেখছি সবাই ঐ ৭,০০০ ১০,০০০। পড়াশোনা শিখে ১৫ বছরের ডিগ্রি নেবার পর ৭,০০০ ১০,০০০ টাকা ইনকাম করছে। আরে এটা রিক্সাওয়ালা একটা কর্মচারী যে রাজমিস্ত্রির কাজ করে সে ও মাসে পুনর একটা টাকা কামায়। বোঝাতে পারলাম? আমার কথাটা বোঝাতে আছে? ঐ সময় দাঁড়িয়ে উনি আমার মাকে একটা কোশ্চেন করেছিল যে আজকে যদি আপনাকে কোন হসপিটালে ভর্তি হতে হয় কোন হসপিটালে ভর্তি হবে? তখন আমার মা বলেছিল সরকারি হাসপাতালে। তখন ঐ লোকটা আমাকে বলেছিল আজকের দিনের মানুষ আজকের দিনের মারা অনেক ছেলে তো পয়দা করে কিন্তু ঐ ছেলেগুলোর ছেলে হয় না। হিঁজড়ে হয়ে পয়দা হয়। কারণ কালকে যখন তোমার মা কোন হসপিটালে পড়ে থাকবে তোমার মাকে লোক কুত্তা বিড়ালের মতো ট্রিট করবে।



