[0:08]ইরান যে শুধু ভূগর্ভস্থ মিসাইল সিটি বানিয়ে ক্ষান্ত তা কিন্তু নয়। দেশটি তাদের মরুভূমির বালুর নিচে লুকিয়ে রেখেছে মিসাইল সাইলো। এই মিসাইলগুলো মাটির গভীরে এমন নিখুঁতভাবে লুকিয়ে রাখা হয়েছে যে আধুনিক কোন স্যাটেলাইট বা রাডার দিয়েও এগুলো শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব।
[0:33]ইরানের বিশাল মরুভূমির সমতল ভূমির নিচে এই সাইলো গুলো এমনভাবে বসানো থাকে যে দেখে বোঝার কোন উপায় নেই। কোন দৃশ্যমান লঞ্চার বা ট্রাক বাইরে থাকে না। ফলে শত্রুপক্ষ জানতেই পারে না আক্রমণ কোথা থেকে আসবে। যখন প্রয়োজন হয় তখন সরাসরি মাটি ভেদ করে এই শক্তিশালী মিসাইল গুলো ধেয়ে আসে। সম্প্রতি ইরানের প্রকাশ করা ফুটেজে বালুর ভিতর থেকে বের হওয়া মিসাইলের এমন দৃশ্য তাই প্রমাণ করে।
[1:02]এদিকে রোববার ইরান তার একটি ভূগর্ভস্থ বিমান প্রতিরক্ষা ঘাটির এমন আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সেখানে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপনাস্ত্রের মজুদ, নিরাপদে পুনরায় লোড করার সক্ষমতা এবং প্রধান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গুলো লুকিয়ে রাখার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। ইরানের এই প্রযুক্তি মূলত ক্যামোফ্লেজ লঞ্চিং যা পুরো যুদ্ধক্ষেত্রের হিসাবই পাল্টে দিতে পারে। ইরানের হাজী আবাদ নামক স্থানে একটি নতুন মিসাইল ঘাটির সম্ভাব্য বিকাশের চিত্র গবেষণার মূল বিশ্লেষক ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ এর প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ জোসেফ ডেন্সলি যা স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে। যদিও সম্ভাব্য চিত্র এটি নাও হতে পারে। ইরান অবশ্য এসব তথ্য গোপন রাখে।
[1:58]শরীয়তুল্লাহ বৈশাখী সংবাদ।



