[0:00]পকেটে টান পড়লে কি মেজাজটা খিটখিটে হয়ে যায় না? মাসীর শেষে যখন মোবাইলের রিচার্জ করার টাকাটাও থাকে না, তখন মনে হয় জীবনটা একটা শুকনো মরুভূমি। আপনার কি কখনো মনে হয়েছে ইস যদি প্রতিদিন অন্তত চা নাস্তার খরচটা ইন্টারনেট থেকে চলে আসতো? Facebook-এর নিউজফিড স্ক্রল করতে করতে আমরা যে মূল্যবান সময়টা নষ্ট করি সেটা দিয়ে কি পকেট গরম করা সম্ভব? উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ। আজ এমন একটা টপিক নিয়ে কথা বলবো যেটা আপনার প্রতিদিনের হাত খরচের চিন্তা দূর করে দিতে পারে। প্রেমিকার সাথে ঝগড়া করে আছাড় দেওয়া একটা ভাঙ্গা ফোন আর আনলিমিটেড অলস সময়কে কাজে লাগিয়ে পকেট মানি জেনারেট করা কিন্তু অবশ্যই সম্ভব। এই ভিডিওটিতে আমি এমন একটা সিক্রেট ওয়েবসাইটের নাম বলবো যেখান থেকে আজই আপনি চাইলে ইনকাম শুরু করতে পারবেন। তাই ভিডিওর মাঝপথে কেটে গেলে লসটা আপনারই হবে। শেষ পর্যন্ত আঠার মতো লেগে থাকুন কারণ আজকের ভিডিওতে আমরা কথা বলছি মাইক্রোজব নিয়ে। শুরুতেই একদম পানির মতো সহজ করে বুঝে নিই এই মাইক্রোজব জিনিসটা আসলে কি। একটা খাঁটি দেশী উদাহরণ দিই। ধরুন আপনার এলাকার মেইন মোড়ে মুকবুল ভাই বিশাল এক ইলেকট্রনিক্স শোরুম বা কাপড়ের দোকান দিয়েছে। দোকানের সব মালামাল সাজানো শেষ, ডেকোরেশনও চকচকে। কিন্তু এখন তো এলাকার মানুষকে জানাতে হবে যে এখানে একটা নতুন দোকান হয়েছে। এখন এই প্রচারণার জন্য মুকবুল ভাই কি ঢাকার বড় কোনো অ্যাড এজেন্সি রাখবে নাকি টিভিতে লাখ লাখ টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপন দেবে? অবশ্যই না। মুকবুল ভাই তখন পাড়ার দুই তিনটে চটপটে ছেলেকে ডাকবে তাদের হাতে এক বান্ডিল লিফলেট ধরিয়ে দিয়ে বলবে তোরা এই লিফলেটগুলো জুম্মার নামাজের পর মসজিদের সামনে আর মেইন মোড়ে দাঁড়িয়ে মানুষের হাতে হাতে দিয়ে দিবি। আর এই আঠার বালতিনে ল্যাম্প পোস্টে আর দেওয়ালে কয়েকটা পোস্টার সেটে দিবি। কাজ শেষে তোদের গরম গরম সিঙ্গারা পুরি আর চা খাওয়াবো সাথে পকেট খরচ হিসেবে নগদে ১০০ বা ২০০ টাকা করে দিয়ে দেবো। এই যে আধা ঘন্টা বা এক ঘন্টার ছোট্ট একটা কাজ যার জন্য কোনো বড় ডিগ্রির প্রয়োজন হলো না এটাই হলো অফলাইন মাইক্রোজব। আর এই কাজটাই যখন আপনি ইন্টারনেটে ঘরে বসে আপনার মোবাইল দিয়ে করবেন তখন সেটা হয়ে যাবে ডিজিটাল মাইক্রোজব। এখানে কোনো কোম্পানি আপনাকে বলবে না যে তাদের পুরো ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যার বানিয়ে দাও। তারা শুধু বলবে এই ছোট্ট ফর্মটা একটু ফিলাপ করে দাও। বা এই ক্যাপচাটা দেখে দেখে লিখে দাও বা অথবা এই ছবিগুলো থেকে ট্র্যাফিক লাইট কোনগুলো সেটা সিলেক্ট করো। ব্যাস কাজ শেষ টাকা পকেটে। বর্তমান গ্লোবাল মার্কেটে এই মাইক্রোজবের চাহিদা আকাশ ছুম্বি। কারণ কোম্পানিগুলো খুব অল্প খরচে তাদের কাজগুলো করিয়ে নিতে পারে আর আমাদের মতো মানুষরা ঘরে বসে কিছু বাড়তি আয় করতে পারে। এবার চলুন আমাদের গল্পের হিরো আবুল মিয়ার সাথে দেখা করি। আবুলের অবস্থা এখন এমন যে পকেটে হাত দিলে শুধু একটা ছেঁড়া দশ টাকার নোট আর কয়েকটা বাসের টিকিট পাওয়া যায়। কিন্তু আবুলের হাতে আছে একটা চকচকে স্মার্টফোন যাতে সে দিন রাত ২৪ ঘন্টা আঠা হয়ে লেগে থাকে। Facebook-এর রিলস দেখতে দেখতে তার আঙুলে কড়া পড়ে গেছে কিন্তু পকেটে এক পয়সাও ঢোকেনি। একদিন আবুলের এক দোস্ত তাকে খোঁচা মেরে বললো কিরে আবুল ফোন নিয়ে তো সারাদিন গুতাগুতি করিস এই ফোন দিয়ে এক কাপ চা খাওয়ারও মুরুদ কি তোর আছে। আবুল তো রীগোর চোটে ফেটে পড়লো। সে ভাবলো সম্মান যদি বাঁচাতে হয় তবে এই মোবাইল দিয়েই টাকা কামিয়ে দেখাতে হবে। আবুল তখনই তার মোবাইলের ব্রাউজার ওপেন করে Google-এ গিয়ে সার্চ করলো onesteptask.com লিখে। সাইটটি সামনে আসতেই আবুল দেখলো এখানে সাইন আপ করা একদম বিরিয়ানির প্যাকেট-এর মুখ খোলার মতোই সহজ। সে চটজলদি তার নাম আর ইমেল দিয়ে একটা অ্যাকাউন্ট খুলে ফেললো। আর অ্যাকাউন্ট খুলতেই আবুলের চক্খতো চরকগাছে। সেখানে কাজের যেন হাট বসেছে। আবুল দেখলো কোথাও ছোট একটা সার্ভে পূরণ করতে বলছে, কোথাও কয়েকটা ডেটা এন্ট্রি করতে বলছে আবার কোথাও ক্যাপচা সলভ করতে বলছে। আবুল তার অবসর সময়ে যখনই সুযোগ পায় বাসে ঝুলে যাওয়ার সময়, বন্ধুদের জন্য অপেক্ষা করার সময় কিংবা রাতে মশারি টাঙানোর আগে onesteptask.com-এ ঢুকে দু চারটে কাজ সাবমিট করে দেয়। প্রতিটা কাজের বিনিময়ে তার ওয়ালেটে টপাটপ টাকা জমা হতে শুরু করলো। তবে এখানে একটা কথা কান খুলে শুনে রাখুন। এই সাইটে কাজ শুরু করার আগে তাদের নিয়মকানুন বা রুলস গুলো কিন্তু একপলক দেখে নিতে ভুলবেন না। কারণ ভাই নিয়ম না মেনে উল্টোপাল্টা কাজ করলে আপনার আইডি যদি লালবাতি জ্বলে ওঠে বা পেমেন্টে ঝামেলা হয় তাহলে কিন্তু আমাকে দোষ দিতে পারবেন না। আমি শুধু সম্ভাব্য একটা উপায়ের রাস্তা দেখিয়ে দিলাম কিন্তু সেখানে গাড়ি সাবধানে চালানোর দায়িত্ব আপনার। কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই নিজের বুদ্ধি খরচ করে সব বুঝে শুনে নামবেন কারণ দিনশেষে আপনার শ্রম এবং সময়ের দায়িত্ব আপনারই। গল্পের আসল ড্রামা শুরু হলো একদিন বিকেলে। আবুল তখন তার জানু বা প্রেমিকার সাথে মেসেঞ্জারে তুখর রোম্যান্টিক চ্যাট করছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে হুট করে আবুলের মোবাইলের স্ক্রিনে ভেসে উঠলো আপনার ডেটা প্যাক শেষ। আবুলের তো হার্টফেল হওয়ার দশা কারণ প্রেমিকা তাকে আগেই রেড অ্যালার্ট দিয়ে রেখেছে। চ্যাট-এর মাঝখানে রিপ্লাই দিতে এক মিনিট দেরি হলে তাকে সরাসরি ব্লক করে অন্য কারো সাথে ব্রেকাপের গান শোনা শুরু করে দেবে। আবুলের পকেটে তখন একটা ফুটো পয়সাও নেই। যে সেই দোকান থেকে চট করে এমবি রিচার্জ করবে। ঠিক সেই সময় তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে গেল। আরে onesteptask.com-এ তো সে গত কয়েকদিন ধরে অনেকগুলো কাজ জমা দিয়েছে। আবুল কাঁপে কাঁপে হাতে ওই ওয়েবসাইটে লগইন করলো এবং দেখলো তার অ্যাকাউন্টে মাশা আল্লাহ বেশ ভালো কিছু টাকা জমা আছে। সে আর এক সেকেন্ডও নড়চড় না করে সোজা পেমেন্ট অপশনে চলে গেল। সেখানে গিয়ে সে দেখলো বাংলাদেশের সবার প্রিয় বিকাশ অপশনটি রয়েছে। আবুল তার নম্বর দিয়ে পেমেন্ট রিকোয়েস্ট পাঠালো। আশ্চর্যের বিষয় হলো দু এক মিনিট যেতে না যেতেই তার ফোনে ট্রিং করে মেসেজ চলে আসলো। বিকাশ থেকে টাকা চলে এসেছে। আবুল তখনই সেই টাকা দিয়ে বড় একটা ডেটা প্যাক কিনলো এবং জানু আমি আবার ফিরে আসছি বলে মেসেঞ্জারে এন্ট্রি নিলো। প্রেমিকার ব্লকের হাত থেকে সে বেঁচে গেল স্রেফ এই মাইক্রোজবের কল্যাণে। পকেট গরম করার কথা তো বলছি কিন্তু সেই জমানো টাকা খরচ না করে যদি সঠিক জায়গায় কাজে লাগাতে চান আপনারা কি জানেন যে মাত্র ৫০০ টাকা দিয়েও এখন ডিজিটাল গোল্ড বা সোনা কিনে ইনভেস্ট করা সম্ভব। যারা ভাবছেন এটা গালগল্প বা অবিশ্বাস্য কথা তারা আই বাটনে ঝুলিয়ে দেওয়া এই ভিডিওটি দেখে আসতে পারেন। সেখানে আমি প্রমাণসহ দেখিয়েছি কিভাবে লাখ লাখ টাকা নয় মাত্র ৫০০ টাকা দিয়ে আপনি আপনার ডিজিটাল সোনার যাত্রা শুরু করতে পারেন। এই ভিডিওটা শেষ করে ডেসক্রিপশনে উঁকি দিলেই সেই ডিজিটাল গোল্ড ইনভেস্টমেন্টের ভিডিও লিংকটি পেয়ে যাবেন। তবে একটা বিষয় আপনাদের একদম পরিষ্কার করে বলা দরকার। এই যে মাইক্রোজবের কথা বলছি এটা কিন্তু কোনো প্রোফেশনাল ফ্রিল্যান্সিং না। অনেকে আপনাকে পুটিয়ে বলতে পারে যে এটা করলেই আপনি আমেরিকা চলে যাবেন বা গাড়ি কিনে ফেলবেন সব কিন্তু ভুয়ো কথা। প্রোফেশনাল ফ্রিল্যান্সিং হলো গ্রাফিক ডিজাইন বা কোডিংয়ের মতো কাজ যা শিখতে ঘাম ঝরাতে হয় আর মাইক্রোজব হলো একদম শর্টকাট রাস্তা। এটা দিয়ে আপনি আপনার মোবাইল রিচার্জ, চা শিঙ্গারার বিল কিংবা ছোটখাটো শপিংয়ের খরচটা মিটিয়ে দিতে পারবেন। এটাকে ক্যারিয়ার ভাবলে ভুল হবে কিন্তু পার্টটাইম পকেট মানির জন্য এটা একদম ফাটাফাটি একটা মাধ্যম হতে পারে। তাহলে প্রশ্ন হলো এই মাইক্রোজব বা onesteptask.com কাদের জন্য? সহজ উত্তর যাদের হাতে সময় আছে কিন্তু পকেটে টাকা নেই তাদের সবার জন্য। আপনি যদি একজন স্টুডেন্ট হন এবং বাবার কাছে রিচার্জের টাকা চাইতে লজ্জা পান তবে এটা আপনার জন্য সেরা সুযোগ। আপনি যদি একজন গৃহিণী হন এবং ঘরের কাজের ফাঁকে হাতে একটু সময় পান তবে আপনিও এটা করতে পারেন। এমনকি আপনি যদি একজন চাকরিজীবীও হন এবং অফিসের ব্রেকের Facebook-এর মিম দেখে সময় নষ্ট না করে কিছু আয় করতে চান তবে মাইক্রোজব আপনার জন্য চমৎকার একটা উপায় হতে পারে। এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন এই সাইটটি কোথায় পাবেন? onesteptask.com নামটি লিখে Google-এ সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন অথবা আপনাদের সুবিধার্থে আমি পিন কমেন্টে দিয়ে দেবো। সেখানে একটু উঁকি দিলেই পেয়ে যাবেন। দেরি না করে এখনই নিজের যাচাই বাছাই শেষ করে একটা অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলুন এবং নিজের অবসর সময়কে টাকায় রূপান্তর করা শুরু করুন। একটা কথা মনে রাখবেন পকেটে টাকা না থাকলে নিজের ছায়াও আপনাকে চিনবে না। এক মিনিট এক মিনিট এখনই দৌড় দিয়েন না। যাওয়ার আগে ভোটটা দিয়ে যান। আপনারা পরবর্তী ভিডিওতে কোনটি দেখতে চান? ১। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত এবং রহস্যময় বিষয় ক্রিপ্টোকারেন্সি আসলে কি? এটি কিভাবে কাজ করে এটি কি আসলেই টাকা কামানোর মেশিন নাকি ডিজিটাল প্রতারণা? এখানে ইনভেস্ট করে কি আসলেই রাতারাতি ধনী হওয়া সম্ভব নাকি সব হারানোর ভয় বেশি? এই নিয়ে একটি বিস্তারিত এবং ইনফরমেটিভ ভিডিও। ২। মোবাইল দিয়ে এমন তিনটি কাজ যা শিখলে আপনি মাসে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা কামাতে পারবেন। আপনার মতামত কমেন্টে জানান যার পাল্লা ভারী হবে সেই টপিক নিয়ে পরের ভিডিও আসবে। শেষে একটা কথা আপনি যদি এই চ্যানেলের সাথে না থাকেন তবে আপনি ইন্টারনেটের এইরকম সব কার্যকরী উপায়গুলো সব সময় মিস করে যাবেন। আমাদের সাথে জুড়ে থাকা মানে হলো নিজেকে সব সময় আপডেটেড রাখা। তাই এই ফ্যামিলির অংশ হয়ে যান এতে লস নয় বরং আপনারই লাভ। আর হ্যাঁ ডেসক্রিপশন থেকে ওই ৫০০ টাকার ডিজিটাল গোল্ডের ভিডিওটা দেখতে কিন্তু একদম ভুলবেন না। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

আঙুল ঘষে নাস্তার টাকা আয়ের গোপন উপায়!😱| Micro Job
The Asset Logic
8m 27s1,405 words~8 min read
Auto-Generated
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS


