[0:00]আসসালামু আলাইকুম। দর্শক মন্ডলী IPS স্মার্টে আপনাদেরকে স্বাগতম। আজকে আমরা কথা বলবো, আমাদের হরিয়ানার বন্ধু স্মার্টএনের একটা MPPT সোলার IPS এবং UPS নিয়ে। এই মেশিনটা হচ্ছে 24 ভোল্ট সিস্টেম, অর্থাৎ দুই ব্যাটারি সিস্টেম। এটাতে আপনারা 200 অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি, পানির ব্যাটারিগুলা ব্যবহার করতে পারবেন। বাট আমরা এখানে মেশিনটা জাস্ট চেক করার জন্য, ইস্টার্নের 50 অ্যাম্পিয়ারের দুইটা ব্যাটারির সাথে কানেক্ট করছি। দেখেন এই ব্যাটারিগুলা হচ্ছে মাত্র 50 অ্যাম্পিয়ারের দুইটা ব্যাটারি। যেহেতু আমাদের মেশিনটা 24 ভোল্ট, আমরা যদি টিউবুলার ব্যাটারি অথবা পানির ব্যাটারি ব্যবহার করি, সেই ক্ষেত্রে 12 ভোল্টের 200 অ্যাম্পিয়ারের দুইটা ব্যাটারি ব্যবহার করবো। আর যদি লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করি, তাহলে আমরা একটা 48 ভোল্টের 100 অ্যাম্পিয়ারের লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করবো। আমি ভিডিও শুরুতে যে কথাটা বলছিলাম, এই মেশিনটার মডেলটা হচ্ছে 2500। স্মার্টেন 2500। হ্যাঁ। দেখি মডেলটা কোথায় লেখা আছে। MPPT সোলার কোয়ালিটি এক্সপোর্ট। আচ্ছা, এটার ফ্রন্ট সাইডে মডেলটা লেখা নাই। তো এটা মূলত কয়েকটা মডেলের হয়। 2200 একটা আছে, আবার 2500 একটা আছে। তো এটা হচ্ছে 2500 মডেল। এই সাইডে আমি একটু দেখাই, এই যে মডেল হচ্ছে 2500, 2500VA আর কি, VA টাকে মডেল ধরে। MPPT PCU 24V। তো এখানে মূল বিষয়টা হচ্ছে MPPT, এবং MPPT এই জিনিসটা মানে হচ্ছে এটার যে বিল্টইন সোলারের যে চার্জ কন্ট্রোলারটা আছে, এটা 100% MPPT। তো আপনারা জানেন যে সাধারণত সোলার IPS গুলাতে ভিতরে বিল্টইন PWM টেকনোলজির যে চার্জ কন্ট্রোলারগুলা আছে সেগুলা বিল্টইন থাকে। কিন্তু এটা MPPT সোলারের চার্জ কন্ট্রোলার দিয়ে করা। তো MPPT হলে যে সুবিধাটা সেটা হচ্ছে সোলার থেকে প্রায় 99% আপনার ক্যাচ করে নিয়ে আসতে পারে। অর্থাৎ PWM এর যে কন্ট্রোলারগুলা এটার চাইতে MPPT টার ইফিশিয়েন্সিটা ক্যাচিংটা আউটপুটটা অনেক অনেক ভালো। এই হলো বিষয়। আচ্ছা, তো এই মেশিনটাতে ওয়াটেজ আছে হলো 2000 ওয়াট। 2000 ওয়াট মানে হিউজ পরিমাণে ওয়াট। আমরা যদি ওয়াটটা একটু চেক করি। আমি এই যে কারেন্টের লাইনটা অফ করে দিলাম। হ্যাঁ, আমার ব্যাটারিটা ছোট। যেহেতু 50 অ্যাম্পিয়ারের দুইটা দিয়ে আমি জাস্ট চেক করার জন্য কানেক্ট করছি। খুব বেশিক্ষণ লোড চালানো যাবে না। তারপরও আমরা একটু চেক করি। এই যে 200, 400, 600, 800, 1000। 1000 এর পরে, সুইচ জ্বলে না। 1000 এর পরে 1200, 1400। 1400 তে আমার ব্যাটারিতে ছোট যার জন্য ব্যাটারি লো মারতেছে। তো আমরা একটু লোড কমাইয়া দেই। কারণ আমার ব্যাটারিগুলা একবারে ছোট। যেহেতু 50 অ্যাম্পিয়ার এতগুলা লোড নিতে গেলে ব্যাটারিতে দ্রুত লো সিগন্যাল দিচ্ছে। তো আমি পুরাটাই বন্ধ করে দেই। মূলত এটাতে 2000 ওয়াট আপনার একুরেট আছে। হ্যাঁ। তো আমরা প্রথমে একটা হিসাব করি যে, এই 2000 ওয়াটের যেহেতু একটা মেশিন, এই 2000 ওয়াট দিয়ে আমি কি চালাইতে পারবো? ধরেন যে অনেক মসজিদ আছে, মাদ্রাসা আছে, স্কুল আছে, কোচিং সেন্টার আছে বা অফিস আছে। তো এগুলাতে শুধুমাত্র ফ্যান চলে আর কিছু লাইটের প্রয়োজন হয়। যেহেতু 2000 ওয়াট আছে আমরা যদি এই ধরনের 56 ইঞ্চি সিলিং ফ্যান চালাই, অ্যাটলিস্ট 20টা সিলিং ফ্যান অ্যাট এ টাইম চালাইতে পারবো ফুল লোডে যদি চালাই। তো সাধারণত 20টা সিলিং ফ্যান অ্যাট এ টাইম চালানোর দরকার হয় না। তবে এখানে আরেকটা কথা আছে। আপনি 20টা সিলিং ফ্যান যখন অ্যাট এ টাইম চালাবেন আপনি ধরেন যে, পানির টিউবুলারের দুইটা ব্যাটারি দিলেন। তাহলে 20টা সিলিং ফ্যান একলগে যদি চালান, আপনি কিন্তু ব্যাকআপ একেবারেই কম পাবেন। কথাটা বুঝছেন কিনা। 1000 ওয়াট লোডে পানির একটা ব্যাটারিতে এক ঘন্টা ব্যাকআপ পাওয়া যায়। তাহলে দুইটা ব্যাটারিতে আপনি যদি 1000 ওয়াট লোড চালান, তাহলে মাত্র পাবেন দুই ঘন্টা ব্যাকআপ। এখানে ব্যাকআপের হিসাবটাও চিন্তা করতে হবে। মেশিনে ফুল লোডে আপনি শুধু আছে বিধায় ওয়াট আছে বিধায় যে আপনি চালাবেন, বিষয়টা এরকম না। তো অ্যাভারেজে আমরা যারা বাসা বাড়িতে ইউজার আছি অ্যাভারেজে ধরেন যে আমাদের পাঁচটা, ছয়টা, সাতটা, আটটা বা সর্বোচ্চ 10টা পর্যন্ত সিলিং ফ্যানই চালান। তো 10টা সিলিং ফ্যান সাধারণত অনেক বড় বাসা ছাড়া থাকার প্রশ্নই আসে না। সাধারণত মসজিদগুলা হইলে মসজিদগুলাতে অনেক সময় IPS লাগায়। সেখানে হয়তোবা নামাজের সময় 10টা সিলিং ফ্যান অ্যাট এ টাইম চলে। এছাড়া বাসা বাড়িতে পাঁচটা, ছয়টা, সাতটা এনাফ। পাঁচটা সিলিং ফ্যান বাসায় মানে অনেক। তাইলে পাঁচটা সিলিং ফ্যান যদি আমরা চালাই, এই পাঁচটা সিলিং ফ্যানে মাত্র 500 ওয়াট টানবে। তার সাথে আমরা যদি 10টা LED লাইট জ্বালাই, এই যে ছোট ছোট 10 ওয়াট 20 ওয়াটের LED লাইটগুলা। 10টাতে অ্যাভারেজে 20 ওয়াট করে ধরলে 200 ওয়াট। তাইলে পাঁচটা সিলিং ফ্যান 500 ওয়াট, তার সাথে 10টা লাইট 200 ওয়াট, 700 ওয়াট। টিভি 200 ওয়াট, 900 ওয়াট। তার সাথে যদি আমরা একটা ফ্রিজ চালাই, সাধারণত এই সাইজের যে ফ্রিজগুলা আছে, অর্থাৎ মাঝারি সাইজের যে ফ্রিজগুলা আছে, এই মাঝারি সাইজের ফ্রিজগুলা সাধারণত 250 থেকে 300 ওয়াট টানে।
[5:26]হ্যাঁ, তবে ফ্রিজের একটা স্টার্টিং লোড আছে। তো স্টার্টিং লোডটা ধরলে তার দ্বিগুণ, অর্থাৎ 500 ওয়াট যদি আমরা ধরি, তাইলে 900 আর 500, 1400 ওয়াট। তারপরও আমাদের হাতে আরো 600 ওয়াটের মতো থেকে যায়। আমরা চাইলে ফ্যান পাঁচটার জায়গায় সাতটা, সাতটার জায়গায় 10টা পর্যন্ত চালাইতে পারবো। অর্থাৎ একটা ঘরে লাইট, ফ্যান, টিভি, ফ্রিজ যত যা কিছু আছে আপনি সবকিছুই এই একটা মাত্র IPS থেকে চালাইতে পারবেন। এবং বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলে যারা এটা ব্যবহার করবেন যাদের এক ঘোড়া পানির মোটর আছে। এক ঘোড়া পানির একটা মোটর আপনি চালাইতে পারবেন অন্য লোডগুলা বন্ধ করে দিয়ে। বলে অন্য লোডগুলা কেন বন্ধ করে দিয়ে চালাইতে হবে? কারণ এক ঘোড়া একটা পানির মোটর যখন রানিং থাকে তখন টানে হলো 750 ওয়াট। বাট মোটরটার একটা স্টার্টিং লোড থাকে। আমরা সাধারণত গাজি বা RFL এর যে পাম্পগুলা ইউজ করি, সাবমারসিবল পাম্প না, নরমাল যে পাম্পগুলা ইউজ করি, সেগুলা এক ঘোড়া একটা মোটর রানিং থাকে 750 থেকে 800 ওয়াটে। কিন্তু মোটরটা যখন প্রথমে আপনি স্টার্ট করেন, মোটরটার একটা স্টার্টিং লোড থাকে সেটা হচ্ছে প্রায় 1500 থেকে 1600 ওয়াট। তো আপনার মেশিন যেহেতু 2000 ওয়াট, আপনি যদি অন্য জায়গায় লাইট ফ্যানের কানেকশন দিয়া রাখেন তাহলে মোটর চলবে না। তাহলে অন্য লাইট ফ্যান সব বন্ধ করে আপনি এক ঘোড়া একটা পানির মোটর চালাইতে পারবেন। মোটরটা যখন রান হয়ে যাবে দুই মিনিট পরে, তিন মিনিট পরে এবার আপনি কিছু লাইট ফ্যানের কানেকশন দিতে পারেন। কারণ প্রথমে 1500 ওয়াট টানার পরে মোটর আবার 750-800 ওয়াটে রানিং থাকবে। সুতরাং
[7:07]যদি প্রয়োজন মনে করেন আপনি একটা মানে এক টনের একটা ইনভার্টার এসি চালাইতে পারবেন। নন-ইনভার্টার না। কারণ নন-ইনভার্টার এক টনের একটা এসি প্রায় স্টার্টিং লোড আছে, ওইটারও মোটরের মতো। এসি, পানির মোটর এবং ফ্রিজ, এই তিনটা জিনিসের স্টার্টিং লোড এবং রানিং লোড এই জিনিসটা আছে। স্টার্টিং লোড মানে আপনি যখন প্রথম জিনিসটা রান করতে যাইয়া সুইচটা দেন তখন কয়েক সেকেন্ডের ভিতরে যে লোডটা টানে সেটাকে বলে স্টার্টিং লোড। আর এর অর্ধেক লোডে তখন ওই জিনিসটা চলে। অর্থাৎ স্টার্টিং লোড যা হবে রানিং লোড তার অর্ধেক থাকবে। তো এক টনের একটা নন-ইনভার্টার এসি’র স্টার্টিং লোড আছে প্রায় 3000 ওয়াট। হ্যাঁ। কিন্তু ইনভার্টার যে এসিগুলা এগুলাতে এত লোড টানে না। 1300 থেকে 1500 ওয়াট লোডে একটা ইনভার্টার এসি ধীরে ধীরে রান হয়। সুতরাং যদি প্রয়োজন মনে করেন আপনি একটা এক টনের ইনভার্টার এসি চালাইতে পারবেন। আমার কথাটা বুঝছেন কিনা। সাধারণত এয়ার কন্ডিশন বা পানির মোটর এগুলা ইমার্জেন্সি বেসিস ছাড়া চালানোর দরকার নাই। বাট যদি প্রয়োজন মনে করেন আপনি চালাইতে পারবেন। তার অর্থ এই নয় যে আপনি এই একটা ছোট্ট মেশিন দিয়া আপনার ঘরের লাইট ফ্যানও চালাইবেন, টিভি ফ্রিজও চালাইবেন, এসিও চালাইবেন, মোটরও চালাইবেন। মূল বিষয় হচ্ছে আপনি যদি চালাইতে চান ধরেন যে আপনার মোটর, মোটরটা মোটামুটি অনেকেরই প্রয়োজন হয়। গ্রামে কারেন্টে প্রচুর ডিস্টার্ব করে। মোটরটা চাইলে আপনি চালাইতে পারেন। এসিটা প্রয়োজন না হলে চালানোর প্রয়োজন মনে করি না আমি। আচ্ছা, এখন কথা হচ্ছে এটা তো সোলার IPS। এ মুহূর্তে যদি আমরা সোলার প্যানেল না দেই শুধুমাত্র একটা মেশিন তার সাথে 200 অ্যাম্পিয়ারের দুইটা ব্যাটারি দিয়ে আমরা এটা ব্যবহার করতে পারবো কিনা। জি, পারবেন। সোলার IPS মানে হচ্ছে সোলার থেকেও চার্জ হবে, ইলেকট্রিসিটি থেকেও চার্জ হবে। এমন না যে সোলার IPS শুধুমাত্র সোলার থেকে চার্জ হবে। না। অনেকেই এই জিনিসটা হয়তো মনে করেন যে, না শুধু সোলার থেকে চার্জ হবে। না।
[9:00]আপনি এ মুহূর্তে যদি আপনার বাজেট না থাকে আপনি একটা Smarten এর 2500 মেশিন এবং তার সাথে 200 অ্যাম্পিয়ারের দুইটা ব্যাটারি দিয়া আপনি IPS এর মতো ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ কারেন্ট থেকে আপনার ব্যাটারিগুলা চার্জ হবে আর যখন কারেন্ট চলে যাবে তখন সে ব্যাটারি থেকে আপনাকে ব্যাকআপ দিবে। পরবর্তীতে আপনি যখন সোলার প্যানেলটা অ্যাড করে দিবেন এটাতে সর্বোচ্চ 2000 থেকে 2200 ওয়াট পর্যন্ত সোলার প্যানেল আপনি ইউজ করতে পারবেন। এবং টিআর ওয়ানের 550 ওয়াটের 24 ভোল্টের যে সোলার প্যানেলগুলা আছে টিআর ওয়ানের প্রত্যেকটা সোলার প্যানেল এই মেশিনের সাথে সাপোর্ট করবে। যেহেতু এটা MPPT সোলারের চার্জ কন্ট্রোলার। টিআর ওয়ানের প্যানেলগুলা ভিওসি থাকে সাধারণত 550 যেগুলা 24 ভোল্টের প্যানেল এটার ওপেন সার্কিট ভোল্টেজ থাকে 49.79। এই ভোল্টেজটা অনেক মেশিনে সাপোর্ট করে না কিন্তু এটা MPPT হওয়াতে আপনার টিআর ওয়ানের যেকোনো সোলার প্যানেল ক্যানাডিয়ান সোলার প্যানেল, লংজি সোলার প্যানেল, যে সোলার প্যানেল অথবা সিঙ্গাপুরের আরইসি সোলার প্যানেল অথবা ইতালির ইএক্সসি সোলার প্যানেল, যেকোনো প্যানেল 24 ভোল্টের এই মেশিনটাতে ভিওসি 38 থেকে 50 পর্যন্ত যেকোনো টাইপের প্যানেল এই মেশিনটাতে সাপোর্ট করবে। এক, দ্বিতীয় হচ্ছে সোলার প্যানেল 2000 থেকে 2200 এর মত আপনার লাগবে। আমরা ভিডিওর প্রায় 10 মিনিট পার হয়ে গেছি কিন্তু মূলত যে জিনিসটা আপনাদেরকে এখনো বলি নাই সেটা হচ্ছে এই মেশিনটা লিথিয়াম ব্যাটারির সাথে সবচাইতে ভালো কাজ করবে। তার কারণ হচ্ছে এটা যেহেতু MPPT সোলারের চার্জ কন্ট্রোলার দেওয়া আছে, সাধারণত টিউবুলার যে ব্যাটারিগুলা পানির যে ব্যাটারিগুলা এগুলা খুব বেশি অ্যাম্পিয়ারে চার্জ দেওয়া যায় না। টিউবুলার ব্যাটারিগুলা যদি খুব বেশি অ্যাম্পিয়ারে চার্জ দেই ব্যাটারির ফ্লেটগুলা ফুলে যায় এবং ব্যাটারি খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। বাট আপনি যদি এখান থেকে 200 এখান থেকে যদি আপনি 2000 ওয়াটের সোলার প্যানেল দেন এবং এটার বিল্টইন যে সোলারের চার্জ কন্ট্রোলার আছে সেটা হচ্ছে 50 অ্যাম্পিয়ারের। যদি 50 অ্যাম্পিয়ারের পরেও আপনার এয়া থেকে আসে সোলার থেকে আসে সেটা আপনি সরাসরি 50 অ্যাম্পিয়ারই লিথিয়াম ব্যাটারি চার্জ করতে পারবেন। এখানে যেমন পানির দুইটা ব্যাটারি ছোট দিছি আমরা চেক করার জন্য লিথিয়ামের এই যে ব্যাটারিগুলা এটা হচ্ছে ক্যাটেলের সেল আর এটা হচ্ছে বিওয়াইডি’র সেল। ক্যাটেল এবং বিওয়াইডি’র যেকোনো সেল দিয়ে 24 ভোল্ট 100 অ্যাম্পিয়ারের আপনি যদি একটা প্যাক তৈরি করে নেন তাইলে সোলার থেকে খুব দ্রুত সময়ে আপনার ব্যাটারি চার্জ হবে। জিনিসটা আমি একটু আপনাদেরকে বুঝাইয়া বলি। অনেক জায়গা আছে কারেন্ট এমনিতেই মনে করেন তিন চার ঘন্টা থাকে না। এরপরে আবার একটু পরে আসে আসার পরে আবার একটু পরে চলে যায়। তো তাইলে একটু পরে যখন সে আসলো তখন তো আপনার ব্যাটারি আবার ফুল চার্জ করার মতো সময়টা পাইল না। কারণ টিউবুলারে এ ব্যাটারিগুলা ফুল চার্জ হতে মিনিমাম আট থেকে 10 ঘন্টা সময় লাগে। তার আগে একটা ব্যাটারির যদি ফুল খালি হয়ে যায় আবার পুনরায় ফুল চার্জ হতে পারে না। প্রায় 10 ঘন্টা মনে রাখবেন কারণ এই ব্যাটারিগুলা 200 অ্যাম্পিয়ার। অ্যাভারেজে যদি 20 অ্যাম্পিয়ার করেও আপনার চার্জ হয় তাইলে অবশ্যই 10 ঘন্টা লাগবে। এবং 20 অ্যাম্পিয়ারের বেশি অ্যাম্পিয়ারে এই পানির ব্যাটারি চার্জ করা যায় না। এর চাইতে বেশি অ্যাম্পিয়ারে চার্জ করলে ব্যাটারিগুলা ফ্লেটগুলা ফুলে যাবে ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যাবে। আর লিথিয়াম ব্যাটারি এই ব্যাটারিগুলা আপনি মানে 50 অ্যাম্পিয়ার 18 অ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত আপনি চার্জ করতে পারবেন। এই এয়াটা কই? বিএমএসটা কই? বিএমএসটা দাও।
[12:28]আমরা লিথিয়ামের এই ব্যাটারিগুলা সাথে যে ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমটা ইউজ করি বিএমএসটা ইউজ করি এটা হচ্ছে 80 অ্যাম্পিয়ারের। এখন আপনার যদি সোলার থেকে 80 অ্যাম্পিয়ারও আসে সে 80 অ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত চার্জ দিতে পারবে। তো সাধারণত 80 অ্যাম্পিয়ার আসার প্রয়োজন নাই যেহেতু মেশিনের চার্জ কন্ট্রোলার হলো 50 অ্যাম্পিয়ার। তো 24 ভোল্টের 100 অ্যাম্পিয়ারের একটা ব্যাটারি যদি আপটু 50 অ্যাম্পিয়ারে চার্জ করে তাইলে মাত্র দুই ঘন্টায় সোলার থেকে লিথিয়াম ব্যাটারিগুলা ফুল চার্জ হয়ে যাবে। এ কথাটা বুঝছেন কিনা। যেখানে আপনার পানির বা টিউবুলার ব্যাটারি চার্জ হতে সময় লাগবে 10 ঘন্টা, কারেন্ট যদি অনেকক্ষণ না থাকার ফলে আপনার ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যায়, আবার যদি কারেন্ট আসার পরে এক ঘন্টা পরে চলে যায়, তাইলে কিন্তু এই ব্যাটারি এক ঘন্টায় চার্জ হবে না। আর লিথিয়াম ব্যাটারি মাত্র দুই ঘন্টায় ফুল চার্জ হয়ে যাবে। এবং ফুল চার্জ হয়ে যাওয়ার পরে অটোকট হয়ে যাবে যেহেতু মেশিনেও অটোকট আছে এবং বিএমএসও অটোকট আছে। তো লিথিয়াম ব্যাটারিগুলাতে এক ধরনের ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম দেওয়া থাকে এই যে এটাকে বলে বিএমএস সিস্টেম। তো বিএমএসটা আমরা যে বিএমএসটাতে দেই এটা হলো 80 অ্যাম্পিয়ার দেখেন। এটা 80 অ্যাম্পিয়ারের বিএমএস আর আমাদের মেশিনে আছে 50 অ্যাম্পিয়ার। অর্থাৎ মেশিনে যত অ্যাম্পিয়ার আমাকে দিতে পারবে আমার বিএমএস তার চাইতে বেশি অ্যাম্পিয়ারের। লিথিয়াম ব্যাটারির মূল যে বিষয়টা এই ব্যাটারিগুলাতে কোন ধরনের পানি দেওয়া লাগে না, মেইনটেনেন্স করা লাগে না, কোন ধরনের হ্যাসেল ছাড়া আপনি একটানা 10 থেকে 12 বছর ব্যবহার করতে পারবেন। ব্যাকআপ টাইম 100 অ্যাম্পিয়ারের লিথিয়াম ব্যাটারিতে যা পাবেন এই 200 অ্যাম্পিয়ারের পানির ব্যাটারিতেও আপনি সেম পাবেন। অর্থাৎ ধরেন যে এই টিউবুলারের আমরা যদি দুইটা ব্যাটারি দিয়া 24 ভোল্ট করি এই দুইটা ব্যাটারি দিয়া 24 ভোল্ট করলে আমি 1000 ওয়াট লোডে পার ব্যাটারিতে 1000 করে দুইটা ব্যাটারিতে, দুইটা ব্যাটারিতে দুই ঘন্টা ব্যাকআপ পাবো। অর্থাৎ পানির 200 অ্যাম্পিয়ারের দুইটা ব্যাটারিতে 1000 ওয়াট যদি আমি লোড চালাই ব্যাকআপ পাবো দুই ঘন্টা। ঠিক লিথিয়ামের 100 অ্যাম্পিয়ার 24 ভোল্টেও আপনি দুই ঘন্টা ব্যাকআপ পাবেন বরং দুই ঘন্টার জায়গায় আরো 20 মিনিট বেশি পাবেন। হিসাবটা আমি পরে বুঝাইয়া দিব। অ্যাভারেজে দুই ঘন্টা ব্যাকআপ আপনি নিশ্চিত পাবেন। অর্থাৎ পানির ব্যাটারিতে যা পাবেন লিথিয়াম ব্যাটারিতে সেইম পাবেন। লিথিয়ামের মূল বিষয় হচ্ছে এটাতে কোন রকমের পানি দেওয়া লাগে না, মেইনটেনেন্স করা লাগে না, কোন কিছু করা লাগে না 12 বছর যাবে এক একটা ব্যাটারি। তো একটা লিথিয়াম ব্যাটারি যে 12 বছর যাবে তার মূল রিজন হচ্ছে এই সাইড এই যে লিথিয়াম ব্যাটারিগুলা এগুলাতে কয়েক হাজার সাইকেল দেওয়া আছে। এই আমাদের এই যে বিওয়াইডির যে আমাদের যে সেলগুলা লিথিয়ামের এগুলাতে একুরেট 4000 সাইকেল দেওয়া আছে। এগুলাতেও 4000 সাইকেল দেওয়া আছে। 365 দিনে যদি আমরা এক বছর ধরি তাইলে লিথিয়াম ব্যাটারির 1000 সাইকেলে আমরা প্রায় তিন বছর চালাইতে পারবো, তিন বছর পর্যন্ত ইউজ করতে পারবো কমবেশি। আর যেহেতু 4000 সাইকেল আছে তাইলে আমরা 1000 সাইকেল যদি তিন বছর ইউজ করতে পারি 4000 সাইকেল অনায়াশেই আমরা 12 বছর ইউজ করতে পারবো। এখন কথা হচ্ছে এই যে 12 বছর আপনি ইউজ করতে পারবেন তার জন্য আপনার অবশ্যই এটা আনইউজেড এবং ফ্রেশ নিউ ব্যাটারি হইতে হবে। আগে বিদেশে ইউজ করা ওই ধরনের ব্যাটারি যদি হয় তাইলে আপনার 12 বছর যাবে না এবং আপনি 4000 সাইকেলও পাবেন না। সুতরাং লিথিয়াম ব্যাটারি কেনার সময় অবশ্যই কোন টাস্টেড সব থেকে কিনবেন। আচ্ছা, তাইলে মোটামুটি আমরা একটা আইডিয়া পেয়ে গেলাম। এটাতে 2000 ওয়াট আছে। স্মার্টএনের এই মেশিনটা হচ্ছে 2500 মডেলের। এটা হলো 24 ভোল্ট সিস্টেম। এটা দিয়া ঘরের লাইট ফ্যান, টিভি ফ্রিজ, পানির মোটর, এয়ার কন্ডিশন সব চলবে। প্যানেল 2000-2200 দিলেও হবে। এখন কথা হচ্ছে কফিল ভাই দাম কত? সবশেষে আমার কাস্টমারদের রিকোয়ারমেন্ট যে কফিল ভাই দাম বলেন। এই মেশিনটার দাম হলো 40000 টাকা। শুধু মেশিনের দাম 40000 টাকা। এটার সাথে যদি আপনি 200 অ্যাম্পিয়ারের দুইটা টিউবুলার ব্যাটারি নেন, দুইটা ব্যাটারির দাম আসবে হলো 25500 করে 51000 টাকা। তাইলে দুইটা ব্যাটারি আর হলো মেশিন এই মিলে দাম আসবে 91000 টাকা। আর যদি আপনি পানির ব্যাটারি না নিয়া লিথিয়ামের 24 ভোল্টের একটা প্যাক বানাইয়া নেন সেই ক্ষেত্রে আপনার শুধু ব্যাটারির দাম পড়বে 80000 টাকা, মেশিনের দাম পড়বে 40000 টাকা। অর্থাৎ 1 লক্ষ 20000 টাকা পড়বে লিথিয়াম ব্যাটারি দিয়ে নিলে আর টিউবুলার ব্যাটারি 200 অ্যাম্পিয়ারের দুইটা দিয়া নিলে পড়বে 91000 টাকা। সোলার প্যানেল আপনি আগেও দিতে পারেন পরেও দিতে পারেন। আপনি যদি চারটা দেন 550 ওয়াটের 2200 ওয়াট হবে 35 টাকা করে ওয়াট। আর যদি তিনটা দেন 1650 ওয়াট হবে 35 টাকা করে ওয়াট। তো সোলার প্যানেলটা আপনি যতটুকু দিতে চান সেটা প্লাস মাইনাস করে নিলে হবে। লিথিয়াম ব্যাটারি এই যে এগুলা হচ্ছে 12 ভোল্টের। এখানে চারটা করে সেল দিয়া তৈরি করা হয়। এগুলা হচ্ছে 12 ভোল্ট। আর যখন আপনি 24 গুণা 24 ভোল্ট করবে তখন ওইখানে এরকম সেল থাকবে হলো আটটা, চারটা চারটা আটটা আটটা থাকবে এবং একটা বিএমএস থাকবে। আর এগুলা হচ্ছে আমাদের 48 ভোল্টের লিথিয়াম ফসফেট ব্যাটারি। আপনারা এই ব্যাটারিগুলার ভিডিও অনেকেই দেখছেন। এটা হচ্ছে 48 ভোল্টের লিথিয়াম ফসফেট ব্যাটারি। এই ব্যাটারিগুলা আমরা ইউজ করি হচ্ছে আমাদের হাইব্রিডের সোলারের যে সেটআপ আছে হাইব্রিডের সোলারের সেটআপের সাথে এগুলা 48 ভোল্ট 100 অ্যাম্পিয়ারের এক একটা ব্যাটারির দাম 1 লক্ষ 75000 টাকা। অনেক দামি ব্যাটারি এবং অনেক দামি বিএমএস। এই যে এপাশে আরো একটা আছে। এগুলা হলো আমাদের এই যে গ্রোওয়্যাটের যে সেটআপগুলা আছে গ্রোওয়্যাটের 3500 ওয়াটের মেশিন এবং 5000 ওয়াটের যে মেশিন আছে হাইব্রিডের সেটআপের সাথে আমরা এই 48 ভোল্টের এই ব্যাটারিগুলা আমরা ব্যবহার করি। অনেকে বলেন যে কফিল ভাই এগুলা আমরা ইজি বাইকে ব্যবহার করতে পারবো কিনা। জি, ইজি বাইকে ব্যবহার করতে পারবেন বাট ইজি বাইকে এত হাই কোয়ালিটির প্রয়োজন নাই। সেটা আবার অন্যরকম ভাবে মানে ইজি বাইকেরগুলা আমরা আলাদাভাবে কিছু দিন পরে নিয়ে আসবো। ইজি বাইক নিয়ে এখনো আমরা চিন্তা ভাবনা করি নাই। এগুলা মূলত হচ্ছে IPS এবং সোলার সেটআপের জন্য। তো ভালো থাকবেন আমি আপনাদেরকে মোটামুটি বেসিক ইনফরমেশনটা দিয়ে দিলাম। আপনাদের যাদের এই প্রোডাক্টগুলা লাগবে সরাসরি IPS স্মার্টের সাথে কন্টাক্ট করবেন। আজ এ পর্যন্তই থাক। আসসালামু আলাইকুম।



