Thumbnail for Warren Buffett বাংলাদেশে জন্ম নিলে কী হত? by Somrat

Warren Buffett বাংলাদেশে জন্ম নিলে কী হত?

Somrat

4m 38s861 words~5 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Use this transcript
Related transcript hubs

[0:00]আজকের যে আপনি সে হচ্ছেন অতীতের কমপক্ষে 4000 জন মানুষের জেনেটিক্সের কম্বিনেশন। আপনি কিন্তু এই 4000 জন মানুষের কাউকে সিলেক্ট করেননি। এই যে আমি ওর জেনেটিক্স চাই, ওর জেনেটিক্স চাই বা ওর জেনেটিক্স চাই। হ্যালো এভরিওয়ান কেমন আছেন সবাই? আমরা তো জানি ওয়ারেন বাফেট পৃথিবীর অন্যতম ধনী এবং সাকসেসফুল মানুষ। আপনি যদি ইন্টারনেটে সার্চ করেন যে ওয়ারেন বাফেট কেন এত সাকসেসফুল তাহলে আপনি দেখবেন সেখানে তার হার্ডওয়ার্ক কনসিস্টেন্সি এবং মোস্ট ইম্পর্টেন্টলি তার ইনভেস্টমেন্ট স্ট্র্যাটেজির কথা বলা আছে যে উনি কি সব স্ট্র্যাটেজি ফলো করে লাইফে এত সাকসেসফুল হয়েছেন। কিন্তু আপনি যদি ওয়ারেন বাফেটের নিজের মুখ থেকে শুনেন, আমি লিংকটা কমেন্ট বক্সে দিয়ে দিব। তাহলে আপনি দেখবেন ওয়ারেন বাফেট বলছেন উনি আসলে জন্মগতভাবে লাকি। অর্থাৎ উনি যেই সময়, যেই দেশে, যেই পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং ইনভেস্টমেন্ট করার জন্য যে মার্কেটটা পেয়েছিলেন এই কম্বিনেশনটা যদি উনি না পেতেন তাহলে উনি লাইফে যতটা সাকসেসফুল হয়েছেন উনি আসলে অতটা সাকসেসফুল হতে পারতেন না শুধুমাত্র উনার ট্যালেন্ট দিয়ে। মজার ব্যাপার হচ্ছে উনি এটাও বলেছেন যে পৃথিবীর মোস্ট অফ দা সাকসেসফুল পিপল যাদেরকে আমরা এখন দেখি তারা যদি ইউএসএ বা ইউকের মত এসব উন্নত দেশে জন্ম না নিয়ে বাংলাদেশের মতো কোন অনুন্নত একটা দেশে জন্ম নিতো তাহলে কিন্তু তারা লাইফে আজকে যতটা সাকসেসফুল হয়েছেন এতটা সাকসেসফুল হতে পারতেন না। আমরা কোন সময়ে, কোন দেশে, কোন পরিবারে জন্ম নিব তার ওপরে আমাদের লাইফের সাকসেস অনেকখানি নির্ভর করে। কিন্তু এই ব্যাপারটা তো আসলে আমাদের কন্ট্রোলে নাই। আমরা তো আসলে জন্মের আগে ঠিক করতে পারি না আমি কোন পরিবারে জন্ম নিতে চাই। এই যে আমরা কোন পরিবারে, কোন সময় জন্ম নিব তার ওপরে যে আমাদের লাইফের সাকসেস অনেকখানি নির্ভর করে এই কনসেপ্টটাকে বলা হয় ওভেরিয়ান লটারি। আপনি যদি মোটামুটি একটা সচ্ছল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তাহলে আপনি যেই ধরনের স্কুলে যান, যেই ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে বড় হন, একটা গ্রামের দরিদ্র পরিবারে কেউ কিন্তু সেই সুযোগটা পায় না। এমনকি আপনি কিভাবে চিন্তা করেন, আপনি সোশ্যালি মানুষজনের সাথে কিভাবে ইন্টারেক্ট করেন অথবা আপনার জন্মগতভাবে কোন রোগ আছে কিনা, ভবিষ্যতে আপনার কোন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা সেটা অনেকাংশে নির্ভর করে আপনার জেনেটিক্সের ওপরে। আর আপনার জেনেটিক্স হচ্ছে আপনার বাবা-মায়ের জেনেটিক্সের কম্বিনেশন। তাদের জেনেটিক্স হচ্ছে তাদের বাবা-মায়ের জেনেটিক্সের কম্বিনেশন। তাদের জেনেটিক্স হচ্ছে তাদের বাবা-মায়ের জেনেটিক্সের কম্বিনেশন। অর্থাৎ আজকের যে আপনি সে হচ্ছেন অতীতের কমপক্ষে 4000 জন মানুষের জেনেটিক্সের কম্বিনেশন। আপনি কিন্তু এই 4000 জন মানুষের কাউকে সিলেক্ট করেননি। এই যে আমি ওর জেনেটিক্স চাই, ওর জেনেটিক্স চাই বা ওর জেনেটিক্স চাই। ইট ওয়াজ পিওরলি কোয়েনসিডিন্টাল, ইট ওয়াজ পিওরলি লাক। এখন আসি সঠিক সময়ের ব্যাপারে। পৃথিবীতে এখনো পর্যন্ত যত মানুষ জন্মগ্রহণ করেছিলেন তার 6% মানুষ এখন বেঁচে আছে। বাকি 94% মানুষ যারা অন্য সময় জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং মারা গিয়েছেন। একটু চিন্তা করেন তো আপনার জন্মটা যদি এই সময় না হয়ে রোমান সাম্রাজ্যে যখন দাসপ্রথা চলছিলো তখন জন্ম হতো তখন তাহলে আপনার এখন যে ট্যালেন্টগুলো আছে সে ট্যালেন্টগুলো দিয়ে ওই সময় আসলে আপনি কি অর্জন করতে পারতেন? অথবা ওয়ারেন বাফেটের কথাই চিন্তা করেন। তিনি 1930 সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্তমানে উনি 100 বিলিয়ন ডলারেরও ওপরে সম্পত্তির মালিক এবং উনার টোটাল সম্পত্তির প্রায় পুরোটাই 40 বছর বয়সের পরে অর্জন করেছেন। এখন ঠিক যদি উনি এই 1930 সালেই বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করতেন, তখন উনার বয়স যখন 40 বছর হতো তখন বাংলাদেশে একটা ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। যে যুদ্ধে প্রায় 30 লাখ লোক মারা গেল। যখন যুদ্ধে আমরা স্বাধীন হলাম, যুদ্ধে স্বাধীন হওয়ার পরে আমাদের দেশে আবার একটা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ শুরু হলো। এখন চিন্তা করেন তো উনার যে ট্যালেন্টটা ছিল সেই ট্যালেন্টটা দিয়ে এই সময় বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করলে উনি আসলে কি আসলেই কোন কিছু অর্জন করতে পারতেন? আমরা যখন পত্রপত্রিকা, টেলিভিশন বা সোশ্যাল মিডিয়াতে কোন সাকসেসফুল মানুষের গল্প শুনি তখন সাধারণত তাদের হার্ডওয়ার্ক, ট্যালেন্ট বা ভালো ডিসিশন নেওয়ার যে ক্যাপাবিলিটি সেগুলোকে হাইলাইট করা হয়। কিন্তু একটা মানুষের সাকসেসের পিছনে তার হার্ডওয়ার্ক এবং ট্যালেন্টের বাইরেও তার লাক এবং আরো অনেক রেন্ডম ভেরিয়েবল থাকে। নোবেল প্রাইজ উইনিং সাইকোলজিস্ট ড্যানিয়েল কানাম্যান উনার থিঙ্কিং ফাস্ট এন্ড স্লো বইতে খুব চমৎকার একটা উদাহরণ দিয়েছেন। গুগলের কথা তো আমরা সবাই জানি পৃথিবীর অন্যতম সাকসেসফুল হাজার বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি এবং তার যে দুইজন প্রতিষ্ঠাতা তারাও পৃথিবীর অন্যতম ধনী দুইজন ব্যক্তি। যখন আমরা গুগল এর সাকসেসের কথা শুনি তখন সাধারণত গুগলের কনটিনিউয়াসলি ভালো ডিসিশন নেওয়ার যে ক্যাপাবিলিটি সেটাকে হাইলাইট করা হয়। এবং এটা আসলে সত্যিও। কিন্তু যেই গল্পটা আসলে আমাদেরকে কখনো বলা হয় না সেটা হচ্ছে এই দুইজন প্রতিষ্ঠাতা গুগল প্রতিষ্ঠা করার এক বছরের মধ্যে এই কোম্পানিটা বিক্রি করে দিতে চেয়েছিলেন। তারা 1 মিলিয়ন ডলারে এই কোম্পানিটা একজনের কাছে বিক্রি করতে চান। কিন্তু যার কাছে বিক্রি করতে চান সে বলে না ভাই তোমার এই কোম্পানির দাম অনেক বেশি। এত টাকা দিয়ে এই কোম্পানি আসলে আমি কিনবো না। সেই দিন যদি গুগল বিক্রি হয়ে যেতো আজ কিন্তু গল্পটা অন্যরকম হতে পারতো। তাহলে লাকের কারণেই কি সবকিছু হচ্ছে? অফকোর্স না। আমরা যদি আমাদের লাইফে কনটিনিউয়াসলি ইম্প্রুভ করতে চাই এবং জীবনে অনেক বড় কিছু অর্জন করতে চাই তাহলে আমাদেরকে অবশ্যই হার্ডওয়ার্ক করতে হবে। কিন্তু আমরা অনেক সময় মনে করি আমি আমার লাইফে যা কিছু অর্জন করছি আমি আমার হার্ডওয়ার্ক এবং ক্ষমতার বলে অর্জন করেছি। এতে করে আমাদের ভিতরে একটা অহংকার তৈরি হয়। কিন্তু আসলে আমাদের যে সাকসেস এই সাকসেসের পিছনে আমাদের হার্ডওয়ার্কের বাইরেও লাক এবং অন্যান্য অজানা অনেক কিছু থাকে। তাই আমাদের উচিত অহংকার না করা এবং আমাদের সোসাইটিতে এমন অনেক মানুষ আছে যারা আমাদের মতো আসলে এত ভাগ্যবান না। তাদেরকে আমাদের উচিত সাহায্য করা। থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ ফর ওয়াচিং।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript