Thumbnail for চীন সম্পর্কে আপনার সারা জীবনের ধারনাটাই পাল্টে যাবে || Facts about China by মায়াজাল

চীন সম্পর্কে আপনার সারা জীবনের ধারনাটাই পাল্টে যাবে || Facts about China

মায়াজাল

5m 11s727 words~4 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Pull quotes
[0:01]হ্যালো বন্ধুরা, গত এক দশক ধরে চীনের আর্থিক বিকাশ আমেরিকার থেকেও সাত গুণ বেশি হয়েছে। কিন্তু এমন কেন হয়েছে আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন?
Use this transcript
Related transcript hubs

[0:01]হ্যালো বন্ধুরা, গত এক দশক ধরে চীনের আর্থিক বিকাশ আমেরিকার থেকেও সাত গুণ বেশি হয়েছে। কিন্তু এমন কেন হয়েছে আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন? চীনের জিনিসপত্র সাধারণত সস্তাই পাওয়া যায়। কিন্তু তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু আমাদের মধ্যে খুব কম মানুষই জানি যে চীন পুরো পৃথিবীর মধ্যে নকল জিনিস বানানো আর সেগুলো বিক্রির দিক থেকে সর্বপ্রথমে রয়েছে। তো মায়াজালের আজকের এপিসোডে আমরা চীন সম্পর্কে এমন কিছু দেখতে যাচ্ছি যা আপনি কখনো ভাবতেও পারবেন না। তো স্বাগতম আপনাকে মায়াজালের আরও একটি নতুন এপিসোডে। আমাদের মধ্যে অনেকেই চীনের তৈরি জিনিসপত্র কিনে থাকি। কিন্তু আমরা আসলে কি ব্যবহার করছি তা সম্পর্কে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। চায়নার যেসব খেলনা আমরা আমাদের বাচ্চাদেরকে কিনে দেই তা ইউজড কনডম থেকেও তৈরি কৃত হতে পারে। চীন সেসব জিনিসই ব্যবহার করে যা ফেলে দেওয়া হয়। চীন আপনার বাজেটের মধ্যে থেকে যেকোনো ইলেকট্রনিক পণ্য তৈরি করে দিতে পারে। যা আপনার হাতে পৌঁছানো পর্যন্তই ভালো থাকবে। চীনে নকল মাছ, মাংস এমনকি নকল ডিম পর্যন্ত তৈরি করা হয়ে থাকে। চীন সম্পর্কে লোকমুখে একটা কথা প্রচলিত আছে যে এখানে টেবিল আর চেয়ার বাদে চার পা-ওয়ালা সব বস্তুই খেয়ে ফেলা হয়। এখানে ভার্জিন ছেলেদের প্রসাবে ডিম সেদ্ধ করে খাওয়া হয়। আর এই রীতি চীনে হাজার হাজার বছর ধরে পালন হয়ে আসছে। আর এর জন্য লোকাল স্কুলগুলো থেকে ইউরিন সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। তারা মনে করে এই ডিম খেলে কোমর, পা এবং জয়েন্টের ব্যথা কমে যায় এবং শরীর সারাদিন এনার্জেটিক ভাব অনুভব করে। এছাড়াও এখানে তেলাপোকা, ইঁদুর, কুকুর এমনকি কুমিরও খেয়ে ফেলা হয়। চীনের গুয়াংজি প্রদেশের ইউলিন শহরে প্রতি বছর জুন মাসে ডগ মিট ফেস্টিভালের আয়োজন করা হয়। এবং আনুমানিক ১০ থেকে ২০ মিলিয়ন কুকুর প্রতি বছর এই কারণে হত্যা করা হয়। চীনের প্রতি বছর প্রায় চার লাখ বিড়ালও খেয়ে ফেলা হয়। সব ধরনের উদ্ভট আর বিদঘুটে খাবারের জন্য চীন পৃথিবীর মধ্যে বিখ্যাত। এখানে ভেড়ার পুরুষাঙ্গকে কাঠের সাথে পেঁচিয়ে আগুনে ঝলসে খাওয়া হয়। চীনের রাজধানী বেইজিং এ মোরগের অণ্ডকোষ দ্বারা রান্না করা নুডুলস পাওয়া যায়। চীনে প্রভাবশালী মানুষেরা নিজের বদলে অন্যকেও জেলে পাঠাতে পারে। চীনের সর্ববৃহৎ পতিতালয় সাংহায়ে অবস্থিত। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা পর্ণ ভিডিওর ২৭ শতাংশই চীনে তৈরি হয়। চীনে প্রতিদিন এত পরিমাণ আত্মহত্যা হয় যে সেখানকার নদী থেকে ডেড বডি উদ্ধারের জন্য চাকরি রয়েছে। চীনে ফেসবুক আর টুইটারের উপর ২০০৯ সাল থেকে ব্যান লেগে আছে। ২০১০ সালে চীনের সাংহাই সিটিতে ১০০ কিলোমিটারের জ্যাম লেগেছিল এবং এটি ১২ দিন পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। চীনে প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একটি প্রতিবন্ধী বাচ্চার জন্ম হয়। এর কারণ হল সেখানকার পলিউশন। বেইজিং এ একদিন নিশ্বাস গ্রহণ করা মানে আপনি ২১টি সিগারেট খেয়ে ফেলেছেন। এমনকি আপনি ইন্টারনেটে থাকা চীনের অধিকাংশ ছবিগুলোতেও মাস্ক পরা মানুষ দেখতে পাবেন। আমরা সবাই জানি চীনের গ্রেট ওয়াল অফ চায়না স্পেস থেকে দেখা যায়। কিন্তু গ্রেট ওয়াল অফ চায়না ছাড়াও আরও একটি জিনিস স্পেস থেকে দেখা যায় আর সেটি হল চীনের পলিউশন। চীনের ৯০ শতাংশ নদীর পানি বিষাক্ত। ২০২৫ সালের মধ্যে চীনের নিউ ইয়র্কের মতো দশটিরও বেশি শহর গড়ে উঠবে। এবং আপনি এটা জেনে আরো অবাক হবেন যে সেক্স টয় বিক্রিতে চীন এক নাম্বারে রয়েছে। আমেরিকাতে এত পরিমাণ জনসংখ্যাও নেই যে পরিমাণ সেল ফোন চীনে রয়েছে। এখানে গৃহপালিত পশুদের পেইন্ট করে বাঘ, পান্ডা, জেব্রা বানানোর ট্রেন্ড রয়েছে। চীনের হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি ব্রা-এর উপরেও ডিগ্রি প্রদান করে থাকে। চীনের সবথেকে বড় লংজেরি ম্যানুফ্যাকচারিং টপ ফর্মের ফ্যাক্টরিগুলো ব্রায়ের জন্য ল্যাবও রয়েছে। এসব কোম্পানি প্রতি বছর ভিক্টোরিয়া সিক্রেটস, প্লেটেক্স এবং মেডেল ফর্মসের মতো ব্র্যান্ডের ইনারওয়্যার বানিয়ে থাকে। নকল জিনিস বানানোর দিক থেকে চীন এতটাই অগ্রসর হয়েছে যে এখানে চাল পর্যন্ত নকলভাবে তৈরি করা হয়। চীনে তৈরি এই নকল চালকে প্লাস্টিক রাইসও বলা হয়ে থাকে। আর এই চাল সিন্থেটিক রেজন এবং বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এই চাল রান্না করলে ভাতের মতোই দেখতে হয়। আর এই চাল খেয়ে অলরেডি অনেক মানুষ অসুস্থ হয়ে রয়েছে। কিন্তু তারপরও এই চাল চীনে খোলাখুলি ভাবেই বিক্রি করা হচ্ছে। চীনে মধুও নকল ভাবে তৈরি করে বিক্রি করা হয়। আর এই এক লিটার নকল মধু মাত্র ১০০ টাকার মধ্যেই তৈরি করা সম্ভব। আর তারপরে একে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা প্রতি লিটারে বিক্রি করা হয়। তো এতক্ষণে আপনারা নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন যে চীনের জিনিসপত্র কেন এত সস্তা হয় এবং কেন দীর্ঘস্থায়ী হয় না। এত কিছুর পরও যদি আপনি চীনের জিনিসপত্র কিনে ব্যবহার করে থাকেন তবে আপনি টাকা খরচ করে মৃত্যুকে কিনে আনছেন। বন্ধুরা চীন সম্পর্কে আরও এত এত অদ্ভুত তথ্য রয়েছে যা একবারে বলে শেষ করা সম্ভব নয়। ভিডিওটিতে ১৫০০০ লাইক হয়ে গেলে ভিডিওটির সেকেন্ড পার্ট আপলোড করা হবে। তো বন্ধুরা আমাদের আজকের আয়োজন এ পর্যন্তই ছিল। দেখা হচ্ছে আগামী এপিসোডে ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript