[0:00]একটা স্মার্টফোন দিয়ে আমরা কি কি কাজ করি? হয়তো সেটা দিয়ে কথা বলি, ইন্টারনেট চালাই, ছবি তুলি, এ ধরনের কাজই তো করা হয়। কিন্তু এর বাইরেও একটি স্মার্টফোন দিয়ে আরো অনেক কিছু করা যায় যে ব্যাপারে হয়তো আপনি জানতেন না।
[0:10]আজকের ভিডিওতে আমরা মোট 10 টা ট্রিকস শিখিয়ে দিচ্ছি যেগুলোর উপর আপনি এপ্লাই করতে পারেন এবং নতুন অনেক কিছুই শিখতে পারবেন। সো আর দেরি কেন, ট্রিক্স নাম্বার ওয়ান।
[0:19]আমাদের ফোনে হয়তো অনেকেই হোয়াটসঅ্যাপ বা মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠায় তারপর আবার ডিলিট করে দেয়, আনসেন্ড করা যায়। তখন আমরা আর দেখতে পারি না সে আসলে কি লিখছিল।
[0:28]তো আপনি যদি সেই লেখাটা দেখতে চান সেটা এখন খুব সহজেই পারবেন। জাস্ট চলে যাবেন আপনার মোবাইলের সেটিংসে। সেখানে গিয়ে খুঁজে পাবেন নোটিফিকেশন এন্ড স্ট্যাটাস বার।
[0:37]তারপরে যাবেন ম্যানেজ নোটিফিকেশন এ, দেন মোর। মোরে গিয়ে নোটিফিকেশন হিস্টরি। সোজা কথা আপনাকে খুঁজে নিতে হবে নোটিফিকেশন হিস্টরি। এটা আপনি কিন্তু সার্চ বার থেকে খুঁজে নিতে পারেন।
[0:48]জাস্ট নোটিফিকেশন হিস্টরিটা অন করে দিন। এখন থেকে আর একটা নোটিফিকেশনও মিস যাবে না। বিষয়টা খুবই ইন্টারেস্টিং।
[0:53]ট্রিক্স নাম্বার টু। অনেক সময় দেখা যায় আমার ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার রয়েছে এবং সেটা আমি সেট করে নিয়েছি কিন্তু ঠিকভাবে কাজ করছে না, বিশেষ করে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার আবার হতে পারে সাইড মাউন্টেড হোয়াটএভার যেটা হোক না কেন।
[1:04]ঠিকভাবে যদি কাজ না করে তাহলে আপনি কি করবেন? সল্যুশন আছে। আমার এই ফোনটাতেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার ঠিকভাবে কাজ করে না। আমরা সাধারণত যে কাজটা করে থাকি একবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারটা সেট করে নেই, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে নেই।
[1:13]তো ওভাবেই চালাই কিন্তু তখন যদি ভালোভাবে কাজ না করে আপনি যে কাজটা করবেন সেটিংসে গিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেটিংসে যাবেন এবং সেখান থেকে দেখবেন যে কয়েকবারই আপনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে পারছেন।
[1:21]মানে নতুন করে অ্যাড করার সুযোগ থাকছে। তো আপনি এই আঙ্গুলটা দিয়ে যদি খুলতে চান আপনি এটাকে কয়েকবার সেট করে নিন। যেমন আমার ফোনটাতে তিনবার সেট করা আছে শুধুমাত্র আমার এই আঙ্গুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট।
[1:31]এবং এখন কিন্তু এটা ঠিকঠাকভাবে রেজাল্ট দিচ্ছে এবং প্রত্যেকবারই এখন একুরেটলি কাজ করছে। খুবই সিম্পল।
[1:37]ট্রিক্স নাম্বার থ্রি। আপনি নতুন করে কোন একটা জায়গায় গেলেন এবং সেখানে গিয়ে দেখলেন আপনার স্মার্টফোনে নেটওয়ার্ক নেই, না ডেটা কানেকশন না মোবাইল ফোনে কথা বলার জন্য। ইন্টারনেট পাচ্ছেন না, নেটওয়ার্ক পাচ্ছেন না।
[1:46]তখন জাস্ট সিম্পল একটা কাজ করবেন। মোবাইল ফোনের ফ্লাইট মোড অন করে দেবেন কিছু সময়ের জন্য। দেন কিছুক্ষণ পরে আবার সেটাকে অফ করে দেবেন। দেখবেন সাথে সাথে ম্যাজিক।
[1:57]আপনার ফোনটাতে নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি পাওয়া যাচ্ছে। এখন এমন যদি হয় মোটেই নেটওয়ার্ক নেই ওই এলাকায় তাহলে নিশ্চয়ই কাজ করবে না। বাট ওই এলাকায় নেটওয়ার্ক আছে কিন্তু আপনার ফোনটাতে ততটা ভালো কানেকশন পাচ্ছিলেন না, কিছুটা কম পাচ্ছিলেন।
[2:06]তখন এটা এপ্লাই করে দেখতে পারেন অবশ্যই কাজে লাগবে। যে বিষয়টা হয় মূলত ওই এলাকার যে টাওয়ার রয়েছে তার সাথে মোবাইল ফোনটা খুব সহজেই নতুন করে সিনক্রোনাইজ করতে পারে এবং একটা ভালো নেটওয়ার্ক আপনাকে দিতে পারে।
[2:17]একই বিষয় আপনারা খেয়াল করবেন আমরা অনেক সময় ডেটা কানেকশন এর ভালো রেজাল্ট পাই না দেখে আমরা কি করি ফোনটাকে অফ করে দেন অন করি। তারপরে কিন্তু ভালো কাজ করতে থাকে।
[2:24]তো আপনাকে আর অন অফ করতে হবে না। জাস্ট ফ্লাইট মোডটা অন করে দিয়ে আবার কিছুক্ষণ পরে সেটাকে অফ করে দেবেন। দেখবেন ম্যাজিক আপনার ডেটা কানেক্টিভিটি ঠিকঠাকভাবে কাজ করছে।
[2:33]ট্রিক্স নাম্বার ফোর। আমরা যখন কিনা একটা স্মার্টফোন কিনি কেনার সময় চিন্তা করি একটু ভালো ক্যামেরা থাকুক। ভালো ক্যামেরা দেখেও ফাইনালি কিনি। কিন্তু ছবি তোলার সময় সেটা খুব একটা ভালো হয় না।
[2:43]কারণ আমি ফ্রেম ভালো বুঝি না। তারপর আমি অনেকগুলো ছবি তুলি এবং স্টোরেজের জায়গাও দখল করে ফেলে আল্টিমেটলি ছবি বের হয় একটা যেটার হয়তো ফ্রেমটা সুন্দর হচ্ছে।
[2:51]আপনি হয়তো রুল অফ টু থার্ড এই ব্যাপারটা জানতেন না। আপনি আপনার স্মার্টফোনের ক্যামেরাতে যাবেন ক্যামেরায় গিয়ে সেখান থেকে গ্রিড অপশনটা অন করে নিবেন।
[2:59]গ্রিডটা অন করার পরে আপনি এবারে নিজেই ফ্রেমিংটা ঠিক করে নিতে পারবেন। একদম মাঝামাঝি আপনি আপনার সাবজেক্টকে রেখেও যদি ছবি তোলেন দেখবেন সুন্দর একটা ফ্রেম পেতে পারছেন।
[3:07]এবং আগের চাইতে অবশ্যই আপনার ছবির ফ্রেমিং অনেকটাই সুন্দর হতে পারে।
[3:10]10 টা ট্রিক্স নিয়ে তো আমরা আলোচনা করবই তবে একটা বোনাস ট্রিক্স আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
[3:15]এই মুহূর্তে মাই বিএল অ্যাপ্লিকেশন ফর দা ফার্স্ট এভার আপনি যদি ডাউনলোড করেন, সাইন আপ করেন 500 এমবি পেয়ে যাবেন।
[3:21]ট্রিক্স ফাইভ। আপনার এমন একটি স্মার্টফোন আছে যাতে আইআর ব্লাস্টার নেই কিন্তু আইআর ব্লাস্টার এর কাজ করতে চান। আই মিন আপনি রিমোটের মাধ্যমে আপনার টিভি কন্ট্রোল করতে চাচ্ছেন, কন্ট্রোল করতে চাচ্ছেন এসি।
[3:32]সেই কাজটা আপনি কিভাবে করবেন? খুব সহজেই সম্ভব। আপনার স্মার্টফোনটিতে যদি 3.5 মিলিমিটার হেডফোন জ্যাক থাকে তাহলেই সেটা সম্ভব।
[3:39]জাস্ট এরকম একটা জিনিস লাগবে। এটা একটা আইআর ব্লাস্টার সেন্সর যা আমি নিজেই তৈরি করছিলাম আরো প্রায় দেড় বছর আগে এবং আমাদের চ্যানেলে এর একটি টিউটোরিয়াল দেওয়াও আছে।
[3:47]যারা দেখেননি অবশ্যই দেখে নিয়ে নিজেই বানিয়ে নিতে পারেন। খরচ হবে মাত্র 10 টাকার মতো। ভিডিও ডেসক্রিপশনে ওই লিংকটা দেওয়া আছে। আপনি শিখে নিতে পারেন।
[3:56]বাট আপনি যদি একটু এরকম ডিআইওয়াই করতে মানে নিজেকে মনে করেন না আমি এটা পারবো না। তাহলে অবশ্যই আপনি কিনেও নিতে পারেন।
[4:02]50 টাকার মধ্যে এগুলো কিনতে পাওয়া যায়। আমি সেরকম কোনো একটা লিংক দেওয়ার ট্রাই করব অবশ্যই। তো কিভাবে এটা কাজ করে?
[4:06]আপনার মোবাইল ফোনে একটি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে হবে যার নাম যা যা রিমোট জেডএ জেডএ রিমোট সার্চ করুন। পেয়ে যাবেন প্রথম যে অ্যাপ্লিকেশনটা ওটাই জাস্ট ইনস্টল করে নিন।
[4:16]দেন এটাকেও ইনস্টল করতে হবে। মোবাইল ফোনের যে 3.5 মিলিমিটার হেডফোন জ্যাক পোর্ট রয়েছে সেখানে জাস্ট এটাকে ইনস্টল করে নিন।
[4:22]এবারে যা যা রিমোট দিয়ে আপনি আপনার টিভিকে কন্ট্রোল করে ফেলুন। টিভিকে কন্ট্রোল করার জন্য আপনার রিমোটটাকে একটু কাস্টমাইজ করে নিতে হতে পারে। জাস্ট মডেল নাম্বার সিলেক্ট করে কাস্টমাইজ করে নেবেন।
[4:30]দ্যাটস ইট। ট্রিক্স সিক্স। আমরা অনেকেই, অনেকেই না প্রায় সবাই হয়তো গুগল ক্রোম অ্যাপ্লিকেশনটির সাথে পরিচিত বা এই ব্রাউজারের সাথে পরিচিত এবং রেগুলারই হয়তো ব্যবহার করে থাকি।
[4:37]তবে আপনি জানেন কি আপনি যখন কিনা কোন একটা ওয়েবসাইট ভিজিট করছেন সেটা নিরাপদ নাও হতে পারে আপনার জন্য। বাট গুগল ক্রোম আপনাকে সেরকম একটা সুবিধা দিচ্ছে।
[4:46]আপনি এমন সাইটে প্রবেশ করছেন যে সাইটটাতে যদি কিনা সমস্যা থেকে থাকে তাহলে সে নিজেই সেটা বলে দিতে পারবে। আপনারা গুগল ক্রোমে চলে যাবেন এবং রাইট সাইডে লক্ষ্য করবেন থ্রি ডট মেনু রয়েছে।
[4:56]অর্থাৎ আপনি যে সাইটটাতে ভিজিট করছেন সেখানে যাওয়ার পরেও আপনি থ্রি ডট মেনুতে যেতে পারছেন এবং সেখানে গিয়ে দেখবেন একটা বৃত্তের মধ্যে আই রয়েছে। জাস্ট ওটাতে ক্লিক করুন এবং এখানে আপনি দেখতে পাবেন কানেকশন ইজ সিকিউর অথবা সিকিউর না।
[5:07]আপনি যে সাইটে আছেন সেটা যদি সিকিউর না হয়ে থাকে গুগল ক্রোম আপনাকে সেটা জানিয়ে দিতে পারবে এবং জাস্ট আপনি সেখান থেকে লিভ করবেন। দ্যাটস ইট।
[5:15]ট্রিক্স সেভেন। গুগল ম্যাপ আমরা কে না ব্যবহার করি এখনকার দিনে দাঁড়িয়ে আমরা মনে হয় রেগুলারই গুগল ম্যাপস ব্যবহার করে থাকি। আমরা যখন ম্যাপটা খুঁজে দেখি বা ছোট কিছু বড় করে দেখতে চাই তখন কি করি?
[5:28]জুম করার জন্য দুই হাত দিয়ে এভাবে জুম করি রাইট? বা অনেক সময় আমরা ট্যাপ করি ডাবল ট্যাপ করলেও জুম হয় যেটা একাধিক করা যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন ডাবল ট্যাপ করে চেপে ধরে রেখে আপনি যদি এভাবে টানেন তাহলেই দেখবেন এটা জুম ইন হচ্ছে।
[5:41]এবং আপনি ম্যাপটা এক হাত দিয়ে তখন ইজিলি কন্ট্রোল করতে পারছেন। বিষয়টা কাজে লাগবে তখনই যখন আপনি ড্রাইভ করছেন। যখন হয়তো এটা ঠিক না।
[5:46]হয়তো আপনি বাইকে আছেন তারপরও আপনার দেখা দরকার জরুরি মুহূর্তে তখন ঠিকই আপনি দেখতে পারছেন।
[5:52]ট্রিক্স নাম্বার আট। আমাদের প্রত্যেকের স্মার্টফোনেই হয়তো লক দিয়ে আটকানো থাকে। অর্থাৎ সেটা পাসওয়ার্ড হোক, সেটা পিন হোক বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারই হোক।
[6:00]এই মুহূর্তে ধরুন আপনি বাজারে রয়েছেন। বাজারের ব্যাগ আছে। তো ওই লক টক দিয়ে খোলা আসলে খুবই মুশকিল হয়ে যেতে পারে। মানে কিছু কিছু সময় এই সহজ কাজটাই আমাদের কাছে কঠিন মনে হয়।
[6:09]তো তখন আপনি চাইবেন আপনার ফোনটা অটোমেটিক খুলে যাক। তো এই জন্য আপনি সহজ একটা পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। প্রত্যেকটা এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনেই স্মার্ট সিকিউরিটি নামে বা স্মার্ট লক নামে একটা অপশন রয়েছে।
[6:19]আপনার ফোনের সেটিংস থেকে চলে যাবেন স্মার্ট লকে এবং সেখানে গিয়ে আপনি দেখবেন অন বডি ডিটেকশন, ট্রাস্টেড প্লেস এবং ট্রাস্টেড ডিভাইস। এই যে বিষয়গুলো রয়েছে সেগুলো এনাবল করে নেবেন।
[6:29]তো স্মার্ট লক সিস্টেমটা অন করে নিলে ওনারের বডি ডিটেক্ট করতে পারে আসলে স্মার্টফোন। আপনি কিভাবে চলাফেরা করছেন বা আপনাকে সে সোজা কথা বুঝতে পারবে এবং সেভাবে ফোনটাকে আনলক করে দিতে পারবে।
[6:40]আবার আপনি কোন একটা প্লেস নির্দিষ্ট একটা প্লেসকে যদি সিলেক্ট করে রাখেন তাহলেও কিন্তু ওই জায়গার মধ্যে আসলেই আপনার ফোনটা অটোমেটিক আনলক হয়ে যাবে। লক করে রাখতে হচ্ছে না।
[6:48]যেমন ধরুন আপনি বাসায় থাকলে আপনি মনে করছেন এটা ট্রাস্টেড প্লেস এখানে আনলক থাকলে আমার কোন সমস্যা নেই। সো তখন আপনি অবশ্যই আনলক করে রাখতে পারেন।
[6:55]আবার কিছু কিছু ডিভাইস রয়েছে যেগুলোর সাথে কানেক্ট হলে আপনার ফোনটা অটোমেটিক আনলক হয়ে যাবে। হ্যাঁ সেটা হতে পারে স্মার্ট ওয়াচ সেটা হতে পারে কোন টিডব্লিউএস বা যেকোনো এআইওটি ডিভাইস।
[7:04]তো এর মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনটাকে আনলক করতে পারছেন।
[7:07]নয় নাম্বার ট্রিকস। আমার স্মার্টফোনটা না আইপি রেটিং এ পিছিয়ে আছে। কিন্তু আমি পানির নিচে গিয়ে ভিডিও শুট করতে চাই, জলের নিচে ছবি তোলা আমার দরকার। সোজা কথা মোবাইলটা নিয়ে আমি পানির মধ্যে ঝাপাঝাপি দাওয়াদাবি করতে চাই।
[7:19]কিভাবে করব? সল্যুশন খুবই সিম্পল। এই যে পোর্টার ব্যাগ। জাস্ট এটা একটা কিনে নিন। 500 টাকার মধ্যে পাওয়া যায় ভালো কোয়ালিটির গুলো।
[7:28]তবে আমি সবসময় বলবো কম দামেরটা কিনবেন না পরে মোবাইলটা নষ্ট হবে আমাকে দোষ দিবেন। তাই এই যে একটু কোয়ালিটিফুল যেগুলো রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করবেন। আমি এই ব্যাগটা কয়েকবার আমার টুরে এটা থাকে।
[7:36]আমি এটা নিজে পার্সোনালি ব্যবহার করি। সো এইটা ব্যবহার করতে পারেন। জাস্ট জিনিসটা খুলে এর মাঝে আপনার মোবাইল ফোনটাকে ঢুকিয়ে নিতে হবে। এই যে এভাবে এবারে লক করে দিন। লক করাও বেশ সহজ।
[7:46]এই যে লক হয়ে গেল। এবং এখন আপনি চাইলে কিন্তু মোবাইল ফোনটা এই যে উপর থেকে কাজ করতে পারছেন। দেখা যাবে টাচ করা যাবে আবার এ পাশটা ক্লিন হওয়াতে আপনি ছবিও তুলতে পারবেন।
[7:54]তো আমি এটা নিয়ে কক্সবাজারে গিয়েছিলাম তারপর বাইরে। সো মোটামুটি আসলে যেকোনো ফোনকে মোটামুটি না একদম 100% যেকোনো ফোনকে সে ওয়াটারপ্রুফ তৈরি করে দিতে পারে ইনস্ট্যান্ট।
[8:03]ডেসক্রিপশনে এরকম একটা লিংক দেওয়া থাকবে। যদি আপনার দরকার হয় পারচেস করে নিবেন।
[8:08]ট্রিক্স নাম্বার টেন। আমাদের স্মার্টফোনে অবশ্যই একটা ফ্ল্যাশলাইট রয়েছে এবং রাইট নাও যে হারে কারেন্ট যায় বাংলাদেশে তো আমরা হয়তো মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইটটাই অনেক সময় কারেন্ট গেলে বাসায় জারিয়ে রাখছি।
[8:19]ওটা দিয়েই এক প্রকার মানে লাইটের কাজ করে ফেলি চার্জার লাইটের কাজ। তো যেটা হয় ফ্ল্যাশলাইট যখন জ্বালিয়ে আপনি ফোনটাকে এভাবে রাখছেন তখন কিন্তু সে একটা জায়গায় আলো দিচ্ছে ওই আলোটা দিকে চোখ পড়লেও চোখে লাগে আর কি।
[8:30]খুব সহজে একটু আলোটা বাড়িয়ে নিতে পারেন এবং চোখেও লাগবে না। জাস্ট একটা বোতলের মধ্যে আপনি পানি ঢুকিয়ে নেবেন। সেটা হতে পারে একটা কোকের বোতল বা যেকোনো সাদা একটা বোতল।
[8:38]এবারে আপনি ফ্ল্যাশলাইটটাকে অন করুন এবং তার উপরে শুধুমাত্র বোতলটাকে এভাবে রেখে দিন। দেখবেন ঝাঁকা নাকা একদম লাইটের মত আলোটা ছড়িয়ে যাবে সারা রুমে এবং আলোটা অনেকটা বেড়ে যাবে।
[8:48]এই পানির সাথে আপনি চাইলে একটু কালার টালারও অ্যাড করে দিতে পারেন। হয়তো মানে এমনিতেও যদি সাজিয়ে টাযিয়ে রাখতে চান সে কাজও করা সম্ভব। বাট হ্যাঁ কারেন্ট গ্যলে কিন্তু এভাবে ফ্ল্যাশলাইটের আলোটাও বাড়ানো সম্ভব হয়।
[8:58]তো ভাই ও বোনেরা আজকের টিপস এন্ড ট্রিক্সের ভিডিও কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং অবশ্যই আমরা পার্ট টু নিয়ে আসবো খুব শীঘ্রই। দেখা হচ্ছে তখন। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। টাটা।



![Thumbnail for 세나리버스] 란드 이후 진짜 빡센 총력전! 세팅값 정리 완료, 6/5세공 없이 IN100 총력전 덱 공유합니다! by 윤쿵쿵TV](/_next/image?url=https%3A%2F%2Fimg.youtube.com%2Fvi%2FFhujwmjvgFk%2Fhqdefault.jpg&w=3840&q=75)