Thumbnail for পাক-আফগান সংঘাত আমেরিকার হয়ে কার প্রক্সি দিচ্ছে পাকিস্তান? 😱 ইমারাতে ইসলামিয়ার বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র by Newstoriz

পাক-আফগান সংঘাত আমেরিকার হয়ে কার প্রক্সি দিচ্ছে পাকিস্তান? 😱 ইমারাতে ইসলামিয়ার বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র

Newstoriz

4m 34s493 words~3 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Use this transcript
Related transcript hubs

[0:10]দু হাজার একুশ সালের আগস্ট, পুরো বিশ্ব অবাক হয়ে দেখল একটি সুপার পাওয়ারের শোচনীয় পতন। পঞ্চাশটি দেশ আর আধুনিক প্রযুক্তির দম্ভ নিয়ে আসা আমেরিকা পরাজয় স্বীকার করে আফগানিস্তান থেকে পলায়ন করে। কিন্তু 20 বছরের সেই মার আর পরাজয়ের গ্লানি আমেরিকা আজও ভুলতে পারেনি।

[0:39]আমেরিকার পলায়নের সময় পুতুল সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন তালেব যোদ্ধারা। ইমারতে ইসলামিয়াকে ব্যর্থ করতে শুরু হয় নতুন এক ছায়া যুদ্ধ। রিজার্ভ অর্থ আটকে দেওয়া থেকে শুরু করে খারেজী দায়েশ বা আইএসকে লেলিয়ে দেওয়া, আমেরিকা কোন পথই বাকি রাখেনি। যখন মিডিয়া প্রোপাগান্ডায় কাজ হলো না, তখন তারা নতুন আবদার নিয়ে হাজির হলো বাগরাম বিমান ঘাঁটি। কিন্তু তালেব ভাইরা শিরদাঁড়া সোজা করে জানিয়ে দিলেন যে তারা কোনভাবেই আফগানে বিদেশী সেনাদের উপস্থিতি মেনে নেবেন না। এই প্রত্যাখ্যান ছিল আমেরিকার দম্ভের উপর এক চরম চপেটাঘাত। হুমকি-ধমকিতে কাজ না হওয়ায় আমেরিকা আবার মাঠে নামালো তাদের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত গোলাম পাকিস্তানের কিছু ভাড়াটে আর্মি জেনারেলদের। মনে রাখতে হবে এই সেই পাকিস্তান যাদের এয়ারবেস ব্যবহার করে 2001 থেকে 2018 পর্যন্ত অন্তত 57800 বার আফগানিস্তানের উপর বিমান হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। দীর্ঘ 20 বছর ধরে এই জেনারেলরাই ছিল আমেরিকার অক্সিজেন। 2021 এর পর থেকে প্রভু আমেরিকার পলায়নের পর থেকেই পাকিস্তানের জেনারেলরা যেন উন্মত্ত হয়ে উঠেছেন। যেকোনোভাবে ইমারতে ইসলামিয়াকে থামিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। টিটিপির কথিত ঘাঁটিতে অভিযানের নামে আফগানের নিরীহ মানুষদের উপর বোমা ফেলতে শুরু করে। গত চার বছরে অন্তত 10 বার আফগান মাটিতে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এতে অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। গত ডিসেম্বরে 46 জন নিরীহ আফগানকে শহীদ করা হয়। আর সর্বশেষ গত 9 অক্টোবর গভীর রাতে কাবুল, জালালাবাদ এবং খস্তে পুনরায় বিমান হামলা চালায় তারা। এতে কয়েকজন প্রাণ হারান এবং বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইমারতে ইসলাম আর সরকার প্রত্যেকবারই ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও পাকিস্তান তারে সকল নাপাক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেনি। প্রভু আমেরিকার ইশারায় একের পর এক হামলা চালিয়েই যাচ্ছে। যেন তারা আমেরিকান প্রক্সি হিসেবে যেকোনো প্রকারে যুদ্ধ বাঁধিয়েই ছাড়তে যাচ্ছে। অবশেষে গত 11ই অক্টোবর আফগানিস্তান সিদ্ধান্ত নেয় সমুচিত জবাব দেওয়ার। এই পাল্টা আঘাত ছিল এক কড়া বার্তা যাতে ভবিষ্যতে কোন ভাড়াটে জেনারেল আর আফগান মাটিতে হামলার দুঃসাহস না দেখায়। তবে ইমারত স্পষ্ট করেছে তাদের এই যুদ্ধ পাকিস্তানের সাধারণ মুসলিম জনগণের বিরুদ্ধে নয়, বরং বিক্রি হয়ে যাওয়া জেনারেলদের বিরুদ্ধে। এই জেনারেলদের অপরাধের তালিকা অনেক দীর্ঘ। এরা ডলারের জন্য নিজ দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। কাবা এই অঞ্চলে কয়েক লাখ মুসলিমকে হত্যা করেছে। 2007 সালে জামিয়া হাফসায় পবিত্র কোরআন আর মাসুম বাচ্চাদের রক্তে হাত রাঙিয়েছে। এমনকি 1971 সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বর্তমান বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের উপর নির্মম গণহত্যা চালিয়েছে এই একই সেনা কাঠামো। পাকিস্তানের সাধারণ জনগণ এবং অনেক রাজনৈতিক নেতাও আর্মি জেনারেলদের এই সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিপক্ষে। তারা কোনভাবেই আফগান মুসলিমদের বিরুদ্ধে পাক আর্মির এই সকল নাপাক কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করেন না। এই জেনারেলরা দেশের জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে আমেরিকাকে খুশি করছে। এতে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যেন তাদের কিছু যায় আসে না। কারণ তাদের পকেট তো ভারী হচ্ছে। এদের নাপাক কাজের জন্য আজ পুরো উম্মাহ আজ বিপদে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যারা ইসলামের ইমারতকে ধ্বংসের হাত মিলিয়েছে তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। আল্লাহতালা মুসলিম উম্মাহকে এই স্বার্থান্বেষী জেনারেলদের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। সত্য একদিন প্রকাশিত হবেই। ইনকিলব জিন্দাবাদ।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript