[0:00]ও কম্পিউটার কম্পিউটার কিছু বলেনি। আমাকে একটা কথা বলেছিল যেদিনকে মায়ের হাতে একটা রিমোট কন্ট্রোলারের বাবার হাতে এটিএম কার্ড দিয়ে বলতে পারবি। যে আজকে থেকে তোমাদের সব স্বপ্ন পূরণ করার দায়িত্ব তোমার ছেলে নিল। সেদিন থেকে কলারটা উঁচু রাখবি তার আগে কলার উঁচু রাখবি। বুঝতে পারছিস তো কথা? ওইদিন কয় একটা মুঠো নিয়ে আমি স্মার্ট ভ্যালুর প্রথম বাড়িতে যাই বিশাল পজিটিভ। শুধু মাথায় একটা জিনিস থাকবে সাইন্স বলছে যেকোনো পজিটিভ জিনিস মানুষের মাথায় 24 ঘন্টা থেকে 48 ঘন্টা থাকে তারপরে আর থাকে না। এটা সাইন্স বলছে। ব্যাপারটাকে ফলো করো আমি আর কিছু বলতে চাইছি। সাইন্স বলছে প্রত্যেকটা পজিটিভ জিনিস মানুষের মাথায় কতক্ষণ থাকে? 24 থেকে 48 ঘন্টা মানে হার্ডলি টু হার্ডলি দুদিন। আবার তুমি ব্যাক টু নরমাল লাইফ আবার তুমি নেগেটিভিটিতে চলে যাবে। ধরো কোন মন্দিরে গেছ গিয়ে দেখবে একদিন এক্সপেরিমেন্ট করবে মন্দিরে গিয়ে যদি একটা ধরে নাও তুমি চলে গেছো একদম ইয়েতে দক্ষিণেশ্বরে। দক্ষিণেশ্বরে মন্দিরে গিয়ে বেলুড় মঠে গিয়ে তুমি চুপচাপ বসবে আধাঘন্টা দেখবে মনটা শান্ত হয়ে যাচ্ছে। বেলুড় মঠে মানে আমার মাইন্ড পজিটিভ হচ্ছে। আর মাইন্ড সাকসেসফুল হতে গেলে তোমাকে তোমার মাইন্ডকে আগে পজিটিভ করতে হবে স্থির করতে হবে স্থির। কথায় বলে না গীতায় একটা কথাই আছে দৌড়াতে দৌড়াতে কোনদিন ভোজন করা যায় না বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? দৌড়াতে দৌড়াতে কোনদিন ভোজন করা যায় না আর যার মাইন্ড নেগেটিভ যার মাইন্ড চঞ্চল সে কোনদিন কোন কাজ থেকে কিছু পজিটিভ করে বার করতে পারবে না। মন্দিরে যখন যাবে তখন দেখবে মাইন্ডটা স্থির মাইন্ডটা পজিটিভ কিন্তু বাড়িতে আসবে। বাড়িতে আসার পর 24 ঘন্টার মধ্যে দেখবে আবার তুমি আগের মতো হয়ে গেছ বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? ওই মাইন্ড কি স্থির যাচ্ছে না চঞ্চল যাচ্ছে? আমার কথাগুলো বুঝতে পারছিস? যত আমি পজিটিভ নিয়ে বাড়িতে গেছিলাম দুদিনের মধ্যে আমার সব পজিটিভিটি আবার জলে চলে গেছিল। কারণ টাকা কোথায়? এবার দেখছি রিয়েল লাইফে টাকা জোগাড় করাটা কি করব? 10000 টাকা আমার কথাগুলো বোঝা যাচ্ছে? এটা সবার ক্ষেত্রে হয়। এখানে সবার মানি প্রবলেম হয়েছিল তো? 10000 টাকা কোথা থেকে জোগাড় করব? আর 10000 টাকা যখন আমি দেখছি আমার মা বাবাকে জোগাড় করতে তখন আমার ভেতর থেকে একটা আওয়াজ আসছে যদি এখানে কিছু না হয়। যদি জায়গাটা ফালতু হয়। কারণ ওই 30 মিনিটের কথা আমার ওই নেগেটিভ মাইন্ড কি ধরে রাখতে পারে সারাক্ষণ? আরই পারছে না। ওই 30 মিনিটের কথা আমার নেগেটিভ মাইন্ড কি একদিনে চেঞ্জ করবে? করতে পারে না। এখানে অনেকেই বসে আছে যারা আমরা সাবজেক্টটা তো শুনছি কিন্তু এই শোনার ওপর থেকেও আমরা আবার সাবজেক্টের ওপর থেকে বিভিন্ন রকমের ছুড়িকাঠি চালাব বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? এরকম হয় মানুষের মাইন্ড। মানুষের মাইন্ড এরকমই ডেঞ্জারাস। ও চাইছে না বা তারপরও মাইন্ড ওকে নিয়ে যাবে উল্টো জায়গায়। ওর ওপর থেকে আবার বিচার করবে ওর ওপর থেকে আবার জ্ঞান লাগাবে ওর ওপর থেকে আরও লজিক লাগাবে। রাস্তা নেই কোন ওর কাছে। আমি বললাম না রাস্তা নেই ওর কাছে। একটা বড় সাবজেক্ট পাবে তারপরও ওর ওপর থেকে আবার লজিক লাগাবে এটা এটা না তো এটা ওইটা না তো। তো যাই হোক ওই 30 মিনিটের কথা তো আমার লাইফে কিছু চেঞ্জ করতে পারল না হঠাৎ করে। তো বাড়িতে যখন গেলাম রিয়েল লাইফে যখন বললাম প্র্যাকটিক্যাল লাইফে যখন পড়লাম প্রবলেমে যখন পড়লাম আমি হেরে গেলাম। তখন আমার ভেতর থেকে একটা আওয়াজ আসল আচ্ছা 10000 টাকা মা জোগাড় করবে তাতে কোনদিন একই বাড়িতে এই প্রবলেম তার মধ্যে থেকে 10000 টাকা যদি জোগাড় করে দিই আর যদি কিছু না করতে পারি। তাহলে কি হবে? একটা ছেলে হিসেবে যতখানি হওয়ার কথা ফিলিংস এসেছিল বুঝতে পারছিস? তখনই আমি মাকে বললাম আমার মনে আছে রাত 11 টার সময় খেতে যখন ঘুমাতে মাকে বললাম মা দরকার নেই ছেড়ে দাও। তখন আমি জায়গাটা ইম্পর্টেন্স বুঝতে পারছি না তখন আমি বুঝতে পারছি না আমার লাইফে কিছু করার জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম চাই। তুমি দেখবে পৃথিবীতে যত বড় বড় গাছ আমরা দেখতে পাচ্ছি সব কিন্তু ছোট ছোট বীজ থেকে হয়েছে। যত বড় বড় গাছ দেখতে পাচ্ছ সব কিন্তু ছোট ছোট বীজ থেকে হয়েছে কিন্তু সব ছোট ছোট বীজ কি বড় গাছ হয়? কেন হয় না?
[3:38]কারণ এই বীজগুলো জমি পায় না। আমাদের সোসাইটিতে এরকম প্রচুর ট্যালেন্টেড মানুষরা 5000 10000 20000 এ শেষ হয়ে যাচ্ছে। তারা ট্যালেন্টেড কিন্তু সঠিক প্ল্যাটফর্ম পায় না। ব্যাপারটা বোঝাচ্ছি? একজন সাকসেসফুল হওয়ার জন্য প্রথমে দরকার প্ল্যাটফর্ম। কিশোর কুমার যদি গানের জগতে চান্স না পেত তাহলে কিশোর কুমার কিন্তু কিশোর কুমার হতো না। গানের জগত আছে তাই কিশোর কুমার আছে। ক্রিকেট প্ল্যাটফর্ম আছে তাই শচিন টেন্ডুলকার আছে। শচিন টেন্ডুলকার যদি ক্রিকেট প্ল্যাটফর্ম না পেত তাহলে শচিন টেন্ডুলকারকে কেউ চিনত না বুঝতে পারছিস? আজকের দিনে আরিজিত সিং আছে কারণ গান আছে। আজকে মাইকেল জ্যাকসন আছে বিকজ অফ ডান্স ও পৃথিবীতে যত সাকসেসফুল মানুষ আছে বিকজ অফ প্ল্যাটফর্ম। মাথায় একটা জিনিস থাকবে সাকসেসফুল মানুষরা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে না প্ল্যাটফর্ম সাকসেসফুল মানুষকে তৈরি করে ইয়েস অর নো? শচিন টেন্ডুলকার চলে গেছে তাহলে কি ক্রিকেট প্ল্যাটফর্ম শেষ হয়ে গেছে? নো ক্রিকেট প্ল্যাটফর্ম কিন্তু কালকে আবার নতুন শচিন টেন্ডুলকার তৈরি করে দেখাবে। আরও বেস্ট আরও বেস্ট আরও বেস্ট বুঝতে পারলাম? প্ল্যাটফর্ম হবে আরও বেস্ট কেউ তৈরি হবে। স্মার্ট ভ্যালু আছে আজকে আমি যেই জায়গায় গেছি কালকে হতে পারে এখান থেকে ঘরে বসে এখানে যে কজন আছে নতুন তার ভেতর থেকে কালকে দুটো ছেলে হাওয়া হয়ে যাবে। আবার এখান থেকেই ঘরে বসে বসে দুটো ছেলে কালকে বিকাশ ঘোষের থেকে বড় লেভেলে যাবে বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস? এটার ভোটে যাব। আজকে সম্রাট রয় যেই মানুষটাকে আমি সবথেকে বেশি শ্রদ্ধা করি। আজকে স্মার্ট ভ্যালুতে ওই মানুষটার ভেতরে একটা আগুন লাগিয়েছিল ওই মানুষটা বুঝিয়েছিল যে তোকে কোথায় যেতে হবে। আজকে ভাবো রামকৃষ্ণ দেবের থেকে কিছু বড় পপুলারিটি অর্জন করে ফেলেছে স্বামী বিবেকানন্দ ইয়েস অর নো? আজকে এত বড় একটা পার্সোনালিটি সম্রাট রয় যার সামনে আমি কিচ্ছু না। অলওয়েজ আমি তার সামনে মাথা নিচু করি কারণ উনি আমার গুরুদেব উনি আমার সবকিছু উনি আমার গড। কিন্তু আজকে কিন্তু স্মার্ট ভ্যালুর রেকর্ড যদি দেখা যায় আজকে এই নূন্যতম এই বিকাশ সামান্য একটা জিনিস আজকে কিন্তু এই মানুষটার থেকে বড় জায়গায় গেছে বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? তাহলে হতে পারে কালকে এখান থেকে ঘরে বসে থাকা একটা ছেলে আজ থেকে তিন বছর পর আমার থেকে বড় জায়গায় যেতে পারবে বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? এই ইন্ডাস্ট্রিতে কিন্তু মাথায় রাখবি কেউ কারোর দাস না কেউ কারোর বস না। একটা বস কোনদিন চাইবে না আমার এমপ্লয় আমার থেকে ওপরে যাক চাইবে না? তুমি যেই কোম্পানিতে চাকরি করতে যাবে সেই কোম্পানির মালিক কোনদিন চাইবে না তুমি তার থেকে ওপরে যাও। সে অলওয়েজ চাইবে তুমি তার থেকে নিচেই থাকো বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? সে মালিক আর তুমি তার দাস। কিন্তু এই ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ না মালিক কেউ দাস না এখানে উই আর সেম। তাহলে আমি এখানে কেন? কারণ আমার এক্সপেরিয়েন্সটা বেশি। ব্যাপারটা বোঝা যেতে পারছি? আমি টিচার তোমরা স্টুডেন্ট। আমি সিনিয়র স্টুডেন্ট বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? আমার তিন বছরের এক্সপেরিয়েন্স আছে আমার চার বছরের এক্সপেরিয়েন্স আছে তাই আমি এক্সপেরিয়েন্সটা শেয়ার করছি কালকে যখন তোমার চার বছর হবে তুমি এখানে থাকো বুঝতে পারলাম? তো ওই সময় দাঁড়িয়ে যাই হোক যেটা বলছিলাম। তো কাউন্সেলিং করে আসার রাত্রে বেলা 11টার সময় মাকে আমি বললাম মা ছেড়ে দাও আমি ভর্তি হব না যদি কিছু না হয় তখন কি হবে এত টাকাটা তো জলে চলে যাবে। কারণ ওই সময় জানিনা কোথা থেকে না কোথা থেকে আমার মা আমাকে একটা পজিটিভ রেসপন্স দিয়েছিল। আমার মা বলেছিল কত টাকা কত জায়গায় চলে গেছে মানে আমার মা বাবা নিচে যারা তো বিভিন্ন রকম আমার বাবাকে বিভিন্ন রকম ভাবে মুরগি বানিয়ে বিভিন্ন রকম ভাবে ঢোকিয়ে গেছে। ঘটনার পরে আলোচনা করব। তো আমি নিজেও চোখে দেখেছি বিভিন্ন রকম ভাবে। তো তুমি যদি আমার বাবার কাছে 10000 টাকা ধার চাও আমার বাবা কোনো না কোনোভাবে মায়ের কাছে যাবে মায়ের কাছে গিয়ে মাকে মুরগি বানাবে আমার এই সময় এক্ষুনি টাকা লাগবে 10000 টাকা নেবে তোমাদের দেবে। আর যখন টাকা ফেরত দেওয়ার টাইম আসবে রেখে এসো বাবা টাকা ফেরত দিচ্ছে না। ফেয়ার মা ভেতরে গালাগালি দিচ্ছে বাড়িকেতো রোজ দিন যাচ্ছে গালাগালি দিচ্ছে আমি দেখেছি এই ঘটনাগুলো আমি নিজের চোখে দেখেছি। কারণ বাবা 10000 টাকা ধার নিয়ে দিয়েছে লোকটা ফেরত দিচ্ছে না বাবাকে রোজ দিন গালাগালি কেটে যাচ্ছে বাবার আগে গিয়ে লোকটার সাথে দেখা করছে। লোকটার সাথে দেখা করার পরেই যখন লোকটা বলছে দাদা চা খাবে? না না চা খাব না আরে খাও না চা দিয়ে দিল ব্যাস। আবার বাড়িতে চলে এলো ক্লিয়ার করতে পারছিস? এরকম একটা পার্সোনালিটি তো ওই সময় দাঁড়িয়ে যখন মা আমাকে বলল কত টাকা কত জায়গায় চলে গেছে আর তো সামান্য 10000 টাকা ধরে নাও জুয়াতে হারিয় ফেলেছি ধরে নাও জলে ফেলে দিয়েছি। তুই যা তোকে কিছু করার থাকে করতে পারিস তাহলে কর। এই একটা কথা আমার ভেতরে একটা সাহস জাগিয়েছিল এবং আমি স্মার্ট ভ্যালুতে চলে আসলাম ক্লিয়ার করতে পারলাম? কিন্তু সাহসটা জাগানোর পরে ওই নেগেটিভ লজিকটা কোথা না কোথা সরছিল না বুঝতে পারছিস? কোথা না কোথা সরছিল না। তখন আমি বাড়িতে বসে সল্যুশন করলাম। তখন আমি বাড়িতে বসে সল্যুশন করলাম। কি হারাবো? 10000 টাকা। ঠিক? দেখলাম 10000 টাকা দিচ্ছি কম্পিউটার কোর্স পাচ্ছি আর এখন তো কিছু নেই। শুধু কম্পিউটার কোর্স পাচ্ছি না ইন্টারন্যাশনাল সার্টিফিকেট পাচ্ছি, সিডি ক্যাসেট পাচ্ছি সাতটা এক একটা দামই 1000 টাকার ওপরে। প্লাস 3 লাখ টাকার ইনস্যুরেন্স পাচ্ছি আজকের দিনে কে ইনস্যুরেন্স দেয়? মানুষের বাইকের ইনস্যুরেন্স থাকে যে চালাচ্ছে তার ইনস্যুরেন্স থাকে না। ইয়েস লোক জানবে বাইকের ইনস্যুরেন্স পড়ে কিন্তু নিজের ইনস্যুরেন্স পড়ে না মানে ওর থেকে বাইকের দাম বেশি। তো 3 লাখ টাকার ইনস্যুরেন্স পাচ্ছি প্লাস সফটস্কিল ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং পাচ্ছি দেখলাম লসের কোনো জায়গা নেই। ব্যাপারটা বোঝা যাচ্ছে? যা দিচ্ছি তাই পাচ্ছি সঙ্গে নিজেকে বোঝালাম। যে অসুবিধা কি আছে কাজ তো লোক ঢোকানো। এখানে তো লোক ঢোকাতে হয় এখানে তো লোক ভরতে হয়। কারণ আমি কিন্তু পজিটিভ মাইন্ডেড না বুঝতে পারছিস? স্মার্ট ভ্যালুতে আসছি কেন আমি? কারণটা জেনে রাখ আমি স্মার্ট ভ্যালুতে আসছি কেন? কম্পিউটার শিখতে? নো হেলথ ভালো রাখতে? নো। জীবনে কিছু করতে? নো। অনেক মানুষকে বাঁচতে হবে? না কি করতে আসছি? দেখলাম টাকাটা দিচ্ছি টাকাটা তো জিনিস পাচ্ছি সঙ্গে 20 জনকে ঢোকাবো শুনেছিলাম একজনকে ঢোকালে 500 তিনজনকে ঢোকালে 1500। আমার কাছে তো এটা লোক ঢোকানোর সিস্টেম তাহলে 20 জনকে ঢোকাবো 500 টাকা করে যদি পাই 10000 টাকা বাড়িতে। ফাস্ট বয় কম্পিউটার শিখতে যাচ্ছে 20 জন ঢুকবে না? বুঝতে পারলাম কি পারলাম না? 20 জনকে ঢোকানো আর কত বড় ব্যাপার 20 জনকে ঢোকাবো 10000 টাকা পেয়ে যাব তাহলে কি হল যা দিলাম তাই পেলাম সঙ্গে আবার 10000 টাকার রিটার্ন পেলাম। সোনা ইস ওয়ালা হারানোর কিছু নেই বরং পেয়ে গেলাম বেশি ইয়েস অর নো? 10000 টাকা 10000 টাকাও পেলাম সঙ্গে এতকিছু পেয়েও গেলাম। সঙ্গে সবথেকে বড় জিনিস যার জন্য আমি আসছিলাম সেটা হল আমার পুরনো রিলেশন। আমার মনি হারা মনি ওই মনিটাকে আমাকে পেতে হবে ক্লিয়ার করতে পারলাম? আবার যদি নতুন করে মোলাকাত হয় আবার নতুন করে নতুন প্রেম শুরু হবে। ক্লিয়ার করতে পারছি? ব্যাস এইটাই আমার মেইন টার্গেট। আমি এসছিলাম এইজন্য। আর এখানে আসার জন্য এটার জন্য আমার দরকার ছিল এই প্ল্যাটফর্মটা আর এই প্ল্যাটফর্মের জন্য দরকার ছিল এই 10000 টাকাটা আর 10000 টাকাটা দেওয়ার জন্য আমার মিডিল ক্লাস মেন্টালিটি আমাকে আটকাচ্ছিল। আর এই আটকানোর সময় আমি তখন লজিক বার করলাম যা দিচ্ছি তাই পাচ্ছি সঙ্গে আবার 20 জনকে ঢুকিয়ে 10000 টাকা পেয়ে যাব ব্যাস। এতটা নেগেটিভ মেন্টালিটি নিয়ে আমি স্মার্ট ভ্যালুতে পদার্পণ করি বুঝতে পারলাম? আমার মনে হয় না গোটা স্মার্ট ভ্যালুতে 20 লাখ অ্যাসোসিয়েট আছে এরকম নেগেটিভ মেন্টালিটি নিয়ে কেউ আসে। সিম্পল এবার আসার পরে ঘটনাটা কি চালু হলো দেখো আসার পরে সাবজেক্ট সম্পর্কে জানতে হবে ট্রেনিং নিতে হবে ইয়েস অর নো? এবার বেসিক ট্রেনিং হবে সাবজেক্ট সম্পর্কে জানার জন্য বেসিক ট্রেনিং হবে। তো প্রথম দিন বেসিক ট্রেনিং এ রাখা হয়েছে বেসিক ট্রেনিং এ গেছি হাফপ্যান্ট পরে। কারণ কি হারানোর কিছু ভয় নেই তোমার? কিসের ট্রেনিং কিসের ইয়ে বুঝতে পারছিস? বেসিক ট্রেনিং এ গেছি হাফপ্যান্ট গেঞ্জি পরে। বেসিক ট্রেনিং এ গেছি গোটা এরকম 5 10 জন ছিল বেসিক ট্রেনিং এ। ওকে তো সবই আমাদের স্কুলমেটস। বন্ধু তো 5 10 জনের সাথে যখন বেসিক ট্রেনিং গেছি তো ওখানে একটা ছেলে ট্রেনিং দিচ্ছে ওর নাম সোমনাথ। সোমনাথ দত্ত মনি। আমার থেকে বয়সে ছোট যেমন এখানে বিশ্বজিৎ কিছুক্ষণ আগে বিশ্ব কিছুক্ষন আগে ট্রেনিং দিয়ে গেল এখানে অনেকের থেকে ছোট ইয়েস অর নো? তো ওই সময় দাঁড়িয়ে আমার মাথায় এটা ছিল না যে সাকসেস ছোট আর বড় দিয়ে আসে না। সাকসেস আসে তার ভেতরে কি কোয়ালিটি আছে সেটা দিয়ে বুঝতে পারছিস? তো ওই সময় যেই সোমনাথ দত্ত মনি যেই ছেলেটা আমাকে ট্রেনিং দিচ্ছিল আমি প্রথমেই তাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম আচ্ছা ভাই তোর বয়স কত? ও বলল আমার বয়স 18। হ্যাঁ? তুই কিসে পড়িস? বলল 12 এ। হ্যাঁ? তুই আমাকে ট্রেনিং দিবি? ক্লিয়ার করতে পারছি কি পাচ্ছিস নি? তো বসে গেলাম ওখানে একটা অহংকারী ভাব নিয়ে বসে গেলাম। বসে যাওয়ার পরে ও বলে যাচ্ছে আর আমি লোকের টাইম নষ্ট করছি। মানে আমার সামনে যারা বসেছিল তাদের সাথে গে যাচ্ছিলাম বুঝতে পারছিস? না নিজে শুনব না কাউকেও শুনতে দেব। মানে ভাবো কতটা খারাপ ছেলে না নিজে শুনব না কাউকেও শুনতে দেব। ও যখন আমাকে কোশ্চেন করছে ভাই তুমি এখানে কি ছেলে খেলা করতে এসছো এত বড় একটা সিস্টেম না কি সে এত বড় সিস্টেম ঢোকাতে হয় লোক। কাজ কি লোক ঢোকানো। আমার আর এত কিছুর কি শোনার দরকার আছে আমার। ব্যাপারটা বোঝা যাচ্ছে? কাজ কি লোক ঢোকানো। আমার এত কিছু পানি পানি শুনে আমার কি লাভ আছে? ও তো তখন আমাকে বুঝিয়ে যাচ্ছে এটা লোক ঢোকানো না কারণ ও তো একটু বুদ্ধি আছে। ও তো সিস্টেমের সাথে আছে। বুঝতে পারছিস? ও আমাকে বোঝাতে চাইছে যে এর মিনার মিনিংটা কি কেন আমি কি করছি? আমি বললাম ভাই। দুধে জল মেশানো আর জলে দুধ মেশানো ব্যাপারটা একই। তুই আমাকে যতই বোঝ এটা লোক ঢোকানো কাজ। আর ওই সময় ভেতরে ওই যে ছ সাত জনের মধ্যে যে ট্রেনিংটা হচ্ছিল না। আর ওদের ভেতর থেকে ওরা সব আমাকে প্রায়োরিটি দিল আর আমার একটা বুক গর্ভে কনফিডেন্সে ছিল। ওখান থেকে হঠাৎ করে একটা ছেলে আওয়াজ মারল বিকাশ ঠিকই বলেছে। বুঝতে পারছিস? বিকাশ ঠিকই বলেছে। বিকাশ বলছে মানে ঠিক কথা। আজকে এত বড় এই জায়গায় যদি বিকাশ অ্যাডমিশন নিয়েছে তার মানে জায়গাটার দাম বেড়ে গেল। কারণ বিকাশ হেভি স্টুডেন্ট বিকাশ যেটা বলবে সেটা ঠিক কথা। বের করতে পারছিস? বুক পুরো হ্যাঁ জন সিনার মতো বুক হয়ে যাবে। হ্যাঁ সিরিয়াসলি বলছি কারণ একজন সাপোর্ট করল আমাকে। এই করে করে চলছে দিনের পর দিন দিনের পর দিন চলছে যেদিন ট্রেনিং আমাকে ডাকছে। আমি প্রথমে জিজ্ঞেস করছি আচ্ছা ও আসছে? ও যদি আসে তাহলে আমি আসব ও যদি না আসে আমার আবার কিসের কাজ। ব্যাপারটা বোঝা যাচ্ছে? যে এইভাবে চলতো মানে আমার কাছে এই সাবজেক্টটা ভ্যালুলেস সিম্পলি। আর এইভাবে দিনের পর দিন নটা মাস। নটা মাস। কারণ সাবজেক্টের আমি কিচ্ছু বুঝিনি এই প্ল্যাটফর্মের কি গুরুত্ব। টাকা দিয়েছি কোর্স পেয়েছি। 20 জনকে ঢোকাতে হবে তাই তো? সিম্পল কাজ তো। কেন কি অবজেক্টিভ কি কিচ্ছু জানিনা। এসছিলাম কেন? এই বলে থাকতাম। ক্লিয়ার করতে পারলাম? এইভাবে কিন্তু দিনের পর দিন চলছে ন মাস। ন মাস মা 20 টাকা করে দিতো। কারণ যেখানে আমাদের ট্রেনিং হত। ওখানে যাওয়ার জন্য বাসে যাতায়াত করতে ট্রেনে যাতায়াত করতে মোটামুটি একটু টাকা লাগত 20 টাকা বুঝতে পারছিস? মা প্রত্যেকদিন কোথা থেকে না কোথা থেকে ম্যানেজ করে হয়তো কত স্বপ্ন নিয়ে 20 টাকা করে আমাকে দিত আর আমি 20 টাকা করে নিয়ে কিছু বন্ধুবান্ধবদের সাথে বিগবাজারে ঘুরতে যেতাম প্যান্টালুনসে ঘুরতে যেতাম। ট্রেনিং এর পাশের বিগবাজার প্যান্টালুনস আছে আমরা ওখানে চলে যেতাম। আর বন্ধুবান্ধবগুলো আমার টিমের বুঝতে পারছিস? মাথায় রাখবে কাজটা ছিল আমার লোক ঢোকানো। আর অলরেডি এইভাবে চলতে চলতে চলতে চলতে আমি পাঁচ ছ জন তো অলরেডি ঢোকিয়ে ফেলেছি। খাস ফ্রেন্ড মণিষ্ঠ বন্ধু ঢুকিয়ে ফেলেছিস। ব্যাপারটা বোঝো। আর এই ছজনকে নিয়ে আমি কি করছি? ট্রেনিং এর নাম করে ঘুরতে আসছি দিনের পর দিন। মা 20 টাকা করে আমাকে দিচ্ছে আর আমি ঘুরতে বেরিয়ে যাচ্ছি। প্যান্টালুনসে গিয়ে বড় টিভিটা দেখছি সোনি ব্রাভিয়া 3 লাখ টাকা দাম। দেখে বন্ধুবান্ধবদের সাথে ঝোল টানছি। সত্যি এই টিভিটা যদি বাড়িতে নিয়ে যেতে পারি না কি মজা হবে। একটা দুর্দান্ত সোফা দেখছি সোফা লাখ টাকার। দেখে বলছি যদি এই সোফাটা বাড়িতে নিয়ে যেতে পারি না আর আলিশান ব্যাপার। একটা দুর্দান্ত গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে গাড়ি গাড়িটা দেখে ভাবছে 90 লাখ টাকার বিএমডব্লিউটা যদি কিনতে পারি না আর কি হবে। কিন্তু এত কিছু স্বপ্ন দেখছি আর এই স্বপ্নটা পূরণ হবে এখান থেকে সেই প্ল্যাটফর্মটাকে চিনিতে পারছি না বুঝতে পারছিস? এত কিছু স্বপ্ন আছে স্বপ্নটা দেখছি ঝোলটা টানছি কিন্তু এত কিছু স্বপ্ন যেখান থেকে পূরণ হবে সেই সাবজেক্টটাকে চেনার মত শক্তি তৈরি হয় না। আর দিনের পর দিন এইভাবে চলছে। ক্লিয়ার করতে পারলাম ব্যাপারটা? হাত তুললে না মার্কেটে এত বড় বড় গাঠা এত বড় বড় গাড্ডু পয়দা হয়েছে। অনেকের আছে জলের মতো জল। জলের কোন আকার নেই যেমন পাত্রে রাখবে তেমন পাত্রে আকার ধারণ করবে। আমাদের সোসাইটিতে এরকম কিছু মানুষও আছে। ওদের কোন আকার থাকে না। ওদের কোন পার্সোনালিটি থাকে না ওদের কোন নিজস্ব বুদ্ধি থাকে না। নিজস্ব স্বচেতনতা থাকে না ওদেরকে যেমন বোঝাবে তেমনি বুঝবে। আমার যে তিন চারজন বন্ধু ছিল না যাদেরকে নিয়ে গিয়ে আমি প্রত্যেকদিন আড্ডা মারতাম। আমি বলতাম চল আড্ডা মারতে ওরাও আমার সাথে আড্ডা মারতে চলে যেত। আমি বলতাম চল বিগবাজারে ওরাও আমার সাথে বিগবাজারে চলে যেত। ওখান থেকে যদি কেউ আওয়াজ দিত না আজকে ট্রেনিং এ যাব। তখন আমরা তিনজন মিলে ওকে চাপতাম। ট্রেনিং এ যাবি? ওরে শালা দেখ আবার ট্রেনিং এ যাবে। জিন্দেগীতে পড়াশুনো ঠিকমতো করেছিস ট্রেনিং এ যাবে। তিন চার জন মিলে ওকে চারটা বোচে পে যেত। ও যে নড়বে আমাদের সাথে নড়ে ট্রেনিংটা নিতে যাবে এই সঠিক পজিটিভ মাইন্ডটাও নেই বুঝতে পারলাম? এইভাবে দিনের পর দিন আমি নিজে ন মাস নষ্ট করেছি ওদেরও ন মাস নষ্ট করেছি। এবং ন মাস পর হঠাৎ করে ঘটনাচক্রে কোনদিন ভুল করে ট্রেনিং এ ঢুকে গেছি ক্লিয়ার হচ্ছে? যেখানে মেইন ট্রেনিং হয় ভুল করে ঢুকে গেছে। আড্ডা মারতে মারতে ঢুকে গেছি। ঘুরে এসো আর যাও। ট্রেনিং এ ঢুকে যাওয়ার পরে রিল্যাক্সে বসেছি। বসার পরে যখন ট্রেনিংটা চালু হয়েছে সেদিনকে যেন আমার ট্রেনিংটা নিতে নিতে কোথাও যেন একটা হালকা ভাইব্রেশন এখানে জেগেছিল। না সাবজেক্টের ওপর কিছু দম আছে বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? আর ওই ট্রেনিং নেওয়া চালু আজ পর্যন্ত এমন কোন দিন নেই আমার ট্রেনিং থেকে ডিজারস লিখেছি।
[17:07]এমন কোন দিন নেই ট্রেনিং চালু হবে আমি প্রথমে চলে যেতাম। ট্রেনিং এর দরজা খুলবে 11 টার সময় গেট খুলবে আমি 11 টার আগে পৌঁছে যেতাম আর ট্রেনিং শেষ হতো তার লাস্টে বেতোতাম বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? কারণ কোথা থেকে কি নলেজ পাওয়া যায় কোথা থেকে কি শেখা যায় প্রত্যেকটা জিনিস আমার কাছে ইম্পর্টেন্স হয়ে পড়েছিল। আর ওই ছেলেটা ন মাস প্রথম ট্রেনিং এ যায়নি। কারণ কি? কারণ ওই ন মাস আমি দিকভ্রান্ত ছিলাম ওই ন মাস আমি জানতাম না আমি কি করছি বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? আর ওই ন মাসে আমার অলরেডি দুটো চেক চলে এসেছিল। ওই ন মাসে কোন ট্রেনিং না নিয়ে কিচ্ছু না করে অলরেডি আমার নজনের টিম চলে গেছিল অলরেডি আমার 10 জনের টিম চলে গেছিল। কিন্তু আমি জানতাম না এই টিমটা হলো কেন কি করলাম কেন ঢোকালাম কিচ্ছু জানলাম না। ব্যাপারটা বোঝাচ্ছি? তখনও আমি বুঝতে পারিনি যে আমি জীবনে কি বড় কাজ করে ফেলেছি। আমি জীবনে নটা ছেলেকে জীবনে বাঁচার একটা রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছি। আমি নটা ছেলেকে শিক্ষার স্বচেতনতা জিততে পেরেছি। আমি নটা ছেলেকে তার ফ্যামিলির জন্য কিছু ইমোশন গুলো ধরতে পেরেছি বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? আমি নিজের অজান্তে কি কাজ করে ফেলেছি আমি নিজেও জানতাম না। আমার কথাগুলো সবাই বুঝতে পারছে? তো ওই সময় দাঁড়িয়ে আমাকে কেউ ঘড়াতে পারেনি বুঝতে পারেনি হঠাৎ করে ন মাস পর হঠাৎ করে মেন্টালিটি এই ন মাসের মধ্যে একদিন হঠাৎ করে আমার সাথে দেখা হয়েছিল সম্রাট রয় যেই মানুষটা আমার কাউন্সেলিং করেছিল। আমি কি করতাম জানো? কন্ডাক্টরের কাজ করতাম কন্ডাকটরিং। কন্ডাকটরিং মানে কোন বন্ধু পেলাম। বন্ধুকে বললাম ভালো একটা জায়গা আছে বন্ধুকে কি করলাম স্যারের ঘরে বসিয়ে দিলাম। স্যার ওকে বোঝাচ্ছে আর আমি ভাত খেতে চলে গেছি বাড়িতে। ভাত খেয়ে দেয়ে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পরে গিয়ে জানছি কি হল অ্যাডমিশন হল কি হল না বুঝতে পারলাম কি পারলাম না? এটাকে বলে কন্ডাকটরিং কাজ। বন্ধুকে আনলাম একটা ম্যাজিক ঘরে ঢুকিয়ে দিলাম। ম্যাজিক ঘরে একজন ম্যাজিশিয়ান আছে গুরু মা গুরু মা গুরু মা গুরু মা গুরু মা ঘরটা ধরে বলবে আর ও অ্যাডমিশন নেবে আমি টাকা পাব আহ কি খেলা। বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? ইয়েস গিল্লি ডান্ডা খেলা। এইভাবে চলছে তো হঠাৎ করে এরকম ভাবে চলতে চলতে তো ও সম্রাট রয় বলে লোকটা একদিন আমাকে ওপেনলি সবার সামনে একদিন কোশ্চেন করেছিল। উনি বলেছিল আচ্ছা এটা কি লোক ধরার বিজনেস না? হ্যাঁ মুরগি ধরার কাজ ছিল এখন। এবার উনি আমাকে যখন ওপেন কোশ্চেনটা থ্রো করেছিল এটা কি মুরগি ধরার কাজ? আমি ভেতর থেকে বলছি তো মুরগি ধরার কাজ না তো আর কি কাজ। কিন্তু মৌখিক বলতে পারছি না কারণ লোকটাকে শ্রদ্ধা করতাম। উনি হঠাৎ করে যখন আমাকে কোশ্চেন করছে এখানে মুরগি ধরতে এসছো এখানে লোক ধরতে এসছো। আমি আর কিছু বলছি না আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি চুপচাপ বসে আছি। ওই সময় লোকটা আমাকে জীবনে আবার নতুন করে জন্ম দিয়েছিল। লোকটা আমাকে একটা কথা বলেছিল বলছে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বিগবাজারে যেই প্যান্টালুনসে যাবি দেখবি ওখানে বড় বড় ভাবে ব্যানার টাঙানো আছে যদি 3000 টাকা মার্কেটিং করতে পারেন তাহলে কুপন হবেন আর কুপন পেলে বাড়ি গিফট আছে বাংলা গিফট আছে গাড়ি গিফট আছে ইয়েস অর নো? ইয়েস। তখন আমাকে লোকটা বলেছিল দেখেছিস বলে একটা লোককে পেতে রেখছিস? আমি বললাম না। বলে দেখবে লাক্সের সাথে গোল্ড কয়েন ফ্রি অ্যাড দেয় একটা লোককে পেতে দেখেছিস? আমি বললাম না। বলে দেখবে কোচিং এর ওপরে বড় বড় ব্যানার টাঙানো আছে এখানে অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা যত্ন সহকারে পড়াশুনো করানো হয়। একটা ছেলেকে দেখেছিস দোকান থেকে দাঁড়িয়ে আম্বানী তৈরি হয়েছে? আমি বললাম না। ব্যানার হয়ে ব্যানার যখন বড় বড় করে অ্যাড দেয় যে মেয়েরা ক্যারিয়ার কর আসে ব্যানার প্রেম আবিষ্কারই হয়নি ও বলছে মেয়েরা ক্যারিয়ার কর ব্যানার। ক্লিয়ার করতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? এই বিগবাজারের অ্যাডটা কেন দেয়? কোচিং এর ওপরে এই ব্যানারটা কেন টাঙায়? লাক্সের সাথে গোল্ড কয়েন ফ্রি অ্যাডটা কেন দেয়? বিকজ অফ লোভ। লোককে লোভ দেখিয়ে টানা হয় বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? আজকের দিনে বিরেন্দ্র সাবা মিথ্যে কথা বলে ওটা লোক ধরানা। পার্ট ভবন কোচিং এর ওখানে লেখা আছে অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পড়াশুনো করানো হয় দিয়ে লোকটা টানে ওইটা লোক ধরানা।
[20:53]ক্লিয়ার করতে পারলাম? বিগবাজারের ওপরে বড় বড় করে ব্যানার টাঙানো হয় এখানে 3000 টাকার মার্কেটিং করো বাংলা পাবেন গাড়ি পাবেন ওইটা লোক ধরানা আর স্মার্ট ভ্যালু থেকে একটা ছেলে কম্পিউটার শিক্ষিত হবে আর 10টা ভারতবাসীকে কম্পিউটার শিক্ষায় শিক্ষিত করবে এটা লোক ধরা না। এটা লোক ধরা না। স্মার্ট ভ্যালু শেখাচ্ছে যে নিজের ভাইকে যতখানি কেয়ার নাও আর 10টা ভাইকে ততখানি কেয়ার নাও তাহলেই এই দেশটা কিছু হবে এটা লোক ধরা না। স্মার্ট ভ্যালু শেখাচ্ছে নিজেকে স্বাস্থ্য সচেতন করো নিজের মা বাবাকে করো আর কতখানি ফিলিংস নিয়ে আরেকজনের মা বাবাকে করো ওইটা লোক ধরা না। ব্যাপারটা বোঝাচ্ছি কি পাচ্ছিস নি? ইয়েস একটা ছেলে 10 বছর দু বছর তিন বছর 15 বছর পড়াশুনো করে 15 বছর পড়াশুনো করে 10000 টাকা কামাতে পারে না। এরকম 7 কোটি বেকার আমাদের সোসাইটিতে আছে। এই ছেলেগুলো যদি কোচিং এ গিয়ে কলার ধরতে পারবে। স্কুলে গিয়ে কলার ধরতে পারবে। যে আপনি 15 বছর আপনাকে পড়াশুনোর জন্য টাকা দিয়েছি আমার ক্যারিয়ার হয়নি টাকাটা ফেরত দিন ধরতে পারবে? হারপারছি না ধরতে পারছিস না। স্মার্ট ভ্যালু একটা সঠিক রাস্তা দেখাচ্ছে যে এই ব্যাকরাইডের পড়াশুনো করে লাভ নেই। কম্পিউটার শিখলে চাকরির সম্ভাবনা বেশি আছে। আর যদি মনে হয় না আমি চাকর হওয়ার জন্য পয়দা হয়নি আরও বেশি কিছু করার জন্য পয়দা হয়েছি তাহলে ডাইরেক্ট সেলিং বিজনেসে ভারতবর্ষের নামকরা ইন্ডাস্ট্রিতে চান্স পেয়েছি। তাহলে এখানে লোক ধরানা এখানে কিছু না এইটা চিটিংবাজি। সেদিনকে আমি বুঝতে পেরেছিলাম আমি জায়গাটা কম কি আছে বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? সেদিনকে আমি বুঝতে পেরেছিলাম আমি কি কাজ করেছি অলরেডি। এই ন মাসে আমি কিছু না জেনে কি কাজ করে ফেলেছি। বুঝতে পারলাম? সেদিন থেকে একটা ভিতরে আওয়াজ এসেছিল সেদিন থেকে বুঝতে পেরেছিলাম লোক ধরা জিনিস। পৃথিবীতে লোক ধরা বলে কিছু হয় না। তুমি যদি হয় তুমি একটা ডাক্তার পেশেন্টকে ধরে টাকা র জন্য। একটা বিজনেস কাস্টমারকে ধরে টাকার জন্য। একটা মন্ত্রী আজকের দিনে ক্লায়েন্ট ধরেছে তো? না আমাকে ভোট দেবে না। পৃথিবীতে কে লোক ধরে না? একটা বিজনেসম্যান কাস্টমার ধরে। একটা অ্যাডভোকেট ক্লায়েন্ট ধরে। একটা ডাক্তার পেশেন্ট ধরে। একটা টিচার স্টুডেন্টকে ধরে। পৃথিবীতে সবাই লোক ধরে কিন্তু সবাই লোক ধরে নিজের স্বার্থে ইয়েস অর নো? আর কি বলছি না। ইয়েস ডাক্তার আগে কিন্তু কয়েকশ বার গেছি আমরা। কোনদিন ডাক্তার কোন ডাক্তার বাবু সামনে বসিয়ে হেলথ কি জিনিস হেলথ কেন খারাপ হয়? সেল কি জিনিস সেল কি খাবার চায়? খাবারের মধ্যে কোথায় ভেজাল আছে? কি খেতে হবে মেডিসিনের কি সাইড ইফেক্ট? বুঝিয়েছিস?
[23:06]কি করেছে? 10 মিনিটের একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দিয়েছে ওষুধটা খাবেন। আর কোনদিন জানতাম না যে ওষুধের মধ্যে এই প্রবলেম আছে এই ওষুধের মধ্যে এই সাইড ইফেক্ট আছে এটা ও বলেও দেয় নি ইয়েস অর নো? তাহলে 100 বার ডাক্তারের কাছে গেছি কিন্তু 100 বারে কেউ স্বাস্থ্য সচেতন করে নি। শুধু এই প্রেসক্রিপশনটা লিখে দিয়েছে। স্মার্ট ভ্যালুতে ট্রেনিংটা নিতে থাকো। প্রত্যেকটা দিন এখানে কোন না কোন সিনিয়র প্রত্যেকদিন তোমাকে প্রেসক্রিপশন করবে যে স্বাস্থ্য সচেতন কিভাবে হতে হয় হেলথ কিভাবে ভালো রাখতে হয় বুঝতে পারলাম? টিচারের কাছে বলেছে কোন টিচার ভেতরের ওই নৈতিকতা জাগায় নি। কোন টিচার মাইন্ডসেটটাকে বড় করেনি। কোন টিচার এটা বোঝায় নি যে তুমি টিচার হওয়ার জন্য পয়দা হয়নি তুমি উইনার হওয়ার জন্য পয়দা হয়েছ। মাথায় রাখবে পৃথিবীতে দুটা ক্যাটাগরি আছে একটা হল উইনার আর একটা হল টিচার। ওই কথায় বলে না ইতিহাস পড়ানে ওয়ালে কাভি ইতিহাস নেহি পাড়তে ইয়েস অর নো ইতিহাস বানানে ওয়ালে কাভি ইতিহাস নেহি পাড়তে ইয়েস অর নো? যারা ইতিহাস বানায় না তারা কখনো ইতিহাস পড়ায় না। ইতিহাস পড়ায় কারা টিচাররা ইতিহাস বানায় কারা উইনাররা? উইনার উইনার যারা হয় তারা ইতিহাস বানায় আর টিচার যারা হয় তারা ইতিহাস পড়ায়। তুমি শচিন টেন্ডুলকার নিজে কোনদিন মাধ্যমিক দেয়নি কিন্তু মুম্বাই এর প্রত্যেকটা স্টুডেন্টকে কিন্তু শচিন টেন্ডুলকারের জীবন পড়তে হয়। তাহলে বাবা মুম্বাই এর মহারাষ্ট্রের প্রত্যেকটা স্টুডেন্টকে শচিনের জীবন পড়তে হয় যে নিজে কোনদিন মাধ্যমিক দেয়নি। কারণ শচিন টেন্ডুলকার উইনার। আর ওই উইনারের জীবন কাহিনী পড়াবে কারা? টিচার। একটা সোসাইটিতে কি মাইন্ডসেট দেওয়া হয় তুই টিচার হ উইনার হওয়ার মাইন্ডসেট দেয়? না আওয়াজ পাচ্ছি না। টিচার আমায় মাইন্ডসেটটাকে ছুড়ে দিল। উইনার হওয়ার মাইন্ডসেটটাকে ধরে। আমি উইনার আমি টিচার না। ক্লিয়ার করতে পারলাম কি পারলাম না? গ্যালিলিও উইনার গ্যালিলিও টিচার না। টিচাররা গ্যালিলিও হতে পারবে না তাই টিচাররা গ্যালিলিও এর দিকে শুধু বক্তৃতা দিয়ে যায় বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? স্মার্ট ভ্যালু উইনার হওয়া শেখায় স্মার্ট ভ্যালু টিচার হওয়া শেখায় না। কথাটা বোঝাতে পারলাম? তো স্মার্ট ভ্যালুকে বুঝতে গেলে একদিনে দুদিনে কিছু করা সম্ভব না স্বামী বিবেকানন্দ একটা কথা বলে একদিনে এক বছরে কোন বড় কিছু করা যাবে না। যেকোনো বড় কিছু করার জন্য তপস্যা করতে হয় ঠিক বলছি কথাটা? স্বামী বিবেকানন্দ তপস্যা। আজ স্মার্ট ভ্যালুকে বুঝতে হবে স্মার্ট ভ্যালু কি? স্মার্ট ভ্যালুকে বুঝতে হবে যে আমি এখানে দুজনকে আনব কেন আনব? আমি এখানে দুজনকে আনব কেন আনব? এটা মানি মার্কেটিং না এটা সেলস না যে আমি এখানে দুজনকে আনলাম 20 জনকে আনলাম তুমি দু লাখ কেন তুমি দু লাখও কেন তাও কিছু ফায়দা হবে না। এই স্মার্ট ভ্যালুটা হলো সোলজার হওয়ার সোলজার বানানোর কাজ। স্মার্ট ভ্যালু একটা মিশন আছে স্মার্ট ভ্যালুর মিশন কি? অল ওভার ইন্ডিয়াকে শিক্ষিত করতে হবে স্মার্ট ভ্যালুর মিশন কি? ইন্ডিয়াকে হেলদি বানাতে হবে স্মার্ট ভ্যালুর মিশন কি? ভারতবর্ষের এন্টারপ্রিনিয়ার তৈরি করতে হবে ভারতবর্ষের বিজনেসম্যান ভারতবর্ষটাকে স্বাবলম্বী বানাতে হবে। এর জন্য আমরা কাজটা করছি। এর জন্য আমরা কাজটা করছি। কালকে আমি বিল গেটসের ইন্টারভিউ পড়ছিলাম ওখানে বিল গেটসের ফাটাফাটি কথা লেখা ছিল। বিল গেটস বলছে যদি আমাকে নতুন করে কেউ শুরু করার আবার অপশন দেয়। জীবনে যদি কোন রকম কোনদিন এরকম অপশন আসে যে আমাকে নতুন করে কিছু শুরু করতে হবে। আমি প্রথম সিলেকশন রাখব ডাইরেক্ট সেলিং বিজনেসে। আর আম জনতাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করো 40 বছর ধরে কাজ করছে ডাইরেক্ট সেলিং বিজনেস কি জানে না। আম জনতা ডাইরেক্ট সেলিং বিজনেস মানে কেনা কাটার সবথেকে টপে যে বসে আছে সে বোঝে ডাইরেক্ট সেলিং বিজনেস মানে কি আর আমরা এখানে যে কজন বসে আছি সব ডাইরেক্ট সেলিং বিজনেসে চান্স পেয়েছি কিন্তু ডাইরেক্ট সেলিং বিজনেস কি কোনো দিন শুনি নি। এবার ভেতর থেকে নেগেটিভ মাইন্ডসেট কি চারদিকে উঠছে ডাইরেক্ট সেলিং বিজনেস সবাই তো করে না আমি করছি ভুল করছি না তো? সবাই তো করে না আমি করছি ভুল করছি না তো? আরে যদি সবাই করত তাহলেই ভুল হত। ইয়েস অর নো? কোম্পানি এই কাজটা করে সবাই করে? না। ডাক্তারের এই কাজটা করে সবাই করে? না। বিল গেটস যে কাজটা করে সবাই করে? না। তার জন্য ওরা এক্সট্রা অর্ডিনারি। ব্যাপারটাকে বোঝো সিম্পলি। ব্যাপারটা বোঝো সিম্পলি। স্বামী বিবেকানন্দ একটা কথা বলে পর্দার আড়ালে যেই কাজটা হয় সেই কাজটার মধ্যে কোথাও না কোথাও পাপ আছে। পর্দার আড়ালে যেই কাজটা হচ্ছে তার মানে সেই ভেতরে কোথাও না কোথাও পাপ আছে আর যেই কাজটা সরাসরি হচ্ছে সেটা নিষ্পাপ বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? আজকে বীরেন্দ্র সাবাগ অ্যাডভারটাইজমেন্ট দিচ্ছে মেয়েরা ক্যারিয়ার কর আজের ব্রাডের। এই বীরেন্দ্র সাবাগকে দিয়ে অ্যাডভারটাইজমেন্ট দেওয়ানো হচ্ছে কারণ কি? কারণ সাবজেক্টের ভেতরে দম নেই বীরেন্দ্র সাবাগকে মার্কেটিং করা হচ্ছে বুঝতে পারছিস কি পাচ্ছিস নি? স্মার্ট ভ্যালু নিজে কম্পিউটার শেখো কম্পিউটার শিখে যদি মনে হচ্ছে ভালো একটা জায়গা পেয়েছি আর ভাই কৃতজ্ঞতা বলে তো কিছু থাকা উচিত। এট লিস্ট কৃতজ্ঞতার জন্য স্মার্ট ভ্যালু করা হচ্ছে। তোমাকে যদি 10000 টাকা কেউ বিপদের সময় ধার দেয় অন্তত নৈতিকতার সাথে তোমার এটা মন থেকে হবে প্রত্যেকটা সময় তার নাম নেবে হয় কি হয় না? কিন্তু আমরা তো কৃতজ্ঞ না না। এখানে কজন আছে আজকে ভোরবেলায় ঘুম থেকে ওঠার পরে ভগবানকে একবার থ্যাঙ্কস জানিয়েছে? কজন আছে? ফাটাফাটি গুড আইডিয়া। গুড আইডিয়া। এটাকে বলে একই।
[27:39]কারণ তুমি আজকে কত লোক আছে জানো? কত ছেলে আছে ইয়াং বয়সে ক্যান্সার ধরা পড়েছে। আমি আগের দিন বলছিলাম না? আমাদের একটা অ্যাসোসিয়েটের দিদির ক্যান্সার ধরা পড়েছে। আর লাস্ট স্টেজ ধরাও পড়ল লাস্ট স্টেজে। ক্যান্সার এমন একটা জিনিস এমন না যে কোনো অনেক আগে থেকে ধরা পড়বে ধরা পড়ছে যখন তখনই লাস্ট স্টেজ। তাহলে ভাব তো দিদিটা 30 বছর বয়স। 30 বছর বয়স যারা হয়তো কিছু দিনের মধ্যে মারা যাবে। আমরা কতটা লাকি? আমাদের মা সুস্থ বাবা সুস্থ ভাই সুস্থ আমি সুস্থ সব সুস্থ।
[28:29]তাহলে ভগবান আজকে কত মানুষের সাথে কত কিছু ঘটিয়েছে আর আমাকে সুস্থ রেখেছে তারপরে একটা তো থ্যাঙ্কস জানাই না ইয়েস। ভগবানকে একবার তো থ্যাঙ্কস জানানো উচিত থ্যাঙ্ক গড ভগবান তুমি আজকের দিনটা আমাকে নতুন করে বাঁচার একটা সুযোগ দিও। আমাদের সিস্টেমের বাধন আমাকে একটা জিনিস শিখিয়েছে লোক জন্মদিন পালন করে করে কি করে না? কিসের জন্মদিন? কিসের জন্মদিন বাইবেলে একটা কথা লেখা আছে এভরি ডে ইজ এ গড গিফটেড ডে। আজকের দিনটাও একটা জন্মদিন। কালকের দিনটাও একটা জন্মদিন পরশুর দিনটাও একটা জন্মদিন। প্রত্যেকটা দিন তোমাকে ভগবান বাঁচিয়ে রেখেছে মানে প্রত্যেকটা দিন একটা জন্মদিন ইয়েস অর নো? কিন্তু আমরা তো কৃতজ্ঞ না না।



