[0:00]মা মা দেখো আমাদের রান্নাঘরে কি সুন্দর সোনার টমেটো গাছ হয়েছে। হ্যাঁ দয়া আমরা জাদুর সোনার টমেটো গাছ। তোমাদের সে ফেলে দেওয়া টমেটো থেকে আমরা সোনার টমেটো গাছ হয়েছে। বিশেষ বিজ্ঞপ্তি এই ভিডিওর সমস্ত চরিত্র কাল্পনিক মৃত বা জীবিত ব্যক্তি বা ধর্মের সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক নেই স্থান কাল পাত্র বা কোন ঘটনার সাথে মিল নেই। এই কাহিনীটির বিষয়বস্তু সম্পূর্ণরূপে কাকতালীয়। এটি কাল্পনিক এবং বিনোদনের জন্য নির্মিত। মা মা আর কত সময় লাগবে তোমার? তাড়াতাড়ি বাড়ি চলো না মা। আরে রে মা টয়া এইতো আমার হয়ে গিয়েছে। আমাদের বাগানের টমেটো এগুলা। নতুন ধরেছে। টমেটো গুলো দেখতেও অনেক সুন্দর। টমেটোগুলি রান্না করলে খেতেও অনেক মজা হবে। টমেটোগুলি রান্না করলে তুইও অনেক মজা করে খেতে পারবে। মা আমার টমেটো খেতে একদম ভালো লাগে না। মা তুমি তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে চলো না। আচ্ছা আচ্ছা চল এতটুকুই টমেটো আজকের জন্য যথেষ্ট। আজকের সবকিছু টমেটো দিয়েই রান্না করব। মা আমার তো টমেটো খেতে একদম ভালো লাগে না। কিন্তু মা তুমি যে টমেটো দিয়ে চাটনি রান্না করছো না তার ঘ্রাণে না আমার টমেটো খেতে ভীষণ ইচ্ছা করছে। ও মা তোমার রান্না করতে আর কতক্ষণ লাগবে। আমাকে তাড়াতাড়ি খেতে দাও না মা। হাঁ রে টয়া টমেটোগুলি থেকে খুব সুন্দর ঘ্রাণ বের হচ্ছে। খুব করে তো বলেছিলি টমেটোর তরকারি খাবি না। দেখবি আমাদের এই টমেটোগুলি খেতে না ভীষণ মজা। এইতো রে মা আমার হয়ে গেছে। তুই ঘরে গিয়ে বস আমি তোর জন্য খাবার নিয়ে আসছি।
[2:02]হাঁ গো গিন্নি এত এত তরকারি রান্না করেছ তাও আবার টমেটো দিয়ে। টমেটো তরকারিগুলি খেতে তো ভীষণ মজা। হ্যাঁ গো আমাদের টমেটো বাগানের টমেটো। আমাদের টমেটো বাগানে নতুন টমেটো ধরেছে।
[2:30]দেখতে না খুব সুন্দর। এখন তোমরা বাবা আর মেয়ে মিলে খাবার খাও তো? মা আমাদের জমির টমেটোগুলি খেতে না ভীষণ মজা। মা আমাদের টমেটো বাগানে তো অনেক টমেটো ধরেছে। এখান থেকে কিছু টমেটো নিয়ে বাবা তো বাজারেও বিক্রি করতে পারে। তাই না মা? হ্যাঁ গো টয়ার বাবা আমাদের টয়া তো ভালো কথাই বলেছে। তুমি বরং আগামীকাল আমাদের জমি থেকে কিছু টমেটো নিয়ে বাজারে বিক্রি করে এসো। হ্যাঁ গো গিন্নি ভালো কথাই বলেছ। এমনিতেই হাতে কোন টাকা পয়সা নেই। যদি টমেটোগুলি বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে পারি তাহলে তো ভালোই হয়। পরের দিন মিসকে শিয়াল বাজারে টমেটোগুলি নিয়ে বিক্রি করতে যায়। টমেটোগুলি এত সুন্দর দেখে বাজারের সমস্ত ক্রেতারা অন্যান্য সবজি কেনা বন্ধ করে মিসকে শিয়ালের কাছ থেকে টমেটো কিনতে থাকে। আর এসব দেখি তো বাঘ মামার রাগে ক্ষোভে গজ গজ করতে থাকে। হ্যাঁ গো মিসকে ভাই তোমার জমির টমেটোগুলি দেখতে তো খুব সুন্দর মনে হচ্ছে। মনে হয় টমেটোগুলি খেতেও অনেক মজা হবে। আমি তো রোজ আসবো তোমার কাছ থেকে টমেটো কিনে নেওয়ার জন্য।
[4:08]হ্যাঁ গো তোমার মনটা আজকে এত খারাপ কেন? বাজারে কি আজকে বেচা কেনা হয় না নাকি হ্যাঁ গিন্নি মন খারাপ হবে না তো কি হবে? ওই মিসকে তাদের জমিতে টমেটো চাষ করেছে। মিসকে তার জমির লাগানো টমেটো গুলি বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে এসেছে। আর সবাই আমার কাছ থেকে সবজি না কিনে মিসকের কাছ থেকে টমেটো কেনা শুরু করেছে। আমার দোকান থেকে কেউ একটা কাঁচা সবজিও কেনে না। এখন কি যে করি এইভাবে চলতে থাকলে তো আমার ব্যবসার লাল বাতি জ্বলে যাবে।
[4:50]ওগো তুমি কোন চিন্তা করো না গো আমার মাথায় না একটা বুদ্ধি এসেছে। যদি মিসকের টমেটো বাগানের টমেটোই না থাকে তাহলে মিসকে কি বিক্রি করবে বলতো? হ্যাঁ গো গিন্নি ঠিক কথাই বলেছ। আমাদেরকে ওদের টমেটো বাগানের টমেটোগুলি নষ্ট করে দিতে হবে।
[5:18]হ্যাঁ গো তাড়াতাড়ি করো গো কেউ চলে আসবে। কেউ দেখে ফেললে কেলেংকারি হয়ে যাবে। তাড়াতাড়ি চলো।
[5:34]এ কি আমাদের টমেটো বাগানের টমেটোগুলি কে এমন করে নষ্ট করে দিয়ে গেল। হায় আল্লাহ এখন আমরা কি করব। আমাদের আয় উপার্জনের একটামাত্র সম্বল ছিল। সেটাও কে এসে নষ্ট করে দিল। এখন কি যে করি। ওগো তুমি এভাবে কান্নাকাটি করো না। আল্লাহর উপর ভরসা রাখো। আল্লাহ চাইলে আমাদের একটা ব্যবস্থা করে দেবে। মা চলো আমরা এখান থেকে কিছু টমেটো নিয়ে যাই। টমেটোগুলি নিয়ে আমরা রান্না করব। আর বাকি টমেটোগুলি আমরা ফেলে দিব। এখন আর কান্না করে কি হবে মা? এরপর তারা তাদের জমি থেকে তুলে আনা পচা টমেটোগুলি তাদের রান্নাঘরের এক কোনায় ফেলে দেয়। আহারে শেফার কত কষ্টের জমির টমেটো এগোলো। এই টমেটোগুলি কিনা তাদের দুষ্টু প্রতিবেশী নষ্ট করে দিয়েছে। আমি এখনি আমার জাদু শক্তির মাধ্যমে এই পচা টমেটোগুলিকে সোনার টমেটোতে পরিণত করে দে। এরপর পরে জাদু করে সেই পচা টমেটোগুলিকে কয়েকটা সোনার টমেটো গাছে পরিণত করে দেয়। মা দেখো আমাদের রান্নাঘরে সেই পচা টমেটোগুলি থেকে কেমন সুন্দর সোনার টমেটো গাছ হয়েছে। হেরে টয়া মা তাই তো দেখছি। আমি তো আমার নিজের চোখকে বিশ্বাসই করতে পারছি না। কি সুন্দর সুন্দর সোনার টমেটো গাছ হয়েছে। আবার সোনার টমেটো ধরে আছে।
[7:28]হ্যাঁ টয়া আমরা জাদুকরি সোনার টমেটো গাছ। তোমরা মা ও মেয়ে অনেক ভালো। তাইতো তোমাদের সেই ফেলে দেওয়া পচা টমেটো থেকে এত সুন্দর সোনার টমেটো গাছ জন্মেছে। তোমাদের আর কোন অভাব থাকবে না। এই সোনার টমেটো গুলি বিক্রি করে তোমাদের সকল অভাব দূর হয়ে যাবে। হ্যাঁ সোনার টমেটো গাছ তুমি ঠিকই বলেছো। দেখেছি মা টয়া আল্লাহ আমাদের উপর সহায় হয়েছে। এরপর মিসকে শিয়াল সেই সোনার টমেটোগুলি নিয়ে সোনার দোকানে যায়। সেখানে গিয়ে বিক্রি করে। আর অনেক টাকা হয়। সেই টাকা দিয়ে তারা তাদের একটা বসবাসের জন্য দালান বাড়ি বানিয়ে ফেলে। আরে আরে মিসকে আর শেফালী শিয়ালিনি এত তাড়াতাড়ি এত বড় সুন্দর একটা বাড়ি কিভাবে বানালো। ওদের তো একটামাত্র টমেটো জমি ছিল। সেই জমির টমেটোগুলি তো আমি নষ্ট করে দিয়েছি। তাহলে এত টাকা তারা কোথায় পেল? ওরা কি আলাদিনের চেরাগ পেল নাকি গিয়ে দেখি তো। ও এই ব্যাপার। ওদের রান্নাঘরে সোনার টমেটো গাছ হয়েছে। এই সোনার টমেটো গাছ আর সোনার টমেটোগুলি সব আমি তুলে নিয়ে যাব। তারপর আমি ধনী হয়ে যাব হা হা হা। দুষ্টু বাঘিনী তুই অনেক লুভি। এর আগেও তুই টয়াদের টমেটো বাগানের টমেটোগুলি নষ্ট করে দিয়েছিস। এখন আবার তুই টয়াদের সোনার টমেটো গাছগুলি চুরি করতে এসেছিস। দাঁড়া এখনি তোকে আমি মজা দেখাচ্ছি। এই নে। ওরে বাবারে ওরে মা রে জাদুর সোনার টমেটো গাছ আমাকে ছেড়ে দাও। আমি যে আর ককখনো এরকম করব না। আমাকে ছেড়ে দাও জাদুর সোনার টমেটো গাছ।



