Thumbnail for খেলার ফল এখন ইরানের হাতে? | Iran | USA | Trump | War | Channel 24 by Channel 24

খেলার ফল এখন ইরানের হাতে? | Iran | USA | Trump | War | Channel 24

Channel 24

3m 59s472 words~3 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Use this transcript
Related transcript hubs

[0:03]রণ হুঙ্কার আর পাল্টা হুঙ্কার চলছে অনবরত, 48 ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন, তখন গোটা বিশ্ব প্রমাদ গুনেছিল এক ভয়াবহ মহাযুদ্ধের। কিন্তু মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানেই দৃশ্যপট আমল বদলে গেছে। যে ট্রাম্প কয়েকদিন আগে আগ্নেয়গিরির মতো জ্বলছিলেন, তিনিই এখন শোনালেন আলোচনার সুর। প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি পর্দার আড়ালে সাদা পতাকা ওড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে হোয়াইট হাউজ? ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট দাবি করেছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উত্তরসূরি মোস্তফা খামেনি নাকি ওয়াশিংটনের সাথে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন। যদিও তেহরান এই খবরকে সরাসরি পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডা বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তবু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগুনের উপর পানি ঢালার এই চেষ্টা আসলে ট্রাম্পের এক পরিকল্পিত চাল। শক্তি প্রদর্শনে কাজ না হওয়ায় এখন তিনি কৌশলে দেখাতে চাইছেন যে ইরানি নাকি সন্ধি করতে ব্যাকুল। কিন্তু তেহরান এত সহজে গলার ফাঁস আলগা করতে নারাজ। ইরানের নীতি নির্ধারকদের মতে, ট্রাম্পের এই আলোচনার প্রস্তাব আসলে একটি মনস্তাত্বিক ফাঁদ। বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়া ঠেকাতে এবং হরমোজ প্রণালীর অচল অবস্থা কাটাতে ওয়াশিংটন এখন দিশেহারা। হোয়াইট হাউজের এই হঠাৎ নমনীয়তা আসলে ইরানকে চাপে ফেলার নতুন এক কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনো হঠকারী সিদ্ধান্তে পা দেবে না। ইরানি এলিট এবং সামরিক বাহিনীর মধ্যে বিভাজন তৈরির এক সূক্ষ্ম খেলা খেলছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ হতে পারেন সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী।

[1:52]কিন্তু গালিবফের দপ্তর থেকে আসা কড়া বার্তা সব জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছে। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকার সাথে কোনো গোপন বৈঠক হচ্ছে না এবং হওয়ার কোনো পরিকল্পনাও নেই। ট্রাম্পের সাথে হাত মেলানোকে এখন তেহরানের অনেক রাজনীতিবিদী বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছেন। এই গোলক ধাঁধার মাঝে ওমান এবং পাকিস্তানের মতো দেশগুলো পর্দার আড়ালে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ওমান তো সরাসরি মার্কিন ও ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছে। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর এই তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, সরাসরি না হলেও কোনো এক তৃতীয় পক্ষ হয়তো দুই দেশের মধ্যকার বরফ গলানোর চেষ্টা করছে। তবে ইরান এখনো লং গেম বা দীর্ঘমেয়াদী লড়াইয়ের মেজাজে আছে, যা ওয়াশিংটনের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ। বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন আসলে এখন তিনটি কারণে আলোচনার টেবিলে ফিরতে চাইছে। প্রথমত, সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করার জন্য একটি ‘কৌশলগত বিরতি’ প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, ট্রাম্প চাইছেন কোনোভাবে এই যুদ্ধের সমাপ্তি টেনে নিজের ভাবমূর্তি রক্ষা করত, যাতে তাকে পরাজিত হিসেবে না দেখা হয়। আর তৃতীয়ত, সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোকে এই সংঘাতে আরো সক্রিয়ভাবে টেনে আনা। দেখার বিষয় হলো আমেরিকা যদি সত্যিই যুদ্ধের ময়দানে অপ্রতিরোধ্য হতো, তবে তারা আলোচনার জন্য এতটা মরিয়া হতো না। পরাজিতের সাথেই কেবল আলোচনা করতে হয় না। কিন্তু ইরান যে এখনো মাথা নত করেনি, ট্রাম্পের সুর নরম হওয়াটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। যুদ্ধের খরচ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, আর অন্যদিকে ইরান সময়ের সাথে সাথে তাদের অবস্থান আরও শক্ত করছে। শেষ পর্যন্ত এই নাটকের যবনিকাপ কোথায় পড়বে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার, হোয়াইট হাউসের তর্জন গর্জন এখন খাতা কলমের হিসাবে আটকা পড়েছে। ইরান যদি আলোচনার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে লড়াই দীর্ঘায়িত করে, তবে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য তা হবে এক বিশাল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript