[0:00]বন্ধুরা আমি অনামিকা। আমি তোমাদের আমার জীবনের একটি সত্যি ঘটনা শোনাবো। জামাই বিদেশে থাকায় দেবর আমাকে কিভাবে ঘরের মধ্যে একা পেয়ে জোর করে আমাকে কোলে নিয়ে থাপান থাপিয়ে আমার গুদ রস বের করলো সেই সত্যি ঘটনাটা আজকে তোমাদের সাথে শেয়ার করব। বন্ধুরা পুরা গল্পটি কানে হেডফোন লাগিয়ে টিস্যু নিয়ে তারপর শুনুন। আমার নাম অনামিকা। আমার সংসার ছোট হলেও ভীষণ শান্ত ছিল। কিন্তু স্বামী যখন বিদেশে চাকরির জন্য চলে গেলেন তখন থেকেই ঘরটা অদ্ভুত ফাঁকা লাগতে শুরু করল। প্রতিদিন ভিডিও কলে কথা হয় তবুও মানুষের পাশে মানুষের উপস্থিতির অনুভূতি তো আলাদা। একা হাতে সংসার বাজার অফিস সব সামলাতে গিয়ে কখন জেন ভেতরে একটা শূন্যতা তৈরি হলো। এই শূন্যতা কাউকে বলা যায় না। সবাই ভাবে আমি শক্ত কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি তখন খুবই ভেঙে পড়ছিলাম। ঠিক সেই সময়ই দেবর ওয়েন পড়াশোনার জন্য শহরে চলে এলেন এবং আমাদের বাড়িতে উঠল। তখনও ভাবিনি ওর উপস্থিতি। ওয়েন ছোটবেলা থেকেই ভদ্র শান্ত স্বভাবের। বাড়িতে উঠেই সে আমার সব কাজে সাহায্য করতে চাইতো। জিনিসপত্র আনা কিছু নষ্ট হলে ঠিক করে দেওয়া কিংবা শুধু পাশে বসে কথা বলা। প্রথমদিকে ওকে দেবরের মতোই দেখতাম মানে ভাইয়ের মতো। কোন আলাদা কিছুই মনে হয়নি। কিন্তু যেদিন অফিস থেকে খুব ক্লান্ত হয়ে ফিরে দেখলাম রান্না হয়ে আছে। টেবিল সাজানো আর ওয়েন হেসে বলল ভাবী আপনিই তো সবসময় আমার খেয়াল রাখেন আজ আপনার জন্য কিছু করলাম সেদিন একটু যেন অন্যরকম অনুভূতি হলো। সেই যত্নটা আমাকে অদ্ভুতভাবে ছুঁয়ে গেল। কিন্তু তখনও বুঝিনি ভবিষ্য। একদিন রাতে জোরে বৃষ্টি হচ্ছিল। বাইরে প্রচণ্ড অন্ধকার। লাইটও চলে গেল। আমি একটু ভয় পেয়ে বারান্দায় দাঁড়ালে ওয়েন টর্চ নিয়ে এসে বলল ভাবী ভয় লাগছে নাকি? তার কণ্ঠে ছিল অদ্ভুত শান্তির অনুভূতি। আমরা দুজন বারান্দায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টির শব্দ শুনছিলাম। আমাদের মাঝে কোনো কথা ছিল না। তবুও নীরবতার ভেতর একটা অদৃশ্য সেতু তৈরি হচ্ছিল। ওর সরল শান্ত স্বভাবের কাছে আমি ধীরে ধীরে খোলা বইয়ের মতো হয়ে যাচ্ছিলাম। আমার একাকিত্ব কমতে লাগল। তখনই বুঝলাম কিছু অনুভূতি চুপচাপ জন্মায় মানুষের বোঝার আগে। ওয়েন সবসময় বলে ভাবী আপনি একা সব করতে পারেন না। আমি কখনো সোজাসুজি স্বীকার করতাম না কিন্তু ওর কথার ভেতরে যে আন্তরিকতা ছিল সেটাই আমাকে শান্তি দিত। আমার অফিসের চাপ বাজার করা বাড়ির অসুবিধা সবকিছু ও নিজের দায়িত্ব মনে করে সামলাত। ধীরে ধীরে আমরা প্রতিদিন সন্ধ্যায় চা খেতে বসা শুরু করলাম। আমি অফিসের কথা বলতাম আর সে মন দিয়ে শুনত। আশ্চর্যের বিষয় আমার স্বামী বিদেশে থাকার পরও আমি কখনো এত খোলামেলা কারো সঙ্গে কথা বলিনি। যেন ওয়েন বুঝতো আমার প্রতিটি ক্লান্তি প্রতিটি অদেখা অভিমান। একদিন অফিসে একটা ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে খুব মন খারাপ ছিল। বাসায় ফিরেই কান্না চলে এল। ওয়েন হঠাৎ বলে ফেলল ভাবী আপনি চাইলে সবকিছু আমার সাথে বলতে পারেন। এত সহজভাবে বলা কথাটা আমাকে ভীষণ ছুঁয়ে গেল। ওয়েন আমার পাশে বসল শান্তভাবে বলল যে আমি একা নই। তখনি প্রথম বুঝলাম ও শুধু দায়িত্ববোধ থেকে আমার যত্ন নিচ্ছে না। কিছু একটা আরও গভীর অনুভূতি জন্ম নিচ্ছে ওর ভেতরে। আর আমার মধ্যেও। কিন্তু সম্পর্ক সমাজ আমার স্বামীর প্রতি দায়িত্ব সব মিলিয়ে নিজেকে আটকে রাখলাম। তবুও মনকে বুঝানো যায় না। আমি নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা শুরু করলাম কম কথা বলা প্রয়োজন ছাড়া মুখোমুখি না হওয়া সন্ধ্যায় চা খাওয়াও বন্ধ করলাম। কিন্তু ওয়েন বুঝে ফেলল। সে কষ্ট পেয়ে জিজ্ঞেস করল ভাবী আমি কি কোন ভুল করেছি? তার চোখে সত্যিকারের উদ্বেগ দেখলাম। আমি কোন উত্তর দিতে পারলাম না। নিজের মনকে দমন করতে গিয়ে আরও অস্থির হয়ে উঠলাম। যত দূরে যেতে চাই ও তত কাছাকাছি এসে দাঁড়ায় কথা না বলেও। তার শান্ত চোখ ভরসা দেওয়া স্বভাব সবকিছু আমাকে প্রতিদিন আরও নরম করে দিচ্ছিল। দূরত্ব বজায় রাখা যেন অসম্ভব হয়ে যাচ্ছিল। এক রাতে ওয়েন আমাকে বলল ভাবী আপনি চাইলে আমি এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাব। কিন্তু আপনার কষ্টটা দেখতে পারি না। আমি অবাক হলাম কারণ সে শুধু তার অনুভূতির কথা বলেনি আমার অবস্থাটা বুঝেও। আমি স্বীকার করলাম তুমি চলে গেলে আমি আরও একা হয়ে যাব। এই সহজ বাক্যটা বলতেই নিজেকে ভয় লাগল। কিন্তু সত্যি তো ওয়েন আমার জীবনের একাকিত্ব ভরাট করে ফেলেছিল। ও শুনে শুধু বলল আমি কখনো আপনাকে কোন ভুল পথে নিয়ে যাব না ভাবী। শুধু আপনাকে ভালো রাখতে চাই। সেই রাতেই প্রথমবার বুঝলাম এটা শুধু যত্ন নয় সম্পর্কের মতো এক গভীর বিশ্বাস। আমাদের মধ্যে কোন অনুচিত কাজ হয়নি কিন্তু অনুভূতির ভার দিনে দিনে বেড়ে যাচ্ছিল। আমি জানতাম সমাজ এসব মানে না পরিবারে ঝড় বয়ে যাবে। তাই নিজেকে কঠোরভাবে বললাম সব ঠিক করতে হবে। ওয়েনকে দূরে রাখতে চাইলে ওর ভবিষ্যতের কথা ভাবতে হবে। ওর পড়াশোনা ক্যারিয়ার স্বপ্ন এসব কিছু তো দমিয়ে দেওয়ার মতো অনুভূতি আমাদের ছিল না। আমি ওকে পরামর্শ দিলাম অন্যত্র হোস্টেলে থাকতে। ওয়েন খুব কষ্ট পেল কিন্তু বলল যদি আপনার ভালোর জন্য হয় আমি যাব। ওর এই সম্মান আমাকে আরও দুর্বল করে দিল। ওয়েন চলে যাওয়ার আগের রাতে আমরা দুজন রান্নাঘরের আলোয় নীরবে বসেছিলাম। কেউ কিছু বলছিলাম না। শুধু অনুভব করছিলাম কখনো কখনো মানুষ মানুষের জীবনে এসে খুব কিছু দিয়ে যায় আবার নিশব্দেই সরে যায়। ওয়েন বলল ভাবী আপনার প্রতি আমার সম্মান কখনো কমবে না। আপনি চাইলে আমি সারাজীবন দূরেই থাকব। আমি শুধু বললাম তোমার ভবিষ্যৎটাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই রাতটার নীরবতা আমার জীবনের সবচেয়ে গভীর শিক্ষার রাত ছিল ভালোবাসা মানেই কাছে থাকা নয় কখনো কখনো দূরত্ব তৈরি করার মধ্যেও ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে। আজ অনেক বছর পর সেই দিনগুলোর কথা ভাবলে বুঝি আমাদের অনুভূতি ভুল ছিল না শুধু জায়গাটা ছিল ভুল। ওয়েন আজ সফল নিজের জীবনে ব্যস্ত মাঝে মাঝে উৎসবে বাড়ি আসে ভদ্র দূরত্ব রাখে আমিও ঠিক তাই করি। আমার স্বামী এখনও বিদেশেই থাকে কিন্তু আমি অনেক শক্ত হয়েছি। সেই সময় যদি ওয়েন আমার পাশে না থাকতো হয়তো ভেঙে পড়তাম। কিন্তু আমরা দুজনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা সম্পর্কের প্রকৃতি বদলেছি সম্মান বজায় রেখেছি আমি অনামিকা আজও মনে করি ভালোবাসা যদি পবিত্র থাকে দূরত্ব তাকে নোংরা করতে পারে না। ওয়েন হোস্টেলে চলে যাওয়ার পর বাড়িটা আবার সেই পুরনো নীরবতায় ভরে গেল। রান্নাঘরে ঢুকলেই মনে হতো আজ কেউ না কেউ এসে বলবে ভাবী একটু চা দেবেন? সেসব আর নেই। আমি অফিস থেকে ফিরে স্বাভাবিক হতে চাইলাম কিন্তু কোথাও একটা শূন্যতা আমাকে গ্রাস করত। বুঝলাম ওয়েন আমার জীবনে বন্ধুর মতো জায়গা করে নিয়েছিল। ওর অনুপস্থিতি মানে শুধু কাজের ভার না মনেও একটা চাপ। তবুও নিজেকে শক্ত রাখতে শিখলাম। কখনো ফোন করতে ইচ্ছে হলেও নিজেকে আটকে রাখতাম কারণ দূরত্বটাই সঠিক ছিল। ওয়েন চলে যাওয়ার পর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমাকে নিজের সংসারটাকে আবার ঠিক করে তুলতে হবে। স্বামীর সাথে আগের তুলনায় বেশি কথা বলতে শুরু করলাম। ও ব্যস্ত থাকে বিদেশে তবুও আমার পরিবর্তনটা খেয়াল করল। মাঝে মাঝে রাত জেগে দুজনে গল্প করতাম পুরনো স্মৃতি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পরিবারের কথা। সবকিছু মনে হলো একসময় যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তা কমে আসছে। মনে মনে ভাবলাম হয়তো ওয়েনের আসা যাওয়া আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে মানুষের পাশে মানুষের মনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি চেষ্টা করছিলাম নিজের সংসারটাকে আবার পূর্ণ করতে। কয়েক সপ্তাহ পর হঠাৎ ওয়েনের মেসেজ। খুব সাধারণ ভাবী কেমন আছেন? কিন্তু সেই কয়েকটা শব্দ মনকে অস্থির করে দিল। আমি বেশি কথা বাড়াইনি শুধু বললাম যে আমি ভালো আছি এবং ওর পড়াশোনা ভালোভাবে চালিয়ে যেতে বললাম। ও বলল তার ক্লাস ভালো চলছে সে নতুন বন্ধু পেয়েছে এবং ধীরে ধীরে মানিয়ে নিচ্ছে। এটা শুনে অদ্ভুত স্বস্তি পেলাম। বুঝলাম ও আমার কারণে তার জীবন থামিয়ে রাখেনি। কিন্তু একই সাথে নিজের মনকে আবার বোঝাতে হলো আমাদের জায়গাটা আলাদা পথ আলাদা। গ্রামের আত্মীয়রা মাঝে মাঝে জিজ্ঞাসা করত ওয়েন তো তোমাদের সাথে থাকত কোথায় গেল? আমি হাসিমুখে বলতাম হোস্টেলে উঠেছে পড়াশোনার জন্য কিন্তু সেই হাসির ভেতরে কত কথা লুকানো থাকত। কাউকে তো বলা যায় না কেন দূরত্ব দরকার হয়েছিল। সমাজ সবসময় গল্প খোঁজে ব্যাখ্যা নয়। তাই নিজেকে আরও শক্ত করে তুললাম। বুঝলাম নির্মল সম্পর্ক ভুল বোঝাবুঝির শিকার হতে পারে। তাই সঠিক সিদ্ধান্তটাই নিয়েছি এভাবেই থাকাই ভালো। নিজের মনের আবেগ কে নিয়ন্ত্রণ করা শেখা ছিল আমার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। আমি অফিসে নতুন প্রজেক্ট হাতে নিলাম। ব্যস্ততা বাড়তে মাথায় ভেতরের চিন্তাগুলো অনেকটাই কমে গেল। নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবা শুরু করলাম একা একাই বাজার করা রুটিন তৈরি করা সবকিছু যেন নতুনভাবে শুরু হলো। মাঝে মাঝে মনে হতো ওয়েন থাকলে হয়তো বলত ভাবী এত দৌড়াদৌড়ি আপনার জন্য ভালো না। সেই চিন্তা মিষ্টি ব্যথা তৈরি করত। কিন্তু বুঝলাম সব সম্পর্কই জীবনে থেকে যায় না। কিছু সম্পর্ক শিক্ষা দেয় কিছু দেয় শক্তি। ওয়েন আমাকে আমার নিজের মূল্যবোধ ফিরিয়ে দিয়েছে। ওয়েনের মা একদিন ফোন করে বললেন বৌমা ওয়েন নাকি অনেক বদলে গেছে। শান্ত হয়ে গেছে। আমি শুধু বললাম হ্যাঁ মা ও এখন খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ছে। তিনি আরও বললেন ওয়েন নাকি মাঝে মাঝে আমাকে খুব সম্মানের সাথে কথা বলে। শুনে বুকটা কেপে উঠল। আমি বুঝলাম আমার প্রতি ওর শ্রদ্ধা এখনো আছে। কিন্তু সেই শ্রদ্ধাই আমাদের সম্পর্ককে সঠিক জায়গায় ধরে রেখেছে। এখন আর কোন অপরাধ বোধ নেই শুধু একটা নীরব স্বীকারোক্তির মতো মনে হয় মানুষের জীবনে কিছু মানুষ আসে দায়িত্ব শেখাতে সীমা শেখাতে। হঠাৎ একদিন স্বামী জানালো সে ছুটি কাটাতে দেশে আসবে। খবরটা শুনে আমার বুক ধুকপুক করতে লাগল। এতদিন পর ওকে সামনে দেখলে কেমন লাগবে? আমি প্রস্তুতি নিতে শুরু করলাম বাড়িঘর গোছানো রান্না শেখা নতুন জামা সবকিছু। কিন্তু একটা প্রশ্ন মনকে কাটছিল আমি কি আগের মতো অনুভব করতে পারবো? ওয়েন চলে যাওয়ার পর যে শূন্যতা ছিল সেটা কি এখন পূর্ণ হবে তবুও ভেবেছিলাম এটাই তো আমার প্রকৃত জীবনের পথ। আমাকে এই সম্পর্ককেই শক্ত করতে হবে। স্বামী দেশে ফেরার আগের দিন ওয়েন হঠাৎ বাড়িতে এল কিছু জিনিস আনতে। আমাকে দেখে হাসল সেই শান্ত ভদ্র হাসি। বলল ভাবী শুনলাম দাদা আসছেন তাই দেখা করতে এলাম। আমরা কয়েক মিনিট কথা বললাম। ও বলল সে এখন অনেক ভালো আছে ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখছে। আমি বললাম তোমার জীবনটা সুন্দর করে গড়ে নাও। ওয়েন তোমার পথ সোজা হোক। ও মৃদুস্বরে বলল আপনি যতদিন ছিলেন আমার পথ ভুল হয়নি ভাবী। সেই কথাটা এত গভীর ছিল যে আমি চোখ নামিয়ে ফেললাম। এটাই ছিল আমাদের সম্পর্কের সবচেয়ে সুন্দর কিন্তু নীরব বিদায়। স্বামী দেশে ফিরল। ওকে দেখে বুঝলাম দূরত্ব আমাদের দুজনকেই বদলে দিয়েছে। ও এখন বেশি মনোযোগী বেশি যত্নবান। আমরা একসাথে সময় কাটাতে শুরু করলাম হাঁটা বাইরে খাওয়া ভবিষ্যতের পরিকল্পনা। আমি বুঝলাম আমার ভেতরে যে শক্তি তৈরি হয়েছে তা এই সম্পর্ককেই আরও দ্বী করছে। আমি ওয়েনকে ভুলে যাইনি। কিন্তু আমার মনে আর কোন টান নেই। শুধু কৃতজ্ঞতা আছে কারণ সে আমাকে একসময় ভরসা দিয়েছিল আর আজ আমি নিজেই নিজের ভরসা। আজ যখন সবকিছু পিছনে তাকিয়ে দেখি তখন বুঝি মানুষের জীবনে দুটো পথ থাকে আবেগের পথ আর দায়িত্বের পথ। আমি দায়িত্বের পথটাই বেছে নিয়েছিলাম আর সেটাই সঠিক ছিল ওয়েনের প্রতি আমার অনুভূতি কখনো খারাপ ছিল না শুধু ছিল অসময়ের ভুল জায়গার। আমরা দুজনই ভুল পথে হাঁটিনি এটাই আমাদের সম্পর্কের সবচেয়ে পবিত্র দিক। আমি আজ শক্ত পরিণত এবং নিজের জীবনে স্থির এই গল্প আমি অনামিকা সবসময় মনে রাখব কারণ এই গল্প আমাকে মানুষ হিসেবে আরও বড় করেছে। বন্ধুরা গল্পটি ভালো লাগলে ভিডিওতে একটি লাইক আর চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখবেন এমন মজার মজার গল্প শোনার জন্য।

New Emotional Story | Banglagolpo | Romantic Golpo | 'Chotogolpo | Choti golpo Part 06#comedy #cid
Voice Of Sizuka
12m 29s1,696 words~9 min read
Auto-Generated
Watch on YouTube
Share
MORE TRANSCRIPTS


