Thumbnail for মঙ্গলের নামে আবারও অমঙ্গলের যাত্রা শুরু করছে বিএনপি সরকার | Elias_Hossain #bnp #পয়লা_বৈশাখ #চারুকলা by Elias Hossain 2.0

মঙ্গলের নামে আবারও অমঙ্গলের যাত্রা শুরু করছে বিএনপি সরকার | Elias_Hossain #bnp #পয়লা_বৈশাখ #চারুকলা

Elias Hossain 2.0

25m 41s3,482 words~18 min read
Auto-Generated

[0:00]আজকের এই আনন্দ শোভাযাত্রায় সবাই আনন্দের সাথে অংশগ্রহণ করেছে। এবং ফ্যাসিস্ট বিরোধী আজকের প্রথম বাংলাদেশে প্রথম নববর্ষ উদযাপন করছে। প্রত্যেকটি স্তরের প্রত্যেকটি মানুষ আনন্দের সাথে এই আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণ করেছে। এই আনন্দ শোভাযাত্রায় বাংলাদেশের সকল ধরনের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ এবং সকল মতাদর্শ এবং সকল জাতিসত্তার মানুষ কিন্তু আজকে আমরা দেখতে পেয়েছি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে যে সরকার যা করেছে সেটা তো আমরা ইন টোটাল রাখবো না। আমরা তো মনে করি যে এই মানে মঙ্গল শোভাযাত্রার পরিবর্তে আনন্দ শোভাযাত্রার দেশে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু এটা দেওয়ার কোন প্রয়োজন ছিল না। আমরা মঙ্গল শোভাযাত্রা এই নামটাই চলে আসছে। আমরা এই নামের আমাদের কোন মানে ইয়ে নাই এলার্জি নাই। যে মঙ্গল দিলে আমাদের ক্ষতি হবে। আনন্দ দিলে আমাদের লাভ হবে। আমরা আনন্দ মঙ্গলের এই বিতর্কটা অনর্থক মনে করি। আসসালামু আলাইকুম। নিতাই রায় চৌধুরী। রয়ের সুপ্রশিক্ষিত পরীক্ষিত একজন এজেন্ট। ভারতীয় কোটায় এবারের নির্বাচনে জয়ী হয়ে এসেছে তারপর তাকে মন্ত্রী বানানো হয়েছে। শুধু সে একা না। ভারতীয় এবার ২১ জন এমপি ছিল। আমি আপনাদের বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষের যে বলবো আপনার এলাকায় বিএনপির যে ক্যান্ডিডেট আছে যিনি পাশ করেছেন তিনি তো হয়তো এখন স্বীকার করবেন না। সম্ভাব্য প্রার্থী যারা ছিল যারা মনোনয়ন পায় নাই সবার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন নির্বাচনের আগে তাদের কাছে বিশেষ একটা নাম্বার থেকে ফোন এসেছিল এবং আমি তিন-চার জনের কাছে শোনা তিন-চার জনের নাম্বার মিলায়ে আমি ওই সেম নাম্বারই পেয়েছি। ওই নাম্বার থেকে ফোন করে সবাইকে বলা হয়েছে যে আপনি আমাদের হয়ে যদি কাজ করেন তাহলে আপনার মনোনয়নের ব্যাপারে আমরা বিএনপিকে ইয়ে করবো। আমি জানি না আমার কাছে স্বীকার করেছে যে তারা নাকি স্বীকার করে নাই তাদের সাথে। হইতে পারে হয়তো করেছে আমার কাছে বলেছে মনোনয়ন পাই নাই এইজন্য হয়তো আমার কাছে বলেছে যে আমরা স্বীকার করি নাই। তো স্বীকার করে নাই তারপরে তাদের মনোনয়ন পেতে হয়েছে। এরকম বিএনপিতে টোটাল ২১ জন আছে। এর বাইরে আছে কিনা জানি না আমি ২১ জনের কথা জানি। এই ২১ জনের জন্য আবার হিন্দুদের যেসব নেতা আছে বিশেষ করে উগ্র নেতা এই যে গোবিন্দ প্রামাণিক থেকে শুরু করে আপনার ওর নাম কি সন্তোষ শর্মা। এরা মাঠে মাঠে গিয়ে একদম প্রতিটি এই আসনে আসনে গিয়ে তাদের যে সংখ্যালঘু ভোটার আছে তাদেরকে নিশ্চিত করেছে যে তারা যেন অবশ্যই ধানের শেষে ভোট দেয়। সেই ভোট নিয়ে আও এই নিতাই রায় চৌধুরীরা পাশ হয়ে আসতে পারে নাই। তাদেরকে পাশ করানো হয়েছে। পাশ করানো হয়েছেই মন্ত্রী বানানোর জন্য এবং মন্ত্রী বানানো হয়েছে এই কাজ করার জন্য। কি কাজ করার জন্য? তিনি একটা বক্তব্য দিয়েছেন শুনে খুব মনে হবে যে আহা খুব গোবেচারা টাইপের। এরা প্রশিক্ষণ নিয়ে আসে। ভারত থেকে এদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কথা কিভাবে বলতে হবে। খুব ম্যামাদের মনে হবে কিছু এই যে প্রথম আলো দেখেন না ডেইলি স্টাররা দেখেন না মনে হয় কিচ্ছু বুঝে না। এদেরকে এভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তারা এসে তিনি কালকে বললেন যে দুইটা নামের মধ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা আর আনন্দ শোভাযাত্রা এই দুইটা নামের মধ্যে কোন পার্থক্য তিনি দেখেন না। এই বিতর্কে তিনি যেতে চান না। বিতর্কে তোরে যাইতে বলছে কেরে শালার রয়ের বাচ্চা। তোরে বলছে কেউ বিতর্কে যাইতে। গত বছর এটা আনন্দ শোভাযাত্রা হিসেবে পালিত হয়েছে। এই বছর আনন্দ শোভাযাত্রা হিসেবে পালিত হয়েছে। তোরে বিতর্কে বিতর্কে তোকে যেতে বলছে কে। এখন তর্ক যদি করতে চান তর্কের খাতিরে খুব সুন্দর একটা তর্ক হইতে পারে। ভাই আগে তো মঙ্গল শোভাযাত্রা হইত। গত বছর এটা চেঞ্জ করেছে। আমরা কনভার্ট হইতে চাই না আমরা রিভার্স যদি হইতে চান তাহলে রিভার্ট হন। রিভার্ট হইতে হবেন। হইলে আপনি যাবেন এই যে যে ছবিটা দেখছেন এইটা আপনার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে প্রথম চারুকলা যখন কিনা ইয়ে করে ১৩৯৬ বাংলা তখন তারা আনন্দ শোভাযাত্রা নামে ইয়ে করেছে।

[4:03]ছবিটা সুন্দর করে যদি আপনারা দেখেন আপনারা গুগলে সার্চ দিলে অনেকগুলো ছবি পাবেন ওই সময়ের। এই ছবিটার ভিতরে একটু দেখেন তো। কোন মানুষের হাতে বা কোন জায়গায় কোন প্রতিমা, কোন কার্টুন, কোন মূর্তি, কোন পশুপাখির কোন অবয়ব কোন কিছু দেওয়া হয়েছে? সবাই মাথার মধ্যে ওই যে অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটা ইয়ে ছিল ওইটা পড়েছে, পড়ে এসে তারপরে এই ক্যাপ মতো ওইটা পড়ে তারপরে তারা আনন্দ শোভাযাত্রা করেছে। আনন্দ শোভাযাত্রা কেন? বাংলা নববর্ষ আমরা যেহেতু বাংলাদেশি সে হিসেবে আমরা বাংলাদেশের ইয়ে করবো। কিন্তু এটাকে কেন্দ্র করে আমরা ধরেন আমরা তারপরে মঙ্গল শোভাযাত্রা মঙ্গল কথাটাও তো মঙ্গল তো ভালোই তাই না শুনতে ভালো লাগে না। আমাদের কোন সমস্যা ছিল না। আমরা এতদিন ধরে এগুলো পালন করে এসেছি। এই ভারত এবং আওয়ামী লীগ তারা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে যে না এগুলো করা যাবে না কারণ এগুলো করিয়ে তোমাদেরকে দিয়া তারপরে মূর্তি পূজা করানো হচ্ছে। কেমনে করানো হচ্ছে আমি আপনাদেরকে একটু বলি। আমি আজকের প্রোগ্রামটা করতে পিনাকি দাদার একটু সহযোগিতা নিয়েছি উনি এই বিষয়গুলো নিয়ে আগে একবার কথা বলেছিলেন। উনার ভিডিও দুইটা ভিডিও আমি দেখেছি ভিডিওগুলো দেখে সেখান থেকে কিছু বক্তব্য আপনাদেরকে আমি ব্যবহার করবো। আচ্ছা সেখানে একটা গান আমরা দাদার মুখ থেকে এই যে নববর্ষের যে গানের মাঝখানে যে কথাগুলো বলে দাদার মুখ থেকে একটু শুনি আপনারা শুনেন আগে। পয়লা বৈশাখে যে গানটা গায় সেটি কি আমরা গ্রহণ করতে পারি? পয়লা বৈশাখে উনারা বেনি দুলাইয়া গান গায় আর কি তার মাঝে ফুল টুলও গুঁজে দেয় আর কি। একটা দুইটা। তো কয় কি তারা কি গান গায় মনে আছে? গান গায় তাপস নিঃশ্বাসও বায়ে মূহুর্ষরে দাও উড়ায় বছরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক এসো এসো। অগ্নি স্নানে সুচি হোক ধরা যা কিছু পুরাতন সেটাই কি জীর্ণ হোক। তাই আমরা তো পুরান আদিনে দিন আরও পুরানা হই তাই না। শেখ মুজিবও তো পুরানা মুক্তিযুদ্ধও তো পুরানা তাই না। বাংলাদেশও তো পুরানা ৫০ বছর হইয়া গেছে। আজান মঞ্জিলও তো পুরানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও তো পুরানা তাই না। কানতোজির মন্দিরও তো পুরানা তো ওইটারে কি আমরা উড়াইয়া দেব হ্যাঁ। যা কিছু পুরানো সেগুলো তো আমাদের স্মৃতি সেটা আমাদের ইতিহাস। সেটা আমরা আজকে যা হয়ে উঠছি সে হইয়া উঠার ইতিহাস। এই পুরানোরে কি আমরা ভাসাই দিতে পারি পারি না তো মূহুর্ষকে আমরা উড়াই দিতে পারি পারি না তো তারে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। মূহুর্ষরে আমাদের রক্ষা করতে হবে। অগ্নিস্থানে পৃথিবীরে সুচি করতে হবে। তার মানে পৃথিবী কি অসূচি অপবিত্র পৃথিবী তো অসূচি অপবিত্র না। যে তারে আগুনে পুড়াইয়া পবিত্র বা সুচি করাইতে হবে। আগুনে দিয়া পুড়াইয়া সুচি করায় তো অগ্নি উপাসকেরা। আমরা কি অগ্নি উপাসক। আদার বা অপর অন্য সে আপনার দুনিয়াকে অপবিত্র বা অসূচি কইরা রাখছে। আপনি তারে জ্বালাইয়া পুড়াইয়া দিয়ে পবিত্র করবেন। এইটা হইতেছে ওয়ার অ্যান্ড টেররের প্রজেক্ট। আপনারা এই গানটারে মোটিভ বানান। আপনারা এই গানটারে থিম বানান এই গানটার গান। মূল মোটিভে চোখ খুব বড় বড় কইরা ভয় দেখানি ঝলঝলে সূর্য থাকে। যাই হোক বুদ্ধি আছে হাতে তো কার্পেট বোমা নিয়ে সহযাত্র করা যায় না তাই না। এইভাবে ওয়ার অ্যান্ড টেরর গলাইতেছে ওয়ার অ্যান্ড টেরর জিন্দাবাদ তো কইতে পারেন না তাই কন অগ্নি স্নানে সুচি হোক ধরা বাহ কি চমৎকার বুদ্ধি। দেখেন গানটা শুনতে তো খুব ভালো লাগে। আমরা ছোটবেলা থেকে আমি নিজেও তো এই গান খেয়েছি বোধহয় মানে মনের অগোচরে। যে এসো হে বৈশাখ এসো এসো কি সুন্দর আহা কি সুন্দর অসাম্প্রদায়িক একটা গান আমরা শুনি। বৈশাখ মাস আসলে এই গান যদি না বাজে তাহলে তো বাঙালি পোনাই তো আর থাকবে না। এই বাঙালীত্বই পুরা নষ্ট হয়ে যাবে এটা মনে করে আমরা গেয়েছি। কোন সমস্যা নাই কিন্তু এখানে। বাট তারা যে সুকৌশলে এই যে জাতীয় সংগীতের মতো এটার ভেতরে সুন্দর করে তাদের মায়েদেরকে আপনার সুন্দর করে এই কি বলে পূজা-টুজা করার যা কথাবার্তা সবকিছুই কিন্তু এখানে ঢুকানো আছে। এখন এই যে জিনিসগুলো যে বিতর্কগুলো যে আসলো এই বিতর্কগুলো কেন? আমাদেরকে এতদিন ধরে আমরা কিন্তু এগুলোর কোন কিছু আমরা হিসাব করি নাই। সেই ৭১ থেকে শুরু করে আজকে পর্যন্ত প্রতিটি জায়গায় তারা নানান নামে নানান মোড়কে নানান প্যাকেজের মাধ্যমে আমাদেরকে ভেতরে একই মত দিয়া তারপরে ডিসপ্লে করেছে। আমাদের সামনে এনে দিয়েছে আমরা সামনে উপরে দেখেছি ওয়াও এটা তো হ্যাঁ এই যে বাংলা বাঙালি আমরা বাঙালি বোঝেন না বাঙালি বলে তারপরে আমাদেরকে ঢুকাইয়া দেওয়া হইছে। আমি আপনাদের খুব মানে মানে স্পর্শকাতর একটা একটা বিষয় নিয়ে কাজ করছি আমি ওইটা নিয়ে আমি ওইটা নিয়ে পড়ছিও আমি আপনাদের একটা জিনিস দেখাই মানে কতটুকু কত ভয়ঙ্কর একটা জিনিস। আপনাদের যার বাসায় আপনার এই এইটা আছে এই যে এই বইটা এই বইটার এইগুলোর এরকম আরও ১৪টা খন্ড আছে। আপনার বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র তৃতীয় আমি যেটা দেখালাম এটা তৃতীয় খন্ড। তো তৃতীয় খন্ডের ভেতরের আমি আজকে একটা জিনিস আপনাদেরকে ভাই এগুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। আমাদের এই ৫৫ বছরে এই জিনিসগুলো আমাদেরকেও ঘাটেও নাই ওরা ওদের মতো করে তারপরে এনে আমাদেরকে যা দেখিয়েছে যা বুঝিয়েছে আমরা সেটাই বুঝেছি। ভাই আপনার মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ভীষণ রকমের দুর্বলতা আছে ভালোবাসা আছে ভাই আমার কোন সমস্যা নাই। আমারও আছে রিয়েল মুক্তিযোদ্ধা যে তার প্রতি আমারও আছে। যদি না কেউ বীরাঙ্গনা হয়ে থাকে তার প্রতি আমার ভালোবাসা আছে বাট সব তো ভোগাছ। এই ভোগাছ গল্প আমাদেরকে শেখানো হয়েছে। দেখেন মুক্তিযুদ্ধের চার মূল নীতি আমরা কি শুনেছি? অসাম্প্রদায়িকতা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বাবারে বাবা অসাম্প্রদায়িক। আমারে দেখান তো মুক্তিযুদ্ধের আগে থেকে ২৩ বছরের যেই এই পাকিস্তান বিরোধী আমাদের যত আন্দোলন হয়েছে। আপনি বলেন তো কোন এক জায়গায় কোন এক নেতা কোন এক দফায় শেখ মুজিবের ছয় দফাও তো আছে। কোনদিন বলেছে যে আমরা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই। অবাক হয়ে যাবেন ভাই এগুলি যত পড়াশোনা করি পাগল হয়ে যাই। এইখানে মুক্তিযুদ্ধের যে ঘোষণাপত্র এই যে মুজিবনগরে আপনার ইয়েরা যে পড়লো। সেখানে ১৪ই এপ্রিল এটার ইয়েটা স্বাধীন বাংলার সংগ্রামী জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের যে যে প্রবাসী সরকারটা গঠিত হল তাদের প্রথম বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটা ইয়ে। আমি এটা নিয়ে কাজ করছি আপনারা বিস্তারিত এটা পরে জানবেন আমি শুধু একটা জিনিস আপনাদের বলি। সেইখানে তারা এই নির্দেশাবলী বলতে গিয়ে প্রথম যেই শব্দটা সেই শব্দটা তারা ব্যবহার করেছে আল্লাহু আকবার। এই যে দেখেন। এইটা একদম উপরের লাইনটা এই স্ক্রিনশট নিয়ে আপনারা এটা একটু দেখেন। তো এটাই না শুধু একদম এই এই এটা হচ্ছে তৃতীয় খন্ডের আমি ১৮ নম্বর পৃষ্ঠাতে আছি আপনারা একটু দেইখা নিয়েন। মানবতার বিরুদ্ধে হানাদার বাহিনী দানবীয় শক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তাদের সহায় আধুনিক মরণাস্ত্র আর আমাদের সহায় পরম করুনাময় সর্বশক্তিমান আল্লাহ তা'আলা।

[11:24]শুনছেন কোনদিন? এটা মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র ভাই এটা আমার মানে কারো লেখা বই না সরকারের মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র। এটা আপনি চাইলেই ইয়ে করতে পারবেন না। বাট অনেক কিছু যেমন এই যে ঘোষণাপত্রের শুরু করেছে কোরআনের আয়াত দিয়া। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে শেষ করেছে কোরআনের আয়াত দিয়া আল্লাহু আকবার বলে তারপরে শেষ করেছে। এটা মুক্তিযুদ্ধ। আমাদেরকে এখন শেখানো হইছে কি কিছু কিছু ভিডিও ফুটেজও আছে জয় বাংলা শেখ মুজিব শেখ মুজিব আরে বেটা শেখ মুজিব তোরে লাগায় নাই কেউ। ওই সময় শেখ মুজিব তোরে ইয়ে করছে কেউ ওইটা যেটা হইছে বিএলএফ যেটা তোরে ওই যে দেড়াধুনে নিয়ে ট্রেনিং দেওয়া হইছে। ট্রেনিং দেওয়া ওইখানে কিছু জায়গায় তারা এই ট্রেনিংগুলোর ভেতরে তোমরা মুজিব বলো মুজিব এ মুজিব মুজিব ইয়ে করছে। বাট মুজিবের কিছুতো ছিলই বাংলাদেশের মানুষ মুজিবের অবর্তমানে মুজিব তো করে যায় নাই। সে তো ঘোষণা দিয়েও যায় নাই সে যুদ্ধও চায় নাই সে স্বাধীনতাও চায় নাই। এটা আপনারা অনেকবার অনেক জায়গাতে দেখেছেন যে বিশ্বাস করে না তারে বিশ্বাস করানো যাবেও না। বাট আপনারা যারা নিরপেক্ষ তারা জানেন এটা। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ কিন্তু তার অবর্তমানে মানুষের আবেগ দিয়ে একদম সর্বোচ্চ ভালোবাসা শেখ মুজিবের প্রতি দেখিয়েছিল। সেই শেখ মুজিব পাকিস্তান থেকে ফিরে এসে তারপরে ভারতের জন্য কি করেছে? তারপরে পাকিস্তানের হয়েও তারপরে আবার ফের পরে কি করেছে? মানুষকে কিভাবে হত্যা করেছে? মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এখন এই যে কিছু কিছু গাঁজাখোর ইয়ে করে না। গত দেড় বছর নাকি মুক্তিযোদ্ধাদের বিশাল অসম্মানিত করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান তো তোর বাপ করে গিয়েছে সবার আগে। তোর বাপ ১৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে মারছে যারা জাসদের ছিল।

[13:18]১৫ হাজার তোর বাপ এই সিরাজ সিকদার। তোর বাপ কি মুক্তিযোদ্ধা ছিল না। সিরাজ সিকদারের ক্রসফায়ার দিছে তোদের এই শেখ মুজিব বাপ। এমনে মারে নাই। এমনে মানুষ কেউই তার তোর বাপরে মরে নাই। মরেছে তারপর মুখের মধ্যে লাথি দিতেও যায় নাই কেউ। কেন যায় নাই এমনেই যায় নাই বাংলাদেশের মানুষ ভালোবাসা দিয়েছে শেখ মুজিবকে। সেই শেখ মুজিবকে বড় বানিয়েছে এই এরা। কেন বানিয়েছে? কারণ হলো তারা মুজিব বাদ দিয়ে একটা জিনিস প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছে এই দেশে অসাম্প্রদায়িক সেই যে কংগ্রেসের যে ইয়ে আপনার ভারতের সংবিধান যেটা ওরা করতে পারে নাই ভারতে সেই অসাম্প্রদায়িক চেতনারে বাংলাদেশের উপরে চারটা মূলনীতি হঠাৎ করে চলে আসলো। আপনি শেখ মুজিব যেদিন দেশে আসলো সংবিধান বাতিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাতিল শেখ মুজিব আসার পরে সরকার পদ্ধতি বাতিল সব বাতিল। তিনি এখন প্রধানমন্ত্রী হয়ে সর্বোচ্চ ক্ষমতা নিবে। রাষ্ট্রপতি হওয়ার দরকার নাই। তাজ উদ্দিন আমি কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হব। এ ট্রাকের মধ্যে চড়ে বলেছে ইয়ে থেকে আসার ভারত থেকে আসার সাথে সাথে ১০ তারিখ। এই হলো গিয়া আমাদেরকে এইভাবে ইয়ে করা হয়েছে। এখন আজকে আমাদের যে আলোচনা সেটাতে যাই। আমরা কেন এই মঙ্গল শোভাযাত্রার নামে এই যে ভারতীয় যে আগ্রাসন সাংস্কৃতিক তাদের ধর্মীয় যেই ধর্মকে আমাদেরকে দিয়ে পালন করানো হচ্ছে এটা কেন বলছি চলেন এটা এখানে থাকি। এখন ধরেন প্রথম কথা হচ্ছে যেই অনুষ্ঠানটা হয়। আপনি ধরেন কিনা যে দুই দিক থেকে যদি নাকি আপনার এই যে ভিডিওগুলো যদি আপনি একটু চালান আপনি একটা ভিডিও চালাবেন মূর্তি পূজা চলেন ওদের পূজা গুলো চলে না দুর্গাপূজা লক্ষ্মী পূজা বিভিন্ন পূজা হয় না ওদের এই পূজাগুলোতে যাবেন। পূজার একটা ভিডিও ফুটেজ চালাবেন। আর নববর্ষের একটা ভিডিও ফুটেজ চালাবেন। চালানোর পরে আপনার কাছে যদি কোন পার্থক্য মনে হয় তারপরে আপনি বললেন যে হ্যাঁ আমার কাছে পার্থক্য মনে হয়েছে।

[15:26]আচ্ছা এই যে ঢোল বাজাবাজি দুই দুইটা ইয়ের মধ্যে আপনার কাছে কোনো জায়গায় পার্থক্য মনে হয়েছে যে ওদের পূজাটাকেই আমাদের এখানে পূজা করানো হচ্ছে আমাদেরকে দিয়া। তারপরে সমস্যা নাই ঢোলটা বাংলাদেশের সাথে যায়। এই যে ছায়ানটের সকালবেলা যায় তারপরে আহা সেই যে রবীন্দ্র সংগীত বাংলাদেশের কোন বাঙালির ঐতিহ্যের মধ্যে রবীন্দ্র সংগীত আছে আমারে বলেন। আমার ভিডিও যে ক'জন মানুষ দেখেন আপনার জীবনে কোন দিন কবে যায় রবীন্দ্র সংগীত শুনছেন রবীন্দ্র সংগীত এই ভারতীয় এই এজেন্ট গুলো একমাত্র তাদের বাসায় সকালবেলা শোনায়। এরা এটা বিশাল আকারে আহা রেশি কি গান রে এগুলি এই করে। এটা ওদের বানানো। এইখানে যেই প্রাণীগুলো তৈরি করা হয়। চিন্তা করেন কত সুকৌশলে আপনার এটা করা হয়। প্যাঁচা আমার বাঙালি ঐতিহ্যের সাথে কি? প্যাঁচাকে কেন বাঁচাই করা হয়েছে? প্যাঁচা হচ্ছে ওদের লক্ষ্মীর বাহন। আচ্ছা ময়ূর ময়ূর হইছে ওদের কি? এক হলো জাতীয় ভারতের জাতীয় পাখি। আরেক হল গিয়া এটা হল ওদের কার্তিকের বাহন। সূর্য সূর্য দেখবেন বড় করে সূর্য করে একটা কারণ কি এটা ওদের এটাকে ওরা পূজা করে। এটা তো এগুলি তো খালি ধর্মীয়ভাবে আপনারে ঢুকানো হচ্ছে। তারপরে এটার সাথে আবার আওয়ামী লীগের যে বয়ান আওয়ামী লীগের যে রাজনীতি সেটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য কি কি করে আপনাদের আমি একটু দেখাই। ২০১২ সালের আমি আমি কয়েকটা ইয়ে দেখলাম। ২০১২ সালে সেখানে লেখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের রাজাকারের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের অনিঃশেষ। বুঝছেন? তারপরে পরের বছরে একটা ইয়ে করা হয়েছিল। খালেদা জিয়ার মূর্তি বানানো হয়েছে। খালেদা জিয়ার মূর্তি বানায় তার হাতের মধ্যে পেট্রল বোমা দেওয়া হয়েছে। দেখেন এই ছবি দেখেন। এই পেট্রল বোমা দিয়া তারপরে পহেলা বৈশাখ পালন করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু করে সবখানে খালি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক খালি মুসলমানরা সারা দুনিয়ার মধ্যে খালি সন্ত্রাসী এগুলো করে বেড়ায়। এটাই তারা প্রমাণ করতে চেয়েছে এবং এই পহেলা বৈশাখও আমাদেরকে সেই একই জিনিস দিতে চেয়েছে। এখন সিদ্ধান্ত ভাই আপনাদের বিএনপির যে মানুষটা আজকে আপনাদের কাছে আমরা খুব শত্রু আপনাদের তো শত্রু মনে করি না। মানে খুব শক্তিশালী কিছু মনে করি না সেটা তো আবার আরেকটা জিনিস। বাট আমরা শত্রু না ভাই। আপনি যদি ইন্ডিয়ার হয়ে যদি নাকি চামচামি করতে চান আপনি মানে এখান থেকে সইরা যান। আপনারে নিয়ে আর কোন কথা নাই। বাট যদি মনে করেন না ভারতীয় আগ্রাসন থেকে বাঁচতে চান আমাদের সুরের সুর মিলায়ে কথা বলতে হবে। আজকের এই ভিডিওতে আবার অন্যভাবে বলতে পারতাম বললে আবার আপনারা বলবেন যে এই যে তারা এখন আবার মব সৃষ্টি করতে চায় মানুষকে নামাইতে চায়। নতুন ক্ষমতায় এসেছেন তাই কিছু বললাম না। শুধু সরকারকে বলবো বিএনপির লোকজনকে বলবো দায়িত্বশীল যারা আছেন আনন্দ শোভাযাত্রা আনন্দ শোভাযাত্রা নামেই যেন থাকে। এই আনন্দ শোভাযাত্রাকে মঙ্গল শোভাযাত্রা দিয়া এই যে এগুলি মানে আপনি নিউজগুলো দেখবেন। উসুর মুসুর সব সেই যেই হিন্দুদের পূজার দিন দুর্গাপূজার দিন আপনার বিসর্জন ইয়ে টিয়ে এগুলি হয় না। ওই সব ইয়েতে যেই ওয়ার্ডগুলো ইউজ করা হয় সেই একই জিনিস। আপনি কথা শোনেন তাদের এই যে ইয়ের আমি একটা জিনিস শোনাই আপনাদের। এদের কথাগুলো হলো কই যাবেন মানে তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমুর্ষরে দাও উড়ায় বছরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক অগ্নিস্থানে সুচি হোক ধরা। অগ্নিস্নানে সুচি হোক ধরা না। এগুলি কাদের নিজেরে জিজ্ঞেস করেন নিজের সন্তানদেরকে সামলান এবং এই যে ওরা এবার ইয়ে করবে না। এইটা যদি নাকি ওরা করতে চায় সরকার যদি ব্যবস্থা না নেয় এদেশের জনগণের সেই মানে কি বলবো অধিকার আছে আমাদের এই বাংলা নববর্ষকে এটা বাংলা নববর্ষ মানে আমরা বাংলাদেশি বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষ আমাদের। এটার মধ্যে যারা ধর্ম নিয়ে আসতে যাবে তাদেরকে প্রতিহত করা এটা আপনার দায়িত্ব। এরপরে ওদিকে ছায়ানটে এই যে উদিচি ছায়ানট এগুলি রমনা বটমূলে যেখানে ইয়ে করে না আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে বাংলাদেশের মানুষ ওরা আশেপাশে যাইয়া সাউন্ড বক্স বাজাবেন। ঢুলি ঢুলি এগুলি কোরআন শরীফ পাঠ করার দরকার নাই ভাই ওদের সংস্কৃতিকে সংস্কৃতি দিয়াই হবে। ওইখানে হাডুডু খেলা হবে গোল্লা ছুট খেলা হবে কানামাছি খেলা হবে এগুলো খেলা হবে। বাংলাদেশের মানুষরা খেললে ক্রিকেট খেলা হবে। গান বাজাবে এলরে বাংলাদেশে এই গান মান বাজাবেন ঢোল ঢোল বাজাবেন বাদ্যযন্ত্র হবে। ওদেরকে ওইখানে বসে গা গো সকালবেলা উইঠা তারপরে রাগ সংগীত রবীন্দ্রনাথের এই ইন্ডিয়ান রয়ের উদিচি ছায়ানট তারপরে পোষিকা এই যে এই প্রথম আলো ডেইলি স্টারের যেই গং এদেরকে এগুলো করতে দেওয়া যাবে না। এটা আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকলো এবার তো অনুরোধ করলাম এবারের অন্য কিছু করলাম না বাট সামনে সময় আসবে ইনশাআল্লাহ। এদেশের সময় আসবে পাছার নিচের চামড়া অগ্নির মতো লাল হয়ে যাবে। সেইদিন যেদিন আসবে সেটা খুব ভয়ঙ্কর হবে। তার আগেই আশা করি সরকারকে আমরা চাই না বেকায়দায় ফেলতে মব সৃষ্টি করতেও চাই না। কোন হুমকিও দিতে চাই না কিছুই দিতে চাই না। সুন্দরভাবে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে যেভাবে করা যায় সেভাবে এখানে প্রতিটা অনুষ্ঠানের ভেতরের এই শেখ হাসিনার পুরো সময়টাতে দাড়ি টুপিওয়ালা লোকজনকে সেখানে নাকি উসর হিসেবে দেখানো হয়। ওদের বলে মঙ্গলের জন্য ইয়ে করা হয় ওইটারে হলো অসুর দেখাচ্ছে। দাড়ি টুপিগত এক বছর আগেও এটা করা হয়েছে। এই কাজগুলো করে ওরা আমাদের ইসলামের সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক একটা অবস্থার ভেতরে এই মঙ্গল শোভাযাত্রাটা তে পাল চাল এগুলি রে ফেলে দিয়েছে। এদেশের প্রতিটি ঈমানদার মানুষের আমরা মুসলমান ভাই আমাদের মুসলমানদেরও সংস্কৃতি পালন করার অনেক জায়গা আছে। আমরা ঈদ পালন করি আমরা কোরবানি পালন করি আমাদের এইটাও আমাদের বাংলাদেশে মুসলমান যেহেতু আমরা পঁচানব্বই আমরা এইটা আমরা পালন করবো কিন্তু আমরা আমাদের ঢঙ্গে আমাদের ঢঙ্গে আমরা পালন করতে চাই। আপনি ওইদিন একদিন নাচবেন গান গাইবেন ভাই গান নাচ এটা বাংলাদেশে কোন সমস্যা না আমি তো ভিডিও টিডিও দেখি ভাই মানুষ তো মোটামুটি ৫০ পার্সেন্টের অবস্থা তো দেখি কি অবস্থা। সমস্যা নাই চলেন যেমনি পারেন। এটা নিয়ে আমাদের কোন সমস্যা নাই কিন্তু আমাদেরকে দিয়ে ইনডাইরেক্টলি পূজা করানো হবে এটা বাংলাদেশে হইতে দেওয়া হবে না। এটা হচ্ছে মূল কথা। তোমারি করু সর্বদা গাও তোমারি চরনজলে সর্বদা।

[22:11]ওরা আমাদেরকে এই হিন্দুত্ববাদী হিন্দুদের এই ধর্মকে আমাদের সংস্কৃতি হিসেবে ইয়ে করা মুসলমানদের উপরে দিয়ে তারপরে বুঝাইতে চায় ধর্ম যার যার উৎসব সবার। তোরে আমার সামনে কোরবানি রইছে তোরে আমার গরু জবাই করবো এখানে তুই থাকবি। থাকবি? উৎসব সবার আয় সবাইরে নিয়ে উৎসব করব। করবি? ওইটা করবি না। তোমার ওইখানে আমার বাঙালি চু আছে কিছু তাদের ওইখানে যে হলি খেলে। ওইখানে যাইয়া চারুকলার এই মঙ্গল শোভাযাত্রার নামে এই চু তারা ওইখানে যাইয়া ইয়ে করে জাতীয় সংগীত পড়ে। জাতীয় সংগীত ওদের ওদের মারে নিয়ে বানানো এটা ওইটা তুই পড়বি কেন রে বেটা তুই মুসলমান তুই এটা কেন পড়বি। যদি বাধ্য হইয়া পড়তে হয় তাও মুখ চুপ করে থাকবি। স্কুল কলেজে যেন আওয়াজ নিচে থাকে জাতীয় সংগীত বাজার সময়। যেই যেই স্কুল কলেজ শুনবে না তারা তো চালাইয়া যাবে ওদের মাগুলি হল ওই যে ৭১ এর ওই পাশ থেকে প্রেগন্যান্ট হয়ে আসছিল এরপর পয়দা করছে এদেরকে। এরা শুনবে না কিছু কিছু জায়গায় বাট বেশিরভাগ জায়গায় এখন জাতীয় সংগীত বাজায় না আপনাদেরকে ধন্যবাদ। এবার সংসদেও এটাকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে তাদেরকেও ধন্যবাদ। সো আপনারা যখন রোজার ঈদ আসবে রোজার এই সময় আপনারা আমাদের সাথে মিলমিশা তারপরে রোজা থাকেন না। এটা সবার হয় না। কোরবানি আসলে কিছু চুতিয়া বের হবে। এই কোরবানির ঈদে প্রচুর গরু মারা যাবে আজকে এত কোটি এত লক্ষ খাসি মারা গেল গরু মারা গেল শালার পতি মুরগি যে খাস মুরগি কি তোর পাছার ভেতর দিয়া ঢুকাস মুরগি জবাই করে খাস না। সারাবছর যে বিফ বার্গার মারাও সারাবছর যে কাচ্চি বিরিয়ানি খাও ওই গরুরে কি জবাই করা হয় না ওইটারে কিম কেমনে ইয়ে করো ওইটার কষ্ট লাগে না। তুই মাছ খাবি মাছের কষ্ট নাই মাছের জীবন নাই ওইটারে ধরে মারলি কেন মাইরা পোড়ালি কেন? কাবাব কুয়াব যা আছে সব সারাবছর খাইতে হয় খালি মুসলমানদের ঈদের দিন আসলে তোমাদের সমস্যা হয়। এই ঈদগুলোকে নষ্ট করার জন্য এরা খুব সুপরিকল্পিতভাবে এরকম কিছু বিশাল মানবিক ইয়ে নিয়ে আসবে। দেখবেন কোরবানির ঈদ কোরবানির গরু না দিয়ে তারপরে এই টাকা গরিবকে বিলিয়ে দেন। শালার পুত গরীবরে বিলাইয়া দেন গরীবরে তো সারাবছর বিলাইতে পারিস না। কোরবানির দিন যারা গরু জীবনে গরুর গোছ খাইতে পারে না ওই মানুষগুলো গরুর গোছ খাইতে পারে। এইটাই ইসলাম এইটাই সাম্যের ইসলাম। এইজন্য এটাকে করা হয়েছে। তোর তোর নিজের কোন আদেশ উপদেশ দিয়া তারপরে তোর নিজের মন গড়া কোন ইয়ে করার চাইতে আল্লাহ বহুত ভালো জানে। এই কারণে এটাকে কোরবানির ঈদে এই নিয়ম করে দিয়েছেন। এটা আমাদের করতে হবে। সর্বোচ্চ আনন্দ করতে হবে ঈদগুলোতে মুসলমানদের রোজা রমজান এই যে সেহরির সময় মানুষকে ডেকে দেওয়া ইফতারের সময় আনন্দ করা সবাই বসে এক সাথে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে এক জায়গায় মানুষ নিয়ে বলবেন প্রতিদিন এখানে ইফতার হবে মানুষ আসবে বসবে। এগুলো আমাদের সন্তানদেরকে শিখাইতে হবে। আর ওরা এগুলো যদি না করেন তাহলে এই মাঝখান দিয়ে ঢুকায় দিবে এই পহেলা বৈশাখ এই ধন পুন আপনার রবীন্দ্র সংগীত ওই ছায়ানটের ওই রমনায় বটমুলের বাল চাল এগুলি শুনায় তারপরে আপনাদের মাথা নষ্ট করবে। সো খুব সাবধান বিএনপিকে বলে দিলাম ভাই আমরা আপনাদের বিরুদ্ধে না আপনাদের বিরুদ্ধে কিন্তু কোন কথা বলতে চাই না এখনো। কিন্তু যদি বাধ্য করেন তাহলে কিন্তু পরবর্তী বছরগুলোতে আমরাও তাইলে আঙুল বাঁকা করতে বাধ্য হব। আল্লাহ হাফেজ।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript