[0:00]সবাইকে স্বাগতম আজকের ক্লাসে। আমরা আজকে আলোচনা করব মহান মুক্তিযোদ্ধা উপন্যাস ১৯৭১ নিয়ে।
[0:09]এই উপন্যাসে তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশের সংগ্রাম, মানুষের ত্যাগ, সাহস আর ভালোবাসার গল্প। আসুন আমরা একসাথে জানি কেমন ছিল সেই রক্তাত্ব গৌরবপূর্ণ ১৯৭১ সালের ইতিহাস।
[0:23]১৯৭১ লিখেছেন হুমায়ুন আহমেদ। প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের একটি প্রান্তিক গ্রামের যুদ্ধের ভয়াবহতার দৃশ্য।
[0:36]প্রান্তিক গ্রামের, অফ প্রান্তিক গ্রামের যুদ্ধের অবস্থা ও ভয়াবহতা।
[0:43]উপন্যাসটির ঘটনা ঘটেছে একটি ছোট প্রান্তিক গ্রামকে ঘিরে। শহর থেকে বিচ্ছিন্ন এই গ্রামেও যুদ্ধের ভয়াবহতা পৌঁছে যায়।
[0:53]গ্রামবাসী আতঙ্কে, কেউ পালাচ্ছে কেউ লুকিয়ে আছে কারও কারও মিলিটারী আসার খবর বিশ্বাস হয় না।
[1:03]মিলিটারী বাহিনীর আক্রমণ।
[1:08]মিলিটারী বাহিনীর আক্রমণ। মিলিটারী গ্রামে হানা দেয়। আগুন লাগায়, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়।
[1:13]নারী-শিশু, বৃদ্ধ-যুবক কারও উপরেই দয়া ছিল না। ধর্ষণ, খুন, গুলি করে হত্যা এসব নির্মমতা গ্রামের মানুষের জীবনে নেমে আসে।
[1:22]সন্দেহভাজন মুক্তিযোদ্ধা বা দেশপ্রেমিকদের ধরে নিয়ে যায় এবং মেরে ফেলে। পুরো গ্রাম ভয় ও অনিশ্চয়তায় ভেঙে পড়ে।
[1:32]গ্রামের মানুষের সংগ্রাম ও মনোভাব। আতঙ্কের মাঝেও অনেকে দেশকে ভালোবেসে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে কাজ করে।
[1:40]কেউ খাদ্য ও খবর দিয়ে সাহায্য করে। চরিত্র প্রসঙ্গ: ১৯৭১ উপন্যাসটিতে অনেকগুলো চরিত্র রয়েছে।
[1:49]তারগুলোর মধ্যে হচ্ছে মীর আলী- ৭০ বছর বয়স, অন্ধ।
[1:55]বদি বা বদিউজ্জামান- মীর আলীর ছেলে, মধুবন বাজারে মনিহারির দোকান আছে।
[2:03]অনুফা- বদির স্ত্রী। পরিবানু- বদির মেয়ে। চিত্রা বুড়ি- কৈবর্ত পাড়ায় থাকত। এ গ্রামের প্রথম ভিক্ষুক।
[2:15]চিত্রা বুড়ির কথা মতে এটা প্রশ্ন আসে যে গ্রামের প্রথম ভিক্ষুক কে? তারা মনে রাখতে হবে চিত্রা বুড়ি গ্রামের প্রথম ভিক্ষুক।
[2:24]নীলুসেন- পূর্বে প্রচুর সম্পদ ছিল তার। বয়স ৫০। সালিষ ও বিয়ের কথাবার্তা তাকে দিয়ে হয়। মিষ্টিভাষী।
[2:32]নেয়ামত- পাগল, মতি মিয়ার শালা, বিচক্ষণ, গুপ্তচর।
[2:40]উপন্যাসে কিন্তু এ মতি মিয়ার শালা পাগল হিসেবে থাকে কিন্তু আসলে সে ছিল গুপ্তচর।
[2:46]মিলিটারী কমান্ডার এজাজ আহমেদ- চালাক, বুদ্ধিমান, দয়াহীন, মিলিটারী বাহিনীর পরিচালক, পাকিস্তানের পেশোয়ার অঞ্চলের বাসিন্দা।
[2:57]কোথাকার বাসিন্দা? পাকিস্তানের পেশোয়ার অঞ্চলের বাসিন্দা।
[3:02]রফিক- কমান্ডার এজাজ আহমেদের সহযোগী, কুমিল্লায় বাড়ি, দেশপ্রেমী, মুক্তিবাহিনীর সহায়ক, বয়স ৩০, বিপত্নীক।
[3:10]মানে বিপত্নীক অনস্পর্ষ আর কি। মনা- কৈবর্ত, চিত্রা বুড়ির ছেলের খুনি।
[3:19]মানে মনা চিত্রা বুড়ির, আমরা এখানে বলেছিলাম যে চিত্রা বুড়ির ছেলের প্রথম ছেলের খুনি।
[3:26]মনা থাকে কৈবর্ত পাড়ায়। সফদারউল্লাহ- গ্রামের বাসিন্দা, ছেলে মেয়ে নিয়ে পালাতে চায়, দা নিয়ে ঘোরে।
[3:36]মানে সফদরউল্লাহর ঘরে যখন মিলিটারি ঢুকেছিল তখন তার ছেলে-মেয়েকে নিয়ে পালাতে চাইছিল। তার ছেলে-মেয়েদের উপর অনেক অত্যাচার করে। এজন্য সে দা নিয়ে ঘোরে।
[3:45]স্থান: ময়মনসিংহ- টাঙ্গাইল লাইনের একটি স্টেশন পাশে নন্ধাইল রোড। নন্ধাইল রোড থেকে সোজা উত্তরে দশ মাইল দূরে কুয়ায়িল বাজার।
[3:54]কুয়ায়িল বাজারকে পেছনে ফেলে আরও মাইল ত্রিশেক উত্তরে মধুবন বাজার। মধুবন বাজার পেছনে ফেলে পূর্ব দিকে সাত-আট মাইল গেলে ঘন জঙ্গল।
[4:08]স্থানীয় নাম মধুবনের জংলা মাঠ। জংলা মাঠের পেছনে নীলগঞ্জ গ্রাম। এটা কিন্তু এটা কিন্তু খুবই ইম্পর্টেন্ট কারণ প্রশ্নে আসতে পারে যে নীলগঞ্জ গ্রামের স্থান কোথায়?
[4:22]উপন্যাস। এখানে আমরা পড়ব যে মেইন মেইন জিনিসটা সেটা হচ্ছে উপন্যাসের সারসংক্ষেপ।
[4:29]যে, ১৯৭১ সালের ঘটনা, যা নীলগঞ্জ অঞ্চলে সংঘটিত হয়। মীর আলী, একজন অন্ধ ব্যক্তি। মাঝরাতে তার ছেলে বদিকে বাইরে নিয়ে যেতে বলেন।
[4:39]বদিরে বউ, অনুফা তাকে নিয়ে বাইরে যায়। ফজরের দিকে মীর আলী আবার প্রসাব করতে লাগলে বদি তাকে বাইরে নিয়ে যায়ন। এরপর উঠানে বসিয়ে দেন এবং একদল লোকের হেঁটে যাওয়ার শব্দ শুনেন।
[4:52]কিছু সময় পরে, মীর আলীর সামনে দিয়ে ৫০ জন সেনের একটি দল গ্রামে প্রবেশ করে। মীর আলী বদিকে এই ব্যাপারে জানালে, বদি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেন না।
[5:08]গ্রামটি ছিল দারিদ্র্য ও অবহেলার শিকার। কুয়ায়িল বাজারের সম্পর্কে গ্রামের মানুষ গর্ব করলেও, রাস্তাঘাট ছিল খুবই খারাপ। মধুবন বাজারের অবস্থা আরও বাজে ছিল।
[5:23]জংলা মাঠে সাপের উপদ্রব এবং সেখানে নীলগঞ্জ, একটি দরিদ্র গ্রাম যার মধ্যে ৫০-৬০টি ঘর ছিল। সেখানে ছিল ছাউনি ঘর, এবং বদির ঘর ছিল টিনের।
[5:34]এমসিকিউতে আসতে পারে যে গ্রামে কয়েকটি ঘর ছিল? ৫০ থেকে ৬০। সেখানে ছিল ছাউনি ঘর, এবং বদির ঘর ছিল টিনের।
[5:48]চন্দ্রকান্ত সেনের সম্পদ ছিল প্রচুর। তার একমাত্র উত্তরাধিকারী নীলু সেন। জয়নাল মিয়া ছিলেন গ্রামের সবচেয়ে সম্পদশালী ব্যক্তি। ইমাম সাহেব বিয়ে করেননি।
[5:58]আজিজ মাস্টার কবিতা লেখেন, এবং জয়নাল মিয়ার মেয়ে মালাকে বিয়ে করতে চান। তারা উভয়ই এ গ্রামে বিদেশী হিসেবে পরিচিত।
[6:17]মতি মিয়ার শালা নিয়ামত পাগল, জংলা মাঠে যাতায়াত করতেন। নীলগঞ্জের নিচু দিকে কৈবর্তরা বাস করতেন, যারা জেলে ও ডাকাত হিসেবে পরিচিত।
[6:29]চিত্রা বুড়ির ছেলেকে খুন করে তারা। চিত্রা বুড়ি যখন বিচার প্রার্থনা করেন, বিচার না পেয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে যান এবং কালিমন্দিরে আশ্রয় নেন।
[6:43]দেবীর কাছে ছেলের খুনের বিচার চাইতে থাকেন এবং মিলিটারী আসার শব্দ শোনার পর কী করবেন, তা বুঝতে পারেন না।
[6:52]মিলিটারী স্কুলে গিয়ে আশ্রয় নেয় এবং প্রথমে সেটা ইমাম সাহেব বুঝতে পারেন না। মতি মিয়া মসজিদে আসলে তার সাথে আলাপ করেন, কিন্তু মতি কিছু জানে না।
[7:04]একটা নীল শার্ট পরা লোক, রফিক, ইমাম সাহেবকে ডেকে নিয়ে যায়।
[7:12]রাসমোহনের মাধ্যমে আজিজ মাস্টারকে মিলিটারী ডেকে পাঠায়। আজিজ মাস্টার ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়ে ছোট একটি দল নিয়ে স্কুলে গেলে তাকে বন্দী করা হয়। বাকীদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
[7:25]তারা ছাতিম গাছের নিচে অপেক্ষা করে। গ্রামের মানুষের আতঙ্ক ও মাস্টারকে জিজ্ঞাসাবাদ।
[7:39]গ্রামের মানুষ আতঙ্কে থাকে। মতি বদিকে মিলিটারীর খবর জানায়। বদি দ্রুত মধুবন বাজারের দিকে রওনা দেয়।
[7:46]রফিকের মাধ্যমে কমান্ডার আজিজ মাস্টারকে প্রশ্ন করতে শুরু করেন। কিন্তু আজিজ মাস্টার কিন্তু জানেন না।
[7:54]জংলা মাঠে মুক্তিবাহিনী আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। প্রথমোত্তরের শেষে, তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়, কিন্তু পরক্ষণেই আবার ডাকা হয়।
[8:03]তার কাছে কবিতা শোনার পর, জয়নাল মিয়ার মেয়ে মালাকে বিয়ে করতে চান কিনা প্রশ্ন করা হয়, এবং মুক্তিবাহিনী বিষয়ে সঠিক উত্তর দিলে মালার সাথে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
[8:14]উত্তর না দিলে তাকে ইমাম সাহেবের সাথে স্কুল ঘরে বন্দী করা হয়। মীর আলী ও গ্রামের পরিস্থিতি।
[8:21]মীর আলী নাতনীদের নিয়ে চা ও মুড়ি খায়, অনুফার প্রশংসা করে। বদির বিয়ের দিনের ঝড়ের কথা ভাবেন।
[8:29]এর মধ্যে, গ্রামে গোলাগুলি শুরু হয়। নতুন একটি মিলিটারী বাহিনী গ্রামে ঢোকে। বদি বাজারে যাওয়ার পথে দ্বিতীয় মিলিটারী বাহিনীকে দেখে ভয় পায় এবং গর্তের পানিতে আশ্রয় নেয়।
[8:41]স্কুলের টিনের ঘরে, ইমাম সাহেব ও আজিজ মাস্টারের মধ্যে কথাবার্তা হয়, তারা দোয়া ইউনুস পড়েন।
[8:50]ভয় ও ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়েন। ইমাম সাহেব অজুুর পানি চাইতে চান, কিন্তু মাস্টার জড়োসড়ো হয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।
[9:00]নীলু সেনের হত্যা ও অন্যান্য ঘটনা। নীলু সেন অসুস্থ হয়ে পড়লে, বলাই তার জন্য দুশ্চিন্তা করে।
[9:08]সকালে মিলিটারী আসে, নীলু সেনকে গুলি করে হত্যা করে, বলাই পালিয়ে যায়। বদি সারারাত খালে দাঁড়িয়ে থাকে।
[9:16]মীর আলীর সামনে দিয়ে রফিক, ইমাম সাহেব ও মাস্টারকে বিলের কাছে ডেকে নিয়ে যায়।
[9:21]কমান্ডার এজাজ আহমেদ ও একজন নন-কমিশন্ড অফিসারের নির্দেশে, চিত্রা বুড়ির ছেলের খুনি মনা ও তার ছোট ভাই বিরুদ্ধে গুলি করে হত্যা করা হয়।
[9:30]গুলির দৃশ্য দেখে ইমাম সাহেব বমি করে ফেলেন। মীর আলীর সামনে দিয়ে ফিরে যাওয়ার সময় কমান্ডার আর মীর আলীর মধ্যে কথাবার্তা হয়।
[9:39]কমান্ডার বলেন, “যেহেতু যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছি, তাই অন্যায় কিছু হবেই”।
[9:44]রফিক দেখে, নীলু সেনের মৃতদেহ এখনো সরানো হয়নি। কালিমন্দিরের সামনে গেলে ঝড় উঠল। কমান্ডার ও রফিক মন্দিরে আশ্রয় নেয় এবং মন্দিরে বলাইকে দেখতে পায়।
[9:56]রফিক ও কমান্ডারের মধ্যে কথাবার্তা হয়, পরে ঝড়ের মধ্যে তারা রওনা দেয়। ঝড় ও গ্রামের পরিস্থিতি।
[10:06]ঝড়ে বদির ঘরের ছাদ উড়ে যায়, বদি পানিতেই দাঁড়িয়ে থাকে। এলাকা একদম নিস্তব্ধ হয়ে যায়, কেউ ঘরে বাতি জ্বালায় না।
[10:14]মাগরিবের নামাজে ৪/৫ মুসল্লি গিয়ে ভয়ে পালিয়ে আসে। বলাই এদিক-ওদিক পালিয়ে বেড়ায়।
[10:22]ঝড়ের সময়, মিলিটারী ও রাজাকার সফদারউল্লাহর ঘরে আসে। তার স্ত্রী ও ছোট বোনের দিকে এগিয়ে যায়।
[10:30]সফদরউল্লাহ, জয়নাল মিয়ার সাথে পরামর্শ করে, বউ-বোনকে অন্য কোথাও পাঠিয়ে দেওয়ার কথা ভাবেন। মেজর ও ইমাম সাহেব।
[10:38]মেজর সাহেব ইমাম সাহেবের কাছে মুক্তিবাহিনীর সম্পর্কে জানতে চাইলে, তিনি অস্বীকার... পরে তাকে তিনটি চড় মারেন।
[10:46]আজিজ মাস্টারের কাছে জানতে চাইলে, তিনি অস্বীকার করেন এবং তাকে ন্যাংটা করে গ্রামে ঘোরানো হয়। রাত আটটার পরিস্থিতি।
[10:54]রাত আটটায়, পুরো গ্রাম নিস্তব্ধ। সফদরউল্লাহ দা নিয়ে ছোটাছুটি করছেন। কৈবর্ত পাড়া খালি হয়ে যাচ্ছে।
[11:08]মীর আলী ক্ষুধায় কাঁদে, অনুফা ভাত রান্না করেনা, বদি এখনো ফিরে আসেনি। বদি পানিতেই দাঁড়িয়ে, সে জ্বর অনুভব করে এবং একাকী হাসে।
[11:18]জিজ্ঞাসাবাদ ও হত্যা। আমি খুব তাড়াহুড়োর মধ্যে এখানে আমি এগুলো ঠিক করে সাজাতে পারিনি তোমরা একটু অ্যাডজাস্ট করে নিও। রফিক ও কমান্ডারের মধ্যে কথাবার্তা হয়।
[11:28]রফিকের কথায় ও কাজে কমান্ডারের সন্দেহ করে। বন্দী ঘরে ঢুকে, কমান্ডার জয়নাল মিয়াকে ও মাস্টারকে প্রশ্ন শুরু করেন।
[11:36]উলঙ্গ হয়ে লজ্জায় মরার চেয়ে, আজিজ মাস্টার মৃত্যুর জন্য রাজি হয়ে যান। ১০ মিনিট পর, তাকে বিলের কাছে গুলি করে হত্যা করা হয়।
[11:44]মানে আজিজ মাস্টারকে হত্যা করা হয়। জয়নাল মিয়ার পরিণতি: জয়নাল মিয়াকে প্রশ্ন করলে, জংলা মাঠে ১০০ জন মুক্তিবাহিনীর কথা বলে দেন।
[12:00]ছয়-সাত জন আহত আছে। এই গ্রাম থেকে তিনবার মুক্তিবাহিনীর কাছে খাবার পাঠানো হয়েছে। এরপর, তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং সে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
[12:08]কমান্ডার রফিকের উপর সন্দেহ করে। কথার প্যাঁচে, রফিক একসময় স্বীকার করেন, তিনি মুক্তিবাহিনীর খবর জানতেন এবং মিলিটারী বাহিনীকে ভুল তথ্য দিয়েছেন।
[12:17]রফিক কিন্তু প্রথম থেকেই জানত যে এখানে মুক্তিবাহিনী আছে এবং সে মিলিটারি বাহিনীকে ভুল তথ্য দিয়েছে। এ সময়, কৈবর্ত পাড়ায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
[12:26]রফিককে বিলের কাছে নিয়ে পানিতে নামিয়ে দেওয়া হয়। দুই সেনা রফিকের দিকে বন্দুক তাক করে। রফিক ভয় পায় না, যেন সে এক নতুন রফিক হয়ে উঠেছে।
[12:35]উপন্যাসটা এখানে এটা এখন মূল ভাবনা। সেটা হচ্ছে হুমায়ুন আহমেদ এই ছোট অথচ শক্তিশালী উপন্যাসে দেখিয়েছেন
[12:43]পাগল বদি আসলে মুক্তির প্রতীক। তার হাতে থাকা লাল গামছা যেন স্বাধীনতার পতাকা। আজিজ মাস্টার প্রমাণ করেছেন, অপমানের মুখে মানুষ মর্যাদা ধরে রাখতে পারে।
[12:54]মেজর পাকিস্তানী সেনাদের নিষ্ঠুরতা ও দমননীতির প্রতীক। রফিকুলদ্দিন ও গ্রামবাসীরা হলো সাধারণ মানুষ, যারা ভয় পেলেও ভিতরে ভিতরে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা লালন করেছিল।
[13:08]অতএব, “১৯৭১” উপন্যাস আমাদের শেখায়— যুদ্ধ কেবল অস্ত্রের সংঘর্ষ নয়, এটি মানুষের সাহস, প্রতিবাদ এবং আত্মমর্যাদার পরীক্ষা।
[13:20]ভয় ও আতঙ্ককে জয় করেই স্বাধীনতার পথ তৈরি হয়।
[13:25]আজকের ক্লাসটা এই পর্যন্তই। দেখা হচ্ছে অন্য কোনো ক্লাসে।



