Thumbnail for মোবাইলে ভিডিও এডিটিং ৫টি সেরা অ্যাপ | Best Mobile Video Editing App by AFR Technology

মোবাইলে ভিডিও এডিটিং ৫টি সেরা অ্যাপ | Best Mobile Video Editing App

AFR Technology

5m 34s992 words~5 min read
Auto-Generated

[0:00]এই মুহূর্তে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করা পাঁচটি সেরা অ্যাপ নিয়ে আলোচনা করব। তার মধ্যে কিছু ফ্রি অ্যাপ রয়েছে, কিছু পেইড অ্যাপস রয়েছে। সো যারা মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করতে চান তাদের জন্য এই ভিডিওটি অনেক বেশি হেল্পফুল হবে। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল ভিডিওটা শুরু করি। ভিডিও শুরুতেই একটা বিষয় আপনাদেরকে বলি। আমারও যখন মাঝে মাঝে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করার প্রয়োজন হয়, তখন আমি আসলে কোন অ্যাপসটা ইউজ করি? বা আমার দৃষ্টিকোণ থেকে এই পাঁচটি অ্যাপের মধ্যে কোনটি সেরা? সেটা জানাব একদম ভিডিওর শেষ প্রান্তে এসে। তাহলে চলুন এখন মূল ভিডিওটা শুরু করি। মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার জনপ্রিয় অ্যাপস হচ্ছে KineMaster। এই KineMaster অ্যান্ড্রয়েড এবং iOS দুইটা ভার্সনেই কিন্তু ব্যবহার করা যায়। এই অ্যাপসের আরেকটা সুবিধা হচ্ছে যে লো কনফিগারেশনের মোবাইলেও কিন্তু এটা ইউজ করা যায়। এতে মাল্টি লেয়ার নিয়ে কাজ করার সুবিধা আছে। এতে বিল্ট ইন অনেকগুলা ভিডিও ইফেক্টস আছে, ট্রানজেকশন আছে, ক্রোমা কী আছে, যেটাতে খুব চমৎকার ভাবে গ্রিন স্ক্রিনের সাহায্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে পারবেন। এছাড়াও অডিও এডিটের সুযোগ আছে। বলতে পারেন যে ভিডিও এডিট করার জন্য যেসব প্রয়োজনীয় টুলের দরকার হয় ম্যাক্সিমামই বিল্ট ইন এখানে রয়েছে। আর এই অ্যাপটিও কিন্তু আপডেটের মাধ্যমে ডে বাই ডে অনেক ডেভলপ হয়েছে। সো এখন কিন্তু অনেক ফিচারস রয়েছে। যে কারণে এই অ্যাপসটা অনেক আগে থেকেই মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার জন্য একটা জনপ্রিয় অ্যাপস ছিল বাট এখনো স্টিল নাও আছে। মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার আরেকটি জনপ্রিয় অ্যাপ হচ্ছে InShot। মূলত সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং যারা হচ্ছে ডিজিটাল ব্লগার রয়েছেন এটি কিন্তু তাদের জন্য পারফেক্ট। এর ইন্টারফেসটি কিন্তু বেশ সহজ এবং বৈচিত্র্যময়। মজার ব্যাপার হচ্ছে যে InShot-এর ম্যাক্সিমাম ফিচারসগুলোই হচ্ছে ফ্রি। আর এটিও কিন্তু লো কনফিগারেশনের মোবাইল দিয়ে আপনি চালাতে পারবেন। এর উল্লেখযোগ্য যদি কিছু ফিচারসের কথা বলি তাহলে আমি বলব যে অটো ক্যাপশন রয়েছে, 4K-তে ভিডিও এক্সপোর্ট করার সুবিধা রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফরমেট রয়েছে, যেমন 1:1, 16:9, 9:16, যা আপনারা খুব সহজে সেট করতে পারবেন। এছাড়াও এডিটিং এর মৌলিক ফিচারসের যে টুলসগুলা রয়েছে, সবগুলোই আপনারা কিন্তু এখানে পেয়ে যাবেন। এবং এটার ইন্টারফেসটা কিন্তু খুব সহজ আপনি যদি একবার দেখেন তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজে এটা ইউজ করতে পারবেন। নাম্বার থ্রি, PowerDirector. বর্তমানে এই মোবাইল অ্যাপসটি আপনাকে ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে অনেক ভালো মানের সাপোর্ট দিতে পারবে। এতে বেশ কিছু AI টুলস যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও মৌলিক সকল ফিচারস এন্ড টুলসগুলা এতে বিদ্যমান রয়েছে। এই অ্যাপসে নিয়মিত নতুন ফিচারস এবং টেম্পলেট যুক্ত হয়, যা একজন এডিটরকে অনেক ভালো মানের এডিট করতে সহায়তা করে। আমার জানা মতে একজন আছে যিনি মোবাইলের রিভিউ এই PowerDirector দিয়ে করে ফেলেন! বাট যদিও এটা আমার কাছে একটু অকল্পনীয় লাগে বাট উনি এই PowerDirector দিয়ে একটা ফোনের রিভিউ বা একটা গ্যাজেটের রিভিউ করে ফেলেন। যদিও এগুলো অনেক বড় মানের জিনিস তারপরেও এটা করে ফেলেন। সো এই কথা থেকে আসলে বোঝা যায় যে এটাও কিন্তু মোটামুটি মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করার ক্ষেত্রে একটা শক্তিশালী মোবাইল অ্যাপ। নাম্বার ফোর, Filmora। যারা একটু আগে থেকে ভিডিও এডিট শুরু করেছেন তারা হয়তোবা Filmora দিয়েই তাদের জার্নি শুরু করেছেন সেটা পিসিতে। বাট মোবাইলেও যে Filmora রয়েছে সেটাও কিন্তু বেশ সমৃদ্ধ। এখানেও কিন্তু হিউজ ফিচারস আপনি পাচ্ছেন পাশাপাশি ইন্টারফেসটাও কিন্তু বেশ সহজ সরল। আপনারা খুব সহজেই ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ করে কিন্তু এটা ইউজ করতে পারবেন। যদিও এটা ফ্রি অ্যাপস নয় তারপরও এখানে কিন্তু হিউজ ফিচার রয়েছে এবং প্রতিনিয়ত আপডেটের মাধ্যমে তারা নতুন নতুন ফিচারস, ট্রানজেকশন সবকিছুই কিন্তু অ্যাড করছে। মোটকথা আপনার যে চাহিদা রয়েছে সেটার অনেকাংশেই এটা কিন্তু পূরণ করতে সক্ষম। সো যারা এতদিন Filmora পিসি ইউজ করেছেন তারা চাইলে কিন্তু এখন এটা ইউজ করতে পারেন। তো এটা কিন্তু আপনাকে ভালো মানের এডিটিংয়ে হেল্প করবে। নাম্বার ফাইভ, বর্তমানে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করার সবচেয়ে পাওয়ারফুল এবং জনপ্রিয় অ্যাপ হচ্ছে CapCut। CapCut-এর ইন্টারফেসটি কিন্তু খুবই সহজ সরল এবং এটা দিয়ে কিন্তু আপনি মোটামুটি একটা সেমি প্রফেশনাল টাইপের ভিডিও এডিট করে ফেলতে পারবেন। এখানে আপনি সুন্দর করে কালার গ্রেড করতে পারবেন। এখানে একাধিক লেয়ার নিয়ে আপনি কাজ করতে পারবেন এবং এটা থেকে কিন্তু ডিফল্টে অনেক ফরমেট পাবেন যেটা দিয়ে ইনস্ট্যান্ট আপনারা ভিডিও ফরমেটে কনভার্ট করতে পারেন। যেমন আপনি চাইলে 16:9 অথবা 1:1 যেটা হচ্ছে আমরা Facebook-এর জন্য করে থাকি এবং 9:16 যেটা আমরা TikTok বা Reels-এর জন্য করে থাকি সেটাও আমরা ইনস্ট্যান্ট করতে পারব। এরকম বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং জিনিস ডিফল্টে দেওয়া রয়েছে। এছাড়াও এটাতে আপনারা কিন্তু বেশ ভালো মানের সাউন্ডের কাজ করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার সাউন্ডে যদি কোন প্রকার নয়েজ থাকে সেটাও কিন্তু বেশ ভালোভাবে রিডাকশন করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি যদি পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে চান তাহলে কিন্তু কোন প্রকার গ্রিন স্ক্রিন ছাড়াও কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে পারবেন। আর এটার বড় বিষয় হচ্ছে এখানে ফ্রিতে বা পেইডে যে ট্রানজেকশনগুলা রয়েছে সেগুলা কিন্তু মোটামুটি একটা প্রফেশনাল গ্রেডের একটা ট্রানজেকশন রয়েছে। সো এগুলা যদি আপনি মোটামুটি ইউজ করতে পারেন বা এটার যে অল ফিচারসগুলা রয়েছে সেগুলা যদি আপনি মোটামুটিভাবে ইউজ করতে পারেন তাহলে আমি আপনাকে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি যে একটা সেমি প্রফেশনাল লেভেলের এডিটিং আপনি কিন্তু এই মোবাইল দিয়েই করে ফেলতে পারবেন! আবার অনেককে আমি দেখেছি যারা এডিটিং করেছে এই CapCut দিয়ে দেখে মনেই হয়নি যেটা আসলে CapCut দিয়ে করেছে। আমার কাছে মনে হয়েছে যে এটা বাড়ি কোন পিসি সফটওয়্যার দিয়ে করা হয়েছে। সো এটা সব মিলিয়ে যে ফিচারসগুলা রয়েছে, অসাধারণ আমি এক কথাই বলতে পারি। আচ্ছা আমি আপনাদেরকে একটা কথা বলেছিলাম যে আমি যখন মোবাইল দিয়ে কোন প্রকার ভিডিও এডিট করতে যাই তখন কোনটা ইউজ করি? আমি কিন্তু এই CapCut-ই ইউজ করি। আর এটা আমার কাছে বেস্ট সফটওয়্যার মনে হয়। আর আমার কাছে মনে হয় যে এই মুহূর্তে CapCut-এর আশেপাশে মোবাইল ভিডিও এডিটিং এর কোন সফটওয়্যার নেই। এটা দিয়ে 4K রেন্ডারিংও করা যায় এবং রেন্ডারিংটা কিন্তু খুব দ্রুত হয় অর্থাৎ এক্সপোর্টটা কিন্তু খুব দ্রুত হয়। সো সব মিলিয়ে আপনি যদি আমাকে প্রশ্ন করেন যে পাঁচটা অ্যাপ নিয়ে আপনি কথা বললেন, তার মধ্যে কোনটা আপনার দৃষ্টিতে বেস্ট বা আমি যেকোনো একটা নিয়ে কাজ করতে গেলে কোনটা নিয়ে কাজ করব তাহলে আমি শুধু CapCut-এর কথা আপনাদেরকে বলবো। সো গাইস এই ছিল মূলত আমার আজকের ভিডিও। যদি আপনার কাছে ভিডিওটি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই একটি লাইক করবেন আর এরকম প্রয়োজনীয় ভিডিওগুলা রেগুলার পেতে চাইলে অবশ্যই আমাদের চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব অথবা পেজটিকে ফলো করে রাখবেন। আজকের মত আমি হিল বিদায় নিচ্ছি আল্লাহ হাফেজ।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript