[0:00]Microsoft PowerPoint-এর দক্ষতা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য হতে পারে গেম চেঞ্জিং। আপনি অনেক কিছুই পারেন কিন্তু প্রেজেন্ট করতে পারেন না।
[0:08]অর্থাৎ প্রেজেন্টেশন মেক করতে পারেন না পাওয়ার পয়েন্টে তাহলে কিন্তু এই এত কিছু পারা আপনি যদি প্রেজেন্ট না-ই করতে পারেন তখন আপনার দক্ষতাকে কিন্তু প্রকাশ করা কঠিন হয়ে যায়।
[0:19]তো আজকের এই ভিডিওটিতে আমরা দেখে নিব Microsoft PowerPoint কি? কিভাবে ইউজ করতে হয়? কিভাবে দারুণ একটি স্লাইড তৈরি করতে হয়? কিভাবে ট্রানজিশন এনিমেশন অ্যাড করতে হয়?
[0:30]অর্থাৎ টোটাল গাইডলাইন থাকবে ভিডিওটির মধ্যে। তো এক্সপার্ট হওয়ার জন্য ভিডিওটি অবশ্যই শেষ পর্যন্ত দেখে নিবেন।
[0:34]এছাড়া আপনি আমার চ্যানেলে নতুন হয়ে থাকলে চ্যানেলটি অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে নিবেন তো চলুন শুরু করা যাক।
[0:39]আপনি যে কম্পিউটারটা ইউজ করছেন সেখান থেকে আপনি দুই ভাবে Microsoft PowerPoint ওপেন করতে পারেন।
[0:44]একটা হচ্ছে রাইট বাটন ক্লিক করে এখান থেকে নিউ এ ক্লিক করে Microsoft PowerPoint Presentation এখান থেকে একটা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন আপনি ক্রিয়েট করতে পারেন।
[0:55]অথবা আপনি আর এক ভাবে কাজটি করতে পারেন এখানে সার্চে গিয়ে আপনি যদি পাওয়ারপয়েন্ট লিখেন তাহলে এখানে আপনার পাওয়ারপয়েন্টই চলে আসবে।
[1:03]তো আমি এটার উপরে ক্লিক করলাম। তো এক্ষেত্রেও Microsoft PowerPoint এভাবে ওপেন হবে। তো আপনি এখান থেকে ব্ল্যাংক প্রেজেন্টেশন ওপেন করতে পারেন অথবা মজার বিষয় আছে।
[1:13]আপনি নির্দিষ্ট কোন থিম নিয়েও কাজ করতে পারেন এবং এখানে দেখেন আমি রিসেন্টলি যে স্লাইডগুলো ওপেন করেছি সেই স্লাইডগুলা এখানে দেখা যাচ্ছে।
[1:21]আমি ব্ল্যাংক প্রেজেন্টেশনে না গিয়ে এখানে দেখেন একটা অপশন আছে More themes আমি এটার উপর যদি ক্লিক করি তাহলে এখানে বিভিন্ন রকম টেমপ্লেট দেখা যাচ্ছে।
[1:30]তো এই যে ওপেন করার যে সিনারিও এটা বিভিন্ন ভার্সনে বিভিন্ন হতে পারে।
[1:34]তো এটা এই সিনারিওটা মোটামুটি Microsoft Office 2019 বা পরবর্তী ভার্সনে এরকম থাকবে বা পূর্বের ভার্সনে একটু ভিন্ন থাকতে পারে।
[1:42]তো এখানে দেখেন বিভিন্ন কাস্টম প্রেজেন্টেশন রয়েছে। আপনি এগুলা নিয়েও কাজ করতে পারেন। যদি আমি দেখেন এখানে ইনফোগ্রাফির উপর ক্লিক করি তাহলে এখানে বিভিন্ন রকম ইনফোগ্রাফিক আছে।
[1:52]এগুলা নিয়েও আপনি কাজ করতে পারেন সময় বাঁচানোর জন্য। যেমন ধরেন, টাইমলাইন এরকম চার্ট বানানো যায়।
[1:58]তো এটা বেশ সময় সাপেক্ষ। আমি ধরেন এটার উপরে ক্লিক করলাম।
[2:01]করে ক্রিয়েটের উপরে ক্লিক করলাম। তাহলে দেখেন এখানে টাইমলাইন চার্ট চলে আসছে।
[2:05]আমি জাস্ট আমার পছন্দ মত এগুলো আমি এডিট করে নিতে পারবো। তো এই টাইপের আসলে কাজ করা যেতে পারে।
[2:12]দেখেন আমি এখান থেকে আবার ফাইলে গেলাম যাওয়ার পরে নিউ এ গেলাম। এখান থেকে আমি আরো বিভিন্ন টাইপের ইনফোগ্রাফিক চাইলে নিতে পারি।
[2:18]অথবা ধরেন আপনি এডুকেশন নিয়ে কোন কাজ করতে চান এখানে ক্লিক করে বিভিন্ন এডুকেশন টেমপ্লেট আছে।
[2:24]এখানে দেখেন যে Classroom Times এটার উপর যদি ক্লিক করি, Create এর উপর ক্লিক করি, তাহলে এখানে বিভিন্ন রকম স্লাইড আছে।
[2:30]এগুলো এডিট করা যাবে প্রত্যেকটা জিনিস। তো চলুন আমরা একদম নিজে একটা নতুন স্লাইড ক্রিয়েট করে দেখি।
[2:36]এটার উপরে ক্লিক করে আমি এখান থেকে ক্লোজ করে দিই এটাও ক্লোজ করে দিই।
[2:40]এখানে গেলাম যাওয়ার পরে পাওয়ার পয়েন্টে গেলাম। যাওয়ার পরে এখান থেকে ব্ল্যাংক প্রেজেন্টেশনে ক্লিক করলাম।
[2:44]দেখেন বাই ডিফল্ট এরকম একটি সিনারিও আমাদের সামনে চলে আসছে। তো এই জায়গায় মূলত আমরা প্রেজেন্টেশন তৈরি করব।
[2:51]এবং বাম থেকে দেখেন বাই ডিফল্ট আমাকে একটি মাত্র স্লাইড দিয়েছে। এখন এখানে দেখেন লেখা আছে Click to add title, Click to add subtitle.
[3:01]এখন আপনি এখানে সরাসরি লিখতে পারেন অথবা আপনি নিজের মত কাস্টম এরকম বক্সও তৈরি করতে পারেন।
[3:07]আমরা প্রথম স্লাইডটাতে নিয়ে এখানে যা আছে লিখি। তো আমি এখানে লিখলাম যে Rayhan Tanjim Tech Academy.
[3:17]Subtitle লিখলাম হচ্ছে Your Virtual Instructor. ঠিক আছে। এখানে লিখলাম Rayhan Tanjim Tech Academy এবং এখানে লিখলাম Your Virtual Instructor.
[3:30]তো এই জিনিসটা আমি লিখে নিলাম। এখন আপনার তো মনে হচ্ছে যে আমি এই জিনিসটা লিখলাম এটা অ্যালাইনমেন্ট ঠিক নেই।
[3:33]তো এইটা ধরে আপনি এরকম উপরের দিকে এখানে রাখতে পারেন। এই বক্সটার সাইজ আপনি চাইলে এইভাবে ছোট করতে পারেন।
[3:41]এখানে রাখেন এবং এই সাবটাইটেলটা ধরেন আপনি এখানে রাখেন। এই বক্সটার সাইজ আপনি এভাবে ছোট করতে পারেন।
[3:47]এগুলো আমরা একটু পরে সুন্দর করে দেখব। তো এই একটা স্লাইড আমার ধরেন হয়ে গেল খুব ই সাদা মাটা একটা স্লাইড।
[3:53]এখন আমি আর একটা স্লাইড কিভাবে করব? এখানে দেখেন New Slide আছে। এখানে বিভিন্ন রকম অপশন আছে।
[3:58]আপনি কি স্লাইড নিতে চান? Title নাকি Title and Content, Comparison, Title Only আপনি বিভিন্ন রকম নিতে পারেন।
[4:06]তো অথবা আপনি এখানে রাইট বাটন ক্লিক করে New Slide এর উপরে ক্লিক করলেও দেখেন এখানে আরেকটা স্লাইড আসছে।
[4:12]যেটার থেকে এখানে একটু ভিন্ন। দেখেন এখানে Click to add title আর Click to add text.
[4:18]এখন আপনি ধরেন আপনার এই বক্সগুলা ভালো লাগতেছে না। এটার উপর ক্লিক করেন Delete বাটন প্রেস করেন এগুলো চলে যাবে।
[4:24]কিন্তু এখন কিন্তু আপনি লিখতে পারবেন না যেমনটা Microsoft Word এ লেখা যায়। এটার জন্য আপনাকে টেক্সট বক্স নিতে হবে।
[4:30]তো আমি Insert এ গেলাম যাওয়ার পরে দেখেন এখানে Shape এ গেলাম। এই যে Text Box নিলাম। এখানে ড্র করব।
[4:37]ধরেন টাইটেল দিব। আমি বাংলায় লিখি যে আমাদের কোর্স সমূহ এইটা ধরেন লিখলাম। এখন আপনি এই লেখাটা সুন্দর করবেন।
[4:47]তো লেখাটা আমরা সিলেক্ট করি এই Home থেকে এখান থেকে ধরেন আমি ফন্ট দিয়ে দিলাম হচ্ছে Nikosh Bangla. এখন আমি এটা মাঝ বরাবর রাখি।
[4:55]এখন আমি এটা এখান থেকে বড় করে দেই দেখেন ফন্টটা। এখন আপনি চান এটার ব্যাকগ্রাউন্ড একটা কালার দিতে।
[5:01]তাহলে দেখেন Shape Format এ যান। এই যে Shape Fill এ যান। এখান থেকে একটা এরকম সুন্দর কালার দেন।
[5:08]এখন এই টেক্সটটা সিলেক্ট করি। আমরা Home এ যাই এখান থেকে এটা সাদা কালার দিলে ফুটবে।
[5:14]তাহলে দেখেন সুন্দর একটা টাইটেল এখানে কিন্তু হয়ে গেল। এখন আমি আবার Insert এ যাই। Shape এ যাই।
[5:19]Text Box নিই। এখানে এভাবে ড্র করি। তো এখন ধরেন আমি এখানে লিখলাম Microsoft Excel Microsoft Word Microsoft Power BI Microsoft PowerPoint.
[5:42]মানে এটা একটা প্রেজেন্টেশন আমি দিব কাউকে যে আমার কোর্স কি কি আছে সেটা জানার জন্য যে পেইড কি কি কোর্স আছে।
[5:48]তো এখন আমি এই লেখা গুলা সিলেক্ট করি। এখান থেকে আমরা Nikosh Ben সিলেক্ট করি।
[5:56]করার পরে এই ভ্যালু গুলা এখান থেকে সিলেক্ট করে এখানে দেখেন বিভিন্ন রকম বুলেট আছে। ধরুন আমি এই বুলেটটা দিলাম।
[6:02]কিন্তু এটা অত কিন্তু সুন্দর লাগতেছে না। এটা আপনি বিভিন্ন রকম স্টাইল বা বিভিন্ন জিনিস বিভিন্নভাবে চেঞ্জ করে সুন্দর করতে পারেন।
[6:08]ধরেন এখান থেকে আমি একটু ফন্টটা বড় করে নেই। এখন যেন স্লাইডটা একটু ভরে তাহলে সুন্দর লাগবে।
[6:14]তো এখন আমি এই জিনিসগুলা বিভিন্নভাবে সুন্দর করতে পারি। একটা সহজ জিনিস দেখাই আমরা এখানে Insert এ যাই।
[6:19]যাওয়ার পরে SmartArt এ যাই। এখানে দেখেন বিভিন্ন রকম SmartArt আছে বিভিন্ন রকম বেশ সুন্দর সুন্দর।
[6:29]এখন আপনার যে টাইপের একটা পছন্দ হয়। ধরেন আমি List টাইপের একটা নিই। এই যে এইটা নিলাম Vertical Box List এটার উপরে ক্লিক করে OK দিলাম।
[6:34]তো দেখেন এখানে আমার একটা এরকম বক্স লিস্ট চলে আসছে। এখন এখানে দেখেন বিভিন্ন রকম কালার আছে। ধরেন আমি এই কালারটা নিলাম।
[6:45]এখন এই জিনিসগুলা এখন দেখেন এই যে Microsoft Excel, Word যে জিনিসগুলো আমি লিখলাম এখানে। এই যে এখান থেকে Ctrl+X দিয়ে কাট করি।
[6:53]আমি এখানে গিয়ে লিখি দেখেন এই যে Microsoft Excel, Microsoft Word আমি এটার উপর ক্লিক করলে এই জায়গাটা একটিভ হচ্ছে। এরপরে আমি Microsoft PowerPoint এটাও কাট করলাম এটার উপর ক্লিক করি।
[7:05]এই যে এখানে গিয়ে এখানে Enter দেই তাহলে আর একটা ফিল্ড ক্রিয়েট হবে। দেখেন Microsoft PowerPoint এই যে এটার উপরে দিই।
[7:14]দিলাম তাহলে দেখেন এটা বেশ সুন্দর লাগতেছে। এই টেক্সট বক্সটা মুছে দেই। দেওয়ার পরে এটাকে ধরে এনে আমি দেখেন এই বরাবর রাখি।
[7:22]তো এখন দেখেন এটা কিন্তু আগের থেকে সুন্দর লাগছে। তো এই যে জিনিসটা আমি করলাম এটা চাইলে কিন্তু আপনি Shape দিয়েও করতে পারেন।
[7:34]সেটা কিভাবে আপনাদেরকে যদি দেখাই এখানে রাইট বাটন ক্লিক করে যদি এরকম একটা স্লাইড আপনি আবার হুবহু করতে চান রাইট বাটন ক্লিক করে Duplicate Slide দেন তাহলে দেখেন এরকম এই স্লাইডটা ডুপ্লিকেট হবে।
[7:44]এখন ধরেন এই স্লাইডটা আপনার ভালো লাগতেছে না। তো সে ক্ষেত্রে আপনি এটা রাইট বাটন ক্লিক করে এখান থেকে ডিলিটও করতে পারেন।
[7:50]বা Ctrl+Z প্রেস করে আগের অবস্থানে যেতে পারেন। এখন ধরেন আর একটা New Slide করলাম।
[7:56]এখন আপনার মনে হলো যে এই প্রথম স্লাইডটা এইটা হবে না এইটা হবে। এইটা ধরে আমি উপরে নিয়ে গেলে দেখেন এইটা আমাদের প্রথম স্লাইড হলো।
[8:04]এটা আমি যদি এখানে রাখি এটা রিঅ্যারেঞ্জ করা যাবে। তো এই যে স্লাইডটা এখানে এটা আমি Shape নিয়ে আপনাদের কোন কিছু দেখি যে আমাদের ই বুক সমূহ।
[8:14]ধরেন এইটা আমি লিখলাম। এখন এটা আমি এখান থেকে ডিলিট করে দিই। এটার উপর ক্লিক করি।
[8:19]Delete বাটন প্রেস করলে ডিলিট হয়ে যাবে। তো দেখেন এই ফাইলটা কিন্তু আমি সেভ করি নাই।
[8:23]এখানে File এ যাই। Save As এ যাই। Browse এ যাই। আমি এখানে Desktop এ এই Rayhan Tanjim Tech Academy নামে এই যে সেভ করলাম।
[8:31]এখন আমি Insert এ গেলাম। দেখেন Shape এ যাই। এখানে বিভিন্ন রকম Shape আছে। আমি এই Shape টা ড্র করি।
[8:37]এই যে দেখেন এই যে এই Shape টা ড্র করলাম। এখান থেকে আমি বলছিলাম যে ওইরকম একটা জিনিস আমি তৈরি করব এই যে দেখেন।
[8:45]এখন এখান থেকে Shape Fill থেকে এই কালারটা নিয়ে নিই। Shape Outline থেকে No Outline দেই।
[8:52]এবং এরকম একটি যে অপশন ক্রিয়েট করছিলাম এটা কি করতে পারি আমি Insert এ যাই।
[8:56]এখানে Shape এ যাই। দেখেন এই যে Rectangle Shape নিই দেখেন এইভাবে। এই যে দেখেন এইভাবে নিলাম।
[9:02]নেওয়ার পরে Shape Fill থেকে দিলাম No Fill এবং Shape Outline থেকে আমি এই Outline টা দিলাম।
[9:09]এবং Shape Outline থেকে দেখেন Weight থেকে এই যে বড় করলাম। এখন এইটা যদি সামনে চলে আসে দেখেন অন্য কালার যদি দেই তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে।
[9:16]দেখেন এটা কিন্তু সামনে। এখন আমি এইটাই Shape এর পিছনে পাঠাতে চাই। এটার উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Send to back দিলাম।
[9:24]তাহলে দেখেন এটা পিছনে চলে গেল। এখন ধরেন আমি অন্য একটা কালার দিলাম এই কালারটা। এখন এটার উপরে আপনি লিখবেন কিভাবে?
[9:30]এখানে রাইট বাটন ক্লিক করে আপনি এখানে Edit Text এর উপরে ক্লিক করে এখান থেকে লিখতে পারেন অথবা আপনি চাইলে এখানে এই যে Text Box ড্র করে আপনি লিখতে পারেন।
[9:41]আমি লিখলাম হচ্ছে Excel E-Book ধরেন এই জিনিসটা লিখলাম। এটা এখন সিলেক্ট করি।
[9:48]এখান থেকে আমি ফন্ট চেঞ্জ করি। এখান থেকে আমি ফন্ট কালার এই যে সাদা করে দিলাম। তাহলে এটা একটা হলো।
[9:56]তার মানে আমি এরকম জিনিস বাই ডিফল্ট নিতেও পারি বা সুন্দর করে আমার স্লাইডের জন্য আমি ডিজাইনও করতে পারি।
[10:03]এখন এই স্লাইডটার উপরে ক্লিক করে আমি যদি Design এর উপরে যাই যাওয়ার পরে দেখেন এখানে বিভিন্ন রকম ডিজাইন আছে দেখেন বাই ডিফল্ট কিছু।
[10:11]এই যে দেখেন এখানে বিভিন্ন রকম ডিজাইন আছে। এই ডিজাইনগুলো আপনি চুজ করে নিজের কোন একটা থিম যদি আপনি পছন্দ করেন দেখেন এই যে সেই থিমটা সবগুলাতে অ্যাড হয়ে গেল।
[10:20]আবার যদি আমি এখানে যাই যাওয়ার পরে এখান থেকে এই প্রথমটা সিলেক্ট করি। তাহলে আমার আগের বাই ডিফল্ট অপশনে চলে আসলো।
[10:28]আপনার যদি কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় যে এই স্লাইডের ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করার তাহলে এই যে Format Background এ যাবেন।
[10:33]এই যে Gradient Fill আছে, Solid Fill আছে, Picture Fill আছে, Texture Fill আছে। Picture Fill এ ধরেন আপনি কোন কিছু পিকচার দিবেন।
[10:41]এই যে Insert এ যান। From File এ যান। আপনার যে পিকচার আছে ধরেন এই পিকচারটা দিবেন। সিলেক্ট করেন দেখেন এই যে Picture Fill হয়ে গেল।
[10:49]আমি Solid Fill ই দিয়ে দেই। একইভাবে আপনি Slide Size এখান থেকে চেঞ্জ করতে পারেন। Standard করতে পারেন বা Wide Screen করতে পারেন।
[10:56]এখন আমার প্রথম স্লাইডটা দেখেন অত সুন্দর লাগছে না। আমি এইটা গেলাম এখান থেকে চাইলে ফন্ট চেঞ্জ করতে পারি।
[11:02]একটু ছোট করলাম এইভাবে রাখি। ব্যাকগ্রাউন্ডে যদি ধরেন একটা ছবি দেই তাহলে কিন্তু সুন্দর লাগবে। ঠিক আছে।
[11:11]তো আমি একটা ধরুন ছবি দিতে চাই। এটা দেখেন এখানে ধরতেছে না। আমি এই বরাবর এটা একটু বড় করে দেই।
[11:16]এভাবে বড় করে দেই। দেখেন এখন ধরছে যদি আপনার এরকম করার প্রয়োজন হয়। এখন আমরা ছবি কিভাবে Insert করব?
[11:22]আমরা এই যে Insert এ যাব। Picture এ যাব। আমার কম্পিউটার থেকেও করতে পারি অথবা অনলাইন থেকেও করতে পারি অথবা স্টক যে ইমেজ আছে এখান থেকেও করতে পারি।
[11:33]তো কম্পিউটার থেকে করা এই যে This Device এ গিয়ে যেখানে আপনার ছবি আছে আপনি Insert করতে পারেন।
[11:38]আর যদি এখানে Online Picture এ যান তাহলে আপনার কম্পিউটারের নেট কানেকশন থাকলে অনলাইন থেকেও আপনি ছবি নিয়ে আসতে পারবেন।
[11:45]ধরেন আপনি চান হচ্ছে Tech লিখে সার্চ দিলাম। তো Tech রিলেটেড একটা ছবি যদি আমরা এড করতে চাই ধরেন এই ছবিটা নিলাম এই যে Insert এর উপরে ক্লিক করলাম।
[11:55]তো দেখেন এই ছবিটা Insert হয়ে গেল। কিন্তু লেখা কিন্তু বোঝা যাচ্ছে না। এখন এই ছবিটা ধরেন আমি এই বরাবর রাখি।
[12:02]এখন দেখেন এটা স্লাইডের সাথে মিলছে কিনা আমার হুবহু মিলে গেছে। যদি ধরুন না মিলে তখন আমি কি করব?
[12:10]তো সেক্ষেত্রে আমি এই যে Crop এ যাব। Aspect Ratio 16:9 করব করলে এরপর আমি এটা মিলিয়ে দিতে পারব।
[12:17]এখন এই ছবিটা যদি Rotate করার প্রয়োজন হয়। আপনি আমি একটু ছোট করে দেখাই এই যে এখান থেকে আপনি Rotate করতে পারবেন।
[12:25]ছবিতে যদি আপনি কোন বর্ডার দিতে চান বা কোন স্টাইল দিতে চান এই যে এখান থেকে বিভিন্ন স্টাইল দিতে পারবেন বা এই যে Picture Border দিতে চাইলে এখান থেকে দেওয়া যাবে।
[12:33]এখন ধরেন এই ছবিটা আমি এইভাবে রাখলাম এই যে হ্যাঁ। এখন এটা লেখা তো বোঝা যাচ্ছে না।
[12:39]আমি রাইট বাটন ক্লিক করে এই যে Send to back দিলাম। তাহলে লেখাটা দেখেন উপরে চলে আসলো। এখন এখান থেকে আমি এই যে সাদা কালার করে দিলাম এইটার টেক্সটগুলা। তাহলে কিন্তু দেখেন বোঝা যাচ্ছে।
[12:51]এখন আপনাদেরকে একটা মজার জিনিস দেখাই সেটা হচ্ছে আমরা View এ যাই। যাওয়ার পরে এখানে একটা অপশন আছে দেখেন Slide Master এটার উপরে ক্লিক করলাম।
[13:00]এখন আমি আমার প্রথম স্লাইডটাই চলে যাই এখানে। যাওয়ার পরে এই স্লাইডটাতে আমি কোন একটা জিনিস Insert করি।
[13:06]ধরেন এই যে Picture, This Device এ গেলাম। আমি ধরেন এই লোগোটা Insert করব। এটা Insert এর উপরে ক্লিক করলাম।
[13:13]এই লোগোটা এখান থেকে ছোট করি। করার পরে আমি এখানে বরাবর এখানে রাখলাম। ঠিক আছে।
[13:20]এখন আমি এই View থেকে আমি এখন View থেকে Normal View এ গেলাম। এখন একটা মজার জিনিস আছে আমি যদি এটা ছোট করি তাহলে দেখেন আমার প্রত্যেকটা স্লাইডে এই যে লোগোটা অ্যাড হয়ে গেছে।
[13:30]দেখেন এই স্লাইডেও আসছে। এই স্লাইডেও আসছে। এখানেও আসছে। আমি যদি একটা নতুন স্লাইড ক্রিয়েট করি তাহলে দেখেন এখানে নতুন স্লাইডেও আসছে।
[13:38]অর্থাৎ প্রতিটা স্লাইডে যদি আপনি লোগো বা কোন কিছু অ্যাড করতে চান সেক্ষেত্রে Slide Master থেকে আপনি কাজটা করবেন।
[13:44]এখন আমরা দেখি যে এই যে আমরা কাজগুলা করলাম এগুলায় যদি আমি কোন ইফেক্ট দিতে চাই। এটা কিন্তু আমি যদি এখান থেকে Slide Show View দেখি দেখেন এটার উপর ক্লিক করি।
[13:54]এটা কিন্তু একদম খুব সাদা মাটা আসতেছে তাই না? কিন্তু আমি একটু ইফেক্ট দিতে চাচ্ছি।
[13:59]ট্রানজিশন ইফেক্ট দিই। আমরা দুই ভাবে কাজটা করতে পারি একটা হচ্ছে Transition আর একটা হচ্ছে Animation। দুইটার পার্থক্য আপনাদেরকে আমি দেখাচ্ছি।
[14:07]এছাড়া আপনার Insert এর ভিতরে কিন্তু আইকন আছে। আপনি চাইলে কোন আইকন এখান থেকে Insert করতে পারেন।
[14:13]এই যে বিভিন্ন রকম আইকন বিভিন্ন সময় আমাদের প্রয়োজন হয়। এই যে আইকন গুলা ধরেন এই আইকনটা Insert করলাম।
[14:18]এই যে Apple এর আইকনটা এখান থেকে আপনি Graphics Fill থেকে এই Fill Color চেঞ্জ করলেন হ্যাঁ।
[14:24]এখন Transition আর Animation এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে Transition হচ্ছে আপনার পুরা পেজটা কিভাবে আসবে আর Animation হচ্ছে এই পেজের ভিতরে ছোট ছোট কন্টেন্ট গুলা কিভাবে আসবে?
[14:34]তো এই লোগো যদি আপনি আবার সরাতে চান তাহলে আবার এই View থেকে Slide Master এ গিয়ে এই যে প্রথম স্লাইডে গিয়ে এখান থেকে মুছে দেই Delete বাটন প্রেস করে।
[14:43]এই যে Slide Master ক্লোজ করি। এখন দেখেন লোগোটা চলে গেছে সব স্লাইড থেকে। এখন আমি এই স্লাইডটাতে Transition এবং Animation দিয়ে দেখাই।
[14:50]এটার উপর ক্লিক করি। Transition এ গেলাম। দেখেন এখানে বিভিন্ন রকম Transition আছে। আমি একটা Transition ইউজ করি যে Blinds।
[14:57]তাহলে দেখেন আমি এটার উপরে ক্লিক করি। করে এখান থেকে এই যে Slide Show Mode দেখব এই যে দেখেন এখান থেকে।
[15:06]এখন যখন আমি মাউসের ক্লিক করব অথবা এখান থেকে Next এ ক্লিক করব অথবা আমার কিবোর্ডের যে Up-Down Key আছে এটার উপর ক্লিক করলে দেখেন।
[15:15]আগের থেকে কত সুন্দর লাগতেছে না এই স্লাইডটা কিভাবে চেঞ্জ হয়ে এভাবে আসতেছে। এখন আমি চাই যে এই জিনিসগুলোও সুন্দরভাবে আসবে। ঠিক আছে।
[15:23]তো আমি যেহেতু এই পুরাটাই একটা SmartArt নিয়ে দ্রুত করছিলাম যার কারণে এটা কিন্তু আমি একটা একটা করে আলাদা এখন আনতে পারবো না।
[15:31]একবারেই এই এনিমেশন অ্যাড করতে হবে। কিন্তু এই যে আমি নিজে যেটা করছিলাম কাস্টম এটা কিন্তু পারবো।
[15:38]দেখেন এই দুইটা ধরে আমি Ctrl+G দিয়ে গ্রুপ করি। Ctrl+D দিয়ে এটা ডুপ্লিকেট করি। এখানে একটা রাখি এই যে এই তিনটা ধরেন করলাম এখানে।
[15:48]এইটা দেখেন বেশি বড় হয়ে গেছে। এখন আমি এই তিনটা এইভাবে সিলেক্ট করি। Ctrl+G দিয়ে গ্রুপ করি। এটা একটু ছোট করে নেই দেখেন। করে এখানে রাখি।
[15:58]এখন আবার রাইট বাটন ক্লিক করে এখান থেকে আনগ্রুপ করি। এখন ধরেন আপনি এখানে Excel E-Book এর জায়গায় লিখলাম Word।
[16:06]আমার কিন্তু Microsoft Excel, Word, PowerPoint এর Beginner to Advanced পেইড প্রিমিয়াম কোর্স আছে সেই সম্পর্কে জানতে ভিডিওর ডিসক্রিপশন বা নিচে দেওয়া Whatsapp নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন।
[16:16]আচ্ছা এইটা লিখলাম। এখন আমি এটার উপর ক্লিক করি এই যে Shape Fill থেকে অন্য একটা কালার দিই ধরেন এইটাও সিলেক্ট করি এই যে এইটা। Shape Fill থেকে আর একটা কালার দিই।
[16:27]এখন এইগুলাতে এটাই প্রথমে একটা Transition দেই এটার উপর ক্লিক করি। Transition ধরেন Uncover দিলাম।
[16:34]তাহলে দেখেন এই স্লাইড থেকে পরের স্লাইডটা যখন আসবে তখন এইভাবে আসবে। এখন এই জিনিসগুলা কিভাবে আসবে?
[16:42]এটার উপর ক্লিক করলাম Animation এ গেলাম। দেখেন এখানে বিভিন্ন রকম Animation আছে। ঠিক আছে। এখন আমি ধরেন এই যে Fly In এইটা দিলাম।
[16:51]কিভাবে আসবে? এই যে On Click এ আসবে। এর পরেরটাতেও আমি কি করি? এই যে Fly In দিলাম।
[16:57]এটাও কিভাবে আসবে? On Click মানে এটা ক্লিক করার পরে এটা ক্লিক করলে এটা আসবে। ধরেন আপনি এইটা চান এইটার একটু পরে আসবে।
[17:04]তাহলে আপনি Fly In দিব এবং এখানে দেখেন দিব With Previous। এইটার সাথে অটো এইটা আসবে। যদি আপনি একটু ডিলে দিতে চান দেখেন এই একটু ডিলে দিলাম।
[17:13]তো দেখি এখন এটা কিভাবে আসে চলেন। এখান থেকে আমরা Slide Show Mode দেখতে পারি। এখানে আবার ক্লিক করলে স্লাইডগুলা আপনি একবার এভাবে দেখতে পারবেন।
[17:19]ঠিক আছে তো আমি এখান থেকে এই মোডে গেলাম। এখান থেকে আমি Slide Show এর উপরে ক্লিক করলাম।
[17:27]দেখেন এই যে Excel E-Book এই যে এইটার পরে এইটা অটোমেটিক আসছে এক সাথে কিন্তু একটু ডিলে দিয়ে আসছে।
[17:34]দেখেন আমি দেখাই এই যে দেখেন। মানে আমি কিন্তু দুইবার ক্লিক করি নাই। এখন Transition এর পার্থক্য কি দেখেন এই পেজ থেকে আমি এই পেজে গেলাম এইটা Transition এবং এই একটা, এই একটা এইটা হচ্ছে Animation।
[17:49]আপনি একবারই দেখাইতে তো চান না। একটা একটা করে দেখাবেন। এখন আপনি কি করলেন এটা সেভ করে যে কাউকে দিতে পারেন বা মেইল করতে পারেন।
[17:58]যেমন আমি এটা ডেস্কটপে সেভ করছি। আমি যদি ক্লোজ করে দেই দেখেন এটা যদি এখন ওপেন করি। করে প্রথম থেকে দেখি আমাদের স্লাইডটা এই যে এটা থেকে এটা আসলো।
[18:08]এরপরে ক্লিক করলাম এভাবে আসলো। দেখেন এই যে কত সুন্দর মোটামুটি একটা প্রেজেন্টেশন আমাদের কিন্তু চলে আসলো।
[18:16]তো এভাবে খুব সহজে আপনার কন্টেন্টকে কাজে লাগিয়ে আপনি প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে পারেন। তো আশা করছি ভিডিওটা আপনার জন্য হেল্পফুল ছিল।
[18:22]ভিডিওটি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক করবেন। কেমন লাগলো কমেন্ট করবেন। আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।



