Thumbnail for ChatGPT, DNA এবং মানুষের অমরত্ত্ব। by Somrat

ChatGPT, DNA এবং মানুষের অমরত্ত্ব।

Somrat

6m 9s1,104 words~6 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Pull quotes
[0:00]এমন কোন টেকনোলজি কি ভবিষ্যতে আসলেই আসবে যাতে করে আপনার মৃত্যুর পরেও আপনি আপনার প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবেন?
[0:00]পৃথিবীর সব মেমোরি কার্ড তো ফুল হয়ে যাবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে এখন যেমন আমরা মেমোরি কার্ড বা হার্ড ড্রাইভে আমাদের সব ডেটা স্টোর করে রাখি ভবিষ্যতে ডেটা স্টোর করা হবে ডিএনএতে। হোয়াট ডিএনএ?
Use this transcript
Related transcript hubs

[0:00]এভাবেই আমাদের প্রিয়জনগুলো হয়তো মৃত্যুর পরে আমাদের জীবন থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যাবে না। আমরা একটু হলেও তাদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবো। এখন যেমন আমরা মেমোরি কার্ড বা হার্ড ড্রাইভে আমাদের সব ডেটা স্টোর করে রাখি, ভবিষ্যতে ডেটা স্টোর করা হবে ডিএনএতে। হোয়াট ডিএনএ? হ্যালো এভরিওয়ান কেমন আছেন সবাই? আজকের ভিডিওটাতে আমি মানুষের অমর হওয়ার যে চেষ্টা, সেই রিলেটেড কিছু টেকনোলজিক্যাল ইনভেনশন নিয়ে আপনাদের সাথে কথা বলবো যেগুলো আই বেট আপনি কোনদিন চিন্তাও করেন নাই। এবং ভিডিওটার একদম শেষে আমি খুব রিসেন্ট একটা টেকনোলজিক্যাল ইনভেনশন নিয়ে কথা বলবো এবং সেটা আমাদের পৃথিবীকে এবং আপনাকে এবং আমাকে কিভাবে প্রভাবিত করবে সেটা আলোচনা করবো। তো চলুন ভিডিও শুরু করা যাক। সৃষ্টির শুরু থেকেই অনেক মানুষ অমর হতে চাইছে। এখনো এমন অনেক মানুষ আছে যারা বিশ্বাস করে মানুষ একদিন অমর হতে পারবে। অনেক সাইন্টিস্ট এটা নিয়ে কাজও করছেন। এখন এমন অনেক কোম্পানি আছে তাদেরকে যদি আপনি টাকা দিয়ে যান তারা আপনার বডি এবং ব্রেনটাকে আপনার মৃত্যুর পরে ফ্রিজ করে রাখবে যাতে সেগুলো গলে বা পচে না যায়। আপনি যদি গুগল এ সার্চ করেন তাহলে দেখবেন আমেরিকা এবং রাশিয়ার অনেক মানুষ এই কোম্পানিগুলোকে টাকা দিয়ে গেছে যাতে তাদের মৃত্যুর পরে তাদের ব্রেন এবং বডিটাকে ফ্রিজ করে রাখা হয় এবং যাতে এগুলো গলে বা পচে না যায়। এবং ভবিষ্যতে যদি কখনো মরা মানুষকে বাঁচানোর কোন টেকনোলজি বের হয় যাতে তাদেরকে আবার বাঁচিয়ে তোলা যায়। দুর্ভাগ্যবশত মানুষকে আসলে অমর বানানো যায় এমন কোন টেকনোলজির প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং আমার ধারণা এটা সম্ভবও না। যেহেতু ফিজিক্যালি মানুষকে অমর বানানো সম্ভব না, ডিজিটালি কি মানুষকে অমর বানানো সম্ভব? এমন কোন টেকনোলজি কি ভবিষ্যতে আসলেই আসবে যাতে করে আপনার মৃত্যুর পরেও আপনি আপনার প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবেন? এরকমই একটা ফিউচারিস্টিক ডকুমেন্টারি দেখেছিলাম যেটাতে বলা হচ্ছিল অদূর ভবিষ্যতে সোশ্যাল মিডিয়াতে ঠিক যতগুলো জীবিত মানুষের অ্যাকাউন্ট থাকবে, ততগুলোই বা তার থেকে বেশি মৃত মানুষের অ্যাকাউন্ট থাকবে। কারণ আমরা সবাই মারা যাব কিন্তু আমাদের অ্যাকাউন্টগুলো থেকে যাবে। অর্থাৎ এই ডিজিটাল অ্যাকাউন্টগুলোতে আমাদের এত এত ডেটা, মেসেজ, অডিও, ভিডিও, পিকচার্স, ইমেইলস এই সবকিছু থেকে যাবে। তাহলে এত ডেটা দিয়ে এই ডিজিটাল কোম্পানিগুলো কি করবে? ভবিষ্যতে হয়তো এই কোম্পানিগুলো আপনাকে আপনার একটা কপি বানানোর সুযোগ দিবে যেটা আপনি আপনার মৃত্যুর সময় পৃথিবীতে রেখে যেতে পারবেন। অর্থাৎ কোন একটা জায়গায় আপনি আপনার অডিও, ভিডিও, ইমেইল আপনি যেভাবে মেসেজ লিখেন সেগুলোর কিছু স্যাম্পল জমা দিবেন যেগুলোর একসাথে করে হুবহু আপনার একটা কপি বানানো হবে। যেই কপিটা হুবহু আপনার মত করে কথা বলবে, আপনার মত অঙ্গভঙ্গি করবে, আপনার মত ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন দিবে, বাসায় ভালো খাবার রান্না বান্না হলে যেরকম আপনি খুশি হন সেরকম খুশি হবে অথবা কোন একটা দুঃখের সংবাদে আপনি যেভাবে কান্নাকাটি করেন সেভাবে কান্নাকাটি করবে। আপনাকে মেসেজ লিখলে আপনি যেভাবে রিপ্লাই করেন সেভাবে রিপ্লাই করবে, আপনি যেভাবে ইমেইল লিখেন ঠিক হুবহু সেভাবে ইমেইল লিখবে। যেহেতু এখানে বছরের পর বছরের অনেক ডেটা ইনপুট দেওয়া থাকবে এটা হুবহু আপনাকে কপি করতে পারবে এবং এটা যে আপনি না সেটা বোঝার কোন উপায় থাকবে না। ঠিক এভাবেই আমাদের প্রিয়জনগুলো হয়তো মৃত্যুর পরে আমাদের জীবন থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যাবে না। আমরা একটু হলেও তাদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবো। এখন আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন ভাই সবাই যদি তার একটা করে কপি পৃথিবীতে রেখে যেতে চায় তাহলে এত ডেটা কোথায় স্টোর করা হবে? পৃথিবীর সব মেমোরি কার্ড তো ফুল হয়ে যাবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে এখন যেমন আমরা মেমোরি কার্ড বা হার্ড ড্রাইভে আমাদের সব ডেটা স্টোর করে রাখি ভবিষ্যতে ডেটা স্টোর করা হবে ডিএনএতে। হোয়াট ডিএনএ? অবিশ্বাস্য লাগছে? আমার কাছেও অবিশ্বাস্য লেগেছিল কিন্তু আপনি যদি গুগল এ সার্চ করে দেখেন তাহলে দেখবেন ক্যাটালগ নামে একটা কোম্পানি অলরেডি সাকসেসফুল এই কাজটা করে ফেলেছে। তারা উইকিপিডিয়ার 16 জিবি ডেটা অলরেডি ডিএনএতে স্টোর করে ফেলেছে। যেহেতু ডেটা স্টোর করার কোন চ্যালেঞ্জ নাই তাহলে আমরা হয়তো ভবিষ্যতে আসলেই আমাদের একটা কপি বা চ্যাটবট পৃথিবীতে রেখে যেতে পারবো। কিন্তু সেটা আমরা করবো কি করবো না সেটা অবশ্যই আমাদের একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু আমার যে ব্যাপারটা নিয়ে সন্দেহ ছিল সেটা হচ্ছে একটা এরকম পাওয়ারফুল চ্যাটবট কি আসলেই বানানো সম্ভব যেটা একটা মানুষের সব ডেটা এনালাইসিস করে হুবহু এই মানুষটার মত করে উত্তর দিবে? এরপরে গত সপ্তাহে আমি এমন একটা চ্যাটবট দেখলাম যেটা আমার সব সন্দেহ দূর করে দিল। আমি এতক্ষণ একটা মানুষের ডেটা কপি করার কথা বলছিলাম পরে দেখলাম অলরেডি এমন একটা চ্যাটবট লঞ্চ করা হয়ে গিয়েছে যেটাকে মোটামুটি পৃথিবীর সব ডেটা দিয়ে ট্রেনিং করা হয়েছে। এখন আমি আপনাদেরকে খুবই পাওয়ারফুল একটা চ্যাটবটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। যেটার সাথে আপনি যদি ঠিকমতো কথা বলতে পারেন তাহলে ও মোটামুটি আপনার যেকোনো কাজ করে দিতে পারবে। আপনি যদি গুগল এ চ্যাট জিপিটি লিখে সার্চ করেন তাহলে ঠিক এই জিনিসটা পাবেন। চ্যাট জিপিটি হচ্ছে একটা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বেসড কনভার্সেশনাল সফটওয়্যার। অর্থাৎ আপনি একটা মানুষের সাথে যেভাবে কথা বলেন হুবহু এটার সাথে সেরকম ভাবে কথা বলতে পারবেন এবং আপনার ইচ্ছামতো একে দিয়ে কাজ করায় নিতে পারবেন। মনে করেন আপনার একটা গল্প, কবিতা বা গান লেখা দরকার অথবা একটা প্রেজেন্টেশন বানানো বা ইমেইল লেখা দরকার। আপনি যদি বুঝিয়ে ওকে বলতে পারেন তাহলে ও আপনাকে এই কাজটা করে দিবে। চলেন এখন দুইটা কুইক টেস্ট নিয়ে দেখি ওকে আমি যা করতে বলি ও কি আমাকে আসলেই সেটা করে দিতে পারে কিনা। ভিডিওটা শেষে চাইলে আপনারাও টেস্ট করে দেখতে পারেন। আমার কাছে বেশ পাওয়ারফুল মনে হয়েছে। সো আমি ওকে প্রথমেই বাংলা নববর্ষের উপরে আমাকে একটা এসে লিখে দিতে বলি। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন কয়েক সেকেন্ডের ভিতরে ও আমাকে খুব চমৎকার এবং বেশ বড় একটা এসে লিখে দেয়। এবং এই এসেটা আমার কাছে খুবই ডিটেইলড, ইনফরমেটিভ এবং অ্যাকুরেট মনে হয়েছে। সো পরবর্তীতে আমি ভাবলাম এটার একটা প্রোগ্রামিং বা কোডিং এর টেস্ট নেওয়া দরকার। সো আমি ওকে বললাম সিজিপিএ কিভাবে ক্যালকুলেট করতে হয় সেটার একটা পাইথন কোড তুমি আমাকে লিখে দাও। ও সাথে সাথে আমাকে সিজিপিএ ক্যালকুলেট করার পাইথন কোড লিখে দিল। আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে ও শুধুমাত্র আপনার জন্য কোড লিখতেই পারবে না আপনি নিজে থেকে যদি কোন কোড লিখেন সেটাতে কি ভুল আছে ও সেটাও খুঁজে বের করতে পারবে। দিস ইজ ইনসেন, দিস ইজ আনবিলিভেবল। পৃথিবীর খুব ফেমাস একজন রাইটার জর্ডান পিটারসন কিছুদিন আগে এই চ্যাট জিপিটি ইউজ করছিলেন। উনি খুব ফেমাস একটা বই লিখেছেন যেটাতে উনি লাইফের 12 টা রুলস এক্সপ্লেইন করেছেন। উনি চ্যাট জিপিটিকে বলেন আচ্ছা এই 12 টা রুলস এর পরেও আমি যদি 13 নম্বর একটা রুল লিখতে চাই সেটা কি হওয়া উচিত? মাত্র তিন সেকেন্ডের মধ্যে চ্যাট জিপিটি 13 নম্বর রুলটা লিখে দেয় এবং এটা দেখে লেখক এতটাই ইম্প্রেসড হন উনি বলেন এটা শুধুমাত্র গ্রামাটিক্যালি কারেক্ট না এটা মরলে ইথিক্যালি ফিলোসফিক্যালি কারেক্ট। 2023 সালের শুরু থেকেই এই চ্যাট জিপিটি নিয়ে সবাই আলোচনা করছে তাই ভাবলাম এই ব্যাপারটা আমি আপনাদেরকে জানাই। কেউ কেউ বলছেন এই চ্যাট জিপিটি একসময় এত পাওয়ারফুল হয়ে যাবে যে এটার কারণে অনেক মানুষ চাকরি হারাবে আবার অনেকে বলছেন না এটার কারণে হয়তো অনেক নতুন চাকরির সুযোগও তৈরি হবে। আপনার কি মনে হয় চ্যাট জিপিটি কি আসলেই একদিন মানুষের থেকে অনেক বেশি পাওয়ারফুল হয়ে যাবে কমেন্ট করে আমাদেরকে জানাবেন। থ্যাংক ইউ সো মাচ ফর ওয়াচিং। চিয়ার্স।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript