Thumbnail for তুরুপের প্রথম তাস খেলে দিলো ইরান | Iran | Strait of Hormuz | Ekattor TV by Ekattor TV

তুরুপের প্রথম তাস খেলে দিলো ইরান | Iran | Strait of Hormuz | Ekattor TV

Ekattor TV

2m 57s333 words~2 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Use this transcript
Related transcript hubs

[0:03]আহত হলেও সিংহের মতো লড়াই করে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তি স্তম্ভ খ্যাত ইরান। শুধু স্থল আর আকাশ পথে নয়, জলপথেও প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করতে কোমর বেঁধে নেমেছে আয়াতুল্লাহ খামেনীর আদর্শে উজ্জীবিত ইরান। যুদ্ধের তান্ডবের মাঝেই বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী। পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এ পথ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে না কোন জাহাজ। ২১ থেকে ৩০ কিলোমিটার প্রস্থের সরু প্রণালীতে নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতির তেলের বাজারে ঝড় তুললো ইরান। দেশটির এমন পদক্ষেপের ফলে চলমান যুদ্ধের গণ্ডি আর আঞ্চলিকতায় সীমাবদ্ধ থাকলো না বরং পা বাড়ালো বৈশ্বিক অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথে। বিশ্বের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল ইরান ভাঙতে জানলেও মচকতে জানে না। শির দ্বারা উঁচু করে তারা শত্রুর পথে পাখা হয়ে তাড়াতে পারে।

[1:04]ইরানের যুদ্ধের আগুন লেগেছে এমন খবরে যখন ব্যস্ত পুরো বিশ্ব তখনই নিজেদের কৌশলগত পদক্ষেপের একাংশ সামনে আনলো ইরানের সামরিক বাহিনীর ডান হাত আইআরজিসির নৌবাহিনী। ভিএইচএফ ফ্রিকোয়েন্সিতে ঘোষণা করল হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবে না কোন জাহাজ। In every time it is not allowed to pass from the Strait of Hormuz until next notification. এর মাধ্যমেই থমকে গেল প্রণালীটি দিয়ে প্রতিনিয়ত যাওয়া বিশ শতাংশ তেল পরিবহন কার্যক্রম। আমেরিকা ও ইসরাইলের অপকর্মের নৈতিক সমর্থন দেওয়া কাতার, সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো তেল রফতানির বড় কান্ডারিগুলো মূলত হরমুজের উপরই নির্ভরশীল। কয়েকদিনের জন্য প্রণালীটি বন্ধ থাকলেই আকাশচুম্বী হবে তেলের দাম। তবে হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণায় নেই অবাক হওয়ার মতো কিছু কারণ ইরান আগেই জানিয়েছিল পরিস্থিতি বিবেচনায় যে কোন মুহূর্তে তারা বন্ধ করে দিতে পারে হরমুজের পথ। শোনা যাচ্ছে, গেল শনিবার সকালে ইরানে পশ্চিমা শক্তির আঘাতের পরপরই প্রণালী দিয়ে কমে গেছে প্রায় ৭০ শতাংশ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল। উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, কয়েকটি তেল কোম্পানি ও ট্রেডিং ফার্ম স্থগিত করেছে প্রণালীটির মাধ্যমে কাঁচা তেল ও জ্বালানি সরবরাহ। বিশ্বের প্রধান তেলের নির্ধারক সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের তথ্যমতে শুক্রবার পর্যন্ত ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ৭৩ ডলারে স্থিতিশীল ছিল। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে রবিবার পর্যন্ত সংঘাত চলমান থাকলে তেলের দাম বাড়বে প্রায় পাঁচ থেকে ১০ ডলার। অস্থিতিশীলতার ঢেউ লাগতে পারে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারেও।

[2:54]জয় সরকার, ৭১।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript