Thumbnail for ১৫ বছর ধরে তারা এই বরফে ঢাকা জঙ্গলে |Movie review | survival thriller movie explanation |Mnd Story by MND story

১৫ বছর ধরে তারা এই বরফে ঢাকা জঙ্গলে |Movie review | survival thriller movie explanation |Mnd Story

MND story

17m 26s3,350 words~17 min read
YouTube auto captions
Transcript source

YouTube auto captions

This transcript was extracted from YouTube's auto-generated caption track. The transcript below is server-rendered so it can be read, searched, cited, and shared without opening the original YouTube player.

Use this transcript
Related transcript hubs

[0:00]শুরুটা হয় এমন এক পরিবারকে দিয়ে, যারা দুনিয়াদারি থেকে আলাদা এই বরফে ঢাকা এলাকাতেই থাকে। এখানেই সে তার জীবন পার করে। এই পরিবারটা শুধুমাত্র দুজন মানুষ নিয়ে গঠিত। যদিও এর মধ্যে একজন মানুষও আছে যাকে কখনো দেখা যায় না। তো বেশিরভাগ সময় লিউক আর তার মা একসাথেই থাকে। তো আজ সে মানুষটা এসেছে, যে আসলে লিউকের বাবা। সে তাদের থেকে দূরে থাকে, কিন্তু মাঝেমধ্যে সে আসে, যাতে এরা নিজেদের দরকারি জিনিসপত্র গুলো পেতে পারে। যেমন আজ সে তাদের জন্য রেশনের জিনিসপত্র নিয়ে এসেছে। এটা দেখে লিউক খুব খুশি হয়, কারণ অনেকদিন পর তার ভালো কিছু খাওয়ার ইচ্ছা করছে। কথা বলার ফাঁকে সে তাকে পড়াতে বসায়। এ পর্যন্ত তো তোমাদের সবকিছু একদম ঠিকঠাকই লাগছে, যে একজন বাবা তার ছেলেকে পড়াচ্ছে আর তার পাশে মা বসে আছে। দেখতে কি সুন্দর একটা মুহূর্ত। কিন্তু গাছে ফল ধরেছে মানেই যে এটা খাওয়ার যোগ্য এমনটাও জরুরি নয়। লিউকের বাবা তার ভুলের শাস্তি তাকে নয়, বরং তার মাকে দেয়। সেটাও খুব বাজে ভাবে। তার সামনে সে তাকে কিছু প্রশ্ন করে আর যখন সে প্রশ্নের ভুল উত্তর দেয়। সে তার মাকে একটা জোরে থাপ্পড় মারে। এরকম পুরো সময় ধরে চলতে থাকে। আর তারপর এমন একটা সময় আসে যখন প্রশ্ন শেষ হয়ে যায়। তখন তার বাবা তাকে বলে সে যেন বাইরে গিয়ে খেলে। তার কিছু কাজ আছে। এইটুকু বলে সে তার মাকে বেডরুমে নিয়ে যায়। কিন্তু কিছুক্ষণ পর লিউকের খুব অস্বস্তি হয়, যে তার বাবা আসলে কি করছে? সে কি এখনো তার মাকে মারছে? এই বিষয়টা চেক করার জন্য সে আস্তে করে তাদের রুমের জানালা দিয়ে ভেতরে উঁকি দেয়ার চেষ্টা করে। সেই সময় সে দেখতে পায় যে তার বাবা তার মায়ের সাথে ইনটিমেট হচ্ছে। কিন্তু তার এই কান্ড দেখে তার বাবা খুব রেগে যায় আর বলে দেয় যে আজকের পর সে বাড়ি তার কখনো আসবে না। এ কথা শুনে লিউকের মা ক্লারা যেন পাগল হয়ে যায়। যদিও জন কখনো তাকে নিজের স্ত্রীর নজরে দেখে না। কারণ অনেক বছর আগেই সে তাকে আর তার বাচ্চাকে ত্যাগ করেছে। তবে মাঝেমধ্যে মন ভালো করার জন্য সে এখানে আসে। কিন্তু আজ যখন সে লিউকের এই কান্ড দেখে তখন সে এতটাই রেগে যায় যে রাত পার না করেই সে সেখান থেকে চলে যায়। ক্লারা'র এখন ভয় হতে থাকে যে সে হয়তো সত্যি আর কখনো ফিরে আসবে না। এইজন্য সে লিউকের সাথে নিয়ে তার গাড়ির পিছনে ছুটতে থাকে। আর বারবার তাকে চিৎকার করে বলে যে থেমে যাও। তার ছাড়া এই পৃথিবীতে তাদের আর কেউ নেই। কিন্তু জন মন স্থির করে নিয়েছে। আর এই বিষয়টা ক্লারাও কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারে যে সে আর কখনো ফিরে আসবে না। যার কারণে সে গাড়ির স্পিড বাড়িয়ে দেয় আর স্টেয়ারিং থেকে হাত সরিয়ে নেয়। খুব দ্রুত গাড়িটা এখন একটা ফ্রোজেন লেকের দিকে এগোতে শুরু করে। আর ভেতরে বসা লিউক বারবার তার মাকে জিজ্ঞেস করে যে সে এমনটা কেন করছে? কিন্তু ক্লারা তো যেন কিছুই শুনতে পাচ্ছে না। যখন লিউক দেখে যে এখন গাড়ির নিচে থাকা লেকের স্নো যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে। এইজন্য সে সাথে সাথে হ্যান্ডব্রেক টেনে দেয়, যার ফলে গাড়িটা থেমে যায়। আর সে তাড়াতাড়ি বাইরে বেরিয়ে আসে। এখন সে তার মাকে বাইরে আসার কথা বলতে থাকে। কিন্তু তার মা তো শুধু তার দিকে তাকিয়েই থাকে। এরই মাঝে লিউক দেখতে পায় এখন গাড়ি নিচে থাকা লেকের স্নো যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে। এইজন্য সে তার গলার আওয়াজ আরো বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু তখনও ভেতরে বসে থাকা ক্লারার মন গলে না। এমনকি সে এটাও বলে ফেলে যে সে অনাথ হয়ে যাবে। তাছাড়া এই পৃথিবীতে তার আর কেউ নেই। কিন্তু ক্লারা মন ঠিক করে নিয়েছে যে যতক্ষণ জন ছিল ততক্ষণই তার জীবন ছিল। তার চলে যাওয়ার পর তার এই জীবনটা শেষ করে দেয়া উচিত। তার মনে লিউকের প্রতি কোন ভালোবাসা নেই। এবার নিজের মাকে চোখের সামনে মরতে দেখে লিউক পুরোপুরি ভেঙে পড়ে আর সেখানে সে চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। সিন শিফট হয়ে একজন ডিটেকটিভের উপর, যার কিছুদিন আগে ডিভোর্স হয়েছে। তার একটা ছেলে আছে, কিন্তু সে তার স্ত্রীর সাথে থাকে, যে এখন দ্বিতীয় বিয়েও করে নিয়েছে। এরই মাঝে আমরা রাকেল নামের এক মহিলাকে দেখতে পাই। যেই কিনা প্রতিদিনের মতো আজও তার কাজ থেকে বাড়ির দিকে ফিরছে। কিন্তু আজ নতুন কিছু ঘটে। আসলে যখন সে গাড়িতে থাকে সে দেখে যে একটা লাল রঙের গাড়ি তাকে ফলো করছে। অনেকক্ষণ ধরে ফলো করার পর সে নিজের গাড়িটা সাইডে দাঁড় করায়। কিন্তু সেই গাড়িটা তো না থেমে সামনে চলে যায়। তার মনে হয় এটা হয়তো তার ভুল ধারণা। তারপর সে নিজের বাড়ির দিকে ফিরে আসে। সেই সময় তার স্বামী আর মেয়ে জনসন সেখানে উপস্থিত থাকে। আসলে তার স্বামীর ডিউটি রাতেরবেলায় থাকে। এইজন্য তার আসার কিছুক্ষণ পরই সে কাজে চলে যায় আর রাকেল নিজের কাজকর্ম শেষ করে নিজের রুমে চলে আসে। কেউ তার জানালায় স্নোবল মারে। এতে করে সে চেতে যাই, কিন্তু এত রাতে কেউ এমনটা কেন করবে? এই জিনিসটা দেখার জন্য সে জানালার কাছে যায়। সেখানে তো কেউ উপস্থিত থাকে না, কিন্তু একটা জিনিস থাকে যেটা তার অদ্ভুত লাগে। সেই লাল রঙের গাড়িটা তার বাড়ির বাইরে একটা ঘন গাছের নিচে খুব শান্তভাবে দাঁড়িয়ে আছে। আর পাশে বানানো থাকে একটা তাজা স্নোম্যান। এবার সকাল হতে জনসন সবার প্রথমে তার মাকে খুঁজতে থাকে, কিন্তু আজ সে বাড়িতেই নেই। এত সকালে সে কোথায় চলে গিয়েছে? এবার আমরা আসি আমাদের ডিটেকটিভ হ্যারির উপর। যার স্বভাব থেকে আমরা পরিষ্কার বুঝতে পারি যে সে ড্রিংকের পাশাপাশি স্মোকও করে আর শুধু একবার নয়, বরং অনেকবার। যার কারণে তার অবস্থা খুব একটা ঠিক নেই। কিন্তু এই জিনিসটা তার কাছে কোন বাধা দেয় না। তার থেকে ভালো এলাকায় কোন ডিটেকটিভ নেই আর এই কথাটা পুলিশও মানে। আজ তার সাথে দেখা হয় একটা মেয়ের সাথে যার সবেমাত্র নিউ জয়েনিং হয়েছে। আর সে হ্যারির গরীব অবস্থা নিয়ে একটু কটাক্ষ করে। কিন্তু পরে তার প্রশংসাও করে, যেটা তার করতে হয়। কারণ সে মানুষের কাছ থেকে যা শুনেছে সেটা সত্যি। ওই মেয়েটা হ্যারিকে তার বাড়ি পর্যন্ত লিফট দেওয়ার কথা বলে, কারণ তার কাছে নিজের কোন গাড়ি নেই। হ্যারি রাজি হয়ে যায়। এরই মাঝে রাস্তা দিয়ে তাদের কাছে একটা নিউ কেসের ডিটেইলস আসে। যেখানে রাকেল নামের এক মহিলার মিসিং কমপ্লেন দেখানো হয়েছে, যে গতরাত থেকে গায়েব। হ্যারি বলে বাড়ি যাওয়ার আগে আমি তার বাড়িতে যেতে চাই, যাতে কিছু জিনিস নিজের চোখে দেখি। যখন সে সেখানে পৌঁছায় তখন সে ক্যাথরিনকে বলে তুমি গিয়ে প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করো। আর আমি এই বাচ্চাটার সাথে একটু কথাবার্তা বলি। তারা দুজনেই আলাদা আলাদা চলে যায়। যখন হ্যারি জনসনের সাথে কথা বলে তখন সে এই বাড়িতে অনেক কিছু আজ করে নেই। যেমন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সবসময় অশান্তি থাকে। যার কারণে এই বাচ্চাটা কখনো সেই ভালোবাসা পায়নি যার সে যোগ্য। তার উপর দুজনেই নিজেদের কাজকে বেশি গুরুত্ব দেয়। কিন্তু এইসব কথার এই কেসের সাথে কি সম্পর্ক? যাইহোক অন্য দিকে ক্যাথরিনও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে এমনটাই শুনতে পায়। যে প্রায় তাদের বাড়িতে কিছু না কিছু হতে থাকে। এরপর সে হ্যারিকে তার বাড়িতে ছেড়ে দেয়। কিন্তু সে ভুল করে ক্যাথরিনের ফাইলটা নিজের সাথে নিয়ে আসে। যেটা সেই কেসের ছিল, যেটার উপর সে কাজ করেছে। হ্যারি সেটা খুলে দেখতে থাকে আর আমরা জানতে পারি যে ফাইলটা এমন এক মহিলার যার মৃত্যু আজ থেকে প্রায় নয় বছর আগে হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন পরেই তার লাশ বরফে ঢাকা পাহাড়ে পাওয়া যায়, কাটা ছেড়া অবস্থায়। তার শরীর চিলকাকে খাচ্ছে। আর পরের দিন সকালে যখন হ্যারির সাথে তার দেখা হয় তখন সে এই কেস সম্পর্কে আরও কিছু ইনফর্মেশন যোগাড় করে। আর সে জানায় এটা কোন প্রথম মৃত্যু নয়, বরং এরপরও আরো তিনজন মহিলার মৃত্যু হয়েছে একদম একই পরিস্থিতিতে। এই তিনজনের লাশের পাশে একটা স্নোম্যানও পাওয়া যায়, যেটা আমরা রাকেলের বাড়ির বাইরে দেখেছি। তো আমার এমনটা মনে হয় যে কোন গন্ডগোল হতে চলেছে। ছোট্ট একটা ব্রেক দিয়ে আবার মূল ভিডিওতে ফিরে যাচ্ছি। তোমাদের জন্য রয়েছে স্পেশাল অফার। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিশ্বস্থায়ী বুকমেকার অ্যাপটিতে তুমি লাইভ ম্যাচ থেকে শুরু করে আইফোন ল্যাপটপ এমনকি বিএমডব্লিউ-এর মত পুরস্কার জিততে পারো। শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও অনেকেই ইতিমধ্যেই তাদের রিওয়ার্ড পেয়েছে। এখানে তুমি লাইভ ম্যাচ দেখার সময় স্কোর অনুমান করতে পারবে। যেমন কোন টিম জিতবে, কোন টিম কত রান করবে ইত্যাদি। এছাড়াও এখানে তুমি গেম খেলে অনেক টাকা জিততে পারবে যেখানে সবার প্রিয় গেম হচ্ছে ক্রাশ গেম। এখানে প্লেনটি যত উপরে উঠবে তুমি তত বেশি টাকা জিততে পারবে। সবচাইতে ভালো বিষয় হচ্ছে আমার প্রোমো কোড MND10 ব্যবহার করলে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বোনাস পেতে পারো। যেটা টাকা তুমি চাইলে বিকাশ রকেট নগদ বা ব্যাংকে খুব সহজে তুলে নিতে পারো। আর যেকোনো সহায়তার জন্য তাদের ২৪ ঘন্টার কাস্টমার সাপোর্ট তো আছেই। তাহলে আর দেরি কিসের পিন কমেন্টে থাকা নির্দেশনাগুলো ফলো করো এবং প্রোমো কোড বক্সে MND10 ব্যবহার করতে ভুলো না। হ্যারির ব্রেন যেন কোন সুপারকারের মত দৌড়াতে শুরু করে। সে পুরোপুরি এখন এই কেসে ঢুকতে শুরু করে। কিন্তু আজ সে তার ছেলের সাথে দেখা করার জন্য মন স্থির করে নিয়েছে। তাই সে লেট হতে চায় না। এইজন্য সে সাথে সাথেই সেখানে পৌঁছে যায়। যেখানে একটা কনসার্ট হতে চলেছে। সেখানে সে তার ছেলের সাথে একটা ভালো সময় কাটায়। কিন্তু যখন সে তাকে বাড়িতে ছাড়তে যায় তখন সেখানে সে একজন নতুন বাবাকে দেখে। সে একটু ইমোশনাল হয়ে পড়ে। আসলে সে এটা জানে যে যদি সে আর তার স্ত্রী আলাদা হয়ে থাকে তাহলে এর মধ্যে পুরোপুরি তার নিজেরই দোষ। কিন্তু এখন তো বিষয়টা অনেক দূরে এগিয়ে গিয়েছে। এইজন্য সে কিছু না বলে বাড়িতে ফিরে আসে। আর ঠিক সেই সময় তার কাছে একটা মেসেজ আসে যে একটা আর্জেন্ট কেস এসেছে। তাই সকাল হতেই ক্যাথরিন বেরিয়ে যায়। সিন্থিয়া নামের মেয়ে যার মিসিং কমপ্লেন লেখানো হয়েছে কয়েক ঘন্টা আগে। তার বাড়ি শহর থেকে বেশ দূরে, কিন্তু ক্যাথরিন তার অফ রোড বিএমডব্লিউ দিয়ে খুব সহজে সেখানে পৌঁছে যায়। সেখানে গিয়ে সে একটা বড় শক খায়। সেখানে সে দেখে যে সিন্থিয়া তো এখানে আগে থেকেই উপস্থিত। হতে পারে কেউ তার সাথে মজা করেছে। এইজন্য সে ফিরে যেতে থাকে। কিন্তু মাঝ রাস্তায় তাদের কাছে এবার কল আসে যে সিন্থিয়ার মিসিং কমপ্লেন কিছু মিনিট আগে আবার লেখানো হয়েছে। তো তারা আবার জিজ্ঞেস করে যে কে লিখিয়েছে? আমরা কি তার ঠিকানা পেতে পারি? ঠিকানা পেতেই তারা তার সাথে সেখানে পৌঁছায়। তো সেখানেও তারা সিন্থিয়াকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে। কিন্তু এক মিনিট এটা সে সিন্থিয়া নয়। আসলে এটা তার জমজ বোন, যে জানায় যে হ্যাঁ আমি আমার বোনের মিসিং কমপ্লেন লিখিয়েছিলাম। কারণ কিছুক্ষণ আগে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু একটু আগেই তো তার সাথে সিন্থিয়ার দেখা হয়েছিল। যদি সে সিন্থিয়া না থাকে তাহলে সে কে? যে তার জমজ বোন সে জানায় সে অনেকক্ষণ ধরে তাকে ফোনও করছে কিন্তু কোন খবর নেই। এরপর তারা দুজনেই আবার সেই বাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু এখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। তারা সেখানে সিন্থিয়ার মাথা কাটা লাশ খুঁজে পায়, যার পোষা মুরগিগুলো তাকে খাচ্ছে। কিন্তু তার রক্তের গরম ভাব দেখে হ্যারি বুঝতে পারে এই কাজটা মাত্র কিছুক্ষণ আগেই হয়েছে। তাই সে সাথে সাথে যায় যাতে কিছু প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর সে এদিক ওদিক তাকা দিয়ে কিছু পায়ের ছাপ দেখতে পায়, যেগুলো বরফের মধ্যেও এখন একদম তাজা। কিন্তু তার থেকেও ভয়ংকর একটা জিনিস সে পায় যেটা কেউ ভাবতেও পারেনি। আসলে সেখানে একটা স্নোম্যান থাকে যার মাথার জায়গায় সিন্থিয়ার মাথা লাগানো থাকে। আর এই জিনিসের খবর যখন পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কাছে পৌঁছায়, তারা পুরো ফোর্স এ এলাকায় পাঠিয়ে দেয়। যদি কেউ এমনটা করে থাকে তাহলে সে নিশ্চয়ই কোন পাগল বা সাইকো মানুষ। হ্যারি এবার এই বিষয়টা নিয়ে তার হায়ার অফিসারের কাছে যায়। কারণ এই খুনটা অনেক বড়। এইজন্য সে চাই তার অফিসার পারমিশন দিক যাতে সে ক্যাথরিনের সাথে মিলে একটা ছোট টিম বানায়। যার জন্য তার কিছু বিশেষ আর সবচেয়ে যোগ্য ডিটেকটিভ চাই, যাতে তার কাজটা সহজ হয়। প্রথমে তো সে অফিসার তার কথায় রাজি হয় না। কিন্তু যখন হ্যারি তাকে সেই খুনের খুন করার স্টাইলটা জানায় তখন সবাই চমকে যায় আর এটা শুনে তাকে পারমিশন দিয়ে দেয়া হয়। হ্যারি অফিসে ফিরে আসে। যেখানে সে ক্যাথরিনের কাছ থেকে লাইলার ব্যাপারে আরো তথ্য জোগাড় করে। আসলে লাইলাই সবার প্রথম শিকার ছিল যার খুন নয় বছর আগে হয়েছে। আর এটাও কনফার্ম জানা নেই যে ওই খুনটা এই খুনেরই করা নাকি অন্য কারো। কিন্তু দুজনের মারার ধরন অনেকটাই সেম। ক্যাথরিন যাওয়ার পর সে কিছু ফাইল খোলে। যেখানে সে একজন ডাক্তারের ব্যাপারে দেখতে পায় যার নাম ডক্টর ইডার। আসলে সে সিন্থিয়া আর রাকেল দুজনেই ডাক্তার। তো নিশ্চয়ই তার কিছু জানা আছে। এইজন্য সে তার কাছে কিছু কথা বলার জন্য যায়। কিন্তু ডাক্তার এটা বলে পরিষ্কার মানা করে দেয় সে নিজের পেশেন্টের পার্সোনাল ইনফর্মেশন কাউকে দেয় না। তাই তাদের এখান থেকে চলে যাওয়া উচিত। কারণ দাঁড়িয়ে থেকে কোন লাভ নেই। সেও বুঝতে পারে যে এখান থেকে কোন লাভ নেই। কিন্তু সেই রাতেই তার হাতে আরো কিছু জিনিস আসে, যেটা ওই খুনিকে ধরার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তো ব্যাপারটা হলো যে ডক্টর ইডারের আর নামের কোন এক লোকাল বিজনেসম্যানের সাথে বেশ পুরনো সম্পর্ক আছে। আর সেই বিজনেসম্যান ফেড্রিক নামের এক ব্যক্তির সাথে কয়েক বছর আগে একটা কোম্পানি নিয়েছে। এবার তোমরা ভাবছো হয়তো যেইসব এর মধ্যে এই জিনিসগুলোর কি সম্পর্ক? তো আসলে ফেড্রিকের স্ত্রী আর কেউ নয় বরং লাইলা ছিল। আর এই কানেকশনটাই তাকে ফেড্রিকের সাথে দেখা করতে বাধ্য করে। সে খুব চালাকির সাথে ফেড্রিকের সাথে মিটিং ফিক্স করে। সেই সময় সে তার স্ত্রীর ব্যাপারে অনেক কিছু জিজ্ঞেস করে। ফেড্রিক জানায় যখন তার স্ত্রীর খুন হয় তখন রাফ্ট নামের এক ডিটেকটিভ সেই কেসের পেছনে খুব শক্তভাবে লেগেছিল। কিন্তু একদিন তার লাশ তার গ্যারেজেই পাওয়া যায়। ডিপার্টমেন্ট সুইসাইড বলে কেসটাকে ক্লোজ করে দেয়। কিন্তু আমার এমনটা মনে হয় না। কারণ আমি রাফ্টকে খুব ভালোভাবে জানতাম। ওই মানুষটা নিজেকে শেষ করতে পারে না। এবার এখানে আরও একটা দিক জুড়ে যায়। এইজন্য এবার হ্যারি রাফ্টের ব্যাপারে ইনফরমেশন নেওয়া শুরু করে। কিছুক্ষণ পর সে জানতে পারে রাফ্ট বেশ ভালো একজন ডিটেকটিভ ছিল। কিন্তু তার বাড়ির অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। তাই সে কেবিনে থাকে তার মেয়ের সাথে যার নাম ক্যাথরিন। হ্যাঁ ক্যাথরিন। কেন ওই লাইলার কেসের পেছনে এত বেশি পাগল হয়ে আছে? কারণটা আসলে তার বাবার খুনিকে খুঁজে বের করা। এরই মধ্যে ক্যাথরিন যে অফিসে থাকে তার কাছে ডিপার্টমেন্টের একটা মেসেজ আসে। কিছুক্ষণ আগে রাকেলের ফোন অ্যাক্টিভ হয়েছে আর লোকেশন হল ডক্টর ইডারের বাড়ি। সে সাথে সাথেই তার বাড়িতে পৌঁছায় আর লুকিয়ে ভেতরে ঢুকে যায়। অন্য দিকে হ্যারি এখন সোজা ক্যাথরিনের বাবার কেবিনে পৌঁছে যায়। যাতে সে কিছু জিনিস নিজের চোখে দেখতে পারে। এদিকে ক্যাথরিন যখন বাড়িতে ঢোকে তখন সে চারপাশে পিন পথ নীরবতা অনুভব করে। যেন মনে হয় এখানে কেউ আগে এসেছে আর এখন সে সবকিছু নিজের সাথে নিয়ে চলে গিয়েছে। এরপর সে সামনের দিকে এগোই। সে কিছু পায়ের ছাপ দেখতে পায়, যেগুলো গ্যারেজের দিকে যাচ্ছে। সে সেদিকেই ঘুরে আর তারপর সে যা দেখে তাতে যেন তার আত্মা শরীর থেকে আলাদা হয়ে যায়। সেখানে ইডারের বডিটা থাকে। শুধু তার বডিটা থাকে, মাথা নয়। আর এভাবেই রাফ্টেরও মৃত্যু হয়েছে। আর সেই সময় তার হাতে থাকে একটা শর্টগান, যেটা দেখে সবার মনে হয় যে সে সুইসাইড করেছে। কিন্তু এত ভয়ংকর মৃত্যু কেউ নিজেকে কেন দিবে? মরার তো আরো সহজ উপায় আছে। এ ভয়ংকর দৃশ্য দেখে ক্যাথরিনের অতীতের সে ভয়াবহ মুহূর্তটা আবার তাজা হয়ে যায়, যেটা সে অনেক কষ্টে ভোলার চেষ্টা করছে। এবার এই খবরটা ডিপার্টমেন্ট পর্যন্ত পৌঁছায় আর সবাই সেখানে পৌঁছে যায়। সাথে হ্যারিও থাকে, তার টিমও থাকে। তারা সেই বাড়িটা খুব ভালোভাবে তল্লাশি করে। আর এই সময় তারা আরো একটা লাশ পায়, যেটা রাকেলের। এবার এখানে তো পুরো কেসটাই তাদের সামনে যেন খোলা বইয়ের মতো হয়ে যায়। সবার এমনটাই মনে হতে থাকে যে আসল খুনি অন্য কেউ নয় বরং ডাক্তার নিজেই। কারণ তার বাড়ির বাইরে শুধু একজন মানুষের পায়ের ছাপ আছে। মানে পরিষ্কার যে সে প্রথমে রাকেলকে মারে, তারপর নিজে গ্যারেজে এসে নিজের জান নেয়। ডিপার্টমেন্ট এই বিষয়ের উপর কেস ক্লোজ করে দেয়। আর সাথে ক্যাথরিনকেও সাসপেন্ড করে দেয়। কারণ সে অনেক কিছু প্রমাণ ডিপার্টমেন্টের কাছ থেকে লুকিয়েছে আর নিজের মতো করে সেই কেসটা সলভ করার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনায় সে পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। তার এখনো এটাই মনে হতে থাকে যে সবকিছু ওই খুনি ইচ্ছে করে করছে। এটা কোন প্রথমবার হয়নি, বরং সে আমার বাবার সাথেও এমনটা করেছে। যাতে সবার মনে হয় যে তিনি নিজেই নিজের প্রাণ নিয়েছেন। কিন্তু আমি আমার বাবাকে চিনি, তিনি এমনটা কখনো করবেন না। আজও সে খুনি খোলা রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এখন কেই জানে পরের শিকার কে হবে? হ্যারি তাকে প্রমিস করে যে সে যেন ভয় না পায় কারণ সে তার বাবার খুনিকে খুঁজে বের করবেই। কিন্তু ক্যাথরিন এখন এই কাজটা নিজের কাঁধে তুলে নেয় আর সোজা আরভের কাছে পৌঁছায়। সে তাকে নিজের রূপের জালা ফাঁসিয়ে একা দেখা করার জন্য রাজি করিয়ে নেয়। কিন্তু তার আসার আগেই সে ওই পুরো ঘরটাই নিজের জাল বিছিয়ে রাখে। যাতে সে আসতেই তার খেল খতম করে দিতে পারে। কিন্তু তার আসার আগেই সেখানে খুনি চলে আসে যে ক্যাথরিনকে ধরে ফেলে। এবার সেও তার উপর হামলা করার পুরো চেষ্টা করে, কিন্তু এমনটা হতে পারে না। যার বদলে তার মৃত্যু হয়। শেষ খুনি তার আঙ্গুল কেটে নেয় আর সেটার সাহায্যে ল্যাপটপ খোলে আর যত প্রমাণ ছিল সেগুলোকে চিরদিনের জন্য ডিলিট করে দেয়। এখন এটা দেখে তোমরা আন্দাজ করতে পারছো যে খুনি এত সহজে সেই হাতে ধরা দিবে না। অন্য দিকে হ্যারি ঘুম থেকে উঠে জানালার কাছে যায়। তখন তার নজর নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ক্যাথরিনের গাড়ির উপর যায়। উপরে আমরা একটা স্নোম্যান বানানো দেখি। ভেতরে তার লাশ থাকে। এই কাজটা ওই খুনিরই যে হ্যারিকে মেসেজ দিতে চাইছে যে এখনো সুযোগ আছে পিছে যাও, না হলে তারও এমন পরিণতি হবে। এবার হ্যারি তার কাছের পার্টনারের মৃত্যুর রেগে আগুন হয়ে যায়। সে সাথে সাথে ডিপার্টমেন্টকে খবর দেয় আর ক্যাথরিনের ল্যাপটপও চেক করার চেষ্টা করে। কিন্তু সেটা তো একদম ফাঁকা থাকে। সবকিছু ডিলিট হয়ে গিয়েছে। তো হ্যারি বুঝে যায় যে তাকে আবার সবকিছু নতুন করে স্টার্ট করতে হবে। এইজন্য সে পৌঁছায় রাকেলের স্বামী ফ্লিপসের কাছে যাতে সে ওই কথাগুলো নিজের কানে শুনতে পারে। এ কথার ফাঁকে সে জানায় যে সে আর রাকেল দুজনেই কিছুদিন আগে একজন হরমোনাল ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল যার নাম ডক্টর হেড। এই নামটা শুনেই হ্যারির মনে পড়ে যায় এই নামটা তার এক্স ওয়াইফের বরের। সে সাথে সাথেই তাদের বাড়িতে লুকিয়ে চলে যায় আর খোঁজখবর করতে শুরু করে। সেই সময় সে কিছু পেপার পায় যেগুলো মৃত মহিলাদেরই যাদের একই পদ্ধতিতে মারা হয়েছে গত কয়েক বছর ধরে। আর সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো এর মধ্যে তাদেরও পেপার যার এখন মরতে চলেছে। পরের নাম্বারটা ছিল অ্যাঞ্জেলের। সাথে সাথে সে নিজের ডিপার্টমেন্টকে কল করে আর হেডের ব্যাপারে সমস্ত বায়োডাটা বের করতে বলে। কিছুক্ষণ পর আমরা জানতে পারি যে হেডের আসল নাম লিউক। যী হ্যাঁ লিউক সেই শুরুর দিকের ছেলেটা যার মা তার চোখের সামনেই মারা গিয়েছে। হ্যারি সাথে সাথেই তার পুরনো বাড়িতে যায়। যেখানে পৌঁছাতে সে দেখে লিউক অ্যাঞ্জেলের গলায় চাকু ধরে আছে আর সেখানেই তার ছেলেও আছে। দুজনেই অনেক বেশি ভয় পেয়ে যায়। তাদের এ অবস্থা দেখে হ্যারি নিজের বন্দুক নিচে নামিয়ে রাখে। কারণ সে জানে না ভেবে চিনতে যে কোন কিছু করে ফেলবে সে। এবার এখানে লিউক সে খেলাটাই খেলে যেটা কোন এক সময় তার বাবা খেলতো। কিন্তু সে তার থেকে আলাদা লেভেলের থাকে। সে হ্যারিকে বলে যে সে তাকে কিছু প্রশ্ন করবে। যদি সে তার উত্তরে সন্তুষ্ট না হয় তাহলে অ্যাঞ্জেলের ঘাড় তার শরীর থেকে আলাদা হয়ে যাবে। তুমি আমাকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারো। হ্যারির প্রথম প্রশ্ন থাকে আসলে সে সব কেন করছে? তখন লিউক তার জীবনের পাতা খুলতে শুরু করে। সে জানায় সে কখনো মা বাবার ভালোবাসা পায়নি। যদিও তার জানা থাকে যে তার বাবা তার মায়ের থেকে সবসময় দূরে থাকে। কিন্তু মা তার মাকে নিজের প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবাসে, কিন্তু শেষে আমার বাবার চেয়ে বেশি স্বার্থপর। তার নিজের স্বামীর চিন্তা থাকে কিন্তু আমার একটুও থাকে না। যখন সে তাকে ছেড়ে যায় তখন তার এমনটা মনে হয় যে সে পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে। আমার বারণ করার সত্ত্বেও সে গাড়ি থেকে বাইরে বেরোয় নি এবং নিজের প্রাণ দিয়ে দেয়। কিন্তু আমার কি? আমি তো একা হয়ে গিয়েছি। তার পর সে সময় থেকে আমার ভেতরে একটা আগুন জন্ম নেয়। আর সেটা নেবানোর জন্য আমি ওই মহিলাদের মারা শুরু করে দিই যারা নিজেদের কাজকে নিজেদের জীবনকে বেশি গুরুত্ব দেয় নিজেদের বাচ্চাদের নয়। এমন করে আমি অনেক মহিলাদের মেরে ফেলেছি। এবার এর আগে সে নিজের প্রশ্ন করে হ্যারি নিজের মনে ভেবে নেয় যে তাকে কিছু না কিছু করতেই হবে। সঠিক সময় দেখে সে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এবার দুজনেই হাতাহাতি শুরু হয়। কিন্তু লিউক বেশি দূর পর্যন্ত টিকতে পারে না। কারণ হ্যারি একজন ট্রেন্ড ডিটেকটিভ। এইজন্য সে তার থেকে দূরে পালাতে শুরু করে আর তারপর একটা জায়গায় গিয়ে গায়েব হয়ে যায়। তখন হ্যারি চিৎকার করে বলে যে সে আজ পালাতে পারবে না। তখন হঠাৎ একটা গুলি চলে যেটা সোজা হ্যারির কাঁধে গিয়ে লাগে। এই কাজটা লিউকের থাকে যে এখন বাইরে চলে আসে। কারণ তার মনে হয় যে হ্যারি মরে গিয়েছে। কিন্তু সে সামনে এগোতেই তার পা একটা পাতলা বরফের উপর পড়ে। সেটা ভুলে গিয়েছে যে যে জায়গায় সে দাঁড়িয়ে আছে সেটা আসলে একটা ফ্রোজেন লেক। নিজের মায়ের মতোই সেও তার মধ্যে ডুবতে শুরু করে। হ্যারি চাইলেও তাকে বাঁচাতে পারতো আর আইনের হাতে তুলে দিতে পারে। কিন্তু সে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে না। কারণ সে ওই মৃত্যুরই যোগ্য। ফিরে এসে হ্যারি তার পরিবারের সাথে দেখা করে আর তাদেরকে বুকে জড়িয়ে নেয়। আর এখানেই এ মুভির সমাপ্তি ঘটে।

Need another transcript?

Paste any YouTube URL to get a clean transcript in seconds.

Get a Transcript